Author: Hello Bangla News

  • বিএনপি রাষ্ট্রের পর রাষ্ট্রপতি নিয়েও হতাশ: তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপি রাষ্ট্রের পর রাষ্ট্রপতি নিয়েও হতাশ: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, বিএনপি রাষ্ট্র নিয়ে হতাশ, তাই তারা এর পর রাষ্ট্রপতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করবে- এটাই স্বাভাবিক। তাদের আশা প্রকাশের কোনো কারণ নেই।

    রাষ্ট্র নিয়ে বিএনপি হতাশ বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

    তিনি বলেন, ‘বিএনপি বাংলাদেশ রাষ্ট্র নিয়ে হতাশ বলেই নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়েও হতাশা ব্যক্ত করেছে।’

    সচিবালয়ে মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, আমি মনে করি, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি একজন বিচক্ষণ, প্রাজ্ঞ ও বুদ্ধিমান মানুষ। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে, তিনি রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে অতীতের মতোই সুচতুর ও সুচিন্তিতভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। মির্জা ফখরল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগে অনেক ভালো নেতা ছিল। তাদের রেখে একজন অচেনা মানুষকে রাষ্ট্রপতি করা হয়েছে- এ বক্তব্যকে উসকানিমূলক মনে করছেন কি না জানতে চাইলে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগ কাকে মনোনয়ন দেবে, সেটি কি বিএনপি ঠিক করে দেবে।

    হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ওনারা যখন ইয়াজউদ্দিন সাহেবকে রাষ্ট্রপতি বানায়, তখন তাকে কয়জন চিনত। আব্দুর রহমান বিশ্বাস ১৯৭১ সালে শান্তি কমিটির সভাপতি ছিলেন, তাকে কয়জন চিনত। জিয়াউর রহমান যখন ক্ষমতা দখল করেন, জিয়াকে কয়জন চিনত। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশে গণহত্যার স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব জেনোসাইড স্কলারস (আইএজিএস)। এ বিষয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, আমি মনে করি, আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইএজিএস যে ঘোষণা দিয়েছে, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধে যে গণহত্যা হয়েছে, আন্তর্জাতিকভাবে সেটির স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে এটি সহায়ক হবে।

    তিনি জানান, আমাদের দেশে ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ শহিদ হয়েছেন। রুয়ান্ডাসহ বিভিন্ন দেশে গণহত্যা হিসেবে যেসব স্বীকৃতি পেয়েছে, সেখানে এত মানুষ মারা যায়নি। কিন্তু সেগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

    সম্প্রতি ইউরোপ সফরে কয়েকটি চুক্তি হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদেরকে তারা ১৫৬টি ডকুমেন্ট হস্তান্তর করবে। সেগুলো আমরা কিনে নিচ্ছি। সংগ্রহের পর এগুলো যখন কম্পাইল করা হবে, তখন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কারও সুযোগ আর থাকবে না।

  • সুদান থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনা হবে

    সুদান থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনা হবে

    সুদানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে অন্য দেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আজ মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম জানান, সুদানে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে অন্য দেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। খারতুমে বাংলাদেশ দূতাবাস ইতিমধ্যে এই বার্তা সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রচার শুরু করেছে।

    তিনি বলেন, ‘আইনশৃংখলা পরিস্থিতির ওপরে নির্ভর করবে, কিভাবে কোন পদ্ধতিতে তারা যাত্রা করবেন। সবাইকে দূতাবাসের নির্দেশনা মেনে রেজিস্ট্রেশন এবং প্রয়োজনীয় কাজ করার অনুরোধ করছি।’

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সাংবাদিকদের অনুরোধ করছি দূতাবাসে যোগাযোগ না করার জন্য। কারণ সবাই ব্যস্ত এবং রুটগুলো নিরাপত্তার খাতিরে না জানানোই ভালো। আমরা সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’

  • বঙ্গভবনের বাসিন্দা হলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

    বঙ্গভবনের বাসিন্দা হলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

    বঙ্গভবনের বাসিন্দা হলেন সদ্য শপথ নেয়া রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি আজ এখানে অফিস করেছেন এবং কয়েকটি ফাইলেও স্বাক্ষর করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা সাহাবুদ্দিন বাংলাদেশের ইতিহাসে ২২তম রাষ্ট্রপতি। সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি।

    আজ সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে শপথ গ্রহণের পরে রাষ্ট্রপতি তাঁর গুলশানের বাসভবনে যান। এদিকে বেলা পৌনে দুটোয় বিদায় সংবর্ধনার পরে আবদুল হামিদও তাঁর নিকুঞ্জ বাসভবনে চলে যান।

    পরে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা এবং পুত্র আরশাদ আদনান রনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে গুলশানের বাসা থেকে মটরগাড়ি শোভাযাত্রা সহকারে আজ রাত ৮টা ৫০ মিনিটে বঙ্গভবনে আসেন।

    রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গভবনে পৌঁছুলে পুলিশের সুসজ্জিত একটি অশ্বারোহী দল বঙ্গভবনের বাইরের মেইন গেটে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়ে মূল ফটকে নিয়ে আসেন। মূল ফটকে পৌঁছলে বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়–য়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম, প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খানসহ উচ্চতম সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

    রাষ্ট্রপতিকে আগামীকাল সকাল সাড়ে দশটায় পিজিআর কর্তৃক  গার্ড অনার প্রদান করা হবে।
    সকাল ১১টা ৩৮ মিনিটে রাষ্ট্রপতি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তপক অর্পণ করবেন। তিনি সেখানে একটি পরিদর্শক বইয়েও স্বাক্ষর করবেন।

    এরপরে রাষ্ট্রপতি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ থেকে মোটরশোভাযাত্রা সহযোগে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন এবং ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে এবং দুপুরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

    সূত্র : বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী কাল ত্রিদেশীয় সফরে যাচ্ছেন, ৮টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে

    প্রধানমন্ত্রী কাল ত্রিদেশীয় সফরে যাচ্ছেন, ৮টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল ১৫ দিনের সরকারি সফরে জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে যাচ্ছেন। জাপন সফরকালে টোকিওর সাথে আটটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করছে ঢাকা।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংকালে বলেন, ‘দুই প্রধানমন্ত্রীর (বাংলাদেশ ও জাপান) উপস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে আটটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, জাপান সফরকালে কৃষি, মেট্রোরেল, শিল্প উন্নয়ন, জাহাজ রিসাইক্লিং, শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়, মেধা স্বত্ব, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, আইসিটি ও সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই সফর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কৌশলগত অংশীদারিত্বে’ উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি করবে।

    ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও বক্তব্য রাখেন। জাপান সফর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন এবং একই দিন বিকেল ৫টায় (স্থানীয় সময়) টোকিও পৌঁছাবেন।

    মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৬ এপ্রিল জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। একই দিনে তিনি চুক্তি স্বাক্ষরের পর তার জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে নৈশভোজের মাধ্যমে বৈঠকটি শেষ হবে। ২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টোকিওতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) এবং জেট্রোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ বিজনেস সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন।

    একই দিনে প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য চার জাপানি নাগরিককে ‘ফ্রেন্ড অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ তুলে দেবেন।

    সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ও কমিউনিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। টোকিও সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োশিমাসা হায়াশির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এছাড়াও তিনি জাইকা, জেইটিআরও, জেইইআইসি, জেবিপিএফএল, জেবিসিসিইসি-এর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকসহ আরও কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দেবেন।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাপানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের সহধর্মিণী আকি আবে ও একজন জাপানি স্থপতি তাদাও আন্দোর সঙ্গেও দেখা করবেন।

    এছাড়া, জাপানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল এনএইচকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করবে।

    জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা তাঁর সঙ্গে থাকবেন।

    এটি হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ষষ্ঠ জাপান সফর। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৭, ২০১০, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০১৯ সালে জাপান সফর করেন।

    যুক্তরাষ্ট্র সফর ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছে আগামী ১ মে প্রধানমন্ত্রী বৈশ্বিক এই ব্যাংকের সদর দফতরে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ৫০ বছরের অংশীদারিত্ব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

    বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক সেমিনারে এক অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা “বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের ৫০ বছরের অংশীদারিত্বের প্রতিফলন” শীর্ষক একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করবেন। ওই অনুষ্ঠানে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টও বক্তৃতা করবেন।

    একই দিন শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে এক একান্ত বৈঠকে যোগ দেবেন। সেমিনারে বাংলাদেশের উন্নয়নের জয় যাত্রা ও বিগত পাঁচ দশকে দেশে বিশ্বব্যাংকের কার্যক্রম তুলে ধরা হবে।

    এছাড়া, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও শিল্পকর্ম তুলে ধরতে “বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংকের ৫০ বছরের অংশীদারিত্ব” শীর্ষক মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শণীর আয়োজন করা হবে।

    এর আগে ২৯ এপ্রিল বিকেলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।

    আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ‘ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’-এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা একান্ত বৈঠকে যোগ দেবেন। পরে ইউএস চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সুজান পি ক্লার্ক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

    একই দিনে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট নিশা বিসওয়ালের আমন্ত্রণে মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সাথে একটি ‘উচ্চ পর্যায়ের নির্বাহী’ রাউন্ড টেবিলে মূল বক্তা হিসেবে যোগ দেবেন।

    এছাড়া বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গের সঙ্গেও বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। যুক্তরাজ্য সফর ৪ মে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য কমনওয়েলথ দেশের রাজা ও রাণী হিসাবে তৃতীয় চার্লস এবং তার ক্যামিলার রাজ্যাভিষেকে যোগদানের জন্য লন্ডনের উদ্দেশ্যে ওয়াশিংটন ত্যাগ করবেন। প্রায় ১৩০ জন রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান ব্রিটিশ রাজার আসন্ন রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন- যা ৭০ বছর পর হতে চলেছে।

    সফরকালে কমনওয়েলথ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করবেন এবং বেশ কয়েকজন ব্রিটিশ মন্ত্রীও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজনে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। আগামী ৮ মে প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার উদ্দেশে লন্ডন ত্যাগ করার কথা রয়েছে।

    সূত্র : বাসস

  • বরগুনায় ২৮০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি হয়েছে

    বরগুনায় ২৮০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি হয়েছে

    চলতি মৌসুমে জেলায় উৎপাদিত তরমুজ ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বিক্রি হয়েছে। বরগুনা জেলা কৃষি অফিস জানায়, জেলায় এ বছর তরমুজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১১ হাজার ৫১২ হেক্টর। জেলার ৬ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে তরমুজ চাষ হয়েছে ১৫ হাজার ৮৩৮ হেক্টর জমিতে।

    গত বছরের থেকে চলতি বছর জেলায় ৪ হাজার ৩২৬ হেক্টর বেশি জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে।
    জেলায় এ বছর মোট তরমুজ উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৯২ হাজার ৩২৫ টন। গত সপ্তাহ পর্যন্ত যা বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকায়।

    তরমুজ চাষিরা জানান, বৃষ্টির কারণে তেমন ক্ষতির মুখে পড়েননি। তারা পূর্বেও অভিজ্ঞতা দিয়ে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন কওে তরমুজ ক্ষেত স্বাভাবিক রেখেছেন। এ বছর রৌদ্রের তাপ বেশি থাকায় তরমুজের দাম বেশি ছিল। তাই চাষিরা তরমুজের দাম ভালো পেয়েছেন।

    কৃষিবিদ সিএম রেজাউল করিম জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে তরমুজ চাষির ক্ষতি কাটাতে আমরা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিয়েছি। সে কারণে তরমুজ চাষিদের তেমন ক্ষতি হয়নি। পাশাপাশি রোজা ও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকায় চাষিরা ভালো দাম পেয়েছেন।

    বরগুনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু সৈয়দ মোহাম্মদ জোবাইদুল আলম জানান, জেলায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রা থেকে বেশি তরমুজ চাষ হয়েছে। তিনি জানান- জেলায় উৎপাদিত তরমুজের ৯৫ শতাংশ থেকেই ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকার তরমুজ বিক্রি হয়েছে। বরগুনার তরমুজ সুস্বাদু হওয়ার কারণে চাহিদা বেশি থাকে। তাই চাষিরা বেশি দামে বিক্রি করতে পেরেছে।

    সূত্র : বাসস

  • আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে: তথ্যমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে: তথ্যমন্ত্রী

    আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।’ সেক্ষেত্রে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন বিচক্ষণতার পরিচয় দেবেন বলেও মনে করেন ড. হাছান মাহমুদ।

    এ বছর দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ এবং স্বস্তিদায়ক ঈদ উদযাপন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    সোমবার (২৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী মতবিনিময়কালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    এসময় মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিদায় প্রসঙ্গে বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসের এই প্রথম একজন মহামান্য রাষ্ট্রপতি ১০ বছর সসম্মানে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশে গণতন্ত্র অব্যাহত ছিল বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু গেলো কয়েক বছরে অনেকবার দেশের গণতন্ত্রকে নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে। সেটা সম্ভব হয়নি শেখ হাসিনার কঠোর গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য।’

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অধীনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সেই নির্বাচনে সরকারের ভূমিকা খুবই গৌণ। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।’ সেক্ষেত্রে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন বিচক্ষণতার পরিচয় দেবেন বলেও মনে করেন ড. হাছান মাহমুদ।

    এসময় বিএনপির সমালোচনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যে রাজনৈতিক দল দেশের বিষয় নিয়ে বিদেশিদের কাছে ধরনা দেয়, সেটা দেশবিরোধী অপরাধ। তাই বিএনপি যখন বলে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সমস্যা বিদেশিরা সমাধান করবেন, সেটা তারা রাষ্ট্রবিরোধী কথা বলছেন। নিজেদের দেশের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করার জন্য যথেষ্ট আন্তরিক সরকার। বিএনপিরও এই আন্তরিকতা থাকতে হবে।’

    ‘যে দেশে দ্রব্যমূল্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মানুষ পদদলিত হয়ে মারা যায়, সেই পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে কথা বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম প্রমাণ করেছেন তিনি নিজেই পাকিস্তানি’, মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

  • মোবাইল থেকে পিসি বা ল্যাপটপে ফাইল শেয়ারিং খুব সহজে

    মোবাইল থেকে পিসি বা ল্যাপটপে ফাইল শেয়ারিং খুব সহজে

    মোবাইল থেকে পিসি / ল্যাপটপে ফাইল শেয়ারিং এর জন্য এখন আর ক্যাবলের প্রয়োজন নেই। ওয়ারলেস ট্রান্সফার করা এখন খুবই সহজ। গুগল অফিসিয়ালি “নেয়ায়বাই শেয়ার” অ্যাপ মার্কেটে এনেছে। বিশেষ করে উইন্ডোজ পিসি এবং ল্যাপটপের জন্য। এই ওয়েবসাইটে চলে আসুন https://android.com/better-together/nearby-share-app/ আর “নেয়ারবাই শেয়ার” ফাইলটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। এখন যেসব ফাইল শেয়ার করা দরকার সেগুলো সিলেক্ট করে নিন। এরপর নেয়ারবাই অপশন সিলেক্ট করে নিন। এখন আপনার পিসি বা ল্যাপটপ সিলেক্ট করে নিন। ফাইল শেয়ারিং এর জন্য এক্সেপ্ট করা মাত্রই ট্রান্সফার শুরু হয়ে যাবে। ঠিক একইভাবে পিসি থেকেও মোবাইলেও ফাইল শেয়ারিং করা যাবে।

  • বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসায় মার্কিন কংগ্রেস

    বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসায় মার্কিন কংগ্রেস

    মহান স্বাধীনতার ৫২ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২৯ মার্চ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির প্রশংসা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বের অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে রেজ্যুলেশন উত্থাপনকারি কংগ্রেসম্যান (রিপাবলিকান-সাউথ ক্যারলিনা) জো উইলসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ১৫৩ বিশিষ্ট নাগরিক। রোববার এক যৌথ বিবৃতিতে তাঁরা এ অভিনন্দন জানান।

    বিবৃতিতে উত্থাপিত রেজ্যুলেশন পাশের জন্যে নিজ নিজ এলাকার কংগ্রেসম্যানের সঙ্গে দেন-দরবারে দেশ প্রেমিক প্রত্যেক প্রবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, রেজ্যুলেশন উত্থাপনকারি কংগ্রেসম্যান উইলসন কংগ্রেসে পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির প্রভাবশালী সদস্য এবং কংগ্রেসনাল বাংলাদেশ ককাসেরও কো-চেয়ার।

    বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিজ্ঞানী, গবেষক, অধ্যাপক, প্রকৌশলী, কবি, সাহিত্যিক, কলামিস্ট, সিটি মেয়র, স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ, সিটি কাউন্সিলম্যান এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব।

    বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীরা নানাভাবে সহায়তা করছি এবং আমরা আশা করছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বর্তমানের উন্নয়ন-অভিযাত্রা অব্যাহত থাকবে।’

    বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন, নিউহ্যামশায়ার স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ (রিপাবলিকান) আবুল খান, মিলবোর্ন সিটি মেয়র (ডেমক্র্যাট) মাহাবুবুল আলম তৈয়ব, নিউজার্সির প্লেইন্সবরো সিটির কাউন্সিলম্যান এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত সাহিত্যিক-বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবী, মিলবোর্ন সিটির কাউন্সিলম্যান নুরুল হাসান, হ্যামট্রমিক সিটির কাউন্সিলম্যান আবু আহমেদ মুসা, পেনসিলভেনিয়ার ড্রেক্সেল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, কলামিস্ট ও লেখক হাসান ফেরদৌস, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পানি বিজ্ঞানী ড. সুফিয়ান এ খন্দকার, বিজ্ঞানী ও লেখক ড. আশরাফ আহমেদ, বীর প্রতিক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) মঞ্জুর আহমেদ, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মনসুর, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের মিয়া, সিনিয়র সাংবাদিক ও সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম-মুক্তিযুদ্ধ’৭১ এর যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা, একুশে পদকপ্রাপ্ত শিল্পী রথীন্দ্রনাথ রায় এবং কণ্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান, মূলধারার রাজনীতিতে প্রবাসীদের পথিকৃত মোর্শেদ আলম, আমেরিকা-বাংলাদেশ এলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা-চেয়ার এম এ সালাম, বস্টন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আবু হাসনাত, ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউটের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ইকবাল ইউসুফ, ফ্লোরিডাস্থ বাই-ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির এক্সিকিটিভ ভাইস চেয়ার আতিকুর রহমান, ফ্লোরিডাস্থ পামবীচের বাংলাদেশি-আমেরিকান ডেমক্র্যাটিক ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হাসান জাহাঙ্গির, ফ্লোরিডা ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডাইভার্সিটি এ্যান্ড ইনক্লুসন কমিটির ভাইস চেয়ার জুনায়েদ আকতার, নিউইয়র্ক সিটি ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. মহসিন পাটোয়ারি, ফেডারেল গভর্নমেন্টের বিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ওয়াশিংটন ডিসিতে ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আদনান মোর্শেদ, হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. হেমায়েত উল্লাহ, ওয়াশিংটন সাব-আরবান স্যানিটারি কমিশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার ড. মাহবুব প্রামাণিক, নিউইয়র্কে রকোফেলার ইউনিভার্সিটির রিসার্চ স্পেশালিস্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ কর, লেখক পূরবী বসু, সাহিত্যিক জ্যোতি প্রকাশ দত্ত, কবি-কলামিস্ট ফকির ইলিয়াস, কবি ফারহানা ইলিয়াস তুলি, কবি সৈয়দ মামুনুর রশীদ, কবি ¯^প্নিল ফিরোজ, কবি আবু সাঈদ রতন, ইউএসবিসিসিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট লিটন আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল বারি, বীর মুক্তিযোদ্ধাআবুল বাশার চুন্নু, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবলু। বিবৃতিতে আরো স্বাক্ষর করেছেন নিউইয়র্কে কম্যুনিটি লিডার আলিম খান আকাশ, ড. বামন দাসবসু, বিজ্ঞানী, বস্টন, শাফেদা বসু, কমিউনিটি লিডার, ইশতিয়াক রুপু, কবি, নিউইয়র্ক, মাহবুবুর রহমান ভ’ইয়া, ব্যবসায়ী নেতা, জর্জিয়া,মিন্টু রহমান,কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, নাদিরা রহমান, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, গোলাম মহিউদ্দিন, মিউজিশিয়ান জর্জিয়া, নজরুল ইসলাম, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, ফারুক আহমেদ, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, মহিন, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, মোহাম্মদ মাওলা,কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, মো. আলী হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, জর্জিয়া, আবুল হাসান, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, আহমাদুর পারভেজ, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, আরেফিন বাবুল, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, ড. মোহাম্মদ নাসিম, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, মাহমুদ আব্বাস, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, রেজা করিম, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, ড. শাহাব সিদ্দিকী, সার্ভিস হোল্ডার এ্যান্ড সোস্যাল, জর্জিয়া, মোহাম্মদ আকবর খান, সাংবাদিক ও সামাজিক নেতা, জর্জিয়া, নজরুল ইসলাম, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, রুমি কবির, লেখক এবং কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, পিন্টু ইউসুফ, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া,নুরুল কবির নাহিদ, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া মোজাম্মেল, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, মশিউর রহমান, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, রাসেল ভ’ইয়া, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, আরেফিন পিয়াল, শিক্ষক এবং কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, মাহরুফুর ভ’ইয়া, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, বোরহানউদ্দিন, কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, রাশেদুল করিম, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, বিন্দু হোসেন, কন্ঠশিল্পী ও কম্যুনিটি লিডার, জর্জিয়া, ড. ফারুক আজম, চিকিৎসক, নিউজার্সি, সাখাওয়াত আলী, কম্যুনিটি লিডার, মোহাম্মদ আলী বাবুল, নিউইয়র্ক, ড. আব্দুল বাতেন, নিউইয়র্ক, মিশুক সেলিম, কবি, নিউইয়র্ক, খালেদ শরফুদ্দিন, কবি, নিউইয়র্ক, সফেদা বসু, কম্যুনিটি লিডার, বস্টন, জাকারিয়া চৌধুরী, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক, তাজুল ইমাম, শিল্পী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, দস্তগীর জাহাঙ্গির, সাংবাদিক, ভার্জিনিয়া, হারুন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভার্জিনিয়া, শিতাংশু গুহ, মানবাধিকার সংগঠক ও সাংবাদিক, নিউইয়র্ক, নবেন্দু দত্ত, কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক, কৌশিক আহমেদ, সাংবাদিক ও সম্পাদক, ড. দীলিপ নাথ, মূলধারার সংগঠক, নিউইয়র্ক , ফাহিম রেজা নূর, লেখক, নিউইয়র্ক, আব্দুর রহিম বাদশা, ব্যবসায়ী নেতা, নিউইয়র্ক, অধ্যাপক ড. দেলওয়ার হোসেন, আলাবাম, ড.মহসিন আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক,নিউইয়র্ক, বেলাল বেগ, সমাজ-চিন্তক এবং লেখক,নিউইয়র্ক, হাসান আল আব্দুল্লাহ, কবি ও শিক্ষক, নিউইয়র্ক, লুৎফুন্নাহার লতা, অভিনেত্রী ও শিক্ষক, নিউইয়র্ক, নিনি ওয়াহেদ, শিক্ষক ও কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক, রাফায়েত চৌধরী, কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক, সিরাজ আহমেদ, কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক, সউদ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নিউইয়র্ক, ড. মনোয়ার হোসেন, বিজ্ঞানী, নিউজার্সি, নাহিদ চৌধরী, ব্যবসায়ী, নিউজার্সি, মীর চৌধুরী, কম্যুনিটি লিডার, নিউজার্সি, গোলাম ফারুক ভ’ইয়া, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি, নিউজার্সি, ড. হাসান মামুন, শিক্ষক, নিউজার্সি, ড. জীনাত নবী, বিজ্ঞানী, নিউজার্সি, বেদারুল ইসলাম বাবলা, ব্যবসায়ী ও কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক, মাহাবুব রেজা রহিম, কম্যুনিটি লিডার, আরিজোনা, রেহান রেজা, ডেমক্র্যাট, ক্যানসাস, জাহেদুল মাহমুদ জামি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ক্যালিফোর্নিয়া, মমিনুল হক বাচ্চু, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া, তৌফিক সুলেমান খান, ব্যবসায়ী,ক্যালিফোর্নিয়া,নজরুল আলম, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া,অধ্যাপক ড. আবু নাসের রাজিব, ক্যালিফোর্নিয়া, মো. রফিকুল ইসলাম, ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তা, ক্যালিফোর্নিয়া, ইঞ্জিনিয়ার তাসনিম সালাম আসলাম, ক্যালিফোর্নিয়া, ড. আনিসুল আসলাম, চিকিৎসক, ক্যালিফোর্নিয়া, মিজানুল কবির, শেরিফ অফিসার, ক্যালিফোর্নিয়া, মোহাম্মদ হোসেন রানা, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া, আহাদ আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার,মিশিগান, আলী আহমেদ ফারিশ, কম্যুনিটি লিডার, মিশিগান, রুæহুল আমিন, ব্যবসায়ী, মিশিগান, আব্দুল মুহিত মুক্তা, ব্যবসায়ী, মিশিগান, মহসিন উদ্দিন টিপু, ব্যবসায়ী, মিশিগান, মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন টিপু, কম্যুনিটি লিডার, মিশিগান, শ্যামল চক্রবর্তী, কম্যুনিটি এাক্টিভিস্ট, নিউইয়র্ক, প্রাণবন্ধু চক্রবর্তী, ইঞ্জিনিয়ার,নিউইয়র্ক, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ফজলুল হক, নিউইয়র্ক, পরিমল কর্মকার, কম্যুনিটি লিডার, নিউইয়র্ক, ঝর্ণা চৌধুরী, সাংস্কৃতিক-সংগঠক, নিউইয়র্ক, সৈয়দ রশীদ আহমেদ কারমানি, বিজনেসম্যান, নিউইয়র্ক, রোকসানা কারমানি, প্রফেশনাল,নিউইয়র্ক, ফারুক আহমেদ, বিজনেসম্যান, নিউইয়র্ক, দিলারা আহমেদ, কম্যুনিটি অ্যাক্টিভিস্ট, নিউইয়র্ক, আহমেদ তৌকিদ চৌধুরী, ছাত্র, নিউইয়র্ক, ইঞ্জিনিয়ার সানিয়েট আহমেদ চৌধুরী, নিউইয়র্ক, তৌজিয়াত চৌধুরী, পিএইচডি স্টুডেন্ট, নিউইয়র্ক, শ্যারেভ আহমেদ, প্রফেশনাল,নিউইয়র্ক, রন্টুলাল দাস, পেশাজীবী, নিউইয়র্ক, আবুল হাসনাত রায়হান, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া, আসাদুজ্জামান বাচ্চু, কম্যুনিটি লিডার, ক্যালিফোর্নিয়া, সন্তোষ বড়–য়া, লেখক ও কবি, ভার্জিনিয়া, নুপুর চৌধুরী, ভার্জিনিয়া, রবিউল করিম বেলাল, পেনসিলভেনিয়া, ড.আহসান চৌধুরী হিরো,টেক্সাস, হাসমত মবিন,টেক্সাস,শাহ হালিম,টেক্সাস, স্বাপ্নিক খান, টেক্সাস, মাসুদ চৌধুরী, ক্যালিফোর্নিয়া,রেদোয়ান চৌধুরী, ডিসি এবং আবুল বাশার ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা,নিউইয়র্ক।

    রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দরিদ্র দেশ থেকে দ্রুতবর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হওয়ার পথে বাংলাদেশের গত পাঁচ দশকের যাত্রা ছিল অভাবনীয়। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে বাংলাদেশিদের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৪৫৭ ডলারে, যা এখন প্রতিবেশী অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ছিল ৯ বিলিয়ন ডলার। গত ৫ দশকে তা বেড়ে ৪৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। গড় আয়ু ৪৭ বছর থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৩ বছর। শিক্ষার হারও ৭৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এসব অর্জনকে অভাবনীয় উল্লেখ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করা হয়েছে।

    আরও বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে খাদ্য উৎপাদন, দুর্যোগ সহনশীলতা, দারিদ্র্য কমিয়ে আনা, স্বাস্থ্য-শিক্ষা খাতের উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন খাতে নজরকাড়া অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশে একটি উদারপন্থী মুসলিম সমাজ বিদ্যমান। উগ্রবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের অর্জন প্রশংসনীয়। দেশটির জনগণ বরাবরই স্বৈরাচারী শাসন না মেনে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের প্রতি সমর্থন বজায় রাখতে চেয়েছে বলেও এই বিলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করে রেজ্যুলেশনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে গণহত্যার মুখে থাকা ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এই সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থমূল্যের মানবিক সহায়তা দিয়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ নেতৃত্বের আসনে রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে বেশি শান্তিরক্ষী মোতায়েন করে মার্কিন জনগণের প্রশংসা পেয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ-দুই দেশই মানুষের সঙ্গে মানুষের এবং সরকারের সঙ্গে সরকার পর্যায়ে উন্নয়নের অভিজ্ঞতা বিনিময় করছে।

    এসব পরিস্থিতি ও ঘটনা বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা ও স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে এই রেজ্যুলেশন উত্থাপন করা হয়েছে। বিলে বর্তমান ও ভবিষ্যতে পারস্পরিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের গঠনমূলক অংশীদার থাকার আন্তরিক দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

     

  • বিএনপি যখন আন্দোলনের কথা বলে তখন জনগণ কিছুটা হলে শঙ্কিতবোধ করে: শিক্ষামন্ত্রী

    বিএনপি যখন আন্দোলনের কথা বলে তখন জনগণ কিছুটা হলে শঙ্কিতবোধ করে: শিক্ষামন্ত্রী

    বিএনপির ঈদ পরবর্তী আন্দোলন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ আন্দোলন করেছে, আন্দোলনের ফসল হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ভাষার অধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পেয়েছি এবং উন্নয়ন পাচ্ছি। আর বিএনপি ও তাদের দোসর জামায়াত, তারা যখন আন্দোলনের কথা বলে তখন জনগণ কিছুটা হলে শঙ্কিতবোধ করে। কারণ তাদের পদ্ধতি হচ্ছে অগ্নিসন্ত্রাস, দেশের সম্পদ ধ্বংস করা, মানুষের জান মালের ওপর হামলা করা। আমরা জানি বাংলাদেশের মানুষ এই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ চায় না। দেশকে অস্থিতিশীল করবার যত অপচেষ্টা তার কোনোটাই মানুষ চায় না।

    রোববার বিকালে চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার কদমতলা মন্ত্রীর নিজস্ব বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিএনপি আন্দোলনের কথা বলে প্রায়শই। কিন্তু তারাতো শিখেছে হত্যা, খুন ও ষড়যন্ত্র। এটাই হচ্ছে তাদের পদ্ধতি। আন্দোলন হচ্ছে গণমানুষের দল, আওয়ামী লীগ বা আমাদের যারা সমমনা দল আছে অথবা যেসব দল মানুষের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জন্ম হয়েছে। সেসব দল জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন করে।

    দীপু মনি বলেন, বিএনপি যতই আন্দোলনের হুমকি দিক না কেন, আন্দোলন কখনো কোনো জনবিচ্ছিন্ন দল আন্দোলন করতে পারে না। আন্দোলন করতে হলে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন লাগে। জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন বঙ্গবন্ধু কন্যার সঙ্গে। কারণ বাংলাদেশের বর্তমান যে অবস্থান, সেখানে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বেই এসেছে। মানুষ বিশ্বাস করে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে এগিয়ে যাবে, সত্যিকারের সোনার বাংলা হবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ হবে।

    মন্ত্রী বলেন, এখন  বৈশ্বিক অর্থনৈতিক যে একটি চাপ রয়েছে, সে চাপের ফলে আমাদের এখানেও হয়ত একেবারে নিম্ন আয়ের মানুষ, তারা কিছুটা চাপের মধ্যে আছে। কিন্তু আমরা বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে খাদ্য উৎপাদন বাড়াচ্ছি। যে কারণে অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় এখনো আমরা একটি স্বস্তিকর জায়গায় আছি। আমাদেরকে সে জায়গা ধরে রাখতে হবে এবং আরও ভালো জায়গায় যেতে হবে। আর সেটা সম্ভব শেখ হাসিনার নেতৃত্বের মাধ্যমে। অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী দলের মাধ্যমে এটি সম্ভব নয়। যারা হাওয়া ভবন খোয়া ভবন করে তাদের দিয়ে কখনো দেশকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়।

    তিনি বলেন, দেশের যিনি নেতা হন, তিনি যদি এতিমের অর্থ আত্মসাৎ করে তাকে দিয়ে দেশের উন্নয়ন হয় না। আর বিদেশে বসে রিমোট কন্ট্রোলে দল চালানো যারা আছেন, কিংবা দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করবার জন্য বিদেশে বসে নির্দেশ দেন, ষড়যন্ত্র করেন, তাদেরকে দিয়ে কোনদিন দেশের উন্নতি হবে না। এটি দেশের মানুষ বুঝে এবং জানে। অতএব জনগণের সমর্থন জননেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আছে, থাকবে ইনশাআল্লাহ। আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থন নিয়ে শেখ হাসিনা আবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন এটাই আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এক্ষেত্রে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

    এ সময় চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. জে আর ওয়াদুদ টিপু, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসুদুর রহমান, পুরাণ বাজার কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বাবুল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. জহির উদ্দিন মিজিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আগামীকাল শপথ নেবেন মোঃ সাহাবুদ্দিন

    বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে আগামীকাল শপথ নেবেন মোঃ সাহাবুদ্দিন

    মোঃ সাহাবুদ্দিন আগামীকাল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন। সকাল ১১টার দিকে বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাঁকে (সাহাবুদ্দিন) রাষ্ট্রপতির পদে শপথ পাঠ করাবেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যসহ কয়েকশ বিশিষ্ট অতিথি এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন। এরপর নতুন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন শপথ নথিতে স্বাক্ষর করবেন।

    রাষ্ট্রপতির সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন বাসসকে জানান, শপথ গ্রহণের পরপরই নতুন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন এবং রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ার বদল করবেন।

    মুক্তিযোদ্ধা ও মাঠপর্যায়ের রাজনীতিবিদ মোঃ সাহাবুদ্দিন ২১তম রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের স্থলাভিষিক্ত হবেন। রাষ্ট্রপতি হামিদ সাবেক রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসাবে ৪১ দিনসহ টানা দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হিসাবে ১০ বছর ৪১ দিন অতিবাহিত করার পরে অবসরে যাচ্ছেন।

    নতুন রাষ্ট্রপতির স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ও ছেলে আরশাদ আদনান রনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।

    প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী, সংসদ সদস্য, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, কূটনীতিক, সম্পাদকসহ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং পদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানটি প্রত্যক্ষ করবেন।

    এর আগে ৭৩ বছর বয়সী এই  রাজনীতিবিদ ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়াারি বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

    মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৪৯ সালের ১০ ডিসেম্বর পাবনা শহরের শিবরামপুরের জুবিলী ট্যাংক পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাক নাম চুপ্পু। পিতা শরফুদ্দিন আনছারী, মাতা খায়রুন্নেসা।
    তিনি ১৯৭৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরে এলএলবি ও বিসিএস (বিচার) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

    তিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, পাবনা জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সভাপতি ছিলেন। জেলা বাকশালের যুগ্ম-সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

    সাহাবুদ্দিন ছেষট্টির ৬ দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

    তিনি পাবনা জেলার আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করেন। ওই সময় সামরিক স্বৈরশাসকদের রোষানলে তিন বছর জেল খাটেন এবং অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হন।

    মো. সাহাবুদ্দিন দৈনিক বাংলার বাণীতে সাংবাদিকতাও করেছেন। তাঁর অনেক কলাম বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ছাপা হয়েছে।

    কর্মজীবনে তিনি জেলা ও দায়রা জজ এবং দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক এবং বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

    সাহাবুদ্দিন পরপর দুবার বিসিএস (বিচার) এ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব নির্বাচিত হন। চাকরি থেকে অবসরের পর হাইকোর্টে আইন পেশায় নিযুক্ত হন।

    পরবর্তীকালে ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দুদক কমিশনার হিসেবে সাহাবুদ্দিন পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিরুদ্ধে উঠা তথাকথিত দুর্নীতির ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় দৃঢ়তার পরিচয় দেন।

    সাবেক এই ছাত্রনেতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

    সূত্র : বাসস