Author: Hello Bangla News

  • বৈদেশিক কর্মসংস্থানে নতুন দেশের অনুসন্ধানে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    বৈদেশিক কর্মসংস্থানে নতুন দেশের অনুসন্ধানে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী

    নতুন দেশে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ অন্বেষণ এবং সেখানে দক্ষ জনশক্তি পাঠানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধ মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র এবং নতুন দেশ (জনশক্তি পাঠানোর জন্য) খুঁজে বের করতে হবে। আমরা এমন ধরনের প্রশিক্ষণের (কর্মীদের জন্য) ব্যবস্থা করব, যা একটি দেশের প্রয়োজন।’

    বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকরা কিভাবে ভালো থাকবেন এবং বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করবেন সে বিষয়েও তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা (প্রবাসী) যদি হুন্ডির মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠান, তবে তা হয়তো আপনাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে পৌঁছায় এবং তারা তা ব্যয় করে কিন্তু এতে যিনি এই অর্থ পাঠাচ্ছেন তার কোনো সঞ্চয় হয় না।

    প্রধানমন্ত্রী আজ রোববার তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংক্রান্ত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন। খবর বাসসের

    সরকার ইতোমধ্যে কয়েকটি নতুন দেশে কর্মী পাঠানো শুরু করেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে হবে এবং সে জন্য আমরা কর্মীদের জন্য বহুমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।’

    তিনি বলেন, ‘যদি আমরা যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি পাঠাতে পারি, তাহলে আমাদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা অর্জনের বড় সুযোগ রয়েছে।’

    বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।

  • প্রাণঘাতী, মহামারী এবং সংক্রামক ভাইরাস মারবার্গ ভাইরাস নিয়ে সতর্কতা

    প্রাণঘাতী, মহামারী এবং সংক্রামক ভাইরাস মারবার্গ ভাইরাস নিয়ে সতর্কতা

    আফ্রিকায় মহামারী মতো ছড়িয়ে পড়েছে ইবোলার মতো মারাত্মক সংক্রমক মারবার্গ ভাইরাস। মারবার্গ ভাইরাস ডিজিজ একটি মারাত্মক রোগ যা আক্রান্তের দেহে রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের সৃষ্টি করে। এই ভাইরাসে মৃত্যুর সম্ভাবনা ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত। এটি ফিলোভাইরাস পরিবারের একটি অংশ, এই পরিবারে আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ইবোলা ভাইরাসও অন্তর্ভুক্ত আছে। ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) সম্প্রতি গিনি এবং তানজানিয়ার উদ্দেশ্যে যাওয়া সমস্ত ভ্রমণকারীদের প্রাণঘাতী এই ভাইরাস এড়াতে প্রতিরোধ ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়াও ভাইরাসের বিস্তার রোধে সহায়তা করার জন্য সেখানে কর্মী পাঠাচ্ছে তারা।

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুসারে, মারবার্গ ভাইরাস একটি প্রাণঘাতী মহামারী এবং সংক্রামক ভাইরাস। তারা এই ভাইরাস সংক্রান্ত ২০টি কেস রেকর্ড করেছে এবং প্রতিটি কেসেই আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।

    ডব্লিউএইচও’র মতে, মারবার্গ ভাইরাস ডিজিজ একটি মারাত্মক রোগ যা আক্রান্তের দেহে রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের সৃষ্টি করে। এই ভাইরাসে মৃত্যুর সম্ভাবনা ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত। এটি ফিলোভাইরাস পরিবারের একটি অংশ, এই পরিবারে আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ইবোলা ভাইরাসও অন্তর্ভুক্ত আছে।

    মারবার্গ ভাইরাসের প্রাকৃতিক বাহক হল আফ্রিকান বিভিন্নও ফল খাওয়া বাদুড়, যা ভাইরাস বহন করে কিন্তু এর থেকে অসুস্থ হয় না। বাদুড় ছাড়াও অন্যান্য সংক্রমিত প্রাণী মারবার্গ ভাইরাস বহন করতে পারে। অতিরিক্ত জ্বর, শরীরের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক অংশে রক্তপাত এবং তীব্র মাথাব্যথা হল এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ।

    মারবার্গ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসলে অন্য যে কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত উপকরণের সংস্পর্শে এসে যে কেউই আক্রান্ত হতে পারে। মারবার্গ ভাইরাসের এখন পর্যন্ত কোনো নিরাময় বা ভ্যাকসিন নেই, তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রাথমিক পর্যায়ের ভ্যাকসিন আবিস্কারের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

  • মানুষ প্রতিবাদ করছে কিন্তু সংশ্লিষ্ট পত্রিকা ক্ষমা চায়নি, অপপ্রচার চালাচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

    মানুষ প্রতিবাদ করছে কিন্তু সংশ্লিষ্ট পত্রিকা ক্ষমা চায়নি, অপপ্রচার চালাচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজকে সমগ্র দেশের মানুষ প্রথম আলো’র ঘটনার ব্যাপারে মুখ খুলেছে, প্রতিবাদ করছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পত্রিকা ক্ষমা চায়নি। বরং এটার বিরুদ্ধে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গণে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

    ‘এই অপপ্রচারও একটি অপরাধ’ স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ে দেশে প্রতিদিন পত্রিকা, টিভি, অনলাইনে রিপোর্ট হয়েছে এবং হচ্ছে। মামলা তো দূরে থাক, কাউকে এ নিয়ে প্রশ্নও করা হয়নি। তাই শামসুজ্জামানকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে লেখার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এটিও একটি অপরাধ। এটার জন্য আবার কেউ মামলা করে কি না সেটিও দেখার বিষয়।’

    রোববার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের (বিএসপি) নেতৃবৃন্দের সাথে বৈঠকে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন। তিনি বলেন, সারাদেশে এ নিয়ে প্রতিবাদ হচ্ছে। ফেডারেল ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, ৫০ জন বিশিষ্ট নাগরিক, ঢাকা আইনজীবী সমিতি, এডিটরস গিল্ড, বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম, সংবাদপত্র পরিষদ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরাসহ অনেকেই বিবৃতি দিয়েছে।

    অভিযুক্ত শামসুজ্জামানকে ভোররাতে গ্রেপ্তার নিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাত ৪ টায় অনেক সংসদ সদস্যকেও গ্রেপ্তার করা হয়। দেশে কয়েক দফা মন্ত্রী ছিলেন এবং বড় রাজনীতিবিদ তাদেরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। আমরা সবাই জেলে গেছি বেশির ভাগকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কই তখন তো কোনো প্রশ্ন আসেনি।’

    সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘সুতরাং রাজনীতিবিদ, মন্ত্রী, এমপি যারা ছিলেন তাদেরসহ সবাইকে রাতে গ্রেপ্তার করা যাবে কিন্তু একজন সাংবাদিক যদি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে কটাক্ষ করে, একজন শিশুকে এক্সপ্লয়েট করে আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব খাটো করে, তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে না এমন আইন তো নাই। মামলা দায়ের হওয়ার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখানে দেখতে হবে, তাকে কোনো নির্যাতন করা হয়েছে কি না। নির্যাতনের কোনো অভিযোগ তো আসে নাই।’

    হাছান বলেন, ‘আমি তথ্যমন্ত্রী হিসেবে সাংবাদিকদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সবসময় চেষ্টা করি এবং যখনই কোনো সাংবাদিক হয়রানির স্বীকার হয় তখন সবার আগে হস্তক্ষেপ করি। আমাদের মনে রাখতে হবে, সবার ওপরে আমরা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে স্থান দেই এবং সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে যেন এমন কোনো কাজ না করি যাতে করে সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার পরিপন্থী, দেশবিরোধী কোনো কিছু হয়।’

    বিএসপি সভাপতি ও প্রবীণ রাজনীতিক মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘প্রথম আলো বিভিন্ন সময় নেগেটিভ সংবাদগুলো সবচেয়ে আগে প্রকাশ করে। আমার বক্তব্য হলো, প্রকাশ করতে পারেন কিন্তু এর একটা যৌক্তিকতা থাকতে হবে। বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করা সংবাদপত্রের নীতিমালা নয়। নিশ্চয়ই আমরা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা চাই, অধিকার চাই। কিন্তু এর একটা সীমা আছে। সাংবাদিকতায় এই জিনিসটা বারবার ভেবে দেখা প্রয়োজন রয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা বিগত দিনে অনেক দেখেছি রানা প্লাজা ধসে পড়ার দিনেও তারা প্রোগ্রাম করেছে, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করেছে। অথচ সে দিন এতোগুলো মানুষ মারা গেছে, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রভাব ফেলেছে। রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলেও তারা একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করতে গিয়ে সেখানে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এগুলো দুর্ভাগ্যজনক।’

    বিএসপি’র সাধারণ সম্পাদক এম জি কিবরিয়া চৌধুরী বলেন, ‘স্বাধীনতাকে যারা মানে না, তারা দেশকেও মানে না। কেউ বাংলাদেশে সাংবাদিকতা করবেন আর দেশকে মানবেন না, এটা হয় না।’

    সাড়ে তিনশ’র বেশি পত্রিকার প্রকাশক-সম্পাদকদের এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ মনে করে, সাংবাদিকতা নীতিমালা মেনেই সংবাদপত্র প্রকাশ করতে হবে, ছাপাতে হবে। যারা এ ধরণের লেখনী লিখছেন, এটা অনভিপ্রেত, অযাচিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

    এ সময় দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি নিয়ে সারাবিশ্বে প্রশংসা হচ্ছে উল্লেখ করে হাছান বলেন, ‘মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলিয়া ভালস বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির প্রশংসা করে বক্তব্য দিয়েছেন। আজকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সেটি ছাপা হয়েছে। বাংলাদেশের অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল উপস্থাপন করা হয়েছে।

    ‘রমজানেও বিএনপি মানুষকে নিস্তার দিচ্ছে না’

    বিএনপির চলমান কর্মসূচি প্রশ্নে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা কখনো শুনি নাই, দেখিও নাই যে পবিত্র রমজানের মধ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে রাস্তায় বেরিকেড তৈরি করে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ করে।’

    ‘রমজানেও বিএনপি মানুষকে নিস্তার দিচ্ছে না এবং বিএনপির কর্মসূচি নি:সন্দেহে রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করছে’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘তারা ইসলামের কথা বলে অথচ রমজানের পবিত্রতা নষ্ট করে তারা কর্মসূচি পালন করছে, যেটি অনভিপ্রেত, দুঃখজনক এবং তাদের সাম্প্রতিক কর্মসূচিগুলো তাদের অপরাজনীতির বহি:প্রকাশ। তাদের ২০১৩-১৪-১৫ সালে পেট্রোলবোমা তান্ডব দমনকারী আওয়ামী লীগ জানে কখন কর‍তে হয়।

    “তথ্যমন্ত্রীর হাতে প্রণব মুখার্জির জীবনীগ্রন্থ’

    সভা শেষে প্রেসক্লাব অভ ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট গৌতম লাহিড়ীর পাঠানো তার সদ্যপ্রকাশিত ‘প্রণব মূখার্জি : রাজনীতির ভেতর ও বাহির’ গ্রন্থটি মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন তরুণ সাংবাদিক জাকওয়ান হুসাইন।

    বিএসপি সদস্য রফিক উল্লাহ সিকদার, কামরুজ্জামান জিয়া, শেখ মঞ্জুর বারী মঞ্জু, ফরিদ আহম্মদ বাঙ্গালী, অশোক ধর, মো: জাহিদুর রহমান, টিএম শওকত আলী, মোর্শেদ মজুমদার, মো: আনোয়ার হোসেন আকাশ, নূরুন নাহার, মো: মফিজুর রহমান খান বাবু, মোহাম্মদ আরফিন, সোহানা তাহমিনা, কাজী আনোয়ার কামাল, মো: জসিম উদ্দিন প্রমুখ সভায় যোগ দেন।

  • অপরাধ ও অপপ্রচারের সাথে সাংবাদিকতার মহৎ পেশাকে মেলাবেন না: তথ্যমন্ত্রী

    অপরাধ ও অপপ্রচারের সাথে সাংবাদিকতার মহৎ পেশাকে মেলাবেন না: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সাংবাদিকরা সমাজের অনুন্মোচিত বিষয় তুলে আনে, সমাজের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়। সাংবাদিকতা একটি মহৎ পেশা। অপরাধ ও অপপ্রচারের সাথে সাংবাদিকতাকে মেলাবেন না।’

    শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ইফতার সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ডিআরইউ সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল আহসান সোহেল সভায় শুভেচছা বক্তব্য রাখেন। সংগঠনের সহসভাপতি দীপু সারোয়ারসহ বর্তমান ও অতীত নির্বাহী পরিষদ ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    দৈনিক প্রথম আলোর সাংবাদিক গ্রেফতার হওয়া প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে একটি ১০ বছরের ছেলেকে ১০ টাকা দিয়ে ফুসলিয়ে তাকে দিয়ে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে কথা বলানোর চেষ্টা এবং সে না বললেও তার বক্তব্য হিসেবে সেটি প্রচার করা শুধু বাংলাদেশের সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার পরিপন্থী নয়, সারাবিশ্বে যে সাংবাদিকতার নিয়ম-নীতি রয়েছে, সেগুলোরও পরিপন্থী।’

    তিনি বলেন, ‘এখানে স্পষ্টত: জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ লংঘিত হয়েছে এবং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রতি কটাক্ষ করা হয়েছে। এ সব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলেই মামলা হয়েছে, এর সাথে সাংবাদিকতাকে না মেলানোর অনুরোধ জানাই। তবে কারো কোনো হয়রানি যেন না হয়, সেদিকে আমরা নজর রাখছি।’

    সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ে, সরকারের সমালোচনা করে প্রায় প্রতিদিন দেশের পত্র-পত্রিকায় লেখা হয়, টেলিভিশনে রিপোর্ট প্রচার হয়- এ নিয়ে কোনো মামলা তো দূরের কথা, কোনোদিন কাউকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রশ্নও করা হয়নি। অথচ এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পত্রিকা থেকে বিদেশি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে যে, দ্রব্যমূল্য নিয়ে রিপোর্ট করার কারণে তাদের সাংবাদিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বলে তাদেরকে উস্কানি দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণরূপে বানোয়াট এই অসত্য অপপ্রচার আসলে দেশবিরোধিতা।’

    হাছান মাহমুদ তার বক্তৃতায় রাজধানীর পল্লবীতে শুক্রবার বিএনপির ইফতারে সাংবাদিক নির্যাতনের নিন্দা জানান এবং মনে করিয়ে দেন, ‘সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং সবসময় তা বজায় রাখতে চায়। কিন্তু গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আর অপরাধ এক জিনিস নয়। দেশের সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো,  সম্পাদক, প্রকাশক, শিক্ষক, শিল্পী, সুশীল সমাজও স্বাধীনতাকে কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়েছে, বিবৃতি দিয়েছে, কারণ এখানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।’

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বিষয়ে অভিযোগ খন্ডন করে উদাহরণ দিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘এ ধরনের আইন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হয়েছে। যুক্তরাজ্যে সাইবার সিকিউরিটি ল’জ এন্ড রেগুলেশন ২০২২, যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার ল’ এন্ড পানিশমেন্ট এবং এ ধরণের আইন বিশ্বের বহু দেশে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরণের অপরাধের শাস্তি হচ্ছে ২০ বছর কারাদন্ড। এবং ডিজিটাল মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর কারণে যদি কারো মৃত্যু হয় তবে সেই অপরাধের শাস্তি হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদন্ড। তারা আমাদের আইন নিয়ে বিবৃতি দেওয়ার চেষ্টা করে অথচ এ দেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য বহু দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনেক বেশি কঠিন।’

  • ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

    ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

    প্রথম আলো অনলাইন মাধ্যমে ২৬ মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবসে একজন শিশুর ছবির সাথে ভিন্ন একজনের বক্তব্য সংযোজন করে যে ফটো কার্ড প্রচার করা হয়, সেটি সেই সংবাদপত্রের সম্পাদক ও বার্তা কক্ষের পেশাদারী ব্যর্থতার বড় দৃষ্টান্ত। সেই ফটো কার্ডটি দ্রুত প্রত্যাহার করা হলেও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কাজটি হয়েই গেছে। তারা বলেন,  শিশুর ছবির সাথে ভিন্ন পরিচয়ের ব্যক্তির উদ্ধৃতিটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তৈরি ও ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।  শিশুটিকে সাংবাদিকের আর্থিক সাহায্য দেয়া এবং তাকে সাংবাদিকতার উপাদান হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টিও পেশাদারী সাংবাদিকতার দিক থেকে গ্রহণযোগ্য নয়। স্বাধীনতাকে কটাক্ষকারী প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকায় রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচারে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিন্দা ও প্রতিবাদ

    গণমাধ্যম একটি সভ্য সমাজের অন্যতম দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান। সমাজের সঠিক চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরাই গণমাধ্যমের কাজ, আর গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ জনমানসে গভীর প্রভাব বিস্তার করে বলে সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, ‘দৈনিক প্রথম আলো’ পত্রিকা এই নৈতিক দায়িত্ব উপেক্ষা করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করে দেশের সুনাম ক্ষুণড়ব করার চেষ্টা করছে। মহান স্বাধীনতা দিবসে তারা এ-দেশের স্বাধীনতাকে বিদ্রুপ করে একটি বানোয়াট প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরা এই ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি।

    সম্প্রতি উক্ত পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রেক্ষাপটে একজন শিশুর ছবি এবং সেই ছবির নিচে ক্যাপশনের পরিবর্তে একজন দিনমজুরের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। ক্যাপশনে উল্লিখিত বক্তব্যে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাকে পরিষ্কারভাবে উপহাস করা হয়েছে। একজনের ছবির ক্যাপশনে অন্য আরেকজনের উদ্ধৃতি প্রকাশ গণমাধ্যমের নৈতিকতা পরিপন্থী। তদুপরি, উদ্ধৃতিটির ভাষামান বিবেচনা করলে তা কোনোভাবেই দিনমজুরের বক্তব্য বলে মনে হয় না। বরং এটি ওই দিনমজুরের কণ্ঠে পত্রিকাটির সম্পাদকীয় বক্তব্য বলেই প্রতীয়মান হয়। অন্য একটি গণমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে ইতোমধ্যে জানা সম্ভব হয়েছে যে ওই শিশুকে উৎকোচের বিনিময়ে প্রলুব্ধ করে ছবিটি তোলা হয়েছে। বস্তুত এক্ষেত্রে শিশুটিকে পণ্য হিসেবে ব্যবহার করে তার অধিকার ও মর্যাদা ক্ষুণড়ব করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে চলমান অর্থনৈতিক সংকটময় পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বানোয়াট ছবি ও বক্তব্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার এক কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে মহান স্বাধীনতাকে যেভাবে বিদ্রুপ করা হয়েছে, সেটি অনাকাক্সিক্ষত ও নিন্দনীয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নামে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

    পরবর্তীকালে যদিও পত্রিকাটি তাদের ভুল স্বীকার করে প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে, কিন্তু আনুপূর্বিক ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় এটিকে নিছক একটি ভুল হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বরং এই ঘটনা যে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটিকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে প্রমাণের অপতৎরতার অংশ, এরূপ মনে করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। কেননা এ ধরনের প্রতিবেদন জনমনে রাষ্ট্র সম্পর্কে একটি বিরূপ ধারণার জন্ম দিয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সরকারকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের ঘটনা আমরা আগেও প্রত্যক্ষ করেছি। স্বাধীনতার অব্যবহিতকাল পরে ১৯৭৪ সালে বাসন্তী নামের এক নারীকে জাল পরিয়ে সাজানো ছবি তুলে দুর্ভিক্ষের কাল্পনিক চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল। ‘দৈনিক প্রথম আলো’র তৎপরতা ১৯৭৪-এর ঘটনার ধারাবাহিকতা বলে প্রতীয়মান হয়। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল অনুরূপ ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, আলোচ্য পত্রিকাটি গণমাধ্যমের নৈতিকতা জলাঞ্জলি দিয়ে ২০০৭ সালে অনির্বাচিত সামরিক শাসনের পক্ষ নিয়ে বি-রাজনীতিকরণের পক্ষে নির্লজ্জভাবে কলম ধরেছিল। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বাংলাদেশের উনড়বয়ন সহযোগীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমাদের সনির্বন্ধ অনুরোধ, এই চক্রান্তে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত সত্য অনুধাবন করুন ও প্রয়োজনবোধে তুলে ধরুন।

    আমরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্ববাসী। তবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বানোয়াট তথ্য পরিবেশন কোনো ক্রমেই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হতে পারে না। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে আমরা যথাযথ তদন্তসাপেক্ষে এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। তবে এ প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ কোনো আইনের যেন অপপ্রয়োগ না হয় সেটিও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

     

    বিশিষ্ট নাগরিকদের তালিকা

    ০১। অধ্যাপক আব্দুল মানড়বান, সাবেক চেয়ারম্যান, ইউজিসি

    ০২। অধ্যাপক ড. আবদুল খালেক, সাবেক উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৩। অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৪। অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবীর, সাবেক উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয় ও বিশিষ্ট রসায়নবিদ

    ০৫। অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক, সাবেক সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি

    ০৬। অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান, সাবেক উপাচার্য, জগনড়বাথ বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৭। অধ্যাপক ড. নাসরীন আহমাদ, সাবেক প্রো-উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৮। অধ্যাপক ড. সহিদ আকতার হুসাইন, সাবেক প্রো-উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ০৯। অধ্যাপক ড. আব্দুল মানড়বান চৌধুরী, উপাচার্য, দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ

    ১০। অধ্যাপক ড. তোফায়েল আহাম্মদ, সাবেক ডিন, বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ১১। অধ্যাপক ড. অহিদুজ্জামান, সাবেক উপাচার্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১২। অধ্যাপক এ কে এম সাইদুল হক চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৩। অধ্যাপক ড. মো. আলী আকবর, সাবেক উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ

    ১৪। অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ, সাবেক উপাচার্য, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৫। অধ্যাপক ড. আব্দুল মানড়বান আকন্দ, সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৬। অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দর আলী, সাবেক প্রো-উপাচার্য, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৭। অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, সাবেক ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৮। অধ্যাপক ড. মো. আখতারুল ইসলাম, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন

    ১৯। অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন

    ২০। অধ্যাপক ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূইয়া, সাবেক ডিন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ২১। জনাব মোজাম্মেল বাবু, প্রধান সম্পাদক, একাত্তর টেলিভিশন

    ২২। জনাব নাইমুল ইসলাম খান, এমিরেটাস এডিটর, দৈনিক নতুন সময়

    ২৩। জনাব মো. মনজুরুল ইসলাম, প্রধান সম্পাদক, ডিবিসি নিউজ।

    ২৪। জনাব শ্যামল দত্ত, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাব

    ২৫। অধ্যাপক চৌধুরী জুলফিকার মতিন, সাবেক অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

    ২৬। অধ্যাপক মলয় কুমার ভৌমিক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় ও বিশিষ্ট নাট্যকার

    ২৭। অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ও সভাপতি, বাংলাদেশ ইতিহাস সমিতি

    ২৮। অধ্যাপক ড. বিধান চন্দ্র দাশ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশিষ্ট প্রাণিবিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক

    ২৯। অধ্যাপক ড. অজিত কুমার মজুমদার, বিশিষ্ট পরিসংখ্যানবিদ

    ৩০। অধ্যাপক ড. এ এ মামুন, বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী

    ৩১। অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক ডিন, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩২। অধ্যাপক ড. নোমান, সাবেক ডিন, আইন অনুষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩৩। অধ্যাপক ডাক্তার কামরুল হাসান খান, সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩৪। প্রকৌশলী কাজী খায়রুল বাশার, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা কেন্দ্র, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ

    ৩৫। ইঞ্জিনিয়ার নূরুল হুদা, প্রেসিডেন্ট, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশ

    ৩৬। ইঞ্জিনিয়ার শাহাদাত হোসেন শিবলু, সাধারণ সম্পাদক, ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশ

    ৩৭। ডাক্তার নুজহাত চৌধুরী, সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    ৩৮। ডাক্তার মামুন আল মাহতাব, সদস্য সচিব, সম্প্রীতির বাংলাদেশ

    ৩৯। জনাব পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, নাট্যব্যক্তিত্ব ও আহ্বায়ক, সম্প্রীতির বাংলাদেশ

    ৪০। জনাব তারানা হালিম, নাট্যব্যক্তিত্ব

    ৪১। জনাব গোলাম কুদ্দুস, সভাপতি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট

    ৪২। ডাক্তার এহতেশামুল হক দুলাল, সদস্য-সচিব, প্রকৃচি

    ৪৩। ডাক্তার জামাল উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স এসোসিয়েশন

    ৪৪। ডাক্তার মনিরুজ্জামান, সভাপতি, প্রাইভেট মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স এসোসিয়েশন

    ৪৫। অধ্যাপক ড. মো. হারুনর রশীদ খান, সাবেক উপাচার্য, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    ৪৬। অধ্যাপক ড. এমরান কবীর চৌধুরী, সাবেক উপাচার্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

    ৪৭। অধ্যাপক ড. ইকবাল কবির জাহিদ, ডিন, বায়োলোজিক্যাল সায়েন্স, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ৪৮। অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব, চেয়ারম্যান, সিইসি বিভাগ এবং সভাপতি শিক্ষক সমিতি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ৪৯। অধ্যাপক ড. কবির হোসেন, সভাপতি, শিক্ষক সমিতি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

    ৫০। অধ্যাপক ড. মো. রাশেদ তালুকদার, সাবেক সভাপতি, শিক্ষক সমিতি, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

  • স্বাধীনতাকে কটাক্ষকারী প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করলেন সম্পাদক প্রকাশক আইনজীবী

    স্বাধীনতাকে কটাক্ষকারী প্রতিবেদনের প্রতিবাদ ও বিচার দাবি করলেন সম্পাদক প্রকাশক আইনজীবী

    তিন শতাধিক পত্রিকার প্রকাশকদের সংগঠন বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ (বিএসপি), সম্পাদকদের সংগঠন বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম এবং দেশের আইনজীবীদের অন্যতম শীর্ষ সংগঠন ঢাকা বার এসোসিয়েশন গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দৈনিক প্রথম আলো প্রকাশিত ‘শিশুর নামে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে অসত্য প্রচারে’র বিরূদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে।

    ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো: মিজানুর রহমান (মামুন) ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জোবায়ের বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রথম আলো পত্রিকায় মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা বিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় সমিতির পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

    সম্পাদক ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা দি ডেইলি অবজারভারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রতন এবং সদস্য সচিব ফারুক আহমেদ তালুকদার স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘সম্প্রতি দৈনিক প্রথম আলো’য় যেভাবে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ পরিবেশন করে রাষ্ট্র ও জাতির ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের চেষ্টা করা হয়েছে, আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’ সেইসাথে রাতের বেলা গ্রেফতার এড়িয়ে সুনির্দিষ্ট মামলায় দোষীদের বিচারের কথা বলেন তারা।

    সংবাদপত্র পরিষদ সভাপতি মোজাফফর হোসেন পল্টু ও সাধারণ সম্পাদক এম জি কিবরিয়া চৌধুরী পরিষদের পক্ষে বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা এ ধরনের মিথ্যা পরিবেশনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রথম আলো প্রকাশিত প্রতিবেদন সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার নীতিমালা ও নৈতিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থী এবং এর বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষ আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আশা করি।’

    উল্লেখ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সংগঠন এডিটরস গিল্ড এর আগে স্বাধীনতাকে কটাক্ষকারী পোস্টের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

  • এবার প্রথম আলোর বিরুদ্ধে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নিন্দা

    এবার প্রথম আলোর বিরুদ্ধে ঢাকা আইনজীবী সমিতির নিন্দা

    ঢাকা আইনজীবী সমিতি ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘শিশুর নামে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে অসত্য সংবাদ পরিবেশনে’র বিরূদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। প্রতিবাদে বলা হয়-

    “প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা বিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় প্রতিবাদ”

    প্রথম আলো পত্রিকায় গত ২৭.০৩.২০২৩ ইং তারিখে প্রকাশিত মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা বিরোধী সংবাদ প্রকাশ করায় ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের পক্ষে সভাপতি জনাব মোঃ মিজানুর রহমান (মামুন) ও আমি সাধারণ সম্পাদক – খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জোবায়ের, উক্ত প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    দৈনিক প্রথম আলোর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে একটি ছোট্ট শিশুকে মাত্র ১০ টাকা হাতে তুলে দিয়ে সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা গল্প সাজিয়ে আরেকটা বাসন্তী গল্প বানানোর চেষ্টা করেছিল প্রথম আলো। কিন্তু সচেতন মানুষদের প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মুখে সেই মিথ্যাটি আর প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি প্রথম আলো। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকা আইনজীবী সমিতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

  • দৈনিক কতোটুকু পানি পান করবেন?

    দৈনিক কতোটুকু পানি পান করবেন?

    রোজা চলছে, গরমও বাড়ছে, ভাবছেন কতোটুকু পানি পান করবেন? এ বিষয়ে পরিষ্কার ও সংক্ষিপ্ত পরামর্শ দিচ্ছেন প্রফেসর ডঃ এস এম জি কিবরিয়া বলেন, পুরোটাই নির্ভর করে আপনার শরীরের ওজনের উপর। প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ মিলি প্রতি কেজিতে আপনার পানির প্রয়োজন। অর্থাৎ, আপনার ওজন যদি ৫০ কেজি হয়, তাহলে আপনার প্রায় ১৮০০ মিলি পানি লাগবে। এই চাহিদার ২০% আসবে খাবার থেকে আর বাকিটা আসবে পানি থেকে। পানিটা যে শুধু পানিই হতে হবে এমন নয় বিষয়টা। সেটা যেকোনো পানীয়ও হতে পারে। রসালো ফলমূল প্রায় পুরোটাই পানি। অর্থাৎ, আপনি যদি স্বাভাবিক খাবার খান সেখান থেকে ৪০০ মিলি পানি পাবেন। ৫ গ্লাস পানি খান আর ২ টি ছোট কাপ চা খান তাহলেই কিন্তু ১৮০০ মিলি হয়ে যায়। আর আপনার যদি তৃষ্ণা না পায় এবং পস্রাব ঘন না হয় তাহলে বুঝবেন- আপনার পানি শূন্যতা নেই। যারা শরীর চর্চা করছেন বা ব্রেস্ট ফিডিং করছেন তাদের একটু বেশি পানি লাগবে। আর যারা কিডনী ও হার্টের রোগী তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পানি খেতে হবে।

  • সাকিব লিটনকে রেখেই আইপিএল খেলতে ভারতে উড়াল দিলেন মোস্তাফিজ

    সাকিব লিটনকে রেখেই আইপিএল খেলতে ভারতে উড়াল দিলেন মোস্তাফিজ

    সাকিব আল হাসান ও লিটন দাসকে রেখেই আইপিএল খেলতে উড়াল দিলেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন এই পেসার। নিজের ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে জানান তিনি। দেশের ক্রিকেটের কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটারের খেলার কথা রয়েছে এই টুর্নামেন্টে। শনিবার সকাল ৯টার দিনে ভারতের দিল্লীর হয়ে আইপিএল মাতাতে চার্টার্ড ফ্ল্যাইটে দেশ ছেড়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান!

    আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে খেলবেন না মোস্তাফিজুর রহমান। তাই টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হওয়ার পরের দিন ভারতে উড়াল দিলেন। বাংলাদেশের এই পেসার আইপিএল খেলতে দেশ ছেড়েছেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করে দেশ ছাড়ার খবর নিশ্চিত করেছেন মোস্তাফিজ। ফেসবুকের ভেরিফায়েড পেজের ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আইপিএল ২০২৩ খেলতে ভারতের উদ্দেশে। আমার দিল্লি ক্যাপিটালস পরিবারের সঙ্গে যোগ দিতে তর সইছে না।’

    মোস্তাফিজের দল দিল্লি ক্যাপিটালস। ২ কোটি ভারতীয় রুপিতে এবারের নিলামে পুরোনো দলে ফিরেছেন তিনি। রবিবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে তার দলের প্রথম ম্যাচ। ভ্রমণক্লান্তি ও দলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার আছে, সম্ভবত দলের উদ্বোধনী ম্যাচে থাকছেন না তিনি।

    আইপিএলে এনিয়ে ষষ্ঠ আসরে খেলতে যাচ্ছেন মোস্তাফিজ। ২০১৬ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন বল হাতে। হন টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়। সব মিলিয়ে ৪৬ ম্যাচ খেলে বাঁহাতি পেসার ৪৬ উইকেট নেন। সেরা বোলিং ফিগার ১৬ রানে ৩ উইকেট।

     

  • ডলারের দাম ১ টাকা বাড়ানো হলো রপ্তানি আয়ে

    ডলারের দাম ১ টাকা বাড়ানো হলো রপ্তানি আয়ে

    দেশে রপ্তানি আয় আনার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ব্যাংকগুলো এখন থেকে রপ্তানিকারকদের প্রতি ডলারে ১০৫ টাকা দেবে।  বৃহস্পতিবার এক বৈঠকে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এবং অ্যাসোসিয়েশন অভ ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) রপ্তানি আয়ে ডলারপ্রতি দাম এক টাকা বাড়িয়েছে। আগে এধরনের ডলার বিক্রি করে ১০৪ টাকা পাওয়া যেত। ডলারের নতুন এ দাম ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বৈঠক প্রসঙ্গে সোনালী ব্যাংকের এমডি মো. আফজাল করিম বলেন, আজকের যৌথ সভায় রপ্তানি আয়ে ডলারের দাম এক টাকা বাড়িয়ে পুনর্র্নিধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে রপ্তানি আয়ের বিপরীতে প্রতি ডলারে ১০৫ টাকা দেওয়া হবে। আর রেমিট্যান্সে আগের মত ১০৭ টাকা পাবেন।
    কিছু ব্যাংক আগ্রাসী হয়ে বেশি দামে ডলার কিনছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাফেদা চেয়ারম্যান জানান, এবিবি ও বাফেদা যৌথভাবে সবাই একমত হয়ে ডলারের রেট পুনর্র্নিধারণ করেছি। আজকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে; সবাই জানিয়েছেন এই নির্ধারিত রেটেই ডলার কিনবেন। তারপরও যদি কেউ রেট বেশি দামে ডলার নেয় তাহলে আমাদের কিছু করার নেই। এটা দেখার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রণ সংস্থা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে তারা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

    মূলত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশে ডলার-সংকট শুরু হয়। সংকট মোকাবিলায় শুরুতে ডলারের দাম বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু তাতে ডলারের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে গত বছর সেপ্টেম্বরে ডলারের দাম নির্ধারণে এবিবি ও বাফেদার ওপর দায়িত্ব দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর যৌথভাবে ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দুই সংগঠন।