Category: বিনোদন

  • শিল্পকলায় আজ পরিবেশিত হবে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের  প্রযোজনা প্রদর্শনী

    শিল্পকলায় আজ পরিবেশিত হবে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের প্রযোজনা প্রদর্শনী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ৪ দিন ব্যাপি নাট্য শিক্ষা বিষয়ক থিয়েটার পেডাগোজি কর্মশালা আজ শেষ হচ্ছে।  আজ শনিবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে এই কর্মশালায় অংশগ্রহনকারীদের  নিয়ে প্রযোজনা প্রর্শনীর আয়োজন করা হবে । অংশগ্রহনকারী ৩৬ জন প্রশিক্ষনার্থীদের ৩৫ মিনিটের পূর্ণাঙ্গ নাটকটি মঞ্চস্থ হবে একাডেমিতে, যা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

     

    প্রযোজনার কাহিনী সংক্ষেপ :

    এটি একটি যুদ্ধক্ষেত্রের গল্প।  কিন্তু এখানে উপস্থাপন করা হবে পৃথিবী জুড়ে ঘটে চলা চলমান ধ্বংসযজ্ঞ, যুদ্ধের নামে নির্বিচারে নিরীহ মানুষ হত্যা, অযাচিতভাবে অন্যের স্বদেশভূমি দখলের পায়তারা ও শক্তিধর রাষ্ট্রের দমনমূলক চোখ রাঙানি। তখন, গোটা পৃথিবীটায় যেন নিরব যুদ্ধের ময়দানে পদাদিক আর স্নায়ুবিক লড়ায়ে সামিল হয়। তাই মাতৃভূমি রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পরে আপামর জন সাধারণ।

    এই প্রযোজনার শুরুতে দৃশ্যমান হয় এক যুদ্ধ ময়দান দূরবর্তী ক্যাম্প।  যেখানে অবস্থান করছে বেশ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী। ক্যাম্প অদূর রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। যে রাস্তা দিয়ে স্বদেশী সেনা গাড়ি বহর যুদ্ধ সরঞ্জাম, গোলা বারুদ, যুদ্ধপীড়িত মানুষের জন্য জীবনদায়ি উপকরণ- খাদ্য,ঔষধ ইত্যাদি পরিবহন করে। তাই এ রাস্তা অক্ষুণ্ণ রাখা সকলের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। শত্রুপক্ষের  মুহুর্মুহু গোলা বর্ষণে রাস্তাটা বারবার যান চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। তথাপি, ক্যাম্পের স্বেচ্ছাসেবকগণ দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে, বেলচা কোদাল হাতে রাস্তা মেরামত করে চলে।

    তারা জানে কেবল এ রাস্তা সচল থাকলেই শত্রু বিপক্ষে লড়াই চালিয়ে যাওয়া সম্ভব । এ রাস্তা-ই  তাদের মুক্তির দোয়ারে পৌঁছে দিবে! যে কোন উপায়ে এ রাস্তা সচল রাখতে হবে! কিন্তু সে কাজ অত সহজ নয়। শত্রুপক্ষের ক্রমাগত গোলার আঘাতে মারা পড়ছে স্বদেশী সেনানীগণ। নষ্ট হয়ে যায় নিজের পোশাক-পরিচ্ছদ। ভঙ্গুর হতে থাকে মনোবল,  স্মৃতি কাতরতা ঘিরে ধরে— মনে পড়ে স্বজন-পরিজনের প্রিয়মুখ, নিজেরদের মধ্যে ক্ষণেক্ষণে দানা বাঁধে নানা অসন্তোষ ও মনস্তাত্ত্বিক বিভাজন। তারা আবার এক হয়। ভুলে যায় না তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। ক্ষেপণাস্ত্রকে তুচ্ছ করে নতুম উদ্যোমে, স্বদেশ মুক্তির স্বপ্নে  ঝাঁপিয়ে পড়ে ভাঙা রাস্তা নির্মাণে।

    অবশেষে, মাটি ও মাতৃভূমির লড়ায়ে লড়াকু এই মাতৃভূমির সেবকগণ শত্রুর বোমার আঘাতে  নিহত হয়। মারা যান, শহীদ হয় প্রত্যেকে। শুধুমাত্র একজন ছাড়া মেলে সকলের ছিন্নভিন্ন রক্তাক্ত লাশ। মনে গেথে রয় এই কিংবদন্তিদের তাগ্যের ‘কীর্তি জয়গাঁথা’ ও স্বাধীনতার চিরন্তন বার্তা।

    সমসাময়িক বিষয়ের উপর এই প্রযোজনা বিশেষ একটি বার্তা বহন করে যা শান্তিকামি মানুষের জন্য একান্ত কাম্য।

  • বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যাত্রাশিল্পী সম্মাননা পেলেন মিলন কান্তি দে

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যাত্রাশিল্পী সম্মাননা পেলেন মিলন কান্তি দে

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৮ নভেম্বর, ২০২৩: শিল্পকলার আয়োজনে “গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’ ঢাকায় সমাপনী আয়োজনে মঞ্চস্থ হলো “নি:সঙ্গ লড়াই”। ১৯৭১ সালের মার্চে জাতির পিতাকে বন্দী করে রাখা হয় লালপুর থানায়। তাঁর কারাবন্দী জীবনের নানান প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক ইতিহাস নির্ভর, এই যাত্রাপালা। ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিটের এই যাত্রাপালার নির্দেশনায় ছিলেন সাইদুর রহমান লিপন, পালাকার মাসুম রেজা এবং প্রযোজনা উপদেষ্টা জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    গতকাল মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হয়েছে যাত্রাপালা ‘নি:সঙ্গ লড়াই’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির রেপাটরি যাত্রাদল পরিবেশন করে এই পালা।

    যাত্রাশিল্পী সম্মাননা পেলেন মিলন কান্তি দে - বিনোদন - ৮ নভেম্বর ২০২৩ (খ)
    যাত্রাশিল্পী সম্মাননা পেলেন মিলন কান্তি দে – বিনোদন – ৮ নভেম্বর ২০২৩ (খ)

    এরপর যাত্রাশিল্পে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরুপ যাত্রাশিল্পী মিলন দে, – কে  সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক, সার্টিফিকেট,  ক্রেস্ট ও ৫০ হাজার টাকা অর্থমূল্যের চেক তুলে দেন।

    সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে একাডেমির সম্মানিত সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ বলেন- “একজন যাত্রাশিল্পী হিসেবে মিলন কান্দি দে যাত্রা শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সংগ্রাম করে গেছেন, যাত্রা নট হিসেবে অভিনয়ের মাধ্যমে এই ধারাকে সচল রেখেছেন, যাত্রাকে প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা দিতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন”।

    সম্মাননা প্রাপ্ত যাত্রাশিল্পী মিলন কান্তি দে নিজের অনুভুতি ব্যক্ত করেন- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। তিনি বলেন- “আমি শিল্পী খ্যাতি অর্জনের জন্য যাত্রাশিল্পে আসি নি, এই শিল্পের দুর্দশা দূর করতে কাজ করেছি। নীতিমালা প্রণয়ন থেকে শুরু করে যাত্রার দুর্দশা দূর করতে অনন্ত প্রাণ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সম্মানিত মহাপরিচালক”। শিল্প সংস্কৃতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তা যেন অব্যাহত থাকে সেই প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।

    একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী- সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি বলেন- “যাত্রা শিল্পের সাথে জড়িয়ে থাকা এক অনবদ্য শিল্পীর নাম মিলন কান্তি দে”। তিনি বলেন- “যাত্রা শিল্পীকে সম্মান জানাতে আমাদের আইন, নীতিমালা নানাভাবে সহায়ক হিসেবে কাজ করেছে যা প্রণয়ণ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা”।

  • সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওটি রশ্মিকার নয়

    সমাজমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওটি রশ্মিকার নয়

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৭ নভেম্বর, ২০২৩: বলিউডে অভিনয় জগেতে রশ্মিকা মন্দানা মার্জিত ইমেজ তৈরি করতে পেরেছেন তার শালিন পোশাক ও ব্যবহারের কারণে। অভিনয় দক্ষতায় বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন। ২০২২ সালে রশ্মিকার বলিউডে আত্মপ্রকাশ ‘গুডবাই’ ছবির মাধ্যমে। কিন্তু ইদানিং সমাজমাধ্যমের পাতায় ভাইরাল হয়েছে অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দানার একটি আপত্তিকর ভিডিওটি। যেখানে দেখা যায় কালো পোশাক পরে লিফট্ থেকে বেরিয়ে আসছেন রশ্মিকা। যে পোশাকটি খুব কুরুচিকল। খুব দ্রুত সমাজমাধ্যমের পাতায় ছড়িয়ে পড়ে রশ্মিকা মন্দনার এই ছবি।

    সমাজমাধ্যমের রশ্মিকার ওই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যে জানতে পারা যায়, ওই ভিডিও আসলে কৃত্রিম মেধা তথা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে বিকৃত করা হয়েছে। কাজটি এআইয়ের সাহায্য নিয়ে করেছেন জ়ারা প্যাটেল নামে এক মহিলা। এই ভিডিওয় রশ্মিকার মুখ বসানো হয়েছে। অর্থাৎ ভিডিওয় মুখ রশ্মিকার হলেও তাঁর পরনের পোশাক তাঁর নয়।

    এমন এক ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই অপ্রস্তুত হয়ে পড়েছেন অভিনেত্রী। শুধু তা-ই নয়, এই ধরনের কারসাজির ঘটনায় রশ্মিকা ভয় পেয়েছেন বলেই জানান। অভিনেত্রী নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বিবৃতি দিয়ে লেখেন, ‘‘আমার যে ডিপফেক ভিডিও ছড়িয়েছে সমাজমাধ্যমে, সেটা নিয়ে কথা বলতে গেলেও ভীষণ খারাপ লাগছে। আমি ব্যথিত। এই ঘটনা আমার কাছে খুবই ভয়ের। শুধু আমার একার জন্য নয়, যাঁরাই সারা ক্ষণ ক্যামেরার সামনে রয়েছেন তাঁদের জন্য। ভাবলেই ভয় করছে, কী ভাবে প্রযুক্তির অপব্যবহার করা হচ্ছে। আজ একজন নারী ও অভিনেত্রী হিসাবে আমি আমার পরিবার, বন্ধু-বান্ধবদের কাছে কৃতজ্ঞ, যাঁরা আমাকে এই সময় সমর্থন করেছেন আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু ভাবুন, যদি আমি একজন স্কুল-কলেজে পড়া ছাত্রী হতাম! আমার তো মাথা কাজ করত না এই পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়ার। আমাদের সকলের উচিত সমষ্টিগত ভাবে এগিয়ে এসে এই ধরনের সমস্যা নিয়ে কথা বলা।’’

    সাধারাণত এমন পোশাকে কখনও দেখা যায় না অভিনেত্রীকে। সেই ভাবনা থেকেই প্রথমে সন্দেহ জাগে অভিনেত্রীর অনুরাগীদের মনে। জানতে পারা যায়, এই ভিডিওর মহিলা আদপে রশ্মিকা নন। অন্য এক মহিলার ভিডিওয় কারসাজি করে অভিনেত্রীর মুখ বসানো হয়েছে। এই তথ্য জানার পরেই অপরাধীর বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি জানাতে শুরু করেন রশ্মিকার অনুরাগীরা। এ বার একই দাবিতে সরব হলেন অমিতাভ বচ্চন। গোটা ঘটনাটি আসল ভিডিও সমেত সমাজমাধ্যমের পাতায় পোস্ট করা হলে তা রিপোস্ট করে বিগ বি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। সমাজমাধ্যমের পাতায় বিগ বি লেখেন, ‘‘এই বিষয়টা খুবই গুরুতর, এবং এ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’’

    ২০২২ সালে রশ্মিকার বলিউডে আত্মপ্রকাশ অমিতাভের হাত ধরেই। ‘গুডবাই’ ছবিতে বিগ বি-র মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রশ্মিকা।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • শিল্পকলায় ৪র্থ দিনে পরিবেশিত হয়েছে ৩টি যাত্রাপালা

    শিল্পকলায় ৪র্থ দিনে পরিবেশিত হয়েছে ৩টি যাত্রাপালা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৬ নভেম্বর, ২০২৩: যাত্রাদলগুলোকে উজ্জীবিত করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে চরছে ‘গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’। গতকাল চতুর্থ দিন পরিবেশিত হয়েছে তিনটি যাত্রাপালা। পরিবেশনা গুলির মধ্যে ছিলো যাত্রাদল সীমা অপেরার পরিবেশনায় যাত্রাপালা ‘জননীর স্বপ্নপূরণ’। এরপর যাত্রাদল গোল্ডেন-৯ নাট্য গোষ্ঠী পরিবেশন করে যাত্রাপালা ‘দবির দফাদার’ এবং যাত্রাদল জয়যাত্রা পরিবেশন করে যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।

    লোক ঐতিহ্যের এক সমৃদ্ধ রুপায়ন যাত্রাপালা। ঐতিহ্য, চিন্তা, মূল্যবোধকে ধারণ করেই যাত্রাপালার বিস্তার। আবহমান বাংলার চিরায়ত লোকসংস্কৃতির অন্যতম শাখা যাত্রাপালা বরাবরই গণমানুষের সংস্কৃতি হিসেবে বিবেচিত। তৃণমূল মানুষের অন্তরে বাস্তবিক উন্নয়নের এক দর্পন স্বরুপ কাজ করে এই যাত্রাপালা।

    ‘শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার অভিলক্ষ্যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমরা উন্নতির শিখরে’ এই প্রতিপাদ্যে ‘গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দেশব্যাপী শিল্পযজ্ঞ পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এর অংশ হিসেবে গত ০২রা নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে যাত্রা উৎসব। সারাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা যাত্রা দলগুলোর সাথে সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও দলগুলোকে অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশব্যাপী ১২০ টি যাত্রাদলের পরিবেশনায় ৪২টি জেলায় ০২-২০ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে ‘গণজাগরণের যাত্রাপালা উৎসব ২০২৩’।

    আগামী ০৭ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ১৫টি যাত্রাদলের অংশগ্রহণে যাত্রাপালা পরিবেশিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।

    এর আগে প্রথম দিনের আয়োজনে একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী, বঙ্গবন্ধুর কারাবাস নিয়ে রচিত যাত্রাপালা ‘নি:সঙ্গ লড়াই’ আগামী ৭ নভেম্বর সমাপনী দিনে পরিবেশনার ঘোষণা দেন।

    সন্তানদের নিয়ে যাত্রা পালা দেখার আহ্বান জানান মহাপরিচালক। র্বতমানে যাত্রাশিল্পের উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। উৎসবের মাধ্যমে দলগুলোকে পৃষ্টপোষকতা দেয়ার পাশাপাশি ভিন্ন ধারার যাত্রা নির্মাণ ও পরিবেশনা অব্যাহত রেখেছে। দুটি রেপার্টরি যাত্রা নির্মাণ ছাড়াও ইশা খাঁ নামে বাংলাদেশে প্রথম ভিন্ন ধারার প্রত্ন যাত্রা নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

  • শিল্পকলায় বিচার গানের সম্রাট আবদুল হালিমের ৯৪ তম জন্মবার্ষিকী পালিত

    শিল্পকলায় বিচার গানের সম্রাট আবদুল হালিমের ৯৪ তম জন্মবার্ষিকী পালিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন  –  ৪ নভেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে সদ্য অনুষ্ঠিত হলো লোকসঙ্গীতের প্রবাদ পুরুষ বিচারগানের সম্রাট বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম বয়াতির  ৯৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা ও সংগীত অনুষ্ঠান। তাঁর ভক্ত ও অনুসারীদের উপস্থিতিতে মিলনায়তন পূর্ণ দর্শকরা উপভোগ করেন আব্দুল হালিম বয়াতির লেখা গান ও সুর। গ্রামবাংলার মানুষের আবেগ, চিরায়ত সুর অনুভূত হয় আব্দুল হালিমের কণ্ঠে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথি আলোচকবৃন্দকে উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান সাধক হালিম বয়াতির সন্তানগণ। আলোচনা পর্ব স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন হালিম একাডেমির পরিচালক ও আবদুল হালিম বয়াতির পুত্র মো: নিশানে হালিম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এর বিশিষ্ট লেখক ও ট্রাস্ট্রি জনাব মফিদুল হক। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও লোকসংস্কৃতি গবেষক ড. সাইমন জাকারিয়া।

    সভাপতির বক্তব্যে একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী বলেন- “লালন হাছনসহ আমাদের গুরুত্বপূর্ন বাউলদের মাধ্যমে সমৃদ্ধ লোকশিল্পের ধারাকে সক্রিয় রেখেছেন আব্দুল হালিম বয়াতির মতো অসংখ্য লোক কবিরা। শিল্পকলা একাডেমি লোকসংস্কৃতি নিয়ে বহুমুখী সাংস্কৃতিক আয়োজন চালিয়ে যাচ্ছে, আপনারাও লোকশিল্পের প্রসারের ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান থেকে ভুমিকা রাখবেন এটাই প্রত্যাশা”।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পীবৃন্দরা সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই দ্বৈত নৃত্য পরিবেশন করেন সানজিদা আক্তার কাজল ও নুজহাত ফাতিমা আওয়াল। এরপর পরিবেশিত হয় সমবেত সারিন্দা বাদন। সংগীত পরিবেশন করেন ওয়াসিম কবির পলাশ, আলেয়া বেগম, সৈয়দ আশিকুর রহমান, সুলতানা ইয়াসমিন লায়লা, শফি মন্ডল, হালিমা পারভিন ও অসীম রায় এবং রিপন সরকার/ হৃদয় সৈকত।

    লোক সঙ্গীতের প্রবাদ পুরুষ আবদুল হালিম মিয়া ১৩৩৬ বঙ্গাব্দের ১৫ই কার্তিক বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলাধীন বড় দোয়ালী গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। মাত্র ৭ বছর বয়সে শিশু হালিম সঙ্গীতের আকাশে ধুমকেতুর মত আকস্মিক ভাবে আবির্ভূত হয়ে ধ্রুবতারার ন্যায় স্থায়ী আসন করে নেন। অতঃপর তিনি বঙ্গ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে সঙ্গীত পরিবশন করে বেড়ান। তিনি কারও কাছে সঙ্গীত শিক্ষা গ্রহন করেন নি। স্বয়ং শিক্ষিত এই শিল্পী স্বক্রীয়তায় সমুজ্জ্বল। চির বিজয়ী শিল্পী হিসেবে জনমনে শ্রদ্ধাসনে সমাসীন। শিক্ষক বিহীন শিল্পীর এই অপরিসীম সার্থকতা, সফলতা ও জনপ্রিয়তায় তাঁর সম্পর্কে অনেক প্রবাদ প্রবচন, অনেক কথা কথকতা জনমনে ধ্রুব সত্যে প্রতিষ্ঠিত। ঐশ্বরিক প্রতিভায় প্রদীপ্ত এই সঙ্গীতজ্ঞ লোক সঙ্গীতের জগতে মহান মিথ মণ্ডিত ব্যক্তিত্ব।

    সঙ্গীতের মাধ্যমে দেশ জাতি তথা মানব সেবায় ব্রতী এই সঙ্গীতজ্ঞ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাহাযার্থে সঙ্গীত পরিবেশন করেছন। সমাজ সেবা ও সমাজ সংস্করনে তাঁর সঙ্গীত অসামান্য অবদান রেখেছে। আবদুল হালিম মিয়ার রচিত গান “হালিম সঙ্গীত” নামে প্রচলিত। তিনি অসংখ্য (৫-৬ হাজার) গান রচনা করেছেন। এই পর্যন্ত তাঁর ৭ টি সংগীত গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

  • শিল্পকলার আয়োজনে উদ্বোধনী দিনে পরিবেশিত হয় যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’

    শিল্পকলার আয়োজনে উদ্বোধনী দিনে পরিবেশিত হয় যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ০৩ নভেম্বর, ২০২৩: লোক ঐতিহ্যের এক সমৃদ্ধ রুপায়ব যাত্রাপালা। ঐতিহ্য, চিন্তা, মূল্যবোধকে ধারণ করেই যাত্রাপালার বিস্তার। আবহমান বাংলার চিরায়ত লোকসংস্কৃতির অন্যতম শাখা যাত্রাপালা বরাবরই গণমানুষের সংস্কৃতি হিসেবে বিবেচিত। তৃণমূল মানুষের অন্তরে বাস্তবিক উন্নয়নের এক দর্পন স্বরুপ কাজ করে যাত্রাপালা।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুরু হলো ১৯ দিনব্যাপী যাত্রাপালা উৎসবের। গতকাল ০২রা নভেম্বর সন্ধ্যা ৬.০০ টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে উদ্বোধনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে পরিবেশিত হয় যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ও আরও দুইটি পরিবেশনা।

    শিল্পকলায় পরিবেশিত হয় যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ - বিনোদন - ০৩ - নভেম্বর ২০২৩ (থ)_1
    শিল্পকলায় পরিবেশিত হয় যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ – বিনোদন – ০৩ – নভেম্বর ২০২৩ (থ)_1

    দলগুলোর সাথে সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশব্যাপী ১২০ টি যাত্রাদলের পরিবেশনায় ৪২টি জেলায় অনুষ্ঠিত হবে ‘গণজাগরণের যাত্রাপালা উৎসব’ । আগামী ০৬ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ১৫টি যাত্রাদলের অংশগ্রহণে যাত্রাপালা পরিবেশিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে। উদ্বোধনী আয়োজনে আলোচনা পর্ব শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন একাডেমির সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালেদ এমপি।

    তিনি বলেন- ‘গ্রামে নতুন ধান ওঠার পরই এই যাত্রা আয়োজনের ধুম পড়তো। সেই মিউজিক, ডায়লগ, এটিই যাত্রার আদি ধারা। তবে গ্রামে গঞ্জে এখন যাত্রায় কিছুটা অশ্লীলতা চলে আসে, অস্বীকার করার উপায় নেই। এখন টাকা দিয়ে কেউ যাত্রা দেখতে চায় না। তাহলে দলগুলো চলবে কিভাবে?’

    এ উৎসব আয়োজনের জন্য একাডেমির মহাপরিচালককে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন -‘যাত্রার মুল আয়োজনের কারিগর তিনি। তিনি শিল্পের সবচক্ষেত্রেই কাজ করছেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আছে বলেই সংস্কৃতির চর্চা চলছে। ১২০ টি দলকে একত্রিত করে তাদের পালা করার জায়গা করে দেয়া এটা বিশাল বড় বিষয়”।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এই উৎসব আয়োজনের জন্য প্রসংশা করে তিনি বলেন ‘আমরা পরের বছর প্রত্যেক জেলায়  ৪৯২ টি উপজেলায় যাত্রা উৎসবের আয়োজন করবো, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় অবশ্যই পাশে থাকবে।” তিনি আরো বলেন- “এই সরকার ক্ষমতায় না আসলে আবার মৌলবাদীরা আসবে, তারা আবার সংস্কৃতিকে ধ্বংস করবে।” বক্তব্য শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে যাত্রা উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শুরুতেই একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী, ঢাকায় ০৫ দিনের যাত্রাপালা ১ দিন বাড়ানোর ঘোষণা দেন। তিনি বলেন- বঙ্গবন্ধুর কারাবাস নিয়ে ‘নি:সঙ্গ লড়াই’ যাত্রাপালা ৭ নভেম্বর সমাপনী দিনে অনুষ্ঠিত হবে।

    সন্তানদের নিয়ে যাত্রা পালা দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন- ‘আপনারা সন্তানদের নিয়ে আসেন, লোক সংস্কৃতির এই আদি ধারা দেখে তারা বড় হয়ে অন্তত বলতে পারবে যে আমার বাবার সাথে যাত্রাপালা দেখেছি। বাংলাদেশের যাত্রাপালা সারা বিশ্বের মধ্যে এই একটাই ফর্ম। এই ফর্মে আর কোথাও যাত্রাপালা হয় না। সংস্কৃতির এই ধারা রক্ষা করতে অবশ্যয়  সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যম প্রায় ২০০শতাধিক যাত্রা দল নিবন্ধিত হয়েছে। আমরা তাদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। জেলায় জেলায় গ্রামে গ্রামে যাত্রাপালার আয়োজন করতে হবে, জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত হতে হবে, স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন দপ্তরকে যুক্ত হতে হবে তাহলেই এই যাত্রা আগের জৌলুস নিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াবে।”

    আলোচক হিসেবে উপস্থিত অতিথিও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এই উদ্যোগের প্রসংশা করেন। তারা বলেন- “লোকসংস্কৃতির যত মাধ্যম আছে তার মধ্যে অন্যতম যাত্রাপালা। যারা যাত্রাপালা দেখেন তাদেরও বিবেক চর্চা হয়। এক্ষেত্রে শিল্পকলা একাডেমির এই আয়োজন নি:সন্দেহে প্রসংশনীয়”।

    বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি নানাভাবেই যাত্রাশিল্পের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দুটি রেপাটরি যাত্রা নির্মাণ ছাড়াও ইশা খাঁ নামে বাংলাদেশে প্রথম ভিন্ন ধারা প্রত্ন যাত্রা নির্মাণ করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

    আজ ০২ নভেম্বর ২০২৩ বৃহস্পতিবার উৎসবের উদ্বোধনী আয়োজনে শুরুতেই যাত্রাদল লোকনাট্য গোষ্ঠীর পরিবেশনায় যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ পরিবেশিত হয়। এরপর যাত্রাদল জ্যোতি অপেরা পরিবেশন করে যাত্রাপালা ‘জননীর স্বপ্নপূরণ’ এবং যাত্রাদল বাংলার বাণী অপেরা পরিবেশন করে যাত্রাপালা ‘জাগো মানুষ জাগাও দেশ’।

  • শিল্পকলায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে ‘গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’

    শিল্পকলায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে ‘গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’

    www.HelloBangla.News – বিনোদন –  ২ নভেম্বর, ২০২৩: আজ থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শুরু হচ্ছে ‘গণজাগরনের যাত্রাপালা উৎসব’। ১৯ দিনব্যাপী চলা এই যাত্রাপালা উৎসব শেষ হবে ২০ নভেম্বর।

    ‘শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ার অভিলক্ষ্যে ‘অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় শিল্প নিয়ে পৌঁছে যাবো আমরা উন্নতির শিখরে’ এই প্রতিপাদ্যে ‘গণজাগরণের শিল্প আন্দোলন’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দেশব্যাপী শিল্পযজ্ঞ পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। লোক ঐতিহ্যের এক সমৃদ্ধ রুপায়ব যাত্রাপালা। ঐতিহ্য, চিন্তা, মূল্যবোধকে ধারণ করেই যাত্রাপালার বিস্তার। আবহমান বাংলার চিরায়ত লোকসংস্কৃতির অন্যতম শাখা যাত্রাপালা বরাবরই গণমানুষের সংস্কৃতি হিসেবে বিবেচিত। তৃণমূল মানুষের অন্তরে বাস্তবিক উন্নয়নের এক দর্পন স্বরুপ কাজ করে যাত্রাপালা।

    উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সর্বসাধারণকে সম্পৃক্ত ও অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দেশব্যাপী ১২০ টি যাত্রাদলের পরিবেশনায় ৪২টি জেলায় আগামী ০২-২০ নভেম্বর পর্যন্ত ‘গণজাগরণের যাত্রাপালা উৎসব ২০২৩’ আয়োজন করেছে। উৎসবের উদ্বোধনী আয়োজন ০২ নভেম্বর, সন্ধ্যা ৬.০০ টায়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী দিন ০২ নভেম্বরসহ আগামী ০৬ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত ১৫টি যাত্রাদলের অংশগ্রহণে যাত্রাপালা পরিবেশিত হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে। উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালেদ এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন একাডেমির সচিব জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    আজ বৃহস্পতিবার উৎসবের উদ্বোধনী আয়োজনে শুরুতেই যাত্রাদল লোকনাট্য গোষ্ঠীর পরিবেশনায় পরিবেশিত হবে যাত্রাপালা ‘স্মার্ট বাংলাদেশ।’ যাত্রাদল জ্যোতি অপেরা পরিবেশন করবে যাত্রাপালা ‘জননীর স্বপ্নপূরণ’ এবং যাত্রাদল বাংলার বাণী অপেরা পরিবেশন করবে যাত্রাপালা ‘জাগো মানুষ জাগাও দেশ’।

  • আগামীকাল শাহরুখের ৫৮ তম জন্মদিন

    আগামীকাল শাহরুখের ৫৮ তম জন্মদিন

    www.HelloBangla.News –  বিনোদন –  ১ নভেম্বর, ২০২৩: আগামীকাল ২ নভেম্বর বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের ৫৮ তম জন্মদিন। তবে এবার জন্মদিনের উৎসবটি খুব জমজমাট হবে বলে মনে করছেন নায়কের ভক্তরা। কেননা বছরের শুরুতে মুক্তি পায় শাহরুখের ‘পাঠান’! তার পর মাঝামাঝি এসে মুক্তি পায় ‘জওয়ান’। দু’টি ছবিই হিন্দি ছবির ইতিহাসে নজির গড়েছে। ‘পাঠান’ ছবিতে যে নজির গড়েছিলেন, সেটা ‘জওয়ান’-এ নিজেই ভাঙলেন। এ ছাড়াও এই জন্মদিনে শাহরুখকে বিশেষ একটি উপহার দেবেন পরিচালক রাজকুমার হিরানি।

    গত দু’বছর জন্মদিনে তেমন কিছুই করেননি বাদশা। কেননা এই দুই বছর কোন  ছবি হিট হয়নি শাহরুখের। তবে নিয়ম করে মন্নতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে অনুরাগীদের দর্শন দিয়েছেন। কিন্তু ২০২৩ সালটা খান পরিবারের জন্য অন্য বছরের থেকে একেবারে আলাদা হতে চলেছে।

    জাান গেছে নিজের জন্মদিনটা এ বছর ভারতীয় সিনেমার তারকাদের সঙ্গে কাটাতে চান শাহরুখ। সেই মতো প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তাঁর টিম। ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে অতিথি তালিকা। শাহরুখের জন্মদিন ও ২০২৩-এ তাঁর এই আকাশছোঁয়া সাফল্যের উদ্‌যাপন করতে এই আয়োজন। তাঁর জন্মদিনে অতিথি তালিকায় রয়েছেন কাজল, দীপিকা পাড়ুকোন, কর্ণ জোহর, আলিয়া ভাটসহ ‘জওয়ান’-এর পরিচালক অ্যাটলি এবং ‘পাঠান’-এর পরিচালক সিদ্ধার্থ আনন্দ। এ ছাড়াও আসবেন ‘ডাঙ্কি’ ছবির পরিচালক রাজকুমার হিরানি।

    এখানে উল্লেখ্য যে, শাহরুখের ৫৮ তম জন্মদিনেই মুক্তি পাবে ‘ডাঙ্কি’ ছবির টিজ়ার। জন্মদিনের সকালে মন্নতের বাইরে প্রথা মেনে অনুরাগীদের সঙ্গে দেখা করবেন। তার পর রাতে নীতা মুকেশ অম্বানী কালচারাল সেন্টারেই রাখা হবে শাহরুখের জন্মদিনের পার্টি। অবশ্যই বলিউড বাদশার জন্মদিনে হতে যাচ্ছে একটা জমজমাট পার্টি। অনেকে অপেক্ষা করে আছে শাহরুখকে স্বাগত জানানোর জন্য।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • সমাপ্তি হলো ৬ দিনব্যাপী চলা গণজাগরনের নৃত্য উৎসবের

    সমাপ্তি হলো ৬ দিনব্যাপী চলা গণজাগরনের নৃত্য উৎসবের

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৯ অক্টোবর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে দেশ বিদেশের ৭৬ টি নৃত্যদলের অংশগ্রহণে ৬ দিনব্যাপী চলা ‘গণজাগরনের নৃত্য উৎসব’ এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে গত ২৭ অক্টোবর ২০২৩ শুক্রবার সন্ধ্যায় জাকজমকর্পূণ সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে  ১৬ টি নৃত্যদলের মনোমুগ্ধকর শৈল্পিক পরিবেশনা দিয়ে।

    সমাপনী অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বলেছেন- শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বে যে জাতি যেখানে নির্যাতিত হবে তার পাশে দাঁড়াবে বাংলাদেশ’। মহাপরিচালক আরো বলেন– ‘গণজাগরণের এই শিল্প আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। পৃথিবী যখন বিপদে পড়বে তার পাশে আর কেউ না দাঁড়াক বাংলাদেশ দাড়াবে। আমরা গণতন্ত্র চাই। বঙ্গবন্ধু বলেছেন, শোষিতের গণতন্ত্র, সাধারণের গণতন্ত্র, দিনমজুরের গনতন্ত্র, কৃষকের গনতন্ত্র। যে গণতন্ত্র আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্য সংস্কৃতি নষ্ট করবে সেই গণতন্ত্র আমরা চাইনা’।

    (খ) সমাপ্তি হলো ৬ দিনব্যাপী চলা গণজাগরনের নৃত্য উৎসবের - বিনোদন - ২৯ অক্টোবর  ২০২৩_1
    (খ) সমাপ্তি হলো ৬ দিনব্যাপী চলা গণজাগরনের নৃত্য উৎসবের – বিনোদন – ২৯ অক্টোবর ২০২৩_1

    ৬ দিনব্যাপী চলা ‘গণজাগরনের নৃত্য উৎসব’ এ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর নৃত্য পরিচালক ও শিল্পীরা এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। বরাবরের মতই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তারা।

    সমাপনী দিনের আয়োজনে শুরুতেই নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যদল। ‘মিশ্র ছন্দের রাগ মালিকা’ শিরোনামে পরিবেশিত হয় নৃত্যালেখ্য। এর নৃত্য পরিচালনা করেছেন সাজু আহমেদ, মুল ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন লিয়াকত আলী লাকী। এরপর ‘ধন্য সেই পুরুষ’ শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল- ভাবনা, নৃত্য পরিচালনা করেছেন সামিনা হোসেন প্রেমা। ‌‍’‌প্রকৃতি নিজের কথা বলে’শিরোনামে পরিবেশিত হয় নৃত্যালেখ্য। ‘প্রচন্ড গর্জন’ খন্ডনৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল কাথ্যাকিয়া- দ্য সেন্টার অফ আর্টস, নৃত্য পরিচালনা করেছেন এস এম হাসান ইশতিয়াক। ‘সোহাগপুরের স্মৃতিকথা’ শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল – দীক্ষা। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আক্রান্ত হয় গারো পাহাড়ের কোল ঘেষা নিভৃত গ্রাম সোহাগপুর। মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অবলম্বনে সোহাগপুর গ্রামের উপর রচিত নৃত্যনাট্য পরিচালনা করেছেন সুইটি দাস চৌধুরী, গ্রন্থনা ও রচনায় মামুন উর রশিদ এবং সংগীত রচনা রোকন ইমন।

    এরপর পরিবেশন করে পল্লবী ডান্স থিয়েটার, নৃত্য পরিচালনা করেছেন মিনু হক। এরপর পরিবেশিত হয় নৃত্যালেখ্য ‘নারীর মুক্তিযুদ্ধ’ পরিবেশন করে কত্থক নৃত্য সম্প্রদায়। পরিবেশনাটির নৃত্য পরিচালনা করেছেন সাজু আহমেদ। ‘অন্তর্দেশ’ নৃত্যালেখ্য পরিবেশন করে কায়া আশ্রম নৃত্যদল, নৃত্য পরিচালনা করেছেন অমিত চৌধুরী। এরপর নৃত্যদল- ধৃতি নর্তনালয় পরিবেশন করে নৃত্যালেখ্য ‘জয়ের আলোকবর্তিকা’ নৃত্য পরিচালনা করেছেন – ওয়ার্দা রিহাব। ‘প্রকৃতির বন্দনা’ শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল- ত্রিশূল, নৃত্য পরিচালনা করেছেন তৃণা মজুমদার। এরপর পরিবেশিত হয় ‘ছিয়ানব্বই-৯৬’ নৃত্যালেখ্য পরিবেশন করে নৃত্যদল – ‘তুরঙ্গমী রেপার্টরি ডান্স থিয়েটার’ নৃত্য পরিচালনায় পূজা সেন গুপ্ত। ‘আমি বনফুল গো’ শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল- আভিনায়া, নৃত্য পরিচালনা করেছেন হেনা হোসেন। গল্প-পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে ‘কথাকলি আট্টআকথা, উত্তরা স্বয়মবরম’ শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল ‘স্বপ্নচূড়া কালচারাল একাডেমি’ । নৃত্য পরিচালনা করেছেন – আফরিনা আফরোজ চৌধুরী। এরপর নৃত্যালেখ্য পরিবেশন করে নৃত্যদল – জাগো আর্ট সেন্টার, নৃত্য পরিচালনা করেছেন বেলায়েত হোসেন খান। ‘সূর্যদয়ের পথে’ শিরোনামে নৃত্যপরিবেশন করে নৃত্যদল- স্পন্দন, নৃত্য পরিচালনা করেছেন অনিক বোস। ‘নারী শক্তি’ শিরোনামে নৃত্য পরিবেশন করে পুষ্পাঞ্জলী নৃত্যকলা কেন্দ্র। তাদের নৃত্য পরিচালনা করেছেন কস্তুরী মুখার্জী।

    সবশেষে পরিবেশিত হয় ‘রুদ্রাণী’ পরিবেশন করে কল্যাণী নৃত্যাঙ্গন, নৃত্য পরিচালনা করেছেন দীপা সরকার।

    শিল্পের মাধ্যমে, শিল্পচর্চার মাধ্যমে সংস্কৃতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে গনজাগরণের মধ্য দিয়ে নৃত্যদলগুলোকে পৃষ্টপোষকতা প্রদানের লক্ষ্যেই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি চলমান সংস্কৃতি চর্চার অংশ হিসেবে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছে।

  • শিল্পকলার আয়োজনে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা

    শিল্পকলার আয়োজনে আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৬ অক্টোবর, ২০২৩: আলোকচিত্র হচ্ছে এমন এক মাধ্যম যা বস্তু, দৃশ্য বা ঘটনাকে বাস্তবসন্মতভাবে মানুষের সামনে উপস্থাপনের সুযোগ করে দেয়। তাই আলোকচিত্রের ভাষা খুব স্পষ্ট। সেই কারণে আলোকচিত্র হচ্ছে শিল্পকলার একটি বড় শাখা। আলোকচিত্রে আগ্রহীদের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করেছে “জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ২০২৩”।

    কোনো মাধ্যমে ধারণ করার মতো ছবি সর্বপ্রথম তৈরি হয় ১৮১৪ সালে। অ্যারিস্টটলের সময়ে (৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) গ্রিসে কোনো ছোট জিনিসকে বড় করে দেখার কাজে ও সূর্যের আলো কোনো বিন্দুতে ফোকাস করে আগুন ধরানোর জন্য লেন্স ব্যবহার হতো। অ্যারিস্টটল নিজেও সূর্যগ্রহণের সময় অর্ধচন্দ্রাকৃতি প্রতিবিম্ব তৈরি করতে সমর্থ হয়েছেন, যা আসলে পিনহোল ক্যামেরার মূলসূত্র। প্রায় একইসময় চীনে মো-তি নামে একজন গবেষক আলোর একই বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করেন।

    খ্রিস্টিয় দ্বিতীয় সহস্রাব্দের শুরুতে ইরাকি গবেষক ইবনে আল-হাইতাম (৯৬৫-১০৩৯ খ্রি.) কায়রোতে গৃহবন্দী থাকা অবস্থায় কিতাব আল মানাজির নামের ৭ খন্ডের একটি বই লেখেন, যেখানে তিনি আলোর ধর্ম সম্পর্কে ধারণা দেন ও আলোক রশ্মির জ্যামিতিক আচরণ ব্যাখ্যা করেন। তার এই লেখাই অপটিক লেন্স-এর বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করে। পাশাপাশি তিনি প্রথমবারের মতো ক্যামেরা অবসকিউরা যন্ত্রটি তৈরি করেন, যা পিনহোল ক্যামেরার পূর্বরূপ। ল্যাটিন ভাষায় ক্যামেরা অবসকিউরা শব্দটির অর্থ অন্ধকার প্রকোষ্ঠ। ১৬০৪ সালে জার্মান জ্যোতির্বিদ জোহানেস কেপলার প্রথম এই নামটি ব্যবহার করেন।

    ইউরোপে আলোকচিত্র স্ফুরণের প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ভারতীয় উপমহাদেশে, তৎকালীন বৃটিশ ইন্ডিয়ায় ফটোগ্রাফির চর্চা শুরু হয়। ১৯ শতকের বিভিন্ন সময়ে তোলা প্রাচীন ছবিগুলোর অধিকাংশই ছিল পারিবারিক পোরট্রেইট, ল্যান্ডস্কেপ, বিভিন্ন সংস্কৃতির রেকর্ড ও স্থাপত্যবিষয়ক। ১৮৬৩ সালে কোলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় ‘বোর্ন অ্যান্ড শেফার্ড’ স্টুডিও। বৃটিশ ভারতের বিভিন্ন শহরে এবং বৃটিশ ভারতের বাইরে লন্ডন ও প্যারিসেও ‘বোর্ন অ্যান্ড শেফার্ড’-এর শাখা ছিল। বৃটিশ ইন্ডিয়ার প্রথমদিকে তোলা প্রামাণ্য আলোকচিত্রগুলোর অন্যতম হল  জন ফ্যালকনারের এ শিফটিং ফোকাস। বৃটিশ লাইব্রেরি থেকে প্রকাশিত এ সংকলনে ১৮৫০ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত বৃটিশ ভারতে তোলা অধিকাংশ আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। বলা যায় তখন তখন থেকেই আধুনিক আলোকচিত্র শিল্পের যাত্রা। বর্তমানে আধুনিক ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলার পাশাপাশি মোবাইলের মাধ্যমেও ছবি তোলা সম্ভব।

    শিল্পকলার এই শাখাটি সর্বজনীন করতে শুরু হতে যাচ্ছে “জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ২০২৩”। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে চারুকলা বিভাগের ব্যবস্থাপনায় শুরু হতে যাচ্ছে জাতীয় আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা।  প্রতিযোগিতায় আলোকচিত্র পাঠানোর সময় বাড়ানো হয়েছে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। বিষয়: “উন্নয়নের বাংলাদেশ, নান্দনিক বাংলাদেশ” ক্যামেরা ও মুঠোফোনে তোলা ছবি পাঠাতে পারেন।

    প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ সংক্রান্ত তথ্যাদি ও নিয়মাবলী একাডেমির চারুকলা বিভাগ থেকে এবং (www.shilpakala.gov.bd)থেকে সংগ্রহ করা যাবে। অথবা ফোন নাম্বার- ২২২৩৩৮০৬০২ অবথা মোবাইল-০১৯১৪৮৫৪৮১২ এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন।