Author: Hello Bangla News

  • সিরিজ জয় করতে চান সাকিব আল হাসান

    সিরিজ জয় করতে চান সাকিব আল হাসান

    টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ৬ উইকেটে জয়ের অন্যতম রূপকার সাকিব। বল হাতে ২৬ রানে ১ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে ২৪ বলে ৩৪ রান করে দলকে নিয়ে গেছেন জয়ের বন্দরে। ম্যাচ শেষ করে অন্য আনুষ্ঠানিকতা সেরেই তাকে ছুটতে হয়েছে বাণিজ্যিক দায়িত্ব পালনে।

    কন্ডিশন ও উইকেট নিয়ে চিন্তা করতে চান না। বাংলাদেশ যেন একটা ভালো দল হয়ে ওঠে এটিই প্রত্যাশা। চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুর্দান্ত জয়ের পর শহরের একটি শোরুম উদ্বোধন করতে গিয়ে এ কথা বলেন বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

    প্রথম ম্যাচ জয়ের পর এখন নিশ্চয়ই সাকিবের চোখ সিরিজ জেতার দিকে। ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম ম্যাচটা দারুণভাবে জেতার পরও অবশ্য বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের প্রতি শ্রদ্ধা বাংলাদেশ অধিনায়কের— ‘ইংল্যান্ড অনেক ভালো দল। আমাদের ভালো খেলতে হবে। প্রথম ম্যাচটা ভালো করেছি, চেষ্টা করব পরের ম্যাচগুলো ভালো খেলতে।’

    কাল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ে বড় অবদান নাজমুল হোসেন শান্তর। তার ৩০ বলে ৫১ রানের ইনিংসে দল ইংল্যান্ডের ১৫৬ রান তাড়া করার পথে এগিয়ে যায় অনেকটাই। এবারের বিপিএলে দুর্দান্ত ব্যাটিং করা তৌহিদ হৃদয়ও ১৭ বলে করেছেন ২৪ রান। আট বছর পর জাতীয় দলে আবারও সুযোগ পাওয়া রনি তালুকদারও ১৪ বলে করেছেন ২১। শেষ পর্যন্ত সাকিবকে সঙ্গ দিয়েছেন আফিফ, ১৩ বলে ১৫ রান করে।

    মোটামুটি একটা নতুন চেহারার দলই জয় ছিনিয়ে নিল বাটলার-ম্যালান-মঈন আলী-স্যাম কারেনদের বিপক্ষে। ব্যাপারটা ইতিবাচক। তবে সাকিব মনে করেন, নতুন করে শুরুর পর এখন এই পারফরম্যান্সকে এগিয়ে নিতে হবে, শুরুটা ভালো হলো, এখন এখান থেকে যেন আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারি, আমাদের কাজটা সেভাবেই করতে হবে। আমরা সেটা চেষ্টা করব এবং ভালো খেলারই চেষ্টা করব।’

    কালকের ম্যাচে তিন ব্যাটসম্যানের স্ট্রাইক রেট দারুণ স্বস্তি হয়ে এসেছে। নাজমুলের স্ট্রাইক রেট ছিল ১৭০, রনির ১৫০ আর তৌহিদের ১৪১। সাকিব নিজেও ১৪১ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন। সাকিব চান, সুযোগ পেলে এভাবেই নতুনরা যেন নিজেদের মেলে ধরেন, এভাবে কেউ যদি খেলে বা নতুন কেউ যদি দলে এসে নিজেকে মেলে ধরতে পারে, সেটি দলের জন্য ভালো, সেই খেলোয়াড়ের জন্যও ভালো।’

     

  • শনিবার ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    শনিবার ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট’ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসীম উদ্দিন গতকাল বৃহস্পতিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল সকালে বাংলাদেশ বিজনেস সামিটের উদ্বোধন করবেন।

    দেশের ব্যবসা ও বিনিয়োগকে সম্প্রসারনের লক্ষ্যে আগামীকাল শনিবার ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট’-এর উদ্বেধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এফবিসিসিআই রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করছে।

    যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, চীন, ভূটান, সংযুক্ত আরব আমীরাতসহ ১২টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সিইও এবং ২শ’র বেশি বিদেশী বিনিয়োগকারী, বিশ্বের ১৭টি দেশের ব্যবসায়ী নেতারা সম্মেলনে অংশ নেবেন। বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) স্বাধীনতার ৫০ বছরে অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অর্জন এবং রপ্তানি ও স্থানীয় ভোক্তা বাজারের পাশাপাশি বিনিয়োগ সক্ষমতা বিদেশিদের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছে।

    সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআইয়ের নিজস্ব অফিসে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দেশে বিনিয়োগ আনার সক্ষমতা ছিল না। এখন সেই সক্ষমতা তৈরি হয়েছে। ওয়ালমার্ট, জারা’র মত কোম্পানি কলকাতায় চলে এসেছে। এখন তাদের বাংলাদেশে আসার সময় হয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানির সম্ভাবনার পাশাপাশি লোকাল কনজ্যুমার মার্কেটও বড় হচ্ছে।’

    তিনি বলেন, ‘দেশে এখন ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দৃশ্যমান। আমাদের এসব সক্ষমতা তুলে ধরা দরকার। অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সরকার বিজনেস ফ্যাসিলিটেশনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে।’

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারি-বেসরকারি খাতসহ এবারের সম্মেলনে ১৭টি দেশের ২ শতাধিক ব্যবসায়ী নেতারা আসছেন। এর মধ্যে বিশ্বের নামকরা ১২টি কোম্পানির সিইও কিংবা শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা থাকছেন।

    এফবিসিসিআই সভাপতি আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক এই সম্মেলনে ১২টি দেশের মন্ত্রীবর্গ অংশ নেবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সার্বিকভাবে কিছু সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা কেবল বাংলাদেশে নয়, অন্যান্য দেশেও রয়েছে। আমরা তা এসব সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারব।’

    তিনি বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক সম্ভাবনার খবরও পাওয়া যায়। আগামী ২০৪০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের ইকোনমি হবে বলে মনে করছে বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ। আর এইচএসবিসির মনে করছে যে, বাংলাদেশ হবে নবম বৃহত্তম বাজার।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, তিন দিনের সামিটে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাত নিয়ে ১৭টি সেমিনার ও তিনটি প্ল্যানারি সেশন অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ বিজনেস সামিটের কারিগরি উপদেষ্টা ড. এম মাশরুর রিয়াজ, এফবিসিসিআই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এ মোমেন, আমিন হেলালি, হাবিব উল্লাহ ডন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

  • শি জিনপিং টানা তৃতীয় মেয়াদে চীনের প্রেসিডেন্ট

    শি জিনপিং টানা তৃতীয় মেয়াদে চীনের প্রেসিডেন্ট

    শি জিনপিং ২০১৮ সালেও সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন ।  ওই বছরই তার সরকার কিছু সাংবিধানিক বিধান বাতিল করে। যা তার তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা ছিলো। বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপল-এ ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আইনপ্রণেতারা উঠে দাঁড়ান এবং শি’র পক্ষে হাততালি দেন।

    তৃতীয় মেয়াদে চীনের প্রেসিডেন্ট পদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন শি জিনপিং। শুক্রবার চীনা আইনপ্রণেতাদের সর্বসম্মতিক্রমে তিনি নির্বাচত হন। এর মধ্যেদিয়ে আরও পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকবেন তিনি।  

    বার্ষিক আইনসভার এ বৈঠকে শি’কে কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে পুনর্নিযুক্ত করা হয়। যার মধ্যদিয়ে তিনি বিশ্বের বৃহত্তম সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে পুনরায় আসীন হলেন। শনিবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • দ্রুত এবং স্মার্টলি শেখার কৌশল

    দ্রুত এবং স্মার্টলি শেখার কৌশল

    দ্রুত শেখা একটি দক্ষতা যা জীবনের সকল ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে। আপনি পরীক্ষায় সফল হওয়ার চেষ্টা করছেন এমন একজন শিক্ষার্থী? নতুন দক্ষতা বিকাশের চেষ্টাকারী একজন পেশাদার? বা শুধুমাত্র এমন কেউ যিনি তাদের জ্ঞানের ভিত্তি প্রসারিত করতে চান? তাহলে এই লেখাটি আপনার জন্যেই। দ্রুত শেখা একটি মূল্যবান সম্পদ হতে পারে। এখান থেকে আমরা দ্রুত এবং কার্যকরভাবে শেখার জন্য কিছু টিপস এবং কৌশল খুঁজে বের করবো।

    আপনার শেখার শৈলী সনাক্ত করুন

    প্রত্যেকে আলাদাভাবে শেখে, এবং আপনার শেখার শৈলী বোঝা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে। কিছু লোক ভিজ্যুয়াল লার্নার যারা দেখে শিখে, অন্যরা শ্রবণ বা কাইনেস্থেটিক উপায়ে আরও ভাল শিখে। একবার আপনি আপনার শেখার শৈলী সনাক্ত করার পরে, আপনি সেই শৈলীটি পূরণ করে এমন কৌশলগুলিতে ফোকাস করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, তথ্য সংগঠিত করার জন্য ভিজ্যুয়াল লার্নার্স ডায়াগ্রাম বা মাইন্ড ম্যাপ ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারে। যেমন, কাইনেস্থেটিক শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে উপলব্ধিগত কার্যক্রম পছন্দ করতে পারে।

    স্পষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

    মনের মধ্যে একটি পরিষ্কার লক্ষ্য থাকা আপনাকে শিখতে অনুপ্রাণিত করে। আপনি কী অর্জন করতে চান তা নির্ধারণ করুন। এবং নির্দিষ্ট, পরিমাপযোগ্য লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি একটি নতুন ভাষা শিখছেন, তাহলে প্রতিদিন ১০ টি নতুন শব্দ শেখার বা প্রতি সপ্তাহে একটি বিদেশী ভাষার বইয়ের নির্দিষ্ট সংখ্যক পৃষ্ঠা পড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। একটি পরিষ্কার লক্ষ্য মাথায় রাখা, আপনাকে ট্র্যাকে থাকতে সহায়তা করতে পারে।

    সক্রিয় শেখার কৌশল ব্যবহার করুন

    একজন সক্রিয় শিক্ষার্থী কৌতুহলী হয় এবং প্রশ্ন করে। তথ্যগুলোকে গুছিয়ে নিয়ে স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করুন। সেগুলোর থেকে নোট করা, সংক্ষিপ্ত করার মাধ্যমে তা নিজের পরিবেশ বা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে সামঞ্জস্যতা ঘটান। এভাবে বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে আপনার শিক্ষাকে নিয়ে আসুন। সেই জ্ঞান অন্যান্যদের সাথে ভাগ করে নিতে আনন্দ লাভ করুন। যা শিখলেন বা অর্জন করলেন সেটাকে বারবার স্মরণ করুন।

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফোকাস

    আপনি যখন দ্রুত কিছু শেখার চেষ্টা করছেন, তখন মনোযোগকে বিক্ষিপ্ত করে এমন কোনো বস্তু বা পরিবেশের থেকে সরে আসতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তথ্যের উপর ফোকাস করা। তথ্যগুলোর মূল বিষয়টাকে অগ্রাধিকার দিন এবং বিশদ বিবরণে আটকাবেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত সনাক্ত করতে, স্কিমিং এবং স্ক্যান করার মতো কৌশলগুলি ব্যবহার করুন। তারপর সেই ক্ষেত্রগুলির আরও গভীরে যান৷

    বিরতি নিন

    আপনি যখন দ্রুত শেখার চেষ্টা করছেন তখন আপনার মস্তিষ্ককে বিরতি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গেছে যে, বিরতি নেওয়া আসলে শেখা এবং মনে রাখাকে উন্নতি করতে পারে। প্রতি ঘন্টায় একটি ছোট বিরতি নিন এবং সেই সময়টিকে আরামদায়ক বা আনন্দদায়ক কিছু করতে ব্যবহার করুন। এটি আপনাকে আপনার ব্যাটারি রিচার্জ করতে এবং নতুন উদ্যোমে ফিরে আসতে সাহায্য করবে।

    নিয়মিত অনুশীলন করুন

    দ্রুত এবং কার্যকরভাবে শেখার জন্য নিয়মিত অনুশীলন অপরিহার্য। আপনি যা শিখছেন তা অনুশীলন করার জন্য প্রতিদিন বা প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময় আলাদা করুন। নিয়মিত অনুশীলন ও অধ্যবসায়ই মানুষকে তাঁর কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছে দেয়। তাই নিত্য অনুশীলনকে অভ্যাসে পরিণত করুন। এটি আপনার গতিবেগ তৈরি করতে এবং দ্রুত লক্ষ্যে পৌছাতে সাহায্য করবে।

    দ্রুত শেখা একটি মূল্যবান দক্ষতা যা অনুশীলন এবং আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিকাশিত হয়। উপরের কৌশলগুলো কাজে লাগিয়ে সহজেই দ্রুত সময়ে শেখা সম্ভব। মনে রাখতে হবে- ধৈর্যশীল এবং অবিচল থাকতে হবে। শেখার জন্য প্রশ্ন করতে ভয় পাওয়া যাবে না। সঠিক পদ্ধতির সাথে, আপনি দ্রুত এবং কার্যকরভাবে শিখতে পারবেন।

  • টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

    টি-টোয়েন্টির প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

    টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে অতীতে দুই দলের সাক্ষাৎ হয়েছে মাত্র একবার। সেই সাক্ষাতে আধিপত্য বিস্তার করেই জিতেছে ইংল্যান্ড।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ বৃহস্পতিবারের আগ পর্যন্ত ১৪৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেছে। যার মধ্যে ম্যাচ জিতেছে ৪৯টি, হেরেছে ৯২টিতে। ৩টিতে ফল হয়নি। ১৪৪ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ওই একটি ম্যাচে আবার বিন্দুমাত্র প্রতিরোধও গড়তে পারেনি। ম্যাচটি বাংলাদেশ ভুলে যেতেই চাইবে। ২০২১ বিশ্বকাপে আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ আগে ব্যাট করে মাত্র ১২৪ রান করেছিল। সহজ সেই লক্ষ্য ৩৫ বল হাতে রেখে মাত্র ২ উইকেট হারিয়েই ইংল্যান্ড ছুঁয়ে ফেলেছিল।

    আজ বেলা ৩টায় চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড।

    গত বছরের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে পাকিস্তানকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ জয়ের চার মাসের ব্যবধানে এই প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলতে নামছেন ইংলিশরা।

    সমীকরণে বাংলাদেশের তুলনায় যোজন যোজন ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড। ইংলিশরা টি-টোয়েন্টিতে এ পর্যন্ত ১৭০ ম্যাচে অংশ নিয়ে জয় পেয়েছে ৯২টিতে, হেরেছে ৭২টিতে।

    তবে গোল বলের খেলা ক্রিকেটে অনেক সময় সমীকরণ কাজে দেয় না। নির্দিষ্ট দিনে যারা ভালো খেলে তারই জয়ের হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়ে। তা ছাড়া বাংলাদেশ নিজেদের ‘লাকি মাঠ’খ্যাত চট্টগ্রামের ভেন্যুতে খেলবে। ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বাধীন দলটি।

    এ কারণে স্কোয়াডেও চমক থাকবে। তামিম, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিক কেউ খেলবেন না। তাদের জায়গায় তরুণ খেলোয়াড়রাই সাকিবের ভরসা। বিপিএলে যারা ভলো করেছে তাদের আজ সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

    বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, সাকিব আল হাসান, শামিম হোসেন, মেহেদি হাসান, নুরুল হাসান সোহান, তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও নাসুম আহমেদ।

    ইংল্যান্ড: জস বাটলার, ফিল সল্ট, ডেভিড মালান, উইল জ্যাকস, মঈন আলী, স্যাম করান, ক্রিস ওকস, রিহান আহমেদ, মার্ক উড ও জোফরা আর্চার।

  • নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল ইউক্রেনপন্থীরাই

    নর্ড স্ট্রিম পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল ইউক্রেনপন্থীরাই

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলার মধ্যেই গত বছর সেপ্টেম্বরে একটি গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটেছিল – কিন্তু কে বা কারা এ ঘটনা ঘটায় তা এক রহস্য হয়েই ছিল এতদিন। এখন মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এক রিপোর্টে বলছে – সম্ভবত ইউক্রেন-সমর্থক একটি গ্রুপ ওই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল।

    বাল্টিক সাগরের তলদেশ দিয়ে রাশিয়া থেকে জার্মানিতে গ্যাস নিয়ে যাবার পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম -ওয়ানের ওপর চালানো হয়েছিল ওই আক্রমণটি। সে সময় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল এ ঘটনা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলার মধ্যেই গত বছর সেপ্টেম্বরে একটি গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটেছিল। কিন্তু কে বা কারা এ ঘটনা ঘটায় তা এক রহস্য হয়েই ছিল এতদিন।

    রাশিয়া, ইউক্রেন আর ইউরোপসহ পশ্চিমা বিশ্বের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের তোড়ের মধ্যেই ঠিক কারা এ আক্রমণ চালিয়ে থাকতে পারে, তা নিয়ে শুরু হয়েছিল ব্যাপক জল্পনা। সে সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন একে ‘সাবোটাজ’ বলে অভিহিত করেছিলেন। রাশিয়া এজন্য পশ্চিমা বিশ্বকে – বিশেষ করে ব্রিটেনকে – দোষারোপ করেছিল, তবে ব্রিটেন এ অভিযোগ অস্বীকার করে।

    পোল্যান্ড ও ইউক্রেন সরাসরি রাশিয়াকে ওই বিস্ফোরণের জন্য দায়ী করেছিল, যদিও তারা কোন প্রমাণ দেয়নি। অন্যদিকে নেটো ও পশ্চিমা নেতারা এর নিন্দা করলেও সরাসরি রাশিয়ার বিরুদ্ধে তাদের নিজেদের পাইপলাইনে আক্রমণের অভিযোগ করেন নি।

    এখন মার্কিন নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এক রিপোর্টে মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, এই নাশকতামূলক আক্রমণ চালিয়েছিল একটি ইউক্রেন-পন্থী গোষ্ঠী। এ রিপোর্ট বেরুনোর পর ইউরোপ ও মার্কিন মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির উপদেষ্টা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, ওই ঘটনার সাথে ইউক্রেনের কোন সম্পর্ক ছিল না।

    অন্যদিকে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই রিপোর্টটিকে তার ভাষায় “ভুয়া-খবর ছড়ানোর একটি সমন্বিত প্রয়াস” বলে আখ্যায়িত করে বলেন, যারা এই পাইপলাইনে আক্রমণ চালিয়েছে তারা স্পষ্টতঃই দৃষ্টি অন্যদিকে সরাতে চাইছে।

  • প্রধানমন্ত্রী হাসিনার নেতৃত্বে পৃথিবীকে চমকে দিয়ে বাংলাদেশের নারী সমাজ: তথ্যমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী হাসিনার নেতৃত্বে পৃথিবীকে চমকে দিয়ে বাংলাদেশের নারী সমাজ: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত সারাদেশে নাশকতার ছক এঁকেছে। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    বুধবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন চত্বরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ আয়োজিত ‘আঁধার ভাঙার শপথে আলোক প্রজ্জ্বলন’ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।  তথ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    দেশে নারী উন্নয়ন নিয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পৃথিবীকে চমকে দিয়ে বাংলাদেশের নারী সমাজ উন্নতি লাভ করেছে। নারী সমাজ সর্বক্ষেত্রে তাদের মেধা, যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখছে। বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের নারীরা রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের দিক দিয়ে বিশ্বে পঞ্চম, এশিয়া ওশেনিয়া অঞ্চলে  দ্বিতীয় আর উপমহাদেশে প্রথম। শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের কারণে এটি হয়েছে। আমাদের নারী পৃথিবীকে পথ দেখাচ্ছে। আমাদের নারীরা এভারেস্ট জয় করেছে, আমাদের নারীরা হিমালয় শৃঙ্গে উঠেছে, মহাসাগর পাড়ি দিচ্ছে।’

    দেশ ও নারী দিবসকে সামনে রেখে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মা-বোনসহ সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখার অনুরোধ জানাই, বিএনপি-জামায়াত সারাদেশে নাশকতা সৃষ্টি করার ছক এঁকেছে। তার আলামত শুরু হয়ে গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নারীদের বলবো, আপনারা এগিয়ে যান, দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান। আপনাদের হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাবে। আমাদের দেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাবে।’

    তিনি বলেন, আজকে বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী নারী, বিরোধীদলীয় নেত্রী নারী, সংসদ নেতা নারী, সংসদ উপনেতা নারী, শিক্ষামন্ত্রী নারী। এভাবে নারীর যে ক্ষমতায়ন বাংলাদেশে হয়েছে, পৃথিবীর আর কোনও দেশে গত এক দশকে এভাবে হয়নি।

    ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজকে নারীরা সেনাবাহিনীতে শুধু অফিসার পদে নয়,  সেনা সদস্য হিসেবেও কাজ করছে, তারা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ডিসি, এসপি যা ১৪ বছর আগে কেউ ভাবেনি’, বর্ণনা করেন তিনি।

    আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নারী ফুটবল দল পাকিস্তানকে ১২ গোল দিয়েছে, সার্ক শিরোপা জয় করেছে। আমাদের নারী ক্রিকেট দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, কিন্তু পুরুষ ক্রিকেট দল পারেনি। সাম্প্রতিক সময়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় নারীদের ফল ভালো। প্রধানমন্ত্রীর নারীবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও নানামুখী কর্মসূচির কারণে এটি সম্ভব হয়েছে।’

    যুব মহিলা লীগ সভাপতি ডেইজি সারওয়ারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুলতানা লিলির সঞ্চালনায় সংগঠনের সদস্যরা মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের আগে দেশে নারী উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।

     

  • গুলিস্তানে ভবন বিস্ফোরণ: উদ্ধার অভিযানের তৃতীয় দিন

    গুলিস্তানে ভবন বিস্ফোরণ: উদ্ধার অভিযানের তৃতীয় দিন

    রাজধানীর গুলিস্তানের সিদ্দিক বাজারে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে তৃতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সা‌র্ভিসের ঢাকা জো‌নের উপপ‌রিচালক দিনম‌নি শর্মা।

    দিনমনি শর্মা বলেন, ‘সকাল আটটা থেকে আমাদের তৃতীয় দিনের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। ভবনটা অ‌ত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় সতর্কতার সা‌থে আমরা উদ্ধারকাজ চা‌লি‌য়ে যা‌চ্ছি, যা‌তে আমা‌দের কর্মীদের কোনো বিপ‌দে পড়তে না হয়।’

    মঙ্গলবার বিকালের দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ভবনের নিচতলায় একটি স্যানিটারি সামগ্রীর দোকান, অন্য তলায় ব্র্যাক ব্যাংকের অফিস এবং সংলগ্ন একটি সাততলা ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো ভবন ধসে পড়েনি।

    এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের উপ-অতিরিক্ত পরিচালক শাহজাহান শিকদার জানান, কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

    উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ২০ সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে কাজ করছে বলে জানান তিনি।

    গুলিস্তানে মঙ্গলবার বিকেলের বিস্ফোরণে বুধবার পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    উদ্ধার অভিযানের দ্বিতীয় দিনে ভবনটি থেকে আরও দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

  • স্বাস্থ্যকর তেলে রান্না করুন

    স্বাস্থ্যকর তেলে রান্না করুন

    নিয়মিত রান্নায় সয়াবিন তেল দেশের ভোজ্যতেল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২০১৩ সালে, সরকার বাধ্যতামূলক করেছে যে সয়াবিন তেল সহ ভোজ্যতেলকে ভিটামিন এ দিয়ে সুরক্ষিত করতে হবে। আজ, সয়াবিন তেল বাংলাদেশের ভোজ্য তেল উৎপাদনের একটি প্রধান উপাদান, যেখানে ১০ মিলিয়নেরও বেশি পরিবার ভর্তুকিযুক্ত সয়াবিন তেল পাচ্ছে। কিন্তু এর পূর্ব থেকেই সরিষা বীজের তেল বাংলাদেশের সর্বাধিক ব্যবহৃত রান্নার তেল হিসেবে গ্রাম থেকে শহরে সর্বদা ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে সময়ে সচেতন মানুষদের মধ্যে আবারও ধীরে ধীরে সরিষা তেলের জনপ্রিয়তা ফিরে আসছে।

    সয়াবিন তেল পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি সমৃদ্ধ উৎস, যা স্বাস্থ্য সুবিধার জন্য পরিচিত। এটি ভিটামিন ই এর একটি ভাল উৎস, যা একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এ তেলে তামা, জিঙ্ক এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপকারী খনিজও রয়েছে। তুলনামূলকভাবে, সরিষার তেলে লিনোলিক অ্যাসিড এবং অলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা হৃদরোগের জন্য উপকারী। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও রয়েছে, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। উপরন্তু, সরিষার তেলে মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বেশি থাকে, যা রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে উপকারী।

    কি খাবেন সরিষার তেল নাকি সয়াবিন তেল ?

    এ বিষয়ে ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন বিভাগের চীফ কনসালটেন্ট, পুষ্টিবিদ সামিরা খালেক সুকৃতি বলেন, “আমাদের দেশে যত ধরনের ভোজ্যতেল ব্যবহার হয় তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো সরিষার তেল। সয়াবিন তেলে অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ীরা পাম অয়েলসহ বিভিন্ন কিছু মেশায়। অধিক মুনাফার জন্য তারা এ কাজ করে। কিন্তু সরিষার তেলে সে সুযোগ নেই। কারণ সরিষার তেলে এমন কিছু মেশালে ভালোভাবে মিক্সড হয় না। এ কারণে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো। সানফ্লাওয়ার অয়েলের সঙ্গেও অন্য তেল মেশানো যায়।’

    তিনি আরো বলেন- ক্যাস্টর অয়েল নিয়মিত খাওয়ার জন্য উপকারী নয়। রান্নায় নিয়মিত ব্যবহারের জন্য সানফ্লাওয়ার অয়েল ভালো, যদি সেটি খাঁটি হয়।

    সয়াবিন ও সরিষার তেলের পুষ্টিগুন ও ক্যালরি

    পুষ্টিগুন ও ক্যালরির বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. সামিরা বলেন, ‘ক্যালরির দিক থেকে মোটামুটি সব তেল প্রায় সমান। তেল যেহেতু ফ্যাটের অধীন, এক গ্রাম ফ্যাট থেকে ৯ ক্যালরি পাওয়া যায়। ফলে তেলের ক্ষেত্রে ক্যালরির ডিসটেন্স কিন্তু বেশি হচ্ছে না।

    আমাদের দেহে দুই ধরনের ফ্যাট রয়েছে, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এক্ষেত্রে সয়াবিন তেলের চেয়ে সরিষার তেল তুলনামূলক ভালো, অলিভ অয়েল আরো ভালো। কিন্তু তেল ব্যবহারে সচেতন হতে হবে। অনেকে মনে করেন, অলিভ অয়েল দিয়ে রান্না করলে বেশি পুষ্টি হবে। কিন্তু যখন আপনি অলিভ অয়েল বেশি তাপে রান্না করবেন গুণগত মান নষ্ট হবে। অলিভ অয়েল দিয়ে আপনি হালকা ডিম ভাজতে পারেন কিন্তু খুব বেশি তাপে রান্না করলে কাঙ্ক্ষিত পুষ্টিগুণ পাবেন না।’

    আমাদের দেশে তেল-মসলা বেশি খাওয়া হয়। এ জন্য সয়াবিন তেল ব্যবহার করা হয়। চাইলে সরিষাবাটা তেল দিয়েও রান্না করা যায়। সরিষার তেল সয়াবিন তেলের চেয়ে বরং পরিমাণে কম লাগে। এতে শরীরে ক্যালরি বাড়ার আশঙ্কাও কমে যায়। জানান এই পুষ্টিবিদ।

  • অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    সোমবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় কাতারে আঞ্চলিক দূত সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি আপনাদের (কূটনীতিকদের) অর্থনৈতিক কূটনীতিকে শক্তিশালী করতে সক্রিয় হতে হবে।’ সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থানরত বাংলাদেশি কূটনীতিকরা যোগ দেন।

    অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে বাংলাদেশি কূটনীতিকদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাণিজ্য ও রফতানি বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে দেশের স্নাতক বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্নাতক অর্জন করতে যাচ্ছে। এজন্য সেসব দেশের প্রতি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন, যেখানে বাংলাদেশ ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে এবং উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে লাভবান হতে পারে।

    তিনি বলেন, ‘আপনাদের চোখ খোলা রেখে সব দেশের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতা করতে হবে। তাহলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা টিকে থাকতে পারবো, আরও এগিয়ে যেতে এবং অবশেষে উন্নত দেশে উন্নীত হতে পারবো।’

    শেখ হাসিনা বলেন, একসময় কূটনীতি একটি রাজনৈতিক বিষয় ছিল। কিন্তু এখন এটি অর্থনৈতিক বিষয়, মানে অর্থনৈতিক কূটনীতি। তাই যারা বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন তাদের সেই দেশগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে, যেখানে আমরা বাণিজ্য ও ব্যবসা করতে পারি। একইসঙ্গে যেসব দেশে আমাদের পণ্য রফতানির সুযোগ রয়েছে এবং যে দেশগুলো থেকে আমরা কম এবং ন্যায্য দামে পণ্য আমদানি করতে পারি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যবসা ও বাণিজ্য আরও বাড়াতে হবে, এটি অত্যন্ত  প্রয়োজনীয়।

    তিনি বলেন, যেসব দেশে আমাদের পণ্যের চাহিদা আছে এবং যেখানে বিপণনের সুযোগ আছে সেসব দেশকে চিহ্নিত করুন। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে বাংলাদেশের নীতির উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’। অন্তত আমি দাবি করতে পারি, বাংলাদেশ সঠিকভাবে এই নীতি অনুসরণ করছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখবে। কিন্তু যখন কোনও অন্যায় দেখা যাবে, তখন বাংলাদেশ অবশ্যই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার কথা বলবে, যা মিয়ানমারকে বলা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, ‘যখন মিয়ানমারে (রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত করা) ঘটনাটি ঘটেছিল, তখন আমরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে জড়াইনি। রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’

    সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি উপস্থিত ছিলেন।

    জাতিসংঘের পঞ্চম স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী এখন কাতার সফরে রয়েছেন। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে তিনি গত শনিবার কাতারে পৌঁছান। বুধবার (৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। সূত্র: বাসস।