Author: Hello Bangla News

  • শিক্ষার সাথে কর্মের সংযোগ ঘটানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

    শিক্ষার সাথে কর্মের সংযোগ ঘটানোর নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

    শুধু শিক্ষা বা সার্টিফিকেট দেয়ার জন্য নয় বরং শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এমনভাবে শিক্ষা দিতে হবে যাতে তারা বিকশিত হতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সবাইকে শিক্ষার সাথে কর্মের সংযোগ ঘটাতে হবে।’

    শুক্রবার (৩ মার্চ) কিশোরগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন রাষ্ট্রপতি।

    তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগ খোলার ক্ষেত্রেও বাস্তবতা ও শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দেয়ার ও তাগিদ দেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, মনে রাখবেন শুধু জ্ঞান দান শিক্ষার উপজীব্য হতে পারে না। এমন শিক্ষা দিতে হবে যাতে শিক্ষার্থীরা বিকশিত হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে সমাজের বাতিঘর, যা থেকে সবসময় আলো ছড়ায়, মানবিকতার বিকাশ ঘটায় এবং সমাজকে আলোর পথ দেখায়।

    ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ছাত্র-শিক্ষকের বাইরে স্থানীয় জনগণকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি হামিদ।

    তিনি আরও বলেন, শিক্ষার সঙ্গে কর্মের সংযোগ ঘটাতে হবে। দেশের বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন অনেক বিভাগ রয়েছে, যেখানে লেখাপড়া করলে হয়তো জ্ঞানার্জন সম্ভব হবে, কিন্তু কর্মসংস্থানের সুযোগ একেবারেই সীমিত। শিক্ষার্থীরাও বুঝে না বুঝে- বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি, এই ভাব ধরার জন্য এসব বিভাগে ভর্তি হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয় আচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ, সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টায় এ এলাকার শিক্ষা ও উন্নয়নের মাধ্যম হয়ে ওঠবে।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হাওড়া অঞ্চলের সামাজিক উন্নয়নে যথাযথ ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে।

    তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

    রাষ্ট্রপতি হামিদ উল্লেখ করেন, “বিশ্ববিদ্যালয় অর্জিত জ্ঞানের গুদামঘর নয়। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান যা থেকে জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাতাদের আবির্ভাব ঘটে। নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে।”

    রাষ্ট্রপ্রধান কিশোরগঞ্জের এই নতুন বাতিঘরকে লালন করা ও পৃষ্ঠপোষকতা দিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, “আমরা চাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কিশোরগঞ্জ, শুরু থেকেই গুণেমানে সমৃদ্ধ একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে পরিচালিত হোক। যুগের চাহিদা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম নির্ধারণ করতে হবে।”

    হাওড়বেষ্টিত জেলা কিশোরগঞ্জে ভাটি এলাকায় বিগত ১২/১৪ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এখন আমাদের ছেলেমেয়েরা যাতে লেখাপড়ায় ভাল করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    তিনি বলেন, অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত বেকারের চেয়ে শিক্ষিত বেকারের বোঝা পরিবার ও সমাজের জন্য অনেক বেশি কষ্টের। তাই খেয়াল রাখতে হবে যে, শুধুমাত্র শিক্ষার জন্য শিক্ষা বা সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করাবেন না।

    “শিক্ষিত জনশক্তি দেশের জনসম্পদ-” বঙ্গবন্ধুর এই কথাটি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “আমি বাংলাদেশে এমন ব্যবহারিক শিক্ষার প্রসার চাই, যা দ্বারা প্রতিটি নাগরিক দেশের প্রয়োজন ও চাহিদা অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তুলতে পারবে”।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাল করতে না পারলে কিশোরগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয় হলেও ভর্তির সুযোগ পাওয়া যাবে না।

    রাষ্ট্রপতি এলাকার ছেলে-মেয়েরা যাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এ ভর্তি হতে পারে এবং লেখাপড়া শেষে পরিবার ও দেশের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে সে ব্যাপারেও বাবা-মা, অভিভাবকসহ সকলকে আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান।

    তিনি এলাকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজগুলোতে লেখাপড়ার পরিবেশ ও মানোন্নয়নের বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “মনে রাখতে হবে অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন শিক্ষার বিস্তার ও মানোন্নয়নের জন্য যথেষ্ঠ নয়।”

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. জেড এম পারভেজ সাজ্জাদ ও সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ জাকিয়া নূর লিপি, অন্যান্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। –বাসস

  • বঙ্গবন্ধু’র শেষ ভাষণ হতে পারতো ৩ মার্চের ভাষণ

    বঙ্গবন্ধু’র শেষ ভাষণ হতে পারতো ৩ মার্চের ভাষণ

    পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের সভায় একটি ইশতেহার পাঠ করা হয়, যেখানে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। বঙ্গবন্ধু সেই দিনের বক্তৃতায় বলেছিলেন, ‘হয়তো এটাই আমার শেষ ভাষণ। … আমি যদি নাও থাকি, আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যাতে না থামে।’ তিনি বলেছিলেন, তার যদি মৃত্যুও হয়, সাত কোটি মানুষ যেন স্বাধীন দেশ দেখতে পায়। ১৯৭১ সালের ৪ মার্চ বিস্তারিতভাবে সেই দিনের নির্দেশনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।

    ১ মার্চ সংবাদ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেছিলেন যে ৭ মার্চ তিনি বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সম্পর্কিত কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। মার্চের প্রথম দিনের পর থেকেই একের পর এক পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। তার আগে ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ এবং শ্রমিক লীগের যৌথ সমাবেশে তিনি যে বক্তব্য রাখেন, সেখান থেকেই মানুষ মূল বার্তাটি পেয়ে গিয়েছিল। আন্দোলন যেভাবে দানা বাঁধছিল তাতে পাকিস্তানের প্রশাসন ধরেই নিয়েছিল– বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রস্তুতি শুরু হতে চলেছে। ফলে দমন-পীড়ন বাড়ছিল।

    ওই পরিস্থিতিতেই পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদের ডাকা ছাত্র জনসভায় উপস্থিত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেখানে তিনি অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে সেই সভায় সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহারও পাঠ করেন।

    ইশতেহারে ছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা করা হয়। ৫৪ হাজার ৫০৬ বর্গমাইল বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার সাত কোটি মানুষের আবাসিক ভূমি হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ। যে দেশে থাকবে পৃথিবীর বুকে বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতি পূর্ণ বিকাশের ব্যবস্থা। সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু করে কৃষকরাজ-শ্রমিকরাজ কায়েম করা হবে। বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলন পরিচালনার  প্রতিটি অঞ্চলে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম কমিটি’ গঠন করা হবে। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিবাহিনী গঠন করা হবে। সাম্প্রদায়িক মনোভাব পরিহার করতে হবে। ইশতেহারের স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারা অংশে বলা হয়, বর্তমান সরকারকে বিদেশি সরকার গণ্য করে— এর সব আইনকে বেআইনি বিবেচনা করা হবে। অবাঙালি সেনাবাহিনীকে শত্রু সৈন্য হিসেবে গণ্য করার পাশাপাশি সব প্রকার ট্যাক্স-খাজনা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। আক্রমণরত শক্তিকে প্রতিরোধ করতে সশস্ত্র প্রস্তুতি গ্রহণ করা হবে।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতার পথে এগুনোর চূড়ান্ত রূপরেখা মিলেছিল সে দিনই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে ঢাকায় দ্বিতীয় দিনের মতো এবং সমগ্র বাংলাদেশে প্রথম দিনের জন্য সর্বাত্মক হরতাল হয় সে দিন। যারা সে সময় ঢাকা শহরে ছিলেন, তাদের বর্ণনায় পাওয়া যায়— শহর মূলত স্তব্ধ ছিল। কী হতে চলেছে তার আন্দাজ পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু পুরো শহর ফুঁসে উঠেছে যেন।

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, দ্বিতীয় খণ্ড,  ৬৬৬-৬৭ পৃষ্ঠায়  উল্লেখ আছে— ‘এই দিন ঘোষণা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক। সেটাই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিকতা।’ এই বিবেচনায় ৩ মার্চ সুস্পষ্টভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা হয়।

  • করোনার বুস্টার ডোজ আপাতত বন্ধ

    করোনার বুস্টার ডোজ আপাতত বন্ধ

    করোনার টিকার মজুত ফুরিয়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে সাময়িকভাবে তৃতীয় ও চতুর্থ বুস্টার ডোজ দেয়া বন্ধ হচ্ছে।

    বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে টিকা বিষয়ক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর এ তথ্য জানান।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, বুস্টার ডোজ নিতে ততটা বাধ্যবাধকতা না থাকায় অনেকে নিতে চাচ্ছেন না। বিশেষ করে চতুর্থ ডোজে তেমন সাড়া মিলছে না। তারপরও বুস্টারের যত টিকা ছিল তা শেষ।

    তিনি জানান, এসব টিকা কোভ্যাক্সের মাধ্যমে আনা হয়। ইতোমধ্যে চাহিদা দেয়া হয়েছে, আসতে ৩-৪ সপ্তাহ লাগবে। আসা মাত্রই আবারও দেয়া হবে। এ দফায় ৩০ লাখ টিকা আসবে। চাহিদা অনুযায়ী আরও টিকা দেয়া যাবে।

    আহমেদুল কবীর বলেন, দেশে এখন পর্যন্ত ১৫ কোটি মানুষকে প্রথম ডোজের টিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ১৪ কোটির কাছাকাছি। তৃতীয় বা প্রথম বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ছয় কোটি এবং চতুর্থ ডোজ বা দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ছয় লাখের বেশি মানুষ।

  • সাকিব-তামিম জুটির ফিফটি

    সাকিব-তামিম জুটির ফিফটি

    সাকিব-তামিম জুটির ফিফটিতে ধকল সামাল দেয় বাংলাদেশ। চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের ম্যাচে হাল ধরেছেন সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল। এরিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের সংগ্রহ ১৬.২ ওভারের খেলা শেষে ৩ উইকেটে ৬৮ রান। ২৩ ও ২৮ রানে ব্যাট করছেন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে যায় স্বাগতিকরা। ৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া দলকে খেলায় ফেরান সাকিব-তামিম।

    শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ৩২৬ রান করে ইংল্যান্ড। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৩২ রান করেন ওপেনার জেসন রয়। ৭৬ রান করেন জস বাটলার।

    এদিন মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে সফরকারী ইংল্যান্ড দলকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৫ রানে উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। তাসকিন আহমেদের বলে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ফিল সল্ট। সাজঘরে ফেরার আগে ১৫ বলে ৭ রান করার সুযোগ পান এই তারকা ওপেনার।

    এরপর ডেভিড মালানকে সঙ্গে নিয়ে ৫৪ বলে ৫৮ রানের জুটি গড়েন ওপেনার জেসন রয়। ১৫.৩ ওভারে দলীয় ৮৩ রানে মেহেদি হাসান মিরাজের বলে আউট হন প্রথম ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করা ডেভিড মালান। তাকে ১১ রানের বেশি করতে দেননি মিরাজ।

    দলীয় ৯৬ রানে তাইজুল ইসলামের বলে আউট হন জেমস ভিন্স। ফিল সল্ট, ডেভিড মালান ও জেমস ভিন্সরা আসা-যাওয়ার মিছিলে অংশ নিলেও উইকেট কামড়ে ব্যাটিং করে যান ওপেনার জেসন রয়। তাকে সাজঘরে ফেরান সাকিব আল হাসান।

    সাকিবের বলে সুইপ করতে গিয়ে মিস করে এলবিডব্লু হন জেসন রয়। সাজঘরে ফেরার আগে ১২৪ বলে ১৮টি চার আর একটি ছক্কার সাহায্যে ১৩২ রান করেন ইংলিশ এই তারকা ওপেনার।

    ফিল সল্টের পর উইল জ্যাকসকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন আহমেদ। তার শর্ট বলে শর্ট মিডউইকেটে সাকিব আল হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন জ্যাকস। তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৩৬.৪ ওভারে ২০৮ রানে ৫ উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।

    মেহেদি হাসান মিরাজের দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরে ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার। জেসন রয় আউট হওয়ার পর একের এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন বাটলার। তাকে দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত করেন মেহেদি হাসান মিরাজ।

    নিজের বলে নিজেই ফিল্ডিং করে বাটলারকে ফেরান মিরাজ। ৪৩.৩ ওভারে ২৬০ রানে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরেন বাটলার। তার আগে ৬৪ বলে ৫টি চার আর দুই ছক্কার সাহায্যে ৭৬ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন বাটলার।

    তাসকিনের লো ফুলটসে টাইমিংটা করতে পারেননি মঈন আলি। স্কয়ার লেগে ওঠা ক্যাচিটি লুফে নেন লিটন দাস। ৩৬ বলে ৪২ রান করে থামেন মঈন। তার বিদায়ে ৪৭.৪ ওভারে ২৯৯ রানে সপ্তম উইকেট হারায় ইংল্যান্ড।

    ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলে ১৯ বলে ২ চার আর তিন ছক্কায় ৩৩ রানের ঝরো ইনিংস খেলে দলকে ৩২৬ রানে নিয়ে থামান স্যাম কারান।

    বাংলাদেশ দলের হয়ে ১০ ওভারে সর্বোচ্চ ৭৩ রান খরচ করে ২ উইকেট শিকার করেন মিরাজ। ৬৬ রানে ৩ উইকেট নেন তাসকিন। ৬৪ রানে ১ উইকেট শিকার করেন সাকিব। ৬৩ রানে কোনো উইকেট পাননি মোস্তাফিজ। ৫৮ রানে ১ উইকেট শিকার তাইজুলের।

  • ইউক্রেন খুব কঠিন সময় কাটিয়ে উঠেছে : জেলেনস্কি

    ইউক্রেন খুব কঠিন সময় কাটিয়ে উঠেছে : জেলেনস্কি

    ইউক্রেনে রুশ হামলার বছর পূর্ণ হয়েছে। তীব্র শীতের মৌসুমে আক্রমণ শানিত করেছিল রুশ সেনারা। তবে মস্কোর এ আগ্রাসন মোকাবিলা করেই ইউক্রেন টিকে আছে এবং এ কাজে পূর্ব ইউরোপের এই দেশটি ‘খুব কঠিন’ একটি শীতকাল সফলভাবে পারও করেছে। নিজের দৈনিক ভাষণে ভলোদিমির জেলেনস্কি এসব কথা বলেন। খবর এএফপির।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বুধবার ‘খুব কঠিন’ শীত থেকে বেঁচে থাকার জন্য তার দেশের প্রশংসা করেছেন। কারণ গত শীতে ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো ও স্থাপনাগুলো রাশিয়ার নিয়মিত হামলার মুখেই ছিল এবং এতে করে লাখ লাখ মানুষ অন্ধকার এবং ঠাণ্ডায় নিমজ্জিত হয়েছিলেন। আর তাই ‘কঠিন’ এই শীত থেকে বেঁচে থাকার জন্য ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার দেশের প্রশংসা করেছেন। যদিও এই শীতকাল নিয়েই ইউক্রেন নিয়ে আশঙ্কা জেগেছিল সবার মনে।

    এদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দোনেৎস্কের বাখমুত শহর থেকে পিছু হটার ইঙ্গিত দিয়েছে ইউক্রেন। কয়েক মাস ধরে বাখমুতে রাশিয়া ও ইউক্রেনীয় সেনাদের মধ্যে তীব্র লড়াই হচ্ছে। তবে গত দুই সপ্তাহে রুশ বাহিনীর হামলার তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে, সেখান থেকে এখন কৌশলগত কারণে পিছু হটার পরিকল্পনা করছেন ইউক্রেনের সেনারা।

    জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা এই শীতকালকে কাটিয়ে উঠতে পেরেছি। এটি খুব কঠিন সময় ছিল এবং প্রতিটি ইউক্রেনীয় এই অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছিলেন। কিন্তু (বারবার রুশ হামলার পরও) আমরা ইউক্রেনকে জ্বালানি এবং তাপ প্রদান করতে সক্ষম হয়েছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ইউক্রেনের জ্বালানি ব্যবস্থাপনার ওপর এখনো (রুশ হামলার) হুমকি রয়েছে।’

    প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা আলেক্সান্ডার রোদনেয়ানস্কি বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যদি প্রয়োজন হয় তা হলে ইউক্রেনীয় সেনারা সেখান থেকে সরে যাবেন।

    বাখমুত শহরটি দোনেৎস্কে অবস্থিত। গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের যে চারটি অঞ্চল অধিগ্রহণ করেন, এর মধ্যে দোনেৎস্ক একটি। বর্তমানে দোনেৎস্কের অর্ধেক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে রুশ সেনাদের হাতে। পুরো নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে তাদের অবশ্যই বাখমুত দখল করতে হবে। এর পর দোনেৎস্কের অন্য শহরগুলোর দখলও নিতে পারবে তারা।

  • শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে তৃতীয় শ্রেণি থেকে : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে তৃতীয় শ্রেণি থেকে : শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি বলেছেন, তৃতীয় শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে। এছাড়া ৬ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের কোডিং, ডিজাইন- এগুলো শেখানো হবে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি করতে আমরা শিক্ষাব্যবস্থা প্রণয়ন করছি। প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করেছি, সেটি চালু হয়েছে। ২০২৫ সাল নাগাদ প্রাথমিক ও পুরো মাধ্যমিকে বাস্তবায়ন হবে।’

    বিশ্ববিদ্যালয়টির চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) রাজধানীর আফতাব নগরে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন,  প্রতিটি পর্যায়ে বয়স অনুযায়ী সকল শিক্ষার্থী যত বিষয়ই পড়ুক না কেন, ভাষা, আইসিটি, সফট স্কিল শিখবে। ফলে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আর ধাক্কা খাবে না।

    তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা আগে মুখস্থ করতো, আত্মস্থ করতে পারতো না। এখন আনন্দের মধ্যদিয়ে শিখবে। অভিজ্ঞতাভিত্তিক সক্রিয় শিখন হবে। যা শিখবে বাস্তবে তা প্রয়োগ করতে শিখবে। এতে পরীক্ষাভীতি আর থাকবে না। পরীক্ষা কিছু থাকবে কিন্তু অধিকাংশই হবে ধারাবাহিক মূল্যায়ন।’

    ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা ছিলেন অধ্যাপক রওনক জাহান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা ভিসি অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের অন্যান্য সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এম এম শহিদুল হাসান, প্রো-ভিসি ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক মামুন, ট্রেজারার ইশফাক ইলাহী চৌধুরীসহ শিক্ষক ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • বদহজম দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

    বদহজম দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

    হোটেল রেস্টুরেন্ট, বিভিন্ন দাওয়াত বা অনুষ্ঠানে রান্না সুস্বাদু হলে অনেকেই বেশি খেয়ে ফেলেন। যার ফলে তাকে ভুগতে হয় বদহজমের সমস্যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ডিসপেপসিয়া। পেট ফাঁপা, পেটে গ্যাস হওয়া, পেট ব্যথা করা, পেটের উপরের দিকে জ্বালা-পোড়া করা, মুখে আম্লিক স্বাদ লাগা এবং বমি হওয়া এগুলোই ডিসপেপসিয়া বা বদ হজমের লক্ষণ। বদহজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ কিছু উপায় জানবো আজ।

    • প্রাচীনকাল থেকেই হজমজনিত সমস্যা দূর করার কাজে আয়ুর্বেদিক প্রতিকার হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে জিরা। অগ্নাশয় এর এনজাইম নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে হজমে সহায়তা করে জিরা। এক চামচ ভাজা জিরা এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করুন।
    • এক গ্লাস ঘোলের মধ্যে এক চামচের চার ভাগের এক ভাগ পরিমাণ গোলমরিচের গুরা মিশিয়ে পান করুন।
    • আপনারা অনেকেই দেখবেন, রেস্টুরেন্ট বা হোটেলে খাওয়ার শেষে মৌরি বীজ দিয়ে যায়। এর কারণ হলো, ইহা হজম শক্তির বৃদ্ধি করে এবং মৌরি বীজ চাবিয়ে খেলে বদহজম থেকে মুক্তিও পাওয়া সম্ভব। এই বীজ থেকে নিঃসরিত তেল অন্ত্রের পেশি সংকোচন, বদহজম, বমিভাব ও গ্যাস কমাতে পারে। দুই-তিন চা চামচ মৌরী বীজের গুঁড়া দিয়ে তৈরিকৃত চা-ও পান করতে পারেন।
    • পুদিনা বদহজম, আন্ত্রিক পেশী সংকোচন ও বমি ভাব প্রশমিত করতে পারে। বদহজম দূর করতে দিনে দুই তিনবার পুদিনার ক্যাপসুল (পেপারমিন্ট অয়েল সাপ্লিমেন্ট) সেবন করতে পারেন। পুদিনা চা পছন্দ করলে দেড় চা চামচ শুষ্ক পুদিনা পাতা এক মগ পানিতে ফুটিয়ে নিন। তারপর চা বানিয়ে গরম বা ঠান্ডা অবস্থায় পান করতে পারেন বুক জ্বালা থাকলে পুদিনা সুপারিশকৃত নয়।

    বদহজম এড়াতে পরামর্শঃ

    যদি দুগ্ধজাত খাবার গ্যাস বৃদ্ধি ও পেটফাঁপার অনুভূতি দেয়, তাহলে আপনার সম্ভবত ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স রয়েছে। আপনার বদহজমের প্রবণতা থাকলে খাদ্যতালিকা থেকে ল্যাকটোজ বাদ দিয়ে দিন।

    • ধীরে ধীরে ভালো করে চিবিয়ে খাবার খাবেন। খাবার চিবিয়ে না খেলে শরীরের ভেতর বাতাস ঢুকে গ্যাস বৃদ্ধি ও পেটফাঁপা হতে পারে।
    • ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে তিন ঘন্টা আগে খাবার খেয়ে নিন। কারণ ঘুমের সময় খাবার ভালোভাবে হজম হয় না।
  • ঢাকার কাছেই ঘুরে আসুন ইদ্রাকপুর দূর্গ

    ঢাকার কাছেই ঘুরে আসুন ইদ্রাকপুর দূর্গ

    ঢাকার যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততায় মন চায় ঘুরাঘুরি করতে। সময় স্বল্পতায় খুব দূরে কোথাও যাওয়ার কথা ভাবা যায়না। সেজন্য কোথায় গেলে ভালো লাগতে পারে এবং দিনে গিয়ে দিনে ফিরে আসা যায় এমন জায়গার সন্ধান থাকে সবসময়। তেমনি একটি ঐতিহাসিক জায়গা ও মোঘল স্থাপত্য আছে এমন স্থান- মুন্সিগঞ্জের ইদ্রাকপুর দূর্গ।

    ইদ্রাকপুর দূর্গ মুন্সিগঞ্জ সদরে অবস্থিত। শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খালের পশ্চিমপাড়ে এবং দেওভোগ গ্রামের পূর্বপ্রান্তে দুর্গটির অবস্থান। এই জল-দুর্গটি একসময় ইছামতী ও মেঘনা নদীর সংগমস্থলে সামরিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নির্মিত হয়েছিল। তখন দুর্গের নির্মাণস্থলের নাম ছিল ইদ্রাকপুর। এ এলাকায় পরবর্তী সময়ে যে শহরটি গড়ে উঠে একসময় তার নামকরণ হয় মুন্সিগঞ্জ। শহরের উপকণ্ঠে এখনো ইদ্রাকপুর নামে একটি গ্রাম রয়েছে। তবে দুর্গটির চারপাশ এখন মাটিতে ভরাট হয়ে গেছে এবং কিছু জায়গা দূর্গর শীর্ষে উঠে গেছে।

    ইদ্রাকপুর দূর্গটি মোঘল স্থাপত্য। বাংলার সুবাদার ও সেনাপতি মীর জুমলা ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরে তদানীন্তন ইচ্ছামতি নদী পশ্চিম তীরে ইদ্রাকপুর নামক স্থানে এই দুর্গটি নির্মাণ করেন। ৮২ মি.×৭২ মি. আয়তাকার নির্মিত ইটের তৈরি এই দুর্গটি তৎকালীন মগ জলদস্যু ও পর্তুগিজ আক্রমণের হাত থেকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ সমগ্র এলাকাকে রক্ষা করার জন্য নির্মিত হয়।

    কিভাবে যাবেন

    মুন্সীগঞ্জ জেলা সদরের পুরাতন কোর্ট অফিসের কাছে ইদ্রাকপুর দূর্গ অবস্থান। রাজধানী ঢাকার গুলিস্তান থেকে দিঘীরপাড় এবং ঢাকা ট্রান্সপোর্ট বাসে করে মুক্তারপুর এসে জনপ্রতি ১০ টাকা অটোরিক্সা ভাড়া এবং ২০-২৫ টাকা রিক্সা ভাড়ায় ইদ্রাকপুর দূর্গয় আসা যায়।

    কোথায় থাকবেন

    সাধারণত ঢাকা থেকে দিনে মুন্সিগঞ্জ গিয়ে দিনেই ঢাকায় ফেরা যায়। তবুও প্রয়োজনে রাত্রি যাপনের জন্য মুন্সিগঞ্জে মধ্যম মানের আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা আছে।

  • রো‌হিঙ্গা‌ প্রত্যাবর্তনে আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক সমর্থন চেয়েছেন ড. মোমেন

    রো‌হিঙ্গা‌ প্রত্যাবর্তনে আঞ্চলিক-আন্তর্জাতিক সমর্থন চেয়েছেন ড. মোমেন

    বুধবার (১ মার্চ) নয়াদিল্লিতে বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন দেওয়া এক বক্তব্যে রো‌হিঙ্গা‌দের প্রত্যাবর্ত‌নে এ সমর্থন চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তি‌নি ব‌লেন, শান্তির সংস্কৃতি প্রচারের মাধ্যমে এই অঞ্চলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন চায় বাংলাদেশ। সাম‌য়িকভা‌বে বাংলা‌দে‌শে আশ্রিত রো‌হিঙ্গা‌দের প্রত্যাবর্ত‌নে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমর্থন চে‌য়ে‌ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তৃতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তিকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতির বিস্তারিত তুলে ধরেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ১৯৯৭ সালে আঞ্চলিক দলগুলোর সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি সইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন। বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন মো‌মেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তি বিনির্মাণ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। মোমেন বর্তমানে ভারত সরকারের আমন্ত্রণে জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে নয়াদিল্লি সফর করছেন। তিনি আগামীকাল (২ মার্চ) জি-২০ বৈঠকে বক্তৃতা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যান্য বৈশ্বিক সমস্যার মধ্যে তিনি ভারতের প্রেসিডেন্সির অধীনে জি-২০ প্ল্যাটফর্ম থেকে বাংলাদেশের প্রত্যাশা তুলে ধরবেন।

  • ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের টি টোয়েন্টি দল ঘোষণা

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের টি টোয়েন্টি দল ঘোষণা

    সবশেষ আইসিসি বিশ্বকাপের পর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নতুন পথচলার প্রয়াসে বাংলাদেশ দলে আনা হলো একগাদা পরিবর্তন। গত বিপিএলে পারফর্ম করা বেশ কজন ক্রিকেটার সুযোগ পেলেন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দলে। দুর্দান্ত পারফর্ম করে প্রথমবার দলে জায়গা পেলেন তৌহিদ হৃদয়, তানভির ইসলাম ও রেজাউর রহমান রাজা।

    বিপিএলে ঝড় তুলে এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পেলেন একাধিক নতুন মুখ। সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বক্যাপের দল থেকে পরিবর্তনের ছড়াছড়ি। ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে দল থেকে বাদ পড়েছেন ৫ জন।

    দলে ফেরানো হয়েছে আগ্রাসী ব্যাটসম্যান শামীম হোসেনকে। বাংলাদেশ সবশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছে গত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ায়। বাজে ফর্মের কারণে ১৫ জনের সেই স্কোয়াড থেকে জায়গা হারিয়েছেন ইয়াসির আলি চৌধুরি, মোসাদ্দেক হোসেন, শরিফুল ইসলাম, ইবাদত হোসেন ও সৌম্য সরকার।

    দলে ফেরানো হয়েছে ২ জনকে। এছাড়া বিপিএলে চমক নিয়ে নতুন মুখ ৩ জন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের জন্য শক্তিশালী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বিসিবি।

    এছাড়াও বিপিএলে পুরস্কার পাওয়া ইংলান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে দলে থাকা তৌহিদ হৃদয় আছেন টি-টোয়েন্টি দলে। এবারের বিপিএলে ৩৬.৬৩ গড় ও ১৪০.৪১ স্ট্রাইক রেটে ৪০৩ রান করেন তিনি, টুর্নামেন্টের যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। ম্যাচ সেরা হন তিনি ৪ বার।

    যে কোনো সংস্করণ মিলিয়েই প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পেলেন তানভির। এবারের বিপিএলে ওভারপ্রতি ৬.৩৬ রান দিয়ে তার শিকার ছিল ১৭ উইকেট। আসরে যা যৌথ সর্বোচ্চ। গত বিপিএলেও ১৬ উইকেট নিয়ে তিনি ছিলেন যৌথভাবে তৃতীয় উইকেট শিকারি।

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শেষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ ৯ ও ১১ ফেব্রুয়ারি। তৃতীয় ওয়ানডের দল অবশ্য এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

    দলে ফিরেছেন: রনি তালুকদার, শামীম হোসেন। বাদ: ইয়াসির আলি, মোসাদ্দেক হোসেন, শরিফুল ইসলাম, ইবাদত হোসেন, সৌম্য সরকার। নতুন মুখ: তৌহিদ হৃদয়, তানভির ইসলাম, রেজাউর রহমান রাজা।

    বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), লিটন কুমার দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ, নাসুম আহমেদ, নুরুল হাসান সোহান, শামীম হোসেন, রনি তালুকদার, তৌহিদ হৃদয়, রেজাউর রহমান রাজা, তানভির ইসলাম।