Tag: লাইফস্টাইল

  • হার্ট ভালো রাখুন

    হার্ট ভালো রাখুন

    নিত্যদিনের স্ট্রেস, জাঙ্ক ফুডপ্রীতি, সেডেনটারি লাইফস্টাইল ইত্যাদির প্রভাব শরীরের এই বিশেষ অঙ্গের ভাল থাকা আজকাল সত্যিই দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। ফলস্বরুপ যে কোনও বয়সের হানা দিচ্ছে হৃদযন্ত্রের নানা জটিল অসুখ। হার্টের বিভিন্ন ঝুঁকির কারন ও হার্ট ভালো রাখার টিপস নিয়ে আলোচনায় কনসালটেন্ট কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ শুভানন রায় বলেন-

    হার্টের জন্য রিস্ক ফ্যাক্টর

    হার্টের অসুখের ক্ষেত্রে মূলত ৫ টি রিস্ক ফ্যাক্টর রয়েছে। সেগুলি হল-

    ১. উচ্চ রক্তচাপঃ এই সমস্যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকারক। এতে হার্টের রক্তবাহী ধমনি তথা হার্টের উপর চাপ পড়ে।

    ২. ব্যক্তিগত পারিবারিক ইতিহাসঃ যাদের একবার কোনও হার্টের সমস্যা হয়েছে বা হার্টের সমস্যার কোনও পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে হার্টের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা অন্যান্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

    ৩. ধূমপানের অভ্যাসঃ যারা নিয়মিত ধূমপান করেন (তা অল্পই হোক বা বেশি), তারাও কিন্তু হাই রিস্ক গ্রুপের আওতায় পরেন।

    ৪. ডায়বেটিসঃ উচ্চ রক্তচাপের মতো ডায়বেটিসও হার্টের পক্ষে ক্ষতিকারক। যাদের ডায়বেটিস রয়েছে, তারা নিয়মিত চেক-আপে থাকুন।

    ৫. ওবিসিটিঃ ওজন অতিরিক্ত হলে শরীরে ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেশি থাকা স্বাভাবিক। তাই ওবিসিটির সমস্যা থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করুন।

    প্রতিরোধের উপায়ঃ

    যাদের পরিবারের কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট বা হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস আছে, তাদের খুব ছোটবেলাতেই কার্ডিয়াক অ্যাসেসমেন্ট করা প্রয়োজন। ছোটবেলাতেই অসুখ ধরা পড়লে তার চিকিৎসা দ্রুত করা সম্ভব। হার্টের অসুখ প্রতিরোধ করার জন্য সঠিক জীবনযাত্রার খুব বড় ভূমিকা রয়েছে।

    নিয়মিত শরীরচর্চা, ছোট বয়সে খেলাধূলা, জাঙ্কফুড আসক্তি থেকে সরে আসা, ডায়েটে শাকসবজি ও ফল (বিশেষ করে মৌসুমী ফল) রাখা, মাছ, বাদাম, মুরগী খাদ্যতালিকায় রাখা, রেড মিট পরিহার করা ইত্যাদি খাদ্য তালিকার মাঝে রাখতে হবে এবং হার্টের জন্য ক্ষতিকর জীবন অভ্যাস ও হার্টের জন্য ক্ষতিকর খাদ্য বাদ দিতে হবে।

    সুস্থ হার্ট রক্ষায় টিপসঃ  

    • ব্যাড কোলেস্টেরল হার্টের অন্যতম প্রধান শত্রু। তাই খাওয়াদাওয়ার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিন। জাঙ্ক ফুড যতোটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
    • রান্নায় সঠিক তেল বাছুন। ঘি এবং মাখনের পরিবর্তে অলিভ অয়েল, সয়াবিন তেল অথবা সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।
    • নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস রাখুন। প্রতিদিন সিড়ি ওঠানামা করা হাঁটা ,সাইক্লিং, হালকা জগিং, ইত্যাদির অভ্যাস থাকলে ভাল।

    তথ্যসূত্রঃ হেলথ.গভ

  • রেডি মসলায় গরুর মাংসের কালা ভুনা

    রেডি মসলায় গরুর মাংসের কালা ভুনা

    উপকরণ: গরুর মাংস-২ কেজি, আদা বাটা-২ টেবিল চামচ, রসুন বাটা-দেড় টেবিল চামচ, পেয়াজ বেরেস্তা-১/২ কাপ, রাধুনী কালা ভূনা মশলা-বড় প্যাকেটের মশলা, কালো গোল মরিচ গুড়া-১/২ চা চামচ, লাল মরিচ গুড়া-১ টেবিল চামচ, ভাজা জিরা গুড়া-১ চা চামচ, টকদই-১/২ কাপ, ডার্ক সয়াসস-৩ টেবিল চামচ, লবণ-পরিমাণমতো, সরিষার তেল-১/২ কাপ, সয়াবিন  তেল-১/৪ কাপ, পানি-২ কাপ, গরম মশলা গুড়া-১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ-৭/৮ টি, হলুদ গুড়া-  ১/২ চা চামচ, তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ,  দারুচিনি পরিমান মত।

    রেডি মসলায় গরুর মাংসের কালা ভুনা

    প্রস্তুত প্রণালি: মাংসের পানি ভালো করে ঝরিয়ে নিতে হবে। তারপর মাংসের মধ্যে কালা ভুনা বড় প্যাকেটের মশলা দিতে হবে। লাল মরিচ গুড়া, গোল মরিচ গুড়া, ভাজা জিরা গুড়া, হলুদ গুড়া, টকদই, সয়াসস,  তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, আদা বাটা, রসুন বাটা,  পেয়াজ বেরেস্তা, লবন,  সয়াবিন তেল, গরম মশলার গুড়া ও ২ কাপ পানি দিয়ে মাখিয়ে মাংস রাখতে হবে প্রায় ১ ১/২ ঘন্টা। এরপর মাংসের মধ্যে কালা ভুনা মশলার ছোট প্যাকেটের মশলা দিতে হবে। অন্য পাত্রে ১/২ কাপ সরিষার তেল দিয়ে তারমধ্যে  কাঁচা মরিচ ও পেয়াজ কিউব করে কেটে সামান্য ভেজে মাংস ঢেলে দিতে হবে। এখন মাংসের মধ্যে গরম মশলা গুড়া দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম গরম পরিবেশন করতে হবে খিচুড়ি, পোলাও, ভাত বা রুটি পরোটার সাথে।

    রেসিপি দিয়েছেন: কানিজ ফারজানা আইভি

  • পরিবেশবান্ধব অফিস স্মার্ট অফিস

    পরিবেশবান্ধব অফিস স্মার্ট অফিস

    আজকাল চারদিকে প্রচুর ধুলো-ধোঁয়া-দূষণ, সাথে আছে গ্লোবাল ওয়র্মিংয়ের গরম মেজাজ। তার মাঝে সবুজ বাঁচানোর উদ্যোগটা বজায় রাখা খুবই জরুরি। অফিসগুলো যেন প্রানহীন শুধু আসবাবপত্র আর ইলেকট্রনিক্স জিনিসে ঠাসা। এর মাঝে যেন শ্বাস নেয়াটাও কৃত্রিম মনে হয়। কিন্তু আপনার থেকেই শুরু হতে পারে কিছু ছোট ছোট পরিবর্তন। আর সেই উদ্যোগটা যদি নিজের অফিস ডেস্ক থেকেই শুরু করা হয়, তাহলে খুবই ভাল। আপনি যদি ডেস্কে কাজ করেন তাহলে আশপাশের জায়গাটা গড়ে তুলতে পারেন ইকো ফ্রেন্ডলি জ়োন হিসেবে। খুব বেশি পরিশ্রম করার প্রয়োজন নেই। ছোটখাটো কয়েকটা পরিবর্তনই আপনার চারপাশের আবহে নিয়ে আসতে পারে সবুজের ছোঁয়া।

    পরিবেশবান্ধব অফিস স্মার্ট অফিস

    • কাগজের ব্যবহার যতটা পারেন, কম করুন। এখনও সব অফিসে পুরোপুরি ডিজিটাল ফরম্যাটে গড়ে তোলা সম্ভব হয়ে উঠেনি। সেজন্য, অপ্রয়োজনে প্রিন্ট আউট নেবেন না। কাজ ফুরোলে সেই প্রিন্টেড কাগজগুলো ডাস্টবিনে ফেলে দেবেন না। প্রিন্ট আউটের উলটোদিকের অংশটা নোট লেখার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে কিছুটা কাগজ সাশ্রয় হবে। আবার কাগজের ব্যবহার কমানোর জন্য নোট, মিটিং শিডিউল বা প্রজেক্টের পয়েন্ট মোবাইলেও সেভ করে রাখতে পারেন।
    • ওয়ানটাইম পেপার বা প্লাস্টিক কাপের বদলে কফি মগে চা খান। অফিসের টি মেকিং মেশিনে সাধারণত পেপার কাপই দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি চাইলে বাড়ি থেকে কফি মগ এনে রাখতেই পারেন অফিসে। একই মগ অনেকদিন ব্যবহার করা যাবে।
    • নিজের ডেস্ক যথাসম্ভব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। খুব ভাল হয়, যদি ডেস্কে ছোট একটা গাছ রাখতে পারেন। সবুজের ছোঁয়ায় আপনি উৎফুল্ল হয়ে প্রতিদিনের কাজ করতে পারবেন। গাছ রাখলে যত্ন করতে ভুলবেন না। অফিসে কাজের ফাঁকে পাঁচ মিনিট তো গাছের যত্নে দেওয়া যেতেই পারে। অন্য কলিগকে উপহার দেওয়ার জন্যও গাছ ভাল অপশন। তারাও উৎসাহ পাবেন ইকো ফ্রেন্ডলি পরিবেশ তৈরিতে। এতে অফিসে কৃত্রিমতা কিছুটা হলেও দূর হবে।
    • এমনিতে কর্পোরেট অফিস বা হাসপাতালগুলোতে বেশিরভাগ সময়েই কৃত্রিম আলোর নীচে কাজ করতে হয়। কিন্তু ন্যাচরাল লাইট অফিসের ভিতরে পৌঁছানো প্রয়োজন। যদি অফিসে সেন্ট্রালাইজড এ.সি না থাকে, তাহলে মাঝেমধ্যে সূর্যের আলো পৌঁছনোর জন্য জানলা খুলে দিন। অফিসে সঠিক ভেন্টিলেশন থাকাও জরুরি।

    পরিবেশবান্ধব অফিস স্মার্ট অফিস

    • ওয়াশরুমে কাজ হয়ে গেলে অযথা জলের অপচয় করবেন না। খেয়াল রাখুন সবকয়টি কল যেন বন্ধ থাকে। গোটা বিশ্বেই পানির সংকট। পানি সাশ্রয় করা জরুরি।
    • যদি বেশ কিছুক্ষণের জন্য নিজের ডেস্ক ছেড়ে ওঠেন, তাহলে মনিটর অফ করে রাখুন। স্ক্রিন সেভার লাগাবেন না। এতে বিদ্যুতের অপচয় অনেকটাইবন্ধ করা যাবে।
    • অফিস কর্ণারগুলো ডেকোরেট করতে পারেন বিভিন্ন ইনডোর প্লান্ট দিয়ে। এতে গ্রীন কর্নারের পাশাপাশি অফিসের ভেতরের বাতাসকেও শুদ্ধ করা যাবে। ইনডোর প্লান্টের মধ্যে রাখতে পারেন- লাকি ব্যাম্বু, পিস লিলি, জেড প্লান্ট, জিজিপ্লান্ট, মানিপ্লান্ট, স্ন্যাক প্লান্ট ইত্যাদি।
    • স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমেও গ্রীন অফিস তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। যেমন সেন্সর বিশিষ্ট লাইট, এনার্জি সেভিংস এসি, এনার্জি সেভিংস রেফ্রিজারেটর , টিভি, ওভেন ইত্যাদি।

    তথ্যসূত্রঃ ডব্লিউবিউড

  • কড়াই চিকেন

    কড়াই চিকেন

    উপকরণ: মুরগীর মাংস -১ কেজি পছন্দ মত টুকরো করে কাটা, তেল-২ টেবিল চামচ, টক দই-২ টেবিল চামচ, টমেটো টুকরা হাফ কাপ, রসুন বাটা-১ টেবিল চামচ, আদা বাটা-১ টেবিল চামচ, পিঁয়াজ বড় সাইজের-২টা কুঁচি করে কাটা, গরম মশলা-২ চা চামচ, ধনে গুড়া-১ চা চামচ, শুকনা মরিচ গুড়া-১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো-১/২ চামচ, পুদিনা পাতা পেস্ট- আধা চা চামচ, জয়েত্রি পোস্ত বাটা-হাফ চাচামচ, কাজু বাদাম বাটা-২ চা চামচ, অল্প কমলা রং (ফুড কালার) চাইলে এটা বাদ দিতেও পারেন, ধনে পাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদ অনুযায়ী

    কড়াই চিকেন

    প্রণালি: প্রথমে একটা বাটিতে টক দই এর সাথে রসুন বাটা, আদা বাটা, গরম মশলা গুড়া, পুদিনা পাতা পেস্ট, শুকনা মরিচ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, কাজু বাদাম বাটা, জয়েত্রি পোস্ত বাটা দিয়ে মিশিয়ে নিন।

    এবার মুরগির পিসগুলোকে লবণ আর অল্প কমলা রং দিয়ে মেখে রাখুন। প্যানে তেল দিন। তাতে এবার মুরগির পিসগুলা  হালকা করে ভেজে তুলে রাখুন। ওই প্যান আর একটু তেল দিয়ে পেঁয়াজ লাল করে ভাজুন। এবার ভাজা মুরগির পিসগুলা দিয়ে নাড়াচাড়া করে দই এর মিশ্রণ দিয়ে দিন।

    রান্না করুন ৫ মিনিট। এবার টমেটো কুচি আর ধনে পাতা কুচি সাথে একদম সামান্য পানি দিয়ে ঢাকনা লাগিয়ে কম আঁচে রান্না করুন ১০ মিনিট।

    এবার হয়ে এলে নামিয়ে সুন্দর করে একটি কড়াই ঢেলে সাজিয়ে  গরম গরম  পরিবেশন করুন দারুন স্বাদের ‘কড়াই চিকেন’

    রেসিপি দিয়েছেন: ফারজানা বাতেন

  • কালোজিরাঃ প্রাকৃতিক মহৌষধ

    কালোজিরাঃ প্রাকৃতিক মহৌষধ

    হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ সুস্থ থাকার জন্য এবং বহু রোগের নিরাময়ের জন্য এই খাবারটি ব্যবহার করে আসছে, সেটি হলো- “কালোজিরা” । প্রাকৃতিক মহৌষধ। এ বিষয়ে আমাদের আরো জানাচ্ছেন ডঃ মনিরুজ্জামান। আসুন জেনে নেই কালোজিরার নানাবিধ উপকারিতা সম্পর্কে-

    রোগ নিরাময় ক্ষমতাঃ

    কালোজিরার রয়েছে জাদুকরি নিরাময় ক্ষমতা। যেমন অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস, এলার্জিক রাইনাইটিস, ক্রনিক সর্দি-ঠান্ডা। কোল্ড এলার্জি। ডাস্ট এলার্জি, হাঁচি, শ্বাসকষ্ট যাদের লেগে থাকে, তারা যদি নিয়মিত কালোজিরা খান , দারুন উপকার পাবেন এই কালোজিরায়।

    অত্যন্ত শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্টঃ

    কালোজিরায় রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট। এবং এই এন্টি-অক্সিডেন্ট এমন একটি পদার্থ যা আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। এবং দেহকে নানারকম ক্ষতিকর পদার্থ ,নানারকম ফ্রি-রেডিক্যালের হাত থেকে রক্ষা করে। কালোজিরাতে যেসব এন্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায় তারমধ্যে থাইমোকুইন, কারভাক্রল, ট্যানেতথল ও ফোর-টারপিনিয়ন অন্যতম। এই সকল এন্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতা প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

    হার্টকে সুস্থ রাখেঃ

    কালোজিরা রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে সক্ষম। ক্ষতিকর এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং উপকারী কোলেস্টেরল এইচডিএল বাড়ায়। তাহলে নিয়মিত যারা কালোজিরা খাবেন, আপনার এলডিএল কম থাকবে, এইচডিএল বেশি থাকবে। এতে করে আপনি সহজেই উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাককে প্রতিরোধ করতে পারবেন।

    লিভারকে রক্ষা করেঃ

    কালোজিরা লিভারকে নানারকম ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করে। আপনি যা কিছুই খাননা কেন, ক্ষুদ্রান্ত থেকে তা রক্তে যায় এবং রক্ত থেকে লিভারে যায়। আপনার খাবারে যদি ক্ষতিকর পদার্থ থাকে, সেটা লিভারকে ক্ষতি করতে সক্ষম। এবং কালোজিরা লিভারকে এসকল ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করতে পারে।

    ব্লাড সুগার কমাতে সহায়কঃ

    কালোজিরা ব্লাড সুগার কমাতে সক্ষম। ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের সুগার একটা বিরাট সমস্যা। যখন আপনি নিয়মিত কালোজিরা খাবেন এতে করে ব্লাড সুগার কমাতে সাহায্য করবে। আপনি সুস্থ থাকবেন। কালোজিরার রয়েছে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল এক্টিভিটি। আপনি যখন রেগুলার কালোজিরা খাবেন এটি আপনার শরীরে এন্টি বায়োটিকের মতো কাজ করবে। এবং বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ থেকে আপনাকে রক্ষা করবে।

    পাকস্থলীর ঘা থেকে রক্ষাঃ

    নিয়মিত কালোজিরা খেলে ইহা অত্যন্ত কার্যকরভাবে পাকস্থলীতে ঘা হওয়া থেকে রক্ষা করে।

    একাধিক ক্যান্সার প্রতিরোধকঃ

    কালোজিরার রয়েছে এন্টি ক্যান্সার এক্টিভিটি। কালোজিরা একটি শক্তিশালী এন্টি ক্যান্সার ড্রাগ। আপনি যকখন রেগুলার কালোজিরা খাবেন আপনার বিভিন্নরকম ক্যান্সার থেকে প্রতিরক্ষা দিতে সক্ষম। এরমধ্যে আছে – ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্যানক্রিয়াটিক ক্যান্সার, লাং ক্যান্সার, সার্ভাইকাল ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার, স্কিন ক্যান্সার এবং কোলন ক্যান্সার অন্যতম।

    ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করেঃ

    সর্বোপরি, কালোজিরা আপনার ইমিউন সিস্টেমকে দারুনভাবে শক্তিশালী করে। আমরা সুস্থ থাকি যখন ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়। অসুস্থ হই যখন ইমিউন সিস্টেম দূর্বল হয়। সবচেয়ে ভালো যখন আপনি ভিতর থেকে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে কালোজিরা দারুন গুরুত্বপূর্ণভূমিকা পালন করতে পারে।

    মহানবী (সা) ১৪৫০ বছর পূর্বে বলে গেছেন- “মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের ঔষধ হচ্ছে কালোজিরা” – আয়েশা(রা);বোখারী। এখনকার কালের গবেষকরা গবেষণা করে বলছে, এই হাদীসটি অত্যন্ত সত্য। আপনি যদি সত্যি সত্যি সুস্থ থাকতে চান। প্রতিদিন আধা চা চামচ কালোজিরা খান। চিবিয়ে, ভর্তা বা পাউডার করে খেতে পারেন। কিছুদিন পর আপনি উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন যে, আপনার সুস্থতার পরিমাণ বাড়ছে এবং অসুস্থতার হার কমছে। এভাবেই আপনি সুন্দর, কর্মময়, দীর্ঘ জীবনের দিকে এগিয়ে যাবেন।

    তথ্যসূত্রঃ কোয়ান্টাম

  • চিংড়ি বিরিয়ানী

    চিংড়ি বিরিয়ানী

    উপকরণ: পোলাওর চাল-১ কেজি, চিংড়ি মাছ-আধা কেজি, নারিকেল মিহি করে বাটা-১ কাপ, আদা ও রসুন বাটা-১ চা চামচ করে, গোটা কাঁচা মরিচ-৮/১০ টা, পেঁয়াজ বাটা- আধা কাপ, বাদাম বাটা-১ টেবিল চামচ, পেয়াজ কুচি-২ টেবিল চামচ, তৈল- আধা কাপ, মরিচ গুঁড়া-হাফ চা চামচ, গুঁড়া দুধ-২ চা চামচ, পানি পরিমান-পরিমান মত, তেজপাতা-২/৩ টা, এলাচ- ৪/৫ টা, দারুচিনি-২/৩ টুকরা, ঘি-এক টেবিল চামচ, লবন-স্বাদ মত, পানি-পরিমান মত।

    চিংড়ি বিরিয়ানী

    প্রণালি: চিংড়ির খোসা ছাড়িয়ে হলুদ লবন মাখিয়ে নিয়ে কড়াই চুলায় বসিয়ে তার মধ্যে তৈল দিয়ে চিংড়ি গুলো এক মিনিট ভেজে তুলে নিতে হবে। চিংড়ি ভাজা তেলের মধ্যেই পেয়াজ কুচি দিয়ে পেঁয়াজ গুলো বাদামি করে ভেজে তারমধ্যে পেঁয়াজ বাটা, আদা, রসুন বাটা, বাদাম বাটা, মরিচ গুঁড়া, তেজ পাতা, এলাচ, দারুচিনি, লবন দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে মসলাগুলো কষিয়ে নিতে হবে পাঁচ মিনিট। তারপর নারিকেল বাটা দিয়ে আবারো কষিয়ে নিতে হবে পাঁচ মিনিট। তারপর চিংড়ি গলো কষানো মসলার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে এবং মিনিট দুয়েক রান্না করতে হবে। চিংড়ি বেশী রান্না করতে হয় না। বেশী রান্না করলে ভেতরের রসালো ভাবটা চলে যায়।

    এর পর মাছগুলো উঠিয়ে নিয়ে ঐ কড়াইতেই চাল গুলো ভাল করে ভেজে নিতে হবে। তারপর পরিমান মত পানি দিয়ে দিতে হবে। এরপর গুঁড়োদুধ গুলো ঠান্ডা পানিতে গুলে নিয়ে চালের সাথে দিয়ে দিতে হবে এবং ঢাকনা দিয়ে রান্না করতে হবে ১৫/২০ মিনিট।

    পানি শুকিয়ে গেলে পোলাও হয়ে গেলে পোলাও দুই ভাগে ভাগ করে নিতে হবে তারপর চিংড়ি গুলো এবং কাঁচা মরিচগুলো বিছিয়ে দিয়ে আলাদা করে রাখা বাকি অর্ধেক পোলাও উপরে দিয়ে দিয়ে ঘি ছড়িয়ে দিয়ে দমে রাখতে হবে আরও দশ মিনিট। তারপর গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার চিংড়ি মাছের বিরিয়ানি।

    রেসিপি দিয়েছেন : তাসলিমা সুইটি

  • বিফ চিলি

    বিফ চিলি

    উপকরণ:( প্রথম ধাপ)

    গরুর মাংস পাতলা করে কাটা-৩৫০ গ্রাম, আদা ও রশুন বাটা-২ চা চামচ, সয়াসস-১ চা চামচ, লবন পরিমান মত, গোল মরিচ গুঁড়া পরিমান মত।

    প্রণালি: প্রথমে এ উপকরন গুলো একসাখে মিশিয়ে ৩০ মিনিট মেরিনেট করে রাখতে হবে! তারপর পরিমানমত পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে!

    উপকরণ: (দ্বিতীয় ধাপ)

    পেয়াজ ভাজে ভাজে খুলে নিতে হবে-দেড় কাপ, সবুজ  ক্যাপসিকাম-১ টি, টমেটো-২/৩ টি, রশুন কুচি-৮/১০ কোয়া, লাল মরিচ কুচি-৩/৪ টা, ফিশ সস, সয়া সস, টমেটো কেচাপ, করণফ্লাওয়ার, পেয়াজ কলি, কাঁচা মরিচ আস্ত ৭/৮ টা, চিনি, লবন।

    বিফ চিলি

    প্রণালি:

    প্যানে তেল ছেড়ে প্রথমে রশুন এবং লাল মরিচ কুচি দিয়ে ভাজতে হবে , একটু হাই হিট এ! গন্ধ বের হলে পেয়াজ গুলা দিতে হবে ২/৩ মিনিট নেড়ে টমেটো দিতে হবে টমেটো একটু মজে আসলে সেদ্ধ গরুর মাংস টা দিতে হবে। পরিমান মত ফিশ সস, সয়া সস, টমেটো কেচাপ, অল্প চিনি দিতে হবে। যেহেতু সসে অনেক লবন থাকে তাই লবন টা স্বাদবুঝে দিতে হবে। ভাজার পরে হবে এরপর ক্যাপসিকাম,  পেয়াজ কলি দিতে হবে, আস্ত কাচা মরিচ দিতে হবে ভাজা হলে অল্প পানি দিতে হবে। যখন স্বাদ ঠিকঠাক লাগবে, এক টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার ঠান্ডা পানি তে গুলে দিয়ে দিতে হবে। পুরা রান্নায় ঢাকনা ব্যবহার করা যাবে না। এতে রং নষ্ট হয়ে যায় !  কর্ন ফ্লাওয়ার দিয়ে একটু ঝোল ঘন হয়ে গেলে ই ব্যস। তৈরী হয়ে গেলো মজার স্বাদের বিফ চিলি।

    রেসিপি দিয়েছেন: শাহানা মুসাঈদা জেসী

  • শিশুর খাবারে অরুচি দূর করতে ৮ টি উপায়

    শিশুর খাবারে অরুচি দূর করতে ৮ টি উপায়

    দিন দিন শিশুর ক্রমশ স্বাস্থ্যহানি দেখে আপনি টেনশন এ পড়ে গেছেন। ভাবছেন, আপনার আদরের বেবিটা আগের মত আর খাচ্ছে না, রোগাটে হয়ে যাচ্ছে। মুখের সামনে খাবার ধরলে হাত দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছে। আবার মাঝে মাঝে এটাও বলে “এই খাবার আমার পছন্দ না। আমি এটা খাব না।”

    যাই হোক, শিশু খেতে চাচ্ছেনা, কী করলে সে ঠিকমত খাবে, কিভাবে বাচ্চাকে খাওয়ানো দরকার – এসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞরা। রুচি ফেরানোর ৮টি উপায়ের কথা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

    ১. চেষ্টা করবেন কিছুটা ভারি খাবার দিয়ে সকাল বেলা বাচ্চাকে ব্রেকফাস্ট করাতে। বয়স অনুযায়ী খাবার নির্ধারন করুন এবং পুষ্টিকর খাবার রাখুন। সেটা হতে পারে বিভিন্ন ডাল সবজী দিয়ে নরম খিচুড়ি, ভাত, ডিম, সাবুদানা, ওটস, সুজি কিংবা অন্যকিছু।

    ২. বাচ্চার পর্যাপ্ত শারীরিক এক্টিভিটি নিশ্চিত করুন। শারীরিক বিকাশে খেলাধূলা করার সুযোগ দিন অথবা নিজের কাজগুলোর মধ্যে সহজ কাজগুলো করতে শেখাবেন। এতে করে বাচ্চা আত্মবিশ্বাসী হয়ে বড় হবে। আবার শারীরিক কাজের কারনে ক্লান্তি ও ক্ষুধাও বৃদ্ধি পাবে।

    ৩. অনেক মায়েদের দেখা যায় অতিরিক্ত খাবার খাওয়ান বা জোর পূর্বক খাওয়ান এতে অরুচির কারন তৈরি হতে পারে। ঘনঘন খাবার দেয়া বন্ধ করুন। তাক ক্ষুধা অনুভব করতে দিন। বাচ্চা কান্না করলেই যে ক্ষুধা লেগেছে এমন নয়। অন্যকোনো সমস্যা অথবা এটেনশন বৃদ্ধি করতেও একটি বাচ্চা কান্না করতে পারে।

    ৪. আয়রন বা ভিটামিন ডি এর অভাব থেকে বাচ্চার অরুচি হতে পারে। বাচ্চাকে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ান। প্রতিদিন বেলা ৮-১২টা পর্যন্ত কিছুটা সময় বাচ্চাকে রোদের সংস্পর্শে রাখার চেষ্টা করুন।

    ৫. শরীরে পানির অভাব হলে শিশুরা তাদের ক্ষুধা বুঝতে পারে না। তাই শিশুকে নানাভাবে পানি বা পানিজাতীয় নানা খাবার খাওয়াতে হবে। বাচ্চাকে কখনো প্রসেস ফুড খাইয়ে অভ্যাস করবেন না। চিপস, চকলেট, আইসক্রিম বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

    ৬. গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু মানসিকভাবে চাপে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে খাবারে অরুচির সমস্যাটি বেশি। তাই খাবার বা অন্য যে কোনো বিষয় নিয়ে শিশুকে কোনোভাবে মানসিক চাপের মধ্যে রাখা যাবে না। শিশু যা-ই করবে তা যেন আনন্দের সঙ্গে করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

    ৭. বাচ্চার রুচি ফেরাতে মাঝেমাঝে খাবারের উপাদানে কিংবা রান্নায় বৈচিত্র আনুন। এবং বাচ্চা না খেলে জোর করে খাওয়ানো অথবা বারবার খাওয়ানোর জন্য চাপ দেয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে করে তার খাবার খাওয়ার প্রতি আরো অরুচি তৈরি হতে পারে। মনে রাখতে হবে প্রতিটি মানুষের মতো একটি বাচ্চারও ভালো লাগা খারাপ লাগার অনুভূতি আছে। তাকে বুঝতে চেষ্টা করে খাওয়ানোর প্রতি আগ্রহী করুন।

    ৮. গ্যাস, কৃমি, কষা বা কোন সংক্রামক রোগের কারণে তার খাদ্যে অরুচি হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করে দরকারি ব্যবস্থা নিন।

    তথ্যসূত্রঃ টিংটংটিউবহেলথ

  • ঘরোয়া বিফ রেজালা

    ঘরোয়া বিফ রেজালা

    আসছে মুসলিম উম্মাহ’র আরেক উৎসব। এই ঈদেও আমরা আমাদের সাধ‍্যমতো চেষ্টা করি মেহমান আপ‍্যায়ন করতে।  এবারের ঈদে তাই আমার এই রেসিপিটা ও আপনি আপনার টেবিলে রাখতে পারেন। আমার রেসিপির নাম ঘরোয়া বিফ রেজালা।

    উপকরণ: গরুর মাংস-১ কেজি, আদাও রসুন বাটা-১টেবিল চামচ করে, হলুদগুঁড়া- ২ চা চামচ, মরিচগুঁড়া-২ চা চামচ, ধনেগুঁড়া-২ চা চামচ, জিরাগুঁড়া- ২চা চামচ, পেয়াজ-২ টা বড়, কাচামরিচ-৫/৬ টা, এলাচ-৪ টা, দারচিনি-২ টুকরা, তেজপাতা-২ টা, তেল-হাফকাপ, বাদামবাটা-২ চা চামচ, বেরেস্তাবাটা-২ চা চামচ, টক দৈ-৪ চা চামচ, জায়ফল বাটা-হাফ চা চামচ, জৈত্রি বাটা-            হাফ চা চামচ, গুড়াদুধ-১ টেবিল চামচ, ঘি-১ টেবিল চামচ

    ঘরোয়া বিফ রেজালা

    প্রস্তুত প্রণালি: মাংস পরিষ্কার করে কেটে ধুয়ে ১ টি পাত্রে রাখতে হবে। তারপর  উল্লেখ্যিত  মসলা সব  দিয়ে ভালো ভাবে হাত মেখে নিন। তারপর চুলায় দিতে হবে। ভালো করে কষানোর পর তেল উপরে আসলে বাদাম বাটা বেরেস্তা বাটা ও টক দৈ দিয়ে দিন। আবার ভালো ভাবে নেড়ে দিতে হবে এবং কষাবো তারপর  তেল উপরে আসলে পরিমাণ মতো গরম পানি দিব। সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত চুলায় থাকবে।  এরপর নিজের পছন্দ অনুযায়ী ঝোল রেখে তাতে দুধ ও ঘি দিয়ে নামিয়ে নিয়ে গরম গরম  পরিবেশন করুন দারুণ মজার ঘরোয়া বিফ রেজালা।

    রেসিপি দিয়েছেন: মাহফুজা মজুমদার।

  • কাচ্চি বিরিয়ানি

    কাচ্চি বিরিয়ানি

    উপকরণ: ১ কেজি মাংস-(খাসি), লবণ-স্বাদমতো, দেড় টেবিল চামচ করে আদা বাটা ও রসুন বাটা, আধা কাপ টকদই, জর্দার রং বা জাফরান (পছন্দমতো), আধা চা চামচ দারুচিনি গুড়ো, আধা চা চামচ এলাচ গুড়ো, ৩/৪ টি লবঙ্গ, ১-চিমটি জয়ত্রী, ১/৮ চা চামচ জিরা গুড়ো, আস্ত দারুচিনি-২ খণ্ড, চিনি-১ চা চামচ, গোলমরিচ গুড়ো-আধা চা চামচ, পেস্তা বাদাম-১ মুঠো, ৩ টি তেজ পাতা, আলু (৪ খণ্ড করে কাটা)-২ টি, পেঁয়াজ বেরেস্তা-পরিমাণ মতো, পোলাওয়ের (তুলশীমালা চাল, কালিজিরা চাল, চিনিগুড়া চাল ইত্যাদি) চাল-আধা কেজি (বাসমতী হলে ভালো হয়)।

    কাচ্চি বিরিয়ানি

    প্রণালি: মাংস রান্না করার আগে ভালো করে ধুয়ে লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন কয়েক ঘণ্টা মাংস লবণে থাকার কারণে নরম হয়ে যাবে এবং সহজে সেদ্ধ হবে। এরপর ধুয়ে রান্না করবেন। এরপর দইয়ে দারুচিনি ও এলাচি গুড়ো, জর্দার রং মিশিয়ে দই মাংসে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর জয়ত্রী, গোলমরিচ, আদা-রসুন বাটাসহ বাকি সব মসলা মাংসে দিয়ে মাংস ভালো করে মেখে নিন। চাল পানিতে আলাদাভাবে সেদ্ধ করে নিন। পেঁয়াজ বেরেস্তা করে নিন ও সাথে আলুর টুকরাগুলো ভেজে নিন। এরপর মসলা মাখানো মাংস রান্নার পাত্রে ঢেলে সাজিয়ে নিন। তার ওপর ভাজা আলু ও পেঁয়াজ বেরেস্তা ছড়িয়ে দিন। এবার মাংসের ওপরে সেদ্ধ চাল সমান করে বিছিয়ে নিন। পাত্রটি চুলায় বসিয়ে দিন এবং পাত্রের মুখে ঢাকনা দিয়ে চারপাশ আটা দিয়ে বন্ধ করে দিন যাতে ভাব বাইরে না বেড়িয়ে যেতে পারে। তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে কাচ্চি বিরিয়ানি। এরপর মুখের ঢাকনা খুলে একটি নাড়ুনি দিয়ে এক দুইবার হালকা ভাবে নেড়ে মাংসের সাথে চাল মিশিয়ে নিন। হালকা ভাবে নাড়বেন, তা না হলে চাল ভেঙে যাবে। তৈরি হয়ে গেলে পরিবেশন করুন ‘কাচ্চি বিরিয়ানি’

    রেসিপি দিয়েছেনঃ লাভলী লিপি