Author: Hello Bangla News

  • কী কথা হলো তুর্কি-ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর?

    কী কথা হলো তুর্কি-ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর?

    তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগ্লু এবং ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। মঙ্গলবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে জি-২০ ভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে তারা দেখা করেন।
    তুর্কি সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগ্লু এক টুইটার বার্তায় বলেছেন, তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেছেন। এ সময় তিনি তুরস্কে ‘অপারেশন দোস্ত’ পরিচালনার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ দিয়েছেন।
    গত ৬ ফেব্রুয়ারি আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর বিধ্বস্ত তুরস্কে একটি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাঠায় ভারত। উদ্ধারকারী দলটি তুরস্কে ‘অপারেশন দোস্ত’ শীর্ষক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।
    অন্যদিকে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার টুইটার হ্যান্ডেলে বলেন, তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগ্লু ‘অপারেশন দোস্ত’ এবং এর সঙ্গে জড়িত সব কর্মীর জন্য যে উষ্ণ প্রশংসা করেছেন, সেটিকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।
    জয়শঙ্কর বলেন, বৈঠককালে জি-২০ এজেন্ডা, ইউক্রেন সংঘাত এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেছি।
    এদিকে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত তুরস্কে ৪৪ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ হারানোর কথা জানানো হয়েছে তুর্কি সরকারের পক্ষ থেকে। বিগত ১০০ বছরের মধ্যে ভয়াবহ ওই ভূমিকম্প প্রতিবেশী সিরিয়াতেও আঘাতে হানে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী দেশটিতে ৬ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অর্থাৎ দুই দেশ মিলে অর্ধ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

  • কোকাকোলা, অ্যাাপেল কে গিলে খাবে না তো?

    কোকাকোলা, অ্যাাপেল কে গিলে খাবে না তো?

    বিশ্বজুড়ে সমাদৃত কোমল পানীয় ব্র্যান্ড কোকাকোলা সোডা, জুস, চা, কফি সহ ২০০টিরও অধিক পন্য নিয়ে কাজ করছে গত দুই শতাব্দি ধরে। ১৮৮৬ সালে যাত্রা শুরু করা এই প্রতিষ্ঠানটি পানীয় জগতে সফলতার সাথে একচ্ছত্র আধিপত্ত বিস্তার করে আসলেও হঠাৎ করেই মোড় নিয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক মেরুতে। শুনতে হয়ত অবাক লাগবে, তবে শুধুমাত্র পানীয় দিয়ে ২৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও অধিক ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি করা এই জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি এবার নাম লিখিয়েছে স্মার্টফোনের দুনিয়ায়।
    চলতি সপ্তাহেই চায়না ভিত্তিক স্মার্টফোন তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান রিয়েলমির সাথে যৌথভাবে এই ফোন বাজারে এনেছে কোকাকোলা। তবে আপাতত শুধু মাত্র ইন্ডিয়া থেকেই ফোনটি কেনা যাবে। যার বাজার মূল্য ২০,৯৯৯ রূপি অর্থাৎ, বাংলাদেশি টাকায় ২৬৬০০ এর কাছাকাছি।
    ফোনটির আকার সাধারণ স্মার্টফোনের মতো হলেও, এর ডিজাইন করা হয়েছে একেবারে কোকাকোলার আদলে। ৮ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি রমের এই ফোনটি বাজারে এসেছে স্ন্যাপড্র্যাগন ৬৯৫ এর চিপসেট নিয়ে। আর ১০৮ মেগাপিক্সেলের রেয়ার ক্যামেরার চমক তো থাকছেই।
    তবে সপ্তাহ পেরোনোর আগেই নেটিজেনরা কানাঘোষা শুরু করে দিয়েছেন, রিয়েলমি ১০ প্রো ৫ জি ফোনটিই মূলত মোড়ক বদলে কোকাকোলা ১০ প্রো হয়ে বাজারে এসেছে। রিয়েলমির পক্ষ থেকে এখনও এ ব্যাপারে কোন বক্তব্য না পাওয়া গেলেও রিয়েলমি ১০ প্রো’র ৬ জিবি র‍্যাম আর কোকাকোলা ১০ প্রো’র ৮ জিবি র‍্যামের তফাৎ এবং ডিজাইন ছাড়া দুই ফোনের ভেতর উল্লেখযোগ্য কোন পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।
    তবে প্রথম প্রোডাক্ট হিসেবে আহামরি কোন ফিচার কোকাকোলা এডিশনের ফোনটি আমাদের উপহার দিতে না পারলেও, সৌখিন ব্যাবহারকারীদের হাত যে এবার কোকাকোলার দখলে চলে যাচ্ছে, এ ব্যাপারে একটা ভবিষ্যতবানী কিন্তু করাই যায়। তবে বড় প্রশ্ন হলো, কোক আবার অ্যাাপেল কে গিলে খাবে না তো?

  • খুব শীঘ্রই বিএসএমএমইউ’তে চালু হবে ‘বঙ্গবন্ধু ক্যান্সার সেন্টার’

    খুব শীঘ্রই বিএসএমএমইউ’তে চালু হবে ‘বঙ্গবন্ধু ক্যান্সার সেন্টার’

    জাপানের টোকিওতে অবস্থিত বিশ্বমানের ক্যান্সার গবেষণায় পথিকৃৎ ‘ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টার’-এ প্রথমবারের মত কোন বাংলাদেশী গবেষক ও চিকিৎসক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ লেকচার প্রদান করার সম্মাননা পান।
    এ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ ‘বাংলাদেশের ক্যান্সার পরিস্থিতি ও ক্যান্সার চিকিৎসায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা’ শীর্ষক লেকচার প্রদান করেন।
    মঙ্গলবার জাপানে ক্যান্সার ‘রোগের চিকিৎসা ও ক্যান্সার প্রতিরোধে গবেষণা’ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এই কথা জানান।
    এসময় অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে প্রতিষ্ঠিত মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে সুদক্ষ চিকিৎসক, নার্স ও মেডিক্যাল টিমের সহযোগিতায় বাংলাদেশের চিকিৎসা ও গবেষণা বিষয়ক কর্মকাণ্ড ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। শুধু দেশের গণ্ডিতেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশকে তুলে ধরতে ও গবেষণা কার্যক্রমে সকলকে সম্পৃক্ত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এরই ধারাবাহিকতায় ইতোমধ্যেই আমেরিকা, কোরিয়া, মালয়েশিয়া, ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্সটিটিউটের সাথে আমরা সম্মিলিতভাবে গবেষণা কার্যক্রম শুরু করেছি। আজ জাপানের ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারের সাথে গুরুত্বপূর্ণ এ আলোচনা-সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।
    গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাপানের ন্যাশনাল ক্যান্সার সেন্টারের ‘ডিভিশন অব প্রিভেনশন’- এর প্রধান ড. মানামি ইনোউয়ে, ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল হেলথ পলিসি রিসার্চ-এর প্রধান ড. তমোহিরো মাৎসুদা, সেকশন হেড (ডিভিশন অব প্রিভেনশন) ড. সারাহ কে আবে, হামামাৎসু ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. শাফিউর রহমান, ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল হেলথ পলিসি রিসার্চের স্টাফ সায়েন্টিস্ট ড. লরেলিন গ্যাটেলিয়ার, হিতোৎসুবাশি ইন্সটিটিউট ফর এডভান্সড স্টাডি’র রিসার্চ এসোসিয়েট ড. রাশেদুল ইসলাম ও ইউনিভার্সিটি অব টোকিও’র পিএইচডি ফেলো ড. তাজবীর আহমেদ।

  • মুঠোফোনের আসক্তিতে থেকে কিশোর-তরুণদের রক্ষার আহ্বান: তথ্যমন্ত্রী

    মুঠোফোনের আসক্তিতে থেকে কিশোর-তরুণদের রক্ষার আহ্বান: তথ্যমন্ত্রী

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে অমর একুশে বই মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ মুঠোফোনের আসক্তি থেকে দেশের কিশোর-তরুণদের রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন।
    তথ্যমন্ত্রী বলেন, বই পড়ার অভ্যাসটা কেড়ে নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মুঠোফোন। এটা বড় যন্ত্রণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন তরুণ ও কিশোরদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস নেই।
    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুর্নীতি ও টাকা পাচারের কারণে শাস্তি হয়েছে। লুটের টাকা বিদেশে পাচার করার কারণে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এফবিআই সাক্ষ্য দিয়ে গেছে।’
    তিনি বলেন, ‘আজ সংবাদ সম্মেলন করে সরকারের বিরুদ্ধে একগাদা দুর্নীতির অভিযোগ উপস্থাপন করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব। আমার প্রশ্ন হচ্ছে যারা নিজেদের দুর্নীতির কারণে পর পর বাংলাদেশকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছিল তারা কারা ? তারা হচ্ছে বিএনপি।’
    চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা। আরও বক্তব্য দেন অমর একুশে বইমেলা উদ্‌যাপন পরিষদের আহ্বায়ক ও কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ এবং সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী শেখ মো. তৌহিদুল ইসলাম।
    গত ৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে বইমেলা শুরু হয়েছিল। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এ মেলার আয়োজন করে।

  • বীমা দিবসে বীমা কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছাকৃত ক্ষতির বিপরীতে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    বীমা দিবসে বীমা কোম্পানিগুলোকে ইচ্ছাকৃত ক্ষতির বিপরীতে সতর্ক থাকার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় বীমা দিবস-২০২৩-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ‘কারো চাপের কাছে আপনারা মাথা নত করবেন না। আমিই বলেন বা আমাদের মন্ত্রি পরিষদের সদস্যদের কাছে নানা ধরনের লোক আসে, তদবিরও করতে পারে সেক্ষেত্রেও আপনাদের দেখতে হবে প্রকৃত ক্ষতি কতটুকু। দাবিদার দাবি করবে বড় একটা কিন্তু তার প্রকৃত ক্ষতি যাচাই-বাছাই করেই আপনারা অর্থ পরিশোধ করবেন।’
    যে কোনো স্থানের বা প্রভাবশালীদের চাপের মুখে অগ্নিকান্ডে কোনো সম্পত্তির ক্ষতির জন্য যথাযথ তদন্ত না করে বীমার অর্থ ছাড় না করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দেন শেখ হাসিনা।

    বীমা কোম্পানিগুলোকে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বীমার অর্থ দাবির ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে স্বার্থান্বেষী মহলের অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়েও বিশেষ ভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি আগে থেকেই ভেবে রেখেছিলেন আজকে এ কথা বলবেন, কারণ তিনি যেহেতু এই পরিবারেরই একজন সদস্য (জাতির পিতাও বীমা কোম্পানিতে চাকরি করেছিলেন) তাই এর বদনাম হোক তা তিনি চান না।’
    সরকার প্রধান বলেন, ‘ঘন ঘন একটা জায়গায় আগুন লাগবে কেন? ইন্সুরেন্সের দাবিদার হয়ে যায়- টাকা পায়। সেক্ষেত্রে আমার অনুরোধ থাকবে বিভিন্ন ইন্সুরেন্স কোম্পানি এবং যে কর্তৃপক্ষ করে দিয়েছি তাদের এ ব্যাপারে একটু সতর্ক থাকা দরকার। কতটুকু ক্ষতি হলো তার যথাযথভাবে তদন্ত হওয়া দরকার।’
    তিনি উল্লেখ করেন তৈরি পোষাক কারখানাগুলোতে এক সময় ঘন ঘন অগ্নিকান্ড ঘটার প্রসঙ্গ টেনে তদন্ত করে তিনি বীমার মোটা অংকের মিথ্যা অর্থ দাবির প্রমাণ পেয়েছেন। তিনি আরও, কোন একটি কোম্পানির এক নারী কর্মীকে দিয়ে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অগ্নিকান্ড ঘটানো হয় বলেও তদন্তে বেরিয়েছে।

    তিনি উদাহারণ দিয়ে বলেন, একটি ফ্ল্যাটে আগুন লাগার ক্ষেত্রে ৪০ কোটি টাকার বীমা দাবিরও তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে আছে। একটি ফ্লাটে ৪০ কোটি টাকার কী সম্পদ থাকতে পারে, সে প্রশ্ন তুলে এর তদন্ত করাবেন বলেও জানান শেখ হাসিনা।
    ১৯৬০ সালের ১ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন। তাই সরকার প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং গত বছর একে ‘ক’ ক্যাটাগরি ভুক্ত দিবস হিসেবে উন্নীত করে।

  • আন্দোলন হবে না আপনাদের দিয়ে, ফখরুলকে সেতুমন্ত্রী

    আন্দোলন হবে না আপনাদের দিয়ে, ফখরুলকে সেতুমন্ত্রী

    আজ রবিবার ঘাটারচরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে এসব কথা বলেন। বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এই শান্তি সামাবেশের আয়োজন করে।
    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না।
    বিএনপি ও তাদের সমমনা দলগুলোর আন্দোলন নিয়ে সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আপনাদের পল্টন থেকে গোলাপবাগে যাওয়া ভুয়া, গরুর হাটের আন্দোলন ভুয়া, ২৭, ১২, ১০ দফা সবই ভুয়া। বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীতে বিএনপি নির্বাচনে না গেলে আইসিইউতে যাবে। তাদের আন্দোলনের গতি কমছে আর অভিযোগের পাহাড় বাড়ছে।’

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর হবে না, হবে না, হবে না, ইনশাআল্লাহ হবে না। নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী হবে। আর এ নির্বাচন হতে দেবেন না, এমনটা হলে খবর আছে।’
    বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা সংকটে আছেন। আপনাদের দিয়ে কোনো আন্দোলন হবে না। আপনাদের দলও ভাঙব না, জোটও ভাঙব না, তবু তাসের ঘরের মতো সব ভেঙে যাবে। আপনাদের জোট টিকবে না, টিকতে পারেও না।’
    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মাঝে মাঝে ভাবতে কষ্ট হয় এ দলও (বিএনপি) আবার ক্ষমতা চায়। এ দেশে হারানো ক্ষমতা ফিরে পাওয়া কঠিন।
    শেখ হাসিনা সরকারকে হটাতে বিএনপি এখন পার্বত্য চট্টগ্রামসহ রোহিঙ্গা শিবির নিয়ে চক্রান্ত করছে। নির্বাচনে বিএনপিকে জোর করে আনা হবে না, তবে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে। চক্রান্ত করে শেখ হাসিনাকে হটাবেন? ফখরুল সাহেব মনে রাখবেন, ৭৫ আর ২০২৩ সাল এক নয়। ২০০১ আর ২০২৩ এক নয়। সেই তত্ত্বাবধায়ক অস্বাভাবিক সরকার বাংলাদেশে আর হবে না।’
    ‘বিএনপির খেলার দম ফুরিয়ে গেছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা আন্দোলনেও খেলব, নির্বাচনেও খেলব। বিএনপি এখন খরার কবলে। খরার মধ্যে পড়েছে বিএনপি। অসুস্থ হয়ে অচিরেই হাসপাতালে যাবে।’
    ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

  • প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছেন মিঠামইনে সুধী সমাবেশে

    প্রধানমন্ত্রী যোগ দিয়েছেন মিঠামইনে সুধী সমাবেশে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে আয়োজিত এক জনসভায় বলেন: মহান মুক্তিযুদ্ধে এই অঞ্চলের মানুষের অনেক অবদান ছিল। এই অঞ্চলের উন্নয়ন হাওরবাসীদের প্রাপ্য। উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।
    তিনি আরও বলেন: এই হাওরাঞ্চল সবসময় অবহেলিত ছিল। গত ১৪ বছরে আমরা বিরাট পরিবর্তন করছি। এরই মধ্যে মিঠামইন-মরিচখালি উড়াল সেতু অনুমোদন দিয়েছি। এখন থেকে এখানে যত সড়ক হবে, সব উড়াল সেতু হবে। সারা বছরই যেন মানুষ চলাফেরা করে সেই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বলেই দেশের মানুষ সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারছে।
    হাওরাঞ্চলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস ছাড়া কিছুই বোঝে না। যারা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসতে চায়, যারা বিদেশে অর্থ পাচার করে তারা অন্তত দেশবাসীর ভাল করতে পারে না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার কারণে আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল।

  • দেশে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে টাইফয়েড

    দেশে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে টাইফয়েড

    স্যালমোনেলা টাইফি (এস টাইফি) ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয় মানুষ। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, বমি বমি ভাব, ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা, ডায়রিয়া এ রোগের প্রধান লক্ষণ। প্রাণঘাতীও হয়ে উঠতে পারে এ রোগ। টাইফয়েড জ্বর নিরাময়ে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের ব্যবস্থাপত্র দেন চিকিৎসকরা। তবে টাইফয়েডের এ ব্যাকটেরিয়া এখন অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী স্ট্রেইন বা ধরন তৈরি করছে। এরই মধ্যে স্ট্রেইনটি ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে। বাংলাদেশেও টাইফয়েডের ব্যাকটেরিয়ার অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী স্ট্রেইন দেখা যাচ্ছে। এটি বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন রোগতত্ত্ব ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
    ‘দি ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড ইন্টারকন্টিনেন্টাল স্প্রেড অ্যান্ড এক্সপ্যানশন অব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স স্যালমোনেলা টাইফি: অ্যা জিনোমিক এপিডেমিওলজি স্টাডি’ শীর্ষক এক গবেষণায় টাইফয়েডের ব্যাকটেরিয়ার অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে ওঠার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি ল্যানসেট মাইক্রোব সাময়িকীতে গবেষণাটি প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণায় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানে টাইফয়েড জ্বরের প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাইফি স্ট্রেইন নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়। এর সঙ্গে আগেই জিনোম সিকোয়েন্স করা চার হাজারের বেশি নমুনা পর্যালোচনার জন্য যুক্ত করা হয়। এর ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গিয়েছে, নমুনায় ফ্লুরোকুইনোলন প্রতিরোধী, বহু ওষুধ প্রতিরোধী (এমডিআর) ও অ্যাজিথ্রোমাইসিন প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি রয়েছে। গবেষণায় বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, ভারত, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যের ২৮ জন গবেষক অংশ নেন।
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বে ১ কোটি ১০ লাখ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ টাইফয়েডে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে প্রায় দেড় লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এটি সাধারণত দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে ছড়ায়। টাইফয়েডে আক্রান্ত ব্যক্তির মলের মাধ্যমে জীবাণু পানিতে মিশে অন্যদের সংক্রমিত করে। দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, বমি বমি ভাব, ফুসকুড়ি, মাথাব্যথা, ডায়রিয়া এ রোগের প্রধান লক্ষণ, তবে কখনো কখনো কোষ্ঠকাঠিন্যও দেখা দেয়। টাইফয়েড জ্বর অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে চিকিৎসার পরামর্শ দেয়া হলেও বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার বর্তমানে চিকিৎসাকে করে তুলছে জটিল।
    বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে করা গবেষণায় ওষুধ প্রতিরোধী টাইফয়েডকে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এতে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানের সাড়ে তিন হাজার নমুনার জিনোম সিকোয়েন্স করা হয়েছে। তাছাড়া এতে ১৯০৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ৭০টিরও বেশি দেশ থেকে নেয়া চার হাজারের বেশি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ফলাফলও বিশ্লেষণ করা হয়। চারটি দেশের জনসংখ্যাভিত্তিক টাইফয়েড জ্বরকে পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি গবেষণায় গত তিন দশকে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী এস টাইফির উত্থান ও ভৌগোলিক বিস্তার পর্যালোচনা করা হয়।
    গবেষকরা বলছেন, চলতি শতকের শুরু থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় টাইফয়েডে প্রাথমিকভাবে প্রয়োগকৃত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতিরোধ কমতে শুরু করেছে। ম্যাক্রোলাইডস ও কুইনোলনের মতো প্রধান অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে টাইফয়েডের প্রতিরোধী স্ট্রেইনও বেড়েছে, যা অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
    ল্যানসেটে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়েছে, ওষুধ প্রতিরোধী এস টাইফি স্ট্রেইন ১৯৯০ সালে বিভিন্ন দেশে অন্তত শতাধিকবার ছড়িয়ে পড়েছে। এ স্ট্রেইন বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়েছে। ৯০ দশকের এস টাইফি টাইফয়েডের চিকিৎসার ভিত্তি মনে করা হতো ফ্লুরোকুইনোলন শ্রেণীর ওষুধকে। ২০১০ সালে এসে এ ওষুধ টাইফয়েড চিকিৎসায় অকার্যকর হয়ে পড়ে। ২০১৬ সালে পাকিস্তানে এস টাইফির প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। এ স্ট্রেইনও তৃতীয় প্রজন্মের ফ্লুরোকুইনোলন ও সেফালোস্পোরিন ওষুধ প্রতিরোধী হয় বলে গবেষণায় উঠে আসে। সম্প্রতি কয়েক বছরে এস টাইফি স্ট্রেইনের মধ্যে অ্যাজিথ্রোমাইসিন প্রতিরোধ পাওয়া যায়। ফলে বর্তমানে হুমকিতে পড়েছে টাইফয়েডের চিকিৎসার ক্ষেত্রে মুখে খাওয়া অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের কার্যকারিতা।
    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নগরায়ণ ও জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে টাইফয়েড জ্বর আন্তর্জাতিকভাবে রোগের বোঝায় পরিণত হচ্ছে। বিশ্বের জনবহুল শহরগুলোর মতো বাংলাদেশের রাজধানীতে জনসংখ্যার আধিক্য ও অপর্যাপ্ত জমি, প্লাবিত, নাজুক স্যানিটেশন ব্যবস্থার কারণে টাইফয়েডপ্রবণ। এসব অঞ্চল অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স গড়ে ওঠার জন্যও উপযোগী। ফলে অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার কমিয়ে রোগ নির্ণয় প্রাপ্তির উন্নতীকরণ ও কার্যকর টাইফয়েড প্রতিরোধী ব্যবস্থার টিকার মাধ্যমে এ সংক্রামক রোগের বিস্তার ঠেকানোর ওপর জোর দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
    ওই গবেষণায় বলা হয়, অল্প সময়ে কাজ করে বলে বাংলাদেশে অ্যাজিথ্রোমাইসিন অ্যান্টিবায়োটিক খুবই জনপ্রিয়। জ্বর, ডায়রিয়ার জন্যও এ ওষুধ দেয়া হয়। বাংলাদেশে অ্যাজিথ্রোমাইসিনের সংবেদনশীলতা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। ২০১০ সালের পর দেশে ধীরে ধীরে অ্যাজিথ্রোমাইজিন প্রতিরোধী হয়ে উঠছে টাইফয়েড। ৯০ দশকে যে ওষুধে টাইফয়েডের চিকিৎসা হতো, সেসব ওষুধ টাইফয়েড নিরাময়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ২০০০ সাল-পরবর্তী ব্যবহূত ওষুধগুলোর ক্ষেত্রেও টাইফয়েড প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে।
    মূলত চারটি দেশ থেকেই নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছে। টাইফয়েডের যে লিনিয়েজের (এইচ৫৮) কথা এ গবেষণায় বলা হয়েছে তাতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ক্ষমতা খুব বেশি, মাল্টি ড্রাগ রেজিস্ট্যান্সও (এমডিআর) হচ্ছে। অন্যতম গবেষক ও বাংলাদেশের চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের গবেষক আরিফ মোহাম্মদ তন্ময় বণিক বার্তাকে বলেন, এইচ৫৮ লিনিয়েজটি বাংলাদেশসহ ভারত, পাকিস্তান, নেপালে কমে যাচ্ছে। অন্যান্য দেশে কমার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নয়। টাইফয়েডের এইচ৫৮ লিনিয়েজ দক্ষিণ এশিয়ায় উত্পন্ন এমনটি ধরা হয়। পরবর্তী সময়ে তা বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন এসব দেশে না বাড়লেও আফ্রিকায় বাড়ছে। ভ্রমণ করার সঙ্গে এ টাইফয়েডের সম্পর্ক রয়েছে। প্রবাসী কেউ বাংলাদেশে থেকে ফিরে গিয়ে টাইফয়েডে আক্রান্ত হলে তখন তার ইতিহাস দেখা হয়। হালকা জ্বর নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে তখন তার ভ্রমণ ইতিহাস জানতে চাওয়া হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এসব দেশে ভ্রমণের ইতিহাস খতিয়ে দেখা হয় অথবা নিকটাত্মীয়দের মধ্যে কেউ জ্বর বা টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছে কিনা। এসবকে ভ্রমণ সম্পর্কিত টাইফয়েড বলা হয়।
    বিশ্বে এ পর্যন্ত টাইফয়েডের সর্বোচ্চ নমুনা নিয়ে কাজ করে এ গবেষণা করা হয় বলেই জানান তিনি। টাইফয়েডের সাড়ে সাত হাজার জিনোম নিয়ে কাজ করা এটিই প্রথম কোনো গবেষণা। এর আগে এত নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে কোনো কাজ করা হয়নি।
    রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুশতাক হোসেন বলেন, মানুষের ভ্রমণের মাধ্যমেই স্ট্রেইনগুলো বিভিন্ন দেশে ছড়ায়, এতে সরাসরি কাউকে দায়ী করা যায় না। টাইফয়েডের বিভিন্ন টাইপ বিভিন্ন দেশে পাওয়া যেতে পারে। ভৌগোলিক ও অযৌক্তিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে অ্যান্টিবায়োটিকের রেজিস্ট্যান্স হয়। এর জন্য আমাদের জীবনাচার দায়ী। আমাদের ওষুধের ওপর নির্ভরশীলতা দায়ী। পৃথিবীর সব দেশেই বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া কোনো না কোনোভাবে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। কোথাও কোথাও অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স কিছুটা কমে এসেছে। আমাদের দেশের মতো বহু দেশে যত্রতত্র ওষুধ গ্রহণ ও বিক্রির সুযোগ নেই।
    এ রোগতত্ত্ববিদের মতে, ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের মালিকরা ওষুধ গ্রহণকে উৎসাহ দেন। আফ্রিকাতে চকোলেটের মতো অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হচ্ছে। এজন্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ বিক্রির সুযোগ না দেয়ার ব্যবস্থা করা উচিত।
    যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) বলছে, ২০০৬ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে পাকিস্তানে ভ্রমণ করা টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের ৭৯ শতাংশ মার্কিন ফ্লুরোকুইনোলন প্রতিরোধী ছিলেন। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান ভ্রমণ করা ২৯ জন মার্কিন নাগরিক টাইফয়েডে আক্রান্ত হলে দেখা যায়, ওই টাইফয়েডের স্ট্রেইন বিভিন্ন ওষুধ প্রতিরোধী।
    বিভিন্ন রোগের ব্যাকটেরিয়াগুলো এখন অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে মন্তব্য করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, স্যালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া প্রশমনের জন্য সাধারণত অ্যাজিথ্রোমাইসিন প্রয়োগ করা হয়। তবে অযৌক্তিক ব্যবহারের কারণে এ ওষুধ প্রতিরোধী হয়েছে টাইফয়েড। এখন এটা খুবই ভয়ের যে বহু মানুষের টাইফয়েড হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যের দিক থেকে চিন্তা করলে আমরা যে যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করি, এটা বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজনে কঠোর আইন প্রয়োগ করতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হবে যেন হুট করে অযৌক্তিকভাবে কেউ অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ না করে।

  • করোনা পজিটিভ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ

    করোনা পজিটিভ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ

    বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণ নিয়ন্ত্রনে শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হয়েছে। যা আওয়ামী লীগ সরকার বড় একটি অর্জন। বর্তমানে করোনা শনাক্তের হার পরীক্ষার বিপরীতে শূণ্য দশমিক ৪৫।
    এদিকে বর্তমান সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। খবরটি তিনি তার নিজের ভেরিফাইড ফেইজবুক পেইজে জানিয়েছেন। ফেইজবুক পেইজের স্যাস্টাসে তিনি লিখছেন,‘ আজ মন্ত্রিপরিষদ সভা থাকায় গতকাল করোনার নমুনা পরীক্ষা করেছিলাম। নমুনা পরীক্ষায় আমার করোনা পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। বর্তমানে আমি বাসায় আইসোলেশনে আছি।’

    প্রতিমন্ত্রী জনসাস্থ্যের জন্য সর্তক করে আরো লিখেছেন,‘ গত কয়েকদিনে আমার সংস্পর্শে যারা ছিলেন তাদের সবাইকে করোনার নমুনা পরীক্ষাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি।’
    প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সাবার কাছে দোয় চেয়েছেন।