Category: অর্থনীতি

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে পণ্য রপ্তানির থেকে কর্মসংস্থানের গুরুত্ব বেশি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে পণ্য রপ্তানির থেকে কর্মসংস্থানের গুরুত্ব বেশি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ জুন, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রীর কাছে পণ্য রপ্তানির থেকে কর্মসংস্থানের গুরুত্ব বেশি, বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পণ্য রপ্তানির থেকে বেশি কর্মসংস্থানের দিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। আমরা কত টাকার পণ্য আমদানি করলাম, কত টাকার পণ্য রপ্তানি করলাম, সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা আমরা কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারলাম। আমরা যত বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবো, তত আমাদের মূল্য সংযোজন হবে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) ‘বাংলাদেশের বাণিজ্য নীতি: বিবর্তন, বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশনা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    টিসিবি ভবনে অবস্থিত বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইন্সটিটিউটের (বিএফটিআই) কনফারেন্স রুমে এই সেমিনারের আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি)।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা একাধিক দেশের সঙ্গে ইকোনমিক পার্টনারশিপ নিয়ে কাজ করছি, রিজিওনাল কানেকটিভিটি নিয়ে কাজ করছি। এই মুহূর্তে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রায় ২৬টি দেশের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট নিয়ে কাজ করছে। আমরা সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রচার করছি। কিন্তু সেইভাবে আশানুরূপ সাড়া পাচ্ছি না। তাই আমাদের এফটিএ-এর মাধ্যমে চেষ্টা করতে হবে। আমরা এই বছর লজেস্টিক পলিসি লঞ্চ করেছি। এটাকে কীভাবে আমরা গ্লোবাল ভ্যালু চেইনের সঙ্গে যোগ করতে পারি সেটি নিয়ে কাজ করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সরকারে দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন, যেভাবে তৈরি পোশাক খাত সুবিধা পাচ্ছে, একইভাবে চামড়া ও পাট শিল্পও যেন সুবিধা পায়। আমরা আমাদের জনশক্তিকে যদি কাজে লাগাতে পারি এবং চামড়া ও পাট শিল্পকে যদি আমরা উন্নত করতে পারি, তাহলে আমরা আরো এগিয়ে যেতে পারবো।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এক সময় আমাদের চা এবং পাট ছাড়া কোনো রপ্তানিযোগ্য পণ্য ছিল না। সে জায়গা থেকে আমরা উত্তরণ করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে এখন আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলছি। সেই স্মার্ট বাংলাদেশের বাণিজ্যের জন্য ইলেক্ট্রনিকস পণ্য একটি বড় খাত হতে পারে। এটি শুধু অভ্যন্তরীণ চাহিদা নয়, বিদেশে রপ্তানিরও একটি বড় সম্ভাবনাময় খাত।”

    বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সিনিয়র সচিব) ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন, ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মাহবুব আলম।

    অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার। এর ওপর আলোচনা করেন বিএফটিআই এর সিইও ড. জাফর উদ্দিন, বিল্ডের সিইও ফৈরদৌস আরা বেগম ও ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) উপদেষ্টা মনজুর আহমেদ।

  • বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ১৪ ধাপ এগিয়েছে ঢাকা

    বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ১৪ ধাপ এগিয়েছে ঢাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ জুন, ২০২৪: এক গবেষণায় দেখা গেছে বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ১৪ ধাপ এগিয়েছে ঢাকা । এই তালিকায় বিশ্বের ব্যয়বহুল শহরের শীর্ষে অবস্থান করছে হংকং। নিউইয়র্ক ভিত্তিক ফার্ম ‘মার্সার’এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

    ২০২৪ সালের এই তালিকায় ১৪ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান ১৪০তম, যা ২০২৩ সালের তালিকায় ছিল ১৫৪।

    সংস্থাটি প্রত্যেক শহরের ২০০টি বিষয়ের ব্যয়ের ভিত্তিতে এ তালিকা করেছে। বাসস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, পোশাক, খাবার ও বিনোদন প্রভৃতির ব্যয় জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি জিন্সের দাম, প্রতি লিটার পানির দাম, এক কাপ কফির দাম, প্রতি লিটার পেট্রোল ও দুধের দামের পার্থক্যও এ জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    সোমবার এই তালিকা প্রকাশ করেছে ‘মার্সার’।

    ২০২২ ও ২০২৩ সালেও তালিকায় শীর্ষে ছিল হংকং। এরপরেই রয়েছে সিঙ্গাপুরে। ব্যয়বহুল শহরের তালিকা করতে বিশ্বের ২২৬টি শহরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর নিউইয়র্ক তালিকায় সপ্তম স্থানে রয়েছে।

    ২০২৪ সালের শীর্ষ ১০ ব্যয়বহুল শহর হলো— হংকং, সিঙ্গাপুর, জুরিখ, জেনেভা, বাসেল, বার্ন, নিউইয়র্ক, লন্ডন, নাসাউ ও লস অ্যাঞ্জেলেস।

  • গত ২৪ ঘন্টায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেকর্ড টোল আদায়

    গত ২৪ ঘন্টায় বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেকর্ড টোল আদায়

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৫ জুন, ২০২৪: ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরছেন উত্তরাঞ্চলের মানুষ। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বহুগুণ বেড়েছে। তবে এই্ ঈদে যাত্রীর পাশাপাশি পশুবাহী ও মৌসুমী ফল যেমন লিচু, আম ও কাঁঠাল বহন করা হচ্ছে যানবাহনে। আর প্রতিটি যানবাহনের জন্য দিতে হয় টোল। স্বাভাবিক কারণে এবার বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে এই ঈদে টোল আদায়ের পরিমান বেড়ে গেছে। আজ টোল আদায়ে সৃষ্টি হয়েছে রেকর্ড।

    গত ২৪ ঘণ্টায় প‌রিবহন পারাপার হ‌য়ে‌ছে ৫৩ হাজার ৭০৮টি। এর বিপরীতে সেতুর টোলপ্লাজায় টোল আদায় হ‌য়ে‌ছে তিন কো‌টি ৮০ লাখ ৬৩ হাজার ৪০০ টাকা। এটি সেতুতে টোল আদা‌য়ের সর্বোচ্চ হার ব‌লে জানিয়েছে সেতু কর্তৃপক্ষ।

    এর আগে ২০২৩ সা‌লে ঈদযাত্রায় ২৭ জুন রাত ১২টার পর থেকে ২৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত সেতুর ওপর দি‌য়ে প‌রিবহন পারাপার হ‌য়ে‌ছিল ৫৫ হাজার ৪৮৮টি। বিপ‌রীতে সেতুতে টোল আদায় হ‌য়ে‌ছিল তিন কো‌টি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ২০০ টাকা।

    সেতু কর্তৃপক্ষ সূ‌ত্রে জানা গে‌ছে, বৃহস্প‌তিবার (১৩ জুন) রাত ১২টার পর থেকে শুক্রবার (১৪ জুন) রাত ১২টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৫৩ হাজার ৭০৮টি প‌রিবহন পারাপারে টোল আদায় হ‌য়ে‌ছে তিন কো‌টি ৮০ লাখ ৬৩ হাজার ৪০০ টাকা। এর মধ্যে সেতুপূর্ব টোলপ্লাজা পার হ‌য়ে উত্তরব‌ঙ্গে গি‌য়ে‌ছে ৩৩ হাজার ২৫‌টি। এতে টোল আদায় হ‌য়ে‌ছে দুই কো‌টি ৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং পশ্চিম টোলপ্লাজা পার হ‌য়ে ঢাকায় গি‌য়ে‌ছে ২০ হাজার ৬৮৩‌টি পরিবহন। এতে টোল আদায় হ‌য়ে‌ছে এক কো‌টি ৭৪ লাখ ২৩ হাজার ৪০০ টাকা।

    সেতু‌তে ২৪ ঘণ্টায় যাত্রীবাহী বাস পারাপার হ‌য়ে‌ছে ১২ হাজার ৮৭১টি, ট্রাক ১০ হাজার ৭৬০‌টি, ছোট-বড় প‌রিবহন ১৯ হাজার ৮৭২‌টি এবং মোটরসাইকেল পার হ‌য়ে‌ছে ১০ হাজার ১০৫‌টি।

  • গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৩ কোটি ২২ লাখ টাকা

    গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ৩ কোটি ২২ লাখ টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৪ জুন, ২০২৪: ঈদের সময় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে যানবাহনের চলাচল বেড়ে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। তবে গতবারের তুলনায় এবার বেশি যানবাহন চলাচল করছে। ঈদ-উল-আজহা উদযাপন করতে ঘরে ফেরা মানুষবাহী যানবাহনের চাপ বেড়েছে উত্তরের মহাসড়কে। গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি গাড়ি চলছে।

    আজ শুক্রবার (১৪ জুন) বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ভোর রাত ১২টা থেকে শুক্রবার (১৪ জুন) ভোররাত ১২টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৪০ হাজার ৯০৬টি গাড়ি পার হয়েছে। মোট টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৩০০ টাকা।

    এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজায় ২২ হাজার ৬৪৫টি যানবাহন পার হয়েছে। টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৮১ হাজার ৪০০ টাকা। বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম টোলপ্লাজায় ১৮ হাজার ২৬১টি যানবাহন পারাপারের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬৩ লাখ ১৫ হাজার ৯০০ টাকা।

    বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, বছরের স্বাভাবিক সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর দিয়ে ১৮ থেকে ২০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। ঈদযাত্রা ও ফিরতি ঈদযাত্রায় যানবাহনের পরিমাণ দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত পার হয়।

  • সুদ হার বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না: সিপিডি

    সুদ হার বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না: সিপিডি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১২ জুন, ২০২৪: সুদ হার বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোন উপায়ও ছিল না, বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ও অর্থনীতিবিদ ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, “সুদহার বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে; যদিও সুদ হার বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়া ছাড়া কোন উপায়ও ছিল না। আবার সরকার ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার ফলে সুদের হার আরও বাড়বে। এতে সরকারের ঋণের বোঝা আরও বাড়বে।”

    আজ বুধবার (১২ জুন) গুলশানে হোটেল লেকশোরে ‘বাজেট সংলাপ ২০২৪’-এ মূল প্রবন্ধে ড. ফাহমিদা খাতুন এ সব কথা বলেন।

    ফাহমিদা খাতুন বলেন, “প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাজেটে বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এই ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। যা মোট ঘাটতির ৫৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।”

    তিনি বলেন, “প্রস্তাবিত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বাজেটে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। এরপর বেসরকারি বিনিয়োগ লক্ষ্যও ঠিক করা হয়েছে। কিন্তু সরকার ব্যাংক থেকে টাকা নেওয়ার ফলে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের জায়গা ছোট হয়ে যাবে। বেসরকারি খাত ঋণ পাবে না। এতে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ ব্যহত হবে। কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে না।”

    অনুষ্ঠানে বণিক বার্তার সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ বলেন, “বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা সচরাচর বাজেট নিয়ে কথা বলেন। এবার তারা একটু নার্ভাস। ব্যাংক থেকে সরকার ঋণ নিয়ে গেলে তাদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে যাবে। তারা চিন্তিত ব্যাংক থেকে সরকার টাকা তুলে নিয়ে গেলে তারা কিভাবে ব্যবসা চালিয়ে যাবে।”

  • সিঙ্গাপুর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনবে সরকার

    সিঙ্গাপুর থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনবে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ জুন, ২০২৪: সরকার চলতি বছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ে ছয় মাসে সিঙ্গাপুর থেকে পাঁচটি প্যাকেজে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আনতে জাহাজ ভাড়া নির্ধারণ করেছে । এতে মোট ব্যয় হবে ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা।

    আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে এই তেল আমদানি করতে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

    আাজ মঙ্গলবার (১১ জুন) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, আগামী জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির বিষয়ে প্রতি ছয় মাস, ছয় মাস করে অনুমোদন নেওয়া থাকে যেটা জুন মাসে শেষ হয়ে যাবে। পরবর্তী জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত দ্রুত কোটেশন পদ্ধতিতে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি সম্ভব হয় সেজন্য একটি প্রস্তাব উপস্থাপিত হলে সেটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

    তিনি বলেন, পাঁচটি প্যাকেজের মধ্যে এ এবং ই তে সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং বি,সি, ডি প্যাকেজের সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান হলো ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। এখানে নেগোসিয়েশন হয়েছে জ্বালানি তেলের প্রিমিয়ামের ওপর। জ্বালানি তেলের মূল্য কিন্তু যখন কিনবে জাহাজীকরণের আগের দুই দিন বা পরের দুই দিন ও জাহাজীকরণের দিন দুই দিন যে মূল্য থাকে আন্তর্জাতিক বাজারে সেটাকে এভারেজ বা গড় করে মূল্য নির্ধারণ করা হয়।

    আর আজ শুধু এই পাঁচ প্যাকেজে যে তেল আমদানি করা হবে সেগুলো আনতে যে জাহাজ ভাড়া লাগবে সেটার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    সচিব বলেন, জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্যাস ওয়েল, জ্যাটএ, ফার্নেস ওয়েল, মোগ্যাস, এবং মেরিন ফুয়েল আনবে এই কোম্পানির জাহাজগুলো। এতে ছয় মাসে জাহাজ ভাড়া পড়বে ১৩ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা। যখন জ্বালানি তেল আনা হবে তখন আলাদাভাবে মূল্য নির্ধারণ করা হবে।

    জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর সময়ের জন্য পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির লক্ষ্যে পাঁচটি প্যাকেজে বিভক্ত করে আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হয়। সাতটি প্রতিষ্ঠান থেকে দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। তার মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব কারিগরিভাবে রেসপনসিভ হয়।

    প্রস্তাবের সকল প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশ করা রেসপনসিভ সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান সিঙ্গাপুরের ইউনিপেক সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং ভিটল এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ১৫ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে গ্যাস অয়েল ১০ লাখ মেট্রিক টন, জেট-এ-১ দুই লাখ মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েল দুই লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন, মোগ্যাসেএক লাখ মেট্রিক টন এবং মেরিন ফুয়েল ৩০ হাজার মেট্রিক টন আমদানি করা হবে।

    নেপালের বিদ্যুৎ আসবে ভারদের গ্রিড হয়ে

    এদিকে উক্ত কমিটি অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অবলম্বন করে ৫ বছরের জন্য ভারতের জাতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যুৎ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপাল থেকে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ক্রয়ের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম পড়বে ৮ টাকা ১৭ পয়সা।

    কবে নাগাদ চুক্তি হবে? সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এমন প্রশ্ন করা হলে সচিব মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, এটা এখন চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হবে। কারণ, বিদ্যুৎ নেপালের, আসবে ভারতের সঞ্চালনা লাইন হয়ে।

    কবে নাগাদ নেপালের বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সম্ভবত প্রধানমন্ত্রীর নেপালে একটি সফর আছে। সেখানে হয় তো এই চুক্তি সম্পন্ন হবে।

    সচিব বলেন, ৫ বছরের জন্য চুক্তি করা হবে। প্রতি বছরে আনুমানিক ১৩০ কোটি টাকা লাগবে। এতে পাঁচ বছরে আনুমানিক ব্যয় হবে ৬৫০ কোটি টাকা। ভারতের গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশের ভেড়ামারায় জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।

    জানা গেছে, বিদ্যুৎ আমাদনির বিষয়ে গত বছরের মে মাসে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, নেপালের ত্রিশূলী প্রকল্প থেকে ২৪ মেগাওয়াট এবং অন্য একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১৬ মেগাওয়াটসহ মোট ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আসবে। ভারত হয়ে বাংলাদেশের ভেড়ামারায় জাতীয় গ্রিডে এই বিদ্যুৎ যোগ হবে।

    নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির লক্ষ্যে গত ১০ সেপ্টেম্বর বৈঠকে বসে ‘বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন ও আমদানি’ সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ওই কমিটির প্রধান ছিলেন। বৈঠকে তিনি নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ট্যারিফ জানতে চাইলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, নেপাল থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের দাম দেশে কয়লাভিত্তিক উৎপাদিত বিদ্যুতের দামের তুলনায় কম পড়বে।

  • সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জমা হয়েছে ৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা

    সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জমা হয়েছে ৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১০ জুন, ২০২৪: গত বছরের আগস্টে শুরু হয় সর্বজনীন পেনশন স্কিম। ইতিমধ্যে জনকল্যাণকর এই কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া  পরিলক্ষিত হয়। শুরুর ১০ মাসের মাথায় সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধন সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়েছে। সাবস্ক্রিপশন বাবত মোট ৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জমা হয়েছে।

    ইতোমধ্যে নিবন্ধনকারীদের অর্থ হতে সরকারি ট্রেজারি বন্ডে ৬২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

    আজ সোমবার (১০ জুন) অর্থ মন্ত্রনালয়ের অর্থ বিভাগর সিনিয়র সহকারী সচিব(জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষে সংযুক্ত) মোঃ শরীফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বয়স্ক জনগোষ্ঠীর একটি টেকসই ও সুসংগঠিত সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে ১৭ আগস্ট ২০২৩ তারিখ প্রধানমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন স্কিমের শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর হতেই জনকল্যাণকর এ কর্মসূচিতে মানুষের উল্লেখযোগ্য আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধন সংখ্যা ১০ মাসে ৩ লাখের মাইলফলক অতিক্রম করেছে।

    বর্তমানে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা নামে চারটি স্কিমে নিবন্ধনের সুবিধা চালু রয়েছে। এ চারটি স্কিমে যথাক্রমে সমতা স্কিমে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৬৪, প্রগতি স্কিমে ২১ হাজার ২৯৪, সুরক্ষা স্কিমে ৫৬ হাজার ৯১৯ এবং প্রবাস স্কিমে ৭৯৯ জন নিবন্ধিত হয়ে সর্বমোট ৩ লাখ ০৩ হাজার ১৭৬ জন মাসিক সাবস্ক্রিপশন প্রদান করছেন। সাবস্ক্রিপশন বাবত মোট ৮৬ কোটি ৬৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জমা হয়েছে। ইতোমধ্যে নিবন্ধনকারীদের অর্থ হতে সরকারি ট্রেজারি বন্ডে ৬২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রমে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের (UDC) উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রমে সক্রিয় সহযোগিতা করতে অনুরোধ করা হয়েছে। প্রবাস স্কিমে নিবন্ধন প্রত্যাশিত পরিমাণে আনয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ দূতাবাস সমূহের কূটনৈতিক শাখা ও শ্রম উইং শাখার সাথে অনলাইনে সভা করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাস স্কিমে অংশগ্রহণে আগ্রহ সৃষ্টির জন্য জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিপুল সংখ্যক তথ্যবহুল ফ্লায়ার বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনসমূহে প্রেরণ করা হয়েছে।

    বর্তমানে ২টি সরকারি ও ২টি বেসরকারি ব্যাংক এবং একটি মোবাইল ফাইনান্সিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সর্বজনীন পেনশন স্কিমে নিবন্ধনসহ মাসিক জমা আদায়ে সম্পৃক্ত আছে। এর আওতা আরো বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যার ফলে আরো ৪টি সরকারি ও ৪টি বেসরকারি ব্যাংক ও ১টি মোবাইল ফাইনান্সিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান খুব শীঘ্রই এ কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হবে। এতে করে নিবন্ধন ও মাসিক জমা পরিশোধ সেবা জনগণের জন্য অধিকতর সহজলভ্য হবে। এ প্রক্রিয়ায় সর্বজনীন পেনশন স্কিমে জনগণের অংশগ্রহণের হার আরো দ্রুততর হবে, যা প্রধানমন্ত্রীর এ বিশেষ জনকল্যাণকর কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

    উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে ৮৭টি এনজিও প্রগতি স্কিমে নিবন্ধিত হয়ে তাদের কর্মচারীদের অনুকূলে সাবস্ক্রিপশন প্রদান করছে। ৫ম স্কিম হিসেবে ‘প্রত্যয়’ নামে নতুন স্কিম চালু করা হচ্ছে যা সকল স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা ১ জুলাই ২০২৪ থেকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানে নতুন যোগদান করবেন তাদের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর হবে।

    জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে জনগণকে আগ্রহী করতে প্রচার-প্রচারণাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ, বেসরকারি সংস্থা, জনপ্রতিনিধি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সুশিল সমাজের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ত করে কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মাঠ প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবকে সভাপতি করে জাতীয় পর্যায়ে ‘সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে সর্বজনীন পেনশন কার্যক্রমকে মনিটরিং ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি গঠন করে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের প্রয়োজনীন নির্দেশনা প্রধান করা হয়েছে। সে অনুযায়ী বিভাগীয় পর্যায়ে সর্বজনীন পেনশন মেলা ও কর্মশালার আয়োজন করে সকল শ্রেনী-পেশার জনগণকে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে গত ১৯ এপ্রিল রাজশাহীতে এবং ৫ মে রংপুর বিভাগে বিভাগীয় পেনশন মেলা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং জেলা পর্যায়ে সর্বজনীন পেনশন মেলা আয়োজনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

  • আগামী ১৯ জুন থেকে ব্যাংক লেনদেনের সময়সূচি বাড়ছে

    আগামী ১৯ জুন থেকে ব্যাংক লেনদেনের সময়সূচি বাড়ছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৯ জুন, ২০২৪: সরকার ঘোষিত অফিস সময়সূচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ঈদের পর থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংকের লেনদেন ও অফিস কার্যক্রম চলবে।

    নতুন নিয়মে আগামী ১৯ জুন থেকে ব্যাংকগুলোর লেনদেন শুরু হবে সকাল ১০টায়, যা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। আর ব্যাংকগুলোর অফিস খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে।

    এখন ব্যাংক লেনদেন হয় সকাল ১০টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত এবং ব্যাংকগুলোর অফিস চলে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সেই হিসাবে ব্যাংক লেনদেন আধা ঘণ্টা ও অফিস এক ঘণ্টা বেশি সময় চলবে।

    আজ (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকার ঘোষিত অফিস সময়সূচির অনুবর্তনে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ১৯ জুন থেকে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

  • ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের সংবাদ সম্মেলন

    ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের সংবাদ সম্মেলন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৮ জুন, ২০২৪: ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পাঁচটি সুবিধাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বস্ত্র খাতের তিন সংগঠন—বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)।

    আজ শনিবার (৮ জুন) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে বস্ত্র খাতের এই তিন সংঘঠন।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ভ্যাট আপিলের ক্ষেত্রে দাবিকৃত অর্থের ২০ শতাংশ জমা দিতে হতো, সেটা কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। ১৭টি বিভিন্ন টেক্সটাইল পণ্য রেয়াতি হারে আমদানির সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

    শিল্পকারখানায় ৫০ টন বা অধিক ক্ষমতার চিলার আমদানির ক্ষেত্রে সর্বমোট কর ১০৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পূর্বে এটি এক শতাংশ রেয়াতি হারে আমদানির বিধান ছিল। বস্ত্র খাতের উদ্যোক্তারা পুনরায় এটি এক শতাংশ রেয়াতি হারে আমদানির অনুমোদন দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

    নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসাহিত করতে ১০০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তা বস্ত্র খাতে সুবিধা এনে দেবে। এছাড়া পলিয়েস্টার ফাইবার ও পেট চিপস উৎপাদনে ব্যবহৃত দুটি কাঁচামাল আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ ও ২৫ শতাংশ ছিল। প্রস্তাবিত বাজেটে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হয়েছে।

    ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কঠিন বাস্তবতায় নানামুখী চ্যালেঞ্জ নিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য সংকোচনমূলক বাজেট প্রস্তাবনা করা হয়েছে। উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের চেয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৭৫ শতাংশ ধরা হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি ৬.৫ শতাংশে ধরে রাখার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। বাজেটে শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, অবকাঠামো ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। এগুলো বাজেটের ইতিবাচক দিক।

    সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতারা জানান, যদিও বক্তব্যে একাধিকবার মূল্যস্ফীতিকে অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে আসায় আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের এই প্রধান খাতটির জন্য কিছু নীতি সহায়তা দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হলেও বর্তমান কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আমাদের মূল প্রস্তাবগুলো প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিফলিত হয়নি। তবে বস্ত্র ও পোশাক শিল্পের জন্য সহায়ক প্রস্তাবনাগুলোকে আমরা সাধুবাদ জানাই।

    ব্যবসায়ী নেতারা সংবাদ সম্মেলনে জানান, আপনারা জানেন যে কোভিড মহামারি কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ভূ-রাজনৈতিক কারণে সৃষ্ট বিশ্বমন্দা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং তা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন দেশে সুদের হার বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা কমে এসেছে। একই সঙ্গে পণ্যের দরপতন হয়েছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদন ব্যয় পাঁচ বছরে দফায় দফায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে শিল্প একটি সংকটময় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে আমাদের পোশাক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি আশঙ্কাজনকভাবে কমে এসেছে। শুধু মে মাসেই কমেছে ১৭ শতাংশ। আমরা মজুরি ৫৬ শতাংশ বাড়িয়েছি, কিন্তু আমাদের মূল্য বাড়েনি। বরং গত ৯ মাসে আমাদের প্রধান পণ্যগুলোর দরপতন হয়েছে ৮ থেকে ১৮ শতাংশ। শিল্প যখন এরকম একটি সংকটময় পরিস্থিতিতে রয়েছে, তখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিলো সিংহভাগ রপ্তানি আয় অর্জনকারী পোশাক শিল্পকে সহায়তা দেয়া এবং এর মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ-এর সভাপতি এস এম মান্নান কচি, বিকেএমইএ-এর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিজিএমইএ-এর সহ-সভাপতি ও পরিচালক এবং বিটিএমএ’র নেতারা।

  • চলমান অর্থনৈতিক উদ্বেগ মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন: সিপিডি

    চলমান অর্থনৈতিক উদ্বেগ মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন: সিপিডি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৭ জুন, ২০২৪: চলমান অর্থনৈতিক উদ্বেগ মোকাবিলায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)’র নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, “চলমান অর্থনৈতিক উদ্বেগ মোকাবিলায় যে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে নেওয়া হয়নি”।

    আজ শুক্রবার (০৭ জুন) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ সিপিডির পর্যালোচনা শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

    সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি, জিডিপি গ্রোথ, বিনিয়োগের যেসব লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা অতিউচ্চাভিলাষী ও বাস্তবসম্মত নয়। বাজেটে অর্থনৈতিক সূচকের অনেক লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না। চলমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ অনুধাবন করতে না পারায়, বাজেটে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা দুর্বল ও অপর্যাপ্ত। সব মিলিয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটটি অসাধারণ সময়ে একটি সাধারণ বাজেট”।

    সিপিডির পর্যালোচনা তুলে ধরে এর নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বিনা প্রশ্নে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ সৎ করদাতাদের প্রতি চরম অন্যায়। এটি নৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিবেচনায় অগ্রহণযোগ্য।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ।