Author: Hello Bangla News

  • কে এই বুরাক ওজচিভিত!

    কে এই বুরাক ওজচিভিত!

    জনপ্রিয় টিভি সিরিজ কুরলুসঃ ওসমানের, ওসমানকে কে না চিনে! কিন্তু অভিনয়ের সেই মানুষটা সম্পর্কে আমরা কতোটা জানি? আসুন জেনে নেই ওসমান সম্পর্কে। ওসমানের আসল নাম বুরাক ওজচিভিত। তিনি একাধারে একজন খ্যাতিমান অভিনয় শিল্পী, একজন টপ মডেল, প্রযোজক এবং উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত আছেন।

    বুরাক ওজচিভিত তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একটি ইসলামী মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছেন এবং বুরাক্কান ওজচিভিত নামে তার একটি ছোট ভাই রয়েছে। বুরাক ওজচিভিত ২০১৭ সালে ফাহরি ইভসেনকে বিয়ে করেন, তিনিও একজন অভিনেত্রী। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে, যার নাম কারাণ ওজচিভিত এবং একটি মেয়ে লারা ওজচিভিত । বুরাক ওজচিভিত বিনোদন শিল্পে একটি বর্ণাঢ্য কর্মজীবন তৈরি করেছেন। তিনি কারা সেভদা এবং কুরুলুস: ওসমান এর মতো টিভি শোতে অভিনয়ের জন্য একাধিক পুরস্কার এবং প্রশংসা অর্জন করেছেন। পাশাপাশি মুসাল্লাত, আস্ক সানা বেনজার এবং ক্যান ফেদা-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। উপরন্তু তিনি একজন তুরষ্কের মডেল হিসেবেও কাজ করেছেন। তুরস্কের শীর্ষ মডেলদের মধ্যে তিনি একজন। বুরাক ওজচিভিতরে নিজস্ব প্রোডাকশন কোম্পানি আছে যার নাম বিআরকে প্রোডাকশন। বুরাক ওজচিভিতকে তুরস্কের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা হিসাবে বিবেচনা করা হয় এবং তার কাজ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তুরষ্কের ভয়াবহ ভূমিকম্পে বুরাক ওজচিভিত মারা গেছেন এরকম খবর সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লেও সেটা সম্পূর্ণভাবে গুজব ছিলো। এ বিষয়ে বুরাক ওজচিভিত নিজেই জানিয়েছিলেন।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে

    খালেদা জিয়ার মুক্তির আবেদন আইন মন্ত্রণালয়ে

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে ৭ম বারের মতো পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়েছে। সোমবার তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ আবেদন করেন। আবেদনে এবারও সাজা মওকুফ ও শর্ত শিথিল করে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর ওই দিনই খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেওয়া হয়।

    খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই আবেদন বিবেচনার জন্য আবেদনটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। আইনি মতামতের পর এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

    আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনটি আমরা পেয়েছি। এ ব্যাপারে আইনগত মতামত দিয়ে শিগগিরই তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    মূলত আগের শর্ত বহাল রেখে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে খালেদা জিয়ার। ২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরু হলে পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে দুটি শর্তে ছয় মাসের মুক্তি দেন। ২৫ মার্চ কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।

    প্রথম শর্তটি হলো খালেদা জিয়াকে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না। এর পর পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক দফায় ছয় মাস করে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ায় সরকার।

    এদিকে খালেদা জিয়ার রাজনীতি করা না করা নিয়ে সরকারের মন্ত্রীদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হয়। মন্ত্রীদের কেউ কেউ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনীতি করতে কোনো বাধা নেই। তাদের এমন মন্তব্যে দ্বিমত পোষণ করে সরকারের প্রভাবশালী দুজন মন্ত্রী বলেন, মুক্তির শর্ত অনুযায়ী খালেদা জিয়ার রাজনীতি করার সুযোগ নেই।

    খালেদা জিয়া হার্টের সমস্যা, লিভার সিরোসিস ছাড়াও নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতা রয়েছে তার। কারাগার থেকে বেরোনোর পর চিকিৎসার জন্য কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি। সর্বশেষ ২৭ ফেব্রুয়ারি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে।

  • বাংলাদেশেই মুনাফা বেশি

    বাংলাদেশেই মুনাফা বেশি

    রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল রোববার সামিটের দ্বিতীয় দিনে ‘বাংলাদেশে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের সুযোগ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ‘এফবিসিসিআই বিজনেস সামিট ২০২৩’ এ আমন্ত্রিত বিভিন্ন দেশের উদ্যোক্তা-বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের এমন বার্তাই দিল বাংলাদেশ।

    সেমিনারে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশেই একমাত্র দেশ যেখানে শ্রমের মজুরি সবচেয়ে কম। শুধু তাই নয়, এখানে বিদ্যুৎ, পানিসহ অন্যান্য পরিষেবা ব্যবহারের খরচও অনেক কম। আছে ১৭ কোটি মানুষের বড় একটা বাজার। সহজ মুনাফা অর্জন ও তা স্থানান্তরের সুবিধাসহ ব্যবসা পরিচালনায় সার্বিক নিরাপত্তার আছে নিশ্চয়তা।

    সেমিনারে মূল প্রবন্ধে উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। তিনি তার প্রবন্ধে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিনিয়োগকারীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চেয়ে সাশ্রয়ী ও নিরাপদ বিনিয়োগ পরিবেশ রয়েছে বাংলাদেশে। সালমান এফ রহমান বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করে দেখেছে এখানে তা লাভজনক। কারণ এ অঞ্চল থেকে ভারত ও চীনের বাজারে প্রবেশ অনেক সহজ। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে শ্রম খাতে সাশ্রয় হবে ৪৭ থেকে ৮৪ শতাংশ। মজুরি সাশ্রয় হবে ৪১ থেকে ৬৯ শতাংশ পর্যন্ত। এ ছাড়া ৬ থেকে ৮৯ শতাংশ সাশ্রয় হবে পানিতে, বিদ্যুতে সাশ্রয় হবে ১০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত। বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, সরকার বিনিয়োগবান্ধব করে সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এরই মধ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করেছে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা এসেছে। ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে কাজ করছে দেশ।

     

    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ উৎপাদন ব্যবস্থায় দক্ষতার সঙ্গে উন্নতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ৬০ বিলিয়ন থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে সরকার। নানামুখী উদ্যোগের ফলে বর্তমানে ভালো বিনিয়োগ পরিবেশ রয়েছে। পাওয়ার সেক্টরের জন্য এরই মধ্যে কাতার ও সৌদি আরবের সঙ্গে কাজ করা হচ্ছে। গ্যাসের সমস্যা সমাধানে অভ্যন্তরীণ উৎসকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান এ. কে. আজাদ বলেন, বিশ্বে এখন ম্যানমেড ফাইবারের চাহিদা বাড়ছে। এ খাতে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আনা সম্ভব। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশের পাশাপাশি রয়েছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা। তাই নিশ্চিন্তে বিনিয়োগ করতে পারেন বিনিয়োগকারীরা।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ডিজিটাল করার কাজ শুরু হয়েছে। কৃষি এবং খাদ্য খাতে আগ্রহী হচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরেও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

     

  • অস্কারের ৯৫তম আসরে পুরস্কার পেলেন যারা

    অস্কারের ৯৫তম আসরে পুরস্কার পেলেন যারা

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে চলছে অস্কারের জমকালো অনুষ্ঠান। সেখানে জড়ো হয়েছেন হলিউডসহ বিশ্বের বিনোদন জগতের নামি-দামি সব তারকা। বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কার। ১২ মার্চ রাতে (বাংলাদেশ সময় ১৩ মার্চ ভোর ৬টায়) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে বসেছিল এবারের ৯৫তম আসর। জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তারকারা।

    ৯৫তম অস্কারে সেরা ছবির পুরস্কার পেয়েছে ‘এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স’। সব মিলিয়ে সাত ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে সিনেমাটি।

    আজ বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে বসে অস্কারের ৯৫তম আয়োজন। এ উপলক্ষে সেখানে জড়ো হন হলিউডসহ বিনোদন জগতের নামিদামি সব তারকা। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

    ‘এভরিথিং এভরিহোয়্যার অল অ্যাট ওয়ান্স’ যে সাত বিভাগে পুরস্কার জিতেছে—সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালক, সেরা অভিনেত্রী, সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী, সেরা পার্শ্ব অভিনেতা, অরিজিনাল স্ক্রিন প্লে ও সেরা এডিটিং।

    বিভিন্ন বিভাগে যারা পুরস্কার পেলেন—

    স্বল্পদৈর্ঘ্যের সেরা লাইভ অ্যাকশনঃ

    টম ব্রাকলে এবং রস হোয়াইটের স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি ‘অ্যান আইরিশ গুডবাই’ সিনেমাটি এই বিভাগে পুরস্কার জিতেছে।

    সেরা ডকুমেন্টারি ছবিঃ

    রাশিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সি নাভালনিকে নিয়ে তৈরি করা ‘নাভালনি’ সেরা ডকুমেন্টারির ছবির পুরস্কার জিতেছে। নাভালনি জেলে বন্দি থাকায় অস্কার অনুষ্ঠানে তার স্ত্রী ইউলিয়া নাভালনা উপস্থিত ছিলেন।

    সেরা সিনেমাটোগ্রাফিঃ

    সেরা সিনেমাটোগ্রাফির পুরস্কার জিতেছে ‘অল কুয়াইট অন দ্য ওয়েস্টান ফ্রন্ট।’

    সেরা অ্যানিমেশনঃ মেক্সিকান পরিচালক গুইলারমো দেল তোরোর অ্যানিমেশন ছবি পিনোচ্চিও সেরা অ্যানিমেটেড ছবি।

    সেরা মেকআপ আর্টিস্টঃ

    ‘দ্য হোয়াল’ ছবিতে দুর্দান্ত কাজ করে সেরা মেকআপ আর্টিস্টের পুরস্কার জিতেছেন আদ্রিয়েন মোরোট, জুডি চিন ও অ্যান্নিমারি ব্র্যাডলি।

    সেরা আন্তর্জাতিক ছবিঃ

    এবারের আসরে সেরা আন্তর্জাতিক ছবির পুরস্কার জিতেছে ‘অল কুয়াইট অন দ্য ওয়েস্টান ফ্রন্ট’।

    স্বল্পদৈর্ঘ্যের সেরা ডকুমেন্টারিঃ

    মা হারানো এক হাতিকে ভারতের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ বড় করে তুলছেন— এ ঘটনার ওপর নির্মিত ডকুমেন্টারি ‘দ্য এলিফ্যান্ট হুইসপার্স’সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ডকুমেন্টারির পুরস্কার জিতেছে।

    সেরা এনিমেটেড শর্ট ফিল্মঃ

    দ্য বয়, দ্য মোল, দ্য ফক্স অ্যান্ড দ্য হর্স নামে এনিমেশন ছবি জিতেছে সেরা এনিমেটেড শর্ট ফিল্মের পুরস্কার।

  • দেশি-বিদেশি এজেন্সি উন্মুখ হয়ে আছে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে: প্রধানমন্ত্রী

    দেশি-বিদেশি এজেন্সি উন্মুখ হয়ে আছে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে: প্রধানমন্ত্রী

    কাতারে পাঁচ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর নিয়ে সোমবার (১৩ মার্চ) গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য অনেক আন্তর্জাতিক ও দেশীয় এজেন্সি উন্মুখ হয়ে আছে। ৪০ জনের নামে (ওয়াশিংটন পোস্টের বিজ্ঞাপন) যেটা এসেছে, ওটার পেছনেও কিছু অ্যাম্বিশন আছে। এতে কোনও সন্দেহ নেই। যাদের ইচ্ছা, তারা জনগণের কাছে যাবে। নির্বাচন যাতে অবাধ-সুষ্ঠু হয়, তার জন্য নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় সংশোধনী বা সংস্কার আনা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০১ সালের নির্বাচনের পর যে সন্ত্রাস, সংঘাত, মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন, সেটি যদি ভেবে দেখেন। ২০০৬ সালের পর ভোটারবিহীন ভোটার তালিকা, ২০০৭-এর নির্বাচন। এই ঘটনাগুলোর যাতে আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে, তার জন্যই আমরা এই সংস্কারগুলো করে দিয়েছি। এখন জনগণের ওপর নির্ভর করে যে তারা কীভাবে চায়? নির্বাচনের প্রস্তুতি আমাদের সবসময়ই আছে, জনগণ যেন ভোট দিতে পারে।’

    সাম্প্রতিক উপনির্বাচন এবং স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পেরেছে। তারা নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে গেছে। এই ভোটগুলো নিয়ে তো কেউ একটা কথাও বলতে পারেনি। সরকারে থাকলেও যে নির্বাচন সবসময় নির্বিঘ্ন হতে পারে, শান্তিপূর্ণ হতে পারে, অবাধ নিরপেক্ষ হতে পারে—সেটা তো আমরা প্রমাণ করেছি। আর  কী প্রমাণ করতে হবে, সেটাই আমার প্রশ্ন।’

    আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে আমরা সংগ্রাম করেছি। আমরা জনগণের ভোটের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছি। এখন জনগণের এটা হচ্ছে দায়িত্ব।’

  • ৪০ জনের নাম খয়রাত করে এনে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দিতে হবে কেন?: প্রধানমন্ত্রী

    ৪০ জনের নাম খয়রাত করে এনে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দিতে হবে কেন?: প্রধানমন্ত্রী

    সোমবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে বলেন , ‘প্রথমেই একটা কথা বলি, এটা বিবৃতি ঠিক না। এটা একটা অ্যাডভার্টাইজমেন্ট, ৪০ জনের নাম ব্যববহার করা হয়েছে। সেটা একজন বিশেষ ব্যক্তির পক্ষে। এটার উত্তর কী দেবো জানি না। তবে আমার একটা প্রশ্ন আছে- যিনি এতো নামিদামী নোবেল প্রাইজপ্রাপ্ত তার জন্য ৪০ জনের নাম খয়রাত করে এনে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দিতে হবে কেন বিদেশি পত্রিকায়। এটাই আমার প্রশ্ন, আর কিছু না।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে যাই হোক আমাদের দেশে কতগুলো আইন আছে। সেই আইন অনুযায়ী সব চলবে এবং সেটা চলে। আমাদের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। আমরা শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা করি। যারা ট্যাক্স ঠিক মতো দেয় তার জন্য আলাদা বিভাগ আছে। কেউ যদি এ সমস্ত বিষয়ে আইন ভঙ্গ করে বা শ্রমিকদের কোন অধিকার কেড়ে নেয় শ্রম আদালত আছে সেটা দেখে।’ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়ে এই কথা গুলো বলেন।

    ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ কিছু করার নেই বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে। ষড়যন্ত্র করার আর কোন সুযোগ নেই কারন পদ্মা সেতু হয়ে গেছে।

    বিশ্বের বরেণ্য ৪০ জন ব্যক্তিত্ব ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলা চিঠি লিখেন। যা ওয়াশিংটন পোস্টে প্রায় কোটি টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন আকারে গত ৭ মার্চ এ খোলা চিঠিটি প্রকাশিত হয়। বিবৃতিতে বলা হয়: নোবেল পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূসের মতো একজন অনবদ্য পরিশুদ্ধ মানুষ এবং তার কার্যক্রমগুলো বাংলাদেশ সরকারের অন্যায় আক্রমণের শিকার হচ্ছে। বারবার হয়রানি এবং তদন্তের মধ্যে পড়ছে। এ অবস্থায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেন খোলা চিঠিতে স্বাক্ষরদাতা বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

  • মেল গিবসনের ক্যারিয়ার বিতর্কের পর বিতর্কে টিকে আছে

    মেল গিবসনের ক্যারিয়ার বিতর্কের পর বিতর্কে টিকে আছে

    মেল গিবসন একজন আমেরিকান বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র পরিচালক। ৩ জানুয়ারী, ১৯৫৬ সালে, নিউ ইয়র্কের পিকস্কিল-এ জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সেই কয়েকজন অভিনেতাদের মধ্যে একজন যিনি অনায়াসে ব্রেভহার্টের মতো ঐতিহাসিক মহাকাব্য থেকে লেথাল ওয়েপন ফিল্ম সিরিজের মতো গ্রিটি অ্যাকশন মুভিতেও অসাধারণ অভিনয় করেছেন।

    তিনি ১৯৭০ এর দশকের শেষদিকে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন এবং ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন হয়ে ওঠেন। যদিও তিনি তার অ্যাকশন হিরো ভূমিকা এবং বড় পর্দায় তার প্রতিভার জন্য পরিচিত। তিনি বছরের পর বছর ধরে বেশ কিছু বিতর্কে জড়িয়েছেন। বিশেষ করে, তিনি ইহুদি বিরোধী মন্তব্য করার জন্য সমালোচিত হয়েছেন, যার কারণে তার চলচ্চিত্র বর্জন করা হয়েছে এবং থিয়েটারে তার কাজ দেখানো হয়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি হলিউডে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, পরিচালনা ও বিভিন্ন ছবিতে অভিনয় করেছেন।

    তার চলচ্চিত্রের কাজ ছাড়াও, গিবসন একজন প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার এবং এমনকি একজন কন্ঠ অভিনেতা হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি তার কাজের জন্য দুটি একাডেমি পুরস্কার, একটি গোল্ডেন গ্লোব এবং একটি BAFTA সহ অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন।

  • ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ

    ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ

    ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে আবারও বিক্ষোভ করেছেন লাখ লাখ ইসরায়েলি নাগরিক। মূলত বিচার ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের জন্য সরকারি পরিকল্পনার বিরুদ্ধে গত ১০ সপ্তাহ ধরে ভূখণ্ডটিতে এই বিক্ষোভ চলছে। রোববার (১২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। নেতানিয়াহুর নতুন সরকারের বিচার বিভাগীয় সংস্কার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে শনিবার (১১ মার্চ) এই বিক্ষোভ আয়োজন করা হয় এবং এতে লাখো মানুষ অংশ নেন।

    কয়েক লাখ ইসরায়েলির অংশগ্রহণে হওয়া এই বিক্ষোভকে অনেকে ইসরাইলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতিবাদ বলে অভিহিত করেছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার আয়োজিত এই বিক্ষোভে হাইফার মতো শহরে রেকর্ড সংখ্যক বিক্ষোভকারী দেখা গেছে। এছাড়া প্রায় ২ লাখ বিক্ষোভকারী এদিন তেল আবিবের রাস্তায় নেমেছিলেন বলে মনে করা হয়।

    নেতানিয়াহু সরকারের বিচার বিভাগীয় সংস্কার পরিকল্পনার সমালোচকরা বলছেন, এই সংস্কার পরিকল্পনা ইসরাইলের গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তবে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার বলছে, তাদের পরিকল্পিত এই পরিবর্তনই ভোটারদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে।

    বিক্ষোভের আয়োজকরা বলেছেন, শনিবার প্রায় ৫ লাখ গণতন্ত্রপন্থি বিক্ষোভকারী ইসরায়েলজুড়ে রাস্তায় নেমেছিল। আর তাই এদিনের বিক্ষোভকে ইসরায়েলি সংবাদপত্র হারেৎজ ‘দেশের ইতিহাসে বৃহত্তম বিক্ষোভ’ বলে অভিহিত করেছে।

    ইসরাইলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বেয়ের শেভাতে বিক্ষোভরত জনতাকে বলেছেন, ইহুদি এই দেশটি ‘তার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সংকটের’ মুখোমুখি হয়েছে।

    তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদের ঢেউ আমাদের আঘাত করছে, আমাদের অর্থনীতি বিপর্যস্ত হচ্ছে, অর্থ দেশ থেকে বের হয়ে যাচ্ছে। ইরান গতকাল সৌদি আরবের সাথে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু এই সরকারের একমাত্র চিন্তা হচ্ছে ইসরায়েলি গণতন্ত্রকে চূর্ণ করা।’

    সংবাদমাধ্যম বলছে, ইসরাইলের বিচার ব্যবস্থাকে সংশোধন এবং সুপ্রিম কোর্টকে দুর্বল করার একটি পরিকল্পনা সম্প্রতি উন্মোচন করেছে ইসরাইলের নতুন সরকার। এসব সংস্কার বাস্তবায়ন হলে ইসরাইলের পার্লামেন্টের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়গুলোকে বাতিল করা সহজ হবে।

    তবে সমালোচকরা বলছেন, নেতানিয়াহু সরকারের এই সংস্কার পরিকল্পনা ইসরাইলের বিচারিক স্বাধীনতাকে পঙ্গু করবে, দুর্নীতিকে আরও উৎসাহিত করবে, সংখ্যালঘুদের অধিকার নষ্ট করবে এবং ইসরায়েলের আদালত ব্যবস্থাকে বিশ্বাসযোগ্যতা থেকে বঞ্চিত করবে।

    এছাড়া নতুন এই সংস্কার পরিকল্পনা ইসরাইলের চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স সিস্টেমকে হুমকির মুখে ফেলবে বলেও দাবি করে আসছেন বিক্ষোভকারীরা। মূলত ওই আইন পাস হলে আইনসভা এবং নির্বাহী বিভাগের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যাবে। একইসঙ্গে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তমূলক ক্ষমতা পাবেন পার্লামেন্টের আইন প্রণেতারা।

    সংবাদমাধ্যম বলছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সরকার সংস্কারের জন্য সুপ্রিম কোর্টকে লক্ষ্যবস্তু করার পর জানুয়ারির প্রথম দিক থেকে প্রতি সপ্তাহের শনিবার বিপুল সংখ্যক ইসরায়েলি বিক্ষোভ করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার ভূখণ্ডটিতে টানা ১০ম সপ্তাহের মতো বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলো।

    এদিকে পৃথক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নেতানিয়াহু সরকারের এই সংস্কার পরিকল্পনা অনুমোদনের দিকে অগ্রসর হওয়ার সাথে সাথে ইসরায়েলে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ আরও বেড়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ সংলাপ করার জন্য আবেদন করেছেন।

    শনিবারের বিক্ষোভে তেল আবিবে জড়ো হওয়া হাজারও বিক্ষোভকারীর মধ্যে ছিলেন ৫৮ বছর বয়সী তামির গুয়েতসাব্রি। রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘এটি কোনও বিচারিক সংস্কার নয়। এটি একটি বিপ্লব যা (ইসরায়েলকে) সম্পূর্ণ একনায়কত্বের দিকে নিয়ে যাচ্ছে এবং আমি চাই- আমার বাচ্চাদের জন্য ইসরায়েলে গণতন্ত্র বজায় রাখুক।’

    অবশ্য গত ডিসেম্বরে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী পদে ফিরে আসা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলছেন, তাকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যেই রাস্তায় এসব বিক্ষোভ করা হচ্ছে। ইসরায়েলি এই প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে তিনটি দুর্নীতির মামলায় আদালতে বিচারাধীন রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন।

  • জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তির একমাত্র উৎস : ওবায়দুল কাদের

    জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তির একমাত্র উৎস : ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করে। জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তির একমাত্র উৎস।

    রোববার (১২ মার্চ) গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জনগণের ম্যান্ডেট নিয়েই আওয়ামী লীগ সবসময় ক্ষমতায় এসেছে এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশাকে ধারণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। রাষ্ট্রক্ষমতার জন্য আওয়ামী লীগ কখনো জনগণ ব্যতীত অন্য কারো মুখাপেক্ষী হয়নি।’

    দেশী-বিদেশী সুপরিকল্পিত ষড়ন্ত্রের মাধ্যমে অসংখ্যবার আওয়ামী লীগের নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, দেশবাসী ভুলে যায়নি, ক্ষমতা দখলের নীলনকশা বাস্তবায়নে ১৯৯১ সালে জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র কাছ থেকে অর্থ সহায়তা নিয়েছিল বলে কয়েক বছর আগে সে দেশের আদালতে সংস্থাটির তৎকালীন প্রধান জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছিল।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের আগেও বিদেশী প্রভুদের কাছে আমাদের জাতীয় সম্পদ প্রাকৃতিক গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে সূক্ষ্ম কারচুপির মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল খালেদা জিয়া। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা দেখি, ক্ষমতা দখলের জন্য কিভাবে বিএনপি নেতারা বিদেশী দূতাবাসগুলোতে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

    তিনি বলেন, বিদেশী প্রভুদের স্বার্থ রক্ষার মুচলেকা দিয়ে যারা ক্ষমতায় আসে তারা কখনোই জনগণের কল্যাণ করতে পারে না। বিএনপি-জামায়াত অশুভ জোটের দুঃশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, দুর্বৃত্তায়নই তার জ্বলন্ত উদাহরণ।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আদানি গ্রুপের সাথে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি প্রসঙ্গে হীন রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মনগড়া ও বানোয়াট মন্তব্য করেছেন। নিরবচ্ছিন্নভাবে জনগণের বিদ্যুৎ সুবিধা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার আদানির কাছ থেকে একটি লাভজনক চুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ক্রয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    তিনি বলেন, ভারতের একটি কোম্পানিকে দিয়ে ২ বিলিয়ন ডলার এককালীন বিনিয়োগ করিয়ে, ভারতের অভ্যন্তরে ৬০০ একর জমির উপর বিদ্যুৎ কেন্দ্র বানিয়ে, ভারতের আকাশে কয়লা পুড়িয়ে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, তা সর্বনিম্ন দামে ক্রয় করে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হবে এবং সেই বিদ্যুৎ বাংলাদেশের মানুষ ব্যবহার করবে।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, পুরোপুরি বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করেই এই চুক্তি হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ এই চুক্তির ফলে লাভবান হয়েছে। যারা বিদ্যুতের বদলে জনগণকে খাম্বা দিয়েছে, বিদ্যুতের দাবি করায় জনগণের উপর গুলি চালিয়ে মানুষ হত্যা করেছে তাদের মুখে বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি নিয়ে কথা বলা মানায় না।

    তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুটি একটি ডেড ইস্যু। গণতন্ত্রকামী প্রত্যেকটি মানুষমাত্রই জানে, জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত নয় এমন ব্যক্তি দ্বারা এক মুহূর্তের জন্যও রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পূর্ণরূপে গণতন্ত্রের অন্তর্নিহিত আদর্শের পরিপন্থী। অনির্বাচিত ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে জনগণ ক্ষমতাহীন হয়ে পড়ে। তাছাড়া দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক সুস্পষ্টভাবে অবৈধ ও অসাংবিধানিক আখ্যা দেয়া কোনো পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া অসম্ভব। আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, বিশ্বব্যাপী প্রচলিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও দেশের সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণই নির্ধারণ করবে কে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতারা মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও তাদের অন্তরে স্বৈরাচারের চেতনা প্রবাহমান। যারা একজন দুর্নীতিবাজ পলাতক খুনি আসামির জন্য দলীয় গঠনতন্ত্রে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় তাদের মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না। কানাডার আদালত কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সন্ত্রাসী সংগঠন বিএনপিই এদেশের গণতন্ত্রের প্রধান অন্তরায়।

    তিনি বলেন, বিএনপি মানেই হলো- দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, খুন-ধর্ষণ; সর্বোপরি জনগণের উপর নির্যাতন। আর আওয়ামী লীগের মূল লক্ষ্য দেশের উন্নয়ন- জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকায় বাংলাদেশের অর্থনীতি মজবুত ভীতের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সকল প্রতিকূলতা জয় করে একটি উন্নত-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

    সূত্র : বাসস

  • ইসি সম্পূর্ণ স্বাধীন নির্বাচন পরিচালনায়: প্রধানমন্ত্রী

    ইসি সম্পূর্ণ স্বাধীন নির্বাচন পরিচালনায়: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সফররত যুক্তরাজ্যের ফরেন কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এফসিডিও) প্রতিমন্ত্রী (ইন্দো-প্যাসিফিক) অ্যান-মেরি ট্রেভেলিয়ান আজ রোববার গণভবনে তার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী সাধারণ নির্বাচন পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণ স্বাধীন।’

    বৈঠকে তারা নির্বাচন, রোহিঙ্গা ইস্যু ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কোভিড-১৯ মহামারি এবং কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    আগামী সাধারণ নির্বাচন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ওয়েস্টমিনস্টার ধরনের গণতন্ত্র অনুসরণ করে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। ইসি সম্পূর্ণ স্বাধীন। এটি নির্বাচন পরিচালনা করবে।’

    মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, গণমাধ্যম এখানে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করে। একসময় দেশে একটি মাত্র টেলিভিশন চ্যানেল ছিল, কিন্তু, তার সরকার বেসরকারি খাতে টেলিভিশন চ্যানেলকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এখন, ২৪টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল রয়েছে এবং আরও টিভি চ্যানেল পাইপলাইনে রয়েছে।

    যুক্তরাজ্যের ইন্দো প্যাসিফিক প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) সদস্য থেকে উত্তোরণের পথে বাংলাদেশের জন্য উন্নয়নের পরবর্তী ধাপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    অ্যান-মেরি ট্রেভেলিয়ান বলেন, তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন। তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত লোকদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন।

    রোহিঙ্গা শিবিরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সুন্দরভাবে মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রশংসাও করেন তিনি।

    এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীতে বিপুলসংখ্যক নতুন শিশুর জন্ম হয়, যা বাংলাদেশের ওপর বোঝা আরও তীব্র করছে।

    কোভিড-১৯ মহামারি গোটা বিশ্বকে প্রভাবিত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ আরও খাদ্য উৎপাদনের ওপর জোর দিয়েছে এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিয়েছে।

    অ্যাম্বাসাডর-অ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং বাংলাদেশে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন উপস্থিত ছিলেন।