হেলথ ড্রিঙ্ক হিসাবে গ্রীন-টি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় পানীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। গ্রীন-টি এর উপকারিতা এত বেশি যে বেশ কিছু গবেষক এটি নিয়ে ভীষণ উৎসাহিত। কেন গ্রীন-টি পান করা উচিত তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পিএইচডি গবেষক ক্রিস্টোফার ওচনার বলেছেন, “এটি আপনার পক্ষে খবই ভাল, তাই পান করার জন্য আমি সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর জিনিসটি হিসেবে শুধু এটিকে ভাবতে পারি।” তিনি মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের আইকান স্কুল অফ মেডিসিনের পুষ্টি বিষয়ক গবেষণা বিজ্ঞানী হিসেবে কর্মরত আছেন।
অবশ্যই, কোনও খাবারই আপনাকে রোগ থেকে রক্ষা করবে না, যদি আপনি আপনার স্বাস্থ্য, জীবনযাত্রায় এবং অভ্যাসগুলো সম্পর্কে সচেতন না হোন। গ্রীন টি পান করার উপকারিতা অনেক বেশি। গ্রীন টি পান করায় আপনি যেসব উপকার পেতে পারেনঃ
- গ্রীন-টি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে।
- অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর।
- ওজন কমাতে সাহায্য করে।
- ডায়াবেটিস কন্ট্রোল করতে সাহায্য করে।
- হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
- মস্তিষ্ক বা ব্রেইনের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
দিনে কতোবার পান করা উচিত?
এ বিষয়ে ডঃ তপতী সাহা (কো-অর্ডিনেটর, ডায়েট্রি অ্যান্ড পেশেন্ট নিউট্রিশন সার্ভিসেস, স্কয়ার হসপিটাল লিমিটেড) বলেন-
অনেকেই মনে করেন, গ্রীন-টি খেলে শরীরের ওজন কমে। আসলে গ্রীন-টি আমাদের ওজন কমানোর গতি বাড়ায়। কিন্তু ওজন কমানোর ব্যাপারে গ্রীন-টি আমাদের সরাসরি সাহায্য করে না। আবার অনেকে সারা দিনে অনেকবার গ্রীন-টি খান। এক্ষেত্রে গ্রীন-টি আমাদের শরীরের অনেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করে। আমাদের শরীরের অনেক অরগানকে অকেজো করে দেয়। সবকিছুরই একটা সীমা আছে। দিনে দু’বারের বেশি গ্রীন-টি খাওয়া উচিত নয়। গ্রীন-টি অবশ্যই আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আমাদের শরীরের ওজন কমানোর গতি বাড়ায়। গ্রীন-টি ’র কিছু হারবাল বেনিফিটস আছে, তাই সে ক্ষেত্রে আমরা দিনে দু’বারের বেশি গ্রীন-টি খাবো না। তথ্যসূত্রঃ ডক্টর টিভি










