Category: অর্থনীতি

  • গত বছরের হিসেবে আওয়ামী লীগের আয় বেড়েছে

    গত বছরের হিসেবে আওয়ামী লীগের আয় বেড়েছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৭ জুন, ২০২৪: গত পঞ্জিকা বছরে (২০২৩) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ১৬ কোটি ৪৩ লাখ ৯ হাজার ২৩২ টাকা বেশি। একই বছর দলটি ব্যয়ও বেড়েছে, আগের চেয়ে যা দুই কোটি ৫১ হাজার ৪২১ টাকা বেশি।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) দলটি এমন হিসাব জমা দিয়েছে।

    ইসি সচিব শফিউল আজিমের কাছে আয় ব্যয়ের হিসেব জমা দেওয়ার পর দলটির কোষাধ্যক্ষ এইচ এম আশিকুর রহমান সাংবাদিকের বলেন, “বিধি মোতাবেক প্রতিবছর হিসাব বিবরণী দাখিল করতে হয়। এ বিবরণী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে হয়। আমরা আগেই দিলাম।”

    তিনি বলেন, “২০২৩ সালে জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের ব্যাংকে ৭৩ কোটি ২৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা জমা ছিল। এ বছর আয় হয়েছে ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। মাসিক চাঁদা, সদস্যরা চাঁদা দেন। যার পরিমাণ এক কোটি ৬৩ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। অনুদান প্রাপ্তি (মেঘনা ব্যাংক পিএলসি) এক কোটি এক লাখ টাকা। নমিনেশন ফরম বিক্রয় (৩৩৬৫ জন) ১৬ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ফরম বিক্রয় (অন্যান্য) দুই কোটি ২৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। ভাড়া (২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ) ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। ব্যাংক সুদ চার কোটি ৮৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা। অন্যান্য (উত্তরণ, বিদ্যুৎ বিল) ৩৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা। এতে মোট ২৭ কোটি ১৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা আয় করেছে। আর নয় কোটি ৮৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা দলটির ব্যয় হয়েছে।”

    আশিকুর রহমান বলেন, “অফিস স্টাফদের বেতন, রাজনৈতিক কর্মসূচি, পোস্টার ছাপানো, মানুষকে অনুদান, সাহায্য সহযোগিতা প্রভৃতি খাতে ব্যয় হয়ে থাকে।”

    তিনি আরও বলেন, “বছরের শুরুতে যে জমা টাকা ছিল, তার সঙ্গে ২০২৩ পঞ্জিকা বছরের উদ্বৃত্ত ১৭ কোটি ২৭ লাখ ৯ হাজার টাকা যোগ করলে মোট তহবিল দাঁড়ায় ৯০ কোটি ৫০ লাখ ৩১ হাজার টাকা। আবার গত ছয় মাসে আয় বেড়েছে। এখন আমরা ১০০ কোটি ক্রস করে গেছি।”

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, পূর্ববর্তী পঞ্জিকা বছরে দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ইসিতে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। কোনো দল পরপর তিন বছর হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিল করতে পারে ইসি। বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪৪টি।

  • গত ১০ বছরে পাট রপ্তানি বাবদ ১০৪৫৪.১৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে: পাটমন্ত্রী

    গত ১০ বছরে পাট রপ্তানি বাবদ ১০৪৫৪.১৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে: পাটমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৭ জুন, ২০২৪: গত ১০ বছরে পাট রপ্তানি বাবদ ১০৪৫৪.১৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে, বলে সংসদে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।তিনি বলেন, “২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ১৯.০৭ লাখ মেট্রিক টন কাঁচাপাট রপ্তানি হয়েছে। রপ্তানি হওয়া দেশগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ব্রাজিল, যুক্তরাজ্য, জিবুতি, ভিয়েতনাম, অস্ট্রিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, জার্মানি, মেক্সিকো, ফ্রান্স, মালয়েশিয়া, জাপান, কোরিয়া, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, বেলজিয়াম, তিউনিশিয়া, কেনিয়া, উগান্ডা, সিংগাপুর উল্লেখযোগ্য। এ সময়ে পাট রপ্তানি বাবদ ১০৪৫৪.১৬ কোটি টাকা আয় হয়েছে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সদস্য মোরশেদ আলমের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

    স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। এ দিনের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

    আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আলী আজমের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে পাটজাত পণ্য হেসিয়ান, সেকিং, সিবিসি এবং ইয়ার্ন টুয়াইন রপ্তানি করা হচ্ছে। এ ছাড়া ২৮২ ধরনের বহুমুখী পাটজাত পণ্য রপ্তানি করা হচ্ছে। পাটের ব্যাগ ব্যবহারের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৫৩ নং আইন) প্রণীত হয়েছে। এই আইনের অধীনে ধান, চাল, গম, ভুট্টা, সার, চিনি, মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ, আদা, রসুন, ডাল, ধনিয়া, আলু, আটা, ময়দা, তুষ-খুদ-কুড়া, পোল্ট্রি ও ফিসফিড মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাটজাত পণ্য ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাট অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে।”

    এছাড়া স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে নিয়মিত উদ্বুদ্ধকরণ/মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে। দেশে ও বিদেশে বহুমুখী পাট ও পাটজাতপণ্যের মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। পাট অধিদপ্তর, করিম চেম্বার, ২য় তলায় পাট ও পাটজাত পণ্যের স্থায়ী বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। রংপুরে ২৩-২৫, মে/২০২৪, নরসিংদীতে ০১-০৩, জুন/২০২৪ এবং ফরিদপুরে ৮-১০ জুন/২০২৪ তারিখে বহুমুখী পাটজাতপণ্যের মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পাট ও পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার/ অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে এবং অধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন পাটমন্ত্রী।

  • মিয়ানমার থেকেও আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আনতে পারবো: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    মিয়ানমার থেকেও আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আনতে পারবো: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৬ জুন, ২০২৪: মিয়ানমার থেকেও আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আনতে পারবো, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন, “মিয়ানমার থেকেও আমরা পেঁয়াজ, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসগুলো আনতে পারবো। লক্ষ্য একটাই, সেটা হলো আমাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে কিছুটা হলেও যেন সাধারণ মানুষকে একটু স্বস্তি দিতে পারি। কিছুটা হলেও যেন বাজার সচল রাখতে পারি। সেজন্যই আমরা এই কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”

    আজ বুধবার (২৬ জুন) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। সচিবালয় কাভার করা সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নিত্যপণ্য জিনিসগুলো আনতে, সেটার সরবরাহ যেন নিরবচ্ছিন্ন থাকে সেজন্য ভারতের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে যাচ্ছি। আপনারা শুনলে হয়তো আশ্চর্য হবেন, মিয়ানমার, যাদের সঙ্গে রোহিঙ্গা নিয়ে আমাদের এতই… মিয়ানমারের সঙ্গে নৌ-পরিবহন যোগাযোগ এবং নিত্যপণ্য আনতে… সীমান্তবর্তী একটি দেশ ভারত, আরেকটি মিয়ানমার। মিয়ানমার থেকেও যেন আমরা কৃষি উৎপাদিত পণ্যগুলো আনতে পারি, যেগুলো তাদের উদ্বৃত্ত আছে। অনেক বড় দেশ তাদের, অনেক উদ্বৃত্ত পণ্য আছে। এ বিষয়ে একটি চুক্তি আমরা প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছি। আগামী জুলাই মাসে সেই চুক্তিটা সই করতে চেষ্টা করবো আমরা।”

    আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, “আগে ট্রানজেকশনগুলো শুধু পোর্টে হত, এখন অনেকগুলো ল্যান্ডপোর্ট ওপেন হয়েছে। ল্যান্ডপোর্টের সঙ্গে আমরা বর্ডার হাটগুলোকে গুরুত্ব দিয়েছি। অনেক দুর্গম এলাকায় আমাদের বর্ডার আছে। সেখানে জনবিচ্ছিন্ন মানুষ আছে, তাদের সুবিধা বাড়ানোর জন্য আমরা কয়েকটা বর্ডার হাট করেছি। কোভিডের জন্য কিছুটা স্থগিত ছিল, আবার আমরা বর্ডার হাটের দিকে নজর দেব। দুই সরকারেরই বর্ডার হাটের ব্যাপারে আগ্রহ আছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা দ্রুত দুর্গম বর্ডার এলাকায় বর্ডার হাট প্রতিষ্ঠা করব। এতে আমাদের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য অনেক সহজ হবে।”

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “অনেকে হয়তো জানেন না, আগে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি, ২৩টি দেশে আমাদের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আছেন। যারা সরাসরি আমাদের অধীনস্থ, যাদের আমরা সরাসরি মনিটরিং করি। তাদের আমরা একটা জবাবদিহিতায় এনেছি। তারা প্রতি মাসে অতিরিক্ত সচিবকে রিপোর্ট করেন। সেখানেও আমাদের কর্মকাণ্ড জোরদার করছি। যেন নতুন নতুন মার্কেট এক্সেস, নতুন নতুন পণ্য আমরা বাজারজাতকরণ করতে পারি।”

    বাজারে আলুর দাম ৭০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ ৯০ থেকে ৯৫ টাকা কেজি – এই দাম  স্বাভাবিক মনে করেন কিনা প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাজারে আলু ও পেঁয়াজ পর্যাপ্ত আছে, এটাকে স্বাভাবিক বলে মনে করি।”

    তিনি বলেন, “যেকোনো দ্রব্যের মূল্য নির্ভর করে বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ওপর। আমরা যদি সরবরাহ করতে পারি তাহলে দাম কমে যাবে। যতক্ষণ পর্যন্ত বাজারে আলু ও পেঁয়াজ কম দামে সরবরাহ না থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে মূল্য আছে সেটা আমাকে দেখতে হবে। আমি চাইলেই কাউকে এমন কোনো আইন করে বলতে পারবো না যে, পেঁয়াজের দাম এতো। অত্যন্ত আমি পারবো না। সেটা কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বলতে পারবে।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “কৃষি উৎপাদিত পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়ার মেকানিজম আমার জানা নাই। আমার যেটা জানা আছে, যদি দাম বেড়ে যায়, তাহলে আমদানি করে কম দামে বাজারে সরবরাহ করলে দাম কমে যাবে।”

    বিএসআরএফ সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাবের সভাপতিত্বে সংলাপ সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

  • দুই বছরে পদ্মা সেতু থেকে আয় ১৬৪৮ কোটি টাকা: সেতুমন্ত্রী

    দুই বছরে পদ্মা সেতু থেকে আয় ১৬৪৮ কোটি টাকা: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৫ জুন, ২০২৪: দুই বছরে পদ্মা সেতু থেকে আয় ১৬৪৮ কোটি টাকা, বলে জানিয়েছেন আওয়মী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “গত দুই বছরে এই সেতু থেকে এক হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা টোল আদায় করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে এক কোটি ২৭ লাখ গাড়ি চলাচল করেছে।”

    আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাজধানীর বনানীতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ১১৪তম বোর্ড সভা শেষে এই তথ্য জানান তিনি।

    পদ্মা সেতুর আজ দুই বছর পূর্তি। ২০২২ সালের ২৫ জুন এই সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর জন্য সুফল ভোগ করছে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ- পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রায় তিন কোটি মানুষ। যান চলাচল শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ২৭ লাখ যানবাহন পারাপার হয়েছে। মোট টোল আদায় হয়েছে প্রায় এক হাজার ৬৪৮ কোটি টাকারও বেশি। অর্থ বিভাগের সঙ্গে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঋণ চুক্তি অনুযায়ী ছয় কিস্তিতে অর্থ বিভাগকে ৯৪৮ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।”

    আগামী ২৭ জুন সপ্তম ও অষ্টম কিস্তি বাবদ ৩১৪ কোটি টাকার চেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে অর্থ বিভাগকে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।

    তিনি বলেন, “ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নিয়ে জানানো হয়, এটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক দেশের বৃহত্তম প্রকল্প। প্রকল্পটি হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের দক্ষিণে কাওলা হতে শুরু হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত যাবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় আট হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। প্রকল্পের মূল দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। র‌্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬ দশমিক ৭৩ কি. মি.।”

    গত বছর ৩ সেপ্টেম্বর প্রকল্পের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত যান চলাচলে জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ইতোমধ্যে ওঠা-নামার জন্য মোট ১৬টি র‌্যাম্প (এয়ারপোর্ট দুটি, কুড়িলে তিনটি, বনানীতে চারটি, মহাখালীতে তিনটি, বিজয় সরণিতে দুটি, ফার্মগেটে একটি ও এফডিসি গেট সংলগ্ন একটি) যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ির সর্বোচ্চ গতিসীমা আপাতত প্রতি ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৭৪ দশমিক ৮১ ভাগ।

    এছাড়া ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কর্পোরেশন (সিএমসি)। প্রকল্পটি হযরত শাহজালাল বিমান বন্দর হতে শুরু হয়ে ঢাকা-ইপিজেড পর্যন্ত যাবে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১৭ হাজার ৫শত ৫৩ কোটি টাকা। ২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়েটির অ্যালাইনমেন্টের মধ্যে ২১ কিলোমিটারে নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি শতকরা ৪৪ ভাগ।

    এ সময় পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

  • বিদেশিরা তাদের আয় থেকে ১৩০.৫৮ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছেন: অর্থমন্ত্রী

    বিদেশিরা তাদের আয় থেকে ১৩০.৫৮ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছেন: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৪ জুন, ২০২৪: ২০২৩ সালের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকরা তাদের আয় থেকে ১৩০.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ নিজ দেশে নিয়ে গেছেন। তবে বিদেশিদের বছরে আয়ের তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত নেই।

    আজ সোমবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

    স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আব্দুল কাদের আজাদের (একে আজাদ) লিখিত প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী।

    অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, “বাংলাদেশে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বছরে আয় সংশ্লিষ্ট তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত নেই। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে বিদেশি নাগরিকরা তাদের আয় থেকে ১৩০.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নিজ নিজ দেশে নিয়ে গেছেন।”

    তিনি জানান, ভারতীয় নাগরিকরা ৫০ দশমিক ৬০ মিলিয়ন, চীন ১৪ দশমিক ৫৬, শ্রীলঙ্কা ১২ দশমিক ৭১, জাপান ৬ দশমিক ৮৯, কোরিয়া ৬ দশমিক ২১, থাইল্যান্ড ৫ দশমিক ৩০, যুক্তরাজ্য ৩ দশমিক ৫৯, পাকিস্তান ৩ দশমিক ২৪, যুক্তরাষ্ট্র ৩ দশমিক ১৭ ও মালয়েশিয়ার নাগরিকরা ২ দশমিক ৪০ মিলিয়ন ডলার নিয়ে গেছে। অন্যান্য দেশের নাগরিকরা ২১ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার নিজ দেশে নিয়ে গেছে।

    সংসদে অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী আরও বলেন, “চলতি বছর ৩১ মার্চ পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পাওনার পরিমাণ ৫১ হাজার ৩৯১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা (প্রায়)।

    অর্থমন্ত্রী রাষ্ট্রায়ত্ত ৫৬টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা দিয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওনা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেনের (বিএডিসি) কাছে, পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।

    এছাড়া বড় অংকের টাকার মধ্যে চিনিকলগুলোর কাছে পাওনা প্রায় সাত হাজার ৮১৩ কোটি টাকা। সার, রাসায়নিক ও ওষুধ শিল্পের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাওনা সাত হাজার ২৫০ কোটি টাকা।

    ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কাছে পাওনা পাঁচ হাজার ১৮ কোটি টাকা। বাংলাদেশ বিমানের কাছে পাওনা চার হাজার ৪৪১ কোটি টাকা।

  • ঈদের ১৩ দিনে পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৪২ কোটি টাকা

    ঈদের ১৩ দিনে পদ্মা সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৪২ কোটি টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৩ জুন, ২০২৪: ঈদুল আজহার আগে ও পরে, গত ১০ জুন থেকে ২২ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত; ১৩ দিনে পদ্মা সেতুতে মোট টোল আদায় হয়েছে ৪২ কোটি ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫০ টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ ।

    এর মধ্যে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত দিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২১ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা। আর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২০ কোটি ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫০ টাকা।

    পদ্মা সেতু কতৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১০ জুন থেকে ২২ জুন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর উভয় প্রান্ত দিয়ে এই টোল আদায় হয়েছে। ১৩ দিনে দুই প্রান্ত দিয়ে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ১১০টি যানবাহন পদ্মা সেতু পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে মাওয়া প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৮২৫টি যানবাহন আর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ১ লাখ ৮০ হাজার ২৪০টি যানবাহন পদ্মা সেতু পার হয়েছে।

    জোনা গেছে, ঈদযাত্রায় সবচেয়ে বেশি টোল আদায় হয়েছে ১৪ জুন। ওই দিন ৪ কোটি ৮২ লাখ ১৮ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়। এছাড়া গত ২২জুন ৩ কোটি ৭৮ লাখ, ৯২হাজার ২৫০ টাকা, ২১ জুন টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৫৭ লাখ, ৬২ হাজার ৫০ টাকা, ২০ জুন টোল আদায় হয় ২ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার ১৫০ টাকা। এর আগে ১৫ জুন টোল আদায় হয়েছে ৪ কোটি ৩০ লাখ ৮২ হাজার ৯০০ টাকা, ১৬ জুন ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৭১ হাজার ১৫০ টাকা, ১৭ জুন ঈদের দিন ১ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৫৫০ টাকা, ১৮ জুন ২ কোটি ৭১ লাখ ২২ হাজার টাকা এবং ১৯ জুন ২ কোটি ৭০ লাখ ৬৩ হাজার ৫৫০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এর আগে ১০ জুন টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৬০ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা, ১১ জুন ২ কোটি ৮২ লাখ ৫১ হাজার ৫০০ টাকা, ১২ জুন ৩ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার ৪৫০ টাকা এবং ১৩ জুন টোল আদায় হয় ৩ কোটি ৬৮ লাখ ২১ হাজার ৭০০ টাকা।

    এর মধ্যে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত দিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২১ কোটি ২০ লাখ ৯৫ হাজার ৬০০ টাকা। আর জাজিরা প্রান্ত দিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ২০ কোটি ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭৫০ টাকা।

    ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা বহুমুখী সেতু উদ্বোধনের পর থেকে দক্ষিণ এবং পশ্চিমাঞ্চলের ২৩ জেলার সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। উদ্বোধনের পরের দিন ২৬ জুন থেকে যানবাহন পারাপারের জন্য সেতু খুলে দেওয়া হয়।

  • বাংলাদেশকে দুই প্রকল্পে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক

    বাংলাদেশকে দুই প্রকল্পে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২২ জুন, ২০২৪: বাংলাদেশকে দুই প্রকল্পে ৯০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক, যা বাংলাদেশি টাকায় ১০ হাজার ৫৫২ কোটি ৫০ লাখ (প্রতি ডলার ১১৭.২৫ টাকা ধরে)।এই দুই প্রকল্প হচ্ছে জলবায়ু সহিষ্ণু ও টেকসই প্রবৃদ্ধি, শহরাঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আর্থিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক খাতে নীতিমালা জোরালো করা।

    বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের বোর্ড গতকাল শুক্রবার এ ঋণের অনুমোদন দেয়। শনিবার (২২ জুন) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

    বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদৌলায়ে সেক বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে। একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

    একটি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংস্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

    বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট এবং এ প্রোগ্রামের টাস্ক টিম লিডার বার্নার্ড হ্যাভেন বার্তায় বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়াদের জন্য অর্থের অ্যাক্সেস উন্নত করতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো কার্যকরী আর্থিক খাত গুরুত্বপূর্ণ।

    সরকার বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আর্থিক খাত শক্তিশালী করার জন্য একটি নতুন আইনি কাঠামো গ্রহণ করেছে, যা ব্যাংক পুনরুদ্ধার কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। কম মূলধনী ব্যাংকগুলো সমস্যা মোকাবিলার জন্য একটি দ্রুত সংশোধনমূলক কর্মকাঠামো বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে। এটি অর্থনৈতিক মন্দা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের রক্ষা করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিও শক্তিশালী করবে বলে জানান তিনি।

  • ঈদের সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি  ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার

    ঈদের সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২১ জুন, ২০২৪: ঈদুল আজহার ছুটির এক সপ্তাহের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি  ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। সর্বশেষ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৯৫২ কোটি ৭৯ লাখ ৯০ হাজার (১৯.৫২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার (বিপিএম৬)।  একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ বিভিন্ন মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৪৭৮ কোটি ৩২ লাখ ৩০ হাজার (২৪.৭৮ বিলিয়ন) মার্কিন  ডলার।

    গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এই হিসাব প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    এক সপ্তাহ আগে ১৩ জুন আইএমএফ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল এক হাজার ৯২০ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার (১৯.২০ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার (বিপিএম৬)। একই সময়ে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪৫২ কোটি ১৬ লাখ (২৪.৫২ বিলিয়ন)  মার্কিন ডলার।

    এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের দায় মেটানোর পর মে মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশ ব্যাংকে মোট রিজার্ভ কমে দুই হাজার ৩৭৭ কোটি ডলারে নেমে আসে। আইএমএফ হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ নামে এক হাজার ৮৩২ কোটি ডলারে। কিন্তু ওই সময় প্রকৃত বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে।

    আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য আইএমএফ দেওয়া নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দুই হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। আইএমএফের প্রতিনিধি দল সর্বশেষ বাংলাদেশ সফরের পর এ লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে এক হাজার ৪৭৫ কোটি ডলারে পূণর্নির্ধারণ করে।

    বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কমপক্ষে তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারণ করতে হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি মাসে দেশের আমদানি দায় মেটাতে প্রয়োজন প্রায় ৫০০ কোটি ডলার। এ হিসাবে ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব করলে বাংলাদেশের রিজার্ভ এরই মধ্যে বিপজ্জনক সীমার মধ্যে পড়ে গেছে।

  • বাজেট না বুঝে মন্তব্য করবেন না: অর্থমন্ত্রী

    বাজেট না বুঝে মন্তব্য করবেন না: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ জুন, ২০২৪: বাজেট না বুঝে মন্তব্য করবেন না, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “বাজেট দিলাম, এটা দেখেন। না বুঝে মন্তব্য করবেন না। এ ঈদে যেভাবে পশু কোরবানি হয়েছে এটা একটা ভালো ইন্ডিকেটর, সব পশু আমাদের দেশের।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতি: প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও পুষ্টি শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “বাজেট সবেমাত্র দিয়েছি। বিশ্বব্যাংক বলেছে, বাংলাদেশ ভালো আছে। বিশ্বব্যাংক যা বলছে, আমাদের শুনতে হবে, কারণ তারা আমাদের টাকা দেয়। আমাদের টাকা লাগবে। আপনি কি টাকা দেন? আপনি টাকা দেন, আপনার কথা শুনবো।”

    তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা সরকার জনবান্ধব।”

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এ বাজেট জনবান্ধব। কোনো কিছু থাকলে পুনর্বিবেচনা করার সম্ভাবনা আছে। বাজেট এখনো পাস হয়নি, এটা প্রস্তাবিত বাজেট।”

    সংসদ সদস্য সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন শি, সাবেক পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

  • ঈদের ছুটিতে পদ্মা সেতুতে প্রায় ১৭ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায়

    ঈদের ছুটিতে পদ্মা সেতুতে প্রায় ১৭ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায়

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ জুন, ২০২৪: এবার ঈদের ৫ দিনের ছুটিতে পরিবার পরিজনের সঙ্গে অধিকাংশ মানুষই ছুটেছে নাড়ির টানে, বাড়ির পানে। তাই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঈদযাত্রায় মুখরিত ছিল পদ্মা সেতু। স্বাভাবিক কারণে টোল প্লাজায় দেখা গেছে যানবাহনের সারি। এই পাঁচ দিনের ঈদের ছুটিতে পদ্মা সেতু থেকে প্রায় ১৭ কোটি ৩ লাখ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

    এবার ছুটির ৫ দিন (১৪ জুন থেকে ১৮ জুন) পর্যন্ত সেতু পাড়ি দিয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ২৫৩টি যানবাহন। যা থেকে নগদ টোল আদায় হয়েছে ১৭ কোটি ২ লাখ ৯৪ হাজার ১৫০ টাকা। ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন সিস্টেম (ইটিসিএস) ও ক্রেডিটসহ টোলের পরিমাণ ১৭ কোটি ৭ লাখ ৬১ হাজার ৮শ টাকা। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন পদ্মা সেতু সাইট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আমিরুল হায়দার চৌধুরী।

    সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, ছুটির ৫ দিনে সেতুর মাওয়া প্রান্ত হয়ে পাড়ি দেয় ১ লাখ ৬৬১টি যানবাহন, জাজিরা প্রান্ত হয়ে পাড়ি দেয় ৫৯ হাজার ৫৯২টি যানবাহন। এতে মাওয়া প্রান্ত হয়ে নগদ টোল আদায় হয় মোট ৯ কোটি ৫৪ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫০টাকা। আর জাজিরা টোলপ্লাজায় নগদ টোল আদায় হয় ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা।

    এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় হয় ১৪ জুন (শুক্রবার)। এদিন ৪৪ হাজার ৩৩টি থেকে নগদ ৪ কোটি ৮ লাখ ৩০ হাজার ১০ টাকা টোল আয় হয়। যা একদিনে টোল আদায়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    এদিকে ৫ দিনে সবচেয়ে কম যানবাহন পাড়ি দিয়েছে ১৭ জুন। এদিন সেতু পারি দেয় ১৭ হাজার ৪৪১টি যানবাহন। ক্রেডিট ইটিসিএস ২৪ হাজার ৫০০ টাকাসহ টোল আদায় হয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪১ হাজার ৫০ টাকা।