Author: Hello Bangla News

  • দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা আরেকটি পঁচাত্তর সৃষ্টি করতে চায় : কাদের

    দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা আরেকটি পঁচাত্তর সৃষ্টি করতে চায় : কাদের

    আরেকটি পঁচাত্তর সৃষ্টি করতে চায় দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা, বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    শনিবার (১ এপ্রিল) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে দলটির সভাপতি-সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য এবং ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের যৌথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযুদ্ধের অর্জন নিয়ে তামাশা করা ফৌজদারি অপরাধ।

    তিনি বলেন, প্রথম আলো আর বিএনপি একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, টার্গেট হলো সরকার।

  • আত্মসমর্পণ করতে পারেন ট্রাম্প

    আত্মসমর্পণ করতে পারেন ট্রাম্প

    মুখ বন্ধ রাখতে পর্ন তারকাকে অর্থ দেওয়ার মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর আদালতে আত্মসমর্পণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    বৃহস্পতিবার দেশটির ম্যানহ্যাটানের গ্র্যান্ড জুরি আদালতে তাকে অভিযুক্ত করা হয়।

    আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের লোয়ার ম্যানহাটান এলাকার অপরাধ আদালতে মামলার শুনানি হবে। ওইদিনই আত্মসমর্পণ করতে পারেন ট্রাম্প। মিস্টার ট্রাম্প যখন ফ্লোরিডা থেকে নিউইয়র্কের আদালতে যাবেন তখন তাকে ঘিরে থাকবে ফেডারেল এজেন্টরা। তিনি ফ্লোরিডা থেকে তার ব্যক্তিগত বিমানে করে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে এবং তার সুরক্ষার দায়িত্বে থাকবে ওই এজেন্টরা। এর আগেই তিনি ব্যক্তিগত প্লেনে চড়ে ফ্লোরিডা থেকে নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন, এরপর সেখানকার আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। খবর বিবিসির।

    ট্রাম্পের আইনজীবী জো ট্যাকোপিনা শুক্রবার টেলিভিশনে দেওয়া সক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন।

    ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় সাবেক পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলসকে তার পক্ষ থেকে মোটা অংকের ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। স্টর্মি ড্যানিয়েলসের দাবি, ২০০৬ সালের গ্রীষ্মে ট্রাম্পের সঙ্গে তার যৌন সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল।

    ওই বছর নভেম্বরের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়। তার আগেই ট্রাম্পের আইনজীবী মাইকেল কোহেন তাকে ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে ‘মুখবন্ধ রাখতে’ ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন।

    আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার এক কর্মকর্তা সিবিএস নিউজকে বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সোমবার তার ব্যক্তিগত প্লেনে নিউইয়র্কে যাবেন এবং মঙ্গলবার আত্মসমর্পণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে এ নিয়ে মুখ না খুলতে তাঁকে মোটা অংকের ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্পের সাবেক আইনজীবী মাইকেল কোহেন তাকে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার দিয়েছিলেন।

    ২০১৮ সালে এই অর্থ লেনদেনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। সে সময় ট্রাম্পের সঙ্গে করা ‘গোপন চুক্তি’ বাতিল করতে আদালতে আবেদন জানান ড্যানিয়েলস; আর তার জেরেই নির্বাচনী প্রচারণা তহবিল আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা হয় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে তিনিই প্রথম সাবেক প্রেসিডেন্ট, যাকে ফৌজদারি মামলায় বিচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

    সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসদ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস

  • অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ

    অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ

    অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন স্থগিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক। শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন। সংস্থাটির মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহারের উদ্বেগ জানিয়ে ভলকার টার্ক বলেন, এই আইন বাংলাদেশের সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি, ভয় দেখানো এবং অনলাইনে সমালোচনার মুখ বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই আমি আবারও কর্তৃপক্ষকে এই আইন ব্যবহারে অবিলম্বে স্থগিতাদেশ আরোপের আহ্বান জানাচ্ছি।

    বাংলাদেশে এ আইনের প্রয়োগ উদ্বেগ জানান তিনি। অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি এবং অনলাইন প্লাটফরমে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে স্তব্ধ করতে, ব্যবহার হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।

    একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে এই আইনের বিধানগুলোতে ব্যাপকভাবে সংস্কারের আহ্বান জানান ভলকার টার্ক।

    তুর্ক আরও বলেন, কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে এর প্রয়োগ স্থগিত এবং এই আইনকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এর ধারাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার আহ্বান জানাচ্ছি।

    এই সংশোধনী আনতে সহযোগিতার লক্ষ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর থেকে বাংলাদেশকে ইতিমধ্যে বিস্তারিত পরামর্শ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    ফলকার তুর্কের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে এই আইনে দুই হাজারের বেশি মামলা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে তার দপ্তর থেকে ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ জানানো হচ্ছে। এসব ধারা অস্পষ্ট এবং বিস্তৃত পরিসরে সেগুলোর প্রয়োগ করা যায়। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার এই আইনের যথেচ্ছ ও মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ বন্ধে সুরক্ষাকবচ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু যখন গ্রেপ্তার করা অব্যাহত রয়েছে, তখন তাদের এই প্রতিশ্রুতি যথেষ্ট নয়। খোদ এই আইনেরই যথাযথ সংস্কার দরকার।

    বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যেসব মামলা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করতে একটি স্বাধীন বিচারিক প্যানেল গঠনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার। তার ভাষ্যমতে, এই পর্যালোচনা করা হবে যেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পান।

  • সিরিজ সেরা পেস বোলার তাসকিন আহমেদ

    সিরিজ সেরা পেস বোলার তাসকিন আহমেদ

    আয়াল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে সিরিজ সেরার পুরস্কার জিতেছেন পেস বোলার তাসকিন আহমেদ। সিরিজে ৩ ম্যাচে সর্বোচ্চ ৮ উইকেট শিকার করেন এই তারকা পেসার।

    সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ১৯.২ ওভারে ২০৭/৫ রান করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৭ রানের জয় পায়। সেই জয়ের ম্যাচে ১৬ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন তাসকিন।

    দ্বিতীয় ম্যাচে ১৭ ওভারে ২০২/৩ রান করে বাংলাদেশ। বৃষ্টি বিঘ্নিত সেই ম্যাচে ২২ রানের জয়ে ২৭ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন তাসকিন।

    শুক্রবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ১৯.২ ওভারে ১২৪ রানে অলআউট হয়ে বাংলাদেশ ম্যাচ হারে ৭ উইকেটে।

    বাংলাদেশের পরাজয়ের ম্যাচে ২৮ রানে ১ উইকেট শিকার করেন তাসকিন। সব মিলে তিন ম্যাচে তার শিকার ৮ উইকেট

  • ইলন মাস্ক পেছনে ফেললেন ওবামাকে

    ইলন মাস্ক পেছনে ফেললেন ওবামাকে

    মাস্ক। ওবামাকে ছাড়িয়ে মাস্ক সবচেয়ে বেশি অনুসরণ করা টুইটার অ্যাকাউন্টের মালিক হয়েছেন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে পেছনে ফেললেন টুইটারপ্রধান ইলন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে অনুসারীর (ফলোয়ার) সংখ্যার দিক দিয়ে বৃহস্পতিবার শীর্ষস্থানে উঠে আসেন মাস্ক। অনুসারীসংখ্যার দিক দিয়ে ওবামার অবস্থান এখন দ্বিতীয়। খবর লাইভ মিন্টের

    স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা মাস্কের টুইটার অনুসারীর সংখ্যা বেড়ে গতকাল দাঁড়ায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৬০। আর ওবামার অনুসারীসংখ্যা ১৩ কোটি ৩০ লাখ ৪১ হাজার ৮১৩।

    নানা নাটকীয়তার পর পাঁচ মাস আগে প্ল্যাটফর্মটি কিনে নেন মাস্ক। তার মালিকানা গ্রহণের পর থেকে নানা ঝামেলার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে টুইটার।

  • নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

    নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে প্রস্তুতি নিতে বলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সময়ে যেন নির্বাচন করতে পারি, সে বিষয়ে আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখবো। ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির প্রথম দিকে ভোট অনুষ্ঠানের সম্ভাবনার কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, সংবিধানে নির্দিষ্ট সময়ের আগেও নির্বাচন হতে পারে এমন প্রভিশন আছে। নির্দিষ্ট সময়ের দু’এক মাস আগে ভোট হলেও নির্বাচন করার প্রস্তুতি যেন ইসির থাকে।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, সব ধরনের কার্যক্রম কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী শেষ করতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ও জাতীয় প্রেক্ষাপটে নির্বাচনি সামগ্রী কেনার প্রক্রিয়ায় অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা হতে পারে এমন শঙ্কার কথা উল্লেখ করে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন।

    বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত মাসিক সমন্বয় সভায় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসব নির্দেশনা দেন বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

    সূত্র জানায়, সভায় সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজনে কেমন প্রতিবন্ধকতা ও চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান সিইসি। একইসঙ্গে ভোট সুষ্ঠু করার ক্ষেত্রে করণীয় বিষয়ে পরামর্শও নেন। সভায় ইসি সচিবালয় ও মাঠ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের বক্তব্যে আচরণ বিধি লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বেগের কথা জানান। আচরণ বিধি লঙ্ঘন বা নির্বাচনি অভিযোগ জানাতে ৯৯৯ এর মতো হটলাইন চালুর পরামর্শ দেন তিনি। সভায় ভারতের ভোটগ্রহণের উদাহরণ নিয়েও আলোচনা হয়।

    জানা গেছে, এটি নির্বাচন কমিশনের মার্চ মাসের নিয়মিত মাসিক সমন্বয় সভা ছিল। এতে সভাপতিত্ব করেন, ইসি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম। রুদ্ধদ্বার সভায় প্রথা ভেঙ্গে এই প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার নির্বাচন কমিশনার নিজেদের আগ্রহ থেকেই অংশ নেন। সভায় ইসির মাঠ পর্যায়ের ১০ অঞ্চলিক কর্মকর্তা, ইসি সচিবালয়, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ ও নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সভাশেষে সিদ্ধান্তের বিষয়ে ব্রিফিং করে ইসি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নির্বাচন কমিশন আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়ে সচিবলায়কে নির্দেশনা দিয়েছেন, যেন তাদের ঘোষিত রোডম্যাপ থেকে প্রস্তুতি পিছিয়ে না থাকি। নির্বাচনের টপ টু বটম, যেমন মালামাল ক্রয় থেকে শুরু করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন পর্যন্ত সকল বিষয়ের ওপর তারা রোডম্যাপ অনুযায়ী নির্দেশনা দেন। আমাদেরও বলেছেন কোন বিষয়ে আমরা পিছিয়ে আছি।

    বৈঠকের আলোচনার বিষযে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে আমরা জানতে চেয়েছি ব্যালট বক্সগুলো কোথায় আছে, কিভাবে আছে, সেগুলোকে কিভাবে যাচাই করে তারা আমাদের রিপোর্ট দেবে- এই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এগুলো বাস্তবিক অর্থেই ইসির অভ্যন্তরীণ কাজ।

    বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, সংবিধান অনুযায়ী আগামী ডিসেম্বরের শেষ দিকে বা জানুয়ারির শুরুতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আবার সংবিধানে ওই সময়ের আগেও ভোট হতে তার প্রভিশন রয়েছে। সংবিধানকে সামনে রেখেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনি সামগ্রীর যেগুলো বিদেশ আমদানি করতে হয়, অনেক সময়ে নানা জটিলতায় শিপমেন্ট ফেল করে, মালামাল ক্রয়ের টেন্ডার বাতিল হয়। তবে এসব অজুহাতে নির্বাচন আয়োজনে ফেল করার সুযোগ নেই। প্রয়োজনে আগেই প্রস্তুতিমূলক কাজগুলো শেষ করতে হবে।

    সভায় আগামী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার ওপর জোর দেন সিইসি। আলোচনার এক পর্যায়ে বিগত নির্বাচনগুলোতে ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভূমিকার বিষয়টি ওঠে আসে। সভার এক পর্যায়ের সিইসি কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান, ব্যালট বক্সে ইসির সরবরাহ করেনি এমন ব্যালট পেপার ঢুকিয়ে রাখার সুযোগ আছে কিনা?

    জবাবে ইসি কর্মকর্তারা বলেন, ব্যালটের মুড়ির সঙ্গে হিসাব মেলালে বাড়তি ব্যালট পেপার ঢুকানো হলে তা ধরা পড়ে। এ ধরনের কাজ যাতে না হয়, সেই প্রস্তুতি রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন সিইসি।

    সভায় নির্বাচন একদিনে ভোট হওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেট সংকটের বিষয়টি সামনে আসলে সিইসি বলেন, প্রশাসনের বাইরে নির্বাচন কমিশনসহ অন্য যেসব বিভাগ রয়েছে তাদের কর্মকর্তাদের ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সীমিত আকারে দেওয়া যায় কী না- তা দেখা দরকার। নির্বাচনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারি প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগে সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা তার নিজ দক্ষতা ও সাহসিকতায় ভোট তুলতে পারবেন- এমন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিতে হবে। সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিশ্চিতে জোর দেন সিইসি।

    সভায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা আধুনিকায়নের নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে নির্ধারণে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহায়তা নেওয়া। এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ওসি জানেন কোথায় ভোটকেন্দ্র হলে ভোটারদের নিরাপত্তা দেওয়া সহজ হবে। আর শিক্ষা কর্মকর্তা জানেন, কোন প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ভালো রয়েছে।

    সমন্বয় সভায় মাঠ কার্যালয় নিয়েও আলোচনা হয়, দেশের ৩টি জেলা ও ৪৫টি উপজেলায় পৃথক নির্বাচন অফিসের ভবন নেই। সেখানে সরকারি ভবনে নির্বাচন অফিস রয়েছে। এসব ভবন নির্মাণে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার জন্য সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ইসির শূন্য পদের বিষয়ে পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের মঞ্জুরিকৃত পদের সংখ্যা ৪ হাজার ৮৬১টি। এর মধ্যে কর্মরত আছেন ২ হাজার ২৫৭জন। বাকি ২ হাজার ৬০৪ পদ খালি আছে। এর মধ্যে প্রথম শ্রেণির শূন্য পদের সংখ্যা ১৬৬টি।

  • দেশের গণমাধ্যম স্বাধীন আছে কিন্তু অপসাংবাদিকতা কেউ সমর্থন করে না: তথ্যমন্ত্রী

    দেশের গণমাধ্যম স্বাধীন আছে কিন্তু অপসাংবাদিকতা কেউ সমর্থন করে না: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের গণমাধ্যম স্বাধীন আছে কিন্তু অপসাংবাদিকতা কেউ সমর্থন করে না।

    সাংবাদিকদের স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন করবে না বলার পর কিছু বড় পত্রিকায় ব্যানার হেডিং দিয়েছিল ‘পদ্মা সেতু আর হচ্ছে না’। কিন্তু বাংলাদেশে পদ্মা সেতু হয়েছে নিজেদের টাকায়। সে জন্য দেশের এ সব বিষয়ে সাংবাদিক বন্ধুদের সতর্ক থাকতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, মানুষকে সঠিক তথ্য পেতে এবং সঠিক চিন্তা করার ক্ষেত্রে সহায়তা করে এবং একইসাথে মানুষকে বিশ্বপরিস্থিতিও জানাতে সহায়তা করে।’

    হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে এবং তা অব্যাহত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর। স্বাধীনতার নামে যদি আমরা কেউ অপসাংবাদিকতা করি তাহলে দেশের আপামর জনগণ এবং সাংবাদিক সমাজ নিশ্চয় সেটিকে সমর্থন করে না। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে, সাংবাদিকতার নামে রাজনীতি করা- সেটি যে সমীচীন নয় সে বিষয়েও নিশ্চয়ই আপনারা আমার সাথে একমত হবেন।’

    এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সফর আলী উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস

     

  • প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরদাবি ঢাবি শিক্ষক সমিতির

    প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরদাবি ঢাবি শিক্ষক সমিতির

    স্বাধীনতা দিবসে প্রথম আলোয় প্রকাশিত আলোচিত খবরটির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষক সমিতি। সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, সংবাদ প্রকাশের নামে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা চালানো হয়েছে। ‘প্রথম আলো’ সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

    শুক্রবার বিকেলে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নিজামুল হক ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা সাক্ষরিত ‘একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের নামে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নিন্দা ও প্রতিবাদ’ শিরোনামের এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

    তবে তারা বিবৃতিতে প্রথম আলোর নাম উল্লেখ করেননি।

    বিবৃতিতে বলা হয়, করোনা এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সংকট মোকাবেলা করে যে মুহূর্তে বাংলাদেশের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর সংবাদ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে, সেই মুহূর্তে দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে সরকারের বিরোধিতার নামে রাষ্ট্রকে অকার্যকর করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ধরনের সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি এবং সেই সঙ্গে উক্ত সংবাদপত্রসহ সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

    বিবৃতিতে প্রথম আলোর প্রতিবেদনটিকে সংবাদপত্রের নীতিমালা পরিপন্থী উল্লেখ করা বলা হয়, প্রতিবেদনটিতে মূলত একজন শিশুর ছবির নিচে ক্যাপশনের পরিবর্তে একজন দিনমজুরের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। যে বক্তব্যে দেশের স্বাধীনতাকে ব্যঙ্গ করা হয়েছে। এ ছাড়া, ক্যাপশনে একজন দিনমজুরের বক্তব্য হিসেবে উক্ত মন্তব্য প্রকাশ করা হলেও ছবিতে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে দেখা যাচ্ছে না। অন্য একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ওই শিশুকে তার দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে উৎকোচের বিনিময়ে প্রলুব্ধ করে ছবিটি তোলা হয়েছে।

    এতে আরো বলা হয়, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে একাধিক পক্ষ থাকলে সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের বক্তব্য না নেওয়া, অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া এবং অভিভাবকের অনুপস্থিতিতে অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির ছবি তোলা কিংবা তার বক্তব্য ধারণ করা সংবাদপত্রের নীতিমালা পরিপন্থী। একজনের ছবির সঙ্গে আরেকজনের উদ্ধৃতি প্রকাশ, ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর ছবি ও বক্তব্য প্রকাশ পাঠকের সাথে প্রতারণার শামিল। অথচ আলোচিত সংবাদটি প্রকাশের ক্ষেত্রে এ সকল রীতি-নীতি ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয় ।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করায় নির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমসহ কোনো কোনো মহল প্রচার করছে যে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সংবাদ প্রকাশ করায় সরকার গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। যদিও বাস্তবতা হলো, প্রকৃতপক্ষে অসৎ উদ্দেশে উৎকোচ প্রদানের মাধ্যমে একজন শিশুকে সংবাদের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

    বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনা মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনকালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে বাসন্তী নামের একজনকে জাল পরিয়ে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের ঘটনাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। উক্ত বাসন্তীকাণ্ড যে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে সাজানো হয়েছিল তা পরবর্তীকালে প্রমাণিত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, উক্ত সংবাদপত্র ইতোপূর্বে ২০০৭ সালে সামরিক স্বৈরাচারের পক্ষ নিয়ে দেশকে রাজনীতিশূন্য করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল।প্রথম আলোর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোরদাবি ঢাবি শিক্ষক সমিতির

  • বাসন্তীর জালের মতো শিশুর নামে অসত্য লিখে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা কি অপরাধ নয় : তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

    বাসন্তীর জালের মতো শিশুর নামে অসত্য লিখে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা কি অপরাধ নয় : তথ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

    ‘বাসন্তীকে জাল পরিয়ে বানোয়াট সংবাদ পরিবেশনের মতো একটি শিশুকে ১০ টাকা দিয়ে তার নাম ব্যবহার করে অসত্য লিখে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা কি অপরাধ নয়’ প্রশ্ন রেখেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের

    বহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) প্রকাশিত ‘সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনে বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি। স্বাধীনতা দিবসে দৈনিক প্রথম আলোর অনলাইন ও ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্ট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ প্রশ্ন রাখেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক আহমেদ, পিআইবি’র মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, গ্রন্থকার ও গবেষক পপি দেবী থাপা প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    সাংবাদিকরা এ সময় ‘২০১৩ সালে রানা প্নাজা ধসে হাজার হাজার মানুষ যে দিন নিহত হয়, সে দিন সন্ধ্যায় প্রথম আলো-মেরিল পুরস্কারে নাচ-গান করা, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে প্রথম আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ছাত্রকে নিকটবর্তী উন্নত হাসপাতালে ভর্তি না করে দূরের এক হাসপাতালে ভর্তি করা ও তার মৃত্যু ঘটা এবং এখন স্বাধীনতা দিবসে শিশুর নাম দিয়ে মিথ্যা লিখে স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা -এ সবের কি বিচার’ এ প্রশ্ন করে। জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন- স্বাধীনতা দিবসে স্বাধীনতাকে এভাবে কটাক্ষ করে যে সংবাদ প্রচার করা এবং একটা শিশুকে ১০ টাকা হাতে ধরিয়ে দিয়ে যেটি বলানোর চেষ্টা করা সে না বললেও সেটিকে ছাপানো -এটি কি সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার পরিপন্থি নয়? সে জন্যই এটার প্রচন্ড সমালোচনা হয়েছে, এটি ঠিক নয় বিধায় আপলোড হওয়ার পরে সেটি তারা সরিয়েও ফেলেছিলো। কিন্তু সেটির ‘স্ক্রিনশট’ তো বিভিন্ন জায়গায় ছিলো, অনেকে শেয়ার করেছে, সেগুলো রয়েও গেছে। সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়িয়েছে, ঘুরছে। এতদপ্রেক্ষিতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা মামলা করেছে, মামলার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। পুলিশের তদন্তে সব বেরিয়ে আসবে এবং আইনের গতিতে আইন চলবে।’

    সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার আগে বাসন্তীর গায়ে জাল পরিয়ে ছবি তুলে সেটি প্রকাশ করা হয়েছিল। তখন জালের দাম কিন্তু কাপড়ের দামের চেয়ে বেশি ছিলো, এখনো জালের অনেক দাম। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে বাসন্তীর গায়ে জাল পরিয়ে ছবি তুলে প্রকাশ করা হয়েছিল। অনেকে বলছে, ২৬ মার্চে প্রথম আলোর এ ঘটনাটি বাসন্তীকে জাল পরানোর মতোই। রাষ্ট্র, সমাজ, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে এ ধরণের অসত্য  পরিবেশন সর্বমহলের মতে একটি অপরাধ, ডিজিটাল অপরাধ।’

    অপরাধ আর সাংবাদিকতা এক জিনিস নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী হাছান বলেন, ‘কোনো সাংবাদিক যদি অপরাধ করে তার কি শাস্তি হবে না? কেউ যদি অপসাংবাদিকতা করে, স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করে এবং একটি ছেলের হাতে ১০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে তার নামে অসত্য লেখে, চাইল্ড এক্সপ্লয়টেশন করে, সেটার কি বিচার হবে না? আমরা কি কেউ বিচারের উর্ধ্বে, আইনের উর্ধ্বে? তা তো নয়।’

    এ বিষয় বিএনপি’র বিবৃতি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এটি কোনো কিছু পেলেই বিএনপি’র বিবৃতি দেওয়ার অপচেষ্টা ছাড়া সেটি অন্য কিছু নয়। বাংলাদেশে মতপ্রকাশের যে স্বাধীনতা সেটি অনেক উন্নয়নশীল দেশে নাই। আপনারা যদি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কথা বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হচ্ছে সমগ্র দেশের সব মানুষের ডিজিটাল নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য, সাংবাদিকদেরও ডিজিটাল নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করে অনেক সাংবাদিকও মামলা করেছে। ক’দিন আগে একজন নারী সাংবাদিক বিদেশ থেকে চরিত্র হননের দায়ে আরেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।’

    বিশ্বের দেশে দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের উদাহরণ দিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘এ ধরনের আইন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হয়েছে। যুক্তরাজ্যে সাইবার সিকিউরিটি ল’জ এন্ড রেগুলেশন ২০২২, যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার ল’ এন্ড পানিশমেন্ট এবং এ ধরণের আইন বিশ্বের বহু দেশে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরণের অপরাধের শাস্তি হচ্ছে ২০ বছর কারাদন্ড। এবং ডিজিটাল মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর কারণে যদি কারো মৃত্যু হয় তবে সেই ডিজিটাল অপরাধের শাস্তি হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদন্ড। আমাদের দেশের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য অনেক দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনেক বেশি কঠিন।’

    সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ ঘটনায় অবশ্যই মিথ্যা বলে রাষ্ট্রের ভিত্তিমূলে আঘাত হানা হয়েছে, স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধ যেটি আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক, সেখানে একটা ছেলেকে ১০ টাকা দিয়ে ফুসলিয়ে তাকে দিয়ে কথা বলানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং সে যেটি বলেনি সেটা প্রচার করা হয়েছে। এটি ঠিক হয়নি বলেই তারা সরিয়েছে। সুতরাং অবশ্যই এখানে রাষ্ট্রের ওপর আঘাত হানা হয়েছে।’

    এর আগে ‘সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপনে বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনকালে বঙ্গবন্ধুর কর্ম, বঙ্গবন্ধুর আন্দোলনকে সমর্থন করে ১৯৭১ সালের জানুয়ারি থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের সংকলন প্রকাশ করার জন্য পিআইবিকে ধন্যবাদ জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, আশা করি এই সংকলনের মাধ্যমে সবাই বঙ্গবন্ধুর অজানা আরো অনেক তথ্য জানতে পারবে। এই সংকলন প্রকাশিত না হলে এই কথাগুলো হারিয়ে যেতো। স্বাধীনতার পূর্বেও বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা, স্বাধিকার আদায়ের আন্দোলনকে সমর্থন করে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধুর ছবিসহ বিজ্ঞাপনের সংকলন একটি অসাধারণ প্রকাশনা।’

  • এ আই প্রতিযোগিতায় গুগল বার্ড

    এ আই প্রতিযোগিতায় গুগল বার্ড

    চ্যাটজিপিটিকে চ্যালেঞ্জ করে সম্প্রতি জনসাধারণের জন্য পরীক্ষামূলক গুগল বার্ড এআই চ্যাটবট লঞ্চ করা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে আরও উন্নত করার কথাও রয়েছে গুগলের নতুন এই বার্ডের। রয়টার্সের মাধ্যমে জানা যায়, কোম্পানির প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই জানিয়েছেন, গুগল তার সার্চ ইঞ্জিনেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করছে। বার্ডকে আরও উন্নত করা হচ্ছে। এতে থাকা সুবিধাগুলো চ্যাটজিপিটির জনপ্রিয়তাকেও ছাড়িয়ে যাবে। পিচাই আরও বলেন, নতুন এ সেবাটি নেটদুনিয়া থেকে নিত্যনতুন সব তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। যেখানে চ্যাটজিপিটির জ্ঞান ২০২১ সাল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। তাই চ্যাটজিপিটি থেকে গুগল বার্ডই এগিয়ে থাকবে বলে মনে করছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।

    আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স বিভাগে এরই মধ্যে একটি মডেল বানিয়েছে গুগল। নাম ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ফর ডায়ালগ অ্যাপ্লিকেশন (LaMDA)। এই মডেলের অধীন লঞ্চ করা হয়েছে গুগল বার্ড চ্যাটবট। পরীক্ষামূলক এ অ্যাপের ব্যবহার আপাতত ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হলেও যেকোনো দেশের মানুষই এ অ্যাপটি ব্যবহার করতে গুগল বার্ডের ‘ওয়েটলিস্টে’ জয়েন করতে পারেন। এর জন্য ব্রাউজারে গিয়ে সার্চ করুন গুগল বার্ড অথবা bard.google.com ওয়েবসাইটটি।