Category: প্রযুক্তি

  • তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চীনের কাছে এক বিলিয়ন ডলার চায় বাংলাদেশ

    তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চীনের কাছে এক বিলিয়ন ডলার চায় বাংলাদেশ

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪: ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ছয়টি প্রকল্পে চীনের কাছে নতুন করে আরও এক বিলিয়ন ডলার চায় বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “গত ১০ বছরে আমরা ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতায় মোট পাঁচটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি চীনের লাইন অব ক্রেডিটের আওতায়। আমরা এখন এক লাখ নয় হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ভূমি অফিস, কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক, প্রাইমারি স্কুল, হাইস্কুল আমরা ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবলের আওতায় কানেক্টেড করছি, ৫৫৫টি স্মার্ট এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সেন্টার করছি, পাশাপাশি পূর্বাচলে একটি ৪১তলা স্মার্ট টাওয়ার করছি- সবগুলোই ইডিসি (চীনের ঋণ) প্রজেক্টের আওতায় হচ্ছে “

    তিনি আরও বলেন, “বিটিসিএলের যে মডার্নাইজেশন অব টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক, টেলিটকের ফোরজি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং এস্টাবলিশমেন্ট অব ডেটা সেন্টার, এই ছয়টা প্রজেক্টে কিন্তু গত ১০ বছরে এক বিলিয়ন ডলার আমরা চাইনিজ লাইন অফ ক্রেডিট থেকে ব্যবহার করেছি। সেখান থেকে আয় করে আমরা এখন ঋণটা ফেরতও দিচ্ছি।”

    জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “এখন যে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন-২০৪১ স্মার্ট বাংলাদেশ, সেই স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি পিলার- স্মার্ট সিটিজেন, ইকোনমি, গভার্নমেন্ট এবং সোসাইটি; সেখানে আমরা চাইনিজ সরকার, চাইনিজ এক্সিম ব্যাংক এবং চাইনিজ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি কোম্পানির বিনিয়োগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করছি।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সেখানে আমরা ছয়টি প্রজেক্ট ইআরডির মাধ্যমে চাইনিজ সরকারের কাছে পাঠিয়েছি। মডার্নাইজেশন অব আরবান অ্যান্ড রুরাল লাইফ, সেটা ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প। আর একটি আছে টেলিটকের ফোরজি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্প এবং আমাদের বিটিসিএল টেলিফোন শিল্প সংস্থা এবং কম্পিউটার কাউন্সিলের আরও প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের লাইন অব ক্রেডিট চেয়ে ছয়টি প্রজেক্ট আমরা জমা দিয়েছি।”

    জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হচ্ছে ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি র্যাদার দেন পলিটিক্যাল ডিপ্লোমেসি। সেখানে আমরা চাচ্ছি চায়না-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের যে ৫০ বছর, এটা ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে চাইনিজ সরকার এবং চাইনিজ কোম্পানিগুলো যাতে আইসিটি এবং টেলিকমকে তাদের বিনিয়োগের একটি সর্বোত্তম জায়গায় হিসেবে চিহ্নিত করে। এজন্য আমরা বাংলাদেশ-চায়না ইনভেস্টমেন্ট সামিট করবো। সেটার ব্যাপারেও কথা হয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা একটা স্মার্ট ইকোনোমি এবং ইনভেস্টমেন্ট পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজিক এমওইউ করবো। সেখানে আমাদের চারটি লক্ষ্য আছে- রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং গবেষণা ও উদ্ভাবন। এই চারটি এরিয়াতে বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করবে।”

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রদূত আমাকে কথা দিয়েছেন তিনি তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের পাশে আগামী পাঁচ বছর থাকবেন। যাতে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশের একটি শক্ত ভিত্তি এই পাঁচ বছরে আমরা তৈরি করতে পারি।”

  • বাতাসের আর্দ্রতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব

    বাতাসের আর্দ্রতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: ভেজা বাতাসে বিদ্যুৎ থাকে প্রথম এই বিষয়টি মানুষের নজরে আসে ১৮৪০ সালে। ব্রিটেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর নিউক্যাসলের কয়লাখনির ট্রেনের চালক তার হাতে একটা অদ্ভুত শিরশিরে অনূভূতি টের পেলেন। এর পর তিনি খেয়াল করলেন, তার হাতের আঙুল আর ইঞ্জিনের লিভারের মধ্যে ক্ষুদ্র একটা বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ লাফিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা পরে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করে দেখেন এবং  শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে আসেন যে স্টিম ইঞ্জিনের বাষ্প যখন বয়লারের ধাতুর সংস্পর্শে আসছে তখন তাতে একটা বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হচ্ছে।

    বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী নিকোলা টেসলা প্রথম চেয়েছিলেন বাতাসের আর্দ্রতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবেন। তার জীবদ্দশায় তা হয়নি ঠিকই – কিন্তু টেসলার মৃত্যুর কয়েক দশক পর হয়তো এখন তার চিন্তা বাস্তবে রূপ পেতে যাচ্ছে।

    ল্যাবরেটরিতে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেন যে, একটি পরীক্ষামূলক যন্ত্র, যা বাতাসের আর্দ্রতা অনুভব করতে পারে – তা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ উৎপাদন করছে। ঠিক তাই। কিন্তু আপনার হয়তো ধারণা ছিল যে, না, এটা কখনো সম্ভব নয়।

    “যে কোন কারণেই হোক যে ছাত্রটি এ যন্ত্র নিয়ে কাজ করছিল – সে ওটাকে বিদ্যুতের প্লাগে লাগাতে ভুলে গিয়েছিল,” – বলছিলেন ম্যাসাচুসেটস অ্যামহার্স্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জুন ইয়াও, “সেখান থেকেই এ গল্পের শুরু।“

    পাঁচ বছর আগের ওই দিন থেকে ইয়াও এবং তার সহকর্মীরা এমন একটা প্রযুক্তি তৈরির জন্য কাজ করছেন যা আর্দ্র বাতাসে ভাসমান জলের কণা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় হাইগ্রোইলেকট্রিসিটি।

    এটা এমন এক ধারণা যা নিয়ে বহু বছর ধরেই বিজ্ঞানীদের মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে। নিকোলা টেসলা এবং আরো কয়েকজন অতীতে এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করেছেন কিন্তু খুব আশাপ্রদ কোন ফল পাননি। কিন্তু এখন সে ক্ষেত্রে মনে হচ্ছে যে বিষয়টি সফল করা সম্ভব।

    পৃথিবীতে অনেকগুলো গবেষণা দল এখন বাতাসে ভাসমান পানির অণু থেকে বৈদ্যুতিক চার্জ বের করে নেবার নতুন নতুন পন্থা আবিষ্কার করছে। এটা করা সম্ভব, কারণ পানির অণুগুলো নিজেদের মধ্যে অতি ক্ষুদ্র পরিমাণে চার্জ বিনিময় করে, এবং বিজ্ঞানীরা ঠিক সেটাকেই নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।

    এ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জটা হলো যথেষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ এক জায়গায় জড়ো করতে পারা – যাতে তা নানা কাজে ব্যবহার করা যায়। তবে এখন বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে তারা হয়তো একটা ছোট কম্পিউটার বা সেন্সরকে শক্তি যোগানোর মত যথেষ্ট বিদ্যুৎ এভাবে তৈরি করতে পারবেন।

    এর ফলে যে সম্ভাবনাটা তৈরি হচ্ছে তা রীতিমত চাঞ্চল্যকর। কারণ ভেবে দেখুন – এর অর্থ হলো আমাদের চারপাশেই নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস ভেসে বেড়াচ্ছে, দিন-রাত ২৪ ঘন্টা।

    ইয়াও এবং তার সহযোগীরা ২০২০ সালে একটা গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন। তাতে বলা হয়েছিল এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে সৃষ্টি হওয়া অতিক্ষুদ্র প্রোটিনের তার – বাতাস থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে জমিয়ে রাখতে পারে।

    ঠিক কীভাবে তা হয় সেটা নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে, তবে সম্ভবত এই বস্তুটির মধ্যে অতিসূক্ষ্ম গর্ত আছে যা ভাসমান পানির অণু আটকে রাখতে পারে। এই প্রোটিন-কণার ঘষা লাগলে পানির অণু থেকে চার্জ নির্গত হয়।

    “মেঘের মধ্যে ঠিক এই ব্যাপারটাই ঘটে থাকে” – বলছেন ইয়াও – যদিও তা অনেক বড় আকারে এবং নাটকীয় মাত্রায়। ঝোড়ো আকাশে জমা মেঘে বিপরীতধর্মী বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হয় – যা এক পর্যায়ে বজ্রপাতের আকারে নির্গত হয়ে থাকে। এর মানে হলো – পানির অণুর চলাচলকে প্রভাবিত করতে পারলে এবং চার্জের পার্থক্য সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি করতে পারলে – আপনার পক্ষে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব, বলছেন ইয়াও। “এই ডিভাইসটি পৃথিবীর যে কোন জায়গাতেই কাজ করতে পারবে।“

    ইয়াও এবং তার সহকর্মীরা ২০২৩ সালের মে মাসে একটি ফলো-আপ জরিপ প্রকাশ করলেন।

    এর জন্য তারা এমন একটা কাঠামো তৈরি করলেন যা অতি ক্ষুদ্র গর্তে ভরা – কিন্তু কয়েক রকমের পদার্থ দিয়ে তৈরি। তারা ব্যবহার করেন গ্রাফিন অক্সাইডের কণা, পলিমার, এবং কাঠ থেকে পাওয়া আঁশজাতীয় সেলুলোজ ‘ন্যানোফাইবার’।

    এর প্রতিটিতেই কাজ হলো – যদিও ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায়। এতে তারা ধারণা করলেন যে কাঠামোটাই আসল ব্যাপার, কী উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে তা নয়।

    এসব পরীক্ষার জন্য ডিভাইসটি ছিল মানুষের এক গাছা চুলের চাইতেও সরু। আর তাতে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তার পরিমাণও অত্যন্ত কম – এক ভোল্টের একটা ছোট ভগ্নাংশ মাত্র।

    ইয়াও আভাস দিচ্ছেন, এ জিনিসটাই আরো বড় আকারে করলে হয়তো বেশ কয়েক ভোল্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। হয়তো এমন কোন তরল পদার্থও এতে ব্যবহার করা যেতে পারে যা শুধু একটা সারফেসে ছিটিয়ে দিলেই তা তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুতের একটা উৎসে পরিণত হতে পারে।

    লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের একজন প্রকৌশলী রেশমা রাও – যিনি এ জরিপে জড়িত ছিলেন না – বলছেন, “আমার মনে হচ্ছে এটা খুবই উত্তেজনাকর। কারণ উপাদানের ক্ষেত্রে এখানে বিরাট নমনীয়তা রয়েছে।“

    তবে এটা ভাবা বাস্তবানুগ হবে না যে এই প্রযুক্তি দিয়ে পুরো একটা বাড়ি বা বা গাড়ির মতো জিনিসের জন্য বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

    রেশমা রাও বলছেন, বাতাসের আর্দ্রতা থেকে যেটুকু বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে তা দিয়ে হয়তো সেন্সর বা ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইসই চালানো সম্ভব হতে পারে। অবশ্য ইয়াও-এর দলটিই যে শুধু এ নিয়ে কাজ করছে তা নয়। ইসরায়েলের একটি গ্রুপ ২০২০ সালে এমন একটি উপায় উদ্ভাবন করে যাতে দুটি ধাতব টুকরোর ভেতর দিয়ে আর্দ্র বায়ু প্রবাহিত করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

    ভেজা বাতাস যখন ধাতব টুকরোটির ওপর দিয়ে বয়ে যায় তখন টুকরোটিতে বৈদ্যুতিক চার্জ উৎপন্ন হয়।

     

    আগেই বলা হয়েছে প্রথম এই ব্যাপারটা নজরে আসে ১৮৪০ সালে – ব্রিটেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর নিউক্যাসলে এক বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালিত ট্রেনের চাকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে।  যে বিজ্ঞানীরা ঘটনাটার অনুসন্ধান করেছিলেন তারা শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে আসেন যে স্টিম ইঞ্জিনের বাষ্প যখন বয়লারের ধাতুর সংস্পর্শে আসছে তখন তাতে একটা বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হয়।

    ইসরায়েলে ২০২০ সালের রিপোর্টটির সহ-লেখক একজন গবেষক হচ্ছেন কলিন প্রাইস। তিনি বলছেন, তাদের ল্যাবরেটরি পরীক্ষাতে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তা খুবই কম। তবে তারা এখন পদ্ধতিটি আরো উন্নত করার জন্য কাজ করছেন। একটা সীমাবদ্ধতা হচ্ছে – তাদের দরকার ৬০% আপেক্ষিক আর্দ্রতার বাতাস। অন্যদিকে, ইয়াও এবং তার সহকর্মীরা মাত্র ২০% আর্দ্রতার বাতাসেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পেরেছিলেন। আর্দ্র বাতাসকে জ্বালানির উৎস হিসেবে ব্যবহারের লক্ষ্যে আরো একটি গবেষণা চালাচ্ছে পর্তুগালের একটি দল – যার অর্থায়ন করছে ক্যাচার নামে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এক প্রকল্প।

    কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী সভিৎলানা ল্যুবচিক এবং তার ছেলে আন্দ্রিই।

    তারা একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করছেন যা এ বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে। তারা কাজে লাগাচ্ছেন জিরকোনিয়াম অক্সাইডের তৈরি ১.৬ ইঞ্চি ব্যাসের একটি চাকতি – যা আর্দ্র বাতাস থেকে পানির অণু আটকে ফেলতে পারে এবং তাকে ক্ষুদ্র একটি চ্যানেলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত করতে পারে।

    এর ফলে যে চার্জ তৈরি হয় তা দেড় ভোল্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। এরকম দুটি চাকতি দিয়ে একটি এলইডি বাতি জ্বালানো সম্ভব।

    ল্যুবচিক বলছেন, আরো বেশি এই জিরকোনিয়াম অক্সাইডের চাকতি জোড়া দিলে আরো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।প্রক্রিয়াটির বিস্তারিত তথ্য এ বিজ্ঞানীরা এখনো প্রকাশ করেননি, বা অন্য বিজ্ঞানদের দিয়ে যাচাই করানো হয়নি। এই হাইগ্রো-ইলেকট্রিক্যাল পদ্ধতিগুলো নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে, বলছেন রাও। “এটা কীভাবে কাজ করে তার মূল নীতিগুলো নিয়ে আরো অনুসন্ধান দরকার।“

    তার পরে আছে এসব প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের প্রশ্ন। ক্যানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সারাহ জর্ডনের মতে , এসব প্রযুক্তিকে একদিকে যেমন যথেষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হবে – আবার খরচের দিক থেকেও অন্য নবায়নযোগ্য প্রযুক্তিগুলোর সাথে পাল্লা দিতে হবে। সৌর বিদ্যুৎ ও বায়ুচালিত বিদ্যুৎ এর মধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আগামী দশকগুলোতে এগুলোর গুরুত্ব হয়তো আরো বেড়ে যাবে।

    কিন্তু তার পরও হাইগ্রো-ইলেকট্রিসিটি থেকে যে বিদ্যুতের নতুন উৎস বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে – তা আশার কথা, বলছেন রেশমা রাও।

    বিজ্ঞানীরা যখন বাতাসের আর্দতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে শতভাগ সক্ষম হবে তখন তা অবশ্যই সারা বিশ্বে একটি শুভ বার্তা নিয়ে আসবে। বাংলাদেশ এই দিক দিয়ে সফল হতে পারে। কেননা বাংলাদেশের বাতাসে প্রচুর আদ্রতা থাকে। সেই আদ্রতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে দেশের ঘাটতি সহজেই বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করেছেন বিজ্ঞানিরা।

    সূত্র: বিবিসি বংলা

  • হিউম্যানয়েড রোবটের ব্যবহার বাড়বে ২০২৪ সালে

    হিউম্যানয়েড রোবটের ব্যবহার বাড়বে ২০২৪ সালে

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বিজ্ঞানের এক চমৎকার আবিষ্কার হচ্ছে রোবটের মানুষের মত বুদ্ধি, বিবেক, প্রেম ও হিংসা প্রয়োগ করার করার ক্ষমতা। আর এর মাধ্যমে রোটস সমাজে সেবা করবে বলেই আশা সৃষ্টি করেছে বিজ্ঞানিরা। আর এই রোকটকে বলা হচ্ছে হিউম্যানয়েড রোবট।

    হিউম্যানয়েড রোবট, যা মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম, এগুলো ২০২৪ সলে আরও কার্যকরী হয়ে উঠতে পারে। টেসলা যেমন অপটিমাস নামের একটি হিউম্যানয়েড রোবট নিয়ে কাজ করছে, তাদের আশা এটি খুব দ্রুতই ফ্যাক্টরির সাধারণ কাজ করতে শুরু করবে।

    এ মাসের শুরুর দিকে এক ভিডিওতে দেখা যায় অপটিমাসের নতুন যে ভার্সন তা আগের যন্ত্রটির চেয়ে আরও হালকা। নতুন হাত এবং মটরও এতে যুক্ত হয়েছে।

    গত জুলাইয়ে ইলন মাস্ক ঘোষণা দেন অপটিমাস ২০২৪ সাল থেকে টেসলা ফ্যাক্টরিতে কাজের জন্য উপযোগী হয়ে উঠবে।

    “এটি কবে থেকে কাজের উপযোগী হয়ে উঠবে তা জানার জন্য আমরা একে প্রথমে আমাদের নিজেদের ফ্যাক্টরিতে কাজে লাগিয়ে দেখবো। আমি মনে করি আগামী বছরের কোনও একটা সময় আমরা সেটি করতে সমর্থ হবো। এ ব্যাপারে আমি আত্মবিশ্বাসী।”

    হিউম্যানয়েড রোবটে টেসলার প্রতিদ্বন্দ্বী আছে আরও অনেকে। অন্য অনেক কোম্পানির রোবট এরইমধ্যে অফিসে নানা কাজ করতে শিখছে।

    অ্যামাজন তাদের ওয়্যারহাউসে একটি হিউম্যানয়েড রোবট পরীক্ষা করে দেখছে। ডিজিট নামের এই রোবটটি নড়াচড়া করতে পারে, হাত মুঠো করে অনেকটা মানুষের মতোই এটি জিনিসপত্র ধরতে পারে।

    এই রোবটটি তৈরি করেছে অ্যাজিলিটি রোবোটিক্স, আর তারা আশা করছে নতুন বছরে অন্যান্য কাস্টমারদের কাছেও তারা এই রোবটটি তুলে দিতে পারবে।

    অন্যদিকে কানাডায় স্যানচুয়ারি এআই, ফিনিক্স নামের একটা রোবটকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, এটি ব্যাগ ভরার মতো নির্দিষ্ট কাজও করতে সক্ষম। ২০২৪ সালে তাদের লক্ষ্য ফিনিক্সের কাজের পরিধি আরও বাড়ানো।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পকে বলা হয়েছে, এই প্রযুক্তি আসলে কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করবে কোম্পানিগুলো এই প্রযুক্তি তৈরিতে কতটা দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয়, তার ওপর। তারা কি এটি স্বচ্ছতার সঙ্গে করছে? যে তথ্যভাণ্ডার থেকে চ্যাটবটগুলো তথ্য সংগ্রহ করছে, সেগুলোর সূত্র কী তারা প্রকাশ করছে? এগুলো কি তারা ঠিকমত তদারকি করছে?

    তাই হিউম্যানয়েড রোবট তৈরির ক্ষেত্রেও বিষয়টি খেয়াল রাখা খুব জরুরি বলে মনে করছে বিজ্ঞানিরা।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা।

  • সিলেটে গ্যাসক্ষেত্রে ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান: নসরুল হামিদ

    সিলেটে গ্যাসক্ষেত্রে ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান: নসরুল হামিদ

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, সিলেট গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে চারটি স্তরে ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে । এছাড়া, সেখানকার একটি কূপে জ্বালানি তেলের সন্ধান মিলেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

    মন্ত্রী বলেন, সিলেট-১০নম্বর কূপে ২৫৭৬ মিটার গভীরতায় খনন সম্পন্ন করা হয়। এই কূপে চারটি স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। নিচের স্তরটি ২৫৪০-২৫৫০ মিটার টেস্ট করে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রবাহ পাওয়া যায় এবং ফ্লোয়িং প্রেসার ৩২৫০ পিএসআই। মজুদের পরিমাণ ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট। ২৪৬০-২৪৭৫ মিটারে আরো একটি ভালো গ্যাস স্তর পাওয়া যায়, এখানে টেস্ট করলে ২৫-৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। ২২৯০-২৩১০ মিটারে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

    তিনি আরও বলেন, ১৩৯৭-১৪৪৫ মিটার গভীরতায় আরো একটি জোন পাওয়া যায় যেখানে ৮ ডিসেম্বর টেস্ট করে তেলের উপস্থিতি জানা যায়, যার প্রাথমিকভাবে এপিআই গ্রাভিটি ২৯.৭ ডিগ্রি। সেলফ প্রেসারে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল তেলের প্রবাহ পাওয়া যায়।

    নসরুল হামিদ বলেন, ২৫৪০ এবং ২৪৬০ মিটার গভীরতায় একযোগে উৎপাদন করা হলে প্রায় ৮-১০ বছর গ্যাস পাওয়া যাবে। গড় ভারিত মূল্য হিসেবে এর মূল্য প্রায় ৮৫০০ কোটি টাকা। যদি ২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে উৎপাদন করা হয় তাহলে ১৫ বছরের বেশি সময় এখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করা যাবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নুরুল আমিন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার।

  • বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান প্রথম

    বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান প্রথম

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : গত ৭ ডিসেম্বর বৃষ্টির কারণে ঢাকার বায়ুদূষণ কিছুটা কম ছিল। কিন্তু ৮ ও ৯ ডিসেম্বর শীত কিছুটা বাড়লেও আবহাওয়া ছিল শুষ্ক। তাই আবার বায়ুদূষণের মাত্রা বেড়ে গেছে। বিশ্বের ১০৯ টি শহরের মধ্যে দূষিত শহরের তালিকায় আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর ) সকালে রাজধানী ঢাকার অবস্থান প্রথম।

    বায়ুদূষণের দিক থেকে আবারও শীর্ষে উঠেছে ঢাকা। আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় দেখা গেছে।

    বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) বলছে, সকাল ৮টার পর ২৩৭ একিউআই স্কোর নিয়ে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে উঠে আসে ঢাকা। আজ সকাল ১০টার সময়ও এই স্কোর ছিল ঢাকার।

    সূচকের তথ্য অনুসারে, উল্লিখিত সময়ে বায়ুদূষণের তালিকায় ২২৬ একিউআই স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে  পাকিস্তানের লাহোর। এরপর ২১৬ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে জায়গা নেয় চীনের চেংদু।

    নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার। সংস্থাটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এই ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে সংস্থাটি।

    আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়। র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

    দেশের সবচেয়ে জনবহুল শহরের বাতাসের এ দূষণচিত্র নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণে ভুগছে রাজধানী। এ নগরের বাতাসের মান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়। তবে বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

    ২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ু দূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো— ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলো।

    এর ফলে শ্বাসকষ্ট, কাশি, জ্বর, ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। তাই চিকিৎসকরা এই সময় সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন।

  • বৃষ্টি কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস

    বৃষ্টি কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: গত কয়েকদিন ধরে দেশব্যাপী চলা বৃষ্টি কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে অসময় এই বৃষ্টিপাত দেখা দেয় সারা দেশে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে তাপমাত্রা কমে শীত বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আজ শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আজ বৃষ্টির প্রবণতা কমে যাবে। এরইমধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চলের আকাশ মেঘমুক্ত হওয়া শুরু করেছে। দুপুরের পর ঢাকায়ও বৃষ্টি কমে যাবে বলে জানা গেছে।

    আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৭৭ মিলিমিটার, ঢাকায় রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ মিলিমিটার।

    আবহাওয়া অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে, ১১-১২ ডিসেম্বরের পর থেকে তাপমাত্রা কমতে কমতে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নিচে নেমে আসতে পারে।ফলে শীত অনুভব হবে। সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১-২) ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা ১-৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

  • বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এর প্রভাবে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আজ রবিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে আটটায় আবহাওয়া অধিদপ্তর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। ফলে সেখানে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত নামিয়ে সব সমুদ্রবন্দরে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত তোলা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’-এ পরিণত হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় নিম্নচাপটি সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫৭৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫২৫ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে এক হাজার ৪৫০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৪৫০ কি.মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি.মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কি.মি., যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কি.মি. পর্যন্ত বাড়ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

    এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০১ (এক) নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০২ (দুই) নম্বর (পুন:) ০২ (দুই) নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

  • রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২ ডিসেম্বর, ২০২৩: রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আজ সকালে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এই ভূমিকম্প প্রায় ২০ সেকেন্ড স্থায়ী হয়।  বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিস জানায় রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৬। সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে এই ভূমিকম্পটি ঘটে। তবে এই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত কোন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    ভূমিকম্পের পর অনেকেই ভবন ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন। স্বজনদের খবর নিতে থাকে থাকেন কেউ কেউ। সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রতিক্রিয়া জানাতে থাকেন।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান এর উৎপত্তিস্থল বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই।

    যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক সংস্থা ইউএসজিএস বলছে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫ রিখটার স্কেল। আর এর উৎপত্তিস্থল রামগঞ্জের ৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব-উত্তরে। আর এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অফিসও নিশ্চিত করেছে লক্ষীপুরেই রামগঞ্জ থেকেই এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে সকালের এই ভূমিকম্প নিয়ে দেখা যায় নানা প্রতিক্রিয়া। সময়ের হিসাবে পূর্বে এর চেয়ে বেশি স্থায়িত্বের ভূমিকম্প অভিজ্ঞতা আছে কিনা মনে পড়ছে না।। বেশ কিছু সময় ধরে ঝাঁকুনি অনুভবের কথা বলছেন অনেকেই।

    তবে যারা রাস্তায় বা সমতলে ছিলেন তাদের অনেকেই ভূমিকম্পের অনুভূতি টের পান নি।

     

    রাজাধানী ঢাকার কাছে যেসব ভূমিকম্প:

    ভূতত্ববিদদরা বলছেন বাংলাদেশের সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অঞ্চলে কয়েকটি প্লেট থাকার কারণে এসব এলাকা ভূমিকম্পের বড় ধরণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

    ঢাকায় গত কয়েক বছরের মধ্যে যেসব ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশের উৎপত্তিস্থলই ছিল বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে সিলেট বা চট্টগ্রাম অঞ্চলে। অনেকগুলো ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভারতের মিজোরাম বা ত্রিপুরা রাজ্যে।

    তবে ঢাকার আশেপাশে উৎপত্তিস্থল রয়েছে, এমন ভূমিকম্পও মাঝেমধ্যেই হতে দেখা গেছে।

    ভূতত্ববিদ হুমায়ুন আখতারও বলেন, “২০০৮ থেকে ২০১২-১৩ পর্যন্ত ঢাকার কাছাকাছি নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা অঞ্চলে গ্রীষ্মের সময় অনেকগুলো ছোট ছোট ভূমিকম্প হতে দেখেছি আমরা।”

    ভূমিকম্প শনাক্তকারী সংস্থা আর্থকোয়েকট্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী ২০১২ সালের ১৮ই মার্চ এই অবস্থানেই – দোহার থেকে ১৪.২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে – ৪.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছিল।

    ঢাকার কাছে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলেও গত বিশ বছরের মধ্যে একাধিক ছোট ছোট ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে।

    তিন বছর আগে, ২০২০ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের ১২ কিলোমিটার পূর্বে ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়।

    এছাড়া ২০০৮ এ টাঙ্গাইলের কাছে নাগরপুরে এবং ২০১৯ সালে মির্জাপুরে চার মাত্রার নিচে ভূমিকম্প হয়েছে বলে বলছে আর্থকোয়েকট্র্যাক।

    পাশাপাশি গত ১৫ বছরে নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জে অন্তত চারবার ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানাচ্ছে সংস্থাটি।

    আর ঢাকার কাছে ফরিদপুরেও গত ১৫ বছরের মধ্যে দুইবার চার মাত্রার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে বলে নথিবদ্ধ করেছে সংস্থাটি।

    তবে গত ১৫-২০ বছরের মধ্যে ঢাকার কাছে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে নথিবদ্ধ করা হচ্ছে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে নারায়ণগঞ্জে ৫.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্পকে।

    বাংলাদেশে সর্বশেষ ১৮২২ এবং ১৯১৮ সালে মধুপুর ফল্টে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। ১৮৮৫ সালে ঢাকার কাছে মানিকগঞ্জে ৭.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের ইতিহাস রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, বাংলাদেশে রিখটার স্কেল ৬.৯ মাত্রায় ভূমিকম্প হলে শুধু রাজধানী ঢাকাতেই ৭২ হাজার ভবন ধসে পড়বে সেই সঙ্গে লাখ লাখ মানুষ মৃত্যু বরণ করবে। বহুতল ভবন নির্মাণ করার আগে আমাদের যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

    সাধারণত ২.৫ বা তার কম কম্পন অনুভূত হয় না, তবে যন্ত্রে ধরা পড়ে। পাঁচ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয় এতে সামান্য ক্ষতি হতে পারে। ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প বেশ শক্তিশালী বলে ধরা হয় এবং এতে মারাত্মক ধরণের ক্ষতি সাধিত হয়। যেমনটি তুরস্কে এবার হয়েছে।

    ৮ মাত্রার বেশি কোন ভূমিকম্প যে কোনো কিছুর ভয়াবহ ক্ষতি করতে পারে এবং এর কেন্দ্রে থাকা কমিউনিটিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করতে পারে।

     

    ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে মাথা ঠান্ডারেখে জীবনকে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করতে হবে:

    ভূমিকম্পের সময় যা জানতে ও মানতে হবে-

    • কম্পন না থামা পর্যন্ত খাট, ডাইনিং টেবিল, ও রুমের কোণে আশ্রয় নিতে হবে
    • চুলা, বিদ্যুৎ চালিত কিছু জ্বালানো থাকলে বন্ধ করতে হবে
    • জানালার পাশে দাঁড়ানো একদমই যাবে না
    • উঁচু ভবনে থাকলে লিফট ব্যবহার করা যাবে না
    • আর আপনি যদি যানবাহনে চলাচল করেন, এমন অবস্থায় ভূমিকম্প শুরু হয়, তখন আপনাকে রাস্তার পাশে খোলা জায়গায় গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করে অবস্থান করতে হবে
    • ভূমিকম্পের সময় টর্চলাইট হাতে রাখা প্রয়োজন
    • ভূমিকম্পের সময় ভাঙা দেয়ালে আপনি যদি চাপা পড়েন তাহলে, কোনো রকম নড়াচড়া করবেন না এবং শ্বাসনালিতে যাতে ধুলাবালি ঢুকতে না পারে সেজন্য যথা সম্ভব নাক-মুখ হাত দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। সেক্ষেত্রে উদ্ধার কর্মীদের খবর দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
    • বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে বিল্ডিং কোড মানা
    • অবকাঠামোগুলোতে রেইনফোর্সড কংক্রিট ব্যবহার
    • গ্যাস ও বৈদ্যুতিক লাইন নিরাপদ ভাবে তৈরি করতে হবে
    • জলাশয় ভরাট করেই বাড়ি বা স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না
    • প্রতিটি তলা একই রকম রাখতে হবে
    • বাড়ি নির্মাণের সময় M.S. রড এবং R.C.C কলাম ব্যবহার করতে হবে

    রাজধানী ঢাকায় বিল্ডিং কোট মেনে বাড়ি নির্মান করলে ভূমিকম্পের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা ও অন্যান্য মাধ্যম।

  • জলবায়ু সম্মেলনে অনুন্নত দেশগুলোর জন্য তহবিল ৪২ কোটি ডলার

    জলবায়ু সম্মেলনে অনুন্নত দেশগুলোর জন্য তহবিল ৪২ কোটি ডলার

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১ ডিসেম্বর, ২০২৩: সারা বিশ্বে আজ পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ছে। আর এর প্রধান কারণ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মকান্ড। আর এ কারণে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো।শুধু তাই নয় সার্বিক ভাবে গোটা বিশ্বে জলবায়ুজনিত সমস্যা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জলবায়ু সংক্রান্ত ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে আর্থিক সহযোগিতার জন্য উন্নত দেশগুলোকে বলা হয়েছে। আর এই তহবিল সংগ্রহের লক্ষ্যে এবারের জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ২৮)।

    আজ বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া এ সম্মেলনে এরই মধ্যে তহবিল অনুমোদন করেছে তেলের অন্যতম বড় উৎপাদক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। তাদের সঙ্গে এক হয়ে উন্নত আরও কয়েকটি দেশের ।

    তহবিলের প্রতিশ্রুতি দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে আছে, সম্মেলনের আয়োজক সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ১০ কোটি ডলার, যুক্তরাজ্য ৬ কোটি পাউন্ড, যুক্তরাষ্ট্র ১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার এবং জাপান ১ কোটি ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। পরে ইউরোপীয় ইউনিয়নও ২৪ কোটি ৫৩৯ লাখ ডলার এবং জার্মানি ১০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলো প্রথমদিনেই ৪২ কোটি ডলার তহবিল গরিব দেশগুলোর জন্য বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    জাতিসংঘের শীর্ষ জলবায়ু কর্মকর্তা সাইমন ইমানুয়েল কারভিন স্টিয়েল বলেছেন, এবারের সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ক্ষয় ও ক্ষতিকে (লস অ্যান্ড ডেমেজ) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে তহবিলে অর্থায়নসহ আমাদের সামনের দিকে এগোতে হবে। এখান থেকে পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। উন্নত দেশগুলো বেশ কয়েক বছর আগে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গরিব দেশগুলোকে এই অর্থ দেওয়া হবে তাদের অভিযোজন ও সবুজ জ্বালানির উন্নয়নে। আমরা আশা করছি, এবছর আমরা এই প্রতিশ্রুতির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবো।

  • নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

    নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১ ডিসেম্বর, ২০২৩: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপের কারণে দেশের সমদ্রবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। আন্দামান সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ঘনীভূত হয়ে এবং উত্তর-পশ্চিম দিকে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অগ্রসর হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।তাই এই সতর্ক সংকেত জারি করা হয়। আবহাওয়া অফিস থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

    আজ শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়া অফিস থেকে জানা গেছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আজ (১ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৬৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে এক হাজার ৬৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

    নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    নিম্নচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে আগামী রবিবার (৩ ডিসেম্বর) ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। তখন এটির নাম হবে ‘মিগজাউম’। নামটি মিয়ানমারের দেওয়া।

    এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।