Author: Hello Bangla News

  • সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    সিরিজ জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবার সিরিজ জয় করায় অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি দলের খেলোয়াড়, কোচ ও ম্যানেজারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানায়।

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে রোববার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৪ উইকেটের জয়ে বল হাতে দুর্দান্ত পারফম্যান্স করেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তিনি ৪ ওভারে মাত্র ১২ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন। তার কারণেই ইংল্যান্ডকে ১১৭ রানে অলআউট করা সম্ভব হয়। তার শিকার হয়ে একের পর এক সাজঘরে ফেরেন মঈন আলী, স্যাম কারেন, ক্রিস ওকস ও ক্রিস জর্ডান।

    একটি করে উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ, সাকিব আল হাসান, হাসান মাহমুদ ও মোস্তাফিজুর রহমান। ১১৮ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে ৭ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৭ বলে তিন চারে ৪৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন।

  • ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল টাইগাররা

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ল টাইগাররা

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পদার্পনের প্রায় আড়াই দশক পেরিয়েছে বাংলাদেশের। দীর্ঘ এ সময়ে টেস্ট খেলুড়ে প্রায় সব দেশকেই দ্বিপাক্ষিক সিরিজে হারিয়েছিল টাইগাররা। বাকি ছিল শুধু ইংল্যান্ড। তখন ম্যাচের শেষ মুহূর্ত। বাংলাদেশও জয়ের কাছাকাছি। কিন্তু জোফরা আর্চারের ১৪৮ কিলোমিটার গতির বলটি আফিফের স্টাম্প ভেঙে দিতে আকস্মিকভাবে মোড় ঘুরে যায় ম্যাচের। বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমে তখন পরাজয়ের শঙ্ক উঁকি-ঝুঁকি দিচ্ছে। এবার সেই ইংলিশ দুর্গও ভেদ করতে সক্ষম হলো সাকিব আল হসানের দল। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই খেলায় জয়ের মধ্য দিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে টাইগাররা।

    মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে রোববার (১২ মার্চ) বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নিল সাকিব আল হসানের দল।

    মিরপুরে জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। হাতে ছিল ৪ উইকেট। এমন সমীকরণের সামনে ১৯তম ওভারে বোলিংয়ে আসেন ক্রিস জর্ডান। এই পেসারের প্রথম বলেই চার হাঁকিয়ে সমীকরণ সহজ করেন শান্ত। এরপর একই ওভারে তাসকিন আরও একটা বাউন্ডারি হাকালে ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।

    সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি লিটন দাস। ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছেন তিনি। কিছুতেই যেন খোলস ছেড়ে বের হতে পারছেন না এই ওপেনার। ৯ রান করে লিটন সাজঘরে ফেরায় ভাঙে ১৬ রানের উদ্বোধনী জুটি।

    লিটনের বিদায়ের পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি রনি তালুকদার। এই সিরিজ দিয়ে দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা এই ওপেনার উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। জোফরা আর্চারের বলে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে নামের পাশে যোগ করেছেন ১৪ বলে ৯ রান।

    ২৭ রানের মধ্যেই দুই ওপেনার ফিরলে বাংলাদেশের আকাশে শঙ্কার কালো মেঘ জমে। তবে শান্ত-হৃদয় জুটিতে সেই শঙ্কার মেঘ উড়ে গেছে। দুই তরুণের সাবলীল ব্যাটিংয়ে দশম ওভারে দলীয় অর্ধশতক পূর্ণ করে বাংলাদেশ। তবে এরপর আর বেশি দূর এগোতে পারলেন না হৃদয়।

    ১১তম ওভারে প্রথমবারের মতো বোলিংয়ে আসেন রেহান আহমেদ। অভিষিক্ত এই স্পিনার নিজের দ্বিতীয় বলেই উইকেটের দেখা পেয়েছেন। তার করা শট এবং ওয়াইড ডেলিভারীতে উড়িয়ে মারতে গিয়ে পয়েন্টে ধরা পড়েন তিনি।তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৭ রান।

    এরপর মিরাজ এবং শান্তর ৪১ রানের জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। তবে ২০ রান করে মিরাজ সাজঘরে ফিরলে আবারও ম্যাচে ফেরে ইংল্যান্ড। এরপর সাকিব-আফিফ দ্রুত ফিরলে চেপে ধরে ইংলিশরা। তবে শান্ত এক পাশ আগলে রেখে ব্যাটিং করেছেন। তার – রানের ইনিংসে ভর করে শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

    এর আগে সিরিজ বাঁচানোর লক্ষ্যে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বেশ ধুঁকেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। যদিও ভালোই শুরু করেছিলেন দুই ইংলিশ ওপেনার ডেভিড মালান এবং ফিল সল্ট। তবে তাদের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ান তাসকিন আহমেদ। দলীয় ১৬ রানে ডেভিড মালানকে ফিরিয়ে ইংলিশ শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন এই পেসার। সাজঘরে ফেরার আগে এই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ৫ রান।

    শুরুতে মালানকে হারালেও খুব বেশি চাপে নেয়নি ইংল্যান্ড। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে এগোচ্ছিলেন ফিল সল্ট। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছিলেন মঈন আলি। তবে আক্রমণে এসেই ফিল সল্টকে ফেরান সাকিব আল হাসান। সল্টকে সরে যেতে দেখে অফ স্টাম্পের ওপর বল রেখেছিলেন সাকিব। সে বলে টার্নের সঙ্গে ছিল বাউন্স। গতি বৈচিত্র্যে ডানহাতি ব্যাটারকে পরীক্ষায় ফেলছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। সেই পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সল্ট। ১৯ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় তার নামের পাশে তখন ২৫ রান।

    ধারাবাহিকভাবে ওপেনিংয়ে খেলা জস বাটলার আজ খেলতে নেমেছিলেন চারে। তবে ব্যাটিং অর্ডার বদলে সুফল পেলেন না তিনি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হাসান মাহমুদের ইয়র্কারে কাটা পড়লেন। আগের ম্যাচে ক্যাচ আউট হলেও এবার আর নিজের স্টাম্প রক্ষা করতে পারলেন না তিনি। হাসানের স্বপ্নের মতো ডেলিভারির কোনো জবাব ছিল না ইংলিশ অধিনায়কের কাছে। তার ব্যাট থেকে এসেছে ৬ বলে ৪ রান।

    সল্ট ও বাটলারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরার দায়িত্বে ছিলেন মঈন আলি। তিনি সেটা মেটাতে গেলেন পাল্টা আক্রমণে। কিন্তু তাতে দলের বিপদ আরও বাড়িয়েছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। মিরাজের বলে সুইপ করে ছক্কার চেষ্টায় ধরা পড়েন ডিপ মিডউইকেটে। একটি করে ছক্কা ও চারে মঈন করেন ১৭ বলে ১৫ রান।

    ৫৭ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর পঞ্চম উইকেটে স্যাম কারান এবং বেন ডাকেটের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল ইংল্যান্ড। তবে উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারলেন না কারান। ১৬ বল খেললেও ১২ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। এই তরুণ ব্যাটারকে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের দ্বিতীয় উইকেট শিকার করেন মিরাজ।

    একই ওভারে রান আউটের শিকার হয়েছেন ক্রিস ওকস। মিরাজের করা ১৫তম ওভারের পঞ্চম বলে প্রান্ত বদল করতে গিয়ে সাজঘরে ফেরেন। তার আগে রানের খাতাই খুলতে পারেননি তিনি। আর তাতে তিন অঙ্ক ছুতেই সাত উইকেট হারায় ইংলিশরা।

    এরপর নিচের সারির ব্যাটাররাও সুবিধা করতে পারেননি। যারফলে বেশি দূর এগোয়নি তাদের ইনিংস। শেষদিকে অভিষিক্ত রেহান আহমেদের ব্যাট থেকে ১১ রান আসলে ২০ ওভার শেষে ১১৭ রান তুলে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। ইনিংসে ১২ রান খরচ করে ৪ উইকেট শিকার করেছেন মিরাজ। যা তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।

  • স্বর্ণের দাম ২ হাজার ডলার ছাড়াবে আন্তর্জাতিক বাজারে

    স্বর্ণের দাম ২ হাজার ডলার ছাড়াবে আন্তর্জাতিক বাজারে

    বৈশ্বিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ইউবিএসের নির্বাহী পরিচালক ওয়েনে গর্ডন বলেন, ‘আশা করছি ২০২৩ সালেই সোনার দাম প্রতি আউন্স দুই হাজার ডলার অতিক্রম করবে।’ তিনি বলেন, ‘গত বছর সুদের হার বৃদ্ধির কারণে মার্কিন ডলার শক্তিশালী হলেও এখন আবার দুর্বল হচ্ছে। এ অবস্থায় ডলারের বিপরীতে নিরাপদ ঢাল হতে পারে সোনা।’ বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের ক্রয়ের কারণে সোনার বার, কয়েন ও অলংকারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা—এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা মূল্যবান হলুদ ধাতুর দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনিয়োগ চাহিদা বাড়ায় এ বছর সোনার দাম প্রতি আউন্স দুই হাজার ডলার অতিক্রম করবে এবং বছরজুড়েই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। তাঁদের মতে, সুদের হার বৃদ্ধি এবং মন্দা আতঙ্কে বাজারে অস্থিরতা রয়েছে। এ অবস্থায় নিরাপদ হিসেবে সোনায় বিনিয়োগ করছেন অনেকেই।

    ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিশ্ববাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্স দুই হাজার ডলার ছাড়ায় ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার কারণে। এরপর দাম আবার কিছুটা কমে আসে। ট্রেডিং ইকোনমিকসের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বুধবার বিশ্ববাজারে সোনার দাম ছিল প্রতি আউন্স এক হাজার ৮১৪ ডলার।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ মেয়াদে স্থিতিশীল হিসেবে বিনিয়োগকারীদের কাছে সোনার মূল্য অনেক। বিশেষ করে অস্থিতিশীল অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে। মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের আন্তর্জাতিক কার্যক্রমবিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামলাল আহমদ বলেন, ‘মূল্যবান ধাতু সোনা সম্পর্কে আস্থা রাখা যায় যে নিকট ভবিষ্যতে এটির দাম কমবে না, বরং বাড়বে। এমনকি আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির কারণে দাম কিছুটা কমলেও এটির স্বাভাবিক প্রবণতা হচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী থাকা।’ তাঁর মতে, এ কারণেই সোনার চাহিদা ও দাম বাড়ছে।

     

  • খুব অল্প সময়ে সমাধান করুন – ওয়ার্ড স্পেসিং সমস্যা

    খুব অল্প সময়ে সমাধান করুন – ওয়ার্ড স্পেসিং সমস্যা

    ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে কর্মস্থলে আমাদের সবাইকে কম্পিউটারে লেখালেখির কাজ করতে হয়। সেক্ষেত্রে বেশির ভাগ মানুষই মাইক্রোসফট অফিস ওয়ার্ড ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু, লেখালেখি করার সময় আমরা বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ে থাকি। তারমধ্যে একটি সমস্যা হচ্ছে ওয়ার্ড স্পেসিং প্রব্লেম বা শব্দের দূরত্ব কোথাও কম বেশি হয়ে আছে। সেক্ষেত্রে আপনার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে নিচের কাজটি অনুসরণ করুন- Crtl+H প্রেস করুন। সেখানে যে টেবিলটি আসবে, সেখান থেকে More Option সিলেক্ট করুন। এরপর টেবিলের অপশনগুলোর একদম নীচে Special অপশন সিলেক্ট করুন। এইবার Paragraph Mark অপশনটিতে গেলে দেখতে পারবেন একটি বক্সে ^p লেখা আছে। সেটাকে বদলে দিয়ে ^w লিখুন। এরপর তার নিচের খালি বক্সে গিয়ে, আপনার কীবোর্ড থেকে শুধু একবার স্পেসবার চাপ দিন। এবার All Replace দিলেই দেখবেন, সব অটোমেটিক সাজানো হয়ে গেছে।

  • বর্তমানে দেশে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুত আছে: প্রধানমন্ত্রী

    বর্তমানে দেশে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুত আছে: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। জনসভায় বিএনপি আমলে দেশে খাদ্য ঘাটতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে আরও বলেন, বর্তমানে দেশে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুত আছে।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো বলেন, ‘বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো মিথ্যা কথা বলে। ওরা আমাদের স্বাধীনতার সুফল ব্যর্থ করতে চায়। তারা এতে সফল হবে না, আমরা তা হতে দেব না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।’

    শনিবার বিকালে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউজ মাঠে আওয়ামী লীগের ময়মনসিংহের বিভাগীয় জনসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ট ছিল। বোমা হামলা, দুর্নীতি, লুটপাট জঙ্গিবাদ ছিল তাদের শাসনামলে। মানুষকে তারা কিছুই দিতে পারেনি। বিএনপির সময় দেশ ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ। কিন্তু আওয়ামী লীগ আমলে কোনো খাদ্য ঘাটতি নেই। এখন দেশে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুত আছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নাকি কিছুই করিনি। আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে বলে বিদেশে বসে রাজনীতি করতে পারছে। এখন ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। বিদ্যুৎ দিয়েছি বলেই তো এত কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে। তারা আমাদের সুযোগ ভোগ করে আমাদের বিরুদ্ধে অপবাদ দিয়ে যাচ্ছে।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ময়মনসিংহ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ও করে দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া নাকি মেট্রিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি শুধু অঙ্ক আর উর্দুতে পাশ করেছেন। উর্দু পাকিস্তানের ভাষা- এটা তার খুব প্রিয় ভাষা। আর অঙ্কতো টাকা গোণা লাগে- ওই দুইটাতেই পাশ করেছেন আর কোনোটাতে পাশ করতে পারেনি। জিয়াউর রহমান ছিল মেট্রিক পাশ। তাদের ছেলে একবার এই স্কুল ওই স্কুল শেষ কী পাশ করেছে কেউ জানে না।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি মানুষের ঘর দখল করেছে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে গৃহহীন ও রাস্তায় মানুষকে ঘর করে দিচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না।

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমরা আজকে প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। যেখানে বিদ্যুৎ নাই আমরা সোলার প্যানেল করে দিচ্ছি। অনেক দুর্গম এলাকায়ও সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে।

    এর আগে জনসভায় যোগ দিয়ে একযোগে ১০৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে সমাবেশস্থল সার্কিট হাউজ মাঠ থেকে একযোগে ১০৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে প্রায় ৫৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা ৭৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং প্রায় ২ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩০টি উন্নয়ন প্রকল্পের নির্মাণকাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সরকারপ্রধান।

    পরে দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে জনসভা মঞ্চে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। বিকাল ৩টায় প্রধান অতিথির আসন গ্রহণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীকে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ইকরামুল হক টিটু, গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন।

    একই সঙ্গে নৌকা প্রতীকের রেপ্লিকা দেওয়া হয়। পরে জাতীয় সংগীত ও কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় জনসভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

  • বিএনপিই চিতপটাং হয়ে গেছে সরকারকে নামাতে গিয়ে : তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপিই চিতপটাং হয়ে গেছে সরকারকে নামাতে গিয়ে : তথ্যমন্ত্রী

    আজ শনিবার দুপুরের দিকে খাগড়াছড়ি জেলা কৃষক লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সরকারকে দড়ি ধরে টান দিতে গিয়ে বিএনপি নিজেই চিতপটাং হয়ে গেছে এরপর দড়ি ধরে টান দিলে, দড়ি ছিঁড়ে হামাগুড়ি দিতে হবে।’

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাহাড়-সমতলে আমূল পরিবর্তন হয়েছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির ওই পলাতক নেতা তারেক রহমানের দেশের পরিবর্তন সহ্য হচ্ছে না। খালেদা জিয়ার অন্তর জ্বলে যাচ্ছে আর মির্জা ফখরুল বকবক করছেন।

    ড. হাছান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাহাড়ে-সমতলে আমূল পরিবর্তন হয়েছে। বিশ্বে আয়তনের দিক দিয়ে ৯২তম ও মাথাপিছু সর্বনিম্ন কৃষিজমির দেশ হয়েও আমরা ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস মোকাবেলা করে পৃথিবীতে ধান উৎপাদনে তৃতীয়, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে দ্বিতীয়-তৃতীয়তে ওঠানামা, সবজিতে চতুর্থ, আলুতে সপ্তম, আম উৎপাদনে দ্বিতীয়, ইলিশ উৎপাদনে প্রথম। এটি শুধু শেখ হাসিনা এবং শেখ হাসিনার জাদুকরী নেতৃত্বেই সম্ভব হয়েছে।’

    তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছেন আর শেখ হাসিনা সেই বিভেদ দূর করে পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সম্প্রীতির বন্ধন সৃষ্টি করেছেন। বিচ্ছিন্ন যেসব ঘটনা ঘটে তা শুধু চাঁদাবাজির কারণে।

    কৃষক লীগের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কৃষিপ্রীতি তুলে ধরে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে আমরা সরকার গঠনের পর প্রথম মন্ত্রিপরিষদসভার প্রথম সিদ্ধান্ত ছিল কৃষি ও কৃষকের জন্য ভর্তুকি প্রদান। আর জননেত্রী শেখ হাসিনা কৃষক ও কৃষিকে কত ভালোবাসেন, গণভবনে কৃষি উৎপাদনের কথা আপনারা টিভিতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছেন। গণভবনে মৌমাছির চাষ করে ১০০ কেজি মধু হয়েছে। অন্যান্য শাকসবজি উৎপাদন হচ্ছে, ধানও হচ্ছে। সেখানে অন্য প্রধানমন্ত্রীরাও ছিলেন, খালেদা জিয়াও ছিলেন, তারা কেউ এটি করতে পারেননি।’

    ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা সেই প্রধানমন্ত্রী যিনি রাত ১২টার আগে ঘুমাতে যেতে পারেন না, ফজরের আজানের আগে উঠে তাহাজ্জুতের নামাজ পড়েন, আজানের পর ফজরের নামাজ পড়েন, কোরআন তেলাওয়াত করেন, দেশ পরিচালনা করেন, দল পরিচালনা করেন আবার কিষানি হিসেবেও কাজ করেন’, বলেন হাছান মাহমুদ।

    কৃষক লীগ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক লীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন, যা সমগ্র দেশে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সুসংগঠিত। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দেশে ফিরে কৃষক লীগের মাধ্যমে সারা দেশে বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করেছেন। সেই সময় থেকে প্রথমে বছরে এক মাস, পরে বছরে তিন মাসব্যাপী এ অভিযান চলে আসছে। আমরা যখন ক্ষমতায় ছিলাম না, তখনো কৃষক লীগ কৃষকের কল্যাণে কাজ করে গেছে।’

    এর আগে সকালে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

    খাগড়াছড়ি জেলা কৃষক লীগের আহ্বায়ক পিন্টু ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় কৃষক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ বিশ্বনাথ সরকার বিটু প্রধান বক্তা এবং ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, বাসন্তি চাকমা এমপি, কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আকবর আলী চৌধুরী বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। আরো বক্তব্য রাখেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাবেয়া হকসহ খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ।

    সম্মেলন শেষে পিন্টু আচার্য্যকে সভাপতি এবং খোকন চাকমাকে সাধারণ সম্পাদক করে খাগড়াছড়ি জেলা কৃষক লীগের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

  • চীনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং

    চীনের নতুন প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং

    নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কমিউনিস্ট পার্টির নেতা লি কিয়াংকে (৬৩) বেছে নিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। শনিবার (১১ মার্চ) সকালে বেইজিংয়ে দেশটির পার্লামেন্ট ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে তিনি নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লি কিয়াংয়ের মনোনয়ন প্রস্তাব দেন। খবর বিবিসির।

    লি কিয়াং চীনের বৃহত্তম শহর সাংহাইয়ের সাবেক কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান। সে সঙ্গে তিনি শির ঘনিষ্ঠ মিত্র। ২০০৪ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে শির চিফ অব স্টাফ হিসেবে কাজ করেছেন কিয়াং, যখন শি পূর্ব চীনের ঝেজিয়াং প্রদেশের প্রাদেশিক পার্টি সেক্রেটারি ছিলেন।

    এদিকে সিনহুয়া জানিয়েছে, শনিবার লিউ জিনগুওকে ন্যাশনাল কমিশন অব সুপারভিশনের পরিচালকের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। সংস্থাটি সরকারের দুর্নীতি বিরোধী কাজ তদারকি করে। এ ছাড়াও ঝাং জুনকে সুপ্রিম পিপলস কোর্টের প্রেসিডেন্টের প্রার্থী হিসেবে এবং ইং ইয়ংকে প্রকিউরেটর জেনারেলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    সূত্র : দ্য গার্ডিয়ান

  • জীবনধর্মী ভাল চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    জীবনধর্মী ভাল চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জীবনমুখী ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, একটি চলচ্চিত্র ব্যক্তির জীবন যেমন পরিবর্তন করতে পারে, তেমনি একটি সমাজকেও বদলে দিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করবেন জীবন ধর্মী চলচ্চিত্র যখন নির্মান করা হয় সেগুলো কিন্তু মানুষকে সবথেকে বেশি আকর্ষণ করে। কারণ মানুষ তার জীবনের প্রতিচ্ছবিটা সেখান থেকে পায়। আবার একটা সিনেমা পারে মানুষের জীবন পাল্টে দিতে বা সমাজের চিত্রটা পাল্টে দিতে।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (৯ মার্চ, ২০২৩) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। জীবনধর্মী সৃষ্টির গ্রহনযোগ্যতা সর্বত্র উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিনেমা, নাটক সবক্ষেত্রেই অবদান রাখে, মানুষের চিন্তা চেতনার আরো উৎকর্ষতা ঘটাতে পারে এবং মানুষকে অন্যায়-অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পারে। তিনি বলেন, যারা আমাদের শিল্পী-সাহিত্যিক, যারা সাহিত্য রচনা করেন এবং যাদের রচনার ওপর ভিত্তি করেই সিনেমা হয় তারাও যদি এরকম জীবনধর্মী রচনা তৈরী করেন, নাটক তৈরী করেন বা সাহিত্য তৈরী করেন আর তার ওপর ভিত্তি করে যদি সিনেমাগুলো হয় সেটা আমাদের সমাজটাকে অরো এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেভাবে তাঁর সরকার দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাচ্ছে, উন্নত করতে চাচ্ছে, মানুষের জীবন মান উন্নত করতে চাচ্ছে, মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাচ্ছে- সেই সুযোগটা এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২১ এর ৩৪টি পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে তুলে দেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. হুমায়ুন কবির খন্দকার।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু এবং পুরস্কার প্রাপ্তদের পক্ষে আজীবন সম্মাননা প্রাপ্ত অভিনেত্রী ডলি জহুর বক্তব্য রাখেন। চলচ্চিত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় এ বছর যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন অভিনেত্রী ডলি  জহুর ও অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন।

    শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র যৌথভাবে লাল মোরগের ঝুঁটি ও নোনাজলের কাব্য, শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ধর’, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র কাওসার চৌধুরীর (বধ্যভূমিতে একদিন), শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য) পুরস্কার লাভ করেছে। জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশব ও কৈশোরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনা নিয়ে চিত্রায়িত ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ চলচ্চিত্রটি মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বিশেষ সম্মাননা লাভ করে। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে যৌথভাবে মো. সিয়াম আহমেদ (মৃধা বনাম মৃধা) ও মীর সাব্বির মাহমুদ (রাতজাগা ফুল); শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী যৌথভাবে আজমেরী হক বাঁধন (রেহানা মরিয়ম নূর) ও তাসনোভা তামান্না (নোনাজলের কাব্য); পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এম ফজলুর রহমান বাবু (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে শম্পা রেজা (পদ্মপুরাণ) এবং  শ্রেষ্ঠ অভিনেতা খল চরিত্রে মো. আবদুল মান্নান জয়রাজ (লাল মোরগের ঝুঁটি) পুরস্কার লাভ করেছে। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা কৌতুক চরিত্রে প্রভাষ কুমার ভট্টাচার্য মিলন (মৃধা বনাম মৃধা), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী আফিয়া তাবাসসুম (রেহানা মরিয়ম নূর), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার জান্নাতুল মাওয়া ঝিলিক (যা হারিয়ে যায়) পুরস্কার লাভ করেছে।

    গানের জগতে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম (যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ গায়ক কে. এম. আবদুল্লাহ-আল-মুর্তজা মুহিন (শোনাতে এসেছি আজ-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা চন্দনা মজুমদার (দেখলে ছবি পাগল হবি-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গীতিকার প্রয়াত গাজী মাজহারুল আনোয়ার (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ সুরকার সুজেয় শ্যাম (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার নূরুল আলম আতিক (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা তৌকীর আহমেদ (স্ফুলিঙ্গ) পুরস্কার লাভ করেছে। এছাড়া, শ্রেষ্ঠ সম্পাদক সামির আহমেদ (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক শিহাব নূরুন নবী (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক দলগত-সৈয়দ কাশেফ শাহবাজি, সুমন কুমার সরকার, মাজহারুল ইসলাম রাজু (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক শৈব তালুকদার (রেহানা মরিয়ম নূর), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা ইদিলা কাছরিন ফরিদ (নোনাজলের কাব্য)। শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান দলগত- মো. ফারুখ, মো. ফরহাদ রেজা মিলন (লাল মোরগের ঝুঁটি) পুরস্কার লাভ করেছে।

    প্রধানমন্ত্রী চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, তিনি নিজেও আগামী বাজেটে উদ্যোগ নেবেন এই অনুদানটা বাড়িয়ে দেওয়ার। কেননা বরাদ্দ ভাল থাকলে ভাল চলচ্চিত্র নির্মাণ হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি বলেন, “আমাদের সকলের মাঝে মেধা আছে, চিন্তা শক্তি আছে এবং শৈল্পিক মনভাবটা আছে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনাকালীন সময়ে অর্থনৈতিক মন্দা ও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। মূল্যস্ফীতি দারুণভাবে বেড়েছে। সেখানে সরকার যে অনুদান দিচ্ছে, এটা একটা পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য যথেষ্ট নয়। এই অনুদান আরও বাড়াতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি আমাদের কিছু চলচ্চিত্র হয়েছে যেগুলো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং দেশের মানুষও সেগুলো লুফে নিয়েছে এবং দেশের সীমানা পেরিয়ে বাইরেও সেগুলো চাহিদা পেয়েছে। কাজেই সেভাবেই আমাদের কাজ করা দরকার। তিনি কষ্ট করে দেশের সিনেমা শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ায় কলা-কুশলী সহ সংশ্লিষ্টদের সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি এফডিসিতে কমপ্লেক্স তৈরীর কাজের ধীরগতিতে উষ্মা প্রকাশ করেন এবং কাজ দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। গাজীপুরে নির্মাণাধীন ফিল্মসিটি অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং সুযোগ সুবিধা -সম্পন্ন করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তাঁর সরকার ফিল্ম আর্কাইভ এবং ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট করে দিয়েছে। এখন প্রশিক্ষণটা জরুরী। তাঁর সরকারের পক্ষ থেকে চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশে সবধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক সময় চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড নিয়ে অনেক অভিযোগ ছিল। তাই এখন এই সেন্সর বোর্ড বাদ দিয়ে সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যেটা আরো উৎকর্ষতা সাধনের জন্যই করা হয়েছে। তবে, নির্মানাধীন চলচ্চিত্রে সমাজের জন্য ক্ষতিকর কিছু থাকলে সেগুলো অবশ্যই পরিহার করা হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার যাতে ভবিষ্যতে সার্টিফিকেশন পদক্ষেপটা আইনগত ভাবে নিতে পারে সেজন্য ব্যবস্থাটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, এক সময় ছিল অশ্লীল সিনেমা, মারদাঙ্গা বা শুধু অনুকরণ করা। সেগুলো না করে ভালো জিনিসটা শিক্ষা নেওয়া আর মন্দ জিনিসটাকে পরিহার করা দরকার। সমাজের জন্য কোনটা ভালো সেটা বিবেচনায় আনা। যখনই চলচ্চিত্র নির্মাণ করবেন সে বিষয়টা দেখবেন। এমন সিনেমা দরকার বাবা-মা, ভাই-বোন, সবাই মিলে যাতে দেখতে পারে। তিনি এ সময় শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বলেন, আমরা এই বিষয়টায় একটু পিছিয়ে আছি। এক্ষেত্রে আরো অনেক চলচ্চিত্র নির্মাণ করা উচিত। এ ধরনের চলচ্চিত্র যারা নির্মাণ করবেন তাদের জন্য আনুদানটা আর একটু ভালভাবে দেয়া দরকার বলে আমি মনে করি। অশ্লীলতা ও পাইরেসি বন্ধে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, অশ্লীল চলচ্চিত্র নির্মাণ ও পাইরেসি বন্ধে একটা টাস্কফোর্স গঠন করা হচ্ছে। সেটা হলে এগুলো বন্ধ হবে। পুরনো চলচ্চিত্র বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্রগুলো যেন হারিয়ে না যায় সেজন্য এগুলো ডিজিটালাইজড করে নতুনভবে প্রদর্শনের উদ্যোগ নেয়ার ওপরও তিনি জোর দেন। কেননা এই চলচ্চিত্রগুলোর আবেদন কোনদিনও শেষ হবার নয়। ’৯৬ সালে সরকারে আসার পর কলা-কুশলী এবং সংশ্লিষ্টদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের জন্য মিডিয়া সেক্টরকে বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করে দেয়ার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখন আমাদের ৪৫টি টিভি চ্যানেল, ৩২টি কমিউনিটি বেতারের প্রচার কার্য পরিচালনা করা হচ্ছে, ২৭টি এফএম বেতারের অনুমোদন তাঁর সরকার দিয়েছে। যেখানে আগে মাত্র একটি টিভি চ্যানেল ও একটি বেতার ছিল। তাঁর সরকারের অবাধ তথ্য প্রবাহ এবং মিডিয়ার স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে দিনভর বিভিন্ন চ্যানেল ও টকশো’তে সরকারের ঢালাও সমালোচনার পরও যারা বলেন যে, তারা ঠিকভাবে কথা বলার সুযোগ পান না-তাদের কঠোর সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেক সময় অনেকে কথা বলে, টকশো হয়, সারাদিন অনেক কথা। অনেক কথা বলার পরে কেউ কেউ বলবে আমরা কথা বলতে পারি না। অথচ বাংলাদেশে এখন ২৪৫৫ টি পত্রিকা, ১৭০ টি অনলাইন সংবাদ পোর্টাল, ১৪টি আইপি টিভি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেখানে সবাইতো মন ভরে কথা বলছে। কথা বলতে পারলো না টা কোথায়। কে মুখটা বন্ধ করলো আমি জানি না।” তিনি বলেন, তাঁর সরকার বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপনের আগে বিদেশী মুদ্রায় স্যাটেলাইট ব্যবহার করতে হোত। আর সরকার এখন দ্বিতীয় স্যাটেলাইটও উৎক্ষেপনের ব্যবস্থা নিচ্ছে যাতে করে আবহাওয়ার তথ্য প্রাপ্তি এবং সম্প্রচারে আরো উৎকর্ষতা আসে। কেননা তাঁর সরকার চায় এই শিল্পটা যেন সবসময় চালু থাকে, ভাল এবং উন্নতমানের থাকে। তিনি এ সময় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটিকে আরো চিত্তাকর্ষক ও আকর্ষণীয় করারও পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চলচ্চিত্র এমন একটা শক্তিশালী গণমাধ্যম যা দেশের মানুষের মনমানসিকতা বদলে তাকে আরো উন্নতমানের করে দিতে পারে, আর আমাদের জাতির পিতা স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সে দেশ বিশে^ মাথা উঁচু করে চলবে”। আমাদের বেশকিছু সিনেমা আন্তর্জাাতিক  পর্যায়ে সমাদৃত হওয়ায় তিনি গর্ব প্রকাশ করে বলেন, আমাদের যে দক্ষ নির্মাতা এবং কলা-কুশলী আছে এরমাধ্যমে সেটাই প্রমাণ হয়েছে এবং সুযোগ পেলে তারা আরো ভাল করবেন বলেই আমার বিশ্বাস। সূত্র : বাসস

  • জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২১ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২১ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন। ২৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২১ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো: হুমায়ুন কবির খন্দকার।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু এবং পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষে আজীবন সম্মাননা প্রাপ্ত অভিনেত্রী ডলি জহুর বক্তব্য রাখেন।

    এর আগে এ বছর ২৯ জানুয়ারি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ২৭ ক্যাটাগরিতে ৩৪টি পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেয়।

    চলচ্চিত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় এ বছর যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন অভিনেত্রী ডলি জহুর ও অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চন। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র যৌথভাবে ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ ও ‘নোনাজলের কাব্য’; শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ধর’, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র কাওসার চৌধুরীর (বধ্যভূমিতে একদিন), শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য) পুরস্কার লাভ করেছে।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শৈশব ও কৈশোরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনা নিয়ে চিত্রায়িত ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ চলচ্চিত্রটি মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বিশেষ সম্মাননা লাভ করে।

    শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে পুরস্কার লাভ করেছেন যৌথভাবে মো: সিয়াম আহমেদ (মৃধা বনাম মৃধা) ও মীর সাব্বির মাহমুদ (রাতজাগা ফুল)।

    এছাড়া পুরস্কার লাভ করেছেন, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী যৌথভাবে আজমেরী হক বাঁধন (রেহানা মরিয়ম নূর) ও তাসনোভা তামান্না (নোনাজলের কাব্য); পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এম ফজলুর রহমান বাবু (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে শম্পা রেজা (পদ্মপুরাণ); শ্রেষ্ঠ অভিনেতা খল চরিত্রে মো: আবদুল মান্নান জয়রাজ (লাল মোরগের ঝুঁটি)। শ্রেষ্ঠ অভিনেতা কৌতুক চরিত্রে প্রভাষ কুমার ভট্টাচার্য মিলন (মৃধা বনাম মৃধা), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী আফিয়া তাবাসসুম (রেহানা মরিয়ম নূর), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার জান্নাতুল মাওয়া ঝিলিক (যা হারিয়ে যায়)।

    গানের জগতে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক সুজেয় শ্যাম (যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ গায়ক কে এম আবদুল্লাহ-আল-মুর্তজা মুহিন (শোনাতে এসেছি আজ-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা চন্দনা মজুমদার (দেখলে ছবি পাগল হবি-পদ্মপুরাণ), শ্রেষ্ঠ গীতিকার মরহুম গাজী মাজহারুল আনোয়ার (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ সুরকার সুজেয় শ্যাম (অন্তরে অন্তর জ্বালা-যৈবতী কন্যার মন), শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার রেজওয়ান শাহরিয়ার সুমিত (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার নূরুল আলম আতিক (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা তৌকীর আহমেদ (স্ফুলিঙ্গ) পুরস্কার লাভ করেছেন।

    আরো পুরস্কার পেয়েছেন শ্রেষ্ঠ সম্পাদক সামির আহমেদ (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক শিহাব নূরুন নবী (নোনাজলের কাব্য), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক দলগত-সৈয়দ কাশেফ শাহবাজি, সুমন কুমার সরকার, মাজহারুল ইসলাম রাজু (লাল মোরগের ঝুঁটি), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক শৈব তালুকদার (রেহানা মরিয়ম নূর), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা ইদিলা কাছরিন ফরিদ (নোনাজলের কাব্য)। শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান দলগত- মো: ফারুখ, মো: ফরহাদ রেজা মিলন (লাল মোরগের ঝুঁটি)।

    পুরস্কার হিসেবে নির্বাচিত সবাইকে দেয়া হয়েছে ১৮ ক্যারেট মানের ১৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ দিয়ে তৈরি একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও এককালীন নির্ধারিত পরিমাণ সম্মানী ও সম্মাননাপত্র। আজীবন সম্মাননার জন্য ৩ লাখ, শ্রেষ্ঠ পূর্ণদের্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালকের জন্য ২ লাখ ও অন্যান্য ক্ষেত্রে দেয়া হয় ১ লাখ টাকা।

    এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ১৩ সদস্যের জুরি বোর্ড গঠন করে। ২০২১ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত ২১টি পূর্ণদের্ঘ্য, ১৭টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ৭টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্রসহ মোট ৪৫টি চলচ্চিত্র থেকে বাছাই করা হয় এবারের বিজয়ীদের।

    সূত্র : বাসস

  • কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই কনভার্ট করুন ওয়ার্ড ফাইলের ভার্সন

    কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই কনভার্ট করুন ওয়ার্ড ফাইলের ভার্সন

    মাইক্রোসফট ২০০৩ প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে দীর্ঘকাল ব্যবহার হয়ে এসেছে। এরপর মাইক্রোসফট ২০০৭ থেকে ফাইল ফরম্যাটের দিক থেকে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। মাইক্রোসফট ২০০৭ এর আগে সকল মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলগুলো ছিলো .doc ফাইল ফরম্যাটে। কিন্তু ২০০৭ থেকে ফরম্যাট পরিবর্তিত হয়ে .docx ফাইলে রুপান্তর হয়েছে। সেক্ষেত্রে মাইক্রোসফট ২০০৭ থেকে আপগ্রেডেড ফাইলগুলো ২০০৩ এর সেট আপে ওপেন হতে পারেনা। এই সমস্যার সমাধান আছে খুব সহজে। মাইক্রোসফট ২০০৭ বা তার থেকে আপগ্রেড ফাইলটি ২০০৩ এর ফাইলে ওপেন করতে হলে ফাইলটি Rename করুন। ফাইলের শেষের .docx এর ‘x’ মুছে দিয়ে .doc রাখুন। ফাইলটি অটোমেটিক এখন ২০০৩ ভার্সনে খুলবে। আবার চাইলে ২০০৩ ভার্সনের ফাইল ফরম্যাটটি Rename করুন ফাইলের শেষের .docx বসিয়ে। তাহলে সকল আপগ্রেড মাইক্রোসফট ভার্সনেই সেই ফাইলটি ওপেন হবে।