www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : আজ ১০ আগস্ট ২০২৩, বিশ্ব বরেণ্য শিল্পী এসএম সুলতান এর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে তাঁর জন্মস্থান নড়াইলে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় ছিলো- সকাল ১১টায়- বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি (বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ চেতনা চত্বর, নড়াইল) এরপর সকাল ১১.৩০ মি. থাকবে শিল্পী এস এম সুলতানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।
সকাল ১১.৪৫ মি. শিল্পী এস এম সুলতানের জীবন ও কর্মের উপর শিশুদের অংকিত চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয় শিশু স্বর্গ মিলনায়তনে।
দুপুর ১২.০০ টায় সারাদেশের ২০ জন বরেণ্য শিল্পীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় আর্টক্যাম্প ও তাদের তত্ত্বাবধানে শিশু চিত্রকর্মশালা। অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা হলেন – শিল্পী হাশেম খান, শিল্পী হামিদুজ্জামান খান, শিল্পী আব্দুল মান্নান, শিল্পী রোকেয়া সুলতানা, শিল্পী নাইমা হক, শিল্পী আইভি জামান, শিল্পী নাসিম আহমেদ নাদভী, শিল্পী সৈয়দা মাহবুবা করিম, শিল্পী নাজমা আক্তার, শিল্পী সমীরণ চৌধুরী, শিল্পী বিমানেশ বিশ্বাস, শিল্পী নিখিল চন্দ্র দাস, শিল্পী বলদেব অধিকারী, শিল্পী সুশান্ত অধিকারী, শিল্পী সমীর মজুমদার, শিল্পী সমীর বৈরাগী, শিল্পী অনাদি বৈরাগী, শিল্পী মাহবুব জামাল শামীম, শিল্পী নজরুল ইসলাম অগ্রানী, শিল্পী সুফিয়া বেগম।
বিকাল ৩.০০ মি. শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় শিশু স্বর্গ, নড়াইলে। বিকাল ৪.৩০ মি. শিশুদের নিয়ে থাকবে চিত্রা নদীতে নৌকা ভ্রমণ।
সন্ধ্যা ৬.০০টার আয়োজনে থাকছে শিল্পী এসএম সুলতানের চিত্রকর্মের পর্যালোচনা (জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, নড়াইল)।
সন্ধ্যা ৬.২০মি. আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, নড়াইলে। আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন জনাব খলিল আহমদ, সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। উদ্বোধন করবেন জনাব হাসনাত আবদুল হাই, বিশিষ্ট লেখক ও শিল্প সমালোচক। সম্মানিত অতিথি হিসেবে থাকবেন জনাব ইমেরিটাস অধ্যাপক শিল্পী হাশেম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, নড়াইল। এবং সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।
সন্ধ্যা ৭.০০ টায় প্রামাণ্যচিত্র ‘আদমসুরত’ প্রদর্শিত হবে। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত সাত বছর ধরে এস এম সুলতানের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয় আদম সুরত। চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদের প্রযোজনা এবং পরিচালনায় এই প্রামাণ্যচিত্রে সুলতানের দৈনন্দিন কর্মজীবন তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি এবং কৃষিচিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। স্থান: জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, নড়াইল।
Category: বিনোদন
-

শিল্পকলার আয়োজনে নাড়াইলে শিল্পী এস এম সুলতানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন শুরু
-

শিল্পকলায় বঙ্গমাতা স্মরণে ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি’ অনুষ্ঠিত
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৯ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে “শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: উৎসর্গ- বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব’ শিরোনামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯৩তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানে আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের উপর নির্মিত ‘বঙ্গমাতা’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শীত হয় ।
আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। বঙ্গমাতার ভুমিকা নিয়ে আলোচনা করেন মাহফুজা হিলালী, সহযোগী অধ্যাপক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও নাট্যকার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ, এমপি । অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ এমপি বলেন- “বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা”।
সভাপতির বক্তব্যে একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী বলেন – “দূরদর্শী চিন্তা সম্পন্ন, বিচক্ষণ হিসেবে বঙ্গমাতা বাঙালির জাগরনে এক মহিয়সী নারী হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে আছেন”।

‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি’ অনুষ্ঠিত – বিনোদন – ৯ আগস্ট ২০২৩ (খ) পরে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই পরিবেশিত হয় দলীয় নৃত্য – ‘বঙ্গমাতা’– কোরিওগ্রাফি করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল।
এর পর পরিবেশিত হয় – শিশুদের দলীয় সঙ্গীত পরিবেশনা: আরেকটা বার জনম দেনা মা ও ধন্য মুজিব ধন্য । ‘দু:খিনী বাংলা জননী বাংলা’ নৃত্য পরিবেশন করে একাডেমির নৃত্যদল।
সবশেষে পরিবেশিত হয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের উপর নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বঙ্গমাতা’।
-

শিল্পকলায় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “বঙ্গমাতা” প্রদর্শিত
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৮ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে গতকাল সোমবার বিকালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর উপর নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “বঙ্গমাতা” এর প্রিমিয়ার শো প্রদর্শিত হয়েছে । সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় “বঙ্গমাতা” স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন গৌতম কৈরী। খোরশেদ বাহার এর “বঙ্গমাতা ইতিহাসের নিভৃত সৈনিক” উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘বঙ্গমাতা’ র চিত্রনাট্য লিখেছেন নাসরীন মুস্তাফা।
প্রিমিয়ার শো আয়োজন উপলক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্বে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত সচিব জনাব খলিল আহমদ এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। “বঙ্গমাতা” এর নির্মাতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে স্বাগত এবং ১৫ই আগস্টে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, ‘‘মহিয়সী নারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন বঙ্গমাতা। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সোনার বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, কিন্তু তিনি তা দেখে যেতে পারেন নি। আজ সেই সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় স্বপ্ন বাস্তবায়নে সংগ্রাম করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উন্নত, নান্দনিক দেশ হিসেবে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে সকলের অংশগ্রহণে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
প্রধান অতিথি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ এমপি বলেন, “মহিয়সী নারী বঙ্গমাতা আজীবন সুখে-দুঃখে বঙ্গবন্ধুর পাশে ছিলেন। মানুষের অধিকার আদায়ে, রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রাণিত-উজ্জীবিত করেছেন। সারাজীবন নিজের আনন্দ-সুখকে বিসর্জন দিয়ে ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়েছেন। সাধারণ নারীর পক্ষে এটা কখনো সম্ভব নয়। বঙ্গমাতার ত্যাগের মহিমাকে কেউ স্পর্শ করতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে।”
আলোচনা পর্বের পর শুরু হয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর জীবনীর উপর নির্মিত ‘বঙ্গমাতা’ এর প্রিমিয়ার শো। এর উদ্বোধন করেন গাজীপুর-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম সিমিন হোসেন রিমি। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা বঙ্গমাতা স্পষ্টভাবে অনুধাবন করতে পারতেন। বঙ্গমাতার সুচিন্তিত পরামর্শ বঙ্গবন্ধুকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করেছে, উদ্দীপ্ত করেছে। তিনি বলেন, নারীর অধিকার আদায় ও প্রতিষ্ঠায় বঙ্গমাতা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি অসাধারণের মধ্যেও ছিলেন সাধারণ। এটাই ছিলো তাঁর বিশেষত্ব। তাই বঙ্গমাতার চেতনাবোধ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে”।
সবশেষে প্রদর্শিত হয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র “বঙ্গমাতা”। -

শিল্পকলায় ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শোকের মাস আগস্ট উপলক্ষে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে একাডেমি। ‘শোক থেকে শক্তির অভ্যুদয়, স্বপ্নপূরণের দৃঢ় প্রত্যয়’ শিরোনামে মাসব্যাপী কার্যক্রম পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল ২২ শে শ্রাবণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ৮২ তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিান।
বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি প্রথম দুই ব্যক্তি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিশ্ববরেণ্য এই দুই ব্যক্তির স্মরণে গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।
আলোচনা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ড. কাজল রশীদ। আলোচনায় তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথ তার সমস্ত লেখালেখির মধ্যে বাঙালি সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করেছেন, রবীন্দ্রনাথের সমস্ত গল্প, কবিতায় বাঙালি সংস্কৃতির একটা শক্তিশালী উপস্থাপন দেখি”। আলোচক ড. কাজল রশীদ বলেন – “বঙ্গীয় রেঁনেসা বা বঙ্গীয় নবজাগরণের পূর্ণতা, পরিপূর্ণ হয় রবীন্দ্রনাথের মাধ্যমে। একইভাবে বাংলাদেশের সকল মানুষকে একত্রে করতে পেরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাঙালি সংস্কৃতির মৌলিকত্ব তিনি বুঝতে পেরেছিলেন বলেই বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নিতে পেরেছিলেন”।
সভাপতির বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন – “কবিগুরুকে বঙ্গবন্ধু গুরুর মতো মানতেন। ‘সাত কোটি বাঙালিরে হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ কর নি–কবিগুরুর সেই বাণীকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু ১৯৭৫ এ ১৫ আগস্ট আবারো যেন সেই বাণীই সত্য হয়ে ওঠলো”।

‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত – বিনোদন – ৭ আগস্ট ২০২৩ (খ) আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান কবিতা নিয়ে সাজানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিলো দলীয় রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশনা ‘আলো আমার আলো/আনন্দলোকে মঙ্গলালোক/আমরা নতুন যৌবনের দূত’ পরিবেশন করেন একাডেমির শিশু-কিশোর দল।
এরপর শিল্পীরা পরিবেশন করের একজ সংগিত। আশরাফুল আলম পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘বাসা বাড়ী’। সবশেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত দল পরিবেশন করে রবীন্দ্র সংগীত ‘কান্না হাসির দোল দোলানো’ ও ‘সমুখে শান্তি পারাবার’।
বিপুল সংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।
-

ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্থাপত্য বিভাগের রজতজয়ন্তী পালন
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৫ আগস্ট, ২০২৩ : ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) স্থাপত্য বিভাগ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে তাদের রজতজয়ন্তী পালিত করেছে।
রজতজয়ন্তী উপলক্ষ্যে আজ শনিবার (০৫ আগষ্ট ২০২৩) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে ‘ওল্ড ঢাকা’ এবং ‘ইউএপি একোলেডস’ শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ, এমপি। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেনবিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্ট্রি বোর্ডের সদস্য কাইয়ুম রেজা চৌধুরি, ইঞ্জিনিয়ার এম. আবু তাহের, স্থপতি মাহবুবা হক, উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামরুল আহসান, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান মাহমুদ, স্কুল অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ও ডিজাইনের ডিন অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ মোশতাক আহমেদ, স্থাপত্য বিভাগের প্রধান ড. নবনীতা ইসলাম, প্রমুখ।
আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালিদ বলেন, ‘দেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাস ধরে রাখার জন্য ইউএপি স্থাপত্য বিভাগ যে আয়োজন করছে ও যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে, তা প্রশংসনীয়। এইসকল প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে দিয়ে আমরা আমাদের ইতিহাসকে সংরক্ষণ করতে দৃড় প্রতিজ্ঞ।’
অনুষ্ঠানে ইউএপির স্থাপত্য বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অর্জন নিয়ে সংকলিত বই ‘ইউএপি একোলেডস’র মোড়ক উন্মোচন হয়।
বাংলাদেশি স্থাপত্যে আধুনিকতার জনক স্থপতি মাজহারুল ইসলামের আর্কাইভ রয়েছে ইউএপি স্থাপত্য বিভাগেই। মাজহারুল ইসলামের ১০০ তম জন্মদিনে অর্থ্যাৎ আগামী ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ ইউএপি স্থাপত্য বিভাগ প্রকাশ করতে যাচ্ছে মাজহারুল ইসলামের কাজ নিয়ে দুটো বই। সেই বইয়ের মলাট উদ্বোধনীও করা হয় এই আয়োজনে।
আয়োজন প্রসঙ্গে ড. আবু সায়ীদ এম আহমেদ বলেন, ‘ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্থাপত্য বিভাগের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। রজতজয়ন্তী উৎসবে আমাদের বেশ কয়েকটি অংশ রয়েছে। প্রথম অংশটি হচ্ছে এক্সিবিশন। স্থাপত্য বিভাগ থেকে পুরোন ঢাকার হেরিটেজ বলয়কে প্রাধান্য দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা কাজ করেছে। তারা অনুসন্ধানী চোখে খুঁজে বের করেছে ইতিহাসের অতল গহ্বরে হারিয়ে যেতে বসা স্থাপত্য ঐতিহ্যের অনুষঙ্গদের।’
স্থাপত্যের ছাত্রছাত্রীদের সুচিন্তিত আর অনুসন্ধানভিত্তিক এই কর্মযজ্ঞই প্রদর্শিত হচ্ছে “Reminiscing Old Dhaka” শিরোনামে প্রদর্শনী ।এছাড়াও বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী-শিক্ষকগণ স্মৃতিচারণ করেন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন। এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশ বরেণ্য শিল্পী বাপ্পা মজুমদার। বিপুল সংখ্যক দর্শক শৃঙ্খলার সঙ্গে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) স্থাপত্য বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। মাত্র ৫ জন ছাত্র নিয়ে শুরু হওয়া এই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০০ গ্রাজুয়েট সুনামের সাথে দেশ-বিদেশে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে কর্মরত আছে।
-

শিল্পকলায় চলছে শোকাবহ আগস্টের মাসব্যাপী অনুষ্ঠানমালা
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শোকাবহ আগস্টে ‘শোক থেকে শক্তির অভ্যুদয় স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় প্রত্যয’ শিরোনামে, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮ তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে ১-৩১ আগস্ট ২০২৩ পর্যন্ত মাসব্যাপী নানা কর্মসূচী শুরু হয়েছে । মাসব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে ১লা আগস্ট ২০২৩ মঙ্গলবার বিকাল ৪.০০টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে নিয়ে সৃজত শিল্পকর্মের মাসব্যাপী বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহ উদ্দিন আহাম্মদ, চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিমসহ অনান্য বিভাগের পরিচালক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। একাডেমির চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় চিত্রশালার ১নং গ্যালারিতে মাসব্যাপী এ প্রদর্শনী চলবে।
উদ্বোধনী আয়োজনের শুরুতেই যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন একাডেমির শিল্পীবৃন্দ। এরপর প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। পরে একাডেমির মহাপরিচালক ও অন্যান্যরা গ্যালারি পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে মোট ১২৩ জন শিল্পীর ১৫০ টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ভাস্কর্য, স্থাপনাশিল্প, চিত্রকর্ম, আলোকচিত্র ও ভিডিও আর্টসহ সর্বমোট ১৫০ টি শিল্পকর্ম। প্রদর্শনীতে দেশবরেণ্য যেসব শিল্পীদের শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে তারা হলেন- সমরজিৎ রায় চৌধুরী, শিল্পী হাশেম খান, শিল্পী মনিরুল ইসলাম, শিল্পী শাহাবুদ্দিন আহমেদ, শিল্পী বীরেন সোম, শিল্পী হামিদুজ্জামান খান, শিল্পী রফিকুন নবী, শিল্পী মিনি করিম, শিল্পী কামাল পাশা চৌধুরী, শিল্পী ফরিদা জামান, শিল্পী কনক চাঁপা চাকমা, শিল্পী তরুণ ঘোষ, শিল্পী শহিদ কবির, শিল্পী বিপদ ভঞ্জন সেন কর্মকার, শিল্পী কে এম আবদুল কাইয়ুম, শিল্পী নাসিম আহমেদ নাদভী, শিল্পী নাইমা হক, শিল্পী মোহাম্মদ ইউনুস, শিল্পী জামাল আহমেদ, শিল্পী রেজাউন নবী, শিল্পী রোকেয়া সুলতানা, শিল্পী জিএম খলিলুর রহমান, শিল্পী নাজমা আকতার, শিল্পী নিসার হোসেন, শিল্পী আতিয়া ইসলাম এ্যানি, শিল্পী কিরীটি রঞ্জন বিশ্বাস, শিল্পী সমীরণ চৌধুরী, শিল্পী সনজীব দাস অপু, শিল্পী শামসুল আলম আজাদ, শিল্পী প্রদ্যোত কুমার দাস, শিল্পী দেওয়ান মিজান, শিল্পী শাহজাহান আহমেদ বিকাশ ও শিল্পী মো. কামালুদ্দিন প্রমুখ।
অন্যান্য অনুষ্ঠানগলির মধ্যে রয়েছে :
৫ আগস্ট- ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি’, উৰসর্গ: শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল। অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে।৬ আগস্ট – বঙ্গবন্ধু স্মারক বক্তৃতা এবং শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু। অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে।
৭ আগস্ট- বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রের উদ্বোধনী প্রদর্শনী, অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে।
১৮ আগস্ট- ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি’ উৎসর্গ: বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে।
১৫ আগস্ট – জাতীয় শোক দিবস পালন এবং বঙ্গবন্ধুর উপর রচিত গ্রন্থের পাঠ পর্যালোচনা বিষয়ক বক্তৃতা। স্থান – জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন।
– বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ- ধানমন্ডি ৩২।
– বঙ্গবন্ধুকে অবলম্বন করে শিশুদের অংশগ্রহণে আর্টক্যাম্প, অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় চিত্রশালা প্লাজায়।১৮ আগস্ট – বরেণ্য চারুশিল্পীদের অংশগ্রহণে আর্টক্যাম্প। অনুষ্ঠিত হবে টুঙ্গিপাড়া গোপালগঞ্জে।
২১ আগস্ট – ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা: স্থাপনাশিল্প প্রদর্শনী, অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।
২৯ আগস্ট – ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনুষ্ঠান’ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে।
৩১ আগস্ট – আগস্টের মাসব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সমাপনী, অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তন।
-

পাকিস্তানে বলিউডের সবচেয়ে ব্যবসা সফল ছবি সঞ্জু
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩ আগস্ট, ২০২৩ : বলিউডে অনেক বিখ্যাত ছবি হয়েছে যা ভারত পাকিস্তান দুই দেশেই ব্যবসা করতে সক্ষম হয়েছে। সাধারণত যে সব অভিনেতার ছবি ভারতে হিট হয় ঠিক তাদের ছবি পাকিস্তানেও ব্যবসা করে । এই দিক দিয়ে শাহরুখ খান, সালমান খান, আমির খান বা অক্ষয় কুমারের ছবি দুই দেশেই হিট হওয়ার কথা। কিন্তু এই সব সফল বলি অভিনেতার ছবি পাকিস্তানের বক্স অফিসে হিট হতে পারেননি । বরং সেখানকার বক্স অফিসে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করে শীর্ষস্থান অধিকার করেছে অন্য বলি তারকার ছবি। তিনি হচ্ছেন রণবীর কপূর। এই অভিনেতার ‘সঞ্জু’ ছবিটি ভারতে ব্যবসা সফল হয়িছিলো।
এখানে কয়েটি ছবির নমুনা তুলে ধরা হেয়েছে বিশেষ ভাবে যে ছবিগুলো ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশেই সফল ব্যবসা করেছে। কিন্তু সঞ্জু ভারতে তেমন সফল না হলেও পাকিস্তানে বক্স অফিসে হিট হয়েছিলো।
২০১৩ সালে বিজয়কৃষ্ণ আচার্যের পরিচালনায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল ‘ধুম ৩’। আমির খান এই ছবিতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। আমিরের পাশাপাশি তারকাখচিত এই ছবিতে দেখা গিয়েছিল অভিষেক বচ্চন, উদয় চোপড়া, ক্যাটরিনা কাইফ এবং জ্যাকি শ্রফের মতো বলি তারকাদের। ১০০ কোটি টাকা বাজেটের ‘ধুম ৩’ ছবিটি মুক্তির পর প্রায় ৫৫৭ কোটি টাকার ব্যবসা করে। পাকিস্তানেও এই ছবি মুক্তি পেয়েছিল। মুক্তির পর পাকিস্তানের বক্স অফিস থেকে ২৫ কোটি টাকার ব্যবসা করে এই ছবিটি।
পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল আমিরের আরও একটি ছবি। রাজকুমার হিরানি পরিচালিত ‘পিকে’ ছবিটি ২০১৪ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। আমিরের সঙ্গে এই ছবিতে অভিনয় করেছিলেন অনুষ্কা শর্মা, সুশান্ত সিংহ রাজপুত, সঞ্জয় দত্ত, বোমান ইরানি, সৌরভ শুক্লের মতো বলি তারকারা। ১২২ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি ‘পিকে’ ছবিটি প্রায় ৭৭০ কোটি টাকার ব্যবসা করে। পাকিস্তানেও মুক্তি পেয়েছিল এই ছবি। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর ‘পিকে’ পাকিস্তানের বক্স অফিস থেকে ২২ কোটি টাকা উপার্জন করে।
‘পিকে’ মুক্তি পাওয়ার এক বছর পর ২০১৫ সালে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় সালমান খান, কারিনা কপূর খান এবং নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি অভিনীত ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। ৯০ কোটি টাকা বাজেটে তৈরি কবীর খান পরিচালিত ‘বজরঙ্গি ভাইজান’ ছবিটি মুক্তির পর বক্স অফিস থেকে ১০ গুণ বেশি আয় করে। পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহেও মুক্তি পায় ‘বজরঙ্গি ভাইজান’। মুক্তির পর পাকিস্তানের বক্স অফিস থেকে ছবিটি ২৩ কোটি টাকা আয় করে।
২০১৫ সালে রোহিত শেট্টির পরিচালনায় মুক্তি পেয়েছিল ‘দিলওয়ালে’ ছবিটি। নব্বইয়ের দশকের বড় পর্দার হিট জুটি শাহরুখ-কাজলকে বহু বছর পর একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল এই ছবিতে। শাহরুখ এবং কাজল ছাড়াও ‘দিলওয়ালে’ ছবিতে জুটি বেঁধেছিলেন বরুণ ধওয়ান এবং কৃতি শ্যানন। পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় জনি লিভার এবং বরুণ শর্মার মতো কৌতুকাভিনেতাদের। ১৩৫ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি ‘দিলওয়ালে’ ছবিটি ৩৭৬ কোটি টাকার ব্যবসা করে। পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহেও মুক্তি পেয়েছিল ‘দিলওয়ালে’ ছবিটি। মুক্তির পর পাকিস্তানের বক্স অফিস থেকে ২০ কোটি টাকার ব্যবসা করে শাহরুখের ছবি।শাহরুখ, আমির, সলমনের ছবি পাকিস্তানে মুক্তি পেলেও তাঁদের সকলকে ছাপিয়ে গিয়ে পাকিস্তানের বক্স অফিসের শীর্ষস্থান অধিকার করে নিয়েছেন বলিপাড়ার অন্য এক অভিনেতা। আর তিনি হচ্ছে রণবীর কাপূর অভিনিত ছবি সঞ্জু ছবিটি। ২০১৮ সালে বলি অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের জীবনকাহিনির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় ‘সঞ্জু’ ছবিটি। এই ছবির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন রাজকুমার হিরানি। ছবির মুখ্যচরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল রণবীর কপূরকে। রণবীরের পাশাপাশি ‘সঞ্জু’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন ভিকি কৌশল, মনীষা কৈরালা, সোনম কপূর, অনুষ্কা শর্মা, পরেশ রাওয়ালের মতো তারকারা।
৯৬ কোটি টাকা বাজেটে তৈরি ‘সঞ্জু’ ছবিটি বক্স অফিস থেকে আনুমানিক ৫৮৭ কোটি টাকার ব্যবসা করে।
পাকিস্তানের প্রেক্ষাগৃহেও মুক্তি পেয়েছিল ‘সঞ্জু’। বলিউডের যে সমস্ত ছবি পাকিস্তানে মুক্তি পেয়েছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করে নজির গড়েছে ‘সঞ্জু’। মুক্তির পর পাকিস্তানের বক্স অফিসে ৩৭ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার ব্যবসা করে রণবীরের এই ছবি।
তবে এর অর্থ এই নয় যে রণবীর ভারতে আমির, শাহরুখ, শালমান খানের থেকে পাকিস্তানে খুব জনপ্রিয়। কখন কোন ছবি কাকে ভালো লেগে যাবে সেটা নির্ভর করে কাহিনী ও অন্যান্য প্রাসঙ্গীক বিষয়ের উপর। আর সেই কারণেই ছবিটি পাকিস্তানে হিট হতে পেরেছিলো।সূত্র: বাসস
-

শিল্পকলায় জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ০১ আগস্ট ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত ‘জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৩’ দু’দিনব্যাপী আয়োজনের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল সোমবার বিকেলে। জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ পুরস্কার বিতরণী আয়োজনে ৬৪ জেলা ও ঢাকা মহানগর পর্যায়ে বিজয়ী ৬৩ জন প্রতিযোগিকে পুরস্কৃত করা হয়। আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে. এম খালিদ এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।
দেশের ৬৪ জেলা ও মহানগর পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ১ম স্থান অধিকারী ১৩৬৫ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে চূড়ান্ত/কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গত রাবিবার ৩০ জুলাই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পঞ্চগীতিকবির গান, লোকসঙ্গীত, দেশাত্ববোধক গান, সাধারণ নৃত্য, শাস্ত্রীয় নৃত্য, একক আবৃত্তি ও একক অভিনয় ৭ টি বিষয়ে মোট ২১ শ্রেণীতে দিনব্যাপী নানা আয়োজনে এ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়।
জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজিত সমাপনী আয়োজনে প্রথম পর্বের আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন করেন একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে. এম খালিদ এমপি বলেন, “ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ে প্রতিভা অন্বেষণের মাধ্যমে জাতীয় প্রতিযোগিতা ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে, সবমিলিয়ে সংস্কৃতি ক্ষেত্রে নবজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে, এ ধারা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তৃণমূল পর্যায়ে সংস্কৃতি চর্চার প্রসারের পাশাপাশি সংস্কৃতি ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হয়েছে”।
সমাপণী বক্তব্য উপস্থাপন করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন, “সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের বিষয়ভিত্তিক চর্চা কখনই পাঠ্যপুস্তকে ঐচ্ছিক বিষয় হতে পারে না। সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড আগামি বছর থেকে পাঠ্যসূচিতে বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। আমরা এটাকে সাধুবাদ জানাই”।
পুরস্কার বিতরণ শেষে পরিবেশিত হয় বিজয়ী প্রতিযোগীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বিপুল সংখ্যাক দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন তামান্না তিথি ও মাহাদিয়া রহমান মারিশা।
-

নাসিরউদ্দিন শাহকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পড়ি দিতে হয়েছে
হ্যালো বাংলা ডেস্ক: ভারতের চলচ্চিত্র জগতের প্রথম সারির একজন অভিনয় শিল্পী হিসেবে নাসিরউদ্দিন শহের নাম-যশ-খ্যাতির কথা সবার জানা। তবে রাতারাতি তিনি তারকা বনে যান নি। আজকের এই অবস্থানে পৌঁছানোর জন্য তাঁকে দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পড়ি দিতে হয়েছে । প্রথম যে বার তিনি ক্যামেরার সামনে এসেছিলেন বিশেষ কিছু প্রাপ্তি হয়নি অভিনেতার। সেই সময় একটি রাস্তায় ভিড়ের দৃশ্যে একটি ছোট ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন নাসিরউদ্দিন শাহ। ১৯৬৭ সালে ‘আমন’ ছবিকে অতিরিক্ত চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র সাত টাকা। অঙ্কটি শুনে এ কালের দর্শক চমকে যাবেন। উক্ত ছবিতে প্রথম সারির অভিনেতাদের মধ্যে ছিলেন রাজেন্দ্র কুমার এবং সায়রা বানু । বর্তমানে প্রতিটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য নাসিরউদ্দিন শাহ কোটি টাকার উপর আয় করে থাকেন।
কিভাবে নাসিরউদ্দিন শাহ প্রথম ক্যামেরার সামনে এলেন সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, , রাস্তার ধারে এক রেস্টুরেন্ট ছিল। সেখানে গিয়ে ভিড় জমাতেন নাসির এবং তাঁর মতো ভাগ্যান্বেষীরা। সেখান থেকে ১০ জনকে নিয়ে যান এক ব্যক্তি। শুধু জানান, শুটিংয়ে যেতে হবে।’
নাসিরুদ্দিনও নট্রাজ স্টুডিয়োতে চলে যান নির্দেশ মতো। অনেক কসরত করে ভিড়ের মধ্যে প্রথম সারিতে দাঁড়াতে পারেন তিনি, যেটি ক্যামেরায় ধরা দেয়। সেই প্রথম পর্দায় আসা। উচ্ছ্বসিত নাসির লাফাতে লাফাতে বাড়ি গিয়ে সুখবরটি দেন। লজ্জায় বলতে পারেন না তাঁর চরিত্রটি আসলে কতটুকু। বরং জানান, ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। পরে ছবিমুক্তির পর পরিবারকে জানান, সেই দৃশ্যগুলি সব সম্পাদনায় বাদ পড়েছে।
নাসিরের কথায়, “আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল আনন্দটাই। কী যে ভাল লেগেছিল প্রথম অভিনয়ে, তা প্রকাশ করার ভাষা ছিল না। যখন শট নেওয়া হচ্ছিল, ক্যামেরা আমার মুখের কাছাকাছি আনা হয়। নিজের প্রতিবিম্ব দেখতে পেয়েছিলাম সেখানে, জাদুর মতো লেগেছিল। সেই স্মৃতি ভোলার নয়।”
সেই ছোট চরিত্রের অভিনেতা ইতিমধ্যে প্রায় ১০০টির বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। ২০০৬ সালের বলিউড চলচ্চিত্র ইউ হোতা তো কেয়া হোতা পরিচালনা করেছেন, এখানে অভিনয় করেছিলেন ইরফান খান এবং কঙ্কনা সেন শর্মা।
তিনি ১৯৭৫ সালের হিন্দি চলচ্চিত্র নিশান্তে বিশ্বন চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র শিল্পীর জীবন শুরু হয়েছিল। এরপর ‘জুনুন’, ‘আক্রোশ’, ‘পার’ ‘চক্র’, ‘মাসুম’, ‘ত্রিকাল’, ‘ওমকারা’, ‘ফিরাক’, ‘পিপলি লাইভ’সহ একাধিক সিনেমায় দুর্দান্ত অভিনয় করে শক্তিমান অভিনেতা হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন তিনি।
বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি আর্টফিল্মগুলোতে তার অভিনয় সর্বাধিক প্রশংসিত হয়েছে। সর্বশেষ সৃজিত মুখার্জীর ‘বেগমজান’ সিনেমায় ‘রাজা সাব’ চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ে দর্শকমাৎ করেছেন তিনি।
পরবর্তীতে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ইংরেজি এবং ভারতের অন্যান্য ভাষায় বেশ কয়েকটি সিনেমা করেছেন ।
১৯৮৪ সালে গৌতম ঘোষ পরিচালিত পার ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। ছবিটিতে আরও যারা অভিনয় করেন তাদের মধ্যে ছিলেন শাবানা আজমি ও ওম পুরি । নওরঙ্গিয়া চরিত্রে অভিনয়ের জন্য নাসিরউদ্দিন শাহ ভলপি কাপ জিতেছিলেন। ছবিটি সমরেশ বসু রচিত বাংলা গল্প পাড়ী অবলম্বনে নির্মিত।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে তার অবদানের জন্য ভারত সরকার তাকে ১৯৮৭ সালে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী ও ২০০৩ সালে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত করে। এছাড়া তিনি ১৯৭৯ সালে স্পর্শ ছবিতে অভিনয়ের জন্য , ১৯৮৪ সালে পার ছবির জন্য শেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৬ সালে ইকবাল ছবিতে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেব জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৮৪ সালে তিনি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে ভল্পি কাপ পুরস্কার পেয়েছেন।
অভিনেতা নাসিরউদ্দিন শাহ ভারতের ‘ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা’র একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি শিখতে গিয়েছি, কারণ আমার জানার আগ্রহ ছিল। আমাকে অভিনয় শিখতে হবে বলে, আমি সেখানে যাইনি। আমি নিজের চারপাশের জগতটাকে আরও ভালো করতে জানতে ও বুঝতে সেখানে যাই।’ বলিউডের সব মহাতারকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘অভিনয় যাদের অস্থিমজ্জায় মিশে আছে, তাঁদের তা স্কুলে গিয়ে শিখতে হয় না। দিলীপ কুমার, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান- তাঁরা তো কখনও কোনো অভিনয়ের স্কুলে যাননি। কিন্তু তাঁদের মতো নিখুঁত অভিনেতা কয়জন আছেন। আমি মনে করি, একজন অভিনেতা নিজেই নিজেকে শেখায় প্রতিনিয়ত। এরপর কোনো স্কুলে থেকে প্রশিক্ষণ নেওয়া তাঁর অভিনয়ের জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে না।’
শীঘ্রই নাসিরউদ্দিন শাহকে দেখা যাবে ওয়েব সিরিজ় ‘তাজ: ডিভাইডেড বাই ব্লাড’-এ। তিনি ২০১৪ সালে তার আত্মজীবনী শুরু করেন, যার শিরোনাম অ্যান্ড দেন ওয়ান ডে: অ্যা মেমোরি ।
-

হলিউডের ক্রিস বার্নেসের অ্যাকশন দেখা যাবে বলিউডের ‘টাইগার ৩’ ছবিতে
হ্যালো বাংলা ডেস্ক: টাইগার ৩ ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করতে যাচ্ছেন বলিউডের দুই সুপারস্টার সালমান খান ও শাহরুখ খান। আশা করা যাচ্ছে চলতি বছরের শুরুতে শাহরুখের ‘পাঠান’ যেভাবে বক্স অফিসে ব্যবসা করেছিলো ঠিক সেভাবেই এই দুই সুপারস্টারের উপস্থিতিতে টাইগার ৩ ব্যবসা সফল হবে। আর হলিউডের ক্রিস বার্নেসের অ্যাকশন দেখা যাবে ‘টাইগার ৩’ ছবিতে।
পাঠান মুক্তি পেয়েছিলো বছরের শুরুতে। আর মুক্তির পরেই এই ছবি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছেন দর্শক। বিশ্ব জুড়ে বক্স অফিসে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছে যশরাজ ফিল্মসের ‘পাঠান’। একই গন্তব্যে যাবে ‘টাইগার ৩’ এমনটাই আশা করছে ছবিটির প্রযোজনা সংস্থা।
তাই ‘পাঠান’-এর পর এ বার ‘টাইগার ৩’-এর জন্য প্রস্তুতি নিয়েই নেমেছে ওয়াইআরএফ। ‘পাঠান’-এর মতো ‘টাইগার ৩’ ছবিতেও এক ফ্রেমে ধরা দিতে চলেছেন শাহরুখ খান ও সালমন খান। শাহরুখ ও সালমানের যুগলবন্দি প্রেক্ষাগৃহে মন টেনেছিল দুই তারকার অনুরাগীদের। সিনেপর্দার কর্ণ-অর্জুন জুটির সেই জনপ্রিয়তাকেই আরও এক বার কাজে লাগাতে চাইছেন যশরাজ কর্তা আদিত্য চোপড়া। পাশাপাশি, ‘পাঠান’ ও ‘টাইগার’ ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির ছবির সাফল্যের ফলে অ্যাকশন ঘরানার দিকেই আজকাল বেশি ঝুঁকছে ওয়াইআরএফ। সেই অ্যাকশন ছবি যাতে দর্শকের কাছে আরও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে, সে জন্য কোনও খামতি রাখতে রাজি নন যশরাজ কর্তা আদিত্য চোপড়া।
‘টাইগার ৩’ ছবির জন্য এ বার তাই ‘অ্যাভেঞ্জার্স’-এর অ্যাকশন কোঅর্ডিনেটরকে আনছেন আদিত্য। হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি মার্ভেল। মার্ভেলের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ হলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় ও সফল ছবি। সেই ছবিতেই অ্যাকশন কোঅর্ডিনেটর হিসাবে কাজ করেছিলেন ক্রিস বার্নেস। এ বার হলিউড থেকে বলিউডে পা রাখতে চলেছেন তিনি। খবর, সালমনের ‘টাইগার ৩’ ছবির অ্যাকশন দৃশ্যের নেপথ্যে থাকতে চলেছে ক্রিসই।
‘পাঠান’-এর সাফল্যের পর আরও বড় মাপে ‘টাইগার ৩’বানাতে চান ওয়াইআরএফ কর্তা। ছবির গুণগত মান ও বাজেট নিয়ে কোনও ভাবেই আপস করতে রাজি নন তিনি। যশরাজের ‘স্পাই ইউনিভার্স’, থুড়ি ‘গুপ্তচর ব্রহ্মাণ্ড’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছবি হতে চলেছে ‘টাইগার ৩’।