Author: Hello Bangla News

  • ২-৭ বছরের জেল হবে নির্বাচনে সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের বাধা দিলে

    ২-৭ বছরের জেল হবে নির্বাচনে সাংবাদিক-পর্যবেক্ষকদের বাধা দিলে

    নির্বাচনের সময় গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের কাজে বাধা দিলে ২ থেকে ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধান রেখে ‘গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন, ২০২৩’ নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

    মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এসে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

    মাহমুদুল হোসাইন খান বলেন, ‘প্রস্তাবিত এ আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার সময় আরও কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।’

  • রুচির দুর্ভিক্ষে উত্থান হয়েছে হিরো আলমের : মামুনুর রশীদ

    রুচির দুর্ভিক্ষে উত্থান হয়েছে হিরো আলমের : মামুনুর রশীদ

    অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেন নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক মামুনুর রশিদ। তিনি বলেন, আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়েছি। আর সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একজন মানুষের উত্থান হয়েছে।

    নাট্যজন মামুনুর রশীদ আরও বলেন, এই উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, আবার তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।

    সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। প্রথমে মিউজিক ভিডিওতে মডেল হওয়ার মাধ্যমে যাত্রা করলেও পরবর্তীতে কখনো গান গাওয়া, সিনেমা নির্মাণ, কবিতা আবৃত্তি করা এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সময়ভেদে ইস্যু নিয়ে প্রায় সময়ই আলোচনায় থাকেন হিরো আলম।

    এ কনটেন্ট ক্রিয়েটরের উত্থান নিয়ে সম্প্রতি অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে কথা বলেন নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক মামুনুর রশিদ। তিনি বলেন, আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়েছি। আর সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একজন মানুষের উত্থান হয়েছে।

    এছাড়া রোববার (২৬ মার্চ) মামুনুর রশীদ দেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, হিরো আলম সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না তার। নাট্যাঙ্গনের কিছু মানুষ তার (হিরো আলম) কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন। তারপর থেকেই হিরো আলমকে নিয়ে তিনি বিরক্ত ছিলেন।

    ক্ষোভ থেকে মামুনুর জানালেন, ‘আজ থেকে ৫০-৬০ বছর আগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বলেছিলেন, দেশে একটা রুচির দুর্ভিক্ষ চলছে। আমরা সেই রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। কী রকম? একদিকে মুক্তচিন্তা।

    মুক্ত চিন্তার জন্য হুমায়ূন আজাদ প্রাণ দিয়েছিলেন। মুক্তচিন্তার আরও অনেক মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। কিন্তু আমাদের মিডিয়া মুক্ত হওয়ার ফলে আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতি দ্বারা উত্থান। আজ আমাদের অবকাঠামোগত অনেক উন্নয়ন হচ্ছে। কী সুন্দর রাস্তাঘাট হচ্ছে, মেট্রোরেল হচ্ছে, আমরা খুব মুগ্ধ। দেশের মানুষের কষ্টের অবসান হবে। কিন্তু দেশের মানুষের সংস্কৃতি ও রুচিই যদি ঠিক না করা যায়, এসব কে ব্যবহার করবে, তাই সংস্কৃতি ও রুচির উন্নয়নে কাজ করতে হবে।’

    এ নাট্যজন হিরো আলম সম্পর্কে বলেন, কয়েকজন বলার পর খোঁজ নিয়ে জানতে পারি সে যখন সংসদ নির্বাচন করছে, তাকে কেউ একটা গাড়ি দিচ্ছে। সেই গাড়ির আবার ৯-১০ বছর ধরে কোনো ফিটনেস নেই। তাকে নিয়ে অনেক দিনই আমি বিরক্ত ছিলাম। এ নিয়েও বিরক্ত ছিলাম, দেশের মানুষের তো রুচির দুর্ভিক্ষ হয়ে গেছে।

     

  • বিদেশিদের বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে: তথ্যমন্ত্রী

    বিদেশিদের বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে: তথ্যমন্ত্রী

    ‘দ্রুত বর্ধিষ্ণু অর্থনীতির বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির কারণে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বিদেশিদের আগ্রহ বাড়ছে’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    সোমবার বিকেলে রাজধানীর কাওরানবাজারে একটি হোটেলে ‘ইনোভেটিভ বিজনেস অপরচুনিটিজ ফ্রম বেলজিয়াম’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। বেলজিয়ামের রপ্তানি উন্নয়ন সংগঠন ওলোনিয়া এক্সপোর্ট-ইনভেস্টমেন্ট এজেন্সি এবং ফ্ল্যান্ডার্স ইনভেস্টমেন্ট এন্ড ট্রেড যৌথভাবে এ সেমিনার আয়োজন করে।

    মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যে কোনো বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। আমাদের দেশের অর্থনীতির আকার যেভাবে বিস্তৃত হচ্ছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আছে, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে ও বাড়ছে, এ সব কারণে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এখনই উপযুক্ত সময়।

    বাংলাদেশে বিনিয়োগে বেলজিয়ামের স্বত:প্রণোদিত এই সেমিনারের বিশেষত্ব চিহ্নিত করে হাছান মাহমুদ বলেন, বিনিয়োগে বিদেশিদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য সাধারণত আমরাই বিদেশে গিয়ে সভা-সেমিনার করি, আর আজ বেলজিয়ামের কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে এসে এখানে সেমিনার করছে। কিন্তু রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা  যদি বিনষ্ট হয়, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে না এবং কোনো দেশ এভাবে এসে সেমিনার করবে না, সতর্কবার্তা দেন তিনি।

    সম্প্রচারমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে একশত ইকনোমিক জোন তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ইকনোমিক জোন উৎপাদনে গেছে। দেশি, বিদেশি বিনিয়োগ এবং চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের কথা ভাবনায় রেখেই এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো তৈরি হচ্ছে। সে জন্য বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগ আমাদের জন্য ভালো।

    বেলজিয়ামের লিম্বুর্গ ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাম  থেকে পরিবেশ রসায়ন পিএইচডি অর্জনকারী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বেলজিয়াম একটি উন্নত দেশ। বেলজিয়াম ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্ট সেখানে বসে। সেই দেশ থেকে যদি আমাদের দেশে বিনিয়োগ আসে, বিশেষ করে হাইটেক শিল্প, যে খাতে আমরা এখনো সেভাবে পৌঁছায়নি, সে সব খাতে বিনিয়োগ  আমাদেরকেও সে সব ক্ষেত্রে পারদর্শী করে তুলতে পারবে। এই উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক সেমিনারে সে ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। এতে করে নি:সন্দেহে বাংলাদেশ উপকৃত হবে।’

    এর আগে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী দেশের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে  বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ১৪ বছরে বাংলাদেশ বিশ্বে ৬০তম থেকে ৩৫তম অর্থনীতির দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। করোনা মহামারিতে যখন সারা বিশ্ব থমকে গিয়েছিল, তখন বিশ্বের যে মাত্র ২০টি দেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধ্বনাত্বক হয়েছে, আমাদের দেশ তার মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ। জাপানের নিক্কি গবেষণা সমীক্ষায় করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম ও এশিয়ায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল সমীক্ষায় ২০২১ সালে মাথাপিছু আয়ে আমরা ভারতকে ছাড়িয়ে গেছি।’

    ঢাকায় নিযুক্ত বেলজিয়ামের রাষ্ট্রদূত দিদিয়ের ভ্যান্ডারহ্যাসেল্ট (Didier Vanderhasselt), ঢাকা চেম্বার অভ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সামির সাত্তার এবং বাংলাদেশে বেলজিয়ামের কনসাল ড. আরিফ দৌলা সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

    বেলজিয়ান সংস্থা ফ্ল্যান্ডার্সের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনার বাবেটে ডেসফোসেজ (Babette Desfossez) এবং বেলজিয়ামের কৃষি, চিকিৎসা, নিত্যপণ্য, যানবাহন এবং নির্মাণ প্রযুক্তি বিষয়ক বাণিজ্য সংস্থার প্রতিনিধিরা সেমিনারে বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগের বিষয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

    উল্লেখ্য সেমিনার আয়োজক বেলজিয়ান বাণিজ্য প্রতিনিধি দল ২৭ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন।

  • গ্রীন-টিঃ সুস্থতায় ভরপুর প্রতি কাপ!

    গ্রীন-টিঃ সুস্থতায় ভরপুর প্রতি কাপ!

    হেলথ ড্রিঙ্ক হিসাবে গ্রীন-টি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় পানীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। গ্রীন-টি এর উপকারিতা এত বেশি যে বেশ কিছু গবেষক এটি নিয়ে ভীষণ উৎসাহিত। কেন গ্রীন-টি পান করা উচিত তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পিএইচডি গবেষক ক্রিস্টোফার ওচনার বলেছেন, “এটি আপনার পক্ষে খবই ভাল, তাই পান করার জন্য আমি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর জিনিসটি হিসেবে শুধু এটিকে ভাবতে পারি।” তিনি মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের আইকান স্কুল অফ মেডিসিনের পুষ্টি বিষয়ক গবেষণা বিজ্ঞানী হিসেবে কর্মরত আছেন।

    অবশ্যই, কোনও খাবারই আপনাকে রোগ থেকে রক্ষা করবে না, যদি আপনি আপনার স্বাস্থ্য, জীবনযাত্রায় এবং অভ্যাসগুলো সম্পর্কে সচেতন না হোন। গ্রীন টি পান করার উপকারিতা অনেক বেশি। গ্রীন টি পান করায় আপনি যেসব উপকার পেতে পারেনঃ

    • গ্রীন-টি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
    • অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর।
    • ওজন কমাতে সাহায্য করে।
    • ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করতে সাহায্য করে।
    • হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
    • মস্তিষ্ক বা ব্রেইনের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
    • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
    • ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

    দিনে কতোবার পান করা উচিত?

    এ বিষয়ে ডঃ তপতী সাহা (কো-অর্ডিনেটর, ডায়েট্রি অ্যান্ড পেশেন্ট নিউট্রিশন সার্ভিসেস, স্কয়ার হসপিটাল লিমিটেড) বলেন-
    অনেকেই মনে করেন, গ্রীন-টি  খেলে শরীরের ওজন কমে। আসলে গ্রীন-টি  আমাদের ওজন কমানোর গতি বাড়ায়। কিন্তু ওজন কমানোর ব্যাপারে গ্রীন-টি  আমাদের সরাসরি সাহায্য করে না। আবার অনেকে সারা দিনে অনেকবার গ্রীন-টি  খান। এক্ষেত্রে গ্রীন-টি  আমাদের শরীরের অনেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে। আমাদের শরীরের অনেক অরগানকে অকেজো করে দেয়। সবকিছুরই একটা সীমা আছে। দিনে দু’বারের বেশি গ্রীন-টি  খাওয়া উচিত নয়। গ্রীন-টি  অবশ্যই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আমাদের শরীরের ওজন কমানোর গতি বাড়ায়। গ্রীন-টি ’র কিছু হারবাল বেনিফিটস আছে, তাই সে ক্ষেত্রে আমরা দিনে দু’বারের বেশি গ্রীন-টি  খাবো না। তথ্যসূত্রঃ ডক্টর টিভি

  • যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর তাণ্ডবে নিহত অন্তত ২৫

    যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর তাণ্ডবে নিহত অন্তত ২৫

    যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি রাজ্যে শক্তিশালী টর্নেডোর তাণ্ডবে এখন পর্যন্ত অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছে। কয়েকটি শহরে গাছ উপড়ে এবং ভবনধসে চাপা পড়েছেন অনেকে। টর্নেডোটি ১০০ মাইলের বেশি পথ চলেছে এবং চলার পথে তার তাণ্ডবের চিহ্ন রেখে গেছে। তাই হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়বে বলেই আশঙ্কা মিসিসিপি এমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির।

    ঝড়ের আঘাতে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে রাজ্যের কয়েকটি গ্রামীণ শহর। এছাড়া গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে বিদ্যুৎহীন রয়েছে কয়েক হাজার ঘর-বাড়ি।

    টর্নেডোর প্রভাবে শিলা বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত রাজ্যটির জনজীবন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর রোলিং ফর্ক।

    ওয়েস্টার্ন মিসিসিপির ছোট্ট শহর সিলভার সিটিতে চারজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের খুঁজে পেতে তল্লাশি ও উদ্ধারকারীদের যৌথ দল কাজ করছে। শহরটির মোট বাসিন্দা মাত্র ২০০ জন।

    আরেক শহর রোলিং ফর্কেও উদ্ধার অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে সিএনএন। এক হাজার ৭০০ বাসিন্দার এই শহর টর্নেডোর আঘাতে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

    রোলিং ফর্কের এক বাসিন্দা সিএনএনকে বলেন, ‘‘আমার শহর শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা এখনো টিকে আছি। আমরা শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসবো।”

    এই শহরে ১২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আরো অনেকে ধ্বংসস্তুপের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন।

    ব্রান্ডি শোওয়াহ নামে আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘‘আমি আগে কখনো এতটা তাণ্ডব দেখিনি।

    ‘‘আমার বন্ধুর বাড়ি ধসে পড়ে এবং সে ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়েছিল। আমরা তাকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছি।”

    এই নারী জানান, তার দাদীর বাড়িটি ঝড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রতিবেশী আরো কয়েকটি বাড়ি ধসে গেছে।

    টর্নেডোর আঘাতে গাছ পড়ে বা বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যাওয়ায় হাজার হাজার ঘরবাড়ি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    মারাত্মক ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে ছিল ভারি বৃষ্টি। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এক একটি শিলার আকার গল্ফ বলের সমান ছিল।

  • রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চাইছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

    রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চাইছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

    আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে বিএনপি রমজানের পবিত্রতাও নষ্ট করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।  শনিবার (২৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    তিনি বলেন, ‘অতীতে আমরা কখনোই পবিত্র রমজান মাসে আন্দোলনের ঘোষণা দেখিনি। কারণ সবাই রমজানের পবিত্রতা বজায় রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে বিরত থাকে। রমজানে ইফতার পার্টি হয়, সেখানে কথাবার্তা হয় এবং অন্যান্য কর্মসূচি হয়। বিএনপির কর্মসূচি দেখে মনে হচ্ছে-তারা রমজানের পবিত্রতাটাও নষ্ট করতে চাইছে’

    এ সময় রমজানে দেশে পণ্যের যথেষ্ট মজুদ থাকার পরেও যারা দাম বাড়াচ্ছে, তাদেরকে গণবিরোধী আখ্যা দিয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য যে রমজান কিংবা কোনো উৎসব-পার্বণ এলে আমাদের দেশের কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করার জন্য পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়।’

    পবিত্র রমজান মাসে বিএনপির নানা রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণার বিষয় তুলে ধরলে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি রমজানেও মানুষকে স্বস্তি দিতে চায় না। রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করতে চায় এবং একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা তারা করছে, যেটি অনভিপ্রেত।’

    তিনি বলেন, ‘আমাদের খাদ্যনীতিতে বলা আছে, দেশে যদি ১০ লাখ টন খাদ্যপণ্য মজুদ থাকে, তাহলে সেটি নিরাপদ। কিন্তু বর্তমানে বিশ লাখ টনের চেয়ে বেশি খাদ্যশস্য চাল, গম এবং ভোগ্যপণ্যের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে, কোনো কোনো পণ্য রমজানের চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত মজুদ রয়েছে।’

  • সাত মাসে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে ২১ শতাংশ

    সাত মাসে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে ২১ শতাংশ

    দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে মানুষ। আর্থিক টানাপড়েনে অনেকে শেষ সঞ্চয়টুকুও ভেঙে খাচ্ছে। আর এতে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ কমছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে সঞ্চয়পত্র, বন্ড ও ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে বিনিয়োগ বা বিক্রি কমেছে ২১ শতাংশ। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১২ হাজার ৮৪১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ এক পরিসংখ্যানে এই তথ্য উঠে এসেছে।

    অর্থ বিভাগ বলেছে, সঞ্চয়পত্রের বিক্রিতে আগের মতো প্রবৃদ্ধি না হওয়ার কারণ তিনটি। প্রথমত, সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগ সীমা নামিয়ে আনা হয়েছে যৌক্তিক পর্যায়ে। তৃতীয়ত, মুনাফার হারের কয়েকটি স্তর করা হয়েছে। এসব সংস্কার কার্যকর করায় সঞ্চয়পত্রে মানুষের বিনিয়োগ আগের তুলনায় কমেছে।

    সঞ্চয়পত্রের সুদ বাবদ সরকারকে বিপুল টাকা খরচ করতে হয়। সাধারণত জনগণের করের টাকা থেকে এই সুদের টাকা পরিশোধ করা হয়। এ জন্য গত বছর সরকার নিয়মও বেঁধে দেয় যে পাঁচ লাখ টাকার ওপর সঞ্চয়পত্র কিনতে গেলে আয়কর রিটার্ন বাধ্যতামূলক, যা নিরুৎসাহিত করে অনেককেই।

    সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি বলতে বোঝানো হয়, একটি নির্দিষ্ট সময়ে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ও ভাঙানোর মধ্যকার ব্যবধান। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, যে পরিমাণ টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হচ্ছে, ভাঙানো হচ্ছে তার চেয়ে বেশি। অর্থাত্ প্রবৃদ্ধি হচ্ছে নেতিবাচক। যদিও ব্যাংকে সঞ্চয়ের তুলনায় সরকারি সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার তুলনামূলকভাবে বেশি।

    সরকারের বিভিন্ন কড়াকড়ি আরোপের কারণে সঞ্চয়পত্র বিক্রি দিন দিন কমছেই। অর্থ বিভাগ বলেছে, সঞ্চয়পত্রের বিক্রিতে আগের মতো প্রবৃদ্ধি না হওয়ার কারণ তিনটি। প্রথমত, সঞ্চয়পত্র কেনার প্রক্রিয়া অনলাইনভিত্তিক করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগ সীমা নামিয়ে আনা হয়েছে ‘যৌক্তিক পর্যায়ে’। তৃতীয়ত, মুনাফার হারের কয়েকটি স্তর করা হয়েছে। এসব সংস্কার কার্যকর করায় সঞ্চয়পত্রে মানুষের বিনিয়োগ আগের তুলনায় কমেছে।

    জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের পরিচালক মো. শাহ আলম বলেছেন, সঞ্চয়পত্র বিক্রির হার খুব বেশি কমেনি, কিন্তু সমস্যা হলো নগদায়নের হার বেড়ে গেছে। অর্থাৎ টাকা তুলে ফেলার একটা প্রবৃত্তি আছে মানুষের মধ্যে।

    সঞ্চয় অধিদপ্তর সর্বশেষ তথ্যে দেখা যায়, জানুয়ারি মাসে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হয়েছে ৩৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। আগের মাস, অর্থাৎ গত ডিসেম্বরে সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি হয় এক হাজার ৪৯১ কোটি টাকা ঋণাত্মক ছিল। নভেম্বরে নিট বিক্রি ঋণাত্মক ছিল ৯৮৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা। অক্টোবরে নিট বিক্রি ৯৬৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণাত্মক হয়। সেপ্টেম্বরেও সঞ্চয়পত্রের নিট বিক্রি ৭০ কোটি ৬৩ হাজার টাকা ঋণাত্মক ছিল।

    এতে দেখা যাচ্ছে, চলতি অর্থবছরের সাত মাসের চার মাসই সরকার কোষাগার থেকে গ্রাহকদের সুদ-আসল পরিশোধ করেছে। বিক্রির চাপ কমাতে ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে মুনাফার ওপর উৎস করের হার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়। একই সঙ্গে এক লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে টিআইএন (কর শনাক্তকরণ নম্বর) বাধ্যতামূলক করা হয়। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলে সঞ্চয়পত্র বিক্রি না করার শর্ত আরোপসহ আরো কিছু কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এর পরও বিক্রি বাড়তে থাকে।

    বাজেট ঘাটতি মেটাতে চলতি অর্থবছর সঞ্চয়পত্র থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়। এর বিপরীতে প্রথম সাত মাসে এই খাত থেকে কোনো ঋণ পাওয়া যায়নি উল্টো তিন হাজার ৬৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কোষাগার থেকে অথবা ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ঋণ নিয়ে শোধ করা হয়েছে।

    সূত্র জানায়, গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে সব মিলিয়ে এক লাখ আট হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়। এর মধ্যে গ্রাহকদের মূল টাকা (বিনিয়োগ) ও মুনাফা (সুদ) বাবদ পরিশোধ করা হয় ৮৮ হাজার ১৫৪ কোটি টাকা। অর্থবছর শেষে বিক্রি হওয়া সঞ্চয়পত্রের সুদ-আসল পরিশোধের পর এই খাতে সরকারের নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ১৯ হাজার ৯১৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ৫২.৪৪ শতাংশ কম। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে নিট বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪১ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা। ২০২১-২২০২ অর্থবছরের বাজেটে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ৩২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য ধরেছিল। সে হিসাবে দেখা যায়, গত অর্থবছরে লক্ষ্যের চেয়ে এই খাত থেকে ৩৭.৫০ শতাংশ কম ঋণ নিয়েছে সরকার।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বলছে, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসভিত্তিক) চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.১০ শতাংশ। আগস্টে এই হার ছিল আরো বেশি ৯.৫২ শতাংশ।  অক্টোবরে ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ, নভেম্বরে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ; ডিসেম্বরে ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ।

  • এবার বিশ্বকাপজয়ী মেসিকে সম্মান জানাল আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা

    এবার বিশ্বকাপজয়ী মেসিকে সম্মান জানাল আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা

    বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে অভিনব সম্মান জানাল আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা। দেশটির জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলন যেখানে হয়, তার নাম বদলে মেসির নামে রাখা হয়েছে।

    দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর শেষে আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্স মেতেছিল বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে। তিন তারকা জার্সি গায়ে জড়িয়ে মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে নিজ দেশের মানুষের সামনে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে আনন্দে গা ভাসিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। পানামার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ২-০ গোলের জয়ের দিন নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারের ৮০০তম গোলের দেখা পেয়েছেন লা পুলগা। এবার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ককে অভিনব সম্মান জানাল আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা। দেশটির জাতীয় ফুটবল দলের অনুশীলন যেখানে হয়, তার নাম বদলে মেসির নামে রাখা হয়েছে।

    সাধারণত দেশের মাটিতে আর্জেন্টিনার খেলা হলে বুয়েনস আয়ার্সের কাসা দে এজেইজাতে অনুশীলন করে পুরো দল। সব ফুটবলার সেখানে এসে হাজির হন। সেই মাঠই এবার মেসির নামে পরিচিত হবে।

    এই বিষয়ে আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থার সভাপতি ক্লাদিয়ো তাপিয়া টুইটারে জানিয়েছেন, বিশ্বের সেরা ফুটবলারকে এভাবেই সম্মান জানাতে চেয়েছিলেন তারা। সঙ্গে একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেন, ‘বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ঘরে আপনাদের স্বাগতম।’

    আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থার এমন কান্ডে মেসি বলেছেন, ‘খুব ভাল লাগছে। এই ঘটনাটা আমার কাছে বিশেষ অনুভূতির হয়ে থাকবে। নিজের নামে অনুশীলন কেন্দ্রের নাম! এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করে বোঝানো যায় না।’

  • অফিস-ব্যাংক–প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে নতুন সময়সূচি

    অফিস-ব্যাংক–প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আজ থেকে নতুন সময়সূচি

    পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের আলাদা অফিস সময় নির্ধারণ করেছে সরকার। রোজার প্রথম দিন থেকে এ সময়সূচি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রথম তিন দিন ছুটি থাকায় আজ সোমবার থেকে তা কার্যকর হচ্ছে।

    সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে রমজান মাসের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজান মাসে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। আর জোহরের নামাজের জন্য বেলা সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে।

    এদিকে গত বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ১৫ পনের রমজান পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে। এই সময়ে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ক্লাস চলবে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রজ্ঞাপনে রমজানের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। রমজান মাসে ব্যাংকিং লেনদেন চলবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। তবে ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

  • স্বাধীনতা দিবসে ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দিবসে ডাকটিকিট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রোববার গণভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মারক ডাকটিকিট, উদ্বোধনী খাম ও সিলমোহর অবমুক্ত করেন তিনি। 

    পরে শেখ হাসিনা বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘মুজিবের বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী