Category: বাংলাদেশ

  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫ জন: শিক্ষামন্ত্রী

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫ জন: শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: ২০২৩ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫ জন। গত বছর যা ছিল ১ লাখ ৬২ হাজার ৮২।

    সে হিসেবে মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৮৩ হাজার ৭৮৭ জন।

    আজ রবিবার (২৬ নভেম্বর) বেলা আড়াইটায় সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান। এরআগে সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২১ সালে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন, ২০২০ সালে ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭ জন, ২০১৯ সালে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন।

    আর চলতি বছরে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীদের জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা বেশি। ৪৩ হাজার ২৩০ জন ছাত্র এবং ৪৯ হাজার ৩৬৫ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৬ হাজার ১৩৫ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৯৫ জন।

    এ বছর বিদেশের আটটি কেন্দ্রে মোট ৩২১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এরমধ্যে পাস করেছে ৩০৩ জন। পাসের হার শতকরা ৯৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

    সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান এবং বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা কী

    বাংলাদেশে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা কী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: আগামী ২০২৪ সালের সাতই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল তফসিল ঘোষণার সময় এই তথ্য জানিয়েছেন। এই নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয়ে গেছে নির্বাচনী প্রচারণা। সাধারণত রাজনৈতিক নেতারাই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে থাকেন। কিন্তু বিগত কয়েক বছর  ধরে দেখা গেছে ক্রীড়াবিদ, অভিনয় ও গানের শির্ল্পী, অবসরপ্রপ্ত সরকারী কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদরাও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কিন্তু আমরা কি জানি একজন সংসদ সদস্য হতে গেলে কি কি যোগ্যতা লাগে। এখন আমরা সেসব বিষয়ে  কিছু জেনে নেবো।

    এই নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে ৩০শে নভেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে পহেলা ডিসেম্বর থেকে আগামী চৌঠা ডিসেম্বর পর্যন্ত।

    প্রার্থী হতে হলে বাংলাদেশের নাগরিকদের কিছু যোগ্যতা থাকতে হবে। কিন্তু সেগুলো আসলে কী?

     

    সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা কী:

    বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে-

    ১. কোন ব্যক্তিকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং তার বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।

    ২. কোন আদালত কতৃক ওই ব্যক্তিকে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল বলে ঘোষণা করা হয়নি

    ৩. কোন ব্যক্তি বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করলে বা বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার বা ঘোষণা করলে তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না।

    ৪. কোনো ব্যক্তি নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধের দায়ে দুই বছরের কারাদণ্ডের পর মুক্তি পাওয়ার পাঁচ বছর পার না হলে তিনি প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন।

    ৫. কেউ দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী হলে প্রার্থী হতে পারবেন না।

    ৬. সরকারের কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে তিনি প্রার্থী হওয়ার যোগ্য হবেন না।

     

    সংবিধান ছাড়াও ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১২ ধারাতেও সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

     

    কোন ব্যক্তি প্রার্থী হতে পারবেন না যদি:

    ১. তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত না থাকেন

    ২. তিনি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন না পান বা স্বতন্ত্র প্রার্থী না হন

    ৩. সরকারি কোনো লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন

    ৪. যেকোন কারণে কোনো ব্যক্তির উপর কোনো আসনে তার নির্বাচন অবৈধ বলে ঘোষিত হয় এবং এই ঘোষণার পর পাঁচ বছর পার না হয়।

    ৫. তিনি দুর্নীতির কারণে কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত না হন এবং এই ঘটনার পর যদি পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়।

    ৬. সরকারি কর্তৃপক্ষ বা প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ বা অবসর গ্রহণ করলে ওই পদত্যাগ বা অবসরের পর তিন বছর পার না হলে তিনি সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। সরকার বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ সহজ করে বলতে গেলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যদি না তার অবসরের পর তিন বছর পার না হয়।

    ৭. কোন ব্যক্তি সরকারের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্কে জড়িত থাকলে তিনি সংসদ সদস্য পদে লড়তে পারবেন না। পণ্য সরবরাহ, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং আইনি পরামর্শমূলক সেবাও ব্যবসায়িক সম্পর্কের আওতায় পড়ে।

    ৮. বিদেশি কোন রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান বা তহবিল গ্রহণ করে এমন কোন বেসরকারি সংস্থার কার্যনির্বাহী পদে কর্মরত থাকলে বা এই পদ থেকে পদত্যাগ বা অবসরের পর তিন বছর পার না হলে তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না।

    ৯. এমন কোন কোম্পানি বা ফার্মের অংশীদার হলে যারা কোন ব্যাংক থেকে ঋণ পরিশোধ বা কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলে

    ১০. মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা সরকারের সেবাদানকারী কোন সংস্থানের কোনো বিল মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে সাত দিনের মধ্যে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলেও তিনি প্রার্থী হতে পারবেন না।

     

    প্রার্থী হিসেবে কেউ যোগ্য হলে পরবর্তী ধাপ হিসেবে তাকে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।

     

    মনোনয়নপত্রে যেসব তথ্য দিতে হয়:

    নির্বাচন কমিশন থেকে প্রকাশিত নির্দেশিকার তথ্য অনুযায়ী, প্রার্থীর মনোনয়ন পত্রে তার ব্যক্তিগত বিভিন্ন তথ্য যেমন প্রার্থীর নাম, ঠিকানা, বৈবাহিক অবস্থা, জন্মতারিখ, ভোটার নম্বর, ভোটার তালিকায় ক্রমিক নম্বর, ভোটার এলাকার নাম, উপজেলা, জেলার তথ্য দিতে হয়। এর সাথে আরো যেসব তথ্য দিতে হয় তা হলোঃ

    ১. প্রার্থীর পক্ষে প্রস্তাবকের নাম ও ভোটার নম্বর, সমর্থকের নাম ও ভোটার নম্বর, প্রস্তাবক ও সমর্থকের স্বাক্ষর।

    মনোনয়নপত্রের সাথে হলফনামা দিতে হবে। হলফনামার মধ্যে প্রার্থী নিজের এবং তার উপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের আয়ের উৎস ও দায়ের বিস্তারিত তথ্য, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিবরণ, দায়ের হিসাব, এর আগে নির্বাচনে জয়লাভ করে থাকলে ভোটারদের দেয়া প্রতিশ্রুতি এবং তার কী পরিমাণ অর্জন করা হয়েছে তার বিস্তারিত বর্ণনা, ঋণের হিসাবের বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করতে হয়।

    এছাড়া হলফনামার মধ্যে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সে সম্পর্কিত নথি, বর্তমানে বা অতীতে কোন ফৌজদারি মামলা থাকলে সে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যও হলফনামায় তুলে ধরতে হবে।

    ২. নির্বাচনে ব্যয় নির্বাহ করার জন্য অর্থের উৎসের বিবরণ, নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য ব্যাংক একাউন্ট নম্বর ও ব্যাংকের নাম, আয়করের তথ্য, সম্পদ ও দায় এবং বাৎসরিক আয় ও ব্যয়ের হিসাব, সম্পদের বিবরণী সম্বলিত রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ কপি এবং কর পরিশোধের প্রমাণপত্রের কপি সংযুক্ত করতে হবে। নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য তফসিলি ব্যাংকে প্রার্থীর নামে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং সেই একাউন্ট নম্বর ফরমে উল্লেখ করতে হবে। এটি মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আগেই করতে হবে। এই ব্যাংক হিসাব থেকেই সব নির্বাচনী ব্যয় সম্পাদন করতে হবে।

    ৩. একই সাথে ওই প্রার্থী যে রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পাবেন সেই দলের মনোনয়নের কপি সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে।

    ৪. আর স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ১৯৭২ এর ১২(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংযুক্ত করে জমা দিতে হবে। এসব নথির মধ্যে রয়েছে, তিনি সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্যবসায়িক কোন সম্পর্ক বা সরকারি কোন প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন কিনা সে বিষয়ক তথ্য।

    ৫. জামানত হিসেবে জমাকৃত ব্যাংক ড্রাফট বা পে-অর্ডার বা ট্রেজারি চালান বা রশিদের কপি জমা দিতে হবে।

    ৬. এর আগে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে কিনা এবং নির্বাচিত হয়ে থাকলে সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। যেমন তিনি কততম সংসদ নির্বাচনে কোন নির্বাচনী এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন তার নাম ও নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

    ৭. আর এর আগে নির্বাচিত হয়ে না থাকলে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তিনি যে নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রার্থিতা করবেন তার নাম ও নম্বর উল্লেখ করে ওই এলাকার এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা সংযুক্ত করতে হবে।

     

    মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কারণ:

    ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ১৪ নম্বর বিধান অনুসারে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাছাইয়ের পর সেটি বাতিল বা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন রিটার্নিং অফিসার।

    প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল কেন হয় সে বিষয়ে এর আগে বিবিসি বাংলার সাথে কথা বলেছিলেন সাবেক নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালউদ্দীন আহমেদ।

    তিনি সেসময় জানিয়েছিলেন, জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদের প্যানেল যাচাই করে থাকে যে, মনোনয়ন পত্রে যেসব তথ্যগুলো চাওয়া হয়েছে প্রার্থীরা সেগুলো যথাযথভাবে দিয়েছেন কিনা।

     

    মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার কিছু কারণ থাকে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:

    ১. প্রার্থীর নামে ফৌজদারি মামলা থাকলে বা প্রার্থী যদি কোনো তথ্য গোপন করেন তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।

    ২. প্রার্থী অভিযুক্ত আসামী হলে তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে।

    ৩. প্রার্থী ঋণ খেলাপি হলে তার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে।

    ৪. এমনকি প্রার্থী যদি মনোনয়ন পত্রে ভুলবশত: স্বাক্ষরও না করেন, তাহলেও তার বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

    ৫. মনোনয়নপত্র যদি অসম্পূর্ণ থাকে যেমন হলফনামা কিংবা আয়কর রিটার্নের কপি সংযুক্ত করা না হলে মনোনয়নপত্র বাতিল হতে পারে।

    তবে নাম বা ঠিকানায় ভুলের মতো ছোটখাটো ভুলত্রুটিকে সাধারণত উপেক্ষা করা হয়। কিন্তু বড় ধরণের ভুলের ক্ষেত্রে নমনীয় হওয়ার কোন সুযোগ থাকে না।

    মনোনয়ন পত্র বাতিল হলে কি নির্বাচনের সুযোগ আছে?

    রিটার্নিং অফিসারের বিবেচনা সাপেক্ষে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল হলেও সেই প্রার্থীর সামনে নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য কিছু বিকল্প রয়েছে।

    রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক বাতিল হওয়ার পর প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রাথমিক পর্যায়ে আপিল করতে পারেন।

    নির্বাচন কমিশনও যদি প্রার্থীর আবেদন বাতিল করে দেয় তখন প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবেন। হাইকোর্ট যদি তার আবেদন মঞ্জুর করেন তাহলে ঐ প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ নভেম্বর, ২০২৩: ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলে গড় পাসের হার ৭৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার কমেছে ৭ দশমিক ৩১ শতাংশ। গত বছর পাসের গড় হার ছিল ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

    আজ রবিবার (২৬ নভেম্বর) বেলা ১১টায় ওয়েবসাইট ও স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফল প্রকাশ করা হয়। এর আগে সকাল ১০টায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    দুপুর ২টায় সংবাদ সম্মেলনে ফলের সার্বিক বিষয় তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, পাসের হারেও এগিয়ে ছাত্রীরা। ছাত্রীদের পাসের হার ৮০ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ৭৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯২ হাজার ৩৬৫ শিক্ষার্থী । গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮২ জন।

    ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৮০ দশমিক ৬৫ শতাংশ, চট্টগ্রামে ৭৩ দশমিক ৮১ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ ও রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ বলে জানা গেছে।

    গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়েছিল এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৪২ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮৭ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৭০ হাজার ৪৫৫ জন। সারাদেশে মোট কেন্দ্র সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৬৫৮টি এবং মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৯ হাজার ১৬৯টি। এর আগে ২০২২ সালে সব বোর্ড মিলিয়ে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন। সেই হিসাবে এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৫ জন ।

     

    যেভাবে জানা যাবে ফল :

    বেলা ১১টায় পর স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd  এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

    সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে। ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়া এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। ফিরতি ম্যাসেজে ফল পাওয়া যাবে।

    ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২৩ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে (যেমন HSC Dha 123456 2022 send to 16222)। ফিরতি এসএমএসেই ফল পাওয়া যাবে।

    আলিমের ফল পেতে ALIM লিখে স্পেস দিয়ে Mad লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২৩ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। কারিগরি বোর্ডের ক্ষেত্রে HSC লিখে স্পেস দিয়ে Tec লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২৩ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠালে ফিরতি এসএমএসে ফল জানানো হবে।

  • প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন

    প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ নভেম্বর, ২০২৩: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা । তিনি সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি।

    আগামী রোববার (২৬ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে গণভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

    আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা জানানো হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সব সদস্য এবং আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সব প্রার্থীকে (জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, মনোনয়ন পত্রের রিসিভ কপি, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনলাইন ফরমের ফটোকপিসহ যথাসময়ে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

    সূত্র: বাসস

  • যাদের জনপ্রিয়তা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

    যাদের জনপ্রিয়তা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ নভেম্বর, ২০২৩: যাদের জনপ্রিয়তা আছে তাদেরই মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও বলেন, মনোনয়নের ব্যাপারে শরিকদের কথা এখনই আমরা ভাবছি না।’

    আজ শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নতুন-পুরাতন মিলিয়েই আমরা মনোনয়ন দিচ্ছি। যেখানে পুরোনোরা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে সেখানে আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে। ইলেকট্যাবল ক্যান্ডিডেট যারা সেটাই হচ্ছে বিচারের মানদণ্ড। এছাড়া কতজনকে বাদ দেব, কতজন রাখব এ ধরনের সংখ্যা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আমাদের মাথায় রয়েছে কাকে দিলে আমাদের দল নির্বাচনে জনগণের কাছে অধিকতর যোগ্য হবে।’

    শরিকদের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা ১৪ দলীয় জোটের চেয়ারম্যান। আমরা শরিকদের বিষয়ে এখনো ঠিক করিনি। কারণ জোটের বিপরীতে জোট হয়। এখানে আমাদের প্রতিপক্ষের যদি একটা বড় জোট করি সেখানে সেটার বিপরীতে আমাদের জোট হবে। তাছাড়া আমরা কেন অহেতুক জোট করতে যাব। প্রয়োজন না থাকলে জোট করব না। জোট করব যাদের নিয়ে মানুষের কাছে তাদের গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।’

    সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগামীকাল রবিবার বিকেল চারটায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউর কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দল মনোনীত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।’

  • আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না: তথ্যমন্ত্রী

    আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ নভেম্বর, ২০২৩: আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না, উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পোড়ায়, হাসপাতালে হামলা চালায়, কোরআন পোড়ায়, গাড়ি ও স্কুল ঘর পোড়ায়, তারা কোন রাজনৈতিক দল নয়। এগুলো কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিও নয়। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ হয়। কিন্তু আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করা যায় না। বরং তাদের নির্মূল করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

    আজ শনিবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের জামালখান সড়কে ‘বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ’ শীর্ষক ম্যুরাল ও তথ্যচিত্র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি। গত ১৪ জুন সমাবেশে যাওয়ার সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা ইতিহাস ঐতিহ্যের তথ্যচিত্রগুলো ভাঙচুর করে। এরপর সেগুলো পুনরায় স্থাপন করা হয়।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াত কিছু সৃষ্টি করতে পারে না। উল্টো তারা এখন গাড়ি-ঘোড়া পোড়াচ্ছে, মানুষের ওপর আগুন সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ওরা দেশটাকে ধ্বংস করতে চায়। বিএনপি-জামায়াত দেশ-জাতি, সমাজ ও জনগণের শত্রু। সুতরাং এদের সবার চিহ্নিত করে রাখা দরকার। এরা যতদিন এভাবে ফণা তুলবে ততদিন দেশ ও সমাজ হুমকির মুখে থাকবে।’

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে। তাদের অনুকরণে বিএনপি-জামায়াত পুলিশ হাসপাতালে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। রাজনীতির নামে পেট্রোল বোমা দিয়ে আগুন সন্ত্রাস দুনিয়ার কোনো জায়গায় হয়নি। যেটি বিএনপি-জামায়াত করেছে। সুতরাং এরা দেশ-জাতি এবং সমাজের শত্রু। সুতরাং এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘আজকে বাচ্চারা নির্ভয়ে স্কুলে যেতে পারছে না। এর মধ্যে একটি স্কুল ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে। এই বাচ্চারা কী অপরাধ করেছে ? আমাদের সরকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে, পুলিশ বাহিনীর পক্ষ থেকেও করা হয়েছে, কেউ আগুন সন্ত্রাস চালালে কিংবা কেউ চালানোর উদ্যোগ নিচ্ছে এরকম জানতে পারলেও তাদের ধরিয়ে দেবেন। তাহলে এদেরকে নির্মূল করা সম্ভব হবে।’

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য গত ১৪ জুন বিএনপি-জামায়াতের মিছিল থেকে এখানে থাকা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও ইতিহাস ঐতিহ্যের চিত্রগুলো ভাঙচুর করা হয়। তারা ভাঙচুর করে শুধু ক্ষান্ত হয়নি, ভাঙচুর করার সময় তারা উল্লাসও করেছে। অর্থাৎ এগুলো ধ্বংস করে তারা উল্লসিত হয়েছে। আজকে আবার সেগুলোকে নতুন আঙ্গিকে স্থাপন করা হয়েছে।’

    আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ  আরও বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের এই অবরোধ কেউ মানছে না। রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া চলছে, অফিস আদালত খোলা। স্কুল-কলেজও খোলা। তারা কিছু কিছু জায়গায় পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে মানুষের মাঝে ভয় সঞ্চার করা ছাড়া আর কিছু করতে পারেনি।’

  • আগামীকাল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে

    আগামীকাল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৫ নভেম্বর, ২০২৩: আগামীকাল রবিবার (২৬ নভেম্বর) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে । এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।

    আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সূত্রে জাান গেছে, কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

    সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে। ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।

    এছাড়াও এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে।

    যেমন- ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

    গত ১৭ আগস্ট ৮টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট। ১১ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।

  • সংবিধান মেনেই দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে: ইসি রাশেদা সুলতানা

    সংবিধান মেনেই দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে: ইসি রাশেদা সুলতানা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ নভেম্বর, ২০২৩: সংবিধান মেনেই দেশে একটি সুন্দর, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে, বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা। তিনি বলেন, হরতাল-অবরোধ কে দেবে, না দিবে তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কিছুই করার নেই। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছে। ভোটের পরিবেশ তৈরি আছে এবং তৈরি থাকবে, তা যেকোনোভাবেই হোক। আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে। সংবিধান মেনেই দেশে একটি সুন্দর, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে।

    আজ শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের সভাকক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

    ইসি রাশেদা বলেন, ‘ভোটের তারিখ পেছানোর কোনোরকম সম্ভাবনা নেই। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মিডিয়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মিডিয়ার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আগে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট আদায়ের চেষ্টা করা হত। সেখানে কোনো শাস্তির বিধান ছিল না। এখনকার নির্বাচন কমিশন ভোটারদের কোনোরকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে তাকে শাস্তির আওতায় আনার বিধান করেছে। এ সময় তিনি ভোটারদের রাতের আধারে ভয়ভীতি প্রদর্শন করলে নিকটতম আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর জন্য আহ্বান জানান।’

    এই ইসি বলেন, ‘ভোটাররা যাতে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনও এসব বিষয়ে বেশ আন্তরিক আছে। আগামী ৭ জানুয়ারি যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তার জন্যই নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে আজকের এই পরিস্থিতিমূলক সভা।’

    এর আগে সকাল ১০টায় বিভাগীয় সদর দপ্তরে কমিশনারের কার্যালয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন রাশেদা সুলতানা। সভায় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মো. আবদুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান ছাড়াও রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সকল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার হাবিবুর রহমান।

  • চারটি বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে: সেতুমন্ত্রী

    চারটি বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ নভেম্বর, ২০২৩: চারটি বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।এসেময় তিনি আরও বলেন, বিএনপির এখনো নির্বাচনে আসার সুযোগ আছে।

    আজ শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেনসহ অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, চারটি বিভাগের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়েছে। আগামীকাল শনিবার না হলেও রবিবার মধ্যে ৩০০ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী কারা, তা ঘোষণা করতে পারব। নতুন অনেকে এসেছেন, কিছু বাদও পড়েছে। উইনেবল (সম্ভাব্য জয়ী) প্রার্থী আমরা বাদ দেইনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা যখন বিভাগের নাম ঘোষণা করি তখন ভিড় বেড়ে যায়, নির্দিষ্ট বিভাগ শুনলে পিড়াপীড়ি শুরু হয়ে যায়। কীভাবে নাম বাহির করা যায়। সে কারণে বিভাগের নাম ঘোষণা করছি না।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা মনোনয়নের ব্যাপারটা সুনির্দিষ্ট করে এখন বলছি না, কারণ এর মধ্যে আমরা যে সকল প্রার্থী দিয়েছি, সেসব মনোনয়নে ভুলত্রুটিও থাকতে পারে। সেটাও সংশোধনের একটা সুযোগ রেখেছি। এ কারণে আমরা ঠিক করেছি— ভিন্নভাবে, জেলাভাবে বা বিভাগভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করবো না। একসঙ্গে ৩০০ আসনের প্রার্থিতা ঘোষণা করতে চাই।’

  • কৃষকরা বাংলাদেশকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন: মতিয়া

    কৃষকরা বাংলাদেশকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন: মতিয়া

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ নভেম্বর, ২০২৩:  কৃষকরা বাংলাদেশকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন, উল্লেখ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যদি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ না হই, আমাদের দৈনন্দিন চাহিদায় আমরা যদি স্বয়ংসম্পূর্ণ না হই, তাহলে আমরা চিরদিন বাঁকা হাসি এবং করুণার পাত্র হয়ে থাকবো। আমি আজকে দেশের সমগ্র কৃষিবিদকে আমার ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা জানাই, আপনারা বাঁকা ঠোঁটের হাসি থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছেন। আপনারা বাংলাদেশকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন। এক সময় ভাবা হতো সবাই কৃষি কাজ পারে, কিন্তু বাস্তব সত্য হচ্ছে সবাই কৃষি কাজ পারে না।’

    আজ শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (কিআইবি) মিলনায়তনে ‘সিনিয়র কৃষিবিদ সম্মিলন ২০২৩’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    সাবেক কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষিবিদদের সমস্যা এবং সম্ভাবনার দিকে ভালোভাবে পর্যালোচনা হওয়া দরকার। শুধু সমস্যার সমাধান একমাত্র সমাধান নয়, সম্ভাবনাকেও পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার পথে কৃষিবিদদের পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করতে হবে।’

    তিনি আরও বলেন, আমি আপনাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে বিনম্রভাবে একটি কথা বলতে চাই, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলেই বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়, অন্য সময় হয় না, কেন হয় না এইখানে নিষ্ঠা এবং দূরদর্শিতা দুটিরই অভাব ছিল বলে এটা হয় নাই। আগামী দিনে যারা আসছেন কৃষি বিজ্ঞান ও সেক্টরে কাজ করার জন্য তাদের কাছে কৃষির সম্ভাবনার দিকটা তুলে ধরার জন্য আমি আপনাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করবো।

    মতিয়া চৌধুরী বলেন, দেশে কৃষিবিদরা এক সময় অবহেলিত ছিল। কিন্তু আজকে কৃষিবিদ শুনলে একটু চোখ তুলে তাকানোর অবস্থা হয়েছে। এটা আপনাদের কৃতিত্ব এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ অবদান।

    কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, আ. লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর।