Category: বাংলাদেশ

  • স্থগিত হলো ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা

    স্থগিত হলো ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ নভেম্বর, ২০২৩: টানা এক সপ্তাহ পিএসসি ও পরীক্ষার্থীদের পাল্টাপাল্টি অবস্থানের পর অবশেষে স্থগিত করা হলো ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। এতে খুশি পরীক্ষার্থীরা।

    আজ শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আনন্দ কুমার বিশ্বাসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে লিখিত পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

    এতে বলা হয়, আগামী ২৭ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের সব বিভাগীয় শহরে অনুষ্ঠেয় ৪৫তম বিসিএসের সব লিখিত পরীক্ষা (আবশ্যিক ও পদ-সংশ্লিষ্ট) অনিবার্য কারণবশত কমিশন স্থগিত করেছে। পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ ও সময়সূচি যথাসময়ে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

  • আজ তিন বিভাগের আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত হবে

    আজ তিন বিভাগের আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত হবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ নভেম্বর, ২০২৩: আগামী জাতীয় নির্বাচনে রাজশাহী, খুলনা ও রংপুর এই তিন বিভাগের নৌকা প্রতীকে দলীয় প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল ১০টায় সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    রাজধানীর তেজগাঁওস্থ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    সূচনা বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন আমি আপনাদের সবাইকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ, আগামী সাধারণ নির্বাচন যে অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি বারবার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য আমরা নির্বাচন করব। এক্ষেত্রে আমরা কোন হস্তক্ষেপ করব না। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করুক।’

    তিনি আরও বলেন, ‘তাদের ভোট চুরির দরকার নেই, কারণ আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থার জরীপেও একই চিত্র তুলে ধরেছে।

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি দেশবাসীকে জাতির সেবায় আরেকবার পরিবর্তন আনতে আমার দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায় কারণ, তাদের দুই শীর্ষ নেতা দুর্নীতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দলের শীর্ষ নেতৃত্বে কেউ নেই।

    তিনি আরো বলেন, তারেকের বিরুদ্ধে এফবিআই সাক্ষ্য দিয়েছে এবং কানাডিয়ান পুলিশ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে সাক্ষ্য দিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি অতীতের মতো মনোনয়ন বাণিজ্য করতে আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারে।’

    সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা যে সংবিধান দিয়েছিলেন এবং নির্বাচনে যে নীতিমালা দিয়েছিলেন, সেখানে একটা বিষয় ছিল যে, ব্যালট পেপারের পেছনে প্রিজাইডিং অফিসারের সিল থাকবে, জিয়াউর রহমান নির্বাচনের আগে অর্ডিন্যান্স করে তা সবকিছু বাতিল করে দেয়। অর্থাৎ বাক্স ভরে ভরে রেখে দেওয়া ইত্যাদি।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিএনপি জামায়াত নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলেও আওয়ামী লীগের শক্তি দেশের জনগণ। কেউ নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে তার পরিণতি ভালো হবে না।’

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘২০১৪ সালে আত্মবিশ্বাস ছিল না বলেই জ্বালাও-পোড়াও করে তারা নির্বাচনে আসেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে অপবাদ দিলেও কেউ এখন পর্যন্ত অনিয়মের একটি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেখাতে পারেনি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন চলাকালীন সময় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসক সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে কোনো অফিসার বদলি করা, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি, এগুলো নির্বাচন কমিশনারের অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। যদি নির্বাচন কমিশন চায় তখন সেটা পরিবর্তন করা যায়, তাছাড়া করা যাবে না।’

    সরকারপ্রধান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে এসেছে, তখনই বিভিন্ন সংস্কার করেছে। যাতে নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু হয়। জনগণ তার ভোট দিতে পারে, যাতে জনগণ তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। আমরাই স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ছবিসহ ভোটার তালিকা এবং জনগণ যাতে ভোট দিতে পারে, সেক্ষেত্রে মানুষকে সচেতন করা, সেগুলো আওয়ামী লীগই করেছে। আমরা জোট করে বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে এসে, একে একে তা বাস্তবায়ন করেছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। বাজেট থেকে শুরু করে সবকিছু প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে যেত। সেই জায়গা থেকে স্বাধীন করে দিয়েছি। নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে আমরা আইন করি। যেগুলো আগে করা ছিল না। আইনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। সেখানে কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি।’

    তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে আসার মতো আত্মবিশ্বাস তাদের নেই। কারণ ২০০৮ নির্বাচনে তারা মাত্র ৩০টি সিট পেয়েছে। আর আমরা দেশ পরিচালনা করে মানুষের আস্থা অর্জন করেছি। আমরা ভোটে অনেক এগিয়ে। এটা জেনেই তারা নির্বাচনে না এসে, নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ এখন সুন্দর জীবন যাপন করছে। অনেকে এখন দেশে দেশে ফ্রিল্যান্সিং করে কাজ করছে। যারা ভূমিহীন তাদেরকে আমরা বিনা পয়সায় ঘর করে দিচ্ছি। একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না।’

    তিন বিভাগে ১০৮টি আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগের পদ প্রার্থীরা ১১২৭টি মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে খুলনা বিভাগে ৪১৬টি, রাজশাহী বিভাগে ৪০৯টি এবং রংপুর বিভাগে ৩০২টি মনোনয়ন ফরম জমা পড়েছে।

    আওয়ামী লীগ গত শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত চারদিনে বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ৩০০ আসনের জন্য ৩ হাজার ৩৬২টি মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছে। এতে দেখা যায় প্রতিটি আসনের বিপরীতে ১১টি করে ফরম বিক্রি হয়েছে।

    প্রতিটি ফরম ৫০ হাজার টাকা করে বিক্রি হওয়ায় মনোনয়নপত্র বিক্রি করে আওয়ামী লীগ মোট ১৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা আয় করেছে।

  • রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

    রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ নভেম্বর, ২০২৩: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জন্য দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভায় এ প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের এ সভা তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

    সভা শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে সংসদীয় আসন সংখ্যা ৭২টি। এর মধ্যে রাজশাহী বিভাগে ৩৯টি ও রংপুর বিভাগে ৩৩টি।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজ আমাদের মনোনয়ন বোর্ডে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের বাইরে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে আমার জানা নেই। বর্তমান সংসদ সদস্য কয়েকজন বাদ পড়ছেন। এ মুহূর্তে আমি তাদের নাম বলতে পারছি না, তবে বাদ পড়ছেন। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৫ নভেম্বর (শনিবার) প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। জোট হবে বিভিন্নভাবে। কার সঙ্গে কার জোট হবে, কোথায় গিয়ে ঠেকবে, এখন বলা মুশকিল। নির্বাচনের আগে জোট হতেও পারে, সময় আছে। এমনও হতে পারে যা আপনি ভাবছেন না, আমিও ভাবছি না।’

  • আমাদের মধ্যে খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    আমাদের মধ্যে খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ নভেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস ঢাকায় কর্মরত জাতিসংঘের কর্মকর্তাসহ বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানতে চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।’

    আজ বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নিজ দপ্তরে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস এর সাঙ্গে বৈঠক করেন তনি।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মধ্যে খুবই সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, জাতিসংঘসহ অন্যান্য বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তার জন্য আমরা কী পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা বলেছি, জনগণের নিরাপত্তা দেওয়াই আমাদের কাজ। পাশাপাশি, বিদেশি যারা আছেন, তাদের অগ্রাধিকার দিয়েই ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা এও বলেছি, যদি আপনি(গোয়েন লুইস) মনে করেন, আপনার নিরাপত্তা আরও বাড়াতে হবে, তাহলে আপনি আমাদের জানালেই সেই বিষয়টি বিবেচনা করবো।’

    সাংবাদেকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২৮ অক্টোবরের আগে সারা দেশে প্রতিদিন ৫৬৫টি মামলা হতো। কিন্তু এখন পর্যন্ত ৪৩৮টি মামলা হয়েছে। ১২৭টির মতো মামলা কমেছে। আমি আপনাদের ধারণাটা দিলাম, তারা যে বলছে রাজনৈতিক মামলায় যাকে পাচ্ছি, তাকে ধরছি, বিএনপির নেতাদের ধরছি, মামলা করছি এটা কিন্তু সঠিক নয়।’

    সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে চাপের কোনো প্রশ্নই আসে না। তারা স্বপ্রণোদিত হয়ে আসছেন। তারা সব সময় আমাদের নেতাদের বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন। তারা ইলেকশন করবেন, করতে চান। আমাদের কথা একটাই, নির্বাচন ডিক্লেয়ার হয়ে গেছে, আপনারা যেভাবে, দল ভেঙে যে নতুন দল করেছেন, সেভাবেও আসুন বা আপনারা যেভাবে আসতে পারেন, আসুন। আমাদের তরফ থেকে আপনাদের স্বাগত জানাই।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিএনপির সিদ্ধান্ত তাদের নেতাকর্মীরা মেনে নিতে পারেননি। তাদের দল দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গেছে। বিএনপি নেতারাই ভাগ করে দিয়েছেন। একটা তৈমুর খন্দকার ও শমসের মবিন চৌধুরী এবং আরেকটি বিএনপির একজন মন্ত্রী একটা দল তৈরি করেছেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন রয়েছেন। তাদের সবাই একসময় বিএনপিতে ছিলেন, এখন ভাগ হয়ে যাচ্ছেন। এখানে কাউকে জোর করতে হয়নি। তারা মনে করছেন, তাদের কেন্দ্রীয় কমিটি যে সিদ্ধান্ত দিচ্ছে, সেটা তাদের মনঃপুত হচ্ছে না। তারা নির্বাচনমুখী, সেজন্যই তারা নির্বাচনে আসছেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে এমনটা করেছেন। এ ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে জোর করা কিংবা আহ্বান জানানোর প্রশ্নই আসে না।’

  • বিবিসির প্রভাবশালী ১০০ জন নারীর তালিকায় বাংলাদেশের জান্নাতুল

    বিবিসির প্রভাবশালী ১০০ জন নারীর তালিকায় বাংলাদেশের জান্নাতুল

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৩ নভেম্বর, ২০২৩: বিবিসি ২০২৩ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী ও প্রেরণাদায়ী ১০০ জন নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় স্থান পেয়েছে দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা অ্যাক্টিভিস্ট, বাংলাদেশের জান্নাতুল ফেরদৌস।

    বিশ্বের যে সব নারী বিবিসির প্রভাবশালী ও প্রেরণাদায়ী ১০০ জন নারীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য তালিকায় আছেন মানবাধিকার আইনজীবী আমাল ক্লুনি, হলিউড তারকা আমেরিকা ফেরেরা, নারীবাদী আইকন গ্লোরিয়া স্টেইনহেম, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, সৌন্দর্য বিষয়ক উদ্যোক্তা হুদা কাতান এবং ব্যালন ডি’অর বিজয়ী ফুটবলার আইতানা বনমাতি।

    বিশ্বজুড়ে চরম উষ্ণতা, দাবানল, বন্যা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ বছরের আলোচিত বিষয় ছিল। এবারের তালিকায় এমন নারীদের স্থান দেয়া হয়েছে যারা তাদের নিজ নিজ কমিউনিটিতে জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর ক্ষতিকর প্রভাবগুলি মোকাবেলায় কাজ করছেন৷ জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের (কপ২৮) আগে প্রকাশিত এবারের তালিকায় স্থান পাওয়া ১০০ জনের মধ্যে ২৮ জন নারীই জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করেন।

     

    যেভাবে বিবিসির তালিকায় বাংলাদেশের জান্নাতুল ফেরদৌস:

    এই তালিকায় বাংলাদেশের জান্নাতুল ফেরদৌসের নাম থাকাটা অবশ্যই একটি গর্বের বিষয়। ১৯৯৭ সালে রান্না করার সময় জান্নাতুলের ওড়নায় আগুন লাগে। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে যায়। পুড়ে–কুঁচকে বিকৃত হয় মুখ ও শরীরের একটা অংশ। আগুনে পুড়ে যাবার যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পেতে বিগত কয়েক বছর ধরে তার শরীরে প্রায় ৫০ বার অস্ত্রোপচার করা হয়। পুড়ে যাওয়া অংশে চামড়া প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এর পরেও তার জীবন সংগ্রম থেমে থাকেনি। বিবিসি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হেয়েছে তিনি হাল ছাড়েননি। লেখালেখি থেকে শরু করে নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্র। জান্নাতুল ভয়েস অ্যান্ড ভিউজ নামের একটি মানবাধিকার সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা যারা অগ্নিদগ্ধ নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করে।

    পরিবার ও বন্ধুদের কাছে আইভি হিসেবে পরিচিত এই নারী পাঁচটি শর্ট ফিল্ম তৈরী করেন এবং তিনটি উপন্যাস প্রকাশ করে প্রতিবন্ধীতা নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষদের বিষয়ে সচেতনতা তৈরী করেন।

    জান্নতুল ফেরদৌস ইংরেজী সাহিত্যে মাস্টার্স ও ডেভেলপম্যান্ট স্টাডিজে ডিগ্রীধারী। এছাড়াও তার রয়েছে পড়ালেখার বিশেষ শখ। আর এভাবেই তিনি বাংলাদেশে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেন।

     

    বিবিসি যেভাবে ১০০ জন নারী নির্বাচন করে থাকেন:

    বিবিসির বিভিন্ন ভাষা বিভাগ এবং মিডিয়া অ্যাকশনের পরামর্শ এবং নিজেদের গবেষণা থেকে বিবিসি ১০০ নারী বিভাগ একটি ছোট তালিকা তৈরি করে। বিবিসি কতৃপক্ষ জানায়, আমরা এমন সব নারীদের খুঁজেছি, যারা গত ১২ মাসে তাদের কর্মকাণ্ডের দ্বারা সংবাদ তৈরি করেছেন অথবা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে প্রভাবিত করেছেন, অথবা তাদের সমাজকে এমনভাবে প্রভাবিত করেছেন যা হয়তো সংবাদে আসেনি।

    আমরা একটি তালিকা বাছাই করেছি এ বছরের প্রতিপাদ্যের সাথে সঙ্গতি রেখে – জলবায়ু পরিবর্তন ও বিশ্বব্যাপী নারী-কিশোরীদের ওপর তার নেতিবাচক প্রভাব। সেই তালিকা থেকে জলবায়ু নিয়ে কাজ করা ও অন্যান্য পরিবেশ বিষয়ের নেতৃত্ব দেয়া ২৮ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছি আমরা।

    তালিকাটিতে আমরা এটা নিশ্চিত করতে চেয়েছি যাতে সকল সমাজের সকল স্থরের প্রতিনিধিত্ব থাকে। আমরা এমন সব বিষয় তুলে এনেছি যা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে এবং এমন নারীদের মনোনীত করেছি যারা তাদের নিজেরা পরিবর্তন নিয়ে এসেছেন।

    তালিকাটি আঞ্চলিকভাবেও যেন প্রতিনিধিত্বমূলক এবং নিরপেক্ষ হয় তাও বিবেচনা করা হয়েছে। এই তালিকায় থাকার ব্যাপারে প্রত্যেক নারী সম্মতি দিয়েছেন।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে কমনওয়েলথের পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক

    আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে কমনওয়েলথের পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইস্যুতে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে কমনওয়েলথের প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের বৈঠক হয়েছে। আজ বুধবার (২২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।

    বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খানসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ আরও কয়েক নেতা অংশ নিয়েছেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ওবায়দুল কাদের।

    সাংবাদিকদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচন কীভাবে করবে সেটি পুরোপুরি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ব্যাপার। নির্বাচন সম্পন্ন করার একটি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে। এই সময়সীমার ভেতরে থেকে ভোট সম্পন্ন করতে হবে। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশন যদি মনে করে ভোট কিছুদিন পেছানো দরকার সেটি তারা করতে পারে। এখানে আওয়ামী লীগ বা সরকারের কিছু বলার নেই।’

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা এবং নির্বাচন কমিশনকে আইনগত কাঠামো দিয়ে যুক্ত করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। সংসদীয় আইনের মাধ্যমে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় আইনের সংস্কার করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেসব পদক্ষেপ নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে গণতন্ত্রের দিক থেকে পারফেক্ট কোনো দেশ আছে কি না এমন প্রশ্ন করা হয়েছে কমনওয়েলথ প্রতিনিধিদের। এত অপপ্রচারের পরেও নির্বাচনের জন্য কমনওয়েলথ প্রতিনিধিরা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, এটা একটি পজিটিভ বিষয়।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি আসবে না বলেই নির্বাচন একতরফা হবে এটা ঠিক নয়, অনেকেই নির্বাচনে অংশ নেবে। একটি দলকে ঘিরে নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হতে পারে না।’

    বিদেশিদের মতামত প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কারো নেতিবাচক কোনো মতামত দেখিনি, তবে বিদেশিদের মতামতে আমাদের মাথাব্যথাও নেই।,

  • কল্যাণ পার্টিসহ তিন জোটের যুক্তফ্রন্ট অংশ নেবে নির্বাচনে

    কল্যাণ পার্টিসহ তিন জোটের যুক্তফ্রন্ট অংশ নেবে নির্বাচনে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২২ নভেম্বর, ২০২৩: কল্যাণ পার্টিসহ যুক্তফ্রন্ট নামের নতুন এক জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। ত্মপ্রকাশের দিনে দলীয় সরকারের অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছাপোষণ করেছে সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমের নেতৃত্বাধীন ‘যুক্তফ্রন্ট’।

    আজ বুধবার (২২ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে।

    সংবাদ সম্মেলনে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বীর প্রতীক নতুন জোটের আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দিয়ে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নেয়ার কথা জানান।

    সৈয়দ ইবরাহিম আরও বলেন, ‘গত ১৬ বছরে যোগ্যতা, সাহস ও আগ্রহ থাকার পরও অনুকূল পরিবেশ না থাকায় সংসদে যেতে পারিনি। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমাদের সিদ্ধান্ত কারও পছন্দ হবে, কারও পছন্দ হবে না। সমালোচনা থাকবে। দালাল, বিশ্বাসঘাতক, মীর জাফর হয়ে গেছি বলে সমালোচনা হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে সমালোচনা করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সংকটময়।’

    কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিএনপি তাদের অবস্থানে আছে। বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানানোর পরিবর্তে সংলাপের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতি আহ্বান জানাব, গ্রহণযোগ্য পরিবেশে সংলাপে বসুন। জাতির মঙ্গলের জন্য সিদ্ধান্ত নিন।’

    সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমার রাজনৈতিক অক্ষমতা এই যে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে পেরে উঠছি না। ২৮ অক্টোবরের পরে সুনির্দিষ্ট একটা অবস্থা এসে দাঁড়িয়েছে। যেখানে পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। চুপ থাকব নাকি বিকল্প ব্যবস্থা নেব। আমি বিকল্প অবস্থান নিয়েছি, নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।’

    তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের পর বিরোধী দলের বেঞ্চে বসাই আমাদের আগ্রহ।’

    কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘যুক্তফ্রন্ট আগামী নির্বাচনে ১০০ আসনে প্রার্থী দেবে।’

    নতুন যুক্তফ্রন্ট জোটের মধ্যে রয়েছে -বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, মুসলীম লীগ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মহাসচিব জাফর আহমেদ জয়, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের চেয়ারম্যান শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী প্রমুখ।

    গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। তফসিল অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    এ ছাড়া মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল ও নিষ্পত্তি ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৭ ডিসেম্বর, প্রতীক বরাদ্দ ১৮ ডিসেম্বর এবং নির্বাচনী প্রচারণা ১৮ ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারির ৫ তারিখ পর্যন্ত চলবে।

    সৈয়দ ইবরাহিম জানান, ‘নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ার তারিখ ৩০ নভেম্বর থেকে পেছানো হতে পারে। নির্বাচনের ভোটগ্রহণসহ অন্যান্য তারিখও পেছানো হতে পারে বলে।’

  • সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতির  শ্রদ্ধা

    সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শিখা অনির্বাণে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন ।

    সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসে শিখা অনির্বাণের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্র প্রধান শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছুক্ষণ সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    এ সময় তাঁকে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল অভিবাদন জানায়। এসময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

    পরে শিখা অনির্বাণ চত্বরে রাখা দর্শনার্থী বইতেও স্বাক্ষর করেন রাষ্ট্র প্রধান।

    এরআগে শিখা অনির্বাণে পৌঁছালে তিন বাহিনীর প্রধানগণ এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তারা রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।

    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ চালায়।

    দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই ঐতিহাসিক দিনটিকে প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

    মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

  • একজন মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

    একজন মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: একজন মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না, বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘অর্জন করতে হলে জনগণের শক্তি দরকার হয়। জনগণ পাশে থাকতে হয়। জনগণের কল্যাণ করতে হয়। জনগণের অকল্যাণ করে পুড়িয়ে মেরে কোনো কিছু অর্জন করা যায় না।’

    আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেওয়া এবং ২০২২-২৩ সালে সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্ত সদস্যদের পদকে ভূষিতকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবার কল্যাণ কামনা করি, শান্তি কামনা করি। আমি জানি অগ্নিসন্ত্রাস বা জ্বালাও-পোড়াও মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তোলে। আমি জানি না একটা মানুষ কীভাবে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এটা করতো।’

    সরকারপ্রধান বলেন,‘ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসার ঘটিয়ে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। আজকের বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটা ধরে রেখেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা, সেজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করি।’

    স্বাধীনতাযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা দেওয়ার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য শান্তিকালীন কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শান্তিকালীন পদক প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যরা এবং বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সমন্বিত আক্রমণ সূচনা করে। সেই আক্রমণের ফলে আমাদের বিজয় ত্বরান্বিত হয় এবং ফলশ্রুতিতে আমরা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ অর্জন করি।

    তিনি এসময় মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে তাঁর সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের উল্লেখ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারই প্রথম ২০০০ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বর্তমানে ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ৪৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের উত্তরাধিকারীকে মুক্তিযোদ্ধা সম্মানি ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের উত্তরাধিকারীদের বছরে দু’টি উৎসব ভাতা, বিজয় দিবস ভাতা এবং নববর্ষ ভাতা তাঁদের নিজ নিজ একাউন্টে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সরাসরি প্রদান করা হচ্ছে। যুদ্ধাহত ও শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে সম্মানী ভাতা ও উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।’

    এছাড়াও বিশেষ আবেদনের প্রেক্ষিতে ভাতাপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণকে শিক্ষা ভাতা, কন্যা বিবাহ অনুদান এবং দেশে-বিদেশে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। ২০২১-২২ অর্থ বছর হতে সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করার পাশাপাশি সকল মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনিদেরকে মেধাভিত্তিক স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ছাত্রবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ের উপর প্রতি বছর পিএইচডি ডিগ্রির জন্য বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    এরসঙ্গে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিজ জেলা ব্যতীত সার্কিট হাউস অথবা ডাক বাংলোয় অবস্থান, সরকারি পরিবহনসমূহে সর্বোচ্চ শ্রেণিতে ফ্রি চলাচল, বাংলাদেশ বিমানের অভ্যন্তরীণ রুটে বছরে একবার ফ্রি যাতায়াত এবং আন্তর্জাতিক যে কোন রুটে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহারসহ বিনা ভাড়ায় বছরে দুইবার যাতায়াত করতে পারছেন। খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বহনকারী গাড়ি টোল ফ্রি, পর্যটন কর্পোরেশের হোটেল/মোটেলে বিনা ভাড়ায় বছরে একবার দুই রাত্রি যাপন এবং জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে সপরিবারে অবস্থান করার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার উত্তরাধিকারীগণ রেশন, বিদ্যুৎ, গ্যাস ইত্যাদি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সশস্ত্র বাহিনী হতে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘বর্হিবিশ্বের যে সকল বরেণ্য রাষ্ট্রনায়ক, রাজনীতিবিদ, দার্শনিক, শিল্পী-সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সংগঠন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ঐতিহাসিক অবদান রেখেছেন তাঁদেরকে সম্মাননা প্রদানের লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ‘বাংলাদেশ স্বাধীনতা সম্মাননা’, ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ এবং ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ প্রদান করা হচ্ছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের গতি অব্যাহত রেখেই দেশকে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

    তিনি বলেন, ‘ইতিহাস থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে এবং ভবিষ্যতের দিকে আমরা এগিয়ে যাব জ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে আমরা শিক্ষা-দীক্ষায় এগিয়ে যাব। বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বে আমাদের স্থান করে নেব। ’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। কারণ, আমাদের উন্নয়ন শহর কেন্দ্রিক নয়, প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল পর্যায় পর্যন্ত আমরা উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দিতে পেরেছি।’

    তিনি বলেন, ‘তাঁর সরকার নানা ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে দেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা এনে দিতে পেরেছে।’

    বাংলাদেশ ২০২৬ সাল থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যাত্রা শুরু করবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এর প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

    শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট দেশে পরিণত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

    এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং তিন বাহিনীর প্রধানগণ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

    সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

    সূত্র: বাসস

  • শত প্রচেষ্টার পরেও অবৈধভাবে লোক বিদেশে যাচ্ছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    শত প্রচেষ্টার পরেও অবৈধভাবে লোক বিদেশে যাচ্ছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২১ নভেম্বর, ২০২৩: শত প্রচেষ্টার পরেও অবৈধভাবে লোক বিদেশে যাচ্ছে, বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

    আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    গ্লোবাল ফোরাম অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট-জিএফএমডি ১৪তম সামিট উপলক্ষে জাতীয় প্রস্তুতিমূলক সভার যৌথভাবে আয়োজন করে পররাষ্ট্র, প্রবাস কল্যাণ ও  বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম।

    অনুষ্ঠানে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘অভিবাসন একটি জটিল ইস্যু। তবে বৈশ্বিক জিডিপির ১০ শতাংশই আসে অভিবাসন খাত থেকে। আমরা নিরাপদ ও টেকসই অভিবাসন নিশ্চিত করতে চাই। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। তবে শত প্রচেষ্টার পরেও অবৈধভাবে লোক বিদেশে যাচ্ছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘নিরাপদ অভিবাসনের লক্ষ্যে জিএফএমডি কাজ করছে। জিএফএমডির ১৪তম সামিটে আমাদের চিন্তার প্রতিফলন ঘটাতে চাই।’

    অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘বাংলাদেশের অভিবাসীরা কঠোর পরিশ্রমী। তবে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা আন্তর্জাতিকমানের দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।’

    প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনীরুস সালেহীন বলেন, ‘জলবায়ু ঝুঁকির ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বে অভিবাসী বাড়ছে। দেশের মধ্যে জলবায়ু ঝুঁকি প্রবণ এলাকায় কর্মীদের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বাড়াতে  উদ্যোগ  নিতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে, ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি মাসদুপুই ও বাংলাদেশে আইওএম মিশন  প্রধান আবদুসাত্তোর ইসব বক্তব্য রাখেন ।