Category: অর্থনীতি

  • বর্তমানে দেশে রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস ভ্যাট ব্যবস্থা

    বর্তমানে দেশে রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস ভ্যাট ব্যবস্থা

    হ্যালো বাংলা ডেস্ক: আজ বুধবার থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হচ্ছে। বাজেটে রাজস্ব আয়ে বিষয়টি বেশ আলোচিত হয়। মনে রাখতে হবে বর্তমানে বাংলাদেশে রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস ভ্যাট ব্যবস্থা । দেশে ৯০ এর দশকে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থা চালু হয়। মূসক চালুর সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতির জন্য যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত। আজ আমরা ভ্যাট সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় জেনে নেব।

    চলতি অর্থ বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত মূসক বা ভ্যাট  আদায় করা হয়েছে ৮৬ হাজার ৫২৩ কোটি টাকা। গত ২০২১-২২ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪১৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। দেখা গেছে দেশের মোট আদায়কৃত রাজস্বের মধ্যে প্রায় এক তৃতীয়াংশই মূসক থেকে আদায় হওয়া অর্থ।

    এরআগে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৯৭ হাজার ৫০৯ কোটি টাকার ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক আদায় হয়েছিল।

    এই ভ্যাট গ্রহণ ও সরকারি কোষাগারে জনা দেওয়া নিয়ে নানা ধরণের অভিযোগ আছে, বলা হয় বাংলাদেশে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদের কাছ থেকে মূসক আদায় করলেও অনেকেই তা সরকারি কোষাগারে জমা করেন না। ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর বা মূসক হচ্ছে একটি পরোক্ষ কর।

    কেননা কোন ক্রেতা যখন কোন পণ্য বা সেবা ক্রয় করেন, তার মূল্যের অতিরিক্ত যে কর তিনি দিয়ে থাকেন, সেটাই হচ্ছে ভ্যাট বা মূসক। এই করটি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার দায়িত্ব বিক্রেতার।

    মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বা মূসক চালু করা হয় উনিশ’শ একানব্বই সালের পহেলা জুলাই থেকে।  প্রথমে অল্প কিছু পণ্যের উপর মূসক আরোপ করা হয়েছিল। পর্যায়ক্রমে অধিকাংশ পণ্য এবং বেশ কিছু সেবা-পরিষেবা, আমদানী, পাইকারী ও খুচরা বিক্রয়কৃত পণ্যের মূসক আরোপ করা হয়। তাই এখন এটি সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস।

    মূসক আইন অনুযায়ী, সব ধরণের করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের উপর মূসক আরোপিত হয়। বাংলাদেশে পণ্য বা সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপের নিয়ম রয়েছে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেড় শতাংশ থেকে শুরু করে ১০ শতাংশ হারেও মূসক নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

    ভ্যাটের যাত্রা শুরু ইউরোপে:

    বিশ্বে ভ্যাট বা মূসকের যাত্রা শুরু মূলত ইউরোপে। এই তথ্য পাওয়া গেছে নিউইয়র্ক ভিত্তিক ফাইনান্সিয়াল মিডিয়া ওয়েবসাইট ইনভেস্টোপিডিয়ায়।  ফ্রান্সের কর কর্তৃপক্ষ ১৯৫৪ সালে প্রথম দেশ হিসেবে মূসক আরোপ করে। তবে এর প্রায় এক শতাব্দী আগে জার্মানিতে পণ্যের সাপ্লাই চেইনের প্রতিটি ধাপে কর দেয়ার রীতি প্রচলিত ছিল বলেও জানা যায়।

    শিল্পোন্নত দেশগুলোর সংস্থা অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন এন্ড ডেভেলপমেন্টের বেশিরভাগ সদস্য দেশেই ভ্যাট ব্যবস্থা চালু ছিল।

    বাংলাদেশে ভ্যাট বা মূসক চালুর তোড়জোর শুরু হয় ১৯৮৯ সালের দিকে হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে। তখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুল হক।

    সেই সময় আন্তর্জাতিক মুদ্রা সংস্থার ফিসক্যাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টে যারা কর নীতি এবং সরকারের ব্যয় নিয়ে কাজ করে সেই বিভাগের সিনিয়র ইকোনমিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মি. মনসুর। তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালে দেশ জুড়ে প্রলয়ংকারী বন্যার পর, দেশের রাজস্ব ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কারিগরি সহায়তা দিতে আইএমএফকে আহ্বান জানিয়েছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুল হক।

    তার অনুরোধে রাজি হয় আইএমএফ। এর অংশ হিসেবে আইএমএফ এর একটি প্রতিনিধিদল ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ সফর করে।

    আইএমএফ-এর এমন উদ্যোগের কারণ হিসেবে মি. মনসুর বলেন, সেসময় বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের তুলনায় রাজস্ব আয় অনেক কম ছিল। সেটাকে বাড়ানোটা একটা লক্ষ্য ছিল। একই সাথে ভ্যাট তখন বিশ্বজুড়ে পরিক্ষীত এবং সফল একটি ব্যবস্থা ছিল। বিশ্বের প্রায় ৭০-৮০টি দেশে এই ব্যবস্থা চালু ছিল। যার কারণে বাংলাদেশেও একই ধরণের ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

    আইএমএফ এর প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে এসে সরকারের সাথে কাজ শুরু করে এবং এর অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত ও ফিলিপিন্সের মতো ভ্যাট চালু রয়েছে এমন কয়েকটি এশিয় দেশ সফর করে। সফর শেষে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ভ্যাট চালু করার বিষয়ক পরবর্তী কার্যকলাপ শুরু হয়।

    জানা গেছ্যে, ভ্যাট চালু করা নিয়ে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা শুরুর পর তারা এর বিরোধিতা করে। এমনকি দেশের জনগণও এটা শুরুতে মানতে চায়নি। এর প্রতিবাদ জানিয়ে তারা সেসময় এনবিআর বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভবন বেশ কয়েক বার ঘেরাও পর্যন্ত করেছিল।

    অবশ্য ভ্যাট চালু করার বিষয়ে তৎকালীন সরকার ইচ্ছুক ছিল বলে কাজ চলতে থাকে। রাজস্ব বোর্ডও তখন এ বিষয়ে ব্যাপক সহায়তা দিয়েছিল। সব মিলিয়ে ১৯৯০ এর দিকে যখন ভ্যাট চালু সংক্রান্ত আইন তৈরির জন্য পার্লামেন্টে তোলার প্রস্তুতি চলছিল তখন জেনারেল এরশাদের সরকার পতন হয়। এমন অবস্থায় ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি হন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

    পার্লামেন্ট না থাকার কারণে ভ্যাট সংক্রান্ত বিলটি তখন রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ হিসেবে জারির প্রস্তাব তোলা হয়।

    তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ এই প্রস্তাবে রাজি ছিলেন না। তার যুক্তি ছিল, তিনি অস্থায়ী সরকার প্রধান এবং তিন মাস পরেই ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। কিন্তু তিনি এই অধ্যাদেশ জারি করলে সেটি আইনে পরিণত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকবে।

    পরে তিনি এই আদেশে সই করেন এবং পরে এটি অধ্যাদেশে পরিণত হয়। পরবর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান ভ্যাট অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করে ১৯৯১ সালের জুলাই মাস থেকে এটি চালু করেন। এখনও তা বহাল আছে এবং বর্তমানে রাজস্ব আয়ের সবথেকে বড় গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত ।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এলো ১১৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এলো ১১৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনে ১১২ কোটি ৯২ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১০৮ টাকা ধরে) যে অঙ্ক দাঁড়ায় ১২ হাজার ১৯৫ কোটি টাকা। এ হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৫ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    রোববার (২১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে একথা জানা গেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, মে মাসের প্রথম ১৯ দিনে ১১২ কোটি ৯২ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৮ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার ডলার।

    বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৭৯ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৯০ কোটি ১৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায়, মে মাসের ১৩ থেকে ১৯ তারিখ পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩৫ কোটি ৫২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর প্রথম ১২ দিনে ৭৭ কোটি ৩৯ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

    এছাড়া চলতি মাসের প্রথম পাঁচদিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০ কোটি ৭৮ লাখ মার্কিন ডলার। আর ৬ থেকে ১২ মে পর্যন্ত দেশে ৫৬ কোটি ৬১ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

    এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৬৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। ২৯ থেকে ৩০ এপ্রিল প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১২ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার ডলার। আর এপ্রিলের ২২ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত দেশে এসেছিল ২৮ কোটি ৩৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

    এছাড়া ১৫ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩১ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিলের ১৪ দিনে দেশে এসেছিল ৯৫ কোটি ৮৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। যার মধ্যে ৮ থেকে ১৪ এপ্রিল দেশে এসেছে ৪৮ কোটি ১৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিলের প্রথম ৭ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ৪৭ কোটি ৬৮ লাখ মার্কিন ডলার।

    এপ্রিলে প্রবাসীরা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ঢাকায়। রেমিট্যান্স এসেছে ৮০ কোটি ৪ লাখ ডলার। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে এসেছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। চট্টগ্রামে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৪৬ কেটি ১৪ লাখ ডলার।

    আর সিলেট বিভাগে ২০ কোটি ১৭ লাখ ডলার, খুলনা বিভাগে ৬ কোটি ৭৩ লাখ ডলার, রাজশাহী বিভাগে ৫ কোটি ৩৫ লাখ ডলার, বরিশাল বিভাগে ৪ কোটি ১৪ লাখ ডলার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ কোটি ৭ লাখ ডলার ও রংপুর বিভাগে ২ কোটি ৭১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

    এদিকে, চলতি অর্থবছরের মার্চে ২০১ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল। এছাড়া ফেব্রুয়ারিতে এসেছিল ১৫৬ কোটি ১২ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি বছরের জানুয়ারিতে এসেছিল ১৯৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গত বছরের জুলাইয়ে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার। এর পরের মাসে কিছুটা কমে আসে ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। এর পরের মাস সেপ্টেম্বরে এসে মাসের ব্যবধানে ৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স কম আসে। ওই মাসে মোট প্রবাসী আয়ের হিসাব দাঁড়ায় ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। অক্টোবরে আরেক দফা কমে রেমিট্যান্স আসে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার।

    পরে নভেম্বরে এসে আবার ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করে বৈধ চ্যানেলে পাঠানো প্রবাসীদের আয়ের অঙ্ক। এ মাসে মোট রেমিট্যান্স আসে ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। আর বিদায়ী বছরের শেষ মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৯ কোটি ৯৬ লাখ ডলার।

  • বাড়ছে কার্ড, রেকর্ড পরিমান লেনদেনে যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ

    বাড়ছে কার্ড, রেকর্ড পরিমান লেনদেনে যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ

    ব্যাংকের কার্ডের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। গ্রাহকরা এটিএম থেকে টাকা তুলছেন বেশি। ক্রেডিট কার্ডেও ভালো খরচ করছেন। সঙ্গে করে নগদ বহনের ঝুঁকি বিবেচনায় গ্রাহকদের অনেকে কার্ডে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনে (সিআরএম) রেকর্ড টাকা লেনদেন হচ্ছে। পয়েন্ট অব সেলসের (পিওএস) মাধ্যমে কেনা কাটায়ও হয়েছে রেকর্ড। ই-কমার্সে লেনদেন বাড়ছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের মার্চে ব্যাংকগুলোর কার্ডে ৪৫ হাজার ৪১২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এ লেনদেন যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, গত মার্চ শেষে দেশে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন কোটি ৯ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫। ২০২২ সাল শেষে ব্যাংক খাতে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৯৮ লাখ ৪৯ হাজার ১৩৬। সেই হিসাবে তিন মাসে ১১ লাখ ৪৮ হাজার ১৯৯টি কার্ড বেড়েছে। একইভাবে মার্চ শেষে ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৬। ২০২২ সালের ডিসেম্বর শেষে ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ১৫ হাজার ৮৬১। ফলে তিন মাসে ক্রেডিট কার্ড বেড়েছে ৬২ হাজার ১৮৫।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে ডেবিট কার্ডে লেনদেন হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। এর আগে কখনো ডেবিট কার্ডে এক মাসে এত লেনদেন হয়নি। গত ফেব্রুয়ারিতে কার্ডে ৩৬ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। ডেবিট কার্ডের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডেও মার্চে রেকর্ড লেনদেন হয়। মার্চ মাসে লেনদেন হয় ২ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা, যা এখন পর্যন্ত একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ। গত মার্চে কার্ডে যে পরিমাণ লেনদেন হয়েছে, তার মধ্যে দেশীয় মুদ্রায় ৪৪ হাজার ৮০১ কোটি ও বৈদেশিক মুদ্রায় ৬১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

    কার্ড দিয়ে এটিএম থেকে গত মার্চে ৩২ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়, যা নতুন রেকর্ড। একইভাবে পিওএসের মাধ্যমে মার্চে ২ হাজার ৭৯১ কোটি টাকার লেনদেন হয়। পিওএস সাধারণত কেনাকাটা, বিমানের টিকিট ক্রয়, হোটেলের ভাড়া দেওয়ার সময় ব্যবহার করা হয়।

    ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনো দেশের বেশিরভাগ মানুষ ব্যক্তিগত লেনদেন নগদ টাকায় করছেন। পাশাপাশি কার্ডের মাধ্যমেও প্রতি মাসে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়, যা আর্থিক খাতের মোট লেনদেনের তুলনায় হয়তো সামান্যই। তবে দিনকে দিন কার্ডে লেনদেন বাড়ছে। তাদের মতে, সঙ্গে করে নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি বিবেচনায় গ্রাহকদের অনেকে কার্ড ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আবার শাখায় গিয়ে লাইন ধরে লেনদেন করতে বাড়তি সময় লাগে। এ ছাড়া ব্যাংকিং সময়ের বাইরে যে কোনো লেনদেনের সুবিধার কারণে এখন কার্ড লেনদেনে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

  • বাংলাদেশের সাথে উজবেকিস্তানকে ব্যবসা করার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

    বাংলাদেশের সাথে উজবেকিস্তানকে ব্যবসা করার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগের জন্য উজবেকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

    বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাত সম্প্রসারণে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট পরিষেবা চালু করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

    বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকেলে মন্ত্রণালয়ে উজবেকিস্তানের উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী বাখরম এ্যালোয়েভের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে আসলে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    তাই এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে উজবেক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

    বাণিজ্যমন্ত্রী উজবেকিস্তানের উপপররাষ্ট্র মন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং ভিসা সহজীকরণ হলে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা সফর করে বিনিয়োগের ক্ষেত্র বের করতে পারবেন। সরকার টু সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ী টু ব্যবসায়ী যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামগ্রিক সুবিধার জন্য সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী বাখরম এ্যালোয়েভ সরাসরি ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে তার সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে জানান।

    এছাড়া তিনি দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামগ্রিক সুবিধার জন্য সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোকে খুঁজে বের করে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, আগামী আগস্ট মাসে বাংলাদেশ উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্টার গভার্নমেন্টাল কমিশন’ যোগদান করবে। দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই সফরে বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল থাকবেন বলেও জানানো হয়।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন উল্লেখ করে টিপু মুনশি বলেন, আগামী আগস্ট মাসে উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্টার গভার্নমেন্টাল কমিশন’ এ বাংলাদেশ যোগদান করবে।

    দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারিখাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে এ সফরে বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    ২০১৯ ও ২০২২ সালে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে তার তাসখান্দ সফরে আতিথেয়তার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, উজবেকিস্তান বিশ্বের মাত্র দুটি দ্বি-ভূমিবেষ্টিত দেশের মধ্যে একটি। এটি প্রাচীন সিল্ক রুটের ওপর অবস্থিত। দেশটি বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং শিল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া এবং প্রধান উন্নত দেশসহ ১৫২টিরও বেশি দেশে ‍ওষুধ রপ্তানি করছে। ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য এবং জেনেরিক ওষুধ আমদানি ছাড়াও তৈরি পোশাক, পাট, পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ, সিরামিক পণ্য, আইসিটি পণ্য, হস্তশিল্প, চামড়া কৃষি, টাটকা ফল, শাকসবজি এবং কৃষি-যন্ত্র দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার বিশাল সুযোগ রয়েছে।

    টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে উজবেকিস্তান সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি রচনা করেন। তারপর থেকেই বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান অত্যন্ত দৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। যা কালের পরিক্রমায় নতুন মাত্রা পেয়েছে।

    ২০১৯ ও ২০২২ সালে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে তার তাসখান্দ সফরে আতিথেয়তার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিশ্বের মাত্র দুটি দ্বি-ভূমিবেষ্টিত দেশের মধ্যে উজবেকিস্তান একটি। দেশটি প্রাচীন সিল্ক রুটের ওপর অবস্থিত। ফলে এটি বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং শিল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া এবং প্রধান উন্নত দেশসহ ১৫২টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশ ‍ওষুধ রফতানি করছে উল্লেখ করে টিপু মুনশি বলেন, ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য এবং জেনেরিক ওষুধ আমদানি ছাড়াও তৈরি পোশাক, পাট, পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, সিরামিক পণ্য, আইসিটি পণ্য, হস্তশিল্প, চামড়া কৃষি, টাটকা ফল, শাকসবজি ও কৃষি-যন্ত্র দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার বিশাল সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    সাক্ষতকালে উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী তাদের দেশে বাংলাদেশি পণ্য প্রদর্শন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব সূচকে সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য বিশ্বে সুনাম ধরে রেখেছে।

    কাজেই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের উজবেকিস্তানে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ এবং দৃঢ় অবস্থানে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৬ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানির বিপরীতে উজবেকিস্তান থেকে ৮ দশমিক ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

  • আইএমএফ শর্ত মেনে নয়, দেশের প্রয়োজন অনুষায়ী বাজেট হয় : পরিকল্পনামন্ত্রী

    আইএমএফ শর্ত মেনে নয়, দেশের প্রয়োজন অনুষায়ী বাজেট হয় : পরিকল্পনামন্ত্রী

    পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) উপর আমরা নির্ভরশীল নই। তাই তাদের শর্ত মেনে জাতীয় বাজেট তৈরি করা হয় না। আমাদের নিজস্ব প্রয়োজনে নিজেরা বাজেট তৈরি করি।
    সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে “আইএমএফ’ এর সময়কালে অসুবিধাগ্রস্ত মানুষের কথা জাতীয় বাজেটে কীভাবে প্রতিফলিত হতে পারে?” বিষয়ক এক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) ও নাগরিক প্ল্যাটফর্ম যৌথভাবে এই সংলাপের আয়োজন করে।
    পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন,‘আমাদের বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে আইএমএফ কোন বিষয় নয়। তাদের উপর আমরা নির্ভরশীল নই। নিজেরা বাজেট তৈরি করি, নিজেদের প্রয়োজনে।’ তিনি আরও বলেন, আইএমএফ তৈরি হয়েছিল সদস্য দেশকে সহযোগিতা করার জন্য। বাংলাদেশ নিজেদের প্রয়োজনে ঋণ নিয়েছে। ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটি কোন শর্ত দেয়নি বলে তিনি জানান।
    তিনি মূল্যস্ফীতির বিষয়ে বলেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি সবচেয়ে বড় সমস্যা। তবে গত মাসে মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। আগামীতে আরও কমবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে সরকারকে আরও কাজ করে যেতে হবে।
    বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে উল্লেখ করে এম এ মান্নান বলেন, রিজার্ভ একটা চলমান ব্যাপার, বাড়বে-কমবে। তবে রিজার্ভ নিয়ে বর্তমানে কোন খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। রিজার্ভ স্বস্তিদায়ক অবস্থায় রয়েছে।
    পরিকলল্পনামন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরের বাজেটে প্রতিবন্ধীদের ভাতার পরিমাণ বাড়বে। তবে অন্যান্য ভাতার পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকবে।
    শ্রম মজুরির বিষয়ে তিনি বলেন, গত তিন বছর ধরে খুব ধীরে হলেও শ্রম মজুরি ক্রমাগতভাবে বেড়েছে। তিনি বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের হার বাড়াতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
    অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টচার্য বলেন, আইএমএফ-এর শর্ত পরিপালন করে বাজেট তৈরি করলে আর্থ-সামাজিক বৈষম্য বেড়ে যাবে।
    সিপিডি বোর্ড অব ট্রাস্টি অ্যাডভোকেট সুলতানা কামালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য রানা মোহাম্মদ সোহেল, সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, বিল্ড-এর নির্বাহী পরিচালক ফেরদৌস আরা বেগম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সূত্র : বাসস

  • বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনা কোম্পানির ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগ

    বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনা কোম্পানির ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগ

    চীনা কোম্পানি জিবিন টেকনোলজি (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড ৬০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি স্যু এক্সেসরিজ কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সাথে আজ ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
    বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) আলী রেজা মজিদ এবং জিবিন টেকনোলজি (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উ সুয়েলি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
    বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন। জিবিন টেকনোলজি (বিডি) বার্ষিক ৬০ লাখ পিস স্যু এক্সেসরিজ যেমন, আউটসোল, মিডসোল, ইনজেকশন পার্টস, ব্যাকস্টে, হিপ ক্লিপ, টো ক্যাপ, স্পোর্টস স্পাইক, ইভিএ, পিইউ ফোম, পিইউ কম্পোনেন্ট প্রভৃতি উৎপাদন করবে। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৯৫ জন বাংলাদেশী নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
    উল্লেখ্য, চট্ট্রগামের মীরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল বেপজার সর্ববৃহৎ উদ্যোগ। ১১৩৮.৫৫ একর জমির উপর স্থাপিত এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটিকে একটি কর্মচঞ্চল শিল্প এলাকায় পরিণত করতে জিবিন টেকনোলজি (বিডি)সহ মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করল বেপজা। এই প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রচলিত তৈরি পোশাকসহ বৈচিত্র্যময় নানা পণ্য উৎপাদন করতে মোট ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।
    অন্যান্যের মধ্যে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) মোহাম্মদ ফারুক আলম, সদস্য (অর্থ) নাফিসা বানু, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) নাজমা বিন্তে আলমগীর, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ এনামুল হক, অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মোঃ ফজলুল হক মজুমদার চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস

  • জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট পৌনে ৮ লাখ কোটি টাকা

    জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট পৌনে ৮ লাখ কোটি টাকা

    আগামী ১ জুন জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রায় পৌনে ৮ লাখ কোটি টাকার বিশাল বাজেট দিতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী।

    ২০২৩-২৪ অর্থবছরের এই বাজেট নিয়ে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল সংসদে পঞ্চম বাজেট উপস্থাপন করবেন। সর্বশেষ ২০২২ সালের ৯ জুন তিনি আগামী ৩০ জুন শেষ হতে যাওয়া চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট সংসদে উপস্থাপন করেছিলেন।

    টি দেশের ৫২তম এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৪তম বাজেট। আকারের দিক থেকে এটিই হবে দেশের বৃহত্তম বাজেট। সর্বশেষ বাজেটের তুলনায় এর আকার হবে ১২ শতাংশ বেশি।

    এটি দেশের ৫২তম এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৪তম বাজেট। আকারের দিক থেকে এটিই হবে দেশের বৃহত্তম বাজেট। সর্বশেষ বাজেটের তুলনায় এর আকার হবে ১২ শতাংশ বেশি।

    প্রথা অনুযায়ী জুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। ৩০ জুন পাস হয় সেই বাজেট। ১ জুলাই থেকে শুরু হয় নতুন বাজেট বাস্তবায়ন।

    এ বছর জুন মাসের প্রথম দিনই বৃহস্পতিবার হওয়ায় রীতি অনুযায়ী সেদিনটিতেই ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের প্রাথমিক সূচি চূড়ান্ত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সোমবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে বাজেট নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ লক্ষ্য নির্ধারণ করে পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করা হয়।

  • আরও ৩৭ পণ্য বাধ্যতামূলক মান সনদের আওতায়

    আরও ৩৭ পণ্য বাধ্যতামূলক মান সনদের আওতায়

    প্রেসার কুকার, গ্রিন টি, টুথব্রাশ, সুইটমিট, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার, মাইক্রোওয়েভ ওভেনসহ ৩৭টি পণ্যকে বাধ্যতামূলক মান সনদের আওতাভুক্ত করেছে মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।

    রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কর্তৃপক্ষ কাউন্সিলের ৩৮তম সভায় বাধ্যতামূলক মান সনদের তালিকায় ৩৭টি নতুন পণ্য অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    শিল্পমন্ত্রী ও বিএসটিআই কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন সভাপতিত্ব করেন। সভায় বিএসটিআই কাউন্সিলের প্রথম ভাইস চেয়ারম্যান শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার এমপি, দ্বিতীয় ভাইস চেয়ারম্যান শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, বিএসটিআই মহাপরিচালক ও কাউন্সিলের সদস্য সচিব মো. আবদুস সাত্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়া শিল্প, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট, তথ্য, কৃষি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ, তথ্য অধিদফতর, বাংলাদেশ টেলিভিশন, কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, বিসিএসআইআর, আমদানি ও রফতানি নিয়ন্ত্রক, ইপিবি এবং এমসিসিআই, ক্যাবসহ কাউন্সিলের সদস্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

    বিএসটিআই মহাপরিচালক ও কাউন্সিলের সদস্য সচিব আবদুস সাত্তার সভা পরিচালনা করেন।

    সভায় শিল্পমন্ত্রী বলেন, বিএসটিআই সবার জন্য একটি আস্থার জায়গা তৈরি করেছে। পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে বিএসটিআইকে আরও সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

    ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রাতারাতি বড়লোক হওয়ার মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে। অনেক ব্যবসায়ী যেসব কর্মকাণ্ড করেন তা কোনো নৈতিকতার মধ্যে পড়ে না। তাদের সংশোধন হতে হবে।

    জনগণের স্বার্থরক্ষায় প্রয়োজনে বিএসটিআইকে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান শিল্প প্রতিমন্ত্রী। এসময় ভোক্তাস্বার্থ রক্ষায় বিএসটিআইকে দায়িত্ব নিতে হবে উল্লেখ করে বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিম্নমানের পণ্য ও খাদ্যে ভেজাল রোধে বিএসটিআইকে কাজ করতে হবে।

    নতুন বাধ্যতামূলক মান সনদের আওতাভুক্ত পণ্য হচ্ছে- গ্রিন টি, সয়া সস, চাটনিজ, ডেকোরেটেড কেক, মল্ট বেইজড ফুড, মল্ট ড্রিঙ্ক, ছানা, চিজেস, হুয়ে চিজেস, ক্রিম চিজেস, এক্সট্রা হার্ড গ্রাটিং চিজ, হেয়ার ক্রিম, কাজল, ফেস প্যাক, গ্লিসারিন টয়লেট সোপ, লিকুইড টয়লেট সোপ, ট্রান্সপারেন্ট টয়লেট সোপ, ক্লিন কুক স্টোভস এন্ড কুকিং সল্যুশনস, ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি হেলমেট, হেসিয়ান জুট ব্যাগস ফর রাইচ অ্যান্ড পালস, হেসিয়ান জুট ব্যাগস (লেমিনেটেড/ইনার লিনার) ফর পোল্ট্রি ফিড এন্ড ফিস ফিড, হেসিয়ান জুট ব্যাগস ফর প্যাকিং ৩০ কেজি ফুড গ্রেইনস, জুট ব্যাগস ফর প্যাকিং ৫০ কেজি ফুড গ্রেইনস, টেক্সটাইল লাইট ওয়েট জুট সাকিং ব্যাগস ফর প্যাকিং ৫০ কেজি ফুড গ্রেইনস, ননওভেন উয়িপস, সিল্ক ফেব্রিকস, সিনথেটিক মসকুইটো নেটস, টাওয়েলস অ্যান্ড টাউয়েলিং, লিড-এসিড ট্রাকশন ব্যাটারিজ, সিঙ্গেল ফেস মটর এবং টুথ ব্রাশ।

  • শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি চীনকে ছাড়িয়ে যেতে পারে : চীনা রাষ্ট্রদূত

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতি চীনকে ছাড়িয়ে যেতে পারে : চীনা রাষ্ট্রদূত

    বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিক থেকে আরেকটি চীনে পরিণত হবে।
    তিনি বলেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি বাংলাদেশ আরেকটি চীনে পরিণত হবে, হতে পারে আরও ভালো, কারণ এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব রয়েছে।
    রাষ্ট্রদূত বলেন, পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী বছর বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি চীনকে ছাড়িয়ে যাবে এবং বেইজিং ঢাকার এ ধরনের সাফল্যের প্রশংসা করে।
    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে আমরা উৎসাহিত।
    ইয়াও রোববার সন্ধ্যায় চীনা দূতাবাসে ২০২৩ সালে চীনা সরকারি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশিদের সম্মানে প্রি-ডিপারচার রিসেপশনে এসব কথা বলেন।
    রাষ্ট্রদূত বলেন, উন্নয়নের দিক থেকে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্বের অনেক দেশের কাছে মডেল।
    তিনি বলেন, ‘আমাদের (বাংলাদেশ ও চীন) চূড়ান্ত লক্ষ্য হল অভিন্ন-উন্নয়ন’।
    ইয়াও বলেন যে প্রশিক্ষণের প্রথম ব্যাচের অংশগ্রহণকারীরা খুব ভাগ্যবান। কারণ কোভিড -১৯ সম্পর্কিত বিধিনিষেধের তিন বছর পর এই ধরনের পরিদর্শন আবার শুরু হয়েছে।
    রাষ্ট্রদূত বলেন, এই কর্মসূচী অংশগ্রহণকারীদের চীনকে আরও ভালোভাবে অধ্যয়ন করতে সাহায্য করবে। কারণ দুই দেশের সকল দিক থেকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার নজর রয়েছে।
    দূতাবাসের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কাউন্সেলর সং ইয়াং অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন।
    সূত্র : বাসস

  • ভুটানকে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

    ভুটানকে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য ভুটানকে প্রস্তাব দিয়েছেন।
    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজ এখানে তাঁর অবস্থানস্থল ক্লারিজ হোটেলের দ্বিপাক্ষিক সভা কক্ষে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক এবং রানী জেটসুন পেমার বৈঠককালে তিনি এই প্রস্তাব দেন।
    এর আগে হোটেলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা ভুটানের রাজা ও রানীকে স্বাগত জানান।
    বৈঠকের পর শনিবার (স্থানীয় সময়) এক প্রেস ব্রিফিং-এ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছি। আপনারা ভুটানের অর্থনৈতিক অঞ্চলের মত করে আমাদের দেশে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে পারেন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁরা ইতোমধ্যে ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে দিয়েছেন।
    তিনি বলেন, আপনারা চাইলে আমরা কড়িগ্রামে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল দিতে পারি।
    ভুটানের রাজা পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রেখে তার দেশে একটি প্রশাসনিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে চাওয়ার কথা বলায় শেখ হাসিনা তাকে এই প্রস্তাব দেন।
    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুখী দেশ ভুটান, তাদের দেশের পরিবেশ বিপন্ন করতে চায় না।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে রেলপথসহ সব ধরণের যোগাযোগের উন্নয়ন করে যাচ্ছে।
    ‘বাংলাদেশ একটি সংযোগের কেন্দ্র। ভুটান বাংলাদেশের দু’টি বন্দর এবং সৈয়দপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করতে পারে। কারণ, আমরা সেগুলো এই উদ্দেশ্যে উন্মুক্ত করে দিয়েছি,’ তিনি বলেন।

    ভুটানের রাজা ও রানী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।
    ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক ভারত হয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ট্রানজিট পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভুটানের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রয়োজনে আমরা বিষয়টি নিয়ে ভারতের সঙ্গে কথা বলব।
    ভুটানের রাজা বলেন, তার দেশের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু’জনেই বাংলাদেশে পড়ালেখা করায় বাংলাদেশের প্রতি তাদের বিশেষ অনুরাগ রয়েছে।
    তিনি বলেন, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উভয়েই একান্তে বাংলাদেশ সফর করতে চান।
    জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের জন্য আমার দরজা সব সময় খোলা।
    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ৫০ মিনিটের বৈঠকে তাঁরা বিভিন্ন পারিবারিক বিষয়েও আলোচনা করেন এবং ভুটানের রাজা ও রানী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাদের খালা মনে করে আন্তরিকতা প্রকাশ করেন।
    প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এম নজরুল ইসলাম এবং যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম প্রমুখ ব্রিফিং-এ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস