www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩: রিজার্ভ কমার কারণ নেই, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক। তিনি বলেন, ‘এ মাসে রেমিট্যান্সসহ ডলার আসার প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে। সঙ্গে দাতা সংস্থার ঋণ যোগ হচ্ছে। কিছু খরচ হবে, তবে আয়ের চেয়ে ব্যয় কম হবে। তাই রিজার্ভ কমার কারণ নেই। ডিসেম্বরে হিসাব করে বলা যাবে। তবে জানুয়ারিতে আকুর পেমেন্ট আছে এক বিলিয়নের মতো। সব মিলিয়ে রিজার্ভ ভালো হবে বলা যায়।’
আজ বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) মেজবা উল হল হক সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা বলেন।
মেজবা উল হক বলেন, ‘বর্তমানে রিজার্ভ ১৯ বিলিয়ন ডলারের কিছু ওপরে। আইএমএফ, এডিবি, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন সোর্স থেকে আসা ১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে ডিসেম্বর শেষে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। তবে জানুয়ারি মাসে আকুর এক বিলিয়ন ডলার দায় পরিশোধ করতে হবে। তখন রিজার্ভ আবারও কিছুটা কমবে।’
তিনি বলেন, আইএমএফ এর বোর্ড সভায় ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন হলেও তা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে আগামী শুক্রবারের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে যোগ হবে।
মুখপাত্র বলেন, ‘অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে আইএমএফ এর বোর্ডসভায় এ ঋণ ছাড়ের অনুমোদন প্রামণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে আইএমএফ। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আগামীতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।’
আইএমএফ চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোট ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করে। অর্থনীতির সংকট মোকাবিলায় এ ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ অনুমোদনের পরপরই প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। আগামী ২০২৬ সাল পর্যন্ত সাড়ে তিন বছরে সাত কিস্তিতে পুরো অর্থ দেওয়ার কথা রয়েছে। ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়ের জন্য গত জুন ভিত্তিক বিভিন্ন সূচকে শর্ত পালনের অগ্রগতি দেখতে ৪ অক্টোবর আইএমএফের একটি মিশন ঢাকায় আসে। মিশনের নেতৃত্ব দেন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের প্রধান রাহুল আনন্দ।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বোর্ডসভায় ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন করে আইএমএফ।
