বদহজম দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

বদহজম দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

হোটেল রেস্টুরেন্ট, বিভিন্ন দাওয়াত বা অনুষ্ঠানে রান্না সুস্বাদু হলে অনেকেই বেশি খেয়ে ফেলেন। যার ফলে তাকে ভুগতে হয় বদহজমের সমস্যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ডিসপেপসিয়া। পেট ফাঁপা, পেটে গ্যাস হওয়া, পেট ব্যথা করা, পেটের উপরের দিকে জ্বালা-পোড়া করা, মুখে আম্লিক স্বাদ লাগা এবং বমি হওয়া এগুলোই ডিসপেপসিয়া বা বদ হজমের লক্ষণ। বদহজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ কিছু উপায় জানবো আজ।

  • প্রাচীনকাল থেকেই হজমজনিত সমস্যা দূর করার কাজে আয়ুর্বেদিক প্রতিকার হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে জিরা। অগ্নাশয় এর এনজাইম নিঃসরণকে উদ্দীপিত করে হজমে সহায়তা করে জিরা। এক চামচ ভাজা জিরা এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে পান করুন।
  • এক গ্লাস ঘোলের মধ্যে এক চামচের চার ভাগের এক ভাগ পরিমাণ গোলমরিচের গুরা মিশিয়ে পান করুন।
  • আপনারা অনেকেই দেখবেন, রেস্টুরেন্ট বা হোটেলে খাওয়ার শেষে মৌরি বীজ দিয়ে যায়। এর কারণ হলো, ইহা হজম শক্তির বৃদ্ধি করে এবং মৌরি বীজ চাবিয়ে খেলে বদহজম থেকে মুক্তিও পাওয়া সম্ভব। এই বীজ থেকে নিঃসরিত তেল অন্ত্রের পেশি সংকোচন, বদহজম, বমিভাব ও গ্যাস কমাতে পারে। দুই-তিন চা চামচ মৌরী বীজের গুঁড়া দিয়ে তৈরিকৃত চা-ও পান করতে পারেন।
  • পুদিনা বদহজম, আন্ত্রিক পেশী সংকোচন ও বমি ভাব প্রশমিত করতে পারে। বদহজম দূর করতে দিনে দুই তিনবার পুদিনার ক্যাপসুল (পেপারমিন্ট অয়েল সাপ্লিমেন্ট) সেবন করতে পারেন। পুদিনা চা পছন্দ করলে দেড় চা চামচ শুষ্ক পুদিনা পাতা এক মগ পানিতে ফুটিয়ে নিন। তারপর চা বানিয়ে গরম বা ঠান্ডা অবস্থায় পান করতে পারেন বুক জ্বালা থাকলে পুদিনা সুপারিশকৃত নয়।

বদহজম এড়াতে পরামর্শঃ

যদি দুগ্ধজাত খাবার গ্যাস বৃদ্ধি ও পেটফাঁপার অনুভূতি দেয়, তাহলে আপনার সম্ভবত ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স রয়েছে। আপনার বদহজমের প্রবণতা থাকলে খাদ্যতালিকা থেকে ল্যাকটোজ বাদ দিয়ে দিন।

  • ধীরে ধীরে ভালো করে চিবিয়ে খাবার খাবেন। খাবার চিবিয়ে না খেলে শরীরের ভেতর বাতাস ঢুকে গ্যাস বৃদ্ধি ও পেটফাঁপা হতে পারে।
  • ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে তিন ঘন্টা আগে খাবার খেয়ে নিন। কারণ ঘুমের সময় খাবার ভালোভাবে হজম হয় না।
পূর্ববর্তী ঢাকার কাছেই ঘুরে আসুন ইদ্রাকপুর দূর্গ
পরবর্তী শিক্ষার্থীদের কোডিং শেখানো হবে তৃতীয় শ্রেণি থেকে : শিক্ষামন্ত্রী