Category: প্রযুক্তি

  • বিশ্বে বায়ুদূষণে ঢাকা শহরের অবস্থান আজ দ্বিতীয়

    বিশ্বে বায়ুদূষণে ঢাকা শহরের অবস্থান আজ দ্বিতীয়

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৫ এপ্রিল, ২০২৪: বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে বিশ্বে আজ বায়ুদূষণের ঢাকা শহরের অবস্থান দ্বিতীয়।  এই তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। সোমবার (১৫ এপ্রিল) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৬ মিনিটে সংস্থাটি রাজধানী ঢাকার এই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।

    তালিকার শীর্ষে থাকা দিল্লির দূষণ স্কোর ১৯৬ অর্থাৎ সেখানকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। এরপর রয়েছে রাজধানী ঢাকা। এই শহরটির স্কোর ১৯৩ অর্থাৎ এখানকার বায়ুর মানও অস্বাস্থ্যকর। একই অবস্থানে রয়েছে চীনের বেইজিং।

    স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

    দক্ষিণ এশিয়ায় বায়ুদূষণ দিনদিন আরও ভয়ংকর হয়ে উঠছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কোটি কোটি মানুষের জীবন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টায় সমন্বয়ের অভাব এই সমস্যার মূল কারণ।

    এই অবস্থায় চিকিৎসকরা মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন।

  • বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবেনা আগামীকালের সূর্যগ্রহণ

    বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবেনা আগামীকালের সূর্যগ্রহণ

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি  – ৭ এপ্রিল, ২০২৪: পূর্ণগগ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটবে আগামী সোমবার ০৮ এপ্রিল। তবে এই  সূর্যগ্রহণটি বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    তবে এটি দেখা যাবে পলিনেশিয়া, উত্তর আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ম্যাকারোনেশিয়া অঞ্চল।

    সোমবার গ্রহণটি ফ্রান্স পলিনেশিয়ার তুয়ামোতু দ্বীপপুঞ্জের উত্তরপূর্ব অংশ হতে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৯ মিনিট ৫০ সেকেন্ডে শুরু হবে।

    কুক আইল্যান্ডের ওমোকা সৈকত হতে উত্তরপশ্চিম দিকে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে ৬ টা ৮ মিনিট ৫১ সেকেন্ডে কেন্দ্রীয় গ্রহণ শুরু হবে।

    মেক্সিকোর নাজাস পৌরসভার উত্তর-পশ্চিমাংশে সর্বোচ্চ গ্রহণ হবে বেলা ১১টা ৩৮ মিনিট ৪৩ সেকেন্ডে।

    আয়ারল্যান্ডের ক্যাসলটাউন হতে দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরে সন্ধ্যা ৬টা বেজে ৩৫ মিনিট ২০ সেকেন্ডে কেন্দ্রীয় গ্রহণ শেষ হবে।

    পর্তুগিজের সান্তা ক্রুজ দ্বীপ হতে উত্তরপূর্ব দিকে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে সন্ধ্যা ৬টা বেজে ২৭ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডে গ্রহণ শেষ হবে।

  • তাইওয়ানে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ১ জনের মৃত্যু, আহত ৫০

    তাইওয়ানে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ১ জনের মৃত্যু, আহত ৫০

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৩ এপ্রিল, ২০২৪: তাইওয়ানে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৪। ভূমিকম্পের আঘাতে এখন পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আহত হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ। তাইওয়ানের সেন্ট্রাল ওয়েদার অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ২৫ বছরের মধ্যে দ্বীপটিতে আঘাত হানার এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

    ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল পর্যটন শহর হুয়ালিয়েন থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার (১১ মাইল) দক্ষিণে। আগামী দিনে ৭ মাত্রার একাধিক শক্তিশালী আফটারশক হওয়ার শঙ্কা রয়েছে বলে তাইওয়ানের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন।

    তাইওয়ানের সেন্ট্রাল ইমার্জেন্সি কমান্ড সেন্টার জানিয়েছে, ভূমিকম্পে অন্তত ২৬টি ভবন ধসে পড়ার পর লোকজন আটকা পড়ে। মধ্য তাইওয়ানের একটি মহাসড়কে ভূমিধস ও পাথর ধসে অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন। তাইওয়ান, জাপান এবং ফিলিপাইন সমস্ত ভূমিকম্প আঘাত হানার পর জারি করা সুনামি সতর্কতা বাতিল করেছে।

    তাইওয়ানে গত ২৫ বছরের মধ্যে এটি ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এর আগে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাইওয়ানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত আনে। তাতে ২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়।

    এদিকে জাপানের দক্ষিণাঞ্চলের দ্বীপগুলোতেও সুনামি সতর্কতা দিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর।

  • রাজধানীর বাংলামোটরে শব্দ দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি

    রাজধানীর বাংলামোটরে শব্দ দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৪ মার্চ, ২০২৪: শব্দ এমন এক শক্তি যা মানুষের শরিরে সরাসরি আঘাত করে ফলে, শব্দদুষণ আমাদেরকে নানা ধরণের স্বাস্থ্যগত ঝুকিতে ফেলে। আর রাজধানী ঢাকা যেহেতু যানজট সব সময় লেগে থাকে তাই এখানে শব্দদূষণ সবচেয়ে বেশি। তবে ঢাকায় এলাকা ভেদে শব্দের দূষণের মাত্রা বিভিন্ন ধরনের।

    রাজধানীতে দিনে সবচেয়ে বেশি শব্দদূষণ হয় বাংলামোটরে এবং রাতে সবচেয়ে বেশি লালবাগে। বাংলামোটর এলাকায় দিবাকালীন (সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা) সবচেয়ে বেশি শব্দ থাকে।

    এই সময়ে এই এলাকায় শব্দের মাত্রা ১০৩.৮ ডেসিবেল। অন্যদিকে রাত্রিকালীন (রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা) সময়ে শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি লালবাগে, যা ১০১.৫ ডেসিবেল।

    আজ সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে ‘ঢাকা মহানগরীতে শব্দদূষণের বর্তমান চিত্র ও করণীয়’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য তুলে ধরেন পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলনের (পরিজা) সভাপতি প্রকৌশলী মো. আবদুস সোবহান।

    তিনি জানান, গত দুই মাসে ঢাকা মহানগরীর ৪৫টি এলাকায় দিবা ও রাত্রীকালীন শব্দের মাত্রা পরিমাপ করা হয়েছে। জরিপকৃত এলাকাগুলোকে নীরব, আবাসিক, মিশ্র ও বাণিজ্যিক এলাকায় ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।

    জরিপের ফল তুলে ধরে পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক ও পরিজা’র সভাপতি আবদুস সোবহান বলেন, নীরব এলাকায় দিবাকালীন শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি সচিবালয় এলাকায়, যা ১০১.৭ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি ধানমন্ডি ল্যাবএইড এলাকায়, যা ১০১.৫ ডেসিবেল। মিশ্র এলাকায় দিবাকালীন শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি বাংলামোটরে, যা ১০৩.৮ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন শব্দের মাত্রা সবচেয়ে বেশি লালবাগ সেকশনে, যা ১০১.৫ ডেসিবেল।

    তিনি আরও জানান, নীরব এলাকায় দিবাকালীন শব্দের মাত্রা ৮৪.৫ থেকে ১০১.৭ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন ৯৬.৪ থেকে ১০১.৫ ডেসিবেল। আবাসিক এলাকায় দিবাকালীন ৮২.০ থেকে ৯১.০ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন ৮৩.০ থেকে ৯১.৬ ডেসিবেল। মিশ্র এলাকায় দিবাকালীন ৯১.০ থেকে ১০১.৫ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন ৮৯.০ থেকে ১০৩.৮ ডেসিবেল। বাণিজ্যিক এলাকায় দিবাকালীন শব্দের মাত্রা ৯২.০ থেকে ৯৭.০ ডেসিবেল এবং রাত্রিকালীন ৯১.০ থেকে ৯৯.০ ডেসিবেল।

    আবদুস সোবহান বলেন, বাংলামোটরে শব্দের মাত্রা ১০৩.৮ ডেসিবেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শব্দের মাত্রা ৮৬.০০ থেকে ৯৪.০০ ডেসিবেল। সচিবালয় এলাকায় শব্দের মাত্রা ৯৬.০০ থেকে ১০১.৭ ডেসিবেল।

    সভায় জনস্বাস্থ্য বিষেষজ্ঞ ও ডাকসুর সাবেক জিএস ডা. মোশতাক হোসেন বলেন, শব্দ সরাসরি স্বাস্থ্যকে আঘাত করছে। এটা আমাদের বোধশক্তি নষ্ট করে দিচ্ছে। শব্দের মাত্রা যদি অনেক বেশি হয়, তাহলে শুধু শ্রবণের ক্ষতি না, উচ্চরক্তচাপ থেকে শুরু করে হৃদরোগের ঝুঁকি পর্যন্ত তৈরি হতে পারে। মানুষ বা যেকোন প্রাণী যখন ক্রমাগত স্ট্রেসে থাকে তখন তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

    রাজধানী ঢাকা বর্তমানে বাসযোগ্য অযোগ্য নগরে পরিণত হয়েছে জানিয়ে নগর গবেষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এই নগর কেন এতটা অবসবাসযোগ্য আমার বোধগম্য হয় না। মিরপুরে রাত ২-৩টা পর্যন্ত ট্রাক থেকে অবকাঠামো নির্মাণসামগ্রী রাস্তায় প্রচণ্ড শব্দে ফেলা হয়।

    পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন আন্দোলনের (পরিজা) সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আহমেদ উজ্জ্বলের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি ক্যামেলিয়া চৌধুরী, আমির হাসান প্রমুখ।

     

    রাজধানীতে শব্দদূষণের উৎসসমূহ:

    যানবাহনের জোরালো হর্ণ ও ইঞ্জিনের শব্দ, যানবাহন চলাচলের শব্দ, রেলগাড়ী চলাচলের শব্দ, বিভিন্ন নির্মাণ কাজের শব্দ, মেশিনে ইট ও পাথর ভাঙ্গার শব্দ, ইমারত ভাঙ্গার শব্দ, কলকারখানার যন্ত্রপাতির শব্দ, গ্রীলের দোকানে হাতুড়ী পেটানোর শব্দ, জেনারেটরের শব্দ, লাউড স্পিকারের শব্দ, অডিও ক্যাসেটের দোকানে উচ্চ শব্দে গান বাজানোর শব্দ, উড়োজাহাজের শব্দ, ডিজে গান বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে । শহর এলাকায় শব্দ দূষণের প্রকোপ গ্রামাঞ্চলের চেয়ে অনেক বেশী। ঘরের বাহিরে, রাস্তায় বা কর্মস্থলেই নয়, ঘরে ব্যবহৃত আধুনিক যন্ত্রপাতি যেমন ভ্যকুয়াম ক্লিনার, ফুড ব্লেন্ডার ও গ্রাইন্ডার, পাখা থেকেও বিরক্তিকর শব্দ বের হয় ।

  • তরুণদের মধ্যে অডিও বুক জনপ্রিয় হচ্ছে

    তরুণদের মধ্যে অডিও বুক জনপ্রিয় হচ্ছে

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৩ মার্চ, ২০২৪: বই পড়ার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সৃজনশীলতার জন্ম নেয়। শুধু সৃজন নয় মানুষের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ তৈরি করে। আমাদের জ্ঞানকে প্রসারিত করে। সমাজে ভালো মন্দ সম্পর্কে জানতে শেখায়। যে যত বই পড়ে তার মধ্যে সামাজিক বন্ধনের বিষয়টি প্রখর হয়। যে যত বই পড়ে সে ততই পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে সাফল্য লাভ করে। পৃথিবীর মধ্যে বই এমন একটি সম্পদ যার সঙ্গে অন্য কোনো পার্থিব সম্পদের তুলনা হয় না। একদিন হয়তো পৃথিবীতে বিদ্যমান সবকিছু বিনষ্ট হয়ে যাবে; কিন্তু একটি ভালো বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞানের আয়ু কখনোই ফুরাবে না।

    তবে একসময় লাইব্রেরি চর্চার মাধ্যমে বই পড়া এবং বন্ধুদের কাছ থেকে বই নিয়ে পড়ার যে প্রবণতা তা সামাজিক বন্ধনকে দৃড় করতো। নিজেদের মধ্যে দায়িত্ববোধের জন্ম নিতো। কিন্তু আধুনিক জীবনযাত্রায় কাগজের বইর গুরুত্ব কমে যাচ্ছে এবং সেই জায়গা দখন করছে  প্রযুক্তিনির্ভর অডিওবুক বা ই-বুক।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন থাকায় মানুষের হাতে ধৈর্য ধরে বই পড়ার সময় খুবই কম। এছাড়া, ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে মনোযোগ ধরে রাখাটাও বেশ কঠিন।

    যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০২১ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, গবেষণায় অংশ নেয়া প্রায় ৪০ শতাংশ আমেরিকান তরুণ গত এক বছর, অর্থাৎ ২০২০ সালে কোনও বই পড়েননি। এর আগে ২০১৪ সালে পিউ রিসার্চ সেন্টার ছয় হাজার মানুষের ওপর গবেষণা করেছিলো। সেখানেও উঠে এসেছিলো যে ৩০ বছরের নীচে যাদের বয়স, তাদের ৮৮ শতাংশ তরুণ বছরে মাত্র একটি বই পড়েছে। তবে তরুণদের মাঝে যারা সত্যিকারের বইপ্রেমী, তারা অবশ্য এখনও বই পড়ছেন। পার্থক্য হলো, তাদের অনেকেই এখন ধীরে ধীরে বইয়ের ডিজিটাল ভার্শনের দিকে ঝুঁকছেন।

     

    অডিওবুক জনপ্রিয়তার কারণ:

    অডিওবুক হলো এমন বই, যা শোনা যায়। আগে যেমন মানুষ টেপ বা সিডিতে গান শুনতো, এটা ঠিক তেমনই। এই অডিওবুকের ধারণা বাংলাদেশে কিছুটা নতুন মনে হলেও সারাবিশ্বের প্রেক্ষাপটে বেশ পুরনোই। তবে বাংলাদেশের পাঠকরাও এখন অডিওবুকের সাথে পরিচিত হচ্ছে এবং তারা এটিকে গ্রহণও করছে। অডিওবুক শোনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটা শুনতে শুনতে অন্য কাজ করা যায়। যেমন, একজন পাঠক কোনও দীর্ঘ ভ্রমণে যাচ্ছেন; যাত্রাপথে সে তার হেডফোনে অডিওবুক শুনতে পারেন। আবার, ঘরের কোনও কাজ করার সময় প্লেয়ারে অডিওবুক ছেড়ে দিয়ে নির্বিঘ্নে দুই কাজ একসাথে করা যায়। এছাড়া, যাদের দীর্ঘক্ষণ বইয়ের পাতার দিকে তাকিয়ে থাকতে সমস্যা হয়, তাদের জন্য অডিওবুক আশীর্বাদস্বরূপ।

    বাংলাদেশের বইমেলায় গত দুই বছর ধরে অডিওবুকের স্টল থাকলেও এবারই প্রথম একসাথে চারটি অডিওবুকের স্টল দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলো: কাহিনীক, কাব্যিক, শুনবই ও বইঘর।

    অডিওবুকের এমন উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তরুণদের পাশাপাশি যারা বয়স্ক, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষ এবং প্রবাসী বাঙালী, তারাও অডিওবুকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন।

     

    অ্যাপে কতগুলো বই আছে:

    অডিওবুকের কথা এলেই ‘অডিবল’ এর নাম চলে আসে, এটি মার্কিন কোম্পানি অ্যামাজনের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। অ্যামাজন অডিবল অ্যাপে বা ওয়েবে অডিওবুকের পাশাপাশি পডকাস্টও শোনা যায়। তবে এটার জন্য পাঠককে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ সাবসক্রিপশন ফি দিতে হবে। বাংলাদেশে যে চারটি অডিওবুক প্রকাশনা তাদের যাত্রা শুরু করেছে, তাদেরও অ্যাপ আছে। একশো থেকে আড়াই হাজার পর্যন্ত বইয়ের সংগ্রহ আছে এসব অ্যাপে। কাহিনীকে অ্যাপে বর্তমানে ১১৬টি অডিওবই রয়েছে, বইঘরে আছে ২০০টি। এছাড়া, শুনবই এবং কাব্যিক অ্যাপে অডিওবইয়ের সংখ্যা আবার হাজারের বেশি।

    এসব প্রকাশনা জানিয়েছে, তারা আরও বইকে অডিওবইয়ে রূপান্তরের জন্য কাজ করছে এবং কোনও কোনও অ্যাপের পেইড ইউজার কয়েক হাজার পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। তবে যেগুলো কালজয়ী বই, অর্থাৎ যেসব বইকে অডিওবইয়ে রূপান্তর করার জন্য মেধাসত্ব লাগে না, এসব অ্যাপে সেসব বইয়ের সংখ্যাই এখনও বেশি। যেমন, রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস।

    যদিও প্রকাশকরা জানিয়েছেন যে তারা নতুন লেখকদের বইগুলোকেও অডিওবুকে রূপান্তরের চেষ্টা করছেন। তবে নতুন লেখকদের বইয়ের ক্ষেত্রে ঐ বইয়ের প্রকাশকদের সঙ্গে তাদেরকে চুক্তি করতে হয়।

     

    অডিওবুকে যিনি বই পাঠ করেন তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ:

    অডিওবুকের ক্ষেত্রে, যিনি গল্পটি পাঠ করেন, তার ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। একট ভালো স্টুডিও, টেকনিশিয়ান এবং ন্যারেটর; এই তিনের সমন্বয়ে শ্রুতিমধুর একটি অডিওবুক তৈরি করা সম্ভব। ন্যারেটর ভালো না হলে মানুষ গল্প শুনবে না।

    কিন্তু তবুও কোনও কোনও পাঠক গল্প অ্যাপগুলোতে পাওয়া বইয়ের গল্প বলার ধরণকে পছন্দ করছেন না।

    অনুভূতিশূন্য হয়ে গল্প পড়ে গেলে সেটা শুনতে ভালো লাগে না। অডিওবুককে পাঠকের কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার জন্য ন্যারেটরের কণ্ঠে প্রয়োজন অনুযায়ী, প্রেম, ভালোবাসা, হাসি, কান্না, ঠাট্টা-তামাশা, অভিমান ইত্যাদি সব ধরনের মানবীয় অনুভূতি উপস্থিত থাকতে হবে।

     

    কপিরাইট ইস্যুর ঝুকিতে পড়তে পারে:

    অডিওবুকের ক্ষেত্রে একটা প্রধান শঙ্কার জায়গা হলো বইয়ের ‘কপিরাইট ইস্যু’। কারণ বর্তমানে এমন কিছু নাই, যা পাইরেসি হচ্ছে না। গান থেকে শুরু করে সিনেমা, সবকিছুই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে। অনলাইনে অবৈধভাবে ছড়িয়ে পড়ার কারণেই বাংলাদেশে এখনও ই-বুক সেভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। বাংলাদেশের কপিরাইট আইন অনুযায়ী, লেখকের মৃত্যুর ৬০ বছর না হওয়া পর্যন্ত তার বই অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়ার অনুমতি নেই। কিন্তু বাস্তবে সেই আইন মানুষ মানছে না। অনলাইনে তাদের অনেক বইয়ের পিডিএফ পাওয়া যাচ্ছে।

    তবে অডিওবুকের ক্ষেত্রে বইয়ের পাইরেটেড কপি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম বলে জানায় প্রকাশকরা।

     

    অডিওবুক টিকে থাকার নিশ্চয়তা কতটা:

    প্রকাশকরা বলছেন, মানুষ চিরাচরিতভাবেই গল্প শুনতে পছন্দ করে এবং অডিওবুকের ক্ষেত্রে কপিরাইটও ই-বুকের চাইতে অনেকটা নিরাপদ বলে বাংলাদেশি পাঠকদের কাছে অডিওবুক টিকে যাবে।

    এবারের বইমেলায় যেসব অডিওবুকের প্রকাশনা স্টল বরাদ্দ পেয়েছে, তাদের মাঝে শুধুমাত্র বইঘরেরই অডিওবুকের পাশাপাশি ই-বুক আছে। এর বাইরে ই-বুকের স্টল বলতে ছিলো শুধুমাত্র রকমরারি ডটকম।

    বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় যে অস্থিরতা তার থেকে মুক্তি লাভ হতে পারে বই পড়ার মাধ্যমে। বই মানুষকে বুদ্ধিদীপ্ত করে তুলে। তার মধ্যে দেশপ্রেম বাড়ায়। আর একজন দেশপ্রেমিক মানুষ সহজে দুর্নীতিগ্রস্ত হয় না। হতে পারে সেটা কাগজের বই কিংবা অডিও বুক।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • টেকসই অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার জন্য গবেষণা প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী

    টেকসই অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার জন্য গবেষণা প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি  – ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: টেকসই অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার জন্য গবেষণা প্রয়োজন, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। তিনে বলেন, “আমাদের অবকাঠামো উন্নয়ন, জলবায়ু-স্থিতিস্থাপক অবকাঠামো নকশা এবং টেকসই অবকাঠামো ব্যবস্থাপনার জন্য স্মার্ট উপকরণ এবং প্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রগুলোতে গবেষণায় জোর দিতে হবে।”

    আজ শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) সেন্টার ফর স্মার্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি সেন্টার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “অবকাঠামো খাতে কর্মরত পেশাজীবীদের প্রশিক্ষণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচি অত্যন্ত সময়োপযোগী। স্মার্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি সেন্টারের প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশে টেকসই অবকাঠামো সমাধানে গবেষণা ও উন্নয়নের অগ্রগতির দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”

    তিনি বলেন,  “সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নে গবেষণায় আরও জোর দিতে হবে। সরকার এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।”

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউআইইউর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এলজিডি সচিব মুহাম্মদ ইব্রাহিম।

    অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন— সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান, প্রফেসর ড. আফজাল আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি, একাডেমিয়া, শিল্প এবং সরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ফেসবুকের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে ক্ষমা চাইলেন জুকারবার্গ

    ফেসবুকের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে ক্ষমা চাইলেন জুকারবার্গ

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ‘ফেসবুক’। আর কয়েক দিন পরেই এই সোশ্যাল মিডিয়াটি ২০ বছরে পা দিতে যাচ্ছে। বিষয়টি অবশ্যই আনন্দের। কিন্তু এমন আনন্দঘন মুহূর্তের আগে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হলো ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গকে। শিশুদের ওপর সোশ্যাল মিডিয়ার নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে সবার সামনে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।

    ‘বড় প্রযুক্তি সংস্থা ও অনলাইনে শিশুদের যৌন হয়রানি সংকট’ শীর্ষক এক শুনানির জন্য গত বুধবার (৩১ জানুয়ারি) ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের মূল কোম্পানি মেটা, টিকটক, এক্সের (সাবেক টুইটার) মতো শীর্ষ সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলোর প্রধান নির্বাহীদের ডেকেছিল মার্কিন সিনেটের বিচার বিভাগীয় কমিটি।

    এসময় যৌন শিকারী এবং কিশোর-কিশোরীদের আত্মহত্যাসহ অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য অনলাইনের নানা বিপদ প্রতিরোধে যথেষ্ট ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য সিনেটরদের তোপের মুখে পড়েন সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট সিইওরা।

    একপর্যায়ে, প্রশ্নবাণে জর্জরিত মার্ক জুকারবার্গকে উঠে দাঁড়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। শুনানির সময় এ ধরনের ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় এ শুনানি। শুরুতেই সিনেট কমিটি একটি ভিডিও চালায়, যাতে শিশুরা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নিপীড়নের কথা জানায়। এছাড়া, ছবি শেয়ার করার পর যৌন শিকারীদের মাধ্যমে চাঁদাবাজির শিকার তরুণ-তরুণীদের আত্মহত্যার ঘটনা উল্লেখ করেন সিনেটররা।

    একপর্যায়ে রিপাবলিকান সিনেটর জোশ হাওলি সোশ্যাল মিডিয়া প্রধানদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা কি এখন ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে ক্ষমা চাইতে চান, যারা আপনাদের পণ্যের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?

    এসময় মার্ক জুকারবার্গ উঠে দাঁড়ান এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, আপনারা যা কিছুর ভেতর দিয়ে গেছেন, তার জন্য আমি দুঃখিত। আপনাদের পরিবারগুলো যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা হওয়া উচিত নয় এবং এর জন্যই আমরা এত বেশি বিনিয়োগ করেছি। আপনাদের পরিবারগুলোকে যা কিছু সহ্য করতে হয়েছে, তা যেন আর কারও সঙ্গে না ঘটে, সেটি নিশ্চিত করতে আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

  • পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থাপনা নির্মাণ করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থাপনা নির্মাণ করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪: পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থাপনা নির্মাণ করতে হবে, বলে জানিয়েছেন পরিবশে, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধরী। তিনি বলেন, “পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও উপাদান ব্যবহার করে সরকারি স্থাপনা নির্মিত হবে। বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিজমির মূল্যবান মাটির অপচয় বন্ধ করতে সরকার এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।”

    আজ বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর খিলগাঁও-এর গোড়ান শেখ রাসেল মাঠ সংলগ্ন সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে এ কথা জানান-পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাসহ সরকারের নির্মাণ ও পূর্ত কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তরসমূহ নির্মাণের ক্ষেত্রে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্যমাত্রা অনুসরণ করে কাজ করবে।”

    তিনে বলেন, “বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিজমির মূল্যবান মাটির অপচয় বন্ধ করতে সরকার এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।”

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, “গোড়ান সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র নির্মাণের ফলে এলাকার মানুষের অনেক মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে। এই কেন্দ্রটিতে তারা বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন। এছাড়াও, এই কেন্দ্রটি এলাকার মানুষের জন্য একটি মিলনস্থল হিসেবেও কাজ করবে।”

    এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপস বলেন, “এই সামাজিক অনুষ্ঠানকেন্দ্র হবে পরিবেশ বান্ধব, অগ্নি ও ভূমিকম্প সহনশীল। এখানে পার্কিং, আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার রিজার্ভার, পানির পাম্প, অগ্নি নির্বাপক রুম, কাউন্সিলর রুম, হেল্থ কেয়ার, টয়লেট, ব্যায়ামাগর, গোসলখানা, ভোজ হল, লিফ্টসহ আধুনিক সুযোগ সুবিধা থাকবে। মাননীয় পরিবেশমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরীর পরামর্শ মতো এই এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন করা হবে।”

    পরে পরিবেশমন্ত্রী ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র দুটি গাছের চারা রোপণ করেন।

  • বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে ঢাকা

    বিশ্বে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে ঢাকা

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪: বেশ কিছুদিন ধরেই রাজধানী ঢাকা বায়ুদূষণে এক থেকে চারের মধ্যে থাকছে। এই অবস্থার কোন উন্নতি দেখা দিচ্ছে না। বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগের।

    আজ সোমবার (২৯ জানুয়ারি) বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (আইকিউএয়ার) বলছে সকালে রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় দেখা গেছে। সকাল ১০টার সময় ঢাকার স্কোর ছিল ২৬৮।

    এ স্কোর স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। ওই সময় দূষণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ঘানার আকারা। এ নগরীর স্কোরও ২৬৮।

    নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার। সংস্থাটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এই ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে সংস্থাটি।

    আইকিউএয়ারের র‍্যাংকিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়। র‍্যাংকিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। তিনশর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

    এদিকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, বায়ুদূষণ কমাতে আগামী ১০০ দিনের কর্মসূচি হিসেবে পরিবেশ মন্ত্রণালয় ঢাকার আশপাশের এক হাজার অবৈধ ইটভাটার মধ্যে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

    তিনি আরও বলেন, “আদালতের হিসেবে ২ হাজারের মতো অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। আমরা প্রথমে ঢাকার আশপাশে স্থায়ী চিমনিগুলো চিহ্নিত করছি। ১০০ দিনের কর্মসূচিতে দিনে গড়ে তিন থেকে চারটি ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেবো। অথ্যাৎ ১০০ কর্ম দিবসে লক্ষ্য হচ্ছে ৫০০ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেবো। ঢাকার চারপাশে এক হাজার অবৈধ ইটভাটা রয়েছে৷ আসলে এ ধরনের ইটভাটার জন্য সম্পূর্ণ অবৈধ। আরেকটা আছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি।”

    ঢাকাকে দূষণের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক ।

  • ভোলায় গ্যাস ক্ষেত্র পরিদর্শন করলেন খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    ভোলায় গ্যাস ক্ষেত্র পরিদর্শন করলেন খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৫ জানুয়ারি, ২০২৪: আজ ভোলায় গ্যাস ক্ষেত্র পরিদর্শন করলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ভোলার গ্যাসকে সর্বোচ্চ ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। একইসঙ্গে দেশের  বিদ্যুৎ ও ইন্ড্রাস্ট্রি খাতে যেখানে সংকট রয়েছে সেখানে গ্যাসের ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।

    এ জন্য ভোলায় আরও গ্যাসের অনুসন্ধান চালানো হবে এবং  ভবিষ্যতে আরও ৯টি কূপসহ মোট ১৮ টি কূপ খনন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) ভোলার বোরহানউদ্দিনে শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্র পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ভোলাতে সার কারখানা করার জন্য যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। ভোলার ৩০০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট (এমএমসিএফ)  গ্যাস পাইপ লাইন করে বরিশাল ও পটুয়াখালীতে নেওয়া হবে “

    তবে তার আগে ভোলার শিল্পখাতে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

    তিনি বলেন, “ভোলা পৌর এলাকায় আবাসিক ও গৃহস্থালি কাজেও মিটারের মাধ্যমে সংযোগ দেওয়ার জন্য কাজ চলমান রয়েছে।”

    প্রতিমন্ত্রী পরে বোরহানউদ্দিনে ২২০ ও  ২২৫ কম্বাইন্ড সাইকেল  বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। পরের তিনি ভোলা সদরের সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লি. ডিআরএস পরিদর্শন ও সিএনজি পরিদর্শন করেন। একই সঙ্গে তার ভোলা নর্থ-১, ইলিশা-১ কূপ এবং প্রস্তাবিত ভোলা প্রসেস প্লান্ট এলাকা পরিদর্শন করার কথা রয়েছে তার।

    এ সময় ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল ও  জ্বালানি সচিব নুরুল আমিন, বাপেক্র ব্যবস্থাপক (ভূ-তাত্ত্বিক বিভাগ)  সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত।