Category: বিনোদন

  • শিল্পকলায় চলছে প্রথম ‘জাতীয় মিষ্টি মেলা’

    শিল্পকলায় চলছে প্রথম ‘জাতীয় মিষ্টি মেলা’

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৭ মার্চ, ২০২৪: দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভিত্তিক ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি নিয়ে আজ গতকাল বুধবার ৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুরু হয়েছে প্রথমবারের মতো জাতীয় মিষ্টি মেলা । ৫ দিনব্যাপী এ মেলা চলবে ১০ মার্চ পর্যন্ত। খাদ্য সংস্কৃতি হিসেবে দেশের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টিগুলোকে সকলের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ভিন্নধর্মী এ আয়োজন। এতে অংশ নিয়েছেন দেশের প্রত্যন্ত এলাকা থেকে আগত ৬৪ এর অধিক মিষ্টি শিল্পীরা।

    শিল্পকলায় চলছে প্রথম ‘জাতীয় মিষ্টি মেলা’ - বিনোদন - ৭ মার্চ ২০২৪ (২)_1
    শিল্পকলায় চলছে প্রথম ‘জাতীয় মিষ্টি মেলা’ – বিনোদন – ৭ মার্চ ২০২৪ (২)_1

    মিষ্টি মেলার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী হাশেম খান, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক, লিয়াকত আলী লাকী। জনাব খলিল আহমেদ সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ।

    সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, “শুধু প্রদর্শনীর জন্য নয়, কেউ চাইলে ৬৪ জেলার বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি খেতে পারবে। আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যটা হলো, আমরা গর্ব এবং গৌরবের বিষয়গুলো আবিস্কার করতে চাই এবং তার প্রচার ও প্রসার ঘটাতে চাই। আমরা জানি নেতিবাচক অনেক কিছু এ দেশ সম্পর্কে প্রচারিত হয়, এ জন্য আমরা প্রতি বছরই একটি কর্মসূচী পালন করি, শিল্পের শহর। পঞ্চগড় থেকে শুরু করে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রত্যেকটি শহরের নিজস্ব ইতিহাস আছে। সেই ইতিহাস ঐতিহ্যের ইতিবাচকতা তুলে ধরতে চাই।”

    তিনি আরো বলেন, ‘এই মিষ্টি মেলার মাধ্যমে যে শিল্পীরা মিষ্টি তৈরি করেন তাদেরকে চিহ্নিত করা ও শ্রদ্ধা জানানো অন্যতম কাজ বলে আমরা মনে করি । আমাদের অনেক মিষ্টি জিআই হয়েছে। আরো যে সব মিষ্টি জিআই হওয়া উচিৎ তা নিয়ে আমরা কাজ করবো। আশা করবো মেলাটি সাফল্য মন্ডিত হবে এবং প্রতি বছরই আমরা এ মেলার আয়োজন করবো।’

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ভিন্ন ধর্মী এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান আলোচকরা।

    আলোচনা পর্ব শেষে পরিবেশিত হয় সমবেত সংগীত- ‘আমরা নতুন যৌবনের দূত’ এবং ‘আমরা সুন্দরের অতন্দ্র প্রহরী’ পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু সংগীতদল, কথা: মাসুদ সালাহউদ্দীন এবং সূর করেছেন লিয়াকত আলী লাকী।  এরপর পরিবেশিত হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষিত অ্যাক্রোবেটিক দলের পরিবেশনা ব্যারেল ব্যালেন্স,  রোলার ব্যালেন্স এবং টপটু আমব্রেলা।

    এছাড়াও বিকেলের লোক-সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় সংগীত পরিবেশন করেন তারকা শিল্পী শাহানাজ বেলী, আয়শা জাবীন দিপা, খায়রুল ওয়াসী, ফারহানা পারভীন। এছাড়াও সংগীত পরিবেশন করবেন প্রতিশ্রতিশীল শিল্পী শারমীন জাহান কেয়া, রোকসান আক্তার রুপসা, রাফি তালুকদার, জীবন চৌধুরী, প্রেমা জামান মীম এবং বিপাশা পারভীন।

  • অনন্ত আম্বানির বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন পপ তারকা রিয়ানা ও বলিউড স্টাররা

    অনন্ত আম্বানির বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন পপ তারকা রিয়ানা ও বলিউড স্টাররা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৬ মার্চ, ২০২৪: ভারতীয় ধনকুবের শিল্পপতি রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন জুলাই মাসে। তবে উৎসব শুরু হয়ে গেল মার্চে মাসেই।

    ২০২২ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাজস্থানের নাথদ্বারার শ্রীনাথজি মন্দিরে রাধিকা মার্চেন্টের সঙ্গে তার বাগদান সম্পন্ন করেন অনন্ত আম্বানি। এবার সাতপাকে বাঁধা পড়তে যাচ্ছেন অনন্ত-রাধিকা।

    অনন্তের বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন বলিউড স্টাররা - বিনোদন - ৬ মার্চ ২০২৪
    অনন্তের বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন বলিউড স্টাররা – বিনোদন – ৬ মার্চ ২০২৪

    আর জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠানে গাইতে ভারতে উড়ে এসেছেন পপতারকা রিয়ানা। তাছাড়াও অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে শাহরুখ খান সালমান খান, সাইফ আলী খান, আমির খান, রাণবীর কাপুর, রানভীর সিং সহ অনেক বলিউড তারকা উপস্থিত হয়েছিলেন। নারী তারকাদের মাঝে দীপিকা পাড়ুকোন, বলিউড খ্যাত ননদ-ভাবী শ্বেতা বচন-ঐশ্বরিয়া রায়, আলিয়া ভাট, শ্রদ্ধা কাপুর সহ অনেকের সমাগম হয়েছিলো এখানে। তাদের সবার সাজপোশাকও আলদা নজর কেড়েছিলো দর্শকদের। আর এই খবর যেমন এসেছে গণমাধ্যমে তেমনি এসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। তাই কারো চোখ এড়িয়ে যাওয়ার কথা নয়। কেননা এই বিয়েতে প্রথমবারের মত ভারতে এসেছেন পপ তারকা বিয়ানা। আবার এক মঙ্গে নেচেছেন শাহরুখ, সালমান ও আমির খান। কোন পরিচালক যেখানে এই তিন খানকে এক ছবিতে আনতে পারেনি সেখানে মুকেশ আম্বানি নিয়ে এলন তাদের এক মঞ্চে। এতেই প্রমানিত হয়  ‍অনুষ্ঠানটি কতটা জাঁকজমকপূর্ণ ছিলো। এছাড়া, শ্রেয়া ঘোষাল,অরিজিৎ সিং, লাকি আলী, উদিত নারায়ণসহ অনেকে গানও গেয়েছেন।

    বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের মাঝে অন্যতম হলেন বিল গেটস এবং মার্ক জাকারবার্গ।

    কারণ মি. আম্বানির ছোট ছেলে অনন্ত আম্বানি ও হবু পুত্রবধু রাধিকা মার্চেন্টের বিবাহ পূর্ববর্তী অনুষ্ঠান হয় ভারতের গুজরাটের জামনগরে। পহেলা মার্চ থেকে তেসরা মার্চ, টানা তিন ধরে এই অনুষ্ঠান চলে।

    রাধিকা মার্চেন্ট হলো বিজনেস টাইকুন বীরেন মার্চেন্ট ও শায়লা মার্চেন্টের মেয়ে। নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি ও অর্থনীতি নিয়ে পড়া রাধিকা তার শাশুড়ি নীতা আম্বানির মতো একজন প্রশিক্ষিত ভরতনাট্যম নৃত্যশিল্পী।

    বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া আগে রাধিকা ও অনন্ত দীর্ঘদীন প্রেম করেছেন। কিন্তু তাদের এই বিবাহ-পূর্ববর্তী অনুষ্ঠান নিয়ে এত আলাপ-আলোচনার মূল কারণ এর চোখ ধাঁধানো জাঁকজমক। সেই চোখ ধাঁধানো আয়োজনের আলোচিত কিছু বিষয় সম্বন্ধে জেনে নেয়া যাক।

     

    বিয়ের মোট খরচ:

    আমেরিকান বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় ধনকুবের রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি হলেন বিশ্বের নবম ধনী ব্যক্তি। রিটেইল থেকে শুরু করে তেল শোধনাগার পর্যন্ত তার বিশাল বিনিয়োগের সাম্রাজ্যের পরিমাণ ১১৭ দশমিক তিন বিলিয়ন ডলার; অর্থাৎ, ১১ হাজার ৭৩০ কোটি ডলার।

    তেল, টেলিকম, কেমিক্যালস, প্রযুক্তি, ফ্যাশন থেকে শুরু করে খাদ্যপণ্য; এমন বহু খাতে রিলায়েন্সের বিনিয়োগ আছে। ভারতের অর্থনীতি ও সমাজের প্রায় সর্বক্ষেত্রে আম্বানিদের উপস্থিতি থাকায় আম্বানিদের নিয়ে জনগণের আগ্রহও ব্যাপক।

    সেই কৌতুহল থেকেই প্রশ্ন উঠেছে, মুকেশ আম্বানি তার ছোট ছেলের প্রাক-বিয়ে অনুষ্ঠান বাবদ মোট কত টাকা খরচ করেছেন? মানুষ আরও জানতে চায়, বিবাহ পূর্ববর্তী অনুষ্ঠানেরই যদি এত এলাহী আয়োজন হয়, তাহলে চলতি বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মূল বিয়ের আয়োজনে কী কী হবে। যদিও আম্বানি পরিবার এখন পর্যন্ত এই প্রাক-বিয়ে আয়োজনের জন্য কত টাকা খরচ করেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য এখনও পাওয়া যায় নি।

    তবে দ্য গার্ডিয়ান বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলেছে যে বিবাহ পূর্ববর্তী এই অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় ১২০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে আম্বানি পরিবার। যদিও বিজনেস ইনসাইডার এই তথ্যটি দ্য ডেইলি মেইল থেকে নিয়েছে এবং ডেইলি মেইল এই তথ্য কোন সূত্র থেকে পেয়েছে, সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করেনি।

    তবে প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠানের জন্য এত খরচ দেখে অবাক হওয়ার সেরকম কোনও ব্যাপার নেই। কারণ এর আগেও ২০১৮ সালে মুকেশ আম্বানি তার মেয়ে ঈশা আম্বানির বিয়ে বাবদ ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিলো।

     

    হাজারের ওপর অতিথি:

    মুকেশ আম্বানির ছেলের বিয়েতে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে হাজারের ওপর অতিথি এসেছেন। গুজরাটের স্থানীয় বিমানবন্দর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই আয়োজন এত বিশাল ছিলো যে স্থানীয় বিমানবন্দর যেন এক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরিণত হয়েছে।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই আয়োজনের জন্য জামনগর বিমানবন্দরে প্রায় ১৩০টি বিমান নেমেছে। বিদেশ থেকে আগত অতিথিদের মাঝে অন্যতম হলেন বিল গেটস এবং মার্ক জাকারবার্গ।

    আগত অতিথিদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল অনুষ্ঠানস্থলের কাছে বিলাশবহুল ‘গ্ল্যাম্পিং’-এ (গ্ল্যামারাস এবং ক্যাম্পিং এর মিশেলে তৈরি শব্দ)। এই তাবুগুলো এত বেশি বিলাশবহুল ছিলো, যা অনেকটা কল্পনারও বাইরে। এছাড়া, অতিথিদের খাবারের জন্য ছিলো থাই, জাপানিজ, মেক্সিকান, পার্সি এবং প্যান এশিয়ান ইত্যাদির পাঁচ শতাধিক পদ, তা থেকে নিজেদের পছন্দ মতো খাবার বেছে নিতে পারতেন অতিথিরা।

    রান্নার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক ডজন বিখ্যাত শেফ বা বাবুর্চিকে নিয়ে আসা হয়েছিলো। রয়টার্স-এর এক প্রতিবেদন বলছে, বাবুর্চি সংখ্যা ছিলো প্রায় ১০০ জন।

    এছাড়া, অনুষ্ঠানে একাধিক থিম ছিল। তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অতিথিদের প্রস্তুত হতে সাহায্য করতে মেকআপ এবং কেশ শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন নামী স্টাইলিস্টও। লন্ড্রি পরিষেবাও রাখা হয়েছিল।

     

    পপ তারকা রিয়ানার পারিশ্রমিক:

    এই বিয়েতে আমন্ত্রিতদের মাঝে অন্যতম হলেন ‘পপ কুইন’ খ্যাত তারকা রিয়ানা। অনন্ত আম্বানি ও রাধিকা মার্চেন্টের প্রাক-বিবাহ পূর্ববর্তী আনুষ্ঠানিকতার প্রথম দিনে প্রায় ১২০০ দর্শকের সামনে নাচে গানে মঞ্চ মাতিয়েছেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের জন্য তাকে ৭০ লক্ষ ডলার পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

    ভারতের মঞ্চে এর আগে কখনও গান পরিবেশন করেননি রিয়ানা। তাই, তাকে নিয়ে সবার অনেক আগ্রহ ছিলো। ফ্লুরোসেন্ট সবুজ রঙের একটি শিমারি গাউন পরে খালি পায়ে মোট ৪০ মিনিট মঞ্চে ছিলেন রিয়ানা। দর্শক এবং ভক্তরা তাকে খালি পায়ে পারফর্ম করতে দেখে অবাক হয়েছে। হিন্দুস্তান টাইমের এক প্রতিবেদন বলছে, এটি তিনি ভারতীয় মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখাতেই এটি করেছেন। উল্লেখ্য, রিয়ানা প্রায় সাত বছর পর এই প্রথমবার লাইভ অর্থাৎ সরাসরি মঞ্চে পরিবেশন করেছেন।

    এছাড়া, ২০১৮ সালে ঈশা আম্বানির বিয়েতেও আম্বানি পরিবার মেগাস্টারদেরকে নিয়ে এসেছিলো। সে বার বিখ্যাত মার্কিন সংগীত শিল্পী বিয়ন্সে-কেও মোটা আংকের পারিশ্রমিক দিয়ে আনা হয়েছিলো। পরের বছর কোল্ডপ্লে’র লিড ভোকালিস্ট ক্রিস মার্টিনকে আম্বানির বড় পুত্র আকাশ আম্বানির বিবাহ পূর্ববর্তী অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার জন্য আনা হয়েছিলো।

     

    বলিউডের তিন খানের নাচ:

    আম্বানি পুত্রের বিয়েতে গোটা বলিউড এক ছাদের তলায় এসেছে। অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের প্রাক-বিবাহ অনুষ্ঠানে তারকাদের মিলনমেলা বললেও ভুল হবে। এই তিন দিন এখান অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে শাহরুখ খান সালমান খান, সালমান খান, সাইফ আলী খান, আমির খান, রাণবীর কাপুর, রানভীর সিং সহ অনেক বলিউড তারকা উপস্থিত হয়েছিলেন। পপ তারকা রিয়ানার

    নারী তারকাদের মাঝে দীপিকা পাড়ুকোন, বলিউড খ্যাত ননদ-ভাবী শ্বেতা বচন-ঐশ্বরিয়া রায়, আলিয়া ভাট, শ্রদ্ধা কাপুর সহ অনেকের সমাগম হয়েছিলো এখানে। তাদের সবার সাজপোশাকও আলদা নজর কেড়েছিলো দর্শকদের। তবে মুকেশ আম্বানির ছেলের বিবাহ পূরবর্তী অনুষ্ঠানে বলিউড প্রসঙ্গ এলেই সবার আগে চোখে ভেসে ওঠে বলিউডের তিন খান খ্যাত শাহরুখ, সালমান ও আমিরের একই মঞ্চে যৌথ নাচ।

    ক্যারিয়ারের এত দীর্ঘ সময়ে এই তিন খানকে এর আগে কখনও এক পর্দায় দেখা না গেলে এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে তিন সুপারস্টারকে এক মঞ্চে একসাথে নাচতে দেখে আনন্দিত তাদের ভক্তরা। তাদের নাচের ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল। ভিডিওতে তাদেরকে ‘আর আর আর’ সিনেমার ‘নাটু নাটু’ গানের তালে নাচতে দেখা যায়।

    তবে এখানে একটা বিষয় হলো, কোনও বিয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার জন্য সাধারণত এইসব তারকারা মোটা অংকের পারিশ্রমিক নেন। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে, আম্বানি পুত্রের বিয়েতে নাচার জন্যও কী তারা টাকা নিয়েছেন?

    রিয়ানাকে পারিশ্রমিক দেওয়ার বিষয়ে একাধিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলেও তিন খান সত্যিই কোনও পারিশ্রমিক নিয়েছে কিনা, এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। যদিও ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে যে শাহরুখ প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকা নিয়েছেন অম্বানীদের থেকে। আলিয়া ভাট পেয়েছেন প্রায় দেড় কোটি টাকা।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের জানুয়ারিতে ভারতের মুম্বাইয়ে আম্বানি পরিবারের বহুতল অ্যান্টিলিয়াতে আনুষ্ঠানিকভাবে বাগদান হয়েছিলো অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের। তখনও পুরো বলিউড সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলো। তবে সে বার করণ জোহর, হৃত্বিক রোশান প্রিয়াংকা চোপড়া, কৃতি শ্যানন, আনুশকা শর্মা সহ আরও অনেক তারকা উপস্থিত থাকলেও এবার তাদেরকে দেখা যায়নি।

     

    কঙ্গনা রানাউতের ইন্সটাগ্রাম পোস্ট:

    বলিউডে যেসব বিতর্কিত অভিনেত্রী আছেন, তাদের মাঝে কঙ্গনা রানাউত অন্যতম। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে। তবে আম্বানিপুত্রের বিয়ের পর নতুন করে তাকে নিয়ে এখন আলোচনা চলছে তার এক ইন্সটাগ্রাম স্টোরির জের ধরে। স্টোরিতে তিনি নিজেকে ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের জন্য তুলনা করেছেন।

    স্টোরিতে রানাউত একটি আর্টিকেলের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন। সেই আর্টিকেলে লতা মঙ্গেশকরের সাক্ষাৎকার ছিলো। আর্টিকেলের শিরোনাম হলো: “এমনকি আপনি যদি আমায় পাঁচ মিলিয়ন ডলারও দেন, আমি যাবো না: একটি বিয়েতে গান গাওয়া প্রসঙ্গে লতা মঙ্গেশকর”।

    মঙ্গলবার সেই আর্টিকেলের স্ক্রিনশটের উপড়ে, এক পাশে অভিনেত্রী লিখেছেন, “আমি অনেক খারাপ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মাঝ দিয়ে গেছি। কিন্তু লতাজি এবং আমার কৃতিত্ব নেওয়ার মতো অনেক বিখ্যাত গান আছে।”

    তিনি আরও বলেন, “কিন্তু অনেক প্রলোভন পাওয়া সত্ত্বেও আমি কখনও কোনও বিয়েতে নাচিনি….খ্যাতি এবং অর্থকে ‘না’ বলার জন্য শক্তিশালী চরিত্র এবং মর্যাদা লাগে।”

    হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে কঙ্গনার এই পোস্ট সম্বন্ধে বলা হয়েছে, আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে যে সেলিব্রিটিদের, বিশেষ করে বিনোদন শিল্পের, যারা অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা আম্বানির তিন দিনের প্রাক-বিবাহ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন এবং নাচগান করেছিলেন, তাদেরকে ইঙ্গিত করেই অভিনেত্রী এই পোস্ট দিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, তিন খান ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে দীপিকা, রানভীর, কিয়ারা আদভানি, কারিনা কাপুরসহ অনেকে মঞ্চে নেচেছিলেন। এছাড়া, শ্রেয়া ঘোষাল,অরিজিৎ সিং, লাকি আলী, উদিত নারায়ণসহ অনেকে গানও গেয়েছেন।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • মুকেশ আম্বানীর ছেলের বিয়েতে নাচলেন সালমান, শাহরুখ এবং আমির

    মুকেশ আম্বানীর ছেলের বিয়েতে নাচলেন সালমান, শাহরুখ এবং আমির

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৪ মার্চ, ২০২৪: রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি ভারতের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।  তার নিট সম্পদের পরিমাণ ৩ লাখ ৭১ হাজার কোটি রুপি। ভারতীয় এই ধনকুবের কনিষ্ঠ ছেলে অনন্ত আম্বানীর বিয়েতে জাঁকজমকের পাশাপাশি ঘটেছিলো তারকা সামবেশ।  ১ মার্চ থেকে গুজরাতের জামনগরে শুরু হয়েছে অনুষ্ঠান। দেশ-বিদেশের তারকা থেকে শুরু করে বিশ্বের নামী শিল্পপতি সবাই আছেন অতিথি তালিকায়! মার্ক জাকারবার্গ থেকে ইভাঙ্কা ট্রাম্প, বিল গেটস থেকে পপ গায়িকা রিহানা উপস্থিত সেখানে। এ ছাড়াও, অম্বানীদের তিন দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে গোটা বলিউড। সেখানেই দেখা গেল সালমান, শাহরুখ ও আমির খানকে। তিন খান নেচে গেয়ে মাতিয়ে দিলেন উপস্থিত সবাইকে। তাছাড়া তিন খানকে এত ঘনিষ্ঠেভাবে দেখার সুযোগ করে দিলেন মুকেশ আম্বানি। এর আগে তিন খানকে একত্রে দেখা গেলেও অনন্তের বিয়েতে দেখা গেছে অন্তরঙ্গ ভাবে। যা আগে কখনও দেখা যায়নি।

    অনন্ত-রাধিকার প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠানে এক সূত্রে বাঁধা পড়ল হলিউড, বলিউড এবং দক্ষিণী সিনেমাজগৎ। অনুষ্ঠানে রাজমৌলির ‘আরআরআর’ ছবির ‘নাটু নাটু’ গানে নাচলেন শাহরুখ-সালমান-আমিরেরা। তিন জনের পরনেই ছিল আফগানি কুর্তা-পাজামা, গলায় রুপোলি উত্তরীয়। শাহরুখের ‘ছাইয়া ছাইয়া’, সালমানের ‘জিনে কি হ্যায় চার দিন’ আর আমিরের ‘মস্তি কি পাঠশালা’ গানের স্টেপেও মঞ্চ মাতান এই তিন সুপারস্টার। তিন জনের নাচের এই ভিডিয়ো এখন ভাইরাল সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে।

    অনুষ্ঠান শেষে মঞ্চে এসে শাহরুখ সকলের উদ্দেশে বলেন, “সৃষ্টিকর্তা সকলের মঙ্গল করুন।’’ তিনি আরও বলেন, “আপনারা নাচের পারফরম্যান্স দেখেছেন। ভাই, বোন, শ্বশুর, শাশুড়ি, নায়ক-নায়িকা সকলের নাচ দেখেছেন। তবে, এই এত কিছু বড়দের আশীর্বাদ ছাড়া সম্ভব হত না।”

    তার পরই অম্বানী পরিবারের তিন স্তম্ভের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন শাহরুখ। অভিনেতা বলেন, ‘‘এ বার আপনাদের সামনে পরিচয় করিয়ে দেব অম্বানী পরিবারের পাওয়ারপাফ মেয়েদের, পরিবারের তিন দেবী— সরস্বতী, লক্ষ্মী এবং পার্বতী। তাঁদের প্রার্থনা এবং আর্শীবাদ এই পরিবারটিকে ধরে রেখেছে।’’

    এর পর শাহরুখ মঞ্চে নিয়ে আসেন কোকিলাবেন অম্বানী, পূর্ণিমা দলাল, দেবযানী খিমজিকে। সাবই যেন শাহরুখের এই উপস্থাপনা খুভ উপভোগ করেছে। যেমন উপভোগ করেছিলো তিন খানের নাচের অনুষ্ঠান।

    সূত্র : আনন্দবাজার প্রত্রিকা 

  • শিশু- কিশোর ও যুব নাট্য উৎসবের আজ সমাপনী দিন

    শিশু- কিশোর ও যুব নাট্য উৎসবের আজ সমাপনী দিন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩ মার্চ, ২০২৪: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও পিপলস থিয়েটার এসোসিয়েশন এর যৌথ আয়োজন- জাতীয় শিশু-কিশোর ও যুব নাট্যোৎসবের সমাপনী হচ্ছে আজ। এবারে নাট্যোৎসবে সমাজ সংস্কারের বিভিন্ন ধরণের বার্তা দেওয়া হয়েছ।

    শিল্প সংস্কৃতিঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার অভিলক্ষ্যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমারা উন্নতির শিখরে’ এই প্রতিপাদ্যে শিল্পের সকল শাখার সমন্বয়ে বৈচিত্র্যময় ও সাংস্কৃতিক প্রভাব সৃষ্টিকারী কর্মসূচিগুলো দেশব্যাপী বাস্তবায়ন করছে বাংলাদশে শিল্পকলা একাডেমি। দেশের কাঙ্খিত সামগ্রিক উন্নয়নের টেকসই রূপায়নে সকল শ্রেণী, সম্প্রদায়ের শিশু-কিশোর ও যুবকদের সম্পৃক্ত এবং অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও পিপ্লস থিয়েটার এসোসিয়েশন যৌথভাবে দেশের শিশু-কিশোর ও যুবকদের ১০০টি নাট্য প্রযোজনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা সমন্বয়ে ‘পঞ্চদশ জাতীয় শিশু-কিশোর ও যুব নাট্যোৎসব ২০২৪’ আয়োজন করে।

    নাটকের সামগ্রীক মূল্যায়নে কিভাবে মানুষের মধ্যে সুস্থতারে দিকে ধাবিত করে তারই প্রকাশ পেয়েছে ‘প্রকৃতির পাঠ’ নাটকে।

    কোন এক রাজার রাজ্যে অন্যসব ঠিক ঠাক চলছিল। একদিন রাজার চোখে পড়লো প্রকৃতির মাঝে শিশুরা পড়ালেখা বাদ দিয়ে হাসি, আনন্দ-উল্লাস নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে। রাজা সেটা ভালোভাবে নিলেন না সেটাকে তিনি সময়ের অপচয় হিসাবে নিলেন। রাজা শিক্ষামন্ত্রীর প্ররোচনায় শিক্ষায় হাসি, গান, আনন্দ প্রকৃতি প্রেম সবকিছু রাজ্যে নিষিদ্ধ করলেন। শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক কেউই রাজার এই আদেশ মন থেকে মেনে নিতে পারলেন না। তারা প্রকৃতির কোলে নিজেকে বিলিয়ে দিতে চায় তারা প্রাণখুলে হাসি আনন্দে থাকতে চায় আর শিখতে চায় । বাউলও তাদের সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে। তারা পাঠের সময় হাসি, আনন্দ গান নিয়ে বিদ্যাচর্চায় মনোনীবেশ করে। কিন্তু রাজার মন্ত্রী ও সেনাপতি রাজার আইন অমান্য করার দায়ে তাদের বন্দী করে রাজ দরবারে নিয়ে যায়।

    এদিকে রাজপুত্র অসুস্থ হয়ে পড়লে কবিরাজকে ডেকে পাঠানো হয়। কবিরাজ রোগের অস্তিত্ব খুঁজে না পেয়ে বলেন রোগ তার মনে। রাজা আশাহত আর চিন্তামগ্ন হয়ে পড়েন। শিক্ষার্থীরা আসে রাজদরবারে তাদের শিক্ষাগুরু এবং বাউলকে মুক্ত করতে। তারা গানের মাধ্যমে রাজার ভুলগুলো ধরিয়ে দেয় আর সেই সুরেই আকৃষ্ট হয়ে রাজপুত্র সুস্থ হয়ে উঠে এবং শিক্ষার্থীদের দলে যেতে পিতার অনুমতি প্রার্থনা করে। রাজা অনুমতি দেয় এবং নিজের ভুল বুঝতে পেরে শিক্ষক এবং বাউলকে মুক্ত করে দেয়। সাথে এই ঘোষণা প্রদান করেন এখন থেকে শিশুরা প্রকৃতির মাঝে হাসি, আনন্দ আর নাচ-গানের মাধ্যমেই শিক্ষা লাভ করবে। এভাবেই ‘প্রকৃতির পাঠ’ নাটকে ওঠে আসে সংস্কৃতি সচেতনতনতা, শিশুদের সুস্থতার গল্প।

    কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের ডাকঘর থেকে শুরু করে শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের মহেশ, একই সাথে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠি সম্প্রদায়ের ভাষায় নাট্যরচনা থেকে বর্তমান প্রযুক্তির যুগে বাবা মায়ের সাথে শিশুদের মোবাইল আসক্তি, নানান শিক্ষা সচেতনতামুলক গল্পে অভিনয়ের মাধ্যমে সমাজ সংস্কারের বার্তা দিয়েছে শিশুরা।

    আজ ৩ মার্চ বিকালে সমাপনী দিনে একাডেমির ৩ টি মিলনায়তনে একযোগে নাটক শুরু হবে বিকাল ৫.০০ টা থেকে। ১০০টি নাট্য প্রযোজনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা সমন্বয়ে এই উৎসব শুরু হয় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি।

    ১০ হাজার শিশুর মিলনমেলায় প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নাট্যদলের বৈচিত্র্যময় পরিবেশনায় জমে ওঠে ‘পঞ্চদশ জাতীয় শিশু- কিশোর ও যুব নাট্যোৎসব ২০২৪’।

  • জমে উঠেছে চারুশিল্পী ও উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত বাজার

    জমে উঠেছে চারুশিল্পী ও উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত বাজার

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: কালের বিবর্তনে আধুনিকতাকে ধারণ করে গ্রামীন ঐতিহ্যের শিল্পবোধ হারিয়ে যেতে বসেছে। গ্রমীণ মেলার খাবার নাড়ু-মিঠাই এখন হারিয়ে গেছে । শহরের আধুনিক ধারার মেলাতে সেই খাবারের পরিবর্তে এখন জনপ্রিয় হয়েছে চটপটি আর ফুচকা। বায়োস্কোপ হারিয়ে গিয়ে ঢাকার ১লা বৈশাখের মেলায় এসেছে মুখোশ। এভাবে যে সব পণ্য হারিয়ে যাচ্ছে এবং এই সব পণ্যের শিল্পীদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে শিল্পকলা আয়োজন করেছে চারুশিল্পী ও উদ্যোক্তা মেলা।

    টেপা পুতুল ও টেরাকোটা শিল্পী শ্রী সুবোধ কুমার পাল এসেছেন রাজশাহীর উলাপুর থেকে। বংশ পরম্পরায় তারা মৃৎশিল্প নিয়ে কাজ করেন। এটি শুধু পেশা নয়, তাদের পারিবারিক ঐতিহ্যও। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আর্ট মার্কেটে অংশ নিয়েছেন তিনি। তার মতো চারুশিল্পের সাথে সমপৃক্ত বিভিন্ন ধারার শিল্পকর্ম ও হাতে তৈরী ঐতিহ্যবাহী শিল্প পন্য নিয়ে আর্ট মার্কেটে বসেছেন প্রায় ১০০ শিল্পী। রয়েছে বিলুপ্তপ্রায় শিল্প মাধ্যম বায়োস্কোপও। সুরে সুরে লোকজ এই মাধ্যমের সাথে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন বায়োস্কোপ শিল্পী জলিল মন্ডল। একইভাবে ইউনেস্কো স্বীকৃত রিক্সা পেইন্টিং থেকে শুরু করে জামদানী, পাহাড়ি বুনন, গহনা, ভাস্কর্য তৈরীর হাতে খড়ি, উদ্যোক্তাসহ নানা শিল্পপণ্যের পসরা নিয়ে বসেছে শিল্পীরা। শিল্পপন্য শুধু প্রদর্শন কিংবা কেনা-বেচা নয়, পেশাভিত্তিক শিল্প চর্চায় অনুপ্রেরণা দিতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের লোকসাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এ আয়োজন।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ভিন্নধর্মী এ আর্ট মার্কেট চলছে একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে। চলমান এ আর্ট মার্কেট চলবে ৩রা মার্চ পর্যন্ত, বাকি আর মাত্র ৩ দিন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সূবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ থেকে শুরু হয়েছে সমসাময়িক নান্দনিক সৃজনকৃত শিল্পকর্ম নিয়ে ভিন্ন ধর্মী আয়োজন শিল্প বাজার বা আর্ট মার্কেট। শিল্পকর্ম/শিল্পপণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুরু হয় “শিল্প বাজার- ২০২৪”।

    মুলত সমকালীন শিল্পচর্চার প্রেক্ষাপটকে বিবেচনা করে নান্দনিক জীবনের জন্য শিল্পের প্রসার, পেশাভিত্তিক শিল্পচর্চায় ’শিল্প বাজার’, নিজ নিজ শিল্পকর্ম বা শিল্পপণ্য তৈরিতে শিল্পীকে আরো বেশী উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করতে এই আয়োজন। এছাড়াও শিল্পী ও শিল্পমাধ্যমের সঙ্গে সম্পৃক্তদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীবিকা নির্বাহের পন্থা হিসেবেও বিবেচনা করা যেতে পারে।

    শিল্প বাজারের এই আয়োজনকে আরো বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের অন্যতম শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ, শিল্পী ও উদ্যোক্তাগণদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। “শিল্প বাজার- ২০২৪” এ মূলত শিল্পী, শিল্প- উদ্যোক্তাদের তৈরি করা শিল্পকর্ম/ শিল্পপণ্য দেশের জনগণের কাছে পৌছে দেওয়ার একটি ক্ষেত্র তৈরি করবে যা শিল্পসম্মত ক্রেতা ও শিল্প সংগ্রাহক হতে উদ্বুদ্ধ করবে। এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে চারুশিল্পের সমকালীন ধারা, শিল্পকর্ম, ঐতিহ্যবাহী পণ্য, উদ্যোক্তা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল মাধ্যমের তৈরী সৃজনশীল পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রয়ের লক্ষ্যে অনন্য সম্ভার ‘শিল্পবাজার ২০২৪’। প্রতিদিন রাত ৮.৩০টায় অনুষ্ঠিত হয় শিল্পবাজার ব্যান্ড সংগীত।

  • শিল্পকলার আয়োজনে ‘ইকেবানা ও অরিগামি কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত

    শিল্পকলার আয়োজনে ‘ইকেবানা ও অরিগামি কর্মশালা’ অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২ দিনব্যাপী ইকেবানা ও অরিগামি কর্মশালা। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে চলমান আর্ট মার্কেটের অংশ হিসেবে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ১০ জন করে ২০ জন অংশগ্রহণকারীকে এ কর্মশালার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

    জাপানিজ শিল্পকলা ইকেবানা হলো ফুল, পাতা, শাখা প্রশাখার শৈল্পিক সমন্বয় পদ্ধতি, যা ফুলের বিন্যাসের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হয়। শিল্পকলা হিসেবে এটি শুধু সজ্জায়নের জন্যই নয়, এর দার্শনিক ভাবধারাও রয়েছে। মুলত জীবন্ত ফুল দিয়েই এই শিল্পকর্মটি তৈরী করা হয়।

    অন্যদিকে অরিগামি হলো কাগজের ভাঁজের মাধ্যমে কোন নির্দিষ্ট জিনিসের আকৃতি দেয়া। এটিও মুলত জাপানি ঐতিহ্য। অরি মানে ভাঁজ আর গামি অর্থ কাগজ। অরিগামির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু ধরন হলো অ্যাকশন অরিগামি, মডিউলার অরিগামি, ওয়েট ফোল্ডিং ও অনান্য। সাধারণত কোন কিছুর সাহায্য ছাড়াই কাগজে নানা আকৃতি বা অবয়ব তৈরী করা হয়।

    ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ দুদিনব্যাপী ইকেবানা ও অরিগামি কর্মশালার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন ‘জাপানি ঐতিহ্য হলেও ইকেবানা ও অরিগামি শিল্পকলা হিসেবে বাংলাদেশেও ভীষণ জনপ্রিয়। ফুল ও কাগজের তৈরী এ ধরনের শৈল্পিক পরিবেশনা আমাদের প্রত্যেকের ঘরেও কমবেশি দেখা যায়। সেটাকেই আরো কিভাবে নান্দনিক ও সুন্দর করা যায় সেই প্রচেষ্ঠাতেই আমাদের এই আয়োজন।’

    পরে সহযোগিতার জন্য জাপান দূতাবাসকে কৃতজ্ঞতা জানান মহাপরিচালক।

    পুরো আয়োজনে সমন্বয়ক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের ইন্সট্রাক্টর মাহিম সিনথিয়া।

  • দুই দিন সময় বাড়লো বইমেলার

    দুই দিন সময় বাড়লো বইমেলার

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: প্রকাশক ও পাঠকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বইমেলার সময় ২ দিন বাড়ানো হয়েছে। প্রতিবার বই মেলা চলে ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিন পর্যন্ত। কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম ঘটছ। এবার বইমেলার শেষ হবে ২ মার্চ। এদিকে বছরটি লিপ-ইয়ার হওয়ার কারণে ফেব্রুয়ারি মাসের এক দিন বাড়ছে। স্বাভাবিক কারণে লিপ-ইয়ারের একদিন ও মার্চের দুই দিন মিলে বইমেলর সয় মোট বেড়েছে তিন দিন। বিষয়টি পাঠক ও প্রকাশকদের জন্য আনন্দের।

    আগামী ১ ও ২ মার্চ (শুক্রবার-শনিবার) মেলা অনুষ্ঠিত হবে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ মঙ্গলবার রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বইমেলার সময়সীমা দুদিন বাড়ানোর আবেদনে অনুমোদন দিয়েছেন। তাই বইমেলা আগামী ২ মার্চ পর্যন্ত চলবে।

    বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহাম্মদ নুরুল হুদা রাত ৯টার দিকে বইমেলায় ঘোষণা কেন্দ্র থেকেও মেলার সময় বাড়ানোর ঘোষণা দেন।

    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতিক্রমে বইমেলা দুদিন বাড়ানো হয়েছে।’

    এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলার সময় দুদিন বাড়ানোর জন্য বাংলা একাডেমিতে চিঠি দেয় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক বিক্রেতা সমিতি।

    চিঠিতে বলা হয়, ‘অমর একুশে বইমেলা শুরু হওয়ার প্রথম তিনদিন মেলাপ্রাঙ্গণের প্রস্তুতি ও বৃষ্টিজনিত সমস্যার কারণে মেলায় অংশ নেওয়া প্রকাশকরা যথাযথভাবে বিক্রি শুরু করতে পারেননি। সে কারণে অনেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এখানে ১ ও ২ মার্চ শুক্র এবং শনিবার হওয়ায় দুদিন অমর একুশে বইমেলার সময় বৃদ্ধির অনুরোধ করছি।’

    আশা করা যাচ্ছে শেষ দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির কারণে বইমেলার পাঠক সামগম প্রচুর হবে।

  • গজল গায়ক পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন

    গজল গায়ক পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: ভারত তথা উপমহাদেশীয় অঞ্চলের জনপ্রিয় ও খ্যাতনামা গজল গায়ক পঙ্কজ উদাস মারা গেছেন। দীর্ঘ রোগভোগের পর গজল সংগীতের এই প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব সোমবার মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তার মৃত্যুতে সংগীতজগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

    আজ সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি।

    পঙ্কজ উদাসের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে নায়াব উদাস। তিনি বলেছেন, ‘গভীর শোকের সঙ্গে জানাচ্ছি, পদ্মশ্রী শিল্পী পঙ্কজ উদাস আজ মারা গেছেন।’

    পঙ্কজ উদাস ভারতের গুজরাটে জন্মগ্রহণ করেন। মূলত গজল গায়ক হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৮০ সালে আহত শিরোনামের একটি গজল অ্যালবাম প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তাঁর কেরিয়ার শুরু করেছিলেন এবং পরে ১৯৮১ সালে মুকারার, ১৯৮২ সালে তারান্নুম, ১৯৮৩ সালে মেহফিল, ১৯৮৪ সালে রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে পঙ্কজ উধাস লাইভ, ১৯৮৫ সালে নয়াব এবং ১৯৮৬ সালে আফরিনের মতো অনেকগুলি হিট রেকর্ড করেছিলেন।

    তার সঙ্গীত জীবনের বিস্তার চার দশকেরও বেশি সময়। ৮০’র দশককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন পঙ্কজ। ‘চান্দি জ্যায়সা রঙ্গ’, ‘না কাজরে কি ধার’, ‘দিওয়ারো সে মিল কর রোনা’, ‘আহিস্তা’, ‘থোড়ি থোড়ি প্যার করো’, নিকলো না বেনাকাব’— পঙ্কজ উদাসের গাওয়া অসাধারণ সব গজল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। ‘নশা’, ‘পয়মানা’, ‘হসরত’, ‘হামসফর’-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তার ঝুলিতে।

  • শাহরুখের জীবনে হিট এবং ব্যর্থ ছবি মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে

    শাহরুখের জীবনে হিট এবং ব্যর্থ ছবি মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: অনেক সংগ্রামের পর নিজেকে বর্তমান অবস্থানে নিয়ে এসেছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। যশ-খ্যাতি এবং অঢেল অর্থের মালিক তিনি। বয়স ৫৮ হলেও তার কোনো ছাপ নেই কর্মে। এখনো ছুটে চলছেন জোর গতিতে। জীবনে সিনেমা করেই আয় করেছেন প্রচুর অর্থ। এখনও তিনি চুটিয়ে অভিনয় করেন।

    ২০১৫ সাল থেকে শাহরুখ খান চলচ্চিত্র প্রযোজনা কোম্পানি রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট ও এর সহযোগী সংগঠনের সহ-চেয়ারম্যান এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স ও ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লীগের দল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের সহ-কর্ণধার। তাকে প্রায়ই টেলিভিশন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও স্টেজ শোতে পরিবেশনা করতে দেখা যায়। পণ্যের শুভেচ্ছাদূত ও শিল্পোদ্যোগের জন্য গণমাধ্যম তাকে প্রায়ই “ব্র্যান্ড এসআরকে” বলে উল্লেখ করে থাকে। শিশুদের শিক্ষায় সহায়তার জন্য ইউনেস্কো তাকে পিরামিড কন মার্নি পুরস্কার প্রদান করে এবং ভারতে নারী ও শিশুদের অধিকার রক্ষার্থে তার নেতৃস্থানীয় ভূমিকার জন্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম তাকে ২০১৮ সালে ক্রিস্টাল পুরস্কার প্রদান করে। তাকে প্রায়ই ভারতের সংস্কৃতির সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় স্থান পেতে দেখা যায়। ২০০৮ সালে নিউজউইক তাকে বিশ্বের ৫০ ক্ষমতাধর ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেয়। শাহরুখের বাড়িকে বিলাসবহুল বাড়ি না বলে একে বলা যেতে পারে প্রাসাদ। তাছাড়াও রয়েছে দামি দামি গাড়ি। তার বিরাট কর্মযজ্ঞ সামলাতে গিয়ে ২০টি দামি মুঠোফোন ব্যবহার করেন শাহরুখ।

    শাহরুখ খান ১৯৮০-র দশকের শেষের দিকে বেশ কিছু টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দিওয়ানা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন। তিনি কর্মজীবনের শুরুর দিকে খল চরিত্রে ডর (১৯৯৩), বাজিগর (১৯৯৩), ও আঞ্জাম চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি লাভ করেন। এরপর তিনি অসংখ্য বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং খ্যাতি অর্জন করেন। তন্মধ্যে রয়েছে দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে (১৯৯৫), দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭), কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮), মোহাব্বতে (২০০০), ও কভি খুশি কভি গম… (২০০১)। তিনি দেবদাস (২০০২)-এ মদ্যপ জমিদার পুত্র দেবদাস মুখার্জি, স্বদেশ (২০০৪)-এ নাসার বিজ্ঞানী, চাক দে! ইন্ডিয়া (২০০৭)-এ হকি কোচ ও মাই নেম ইজ খান (২০১০)-এ অ্যাসপারগারের লক্ষণে আক্রান্ত ব্যক্তি চরিত্রে অভিনয় করে সমাদৃত হন। তার সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রসমূহ হল প্রণয়ধর্মী হাস্যরসাত্মক ছবি চেন্নাই এক্সপ্রেস (২০১৩), উত্তেজনাপূর্ণ হাস্যরসাত্মক ছবি হ্যাপি নিউ ইয়ার (২০১৪), মারপিটধর্মী ছবি দিলওয়ালে (২০১৫) এবং অপরাধমূলক ছবি রইস (২০১৭)। স্বল্প বিরতির পর শাহরুখ মারপিটধর্মী চলচ্চিত্র পাঠান (২০২৩) দিয়ে ফিরে আসেন, যেটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি চলচ্চিত্র।

    তবে ১৯৯২ সালে কাজ শরু করলেও ১৯৯৫ সালে ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’র মতো হিট ছবি দিয়ে বক্স অফিস কাঁপাচ্ছেন বলিউডের ‘বাদশা’ শাহরুখ খান। একই বছরে তার কেরিয়ারের ঝুলিতে এমন একটি ছবি যোগ হয় যা এখনও পর্যন্ত শাহরুখের অভিনয় জীবনের ‘সবচেয়ে ব্যর্থ’ ছবি বলা হয়।

    নব্বইয়ের দশকে বলিউডের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী অভিনেতাদের তালিকায় নাম লিখিয়ে ফেলেন শাহরুখ। ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’র পর একই বছর মুক্তি পায় ‘কর্ণ অর্জুন’। পর পর শাহরুখের দু’টি ছবিই বক্স অফিসে দুর্দান্ত ব্যবসা করে।

    ১৯৯৫ সালে শাহরুখের মোট সাতটি ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’ এবং ‘কর্ণ অর্জুন’ হিট হলেও ওই বছরে মুক্তি পাওয়া ‘জমানা দিওয়ানা’ এবং ‘গুড্ডু’ বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে।

    ১৯৯৫ সালের শেষের দিকে মুক্তি পায় ‘ত্রিমূর্তি’। এই ছবির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মুকুল এস আনন্দ। ওই বছর শাহরুখ অভিনীত শেষ ছবি ছিল সেটি।, এখনও পর্যন্ত শাহরুখ যতগুলি ছবিতে অভিনয় করেছেন সেগুলির মধ্যে ‘ত্রিমূর্তি’ সবচেয়ে ব্যর্থ ছবি। সুভাষ ঘাই প্রযোজিত ‘ত্রিমূর্তি’ ছবিতে শাহরুখের পাশাপাশি অভিনয় করেছিলেন অনিল কাপূর, জ্যাকি শ্রফ, প্রিয়া তেন্ডুলকর, গৌতমী তাদিমালিয়া, অঞ্জলি জঠর, তিন্নু আনন্দ, সইদ জাফ্রের মতো একাধিক তারকা।

    বলিপাড়া সূত্রে খবর, ১১ কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছিল ‘ত্রিমূর্তি’ ছবিটি। সেই সময় যে ছবিগুলি মুক্তি পেত সেগুলির সঙ্গে তুলনা করলে বাজেটের দিক থেকে অনেক এগিয়ে ছিল ‘ত্রিমূর্তি’। তবে বক্স অফিসে ভাল ব্যবসা করতে পারেনি ‘ত্রিমূর্তি’। সারা ভারত জুড়ে মাত্র আট কোটি টাকার ব্যবসা করে শাহরুখের এই ছবিটি। জানা গেছে, মুক্তির দিন বিপুল ব্যবসা করেছিল ‘ত্রিমূর্তি’। প্রথম কোনও ভারতীয় ছবি যা মুক্তির প্রথম দিনেই এক কোটি টাকার ব্যবসা করে ফেলে।

    তবে ‘ত্রিমূর্তি’ ছবিটি মুক্তির পর লোকমুখে নিন্দা ছ়ড়াতে থাকায় ধীরে ধীরে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের ভিড় কমে যেতে থাকে। কানাঘুষো শোনা যায়, ‘ত্রিমূর্তি’ ছবিতে শাহরুখের সহ-অভিনেতা হওয়ার কথা ছিল বলি অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের। এমনকি ছবির জন্য বেশ কয়েকটি দৃশ্য শুট করে ফেলেছিলেন তিনি। কিন্তু তার পর জেলবন্দি হয়ে পড়েন তিনি।

    সঞ্জয়ের অনুপস্থিতিতে ‘ত্রিমূর্তি’ ছবির কাজ সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। তার পর অনিল কপূরকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন ছবিনির্মাতারা। অনিল সে প্রস্তাবে রাজি হলে আবার নতুন করে শুরু হয় ছবির শুটিং। ১৯৯৪ সালের ডিসেম্বর মাসে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ‘ত্রিমূর্তি’র। কিন্তু আবার নতুন করে শুটিং শুরু হওয়ায় মুক্তির দিন পিছিয়ে যায়। নির্ধারিত তারিখের এক বছর পর ১৯৯৫ সালের ২২ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘ত্রিমূর্তি’। এর ফলে বাজেটও বেড়ে যায়। মুকুলের কেরিয়ারের শেষ পরিচালিত ছবি ‘ত্রিমূর্তি’। এই ছবির পর সলমন খান এবং সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে ‘দস’ ছবির পরিচালনা শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই কাজ সম্পূর্ণ করতে পারেননি তিনি।

    ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মারা যান মুকুল। ৪৫ বছর বয়সে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর কেরিয়ারের শেষ পরিচালিত ছবি হিসাবে থেকে যায় ‘ত্রিমূর্তি’।

    একদিকে সঞ্জয়ের জেলে যাওয়া এবং পরিচালকের মৃত্যু ছবিটিকে শাহরুখের জবিনের সবচেয়ে ব্যর্থ ছবি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

  • প্রাণবন্ত জীবনের জন্য এই দশটি বই পড়া খুবই জরুরি

    প্রাণবন্ত জীবনের জন্য এই দশটি বই পড়া খুবই জরুরি

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪: আর এক সপ্তাহ পরেই শেষ হবে আমাদের বাংলা সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় বিচরণক্ষেত্র অমর একুশে “বইমেলা” । এই বইমেলা আমাদের মধ্যে এমন এক সৃজনের সৃষ্টি করে যার পেক্ষিতে আমরা চেতনাকে পৌঁছে দিতে পারি বিশ্ব দরবারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন বই হচ্ছে আমাদের আমাদের সবচেয়ে বড় বন্ধু। বই পড়ে শুধু জ্ঞান অর্জন করা যায়না। বই মানুষের মধ্যে বিবেকবোধ জাগ্রত করে। শানিত করে চেতনা, বাড়ায় দেশপ্রেম। বিশ্ব দরবারে এমন কিছু বই আছে যা পড়াটা খুব জরুরি । এমন কিছু বইর পরিচিতি এখানে তুলে ধরা হলো।

    তবে এটা জেনে আপনি খুমি হবেন যে, ই-রিডারের যুগে হাজার হাজার-শব্দ আপনি মোবাইলেও পড়তে পারেন।

     

    ১. হারম্যান মেলভিলের ‘মোবি-ডিক (দ্য হোয়েল)’

    ৭২০ পৃষ্ঠার বই টি, আমেরিকান লেখক মেলভিলের এক অনবদ্য সৃষ্টি। মোবি-ডিকের গল্প তার কেন্দ্রীয় চরিত্র আহাবকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। আহাব হলেন, হোয়েলিং শিপ ‘পিকোড’এর ক্যাপ্টেন।

    তিনি একটি বিশালাকার হোয়াইট স্পার্ম তিমির বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন। কারণ এই তিমি তার হাঁটুর নীচ থেকে পায়ের অংশ নিয়ে গেছে। এজন্য তিনি পাগলের মতো সাগরে সেই তিমির অনুসন্ধান করে চলেন। গল্পের বর্ণনাকারী হলেন ইসমায়েল নামে এক নাবিক। এবং এই সাহিত্যে অন্যতম জনপ্রিয় প্রথম লাইনটি হল: “আমাকে ইসমায়েল বলে ডাকুন।”

    বইটি অদ্ভুত, পাণ্ডিত্যপূর্ণ, মজার, গভীর অর্থবহ এবং আমেরিকার অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস হিসাবে বিবেচিত।

     

    ২. হানিয়া ইয়ানাগিহারার ‘আ লিটল লাইফ’

    ৭৩৬ পৃষ্ঠার এই বইটি ম্যান বুকার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিল। উপন্যাসটি গড়ে উঠেছে চার বন্ধুর জীবনের গল্পকে ঘিরে। কলেজ থেকে স্নাতক শেষ করে তারা অনেক বড় স্বপ্ন নিয়ে নিউ ইয়র্ক সিটিতে যায়। জেবি হলেন শিল্পী, উইলিয়াম একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিনেতা এবং ম্যালকম একজন স্থপতি। তবে জুড – নিজের ক্ষতি করতে চাওয়া একজন আইনজীবী। যার রয়েছে একটি রহস্যময় অতীত- বইটি জুডের এই গল্পেই দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে।

    গল্পটি যতোই এগিয়ে যায়. জুডের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ততোই প্রকাশ পেতে থাকে। গল্পটি মারাত্মক কষ্টের এবং মন খারাপ করে দেয়ার মতো। যেখানে কয়েক দশকের ঘটনা বলা হয়েছে এবং বইটির শেষ পৃষ্ঠাগুলো পড়ার সময় আপনার চোখ বেয়ে কান্না আসবেই।

     

    ৩. জর্জ এলিয়টের ‘মিডলমার্চ’

    ৮৮০ পুষ্ঠার এই বইটি এলিয়টের মাস্টারপিস হিসাবে বিবেচিত, উপন্যাসটি’ মিডলমার্চ’ নামে একটি কাল্পনিক শহরের বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের জীবন নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে। ভদ্র সম্প্রদায়ের ভূমি মালিক থেকে শুরু করে খামার শ্রমিক বা কারখানার শ্রমিক পর্যন্ত সবার কথাই জায়গা পেয়েছে এই বইটিতে। তবে মূল ফোকাস ছিল দুটি চরিত্রকে ঘিরে, একজন হলেন জেদি এবং দৃঢ়-ইচ্ছাশক্তি সম্পন্ন ডোরোথিয়া ব্রুক এবং অপরজন আদর্শবাদী টারটিয়াস লিডগেট। তারা দুজনেই বিপর্যস্ত বৈবাহিক জীবনের শিকার ছিলেন। বইটি ১৯শতকে লেখা হলেও এতে রয়েছে অবিশ্বাস্যরকম আধুনিকতা বোধ। কারণ বইটিতে স্বাধীন ইচ্ছাশক্তির সীমাবদ্ধতা এবং এই ত্রুটিপূর্ণ দুনিয়ায় একজন নৈতিক ব্যক্তি হয়ে ওঠার পথে নানা সংগ্রামের মতো বড় থিমগুলো ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

     

    ৪. চার্লস ডিকেন্সের ‘ব্লিক হাউস’

    ৯২৮ পৃষ্ঠার ‘ব্লিক হাউস’ হল ডিকেন্সের দীর্ঘতম উপন্যাস। বইটি জার্নডাইস পরিবারের গল্পকে ঘিরে লেখা হয়েছে। যাদের আশা উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পাওয়া। কিন্তু সেই স্বপ্ন বার বার ব্যর্থতার মুখে পড়ে। কারণ জার্নডাইস অ্যান্ড জার্নডাইস মামলাটি দীর্ঘকাল ধরে আইনি মারপ্যাঁচের মধ্যে চলছে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে চলে আসছে। মামলাটি এতোটাই জটিল হয়ে পড়েছে যে এখন বেঁচে থাকা উত্তরাধিকারদের কেউ এই মামলার কিছু বুঝতে পারে না। ডিকেন্স এই বইটিতে ‘কোর্ট অব চ্যান্সেরি’ নিয়ে ব্যঙ্গ করেছেন, এই আদালতে একটি মামলা কয়েক দশক ধরে চলতে পারে। উপন্যাসটিতে রয়েছে অসংখ্য চরিত্র এবং বেশ কয়েকটি পার্শ্ব কাহিনিও রয়েছে।

     

    ৫. মিগুয়েল ডি সার্ভান্তেসের ‘ডন কিয়োটে’

    ‘ডন কিয়োটে’ বিইটি ৯৭৬ পৃষ্ঠার। ডন কিয়োটে একজন মধ্যবয়সী স্প্যানিশ ভদ্রলোক, যিনি বীরদের অনেক রোম্যান্স গাঁথা পড়েন। সেই থেকে তিনি তলোয়ার তুলে একজন ভবঘুরে বীর হয়ে ওঠার সিদ্ধান্ত নেন। নিজের পুরানো ঘোড়া এবং বাস্তববাদী মানসিকতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী অভিযাত্রার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। ।

    ডন কিয়োটের “বীরত্বপূর্ণ” কাজের মধ্যে রয়েছে উইন্ডমিলের সাথে লড়াই করার চেষ্টা করা, যেগুলোকে তিনি দৈত্য ভেবে ভুল করেছিলেন এমনকি তিনি এক পাল ভেড়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামেন। এই প্রভাবশালী সাহিত্যকে প্রায়শই প্রথম আধুনিক উপন্যাস হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

     

    ৬. ডেভিড ফস্টার ওয়ালেসের ‘ইনফিনিট জেস্ট’

    ‘ইনফিনিট জেস্ট’ বইটি ১০৭৯ পৃষ্ঠার। ডেভিড ফস্টার ওয়ালেসের এই মহাকাব্যটি অদূর ভবিষ্যতের ডিস্টোপিয়াকে ঘিরে লেখা হয়েছে যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো এই তিন দেশ উত্তর আমেরিকান জাতিগত সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হয়। ডিস্টোপিয়া হল সাহিত্যের একটি শাখা। যেখানে এমন একটি কাল্পনিক রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামো নিয়ে কথা বলা হয় যেখানে কেবল দুর্ভোগ আর অবিচারের রাজত্ব। মূল গল্পটি শুরু হয় একটি টেনিস একাডেমি এবং মাদকাসক্ত নিরাময় সংস্থাকে কেন্দ্র করে।

    মূল প্লট লাইনটি হল “ইনফিনিট জেস্ট” শিরোনামের একটি চলচ্চিত্র দেখার আকাঙ্ক্ষা। যা দর্শকদের অনুভূতিহীন শিথিল অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে। বইটি, এর পরীক্ষামূলক কাঠামোর জন্য বেশ জনপ্রিয়: এখানে ৩৮৮টি এন্ডনোটস রয়েছে যার মধ্যে কয়েকটির নিজস্ব পাদটীকা রয়েছে।

     

    ৭. লিও টলস্টয়ের ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’

    ‘ওয়ার অ্যান্ড পিস’ বইটি ১২৯৬ পৃষ্ঠার। টলস্টয়ের মহাকাব্যটি রাশিয়ার নেপোলিয়ন যুগকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে। যুদ্ধক্ষেত্র এবং হোম ফ্রন্টের মধ্যে তিনটি কুখ্যাত চরিত্রকে ঘিরে গল্প এগিয়ে যায়।

    চরিত্র তিনটি হল: পেরে বেজুখভ, একজন কাউন্টের অবৈধ পুত্র যিনি নিজের উত্তরাধিকারের জন্য লড়াই করছেন; প্রিন্স আন্দ্রেই বলকনস্কি, যিনি নেপোলিয়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে তাঁর পরিবারকে ছেড়ে চলে এসেছেন; এবং নাতাশা রোস্তভ, একজন অভিজাত ব্যক্তির সুন্দরী অল্পবয়সী মেয়ে। টলস্টয় একইসাথে সেনাবাহিনী এবং অভিজাতদের উপর যুদ্ধের প্রভাব কেমন হয়, সেটা ফুটিয়ে তুলেছেন।

     

    ৮. স্টিফেন কিং এর ‘দ্য স্ট্যান্ড’

    ১৩৪৪ পৃষ্ঠার দ্য স্ট্যান্ড বইটি হল একটি পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক হরর-ফ্যান্টাসি ঘরানার বই। যেখানে বায়োলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার বা জৈব যুদ্ধের জন্য বিভিন্ন অসুখ বিসুখের দ্রুত পরিবর্তনশীল জীবাণু নিয়ে গবেষণা করার কথা বলা হয়। দুর্ঘটনাক্রমে সেই জীবাণুগুলো একদিন একটি সুরক্ষিত গবেষণাগার থেকে বের হয়ে যায়। এবং এই মহামারীতে বিশ্বের ৯৯% এরও বেশি মানুষ মারা যায়। বইটির দুটি বিকল্প সমাপ্তি রয়েছে। ১৯৭৮ সালে প্রথম প্রকাশিত ৮০০-পৃষ্ঠার মূল সংস্করণে সমাপ্তি ছিল এক রকম। সেই সময় প্রকাশকরা এর চাইতে বড় পাণ্ডুলিপি মুদ্রণ করতে পারতেন না। তবে ১৯৯১ সালের পরে, কিং-এর পূর্ণ, অপরিবর্তিত সংস্করণ প্রকাশ করা হয়, যা ভক্তদের মধ্যে আরও আশার সঞ্চার করে। একটি বিষয় অবশ্যই নিশ্চিত যে, আপনি যে সংস্করণটি পড়েন না কেন, সেজন্য আপনাকে দীর্ঘ সময় সিটে বসে থাকতে হবে।

     

    ৯. বিক্রম শেঠের ‘এ সুটেবল বয়’

    ‘এ সুটেবল বয়’ বইটি ১৫০৪ পৃষ্ঠার। বিক্রম শেঠ-এর বিশাল উপন্যাসটি ১৯৫০-এর দশকের গোড়ার দিকে, স্বাধীনতা-উত্তর, ভারতবর্ষ বিভাজনের পরের প্রেক্ষাপট নিয়ে লেখা হয়েছে। যেখানে চারটি একান্নবর্তী পরিবারের ১৮ মাসের গল্প তুলে ধরা হয়। গল্পের চরিত্র মিসেস রুপা মেহরার একমাত্র মেয়ে লতার জন্য একজন “উপযুক্ত পাত্র” খুঁজে পাওয়ার প্রচেষ্টাকে কেন্দ্র করে গল্প এগিয়ে যায়।

     

    ১০. মার্সেল প্রুস্টের ‘ইন সার্চ অব লস্ট টাইম’

    হ্যাঁ, আপনি এটি সঠিকভাবে পড়েছেন। প্রাউস্টের মহাকাব্য ‘আ লা রিচার্চে দু টেম্পস পারদু’ (মূল ফরাসী শিরোনাম) বইটির পৃষ্ঠা সংখ্যা তিন হাজারেরও বেশি। যাকে ১৩টি ভলিউমে ভাগ করা হয়েছে। বইটির মোট শব্দ সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখের মতো।

    মূলত, এটি এখন পর্যন্ত দীর্ঘতম উপন্যাস হিসাবে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পেয়েছে। এই বইটির সারসংক্ষেপ দেয়ার চেষ্টা করাও হবে ভুল।তবে সংক্ষেপে বলতে গেলে বইটির গল্প লেখকের শৈশবের স্মৃতি এবং যৌবনের অভিজ্ঞতাগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। লেখক তার পুরো গল্পে সব সময় উদ্বিগ্ন থাকেন এই ভেবে যে তার সময় প্রতিনিয়ত হারিয়ে যাচ্ছে এবং এই পৃথিবীর আসলে কোনও অর্থ নেই। এই বইটি পড়তে আপনাকে অনেক, অনেক বেশি সময় দিতে হবে।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা