Category: বিনোদন

  • হিন্দি ছবির জগতে সফলতার চার দশক পূর্ণ করলেন অনিল কাপুর

    হিন্দি ছবির জগতে সফলতার চার দশক পূর্ণ করলেন অনিল কাপুর

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে সফলভাবে চার দশক পার করলেন অনিল কাপুর। বলিউডের মতো ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা ধরে রাখা খুব কঠিন। কিন্তু অনিল তা পেরেছেন। সফলও হয়েছেন। এই ক্ষনটিতে তার ভক্তদের সঙ্গে বিষয়টি এভাবে শেয়ার করে ইনস্টাগ্রামে অনিল লিখেছেন, ‘‘এক জন অভিনেতা হিসেবে দর্শকদের ভালবাসায় ৪০ বছর পূর্ণ করলাম।’’ এরই সঙ্গে অনিলের উপলব্ধি, ‘‘লোকে বলে ভালবেসে কোনও কাজ করলে সময় কী ভাবে কেটে যায় বোঝা যায় না। এই চার দশক চোখের নিমেষে কেটে গেল!’’

    অনিল কাপুরের কণ্যা সোনম মাপুরও বর্তমান হিন্দি সিনেমা জগতের একসজ সফল অভিনেত্রী। উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু সুপারহিট ছবি। অনেকের কাছে আলোচিত হয়েছে তার অভিনয় দক্ষতা।

    সত্তরের দশকে সুপারহিট ‘শক্তি’ ছাড়াও বেশ কিছু দক্ষিণী ছবিতে ক্যামিয়ো চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন পর্দার ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’। মূলত মিস্টার ইন্ডিয়া ছবির মাধ্যমে ব্যপক পরিচিতি পান অনিক কাপুর।  ছবিটি মুক্তি পায় ১৯৮৭ সালের ২৫ মে। এর পর দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়েও এখনও ছবিটির প্রতি দর্শকদের ভাল লাগা এতটুকু কমেনি। সায়েন্স ফিকশন মূলক কোনও রোমান্টিক কমার্সিয়াল ছবি এত সাফল্য পায়নি। কল্পবিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে একজন সাধারণ মানুষের সুপারহিরো হয়ে ওঠার গল্প এই ছবিটির মাধ্যমেই প্রথম দেখেছিল বলিউড। আর প্রথম দর্শনেই সেই সুপারহিরোর প্রেমে পড়ে যায় সর্ব স্তরের মানুষ। বিশেষ ভাবে শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণী, মধ্যবয়স্ক এবং বৃদ্ধরা। সেই সময় ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম সাড়া জাগানো বলিউড ফিল্ম। অনিল কপূররের বিপরিতে ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শ্রীদেবী। এই ছবিতে দুর্দান্ত অভিনয় মন জয় করে নিয়েছিল দর্শকদের।  ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে কালজয়ী হয়ে যায় ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’।

    তবে নায়ক হিসেবে অনিলের প্রথম ছবি ছিল ‘ওহ সাত দিন’। ১৯৮৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। দাদা বনি কপূর প্রযোজিত এই ছবিতে অনিলের বিপরীতে ছিলেন পদ্মিনী কোলাপুরে।

    ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের ও সহঅভিনেতাদের ধন্যবাদের পাশাপাশি নতুন চমকের কথাও ঘোষণা করেছেন অনিল। ‘দ্য নাইট ম্যানেজার’ ওয়েব সিরিজ়ে অনিলের অভিনয় দর্শকদের পছন্দ হয়েছিল। খুব শীঘ্রই সেই সিরিজ় আসছে বলে জানিয়েছেন অভিনেতা। পাশাপাশি রণবীর কপূর অভিনীত ‘অ্যানিমাল’ ছবিতেও একটি বিশেষ চরিত্রে তাঁকে দর্শক দেখতে পাবেন বলে জানিয়েছেন অনিল। অনিলের এই পোস্টে নিজের মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বনি কপূর। তাঁর কথায়, ‘‘তুমি আমার ভাইদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। জীবনের প্রতিটা দায়িত্ব তুমি যথার্থ ভাবে পালন করেছ।’’ পাশাপাশি বনি উল্লেখ করেছেন যে প্রতিভা, পরিশ্রম এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠার জন্যই আজকে অনিল এই জায়গায় এসে পৌঁছেছেন। ইন্ডাস্ট্রিতে চার দশক পূর্ণ করার জন্য হৃতিক রোশন, শিল্পা শেঠি, ফারহা খান-সহ আরও অনেকেই অনিলকে সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    অনিল কাপুরের জন্ম ২৪ ডিসেম্বর ১৯৫৬ সালে। তিনি অসংখ্য বলিউড সিনেমায় এবং সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সিনেমায় তাকে অভিনয় করতে দেখা যায়। পাশাপাশি তিনি গান্ধী, মাই ফাদার চলচ্চিত্র প্রযোজনার মাধ্যেম তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা শুরু করেন।

    অনিল কাপুরের বলিউড চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে উমেশ মেহরার হামারে তুম্‌হারে (১৯৭৯) সিনেমায় একটি ছোট্ট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। তিনি বলিউডে স্বীকৃতি পান যশ চোপরার ড্রামা সিনেমা মশাল (১৯৮৪) এ টাপুরী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে, যার জন্য তিনি সেরা সহ-অভিনেতার বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জয় করেন। তার প্রসংশিত সিনেমা মেরি জাং (১৯৮৫), অনিল কাপুর একটি হাস্যরসাত্মক টাপুরী চরিত্রে অভিনয় করেন কার্মা ছবিতে। এছাড়া ১৯৮৬ সালে, তিনি জাংবাজ, ইনসাফ কি আওয়াজ একই বছর চামেলী কি শাদী সিনেমায় তিনি অভিনয় করেন।

    ১৯৮৮ সালে, অনিল কাপুর সর্বপ্রথম ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতা পুরস্কার অর্জন করেন তেজাব সিনেমায় অভিনয়ের জন্যে। তার অসফল সিনেমা রাম-অবতার এ অভনিয় করে প্রমাণ করেন। অসফল সিনেমাতেও দর্শকদের সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। এরপরের বছর, তিনি রাম লক্ষ্মণ সিনেমায় অভিনয় করেন। যা ১৯৮৯ সালের বক্স অফিসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

    তিনি আবার সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেন ব্যথা (১৯৯২) সিনেমায় অভিনয়ের জন্যে। এছাড়া তিনি সমালোচক প্রসংশিত এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল বহু সিনেমায় অভিনয় করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ ও সাত দিন (১৯৮৩), মেরি জাং (১৯৮৫), জাংবাজ (১৯৮৬), কার্মা (১৯৮৬), ভিরাসাত (১৯৯৭) এই সিনেমার জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন, বিবি নাম্বার ওয়ান (১৯৯৯), তাল (১৯৯৯) এই সিনেমার জন্য তিনি তার দ্বিতীয় ফিল্মফেয়ার সেরা সহ-অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করেন, পুকার (২০০০) এই সিনেমার জন্য তিনি সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন, নো এন্ট্রি (২০০৫) এই সিনেমার জন্যেও তিনি সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন, ওয়েলকাম (২০০৭), রেস এবং রেস ২ (২০১৩)।

    অনিল কাপুরের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের প্রথম অভিনয় করেন, ড্যানি বয়েলে ২০০৮ একাডেমী পুরস্কার জয়ী সিনেমা স্লামডগ মিলিয়নীরে। এই সিনেমায় অসাধারণ অভিনয়ের জন্যে তিনি স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাওয়ার্ড ফর আউটস্ট্যান্ডিং পাফরমেন্স বাই এ কাস্ট ইন এ মোশন পিকচার অর্জন করেন।

    একশন টেলিভিশন সিরিজ টুয়েন্টি ফোর এর অষ্টম অধিবেশনে তার কাজ আমেরিকান সংবাদপত্রে প্রশংসা অর্জন করে। সারা বিশ্বব্যপী, অনিল কাপুর সর্বজন স্বীকৃত ভারতীয় অভিনেতাদের মধ্যে একজন।

    অভিনেতা ৬৪ বছর বয়সেও সফলতার সঙ্গে অভিনয় করে যাচ্ছেন। কখন কোন বিরোধ বা সামালোচনার সঙ্গে জাড়াতে দেখা জায়নি। তবে তিনি ফিল্ম জগেতের বাসিন্দা। তাঁর পরিবারের অনেকেই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে জড়িত। তবে অনিল কাপুরের সফলতার গল্প সম্পূর্ণ ভিন্ন। কেননা তিনি তার ক্যারিয়ারে কখনো ব্যর্থতার মুখ দেখনি। ইন্ডাস্ট্রির সকলের কাছেই তিনি একজন ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। এটাই একজন অভিনেতার জন্য অনেক বড় পাওয়া। অভিনয় থেকে কবে অবসর নিবেন তা তিনি নিজেও বলতে পারছেননা। তবে ভক্তরা যতদিন চাইবে তিনি ততদিন অভিনয় করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন।

  • শিল্পকলায় বিশ্ব সংগীত দিবস পালিত

    শিল্পকলায় বিশ্ব সংগীত দিবস পালিত

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  সংগীতের সুরে বিশ্বব্যাপী শান্তি, ইতিবাচক চিন্তা ও দর্শনকে ছড়িয়ে দিয়ে সবার সাথে মেলবন্ধন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যেই প্রতিবছর ২১ জুন, ‘বিশ্ব সংগীত দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। সংগীত দিবসের সূচনা হয়েছিল ইউরোপের শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্যে সমৃদ্ধ দেশ ফ্রান্সে। সেখানে এই উৎসবের নাম দেয়া হয় ‘ফেট ডে লা মিউজিক’। যার অর্থ ‘বিশ্বজুড়ে সঙ্গীতের দিন’। ১৯৮২ সালে বিশেষ এই সংগীত উৎসবের দিনটি ‘ওয়ার্ল্ড মিউজিক ডে’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

    ‘বিশ্ব সংগীত দিবস’ উপলক্ষে গতকাল বুধবার বাংলাদেশ শিল্পকলার একাডেমির সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে  আলোচনা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আলোচনা পর্ব দিয়ে শুরু হয় মুল অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে ছিলেন ড. সাইম রানা, তেরা মালেউফ, দেবরাহ্ জান্নাত। সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “প্রতিটি মানুষের অন্তরে রয়েছে সুরের প্রবাহ। রবীন্দ্রনাথ বলে গেছেন গান শুধু গান নয়; এটি একটি উপাসনাও। বিশ্বে এখন মিউজিক থেরাপি ব্যবহার হচ্ছে। সেখানে বাংলা রাগ সংগীত অন্যতম ভূমিকা রাখছে।”

    ফরাসি লালন গবেষক ও ভক্ত দেবরাহ জান্নাত বিশ্ব সঙ্গীত দিবসে নিজ দেশের স্মৃতিচারন করেন। তিনি বলেন – “সংগীত নিজের আত্মার স্পন্দন। ভক্তি না থাকলে, বোধ ও চিন্তার দর্শন না থাকলে সুর তৈরী হয় না।”

    অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হোন লেবাননের জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী তারা মালেউফ। বিশ্ব সংগীত দিবসে বাংলাদেশে এ ধরনের আয়োজন নিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি পরিবেশন করেন বাংলা গান -‘ সূর্যোদয়ে তুমি সূর্যাস্তে তুমি’

    শিল্পকলায় বিশ্ব সংগীত দিবস পালিত

    ২য় পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই পরিবেশিত হয় সমবেত যন্ত্রসংগীত পরিবেশনা ‘পূর্ব পশ্চিম’। সংগীত পরিচালক মো: মনিরুজ্জামান এর পরিচালনায় সমবেত যন্ত্রসংগীত পরিবেশিত হয়। ‘আকাশ ভরা সূর্যতারা’ শিরোনামে সমবেত নৃত্য-রবীন্দ্র পরিবেশন করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন নকিব খান।

    ৫ মিনিটের সমবেত সংগীত (আধুনিক) পরিবেশন করেন- পথিক নবী, শাহনাজ বেলী, অনপমা মুক্তি, রাজিব, কিশোর, সাব্বির জামান, অপু আমান, পুলক অধিকারী, রন্টি দাস, লিজা, বিউটি, নাজু আখন্দ, আয়রুল ওয়াসী, সালমা, সন্দীপন, কানিজ খন্দকার মিতু, নিশিতা বড়ুয়া, সম্রাট, শাপলা পাল, ফারশিদ আলম ও মেহরীন।

    তারপরেই পরিবেশিত হয় ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।

    লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায়, সংগীত পরিচালক জাহিদুল কবির লিটন এবং মুহাম্মদ আনিসুর রহমান এর তত্ত্বাবধানে ‘গীত, বাদ্যে লোক দর্শন’। শিরোনামে পরিবেশিত হয় সমবেত লোকসংগীত।

    এর পর পরিবেশিত হয় ওস্তাদ আমজাদ আলী খান- নোবেল পিস প্রাইজ এওয়ার্ড । খুরশিদ আলম পরিবেশন করেন সিনেমার গান ‘বন্দি পাখির মতো’। একক গানে এলিজা পুতুল পরিবেশন করেন লালনগীতি এবং শরীফ সাধু পরিবেশন করেন লোকসংগীত। এরপর পরিবেশিত হয় সঙ্গীতের দুই দিকপাল উদয়শঙ্কর এবং ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ স্মরণে ভিডিও চিত্র উপস্থাপনা।

    এরপরে ‘দাও শৌর্য দাও ধৈয্য’ ও ‘আমরা সবাই মঞ্চকুড়ি ‘সমবেত সংগীত পরিবেশিত হয় একাডেমির শিশুসংগীত দলের পরিবেশনায়। ‘বিশ্ব বীণা রবে…‘শিরোনামে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ধৃতি নর্তনালয় । সমবেত নৃত্য পরিচালনা করেন ওয়ার্দা রিহাব। সঙ্গীতের আরেক দিকপাল শচীনদেব বর্মন স্মরণে ভিডিওচিত্র উপস্থাপন করা হয়।

    পরে ‘তুমি লাল সবুজের দেশ’ সংগীত পরিবেশন করেন জাপানের শিল্পী মাএ ওয়াতানাবে। ‘শুকনো পাতার নুপুর..’পরিবেশিত হয় সমবেত নৃত্য-নজরুল। নৃত্যটি পরিবেশন করেন একাডেমির শিশুদল। একক সংগীত এর রেকর্ডেড- পরিবেশন করেন যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী বব।

    বিদেশী ভাষার সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনা ‘বিশ্ব মায়ের সুর, ছন্দ, বাণী’ সমবেত পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়। এর ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন জনাব লিয়াকত আলী লাকী। সংগীত পরিবেশনায় ছিলো ঢাকা সাংস্কৃতিক দল। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন ইয়াসমিন আলী, নৃত্য পরিবেশনায় ভঙ্গিমা ডান্স থিয়েটার এবং নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন সৈয়দা সায়লা আহমেদ লিমা।

    সবশেষে ব্যান্ড সংগীত পরিবেশন করে ‘স্পন্দন’। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নূরুল হাসনাত জিলানী ও তানজিনা তমা। বিপুল সংখ্যক দর্শক এই অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

  • শিল্পকলায় শিশুতোষ গীতি আলেখ্য ‘ওরা অকারণে চঞ্চল’অনুষ্ঠিত

    শিল্পকলায় শিশুতোষ গীতি আলেখ্য ‘ওরা অকারণে চঞ্চল’অনুষ্ঠিত

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ও প্রযোজনা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় শিশুশিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে গীতি আলেখ্য ‘ওরা অকারণে চঞ্চল’। বাংলা সাহিত্যের প্রধানতম লেখকদের মধ্যে অন্যতম পাঁচজন কবি যাঁরা গান ও সুরে বাংলা গানকে সমৃদ্ধ করেছেন তাদেঁর রচিত কিছু গান ও গানের সাথে নৃত্য দিয়ে সাজানো এই অনুষ্ঠান।

    শিশুদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ও শিশুবন্ধু জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন- ‘আমাদের মোট জনগোষ্ঠির ৪৫ ভাগই শিশু, শিশুদের জন্য আমরা নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছি’। পরে নতুন পূর্ণাঙ্গ একটি শিশু বিভাগ করার ঘোষণা দেন মহাপরিচালক।

    শিল্পকলায় শিশুতোষ গীতি আলেখ্য ‘ওরা অকারণে চঞ্চল’অনুষ্ঠিততিনি আরো বলেন- “শিশুরা চঞ্চল, শিশুমনের এই চাঞ্চল্যই জরুরি, যা তাদের দ্রুত জ্ঞানার্জনে সহায়তা করে থাকে। এই শিশুতোষ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আমরা যাদেঁর গান শুনবো তাদেঁর সৃষ্টিকর্মের প্রতি শিশুদের আগ্রহ তৈরী ও সৃষ্টিশীল মনন তৈরীর লক্ষ্যেই এ আয়োজন”।

    অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রযোজনা বিভাগের পরিচালক সোহাইলা আফসানা ইকো।

    পঞ্চকবি যাদেঁর লেখনীতে শিশু ভাবনা, কল্পনা ও আকাঙ্খার অধিকতর প্রতিফলন হয়েছে–কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, রজনীকান্ত সেন, অতুল প্রসাদ সেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গান ও নৃত্য দিয়ে সাজানো অনুষ্ঠানমালা গীতিআলেখ্য ‘ওরা অকারণে চঞ্চল’পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশুদল।

  • আলি ফজলের ‘কান্দাহার’ আমেরিকার পর আসছে ভারতে

    আলি ফজলের ‘কান্দাহার’ আমেরিকার পর আসছে ভারতে

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: চলতি বছরের ২৬ মে আমেরিকায় মুক্তি পেয়েছে  আলি ফজল অভিনীত ‘কান্দাহার’ ছবি। এর আগে ২০২২ সালে ‘ডেথ অন দ্য নাইল’ সিরিজ়ে আলির অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়েছিল। আলি হলিউডে ও বলিউডে সমান জনপ্রিয়।

    কান্দাহার ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে নানা রকম প্রস্তুতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল আলিকে। বালি-কাদার মধ্যে দিয়ে বাইক চালানোর কৌশল শিখতে হয়েছে তাকে, যাকে বলে ‘ডার্ট বাইকিং’! থ্রিলারধর্মী সেই ছবির কেন্দ্রে আছে যুদ্ধ। ‘কহিল’ নামের এক খলচরিত্রে অভিনয় করছেন আলি। চরিত্রের স্বার্থেই ঝুঁকিপূর্ণ বাইক চালনা শিখে নিতে হয়েছে অভিনেতাকে। ভারতে অবশ্য ‘ডার্ট বাইকিং’-এর চল নেই তেমন। আমেরিকার পর ‘কান্দাহার’ আসছে ভারতে।

    আলি বলেন,“কিন্তু স্টান্টটা সত্যি সত্যিই করতে হয়েছিল আমাদের। মরুভূমির মধ্যে এটা করতে হত। সাজানো কিছু করা সম্ভব ছিল না। তাই ধুলো-কাদার মধ্যে বাইক চালানো সত্যিই শিখতে হয়েছিল। শুটিংয়ের আগে পঁচিশ দিন ধরে আমায় এই কৌশলটা রপ্ত করতে হয়েছিল।”

    আলি ফজলের ‘কান্দাহার’ আমেরিকার পর  আসছে ভারতে

    অভিনেতার কথায়, “শেষ অবধি অবশ্য স্টান্টটা কত সফল ভাবে করা গেল সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, চরিত্রটি জীবন্ত করে তোলাই আসল কথা ছিল।”

    অভিনেতা অবশ্য স্বীকার করে নেন ‘বডি ডাবল’-এর সঙ্গে মিলেমিশেই করেছেন কাজটা। পুরোটা একা করার ক্ষেত্রে ঝুঁকি থেকে যাচ্ছিল। তাঁর কথায়, “কঠিন কিছু দৃশ্য ছিল। অনেকটা উঁচুতে চড়া, খাড়া রাস্তায় পাথরের উপর বাইক চালানো, এগুলো তো আমি কখনও করিনি।”

    ‘কান্দাহার’-এ জেরার্ড বাটলার, ত্রাভিস ফিম্মেল, নাভিদ নেগাবানের মতো আন্তর্জাতিক তারকার সঙ্গে অভিনয় করেছেন আলি। এই কাজ তাঁর কাছে অত্যন্ত গর্বেরও। আমেরিকার পর ভারতেও খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে ‘কান্দাহার’।

    সুদর্শন এই অভিনেতা অভিনয়েও দক্ষ।  অভিনয় শুরু করেন স্কুল জীবনে। তারপর নানা উত্থান পতনের মধ্য দিয়ে একজনর দক্ষ অভিনতা হয়ে উঠেছেন তিনি।

    আলি ফজলের জন্ম ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর, লখনউ শহরে। শৈশবেই বিচ্ছেদ হয়ে যায় তার বাবা মায়ের। আলির ছোটবেলা কেটেছে তাঁর দাদু দিদার কাছে। পড়াশোনা দূন স্কুল এবং লখনউয়ের লা মার্টিনিয়ের কলেজে। পরে তিনি মুম্বইয়ের সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পূর্ণ করেন। বিষয় ছিল অর্থনীতি।

    স্কুলের অনুষ্ঠানে অভিনয় করেছিলেন শেক্সপিয়রের ‘দ্য টেম্পেস্ট’ নাটকে। অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হন। পান পুরস্কারও। এর পর থেকেই অভিনয়ের ইচ্ছে বাড়তে থাকে মনে। পরে মুম্বইয়ে কলেজে পড়ার সময় হাতেখড়ি থিয়েটারে। থিয়েটারজীবনেই শুরু ছবিতে অভিনয়ও। ২০০৮ সালে তিনি অভিনয় করেন ইন্দো মার্কিন ছবি ‘দ্য আদার এন্ড অব লাইফ’-এ। তবে এই ছবি ব্যর্থ হয়। আলির পারফরম্যান্স আলোর মুখ দেখিনি।  থিয়েটার করতে করতেই তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় বিখ্যাত পরিচালক সৈয়দ মির্জার সঙ্গে। তিনি আলিকে সুযোগ দেন ‘এক ঠো চান্স’ ছবিতে। ছবিতে অমৃতা অরোরা, সৌরভ শুক্লর মতো তারকার সঙ্গে তিনি অভিনয় করেছিলেন। ছবিটি বিদেশে প্রশংসিত হয়েছিল। কিন্তু ভারতে ছবিটি মুক্তিই পায়নি। হতাশ আলি আবার ফিরে যান থিয়েটারে। এ বার তিনি সুযোগ পান রাজকুমার হিরানির ছবি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এ। ছবিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন জয় লোবোর চরিত্রে। যিনি ড্রোন বানিয়েছিলেন। সেটা গ্রহন করেনি শিক্ষক। এতে তিনি খুব মর্মাহত হয়েছিলেন। চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছিলেন। ছবিতে তাঁর ভূমিকা ছোট হলেও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ তাঁর আত্মহত্যা ঘিরেই আবর্তিত হয় ছবির গল্প। যেখানে মূল বার্তা ছিল জীবনে চাপের মুখে ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে কোনও বিষয়েই সফল হওয়া যায় না।

    ‘থ্রি ইডিয়টস’ এ অভিনয় করার পর আলি জানিয়েছিলেন -এ কাজ করা নিয়ে তিনি খুবই নার্ভাস ছিলেন। অডিশনে হাজির ছিলেন আমির খান স্বয়ং। ১০ দিন ওয়ার্কশপের পরে শুরু হয়েছিল শ্যুটিং।

    পরে শাহরুখ খান প্রযোজিত ছবি ‘অলওয়েজ কভি কভি’-তে অভিনয়ের জন্য আলি ১৫ কেজি ওজন কমিয়ে ফেলেছিলেন। তবে আলি ফজল সবথেকে বেশি জনপ্রিয়তা পান ‘ফুকরে’ ছবিতে। সেখানে তাঁর ‘জাফর’ চরিত্রটি প্রথমে ছিল অন্তর্মুখী। তার পর বন্ধুদের সাহচর্যে তিনিও নিজেকে মেলে ধরেন। এই ছবিতে অভিনয়ের সময়েই আলির আলাপ হয় রিচা চড্ডার সঙ্গে। এই ছবিতে রিচা ছিলেন গ্যাংস্টার ‘ভোলি পঞ্জাবন’-এর চরিত্রে। পরে তাঁদের আলাপ ঘনিষ্ঠ হয়ে রূপান্তরিত হয় প্রেমে।

    অল্প সময়ের মধ্যেই বলিউডে নিজের জায়গা করে নিচ্ছিলেন আলি। ‘ববি জাসুস’ ছবিতে তিনি অভিনয় করেছিলেন বিদ্যা বালনের সঙ্গে। ছবিটি বক্সঅফিসে মুখ থুবড়ে পড়লেও প্রশংসিত হয়েছিল আলির কাজ। অল্প সময়ের মধ্যেই বলিউডে নিজের জায়গা করে নিচ্ছিলেন আলি। হিন্দির পাশাপাশি ইংরেজি ছবিতেও সমান স্বচ্ছন্দ আলি। ‘ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড আব্দুল’ ছবির মাধ্যমে তিনি প্রশংসিত হন বিশ্বে দরবারেও। জুডি ডেঞ্চের মতো দাপুটে অভিনেত্রীর পাশে একেবারে সমানে সমানে ছিলেন আলি।

    ২০২২ সালে মুক্তি পেয়েছে ‘ডেথ অন দ্য নাইল’-এর ট্রেলার। আগাথা ক্রিস্টি সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র এরকুল পোয়েরোর কাহিনি অবলম্বনে তৈরি এই ছবিটি। সেই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন আলি। পোয়েরোর চরিত্রে কেনেথ ব্রানা তো আছেনই, তার সঙ্গে ছবিতে গ্যাল গ্যাডট, রাসেল ব্র্যান্ড, এমা ম্যাকে-রা রয়েছেন।

    তাঁর অনুরাগীদের মত, অভিনয় ভাল করলেও আলির জনসংযোগ দুর্বল। পাবলিসিটি স্টান্সেরও পক্ষপাতী নন তিনি। বলিউডের চেনা ছকের বাইরে তিনি জীবনের অন্য শর্তগুলিকেও গুরুত্ব দেন।

    কেরিয়ারের ইঁদুরদৌড়ে যোগ না দিয়ে আলি ফজল জীবনকে সাজিয়েছেন নিজের পছন্দ অপছন্দের ভিত্তিতেই।

  • শিল্পকলায় শেষ হলো ৭ দিনব্যাপী আয়োজন: স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ

    শিল্পকলায় শেষ হলো ৭ দিনব্যাপী আয়োজন: স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ৭ দিন ব্যাপী স্মরণ অনুষ্ঠান: স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ এর সমাপনী হলো গতকাল সোমবার । শেষ দিনে একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে সঙ্গীতের দুই দিকপাল পঞ্চকবির অন্যতম অতুলপ্রসাদ সেন এবং বিশিষ্ট গীতিকার ও সুরকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার স্মরণে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করা হয়।

    ১ম পর্যায়ে অতুলপ্রসাদ সেন স্মরণে প্রবন্ধ পাঠ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রফেসর ড. শাহনাজ নাসরীন ইলা। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. অণিমা রায় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো: সগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।

    গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার স্মরণে ২য় পর্বে আলোচনা করেন কবি জাহিদুল হক। প্রবন্ধ পাঠ করেন সেলিনা আলম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন- ‘গুণী ও বরেণ্য এই মানুষদের স্মরণ ও তাদেঁর তৈরী করা পথ অনুসরণের মাধ্যমে শিল্প সাহিত্যে উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যেই কাজ করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’।

    ৭ দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানমালার ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী এবং সমন্বয় করেন একাডেমির কর্মকর্তা খন্দকার ফারহানা রহমান ও সহকারী পরিচালক (প্রোগ্রাম, প্রোডাকশন, ডান্স) জুয়েরিয়াহ মৌলি।

  • শিল্পকলায় সনদপত্র প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স-২০২৩

    শিল্পকলায় সনদপত্র প্রদানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স-২০২৩

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: সঙ্গীত শুধু শোনার বিষয় নয়। একটি গানের কথা, সুর বোধগম্য করতে হলে সঙ্গীতের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের বিষয়গুলো জানতে হবে। এই লক্ষ্যেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় গতকাল ১৮ জুন শেষ হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স- ২০২৩।

    কোর্সে অংশগ্রহণকারীরা আয়োজনটিকে অসাধারণ বলে অভিহিত করেছেন। এবারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্যও এ কোর্সে অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। পরে সঙ্গীত নিয়ে ভাবনা ও বোধ তৈরীর লক্ষ্যে এ ধরনের কোর্সের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন প্রশিক্ষণার্থীরা। কেবল গায়ক হিসেবে নয় সঙ্গীত বিষয়ে সামাজিক বোধ তৈরীতেও এ ধরনের কোর্স সবার জন্য প্রয়োজন বলে অনুভুতি ব্যক্ত করেন কোর্সে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকসহ অনান্য পেশার প্রশিক্ষণার্থীরা।

    একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় সঙ্গীত, সঙ্গীত পরিভাষা, নান্দনিকবোধ, পাঠ ও চর্চার মাধ্যমে সঙ্গীত উপস্থাপন, চিন্তা ও লেখার উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে এ কোর্সে পরিচালিত হয়।

    সমাপনী কোর্সে বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন- ‘সাধারণ মানুষের জন্য আমরা সংস্কৃতির আন্দোলন করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু যে ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রি তৈরী করতে চেয়েছিলেন সেটা এখনো আমরা তৈরী করতে পারি নি। আমরা চেষ্টা করছি। ’

    সবার ভাবনাগুলোকে উদার করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘নিজেকে আবিস্কার করুন, সাংস্কৃতিক জাগরণ গড়ে তুলুন। আজ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে যে জাগরণ তৈরী হয়েছে, এ ধরনের এ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স সেই সংস্কৃতি আন্দোলনেরই অংশ।’

    পরে অংশগ্রহণকারীদের সনদপত্র প্রদান করা হয়।

    ৫ দিন ব্যাপী এ মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স শুরু হয় গত ১৪ জুন । শেষ দিন বিকাল ৫.০০ টায় বাংলা লোকসঙ্গীত ও লোকসঙ্গীতের পরিবেশন রীতি নিয়ে আলোচনা করেন ড. জাহিদুল কবির এবং সঙ্গীত লোক সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেন ড. কমল খালিদ।

  • ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’ ছবির মাধ্যমে হলিউডে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন আলিয়া

    ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’ ছবির মাধ্যমে হলিউডে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন আলিয়া

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক:  হলিউডের ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’ ছবিতে এবার দেখা যাবে বলিউডের আলিয়া ভাটকে। সেখানে তার সহ-অভিনেতা ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ গ্যাল গ্যাডট এবং ‘ফিফটি শেডস’ খ্যাত জেমি ডরনান।

    ১১ বছর আগে কর্ণ জোহর প্রযোজিত ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ ছবিতে বলিউডে অভিষেক আলিায়া ভাটের । তার পর গত এক দশক ধরে নিজেকে একাধিক বার প্রমাণ করেছেন মহেশ-কন্যা। ‘টু স্টেটস’, ‘হাম্পটি শর্মা কি দুলহানিয়া’এর মতো ছবির পাশাপাশি ‘হাইওয়ে’, ‘উড়তা পঞ্জাব’, ‘গঙ্গুবাঈ কাথিয়াওয়াড়ি’ এর মতো ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের জাত চিনিয়েছেন আলিয়া। বলিপাড়ার পর এ বার হলিউডে পা রাখছেনি তিনি। চলতি বছরেই মুক্তি পেতে চলেছে তাঁর প্রথম হলিউড ছবি, ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’। ছবিতে গ্যাল গ্যাডোট, জেমি ডরনানের মতো হলিউড তারকাদের সঙ্গে এক ফ্রেমে দেখা যাবে আলিয়াকে। সম্প্রতি মুক্তি পেল সেই ছবির প্রথম প্রচার ঝলক।

    ‘সিটাডেল’-এ যেমন ‘অজ় কি’র খোঁজে বেরিয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া ও রিচার্ড ম্যাডেন অভিনীত চরিত্র নাদিয়া ও মেসন, তেমনই ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’-এও ‘হার্ট’-এর খোঁজে ছুটছেন গাল গ্যাডোট তথা র‌্যাচেন স্টোন। ট্রেলার অনুযায়ী সেই খোঁজেই বাধ সেধেছেন আলিয়া ভাট তথা কেয়া ধওয়ান। হলিউডের প্রথম ছবিতেই খলনায়িকার চরিত্রে দেখা যেতে চলেছে আলিয়াকে। ছবির ট্রেলারে খুব একটা বেশি সময় পাননি আলিয়া। তবে, ওই কয়েক মুহূর্তেই আলিয়ার চোখেমুখে দেখা গিয়েছে ক্রূর হাসির ঝলক। তবে ট্রেলার দেখে অনুরাগীদের প্রশ্ন, ছবিতে কি আদৌ গুরুত্ব পাবেন আলিয়া?

    আগামী ১১ আগস্ট এক জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে চলেছে ‘দ্য হার্ট অফ স্টোন’। সম্প্রতি ব্রাজিলে ছবির ট্রেলার প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ছবির বাকি তারকাদের সঙ্গে সেখানে আলিয়াও উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • বাংলাদেশ শিল্পকলায় জীবনভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

    বাংলাদেশ শিল্পকলায় জীবনভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: একটি জাতির সার্বিক শিক্ষা, শিল্প ও সাংস্কৃতিক বিকাশের ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য উক্ত ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠিত ও সুনামধন্য ব্যক্তিদের জীবনভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ধারণ, সংরক্ষণ ও প্রচার খুব জরুরি। এই লক্ষ্যে ২০১৭ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’র প্রযোজনায় বাংলা ভাষা, শিল্প, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে বিশেষ অবদানকৃত বরেণ্য ব্যক্তিদের ওপর ‘৪৪টি জীবনভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র’ নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরো প্রায় ১৮টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ চলমান রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ২৬ মে ২০২৩ থেকে ১৬ জুন ২০২৩ পর্যন্ত প্রতি শুক্রবার সকাল ১০.৩০টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ প্রদর্শনী চলে। সপ্তাহে প্রতি শুক্রবার ২ টি করে ৮টি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

    এর ধারাবাহিকতায় গতকাল ১৬ জুন ২০২৩ মঞ্চসারথি আতাউর রহমান এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ‘পিতা পাঠ’ কামাল লোহানীকে নিয়ে নির্মিত জীবনভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে শেষ হয় ১ম পর্যায়ের আয়োজন।

    ঈদ-উল-আজহার ছুটির পর থেকে পূনরায় ধারাবাহিকভাবে অনান্য  প্রামাণ্যচিত্রগুলোর প্রদর্শনী করা হবে।

    নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রের বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ হলেন- মুস্তাফা নুরউল ইসলাম, হাসান আজিজুল হক, মুস্তাফা মানোয়ার, আতাউর রহমান, মুর্তজা বশীর, আহমেদ রফিক, রফিকুল ইসলাম, সৈয়দ শামসুল হক, বোরহান উদ্দীন খান জাহাঙ্গীর, সনজিদা খাতুন, ড. আনিসুজ্জামান, শিল্পী সমরজিৎ রায় চৌধুরী, সৈয়দ সালাহ্উদ্দিন জাকী, সাধুগুরু ফকির নহির শাহ্, নির্মলেন্দু গুণ, লিয়াকত আলী লাকী, ফেরদৌসী রহমান, আলী যাকের, কামাল লোহানী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, সৈয়দ জাহাঙ্গীর, সৈয়দ হাসান ইমাম, শিল্পী রফিকুন নবী, শিল্পী হাশেম খান,  সুজাতা আজিম, সেলিনা হোসেন, রামেন্দু মজুমদার, আসাদুজ্জামান নূর, ফেরদৌসী মজুমদার, মামুনুর রশিদ, নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, অধ্যাপক আবদুস সেলিম, সারা যাকের, লিলি চৌধুরী, মিতা হক, ড. শামসুজ্জামান খান, ড. আতিউর রহমান, এইচ টি ইমাম, ম. হামিদ, মোস্তফা জামান আব্বাসী, ড. ইনামুল হক, মানজারে হাসীন মুরাদ ফরিদা জামান-রোকেয়া সুলতানা-নাজলী মনসুর এবং দিলারা বেগম জলি-লালারুক সেলিম টোরী।

    নিয়মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর প্রথম দিন গত ২৬ মে ২০২৩ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

  • শিল্পকলায় শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    শিল্পকলায় শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: গানকে নান্দনিক বোধের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে পারলে এর আবেদন মানুষের হৃদয়কে প্রবল ভাবে নাড়া দেয়। গানের সব বিষয়গুলো জানতে হলে এর মুদ্ধতার বিষয়গুলো আরও ভালো ভাবে আয়ত্বে আনা জরুরি। তাই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে সঙ্গীত, নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগের ব্যবস্থাপনায় গতকাল ১৪ জুন ২০২৩ থেকে শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স- ২০২৩। একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকীর ভাবনা ও পরিকল্পনায় সংগীত, সংগীত পরিভাষা, নান্দনিকবোধ, পাঠ ও চর্চার মাধ্যমে সংগীত উপস্থাপন, চিন্তা ও লেখার উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে এ কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।

    গতকাল উদ্বোধনী দিনের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    ১ম দিনের আলোচনায় ভারতীয় সংগীতের উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বিষয়ে আলোচনা করেন ড. প্রদীপ নন্দী। পরে ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত এর গায়ন শৈলী আলোচনা করেন কানিজ সিম্পী। আলোচনায় শাস্ত্রীয় সংগীতের নানান দিক, রাগ নির্ভর গান, ও শাস্ত্রীয় বিভিন্ন ঘরানার বিষয়ে আলোচনা করেন আলোচকরা।

    আজ ১৫ জুন বৃহস্পতিবার, বিকাল ৫.০০ টায় নন্দনতত্ত্ব, সংগীত ও নন্দনতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করবেন আজিজুর রহমান তুহিন এবং ভারতীয় সংগীত ও পাশ্চাত্য সংগীতের সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য নিয়ে আলোচনায় থাকবেন বিপ্লব সরকার।

    শিল্পকলায় শুরু হলো ৫ দিনব্যাপী মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স

    ১৬ জুন শুক্রবার, বিকাল ৫.০০ টায় রবীন্দ্রসংগীতের সুর-বাণী ও নান্দনিকতা নিয়ে আলোচনা করবেন প্রফেসর কৃষ্টি হেফাজ এবং রবীন্দ্রনাথের গান ও গায়নশৈলী নিয়ে কথা বলবেন ড. সাবরিনা আক্তার।

    ১৭ জুন শনিবার, বিকাল ৫.০০টায় নজরুল সংগীত ও গায়নশৈলী নিয়ে আলোচনা করবেন খায়রুল আনাম শাকিল এবং নজরুল সংগীতের সুর-বাণী ও নান্দনিকতা নিয়ে থাকবেন ড. ইদরিস আলী।

    ১৮ জুন রবিবার,কোর্সের শেষ দিন বিকাল ৫.০০ টায় বাংলা লোকসংগীত ও লোকসংগীতের পরিবেশন রীতি নিয়ে আলোচনা করবেন ড. জাহিদুল কবির এবং সংগীত লোক সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলবেন ড. কমল খালিদ।

    ভারতীয় ও বাংলা সংগীতের ইতিহাস, সংগীতচর্চা, প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য সংগীত, নন্দনতত্ত্ব, উচ্চাঙ্গসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, লোকসংগীত এবং গণসংগীত এর পরিবেশন রীতি, প্রেক্ষাপট ও নান্দনিকবোধ এর আলোচনা ও অংশগ্রহণকারীদের অনুশীলনের সুযোগ রয়েছে এই কোর্সে। কোর্স পরিচালনায় রয়েছেন শিক্ষক ও গবেষক ড. কমল খালিদ এবং সমন্বয়কারী হিসেবে রয়েছেন একাডেমির ইন্সট্রাক্টর জনাব মুহাম্মদ আনিসুর রহমান। প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন দেশবরেণ্য প্রশিক্ষকবৃন্দ।

    মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সে সংগীত শিল্পী ও সংগীতের সাথে সংশ্লিষ্টরা ছাড়াও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিবেদকদের জন্যও করা হয়েছে। ৫ দিনের কোর্স শেষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।

  • শিল্পকলায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে অনুষ্ঠান

    শিল্পকলায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে অনুষ্ঠান

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: মুনীর চৌধুরী শুধু নাট্যকারই নন, ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক, ভাষাতত্ত্ববিদ, প্রবন্ধকার, অনুবাদক, ছোট গল্পকার, শিল্প ও সাহিত্য সমালোচক, অভিনেতা, নাট্য-নির্দেশক এবং বাংলা কিবোর্ডের প্রবর্তক। মুনীর চৌধুরী তার সময়কার বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি। নানা প্রতিভায় বিকশিত এই ব্যক্তির জীবন ও কর্মের আলোকে গতকাল ১৩ জুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় সমাপ্তি ঘটে স্মরণ অনুষ্ঠানের। এর আগে ১১- ১৩ জুন ২০২৩ পর্যন্ত ৩ দিন ব্যাপী বাংলাদেশের প্রয়াত চলচ্চিত্র, নাট্য ও যাত্রা শিল্পের গুণীজন স্মরণে ‘স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যত’শিরোনামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শেষ দিনে নাট্যকার মুনীর চৌধুরী ও যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণের মধ্য দিয়ে শেষ হলো নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের এ আয়োজন। অনুষ্ঠানের প্রথম ১ম পর্যায়ে মুনির চৌধুরীর জীবন ও কর্মের উপর প্রবন্ধ পাঠ করেন সৈয়দ মুহাম্মদ জুবায়ের এবং সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক আব্দুস সেলিম। আলোচক হিসেবে ছিলেন ড. আহমেদুল কবির ইয়াং এবং সাইদুর রহমান লিপন।

    আলোচনায় নাট্যকার মুনীর চৌধুরী স্মরণে বক্তারা বলেন- ইতিহাসের জন্য নাটক নয়, নাটকের জন্যই ইতিহাস। তাইতো ইতিহাসকে উপজীব্য করে তিনি নাটক লিখেছেন ঠিকই কিন্তু ইতিহাসকে পুঙ্খানুপুঙ্খ রাখার প্রয়োজন বোধ করেননি। অন্যদিকে জীবনদর্শনে অনেক পরিবর্তন আসলেও বাংলা ভাষার বিষয়ে সবসমই ছিলেন অনড়। সেটা হোক বিদেশি শক্তিদের হাত থেকে রক্ষায় অথবা বিশুদ্ধতা রক্ষায় কিংবা ভাষাকে সহজরুপে ব্যবহারের পন্থা আবিষ্কারে’।

    অনুষ্ঠানের ২য় পর্বে, যাত্রাশিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণ অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তাপস সরকার আলোচক হিসেবে ছিলেন জ্যোৎস্না বিশ্বাস এবং গোলাম সারওয়ার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লাকি ইনাম।

    পাকিস্তান আমলে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে তার ভুমিকা তুলে ধরেন বক্তারা। সেসময় আন্দোলনে যোগ দেয়ার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয়।

    এক সময় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রায় অভিনয় ও যাত্রা দল পরিচালনা ও যাত্রাশিল্প বিকাশে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা তুলে ধরেন আলোচকরা ।

    পরে শিল্পী অমলেন্দু বিশ্বাস স্মরণে পরিবেশিত হয় যাত্রা: মিলন কান্তি দে’র যাত্রার অংশবিশেষ ।