Author: Hello Bangla News

  • এলডিসি-ফইভে অংশ নিতে কাতার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    এলডিসি-ফইভে অংশ নিতে কাতার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    আগামী ৫ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এলডিসি-৫ এর দ্বিতীয় পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করবেন। এবারের সম্মেলনে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন বলেও আশা করা হচ্ছে।

    পাঁচ দিনের সফরে তিনি কাতারের আমির ও প্রধানমন্ত্রীর সাথেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। আগামী ৪ মার্চ শনিবার তিনি দোহার উদ্দেশে রওনা হবেন।

  • পলাতক জঙ্গিদের ধরতে চেষ্টা চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পলাতক জঙ্গিদের ধরতে চেষ্টা চলছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পলাতক জঙ্গিদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। পালিয়ে যাওয়া জঙ্গিদের ধরা যাচ্ছে না তা নয়, আমরা অনেক জঙ্গিকে ধরেছি। অনেক জঙ্গিকে খুঁজে বের করেছি। যারা পালিয়েছে তাদের ধরার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। নিশ্চয় আমরা ধরে ফেলব। গত বুধবার (১ মার্চ) সকালে পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২৩ উপলক্ষে, পুলিশ স্টাফ কলেজে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন মন্ত্রী।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গি উত্থান ও তৎপরতা রোধে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কাজ করছে। যখনই যে ইনফরমেশন তারা পাচ্ছেন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছেন। আমরা কিন্তু জঙ্গিদের মূলোৎপাটন করে নিঃশেষ করে দিতে পারিনি। তবে আমরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। আমাদের নিরাপত্তা সংস্থা বিশেষ করে পুলিশ, র‌্যাব ভালো কাজ করছে বলেই সব কিছু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

    সামনে নির্বাচন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি গরম হচ্ছে, উত্তপ্ত পরিস্থিতি মোকাবেলা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন আসলে সব দলই তৎপর হয় দলই তাদের নির্বাচনী প্রচারণা, ব্যানার ফেস্টুন প্রচার ও নিজস্ব মতো কর্মসূচি প্রচার করেন। এটাই আমরা যুগ যুগ ধরে দেখে আসছি। নির্বাচন আসলে সবার মধ্যে উৎসুক দৃষ্টি থাকে। সেই সময় সব রাজনৈতিক দল তাদের মতামত, চিন্তা নিয়ে কাজ করেন। সামনে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়নি। সবাই কাজ করছেন। আমার মনে হয় নির্বাচন কেন্দ্রীক রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হবার কোনো কারণ নেই।

    দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় মৃত পুলিশ সদস্যদের স্মরণে প্রতি বছর ১ মার্চ পুলিশ মেমোরিয়াল ডে পালন করছে বাহিনী। তবে কর্তব্যরত অবস্থায় মারা যাওয়া পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ পেতে বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। ডিসিদের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেবার কারণে আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতায় বিলম্ব হচ্ছে। এ ব্যাপারে এসপিদের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা গত বছর বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপিকে উত্তর দেওয়ার অনুরোধ জানান। আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা সরকারকে প্রস্তাব দিয়েছি। বিবেচনায় আছে। আশা করছি খুব শিগরিরি আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত পাব।

  • গ্রিসে ট্রেন দুর্ঘটনার দায় নিয়ে অবকাঠামো ও পরিবহনমন্ত্রীর পদত্যাগ

    গ্রিসে ট্রেন দুর্ঘটনার দায় নিয়ে অবকাঠামো ও পরিবহনমন্ত্রীর পদত্যাগ

    গ্রিসের উত্তরাঞ্চলীয় শহর লারিসায় দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত যাত্রীর সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হয়েছে। আহত হয়েছেন ৬৬ জন। তাঁদের মধ্যে ছয়জন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে। স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার গভীর রাতে গ্রিসের লারিসা শহরের কাছে যাত্রীবাহী একটি ট্রেনের সঙ্গে মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়।

    এদিকে এ ঘটনায় ব্যর্থতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন গ্রিসের অবকাঠামো ও পরিবহনমন্ত্রী কোস্টাস কারামানলিস। গতকাল বুধবার দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। আর দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোটাকিস এ দুর্ঘটনার জন্য মানবিক ত্রুটিকে দায়ী করেছেন।

  • স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

    স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশের অগ্রযাত্রা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মের। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার পদক্ষেপ নিয়েছি। আমরা কোনও অংশে কারও থেকে পিছিয়ে থাকবো না। কারও কাছে হাত পেতে চলবো না। স্বাধীন বাংলাদেশ ১৪ বছরে বাংলাদেশের বিরাট পরিবর্তন এসেছে। প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন স্মার্ট জনগোষ্ঠী। আমাদের অর্থনীতি হবে স্মার্ট অর্থনীতি। আত্মসামাজিক ক্ষেত্রে স্মার্ট উন্নতি আমরা করবো। কৃষি, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।’

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার  ২ মার্চ) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসটি ফেলোশিপ ও বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।

    স্বাস্থ্য খাতে গবেষণার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে গবেষণাটা আমাদের খুবই দরকার। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে গবেষণা খুবিই সীমিত কয়েকজন করছেন। আরও বেশি যেন গবেষণা হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জে আমাদের লোকবল কম লাগবে কিন্তু টেকনোলজি ব্যবহার করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। তার জন্য আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। তবে আমরা সম্পূর্ণ সেদিকে যেতে চাই না। আমরা শ্রমনির্ভর শিল্পও করতে চাই কারণ আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। দুটো মিলিয়ে কীভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে পারি, সেই চিন্তাটা সবার মাথায় থাকতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে উপিস্থিত সরকারি দলের এমপি ডাক্তার রুহুল হকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি চিকিৎসক। উনি যেন স্বাস্থ্যের গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেন।’

    সরকার গবেষণার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা বাজেটে আলাদা বরাদ্দ রেখেছি। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করি। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ব্যাপক গবেষণার জন্য বিভিন্ন ইন্সস্টিটিউট তৈরি করি।’

    জাতির পিতা আণবিক শক্তি কমিশন, ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন, ইউজিসি, স্থলসীমানা চুক্তি সমুদ্রসীমা আইন করে গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পচাত্তরের পরবর্তী সরকার কোনও উদ্যোগ নেয়নি। তবে আমরা এসে সম্পন্ন করেছি। প্রতিটি ক্ষেত্রে জাতির পিতা ভিত্তিটা তৈরি করে গেছেন। আমরা সেটাকে ধরে কাজ করতে চেষ্টা করেছি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নভোথিয়েটার করতে যাওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া দুটি মামলা দিয়েছিল। কেন দিয়েছিল জানি না। যে কাজই করতে গিয়েছি মামলা খেয়েছি। আমার বিরুদ্ধে এসব কারণে এক ডজন মামলা দিয়েছিল। আমরা এখন বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে নভোথিয়েটার করে দিচ্ছি। আমাদের যত বেশি গবেষণা বাড়বে জাতি হিসেবে তত বেশি অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমরা অবদান রাখতে পারবো।’

    প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা ভোকেশনাল শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কর্মসংস্থান হাইটেক পার্ট, হাইটেক সিটি, ইনকিউভেশন সেন্টার করে দিচ্ছি। শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি সবকিছুতেই আমরা ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে পারছি।’

    তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, স্যাংশন, পাল্টা স্যাংশনে আমাদের আমাদানি পণ্যে ব্যাপক বাধা পেতে হচ্ছে। বিশ্বব্যাপীর মূল্যস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। তারপরও আমরা এই সব পরিবেশকে মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি গবেষণায় সব থেকে বেশ সফলতা আমরা পেয়েছি। লবণাক্তসহিষ্ণু ধান আমরা দক্ষিণাঞ্চলে উৎপাদন করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আসবে। সেটাকে মোকাবিলা করে ভবিষ্যতে চলার পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের আরও দক্ষ বিজ্ঞানী দরকার। আমরা সেদিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। যারা ফেলোশিপ পেয়েছেন আন্তরিকতার সঙ্গে গবেষণা করবেন। জানতেও চাই কী কী উদ্ভাবন করলেন, এটা কতটুকু দেশের জন্য কাজে লাগবে।’

  • চলুন ঘুরে আসি

    চলুন ঘুরে আসি

    ঘুরতে ভালো লাগে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। একঘেয়েমি জীবন থেকে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে ভ্রমণ অনেক বড় ভূমিকা পালন করে। দেশ থেকে বিদেশে ঘুরে বেড়ানো, পৃথিবীর নিখুঁত বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য অবলোকন করতে সবাই চায়। তবে ভ্রমণে যাওয়ার আগে সবচেয়ে বেশি যেটা জরুরি সেটা হলো প্রস্তুতি। ভ্রমণ তখনই আনন্দের হবে, যখন আপনার প্রস্তুতি থাকবে সুন্দর ও গোছানো। প্রতিটি কাজের পেছনেই সঠিক পরিকল্পনা থাকা উচিত। ভ্রমণের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার কমপক্ষে দুদিন আগে প্রস্তুতি নিয়ে নিবেন। দূরে কোথাও ভ্রমণের ক্ষেত্রে এক সপ্তাহ আগে প্রস্তুতি নিতে পারেন। শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি ভ্রমণের জন্য জরুরি। ঘুরতে যাওয়ার আগে যেসব প্রস্তুতি নিতে হবে সেসব তুলে ধরা হলো।

    আসুব ব্যাগটা গুছাই

    কোথায় যাচ্ছেন এবং কতদিন থাকবেন তার ওপর নির্ভর করে আপনার ব্যাগে কী কী নেবেন। তবে ব্যাগের ওজন সমসময় চেষ্টা করবেন হালকা রাখার। একটা ভারী ব্যাগ আপনার ভ্রমণ আনন্দ মাটি করে দিতে পারে। ভ্রমণের আগে ব্যাগ গোছানোর সময় মন দিয়ে দেখুন কী কী জিনিসপত্র আপনার লাগবে। মনে রাখবেন ছোট ছোট অনেকগুলো ব্যাগ না নিয়ে চেষ্টা করবেন একটি ব্যাগেই সব নিতে। এতে আপনার গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্রগুলো হারানোর ঝুঁকি অনেক কম থাকে।

    কি কি পোশাক নিবো

    আপনার ভ্রমণের লোকেশন কোথায় সেটার ওপর নির্ভর করবে আপনার পোশাক বাছাই করা। কারণ যে স্থানে ভ্রমণ করার জন্য যাবেন সেখানকার আবহাওয়া কেমন সেটাও জানতে হবে। আবহাওয়া অনুযায়ী সঠিক পোশাক নির্বাচন করা খুব জরুরি। এতে আপনার ভ্রমণ হবে আরামদায়ক। শীতের সময় ভ্রমণের ক্ষেত্রে তাপনিরোধক কাপড়ের তৈরি জামা পরিধান করতে হবে। ভ্রমণে জামার রং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উজ্জ্বল রঙের পোশাকে ছবি সুন্দর হয়। উজ্জ্বল রঙে মনও ফুরফুরে থাকে। এ ছাড়াও রাতে ঘুমানোর পোশাক, মোজা, মাফলার ইত্যাদি লাগেজের একপাশে রাখবেন। রাতের জন্য হালকা ও আরামদায়ক পোশাক নেওয়ার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে যেখানে যাচ্ছেন সেখানকার আবহাওয়া অনুযায়ী হলে বেশ ভালো। মোজা, মাফলার ইত্যাদি যে কদিন থাকবেন সেই হিসাবে নেবেন।

    যেসব জিনিস নিতে ভোলা যাবেনা

    ব্রাশ, পেস্ট, শ্যাম্পু, চিরুনি, ক্রিম/লোশন, লিপজেল, সানগ্লাস, ছোট আয়না, স্কার্ফ, চিরুনি, লাইট, ক্যাপ/হ্যাট, রুমাল, ওয়েট টিস্যু ইত্যাদি জিনিস একটা আলাদা ছোট ব্যাগে নিয়ে নিন। পুরুষরা যারা নিয়মিত সেভ করেন তারা রেজর-ফোম, এসব নিতে ভুলবেন না। নারীরা মেকআপ কিট বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস এ ব্যাগেই নিতে পারেন। আপনার স্যান্ডেল-জুতাও পলিথিন বা কাগজে মুড়িয়ে লাগেজের একপাশে রাখতে পারেন। আপনার ভ্রমণ যদি দেশের ভেতর হয় তাহলে অবশ্যই ব্যাগে একটা ছাতা রাখবেন। তাই ব্যাগে ছাতা রাখাটা হবে বুদ্ধিমানের কাজ।
    বেড়াতে গিয়ে স্মৃতি ধরে রাখতে কে না চায়? তাই ক্যামেরা সঙ্গে রাখতে পারেন। তা ছাড়া মোবাইলেও আজকাল ভালো ছবি ওঠে। তাই মোবাইলের স্পেস খালি রাখবেন ভ্রমণে যাওয়ার আগে। সে ক্ষেত্রে চার্জার, মেমোরি কার্ড, ব্যাটারি ব্যাগে ঢুকাতে ভুলবেন না। আর মোবাইল চার্জারের পাশাপাশি একটি পাওয়ার ব্যাংকও সঙ্গে রাখুন। ল্যাপটপ নিলে অবশ্যই মনে করে তার চার্জারটি ব্যাগে রাখতে ভুল করবেন না। সবচেয়ে ভালো হয়, সব চার্জার এবং গ্যাজেট একটা ব্যাগে রাখলে। তাহলে প্রয়োজনের সময় সহজে খুঁজে পাবেন। বেশ কয়েকজন মিলে বন্ধুরা যখন ভ্রমণে যাই দেশে হোক আর বিদেশেই হোক সবাই মিলে মোবাইল, ক্যামেরা চার্জ দিতে গেলে বিপাকে পড়তে হয়। যথেষ্ট সংখ্যক চার্জিং পয়েন্ট না থাকায় এ সমস্যায় অনেকেই পড়েন। এজন্য একটা ছোট মাল্টিপ্লাগ সঙ্গে থ্রি-পিন থেকে টু-পিন কনভার্টার ব্যাগে রাখা ভালো। সেইসঙ্গে হালকা শুকনো খাবার, পানি ও আপনার প্রয়োজনীয় ওষুধ রাখা অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়াও যে কোনো ধরনের ঘটনা কিংবা বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়িয়ে যেতে অবশ্যই নিজের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ড রাখুন।

    একটু হিসাব-নিকাশ করি

    টাকা-পয়সা ছাড়া তো ভ্রমণের কথা চিন্তাই করা যায় না। ভ্রমণে যাওয়ার আগে ভ্রমণের হিসাব-নিকাশ করে ফেলা ভালো। কত টাকা খরচ করবেন সে অনুযায়ী বাজেট পরিকল্পনা করতে হবে। যে দেশ বা স্থানে যাবেন সে অনুযায়ী কিছু পরিমাণ নগদ টাকা অবশ্যই সঙ্গে রাখবেন। সেখানে এটিএম কার্ডের ব্যবহার আছে কিনা কিংবা বুথ পাওয়া যাবে কিনা সে ব্যাপারে আগেই জেনে নিন। এ ছাড়া বিকাশ কিংবা মোবাইলে লেনদেন করা যায় এমন কোনো অ্যাকাউন্ট থাকলে ভ্রমণে কাজে আসবে। অবশ্যই মোবাইলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যালান্স রাখবেন।

    ভ্রমণসঙ্গী যদি শিশু হয়

    আপনার ভ্রমণসঙ্গী হিসাবে আপনার শিশুড়-সন্তান থাকতেই পারে। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই তার বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। তার খাবার থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সব ভ্রমণ অনুষঙ্গ গুছিয়ে নিতে হবে সবার আগে। কারণ বেড়াতে গিয়ে শিশুর যদি কোনো সমস্যা হয়, তাহলে বেড়াতে যাওয়াটাও তখন নিরানন্দের হয়ে যায়। তাই আপনার ছোট্ট ভ্রমণসঙ্গীর জন্য চাই বাড়তি সতর্কতা।

    ক্লান্তি দূর করতে কি করবো

    ভ্রমণে যাওয়ার আগে অনেক সময় বাস-ট্রেন কিংবা প্লেনের জার্নি বোরিং লাগে। অনেকেই এ সময়টুকু উপভোগ করতে পারেন না। এ সময়টুকু উপভোগ করতে আপনি সঙ্গে দু-একটা বই নিন। অবশ্যই সেটা আপনার প্রিয় লেখক এবং পছন্দের বই হলে ভালো হয়। প্লেন, বাস বা ট্রেনে বসে পড়তে পারবেন। এ ছাড়া আপনি যদি লিখতে ভালোবাসেন তাহলে খাতা-কলম নিতে পারেন সঙ্গে। হঠাৎ কোনো জরুরি তথ্য পেলে নোট করা যাবে তাতে। তা ছাড়া বলা তো যায় না, কোনো সুন্দর স্থান দেখে আপনার ভেতর কবিতাও চলে আসতে পারে। ভ্রমণে যাবার আগে অবশ্যই আপনার পছন্দসই গান নিয়ে নেবেন। গানে গানে পথ চললে ভ্রমণ আরও উপভোগ্য হবে।

    যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে

    যানবাহন থেকে নামার সময় কোনো মালপত্র ফেলে গেলেন কি না সেদিকে খেয়াল রাখবেন। নামার সময় তাড়াহুড়া করা যাবে না। মানি ব্যাগ, ক্রেডিট কার্ড সাবধানে রাখবেন। সব টাকা মানিব্যাগে না রেখে কিছু টাকা অন্য কোনো জায়গা কিংবা আপনার ভ্রমণসঙ্গীর কাছে রাখবেন। একটি কার্ডে আপনার ঠিকানা লিখে রাখবেন। ব্যাগ হারিয়ে গেলে কেউ পেয়ে থাকলে ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। খোলামেলা অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার খাওয়া যাবে না। পরিমিত খাবার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। সন্ধ্যার পর অথবা বেশি রাত পর্যন্ত হোটেলের বাইরে অবস্থান করবেন না। বিশেষ করে পরিবার নিয়ে ভ্রমণ করতে গেলে। অবশ্যই শিশুদের দিকে লক্ষ্য রাখুন। ভ্রমণের সময় অপরিচিত লোকদের ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন।

  • ওয়ানডেতে যে স্কোয়াড নামাতে পারে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড

    ওয়ানডেতে যে স্কোয়াড নামাতে পারে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড

    আজ দুপুর ১২টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ।
    বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কঠিন সিরিজের একটি হচ্ছে আজ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে শুরুতে আলোচনায় ছিলেন দ্বিতীয় দফায় কোচ হিসাবে আসা চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।
    মঙ্গলবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের লংকান কোচ বলেন, ‘আগের বার যখন দায়িত্বে ছিলাম, তখন আগ্রাসী ক্রিকেট খেলেছি। আপনি যদি বলেন, বাংলাদেশ আগ্রাসী ক্রিকেট খেলে না, আমি সেটি বিশ্বাস করি না। আমরা আগ্রাসী ক্রিকেট খেলি।’ আগ্রাসী বলতে কোচ শুধু ব্যাটিংয়ের ধরনকে বোঝাতে চাননি। হাথুরুসিংহে বলেন, ‘এখানে শুধু ব্যাটারদের অ্যাকশন দেখলে হবে না। আগ্রাসী ক্রিকেট বলতে, ফিল্ডিং আগ্রাসী সাজানোকেও বোঝায়। আগ্রাসী ক্রিকেট খেলার অনেক উপায় আছে। শুধু বল মাঠের বাইরে পাঠানোই আগ্রাসী ক্রিকেট নয়। মাঠে আমরা ওই ধরন আনার চেষ্টা করছি। হোক ব্যাটিং, বোলিং কিংবা ফিল্ডিং। আমরা এভাবেই পারফর্ম করতে যাচ্ছি।’
    প্রথম মেয়াদে বাংলাদেশকে জয়ের ধারায় এনেছিলেন হাথুরু। সেই ধারা থেকেই দল এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও হাথুরুসিংহে বাংলাদেশের কোচ হয়ে এসেছেন। এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের উন্নতি চোখে পড়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনেক উন্নতি করেছে। বিশেষ করে নিজেদের ভূমিকা বুঝতে পারার ব্যাপারে। কীভাবে প্রস্তুতি নেবে সেটিও তারা নিজেরা ঠিক করছে। এদিকে উন্নতি হয়েছে। এটা দেখে আমি খুব খুশি। আর তরুণ যারা তাদেরও খুব বেশি কিছু বলতে হয় না। তারা জানে, কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে।’
    সম্প্রতি বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসানের এক সাক্ষাৎকারে আলোচনার মোড় ঘুরে যায় সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের দিকে। তবে দুজনের ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে যতই চর্চা হোক না কেন— সিরিজ শুরু হলে যে বাইরের আলোচনা থেমে যাবে, সেটি সবারই জানা। দ্বিতীয় দফায় বাংলাদেশকে কতটা এগিয়ে নিতে পারেন সেই চ্যালেঞ্জের সামনে এখন হাথুরুসিংহে। ইংল্যান্ড সিরিজ দিয়েই দলের মধ্যে আগ্রাসী ক্রিকেটের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার আভাস দিয়েছেন হাথুরুসিংহে।
    ইংল্যান্ডের গতিময় পেসার ক্রিস ওকস ও জফরা আর্চারকে নিয়ে কিছুটা চিন্তায় রয়েছেন হাথুরু। তবে বিশ্বকাপের আগে এই সিরিজ দিয়েই নিজেদের অবস্থা জেনে নিতে চান হাথুরুসিংহে। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ডের একটি দল টেস্ট খেলছে নিউজিল্যান্ডে আরেকটি দল বাংলাদেশে। তাদের দলের গভীরতা কতটা সেটা এখান থেকেই বোঝা যায়। আমরা দেখতে চাই কোথায় আছি। এই সিরিজে জিততে পারলে বাড়তি আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে।’
    ২০১৪ সালের পর বাংলাদেশ ঘরের মাঠে একটিমাত্র সিরিজ হেরেছে, সেটি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ২০১৬ সালে ওই সিরিজে বাংলাদেশ হেরেছিল ২-১ এ। এর আগে ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিদায় করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সবশেষ সিরিজে ভারতের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় নিয়মিত অধিনায়ক তামিম ইকবালকে ছাড়া লিটন দাসের অধীনে জিতেছিল বাংলাদেশ। ফিট তামিম দলে ফিরেছেন। আছেন সাকিব, মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিম। ভারতবধের নায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদরা তো রয়েছেনই।
    বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
    তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, তৌহিদ হৃদয়, মেহেদি মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, তাইজুল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান।
    ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশ
    জেসন রয়, ফিল সল্ট, ডেভিড ম্যালান, জেমস ভিন্সি, জস বাটলার (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), উইল জ্যাক, মঈন আলী, স্যাম কারেন, আদিল রশিদ, মার্ক উড ও জোফরা আর্চার।

  • হলিউড অ্যাকশন তারকা ব্রুস উইলিস বিরল রোগে আক্রান্ত

    হলিউড অ্যাকশন তারকা ব্রুস উইলিস বিরল রোগে আক্রান্ত

    হলিউডে নেমে এলো দুঃখের ছায়া। বিরলতম রোগ ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হলিউডের অ্যাকশন তারকা ব্রুস উইলিস। গত বৃহস্পতিবার অভিনেতার পরিবারের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে এই তথ্য দেওয়া হয়। ৬৭ বছর বয়েসী এই অভিনেতা অ্যাফেসিয়ায় আক্রান্ত (মস্তিষ্কজনিত সমস্যা) হবার কারণে ২০২২ সালের মার্চ থেকেই লাইমলাইট থেকে দূরে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাঁর পরিবার সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, ডাই হার্ড তারকা ফ্রন্টোটেম্পোরাল ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। গতবছর অভিনেতা অ্যাফেসিয়া রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। যার ফলে তাঁর বক্তৃতা করতে অসুবিধায় পড়তে হয়। এবার তাঁর পরিবারের তরফ থেকে পাকাপাকি ঘোষণা, অভিনয় ছাড়ছেন ব্রুস উইলিস। ডিমেনশিয়া রোগটি অভিনেতার মস্তিষ্কের ক্ষেত্রগুলিকে প্রভাবিত করেছে। যা অভিনেতার ব্যক্তিত্ব, আচরণ এবং ভাষা প্রকাশে ব্যঘাত ঘটাচ্ছে। ব্রুস উইলিসের পরিবার তাঁর অসুস্থতার বিষয়ে একটি বিবৃতি জারি করে বলেছেন, “আমরা ২০২২ সালের বসন্তকালে ব্রুসের অ্যাফেসিয়া রোগ নির্ণয়ের ঘোষণা দিয়েছিলাম, ব্রুস সেই রোগ থেকে এখন মুক্ত। কিন্তু এখন আরও একটি নির্দিষ্ট রোগের শিকার হয়েছেন তিনি। যার নাম, ফ্রন্টোটেম্পোরাল ডিমেনশিয়া। দুর্ভাগ্যবশত, বর্তমানে এই রোগের কোনও চিকিৎসা নেই। কিন্তু আমরা আশা করি, সামনের বছরগুলিতে এই বাস্তবতার পরিবর্তন হবে। ব্রুস সবসময় বিশ্বাস করতো তাঁর কন্ঠ পৃথিবীর অন্যান্য মানুষকে সাহায্য করার জন্য, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অন্যান্যদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য। পরিবারের তরফ থেকে আরও লেখা হয়েছে, ‘আমরা জানি যে, যদি তিনি আজকের পরিস্থিতি যদি আগেই জানতেন, তাহলে তিনি বিশ্বব্যাপী মনোযোগ আনতেন। যারা এই দুর্বল রোগের সঙ্গে মোকাবিলা করছেন তাঁদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে প্রতিক্রিয়া জানাতে চাইতেন।’ বিবৃতিতে উইলসের পরিবারের সদস্যরা স্বাক্ষর করেছেন। যেখানে আছেন তাঁর বর্তমান স্ত্রী এমা হেমিং, প্রাক্তন স্ত্রী ডেমি মুর ও তাঁর সন্তানরা।

    ব্রুস উইলিস সম্পর্কে: ব্রুস উইলিস কমেডি-ড্রামা সিরিজ মুনলাইটিং এর মাধ্যমে খ্যাতি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি ডাই হার্ড ফ্র্যাঞ্চাইজে জন ম্যাকক্লেনের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য স্বীকৃতিও অর্জন করেছিলেন। এছাড়াও তিনি পাঁচটি গোল্ডেন গ্লোবের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। এ ছাড়া তাঁর ঝুলিতে আছে দুটি এমি পুরস্কার। উল্লেখ্য, ফ্রন্টোটেম্পোরাল ডিমেনশিয়া রোগের একটি ‘অস্বাভাবিক’ রূপ, যা রোগীর চিন্তা, আচরণ ও ভাষা নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি করে।

  • ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার এলো প্রবাসীদের কাছ থেকে

    ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার এলো প্রবাসীদের কাছ থেকে

    ফেব্রুয়ারি মাসে ১৫৬ কোটি ১২ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্র‌তি ডলার ১০৭ টাকা ধরে) ১৬ হাজার ৭০ কোটি টাকা। গত বছরের এই মাসে ১৪৯ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল।

    বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
    চল‌তি বছ‌রের জানুয়া‌রিতে রেমিট্যান্স এ‌সে‌ছিল ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ মার্কিন ডলার। তবে জানুয়া‌রির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স কম আসলেও চলতি অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেশি রেমিট্যান্স এসেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম (জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) আট মাসে মোট ১ হাজার ৪০১ কোটি ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ৩৪৩ কেটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসাবে ৫৭ কোটি ৪৮ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বেশি এসেছে চলতি অর্থবছরে।

  • সফলতার সাথে কাজ করছে সরকার : স্পিকার

    সফলতার সাথে কাজ করছে সরকার : স্পিকার

    ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সিঙ্গাপুরের অধীন ইন্সটিটিউট অফ সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের উদ্যোগে ‘দ্যা রোল অফ পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি ইন এড্রেসিং পোভার্টি এন্ড ইনইকুয়েলিটি’ শীর্ষক সেমিনারে গেস্ট স্পিকার হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল নাগরিকের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো নাগরিক যেন গৃহীত উন্নয়ন কৌশলের সুফল থেকে বঞ্চিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেমিনারে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কৌশল ও সম্ভাবনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।
    স্পিকার বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। দেশে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নের পাশাপাশি শতভাগ বিদ্যুতায়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, কোভিড পরবর্তী পরিস্থিতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থিতিশীলতা আনয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাব বিবেচনায় টেকসই উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে ডেল্টাপ্লান-২১০০ প্রণয়ন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতিদরিদ্র শ্রেণির উন্নয়ন নিশ্চিত করেছে।’
    ‘২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য’ উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘নারীর অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন, পাসপোর্টে মায়ের নাম লিপিবদ্ধকরণ, স্থানীয় সরকারে নারীদের প্রতিনিধিত্বকরণ, বিধবা ভাতা, ল্যাকটেটিং মায়েদের ভাতা, নারী শিক্ষায় ব্যাপক অগ্রগতি, ছয় মাস স্ববেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটি, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, কর্ণফুলী টানেল নির্মাণসহ সব ক্ষেত্রে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।’

  • ভয়াবহতম ট্রেন দুর্ঘটনা গ্রিসের ইতিহাসে: নিহত বেড়ে ৩৬

    ভয়াবহতম ট্রেন দুর্ঘটনা গ্রিসের ইতিহাসে: নিহত বেড়ে ৩৬

    গ্রিসের উত্তরাঞ্চলীয় শহর লারিসায় মঙ্গলবার রাতে ৩৫০ যাত্রীবাহী ট্রেনের সঙ্গে একটি মালবাহী ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে যাত্রীবাহী ট্রেনটির প্রথম দুটি বগিতে আগুন ধরে পুরোপুরি পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন আঞ্চলিক গভর্নর।
    গ্রিসে দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩৬ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়াও অনেক মানুষ আহত হয়েছে।
    এ দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকর্মীরা সেখানে সারা রাত উদ্ধার অভিযান চালিয়েছেন। গ্রিসের সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিকে সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্ঘটনা বলে বর্ণনা করা হচ্ছে।
    গ্রিসের স্থানীয় গণমাধ্যমকে রেলওয়ে ইউনিয়নের প্রধান জানিয়েছেন, কিভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটল তা এখনো স্পষ্ট নয়।
    ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘১০-১৫ সেকেন্ড ধরে চরম বিশৃঙ্খলা চলেছে। একজন আরেকজনের ওপর গিয়ে পড়ছে, ওপর থেকে তার ঝুলছে, চারিদিকে ভাঙা জানালা, লোকজন চিৎকার করছে।’
    ট্রেন থেকে লাফিয়ে পড়ে জীবন বাঁচিয়েছেন ২৮ বছর বয়সী স্টারজিওস মিনেনিস। তিনি বলেছেন, ‘আমরা একটা বিকট শব্দ শুনতে পাই। ট্রেনের কামরার মধ্যে আমরা গড়াগড়ি খাচ্ছিলাম। তারপর এটি গড়িয়ে একদিকে থামল, তারপর সবার মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হলো। চারদিকে তার ঝুলছে, আগুন। সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে গিয়েছিল। আমরা আগুনে পুড়ে যাচ্ছিলাম।’
    ট্রেন থেকে বের হওয়ার জন্য যাত্রীরা জানালার কাচ ভাঙতে হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। কোনো প্রাথমিক ধারণা এখনো পাওয়া যাচ্ছে না। দেড় শতাধিক দমকল কর্মী এবং ৩০টি অ্যাম্বুল্যান্স দুর্ঘটনাস্থলে কাজ করছে।
    আঞ্চলিক গভর্নর কোস্টাস আগোরাস্টস জানিয়েছেন, দুই ট্রেনের মধ্যে এই সংঘর্ষ ছিল বেশ তীব্র। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এটি এক ভয়ংকর রাত, এই দৃশ্য বর্ণনা করা কঠিন।
    পরিশ্রান্ত এক উদ্ধারকর্মী এএফপিকে বলেছেন, ‘আমি আমার পুরো জীবনে এ রকম ঘটনা দেখিনি। খুবই মর্মান্তিক দৃশ্য। পাঁচ ঘণ্টা পরও আমরা এখানে মরদেহ খুঁজে পাচ্ছি।’
    এ দুর্ঘটনার পর গ্রিসে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিটসোটাকিস দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ রকম দুর্ঘটনা কিভাবে ঘটল, তা খুঁজে বের করা এবং এমন যাতে আর না ঘটে তার ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
    সূত্র : বিবিসি