সোমবার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রসঙ্গে বলেন , ‘প্রথমেই একটা কথা বলি, এটা বিবৃতি ঠিক না। এটা একটা অ্যাডভার্টাইজমেন্ট, ৪০ জনের নাম ব্যববহার করা হয়েছে। সেটা একজন বিশেষ ব্যক্তির পক্ষে। এটার উত্তর কী দেবো জানি না। তবে আমার একটা প্রশ্ন আছে- যিনি এতো নামিদামী নোবেল প্রাইজপ্রাপ্ত তার জন্য ৪০ জনের নাম খয়রাত করে এনে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দিতে হবে কেন বিদেশি পত্রিকায়। এটাই আমার প্রশ্ন, আর কিছু না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে যাই হোক আমাদের দেশে কতগুলো আইন আছে। সেই আইন অনুযায়ী সব চলবে এবং সেটা চলে। আমাদের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। আমরা শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা করি। যারা ট্যাক্স ঠিক মতো দেয় তার জন্য আলাদা বিভাগ আছে। কেউ যদি এ সমস্ত বিষয়ে আইন ভঙ্গ করে বা শ্রমিকদের কোন অধিকার কেড়ে নেয় শ্রম আদালত আছে সেটা দেখে।’ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়ে এই কথা গুলো বলেন।
ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ কিছু করার নেই বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে। ষড়যন্ত্র করার আর কোন সুযোগ নেই কারন পদ্মা সেতু হয়ে গেছে।
বিশ্বের বরেণ্য ৪০ জন ব্যক্তিত্ব ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে খোলা চিঠি লিখেন। যা ওয়াশিংটন পোস্টে প্রায় কোটি টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন আকারে গত ৭ মার্চ এ খোলা চিঠিটি প্রকাশিত হয়। বিবৃতিতে বলা হয়: নোবেল পুরস্কারজয়ী অধ্যাপক ড.মুহাম্মদ ইউনূসের মতো একজন অনবদ্য পরিশুদ্ধ মানুষ এবং তার কার্যক্রমগুলো বাংলাদেশ সরকারের অন্যায় আক্রমণের শিকার হচ্ছে। বারবার হয়রানি এবং তদন্তের মধ্যে পড়ছে। এ অবস্থায় ‘গভীর উদ্বেগ’ প্রকাশ করেন খোলা চিঠিতে স্বাক্ষরদাতা বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।










