
দীর্ঘ সাড়ে ৯ মাস পর দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্নের পদ্মা সেতু দিয়ে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৫টা ৫৫ মিনিটে পারাপার শুরু হয়। সেতুর বাম পাশে সার্ভিস লেন দিয়ে চলাচল করছেন মোটরসাইকেলচালকরা। আজ সকাল ৬টা থেকে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হয়। পদ্মা সেতু উত্তর থানা মোড় থেকে সারিবদ্ধভাবে টোলপ্লাজায় পৌঁছে নির্ধারিত টোল দিয়ে সেতুতে উঠছেন মোটরসাইকেল আরোহীরা। ডেডিকেটেড লেনসহ মাওয়া টোলপ্লাজার ২টি বুথ দিয়ে আদায় করা হচ্ছে টোল।
আজ সকালে সরেজমিন দেখা যায়, পদ্মা উত্তর থানা থেকে মাওয়া টোল প্লাজা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চালকদের উপচেপড়া ভিড়। মাওয়া টোল প্লাজা থেকে অভিমুখের সড়কজুড়ে রয়েছে হাজারো মোটরসাইকেল। গভীর রাত থেকে সেতুতে পারাপারের জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে টোলপ্লাজার অভিমুখের সড়কে অবস্থান নেয় তারা।
জানা গেছে, পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার আগে সেতু উত্তর থানার পূর্ব পাশ দিয়ে কয়েকশ মোটরসাইকেল আরোহী লাইনে অপেক্ষা করছেন। পদ্মা সেতু দিয়ে পারাপার হতে অনেকে বুধবার রাত ১১টা থেকে অপেক্ষা করছিলেন বলে জানিয়েছেন কয়েক মোটরসাইকেলচালক। আবার অনেকে সেহরি খেয়ে রওনা দেন।
এদিকে প্রতি মিনিটে ৪টি মোটরসাইকেল পারাপারের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও গড়ে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেল টোল প্লাজা পার হতে পারছে।সর্বশেষ আড়াই ঘণ্টায় প্রায় তিন হাজার মোটরসাইকেল আরোহী মাওয়া টোল প্লাজা অতিক্রম করে।
তবে ছয়টি শর্ত মেনে মোটরসাইকেলচালকরা পদ্মা সেতু পার হচ্ছেন। সেতু কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে সবাইকে ১০০ টাকার নোট হাতে রাখতে বলছেন।
দীর্ঘদিন পর সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচল শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বাসিত তারা। এসময় একে অন্যকে নিয়ম মানার বিষয়ে উৎসাহ দেওয়ার চিত্র দেখা যায়। এছাড়াও পদ্মা বহুমুখী সেতুর কর্মীরা সেতুতে মোটরসাইকেল চলাচলে ছয়টি শর্ত সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করছেন বাইকারদের কাছে। এদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় টোলপ্লাজায় পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। এখন পর্যন্ত কোনো বিশৃঙ্খলার চিত্র দেখা যায়নি।
