Category: অর্থনীতি

  • রিজার্ভের মর্যাদা হারাচ্ছে ডলার

    রিজার্ভের মর্যাদা হারাচ্ছে ডলার

    রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বব্যাপী মার্কিন ডলার ব্যবহার থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতাকে দ্রুততর করেছে।

    মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে, প্রত্যাশার চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে রিজার্ভের মর্যাদা হারাচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলার। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বিষয়টি সামনে এসেছে।

    খবরে বলা হয়েছে, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর মস্কোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার পাহাড় দাঁড় করায় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো।

    লন্ডন-ভিত্তিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংস্থা ইউরিজোন-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিফেন জেন এ সংক্রান্ত সতর্ক বার্তা দিয়েছেন।

    স্টিফেন জেনের বরাত দিয়ে ব্লুমবার্গ বলছে, গত দুই দশকের তুলনায় গত বছর বৈশ্বিক রিজার্ভে ডলারের অংশ ১০ গুণ দ্রুত কমেছে। কিছু দেশ রাশিয়ার সম্পদ জব্দ করার পরই এই প্রক্রিয়া গতি পায়। যেসব দেশ ডলারের রিজার্ভ কমানোর চেষ্টা করছে, তারা সুইফট সিস্টেম থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য বিকল্প পথের অনুসন্ধান করতে শুরু করে।

    খবরে বলা হয়েছে, গত বছর ‘ওয়াইল্ড এক্সচেঞ্জ’ হারের উঠানামার জন্য ২০১৬ সালের পর থেকে ডলার তার বাজারের শেয়ার প্রায় শতকরা ১১ ভাগ হারিয়েছে। ২০০৮ সালের চেয়ে তা দ্বিগুণ হয়েছে। এসব তথ্য দিয়েছেন জেন এবং তার ইউরিজন সহকর্মী জোয়ানা ফ্রেয়ার।

    তাদের তথ্য বলছে, ডলার এখন মোট বৈশ্বিক রিজার্ভের শতকরা ৫৮ ভাগের প্রতিনিধিত্ব করে, ২০০১ সালে যা ছিল শতকরা ৭৩ ভাগ।

  • করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা

    করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা

    আগামী অর্থবছরের বাজেটে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৪ লাখ টাকা করার দাবি জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)। এখন ব্যক্তি শ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ। সেই সঙ্গে দেশের আবাসন খাতের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পাঁচ থেকে ১০ বছরের জন্য বিনা প্রশ্নে ফ্ল্যাট কিনে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বহাল রাখা দরকার বলেও মনে করে এফবিসিসিআই।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শক কমিটির ৪৩তম সভায়’ এ দাবি জানায় সংগঠনটি। এনবিআর ও এফবিসিআই যৌথভাবে এই সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

    সংস্থাটির মতে, ফ্ল্যাট, প্লট, বাণিজ্যিক ভবন ও বিপণিবিতানে বিনিয়োগের জন্য বিনা প্রশ্নে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুবিধা বহাল রাখা প্রয়োজন। আগামী ১০ বছর পর্যন্ত এ সুবিধা রাখা হলে দেশে এজাতীয় সম্পদ ও প্রবৃদ্ধি বাড়বে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শক কমিটির ৪৩তম সভায়’ এ দাবি জানানো হয়।

    এফবিসিসিআইয়ের পক্ষে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি। শিল্প পরিচালনার ব্যয় কমানোর জন্য আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম আয়করের (এআইটি) হার ধাপে ধাপে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন তিনি। বর্তমানে অগ্রিম আয়করের হার ৫ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, অগ্রিম আয়করের হার ৩০ জুন ২০১০ পর্যন্ত ৩ শতাংশ ছিল। তিনি বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে ব্যক্তি করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা এবং নারী ও সিনিয়র নাগরিকদের জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করছি।

    দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রদত্ত শুল্ক ও কর সুবিধার সমতায়ন এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অনুসৃত ‘আয় যেখানে কর সেখানে’ নীতিমালা গ্রহণ ও  সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি করার জন্য সকল উপজেলা পর্যায়ে আয়কর দফতর স্থাপন করার প্রস্তাব তুলে ধরা হয়৷

    এদিকে আসন্ন বাজেটকে সামনে রেখে আরও বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব তুলে ধরে সংগঠনটি। এফবিসিসিআইয়ের প্রস্তাবনাগুলো হলো- শুল্কায়ন, পণ্য খালাস এবং সকল প্রকার শুল্ক ও কর পরিশোধ ত্বরান্বিত করার জন্য অনলাইন প্রক্রিয়াসহ ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো (এনএসডব্লিউ) সংক্রান্ত কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

    উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি পর্যায়ে আরোপিত সকল শুল্ক ও কর এবং খালাস প্রক্রিয়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা, বিশ্ব কাস্টমস সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক উত্তম ব্যবস্থাবলীর সাথে সংগতিপূর্ণ করা।

    ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কার্যকর করে ফাঁকি দেওয়া কর আদায়ের জন্য প্রণোদনা হিসাবে নিয়মিত স্কেলের বেতন ভাতাদির অতিরিক্ত হিসেবে কর কর্মকর্তাকে পুরস্কার দেওয়ার বিধান বাতিল করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে কর আদায়ে হয়রানি বন্ধ হবে বলে করছে এফবিসিসিআই।

    প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, রাজস্ব আহরণ এবং রাজস্ব পলিসি কার্যক্রম পৃথক করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন বিভাগ গঠন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

    প্রস্তাবনায় বলা হয়, উৎপাদনশীল এবং রপ্তানিমুখী গ্রামীণ ও ক্ষুদ্র শিল্পসহ নারী উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে খাতভিত্তিক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে যৌথ ব্যবস্থাপনায় বন্ডেড ওয়্যার হাউজ এবং বিতরণ ব্যবস্থা স্থাপনের মাধ্যমে ই-কমার্সের সাথে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম করা। উৎপাদন এবং রপ্তানি বৃদ্ধির সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট সকল রপ্তানি এবং শিল্প খাতে করমুক্ত রেয়াতি হারে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ইত্যাদি সরবরাহের সংস্থান করা।

     

  • ঈদের ছুটিতে পুঁজিবাজার সব ধরনের সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে

    ঈদের ছুটিতে পুঁজিবাজার সব ধরনের সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এর বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স অবস্থান করছে ৬ হাজার ২২৮ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে, যা গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে ৫ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। এ ছাড়া ডিএসইএস সূচক শূন্য দশমিক ৮১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৪০ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক অবস্থান করছে ২ হাজার ২০২ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে। এটি গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭৮ পয়েন্ট।

    মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) পুঁজিবাজারে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস শেষে এ তথ্য জানা যায়।

    ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মঙ্গলবার সব ধরনের সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। সূচক উত্থানের একই অবস্থা অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। পাশাপাশি উভয় পুঁজিবাজারেই বেড়েছে লেনদেন।

    ডিএসইর বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স অবস্থান করছে ৬ হাজার ২২৮ দশমিক ৬৫ পয়েন্টে, যা গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে ৫ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। এ ছাড়া ডিএসইএস সূচক শূন্য দশমিক ৮১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৪০ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক অবস্থান করছে ২ হাজার ২০২ দশমিক ৮৪ পয়েন্টে। এটি গত কার্যদিবসের তুলনায় বেড়েছে শূন্য দশমিক ৭৮ পয়েন্ট।

    এ ছাড়া মঙ্গলবার ডিএসইতে ৩১১টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭২টি কোম্পানির, কমেছে ৪৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

    ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণও। এদিন লেনদেন হয়েছে ৫৫৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের কার্যদিবস থেকে ১১৫ কোটি ৪ লাখ টাকা বেশি। গত কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৪৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার।

    লেনদেনের শীর্ষে ছিল ইউনিক হোটেল। এ ছাড়া জেমিনি সি ফুড, এপেক্স ফুটওয়্যার, ইস্টার্ন হাউজিং, জেনেক্স ইনফোসিস, আমরা নেটওয়ার্কস, সি পার্ল, নাভানা ফার্মা, ওরিয়ন ইনফিউশন ও বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ছিল শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায়।

    দেশের অপর পুঁজিবাজার সিএসইতেও এদিন বেড়েছে সূচকের পরিমাণ। মঙ্গলবার সিএসইতে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৩৫৩ দশমিক ৭০ পয়েন্টে। এ ছাড়া সিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৫১ পয়েন্ট ও সিএসসিএক্স সূচক ৬ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩ হাজার ৪০২ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে ও ১০ হাজার ৯৯৯ দশমিক ৮৯ পয়েন্টে।

    সিএসআই সূচক শূন্য দশমিক ৩৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫১ দশমিক ৬৯ পয়েন্টে। বেড়েছে সিএসই-৫০ সূচকও। সূচকটি শূন্য দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩১৪ দশমিক ০৯ পয়েন্টে।

    সিএসইতে এদিন বেড়েছে লেনদেনও। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছে ৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা শেয়ার। গত কার্যদিবসে ৪ কোটি ৬৪ লাখ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল। লেনদেন কমেছে ১ কোটি ৭ লাখ টাকা।

    সিএসইতে ১১৮টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩৬টির, কমেছে ২৬টি ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৬টির কোম্পানির শেয়ার দর।

  • বসুন্ধরা সিটিতে দেশের প্রথম জুয়েলারি পার্ক হতে যাচ্ছে

    বসুন্ধরা সিটিতে দেশের প্রথম জুয়েলারি পার্ক হতে যাচ্ছে

    স্বর্ণ শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এ উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো বিশ্বমানের বিশেষায়িত জুয়েলারি পার্ক হতে যাচ্ছে রাজধানীর অভিজাত শপিংমল বসুন্ধরা সিটিতে।

    বসুন্ধরা সিটির লেভেল-৭ এ বিশেষ একটি জোনে হবে এই পার্ক। যেখানে মিলবে আকর্ষণীয় ও অত্যাধুনিক ডিজাইনের গহনার সমাহার। এতে অগ্রাধিকার পাবেন দেশীয় স্বর্ণ শিল্পের উদ্যোক্তারা।

    এই পার্কে অগ্রাধিকার পাবেন দেশীয় স্বর্ণ শিল্পের উদ্যোক্তারা। বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি লিমিডেট (বিজিআরএল) ডিস্ট্রিবিউশন হাব হিসেবে এখানে কার্যক্রম চালাবে। বিজিআরএল থেকে উৎপাদিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার বাজুস জুয়েলারি পার্ক ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলের মাধ্যমে বিপণন করা হবে।

    সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের স্বর্ণ শিল্পের এক অভূতপূর্ব সাফল্যের অংশীদার বাজুস। স্বর্ণ শিল্পের এই বৃহৎ সংগঠনটি দেশের স্বর্ণ খাতের সুষ্ঠু বিকাশ, উন্নয়ন এবং বিপণনের পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

    বাজুস জানায়, সংগঠনটি বরাবরই দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে বদ্ধপরিকর। এ কারণে সংগঠনটি দেশীয় মুদ্রার পাচার রোধে নানাবিধ উদ্যোগও ইতোমধ্যে গ্রহণ করেছে। বাজুস জুয়েলারি পার্ক দেশীয় মুদ্রা পাচার রোধে, হুন্ডির মাধ্যমে অবৈধ ক্রয়-বিক্রয় রোধে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

    এই পার্কে বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি লিমিডেট (বিজিআরএল) ডিস্টিবিউশন হাব হিসাবে নিজেদের কার্য পরিচালনা করবে। বিজিআরএল থেকে উৎপাদিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালঙ্কার বাজুস জুয়েলারি পার্ক ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলের মাধ্যমে বিপণন করা হবে।

  • পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে এটিএম বুথে

    পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে এটিএম বুথে

    ঈদুল ফিতরের ছুটিতে গ্রাহকের সুবিদার্থে ব্যাংকের অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), অনলাইন-পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) সার্বক্ষণিক সচল থাকার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    একই সঙ্গে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে এবং মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন লেনদেনের সুবিধা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপর এক সার্কুলারে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। সার্কুলারটি দেশের সব ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার বা পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ওই বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

     

  • ঈদের আগে ৩ দিন ব্যাংক খোলা থাকবে যেসব এলাকায়

    ঈদের আগে ৩ দিন ব্যাংক খোলা থাকবে যেসব এলাকায়

    পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।  এর আগেরদিন বুধবার শবে কদরের ছুটি। ফলে বুধবার থেকেই শুরু হচ্ছে ঈদকেন্দ্রিক ছুটি। এসময় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বন্ধ থাকবে সব বাণিজ্যিক ব্যাংক। তবে তৈরি পোশাকশিল্প এলাকায় শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-বোনাসসহ অন্য ভাতা পরিশোধ ও রপ্তানি বিল বিক্রয়ের সুবিধার্থে ঈদের আগে তিনদিন সীমিত পরিসরে ব্যাংক খোলা থাকবে।

    পবিত্র ঈদুল ফিত‌রের আগে ১৯, ২০ ও ২১ এপ্রিল (বুধ, বৃহস্প‌তি ও শুক্রবার) সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে বাণিজ্যিক ব্যাংক। আজ বৃহস্প‌তিবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অব সাইট সুপারভিশন থেকে এসংক্রান্ত নির্দেশনা জা‌রি করা হয়েছে।

    নির্দেশনায় বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগামী ২০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় তফসিলি ব্যাংকের শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে। ত‌বে আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বে তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রপ্তানি বিল বিক্রয়ের এবং উক্ত শিল্পে কর্মরত শ্রমিক, কর্মচারী, কর্মকর্তাদের বেতন, বোনাসসহ অন্যান্য ভাতাদি পরিশোধের সুবিধার্থে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকের তৈরি পোশাকশিল্প সংশ্লিষ্ট শাখাসমূহ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ১৯, ২০ এবং ২১ এপ্রিল সরকারি ছুটির দিন সীমিতসংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, ১৯ ও ২০ এপ্রিল বুধবার ও বৃহস্প‌তিবার সকাল সা‌ড়ে ৯টা থে‌কে দুপুর ১টা পর্যন্ত লেন‌দেন হ‌বে আর অফিস চল‌বে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত। এর ম‌ধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মি‌নিট থে‌কে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাক‌বে।

    ২০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল সা‌ড়ে ৯টা থে‌কে দুপুর সা‌ড়ে ১২টা পর্যন্ত লেন‌দেন হ‌বে আর অফিস চল‌বে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এর ম‌ধ্যে দুপুর ১টা ১৫ মি‌নিট থে‌কে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাক‌বে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • নতুন নোটের বাজার জমে উঠেছে

    নতুন নোটের বাজার জমে উঠেছে

    ঈদ মানেই খুশি-আনন্দ। আর ছোটদের ঈদে নতুন টাকা এ আনন্দ অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাই তো ছোটদের মুখে হাসি ফোটাতে বড়রা কিনে নেন নতুন টাকার বান্ডিল। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে এরই মধ্যে জমে উঠেছে নতুন টাকার বাজার। চাহিদাও বেড়েছে।  এই সুযোগে নতুন টাকার দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে ব্যাংক থেকে নতুন টাকা পেতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে না।

    ঈদে সালামি পাওয়া শিশুদের মূল আকর্ষণের একটি। ঈদের সকালে বড়দের কাছ থেকে সালামি পাওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনতে থাকে তারা। নতুন চকচকে টাকায় ঈদি বা ঈদ সালামি তাদের আনন্দকে বাড়িয়ে তোলে বহুগুণ। শুধু শিশুদেরই নয়, বড়দেরও নতুন নোটে সালামি দেওয়ার রীতি বহুদিনের। এ কারণে ঈদের আগে অনেকেই সংগ্রহ করে থাকেন নতুন টাকা। কেউবা সংগ্রহ করেন ব্যাংক থেকে, কেউবা সংগ্রহ করেন পথের পাশে বসে থাকা নতুন টাকা বিক্রেতার কাছ থেকে।

    রাজধানীর গুলিস্তানে মাওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামের উল্টো পাশে, আন্ডার পাসের পাস ঘেঁসে রাস্তার ওপর বিক্রি হচ্ছে নতুন নোট। বুধবার (১২ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা দেখা যায়, জমে উঠেছে নতুন টাকা কেনাবেচার বাজার। নানা বয়সী ক্রেতারা ঈদের আমেজকে গায়ে জড়িয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন নতুন টাকা। তবে বিক্রেতারা জানান, ঈদ কাছাকাছি চলে আসলেও তাদের আশানুরূপ বিক্রি হচ্ছে না।

    ঈদে বকশিস দেওয়া ও নেওয়া দুটিই বেশ আনন্দদায়ক ও উপভোগ্য। বাবার সঙ্গে ঈদ উপলক্ষে নতুন নোট কিনতে আসা ১২ বছরের শিশু মো. শাকিল হোসেনও জানালো এমনটাই। তার ভাষায়, প্রতি বছরই বাবার সঙ্গে নতুন নোট কিনতে আসি, খুবই ভালো লাগে। নতুন টাকা দিয়ে কী হবে জানতে চাইলে শাকিল বলে, ঈদের দিন সালামি হিসেবে এই নতুন নতুন টাকাগুলো সবাইকে দেওয়া হবে। বড় ভাইয়া আপু সবাইকে। আমিও পাবো। আবার আমি আমার ছোট চাচাতো-মামাতো ভাইবোনকে ঈদের বকশিস দেবো।

    কদমতলী জিয়া নগর থেকে আসা জুনায়েদ খান বলেন, ১৪ হাজার ৫০০ টাকার নতুন নোট কিনেছি আমি। এর মধ্যে একশো, বিশ, দশ ও পাঁচ টাকার নোটের বান্ডিল কেনা হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে সবাইকে সালামি দেওয়া হবে। তাই এই নতুন নোট কেনা হলো। প্রতি বছরই আমাদের কেনা হয়। এই গুলিস্তান থেকেই কিনি।

    ব্যাংক থেকে কেন সংগ্রহ করেন না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংক থেকে তো আসলে আমাকে এভাবে ভেঙে ভেঙে নোট নিতে দেবে না। আবার আমি চাইলেই একটা একশো বা বিশ এভাবে কিনতে পারবো না। এখান থেকে খুচরা কিনতে পারি। তাই এখান থেকেই কিনি।

    নতুন টাকার বিক্রেতা মো. নাজিমউদ্দীন বলেন, আমি নতুন টাকা বিক্রি করি, আবার পুরাতন টাকাও কিনি। ছেঁড়ার ওপর নির্ভর করে পনের থেকে বিশ শতাংশ কমে আমরা পুরাতন বা ছেড়া নোট কিনি। আর নতুন নোট বিক্রি করি একেকটা একেক দামে। যেমন একশো টাকার এক বান্ডিল আমি বিক্রি দেড়শো টাকা বেশিতে। বড় নোটের থেকে ছোট নোটের দাম বেশি। আমি যে দাম দিয়ে কিনি তার থেকে বিশ টাকা বেশি দিয়ে বিক্রি করি। আমার লাভ সীমিত। ঈদের আগে যে বিক্রিটা হয় সেটা  এখনও শুরু হয় নাই। তবে সাধারণ সময়ের থেকে বিক্রি বেড়েছে এটা সত্য।

    এই নতুন টাকা কোথা থেকে আনেন জানতে চাইলে বিক্রেতারা জানান, তারা এসব নোট ব্যাংক থেকেই কিনে আনেন। তবে সরাসরি ব্যাংক থেকে তারা পান না। কয়েকজনের হাত ঘুরে তাদের হাতে আসে।

    মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি করেন জাহেরুল ইসলাম জাহিদ। ঈদে ছোট বাচ্চাদের সালামি দেওয়ার জন্যই মূলত এই নতুন নোট কেনা বলে জানান তিনি। জাহিদ বলেন, আমি প্রতি বছরই নতুন নোট কিনি। ব্যাংক থেকে কিনলে আসলে ভালো। কারণ ব্যাংকে অতিরিক্ত টাকাটা দিতে হয় না। এখানে তো আমার অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। কিন্তু ওখানে (ব্যাংকে) গেলে বড় লাইন ধরতে হয়। অনেক সময় চলে যায়। এটাও একটা কারণ ওখানে না যাওয়ার।

    বিক্রেতারা জানান, এখন নতুন নোটের দাম কিছুটা বেশি। কারণ ব্যাংক থেকে নতুন নোট এখন বেশি দিচ্ছে না। আবার প্রতিদিনই ওঠানামা করছে নতুন এসব টাকার দাম। একেকজনের কেনার ওপর বিক্রির মূল্যেও রয়েছে ভিন্নতা।  যদিও বিক্রেতারা জানান, সবার কাছে একই মূল্যে নতুন নোট বিক্রি হচ্ছে। তবে সরেজমিনে নতুন টাকার এসব দোকান ঘুরে দেখা যায় তাদের মধ্যে রয়েছে মূল্যের ভিন্নতা।

    মো. আমিনুল ইসলাম নতুন টাকার বিক্রেতা। দুই বছর ধরে তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে তিনি এই ব্যবসা করছেন। বড় ভাই অনেক আগে থেকেই এই ব্যবসায় জড়িত। ঈদের বাজারে নতুন টাকার দাম জানিয়ে আমিনুল বলেন, দশ টাকার এক বান্ডিল (এক হাজার নোট) আমরা বিক্রি করছি দশ হাজার দুইশো টাকায়। পঞ্চাশ টাকার বান্ডিল (১০০টি নোট) বিক্রি করছি পাঁচ হাজার দুইশো পঞ্চাশ টাকায়। আর একশো টাকার বান্ডিলে তিনশো টাকা বেশি নিচ্ছি। আর পুরাতন টাকার কন্ডিশন বুঝে ৫ থেকে ২০ শতাংশ কমিয়ে আমরা সেগুলো রাখি।

    ঈদ কাছাকাছি চলে আসলেও বেচাকিনি তেমন হচ্ছে না বলে জানান আমিনুল। তবে অন্য সময়ের থেকে সামান্য বিক্রি বেড়েছে। অন্যসময় প্রতিদিন গড়ে আয় হয় সাত থেকে আটশো টাকা।  ঈদ উপলক্ষে তা হাজার টাকা ছুঁয়েছে।

    উল্লেখ্য, ঈদের আনন্দ-উৎসবকে কেন্দ্র করে বাড়তি চাহিদার কারণে এবারও বাজারে নতুন নোট ছেড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  ঈদ উপলক্ষে বাজারে ছাড়া হচ্ছে ১৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট। তবে এটা অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুটা কম। রবিবার (৯ এপ্রিল) থেকে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের ৩২ ব্যাংকের ৪০ শাখার মাধ্যমে নতুন নোট বিনিময় শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শাখাগুলো থেকে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ সাড়ে আট হাজার টাকা সংগ্রহ করতে পারছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র  মো. সারওয়ার হোসেন বলেন, এবারের ঈদে মোট ১৫ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  একজন সর্বোচ্চ সাড়ে আট হাজার টাকার নতুন নোট নিতে পারবেন বলেও জানান তিনি।

  • জাপানের বিনিয়োগের স্বর্গভূমি হতে পারে চট্টগ্রাম: মেয়রকে রাষ্ট্রদূত

    জাপানের বিনিয়োগের স্বর্গভূমি হতে পারে চট্টগ্রাম: মেয়রকে রাষ্ট্রদূত

    জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনরি বলেছেন, ‘বন্দর ও সড়ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কাস্টমসহ প্রশাসনিক জটিলতা কমানো গেলে জাপানের বিনিয়োগের স্বর্গভূমি হতে পারে চট্টগ্রাম।’
    রাষ্ট্রদূত বলেন, এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ ঘটেছে। তাই ব্যবসা ক্ষেত্রের বৈচিত্র আনয়নে জাপানি বিনিয়োগ বাংলাদেশে ভারী শিল্পের বিকাশ ঘটাতে পারে।’

    জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনরি আজ সোমবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন।

    বৈঠকে মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম ঐতিহাসিকভাবেই বন্দর ও বাণিজ্য নগরী হিসেবে বিখ্যাত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের এই বাণিজ্য সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে টানেল নির্মাণ, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন খাতে বিশাল বিনিয়োগ করেছেন। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উন্নয়নে আড়াই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দিয়েছেন। এ প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রামে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে যা চট্টগ্রামকে বিশ্বের বাণিজ্যিক হাবে পরিণত করবে। এই উন্নয়নে জাপানকে পাশে চাই।

    তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে চট্টগ্রামের যে বিপুল বাণিজ্যিক সম্ভাবনা আছে তা কাজে লাগাতে উন্নত মানের যোগাযোগ এবং লজিস্টিকস গড়ে তোলার চেষ্টা করছি আমি। জাইকাসহ জাপানের সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলো এক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে পারে। জাপানের অর্থনৈতিক সহায়তার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত জ্ঞান আর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমি নান্দনিক চট্টগ্রাম গড়তে চাই।’

    মেয়রকে আশ্বস্ত করে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনরি বলেন, জাইকার পাশাপাশি প্রাইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপ মডেলে বিনিয়োগ করে জাপানি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো চট্টগ্রামের অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

    বাংলাদেশে বাণিজ্য প্রসারে জাপান আগ্রহী জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, চট্টগ্রাম ও মিরসরাই ইপিজেডে জাপানের অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে। বর্তমানে চট্টগ্রামে জাপানের সবচেয়ে বড় কর্পোরেশনগুলোর একটি নিপ্পন স্টিলসহ বড় ২০টি শিল্পগ্রুপ বাণিজ্যিক কর্মকা- পরিচালনা করছে এবং আরো অনেক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। পর্যাপ্ত সহযোগিতা পেলে এই বিনিয়োগ অনেক গুণ বাড়তে পারে।

    বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নের গতিধারাকে বেগবান করতে জাপান সবসময় সহযোগিতা করে আসছে বলে মন্তব্য করেন রাষ্ট্রদূত।
    এসময় চট্টগ্রাম সফররত জাপানি সামরিক জাহাজ জেএস উরাগা এবং জেএস আয়াজি’র সাথে আসা প্রতিনিধি দল মেয়রকে বলেন, জাপান পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নির্মাণের সংকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সহযোগিতা চায়।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুন নাহার, মেয়রের একান্ত সচিব ও প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মুনিরুল হুদা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী মীর্জা ফজলুল কাদের, মো. শাহীনুল ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা উজালা চাকমা, জনসংযোগ ও প্রটোকল কর্মকর্তা আজিজ আহমদ।

    আরো উপস্থিত ছিলেন জাপানি জাহাজ বহরের নেতৃত্বে থাকা ক্যাপ্টেন নাকাই ইচি, অনাবাসিক ডিফেন্স এটাচি ক্যাপ্টেন তাচিবানা হিরোশি, কমান্ডার মাতসুনাগা আকিহিতো, তাগুচি তাকুমি, প্রথম সচিব ইগাই ইয়ুকা, দ্বিতীয় সচিব কোবায়াশি য়ুশিহাকি।

    সূত্রঃ বাসস

  • ভরিতে দুই হাজার টাকা কমেছে স্বর্ণের দাম

    ভরিতে দুই হাজার টাকা কমেছে স্বর্ণের দাম

    দেশের বাজারে রেকর্ড প‌রিমাণ বেড়ে‌ ভরি প্রায় লাখ টাকা ছুঁয়েছিল স্বর্ণের দা‌ম। এবার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ৯৮৩ টাকা ক‌মিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে ৯৭ হাজার ১৬১ টাকা। এতদিন যা ছিল ৯৯ হাজার ১৪৪ টাকা।

    সোমবার (১০ এপ্রিল) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি সমিতি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ১১ এপ্রিল থেকে কার্যকর করা হবে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ১৯৮৩ টাকা কমিয়ে ৯৭ হাজার ১৬১ টাকা করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক হাজার ৯২৪ টাকা কমিয়ে ৯২ হাজার ৭২৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১৬৩৩ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে ৬৬ হাজার ২৫২ টাকা করা হয়েছে।

    সোনার দাম কমানো হলেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের রুপার দাম প্রতি ভ‌রি ১ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১০৫০ টাকায় অপরিবর্তিত আছে।

  • প্রবাস আয়, প্রতিদিন আসছে ৭ কোটি ডলার

    প্রবাস আয়, প্রতিদিন আসছে ৭ কোটি ডলার

    রোজার ঈদকে সামনে রেখে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে।  প্রতিবছরই রমজান মাসে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে রেমিট্যান্স তথা প্রবাস আয় বেড়ে যায়। এবারও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। রোজার শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। চলতি এপ্রিল মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত বৈধ বা ব্যাংকিং চ্যানেলে ৪৭ কোটি মার্কিন ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে এসেছে। এ হিসাবে দৈনিক গড়ে এসেছে ছয় কোটি ৮১ লাখ ডলার। চলমান ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাসের শেষে রেমিট্যান্স দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে। গতকাল রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে।
    রবিবার (৯ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চলতি মার্চের প্রথম সাত দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৭৬.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলার)। তার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ছয় কোটি ১২ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এক কোটি ২৮ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪০ কোটি ১৪ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
    গেল মার্চ মাসে বৈধ পথে ২০১ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১০৭ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ২১ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা, যা আগের মাসের চেয়ে ৪৫ কোটি ৭২ লাখ ডলার বেশি। গত ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৫৬ কোটি ১২ লাখ ডলার।
    এ ছাড়া আগের বছরের (২০২২ সালের) মার্চের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ৮.৪৯ শতাংশ বা ১৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার। গত বছর মার্চে প্রবাস আয় ছিল ১৮৫ কোটি ৯৭ লাখ ডলার।
    ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম (জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত) ৯ মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল এক হাজার ৫২৯ কোটি ডলার। আলোচ্য সময়ে ৭৪ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বেশি এসেছে।