Author: Hello Bangla News

  • আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র!

    আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দেউলিয়া হয়ে যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্র!

    আগামী পহেলা জুনের মধ্যেই অর্থসংকটে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি কোষাগারে আর মাত্র ১৫ দিনের সরকারি ব্যয় মেটানোর মতো অর্থ রয়েছে। এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির খোদ অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন। খবর রয়টার্সের।

    যুক্তরাষ্ট্রকে দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ ঋণগ্রহণ সীমা বাড়ানো না হলে আগামী ১ জুনের পর থেকে আর সরকারি ব্যয় পরিশোধের উপায় থাকবে না বলে জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ তথা অর্থ মন্ত্রণালয়। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থাভাবে দেউলিয়া হতে পারে দেশটি। মার্কিন কংগ্রেসকে লেখা এক চিঠিতে এই সতর্কবার্তা উচ্চারণ করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন।

    গত সপ্তাহেই দেশটির ঋণগ্রহণ সীমা বাড়ানোর প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভিসসে সংখ্যাগরিষ্ঠ রিপাবলিকানরা। তবে ক্ষমতাসীন ডেমোক্র্যাটদের চাওয়া আরও বেশি। সেই প্রস্তাবে সরকারি ব্যয়সহ বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যয় কমানোর কথাও বলা হয়েছে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিগত দুই সপ্তাহের মধ্যে মার্কিন কংগ্রেসকে দুবার চিঠি লিখে এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন। তার সবশেষ চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, জুন মাসের প্রথম দিকের পর মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ সরকারের সব ব্যয় মেটাতে ব্যর্থ হতে পারে। যার সহজ অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্র তার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেউলিয়া হতে পারে।

    জ্যানেট ইয়েলেন তার চিঠিতে জানিয়েছে, এ পরিস্থিতিতে আগামী ১ জুনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ঋণগ্রহণ সীমা না বাড়ানো হলে যুক্তরাষ্ট্র গভীর বিপদে পড়বে।

    এর আগে, রাজস্ব এবং অন্যান্য খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থের উপাত্তের ভিত্তিতে জ্যানেট ইয়েলেন গত ১ মে কংগ্রেসে বলেছিলেন যে, জুনের শুরুতে, সম্ভবত ১ জুনেই সরকারি বিল পরিশোধের জন্য ট্রেজারিতে নগদ অর্থের অভাব হবে।

    মঙ্গলবার (১৬ মে) মার্কিন কংগ্রেসকে লেখা চিঠিতে জ্যানেট ইয়েলেন উল্লেখ করেন, তিনি ১ মে তার চিঠিতে দেউলিয়া হওয়ার বিষয়ে যে দিন-তারিখের কথা বলেছিলেন, তার চেয়ে কিছুদিন বা কয়েক সপ্তাহ বেশিও লাগতে পারে। তিনি চিঠিতে লেখেন, আগামী সপ্তাহে তিনি এ বিষয়ে আরও নির্দিষ্ট এবং বিস্তারিত জানাবেন।

    এদিকে, জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে বুধবার (১৭ মে) জাপান যাবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সেখানে তিনি প্রায় এক সপ্তাহ কাটাবেন। এ সময় তিনি জাপান সফরের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া সফরেও যাবেন। এ অবস্থায় এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি বলেও সোমবার জানিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি।

  • শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি : মতিয়া চৌধুরী

    শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি : মতিয়া চৌধুরী

    সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি।
    তিনি বলেন, ‘সেদিন ঝড়-বৃষ্টি শেখ হাসিনাকে থামাতে পারেনি। তিনি ঠিকই গণতন্ত্রকে উদ্ধার করেছেন। তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন বলেই আমরা গণতন্ত্র ফিরে পেয়েছি, মানুষের অধিকার ফিরে পেয়েছি।’
    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
    আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা যেদিন ফিরে এসেছিলেন সেদিন প্রকৃতিও অঝর ধারায় কেঁদেছিল। সেদিন এয়ারপোর্টে লাখ লাখ জনতার মুখে স্লোগান ছিল ঝড়বৃষ্টি আঁধার রাতে, শেখ হাসিনা আমরা আছি তোমার সাথে।
    মতিয়া চৌধুরী বলেন, আজকে এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কনভেনশন হলে দাঁড়িয়ে বলতে পারি চিকিৎসা সুযোগ নয়, চিকিৎসা আমার অধিকার। এভাবেই উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।
    যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা: মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
    শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরেছিলেন বলেই গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার হয়েছিল। তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে।
    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এসেছিলেন বলেই এদেশে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল হয়েছে। এদেশের কোন রোগী যেন বাহিরে না যায়, সে জন্য শেখ হাসিনা দেশেই উন্নতমানের চিকিৎসা ব্যবস্থা করেছেন। দেশে ১১৩টি মেডিকেল কলেজ হয়েছে, এখন দেশে চিকিৎসকের সংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার।  সূত্র : বাসস

  • দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

    দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই অঞ্চলের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার্থে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছেন।
    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আজ তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত লি জাং-কেউনের সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
    বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘এই অঞ্চলের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার্থে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রয়োজন।’
    ইহসানুল করিম বলেন, শেখ হাসিনা দেশকে একটি প্রজন্মের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরের ক্ষেত্রে কোরিয়ান সাফল্যের প্রশংসা করেন।
    শেখ হাসিনা বলেছেন, এই সাফল্য বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টাকে অনুপ্রাণিত করেছে।
    প্রধানমন্ত্রী কোরিয়ায় তাঁর দ’ুটি সফরের কথা স্মরণ করে বলেন, দ্বিতীয় সফরে তিনি সেখানে বিস্ময়কর উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছেন।
    কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, আনুষ্ঠানিক উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ), কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।
    এ প্রসঙ্গে লি জাং-কিউন বলেন, ২০২০ সালে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১শ’ ৫০ কোটি মার্কিন ডলার যা বর্তমানে ৩শ’ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
    তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২০ সালে ওডিএ ছিল ৫০ কোটি মার্কিন ডলার, যা এখন ৩শ’ কোটি মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
    রাষ্ট্রদূত বলেন, কোরিয়া বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাত থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে আগ্রহী।
    তিনি গত ১৪ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
    বাংলাদেশে তার দায়িত্বপালনকালে অত্যন্ত সন্তোয় প্রকাশ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ আমার হৃদয়ে আছে।’
    এ সময় প্রধানমন্ত্রীর অ্যাম্বাসেডর এ্যাট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • হতাশা মোকাবেলায় এই ৫টি নিয়ম মানুন

    হতাশা মোকাবেলায় এই ৫টি নিয়ম মানুন

    সারাদিন কাজের চাপ, কখনো পারিবারিক সমস্যা, কখনোবা ব্যক্তিগত সমস্যা। নানা জটিলতায় জীবন হাঁপিয়ে ওঠে। এবং মানসিক অবসাদে পরিণত হতে হয়।

    সুস্থ জীবন পেতে, সুস্থ থাকতে শরীরের পাশাপাশি মনের সুস্থতাতেও মনোযোগ দিতে হবে। নয়তো দীর্ঘদিন ডিপ্রেশনে ভুগে মারাত্মক অসুস্থতার সম্মুখীন হতে পারে যে কেউ। কিছু উপায় রয়েছে যার মাধ্যমে অবসাদ কাটিয়ে তোলা যায়। এমন কিছু ঘরোয়া উপায় চলুন জেনে নিই-

    ঘুমের নির্দিষ্ট সময় বাছাই করুন

    প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে উঠুন। আবার নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমান। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমালে এবং ঘুম থেকে উঠলে শরীরের বায়োলজিক্যাল ক্লক সঠিকভাবে চলে। এটি ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। অবসাদ কমাতেও উপকারি ভূমিকা রাখে।

    সূর্যের আলোয় মন ভরান

    আমাদের শরীরে সুখী হরমোনের (happy hormones) উৎপাদন বাড়ায় সূর্যের আলো। ফলে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। মানসিক অবসাদে ভুগলে সূর্যের আলোতে দাঁড়ান। শরীরের জন্য এটি বেশ ভালো কাজ করবে। সূর্যাস্তের পরে অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কে মেলাটোনিন হরমোন ক্ষরণ বাড়তে থাকে। আবার, দিনের বেলায় সূর্যের আলোয় মেলাটোনিন ক্ষরণ কমে যায়। ফলে ঘুমের ঘোর কাটে। তাই, মেলাটোনিনের মাত্রা কমাতে কিছুক্ষণের জন্য সূর্যের আলোয় দাঁড়ান। এতে মেজাজ ঠান্ডা হবে।

    শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম

    প্রতিদিন সকালে কিছুক্ষণ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করুন। এটি উদ্বেগ ও স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে। বড় করে শ্বাস নিয়ে কিছু সময় দম বন্ধ করে রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন।

    দৈনন্দিন প্রার্থণা ও ব্যায়াম করুন

    দৈনন্দিন প্রার্থণায় মানুষের মনে ইতিবাচকতা তৈরি হয়। পাশাপাশি ভালো কাজের আসক্তি তৈরি হয়। মন হয় শান্ত ও প্রফুল্ল। পাশাপাশি, শরীরচর্চা বা ব্যায়াম বিষণ্ণতার চিকিৎসায় খুবই কার্যকর। কারণ শরীরচর্চা করলে এন্ডোরফিন হরমোন ক্ষরণ হয়, যা আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। তাই রোজ অন্তত কিছুটা সময় ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।

    স্বাস্থ্যকর সকালের নাশতা

    শরীরে প্রয়োজনীয় এনার্জি পেতে সকালের নাশতা অবশ্যই স্বাস্থ্যকর হতে হবে। নয়তো শরীর ও মন উভয়েরই ক্ষতি হতে পারে। সকালে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া উচিত। প্রতিদিন সকালে সুষম খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    ডিপ্রেশন বা অবসাদ কমাতে কোনো নেশায় আসক্ত এবং ওষুধ না খেয়ে, ঘরোয়া এই উপায়গুলো কাজে লাগান। ভালো থাকবেন আপনি।

    তথ্যসূত্রঃ ভেরিওয়েলমাইন্ড

  • সম্ভবত ইংল্যান্ডে এটাই আমার শেষ ম্যাচ: তামিম

    সম্ভবত ইংল্যান্ডে এটাই আমার শেষ ম্যাচ: তামিম

    ক্রিকেট ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে প্রথম গিয়ে লর্ডস ও ম্যানচেস্টারে টেস্ট সেঞ্চুরি করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল।

    তামিম ইকবালের বয়স হয়ে গেছে ৩৪। এরই মধ্যে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছেন। ওয়ানডে-টেস্ট খেলে গেলেও খুব বেশি দিন যে খেলবেন না তার একটা আভাস মিলেছে গতকাল। রোববার নাটকীয়ভাবে আয়ারল্যান্ডকে ৫ রানে হারিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পর তামিম বলেছেন, ‘সম্ভবত ইংল্যান্ডের মাটিতে এটাই আমার শেষ ম্যাচ।’

    ভবিষ্যৎ সফর সূচি অনুযায়ী আগামী তিন-চার বছরে ইংল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের খেলার সম্ভাবনা নেই। আইরিশদের তৃতীয় ওয়ানডেতে ৫ রানে হারিয়ে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ওয়ানডে অধিনায়ক বলেছেন, ‘এখানকার দর্শকদের সমর্থন আমার কাছে সব সময়ই স্পেশাল। আমি অবশ্য নিশ্চিত নই যে আবার ইংল্যান্ডে খেলতে পারবো কিনা। যেহেতু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেভাবে খেলা হয় না। আর আগামী তিন-চার বছরেও কোনও সফর নেই। তাই মনে হচ্ছে ইংল্যান্ডে এটাই হয়তো আমার শেষ ম্যাচ। আর সেটা আমি খুব উপভোগও করেছি।’

    সাম্প্রতিক সময়ে বামহাতি ব্যাটারকে বড় স্কোর পেতে খুব সংগ্রাম করতে হয়েছে। ৯ ইনিংস পর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। খেলেছেন সর্বোচ্চ ৮২ বলে ৬৯ রানের একটি ইনিংস। তার ব্যাটে ভর করেই বাংলাদেশ ২৭৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে। জবাবে দারুণ লড়াইয়ে ৯ উইকেটে ২৬৯ রানে থেমেছে আইরিশ দল।

    ইংলিশ কন্ডিশনে বামহাতি তামিমের রেকর্ডও অনেক ভালো। ১৮ ওয়ানডেতে ৩৭.৭৭ স্ট্রাইক রেটে ৬৮০ রান করেছেন। আছে চার ফিফটি এবং এক সেঞ্চুরি। টেস্টেও সেঞ্চুরি আছে দুটি। যার মধ্যে ২০১০ সালে ঐতিহাসিক এক সেঞ্চুরি করেছেন লর্ডসে।

    ২০২৩ থেকে ২০২৭ পর্যন্ত করা আইসিসির ভবিষ্যৎ সফরসূচি পরিকল্পনায় ইংল্যান্ডে বাংলাদেশের কোনো সফর নেই। ততদিন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার আর টেনে নেওয়ার ইচ্ছা না থাকারই আভাস দিলেন তামিম।

  • বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনা কোম্পানির ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগ

    বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে চীনা কোম্পানির ৬০ লাখ ডলার বিনিয়োগ

    চীনা কোম্পানি জিবিন টেকনোলজি (বিডি) কোম্পানি লিমিটেড ৬০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি স্যু এক্সেসরিজ কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সাথে আজ ঢাকায় বেপজা কমপ্লেক্সে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
    বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) আলী রেজা মজিদ এবং জিবিন টেকনোলজি (বিডি) কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উ সুয়েলি নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
    বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন। জিবিন টেকনোলজি (বিডি) বার্ষিক ৬০ লাখ পিস স্যু এক্সেসরিজ যেমন, আউটসোল, মিডসোল, ইনজেকশন পার্টস, ব্যাকস্টে, হিপ ক্লিপ, টো ক্যাপ, স্পোর্টস স্পাইক, ইভিএ, পিইউ ফোম, পিইউ কম্পোনেন্ট প্রভৃতি উৎপাদন করবে। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৯৫ জন বাংলাদেশী নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
    উল্লেখ্য, চট্ট্রগামের মীরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল বেপজার সর্ববৃহৎ উদ্যোগ। ১১৩৮.৫৫ একর জমির উপর স্থাপিত এ অর্থনৈতিক অঞ্চলটিকে একটি কর্মচঞ্চল শিল্প এলাকায় পরিণত করতে জিবিন টেকনোলজি (বিডি)সহ মোট ১৮টি প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করল বেপজা। এই প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রচলিত তৈরি পোশাকসহ বৈচিত্র্যময় নানা পণ্য উৎপাদন করতে মোট ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।
    অন্যান্যের মধ্যে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) মোহাম্মদ ফারুক আলম, সদস্য (অর্থ) নাফিসা বানু, নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) নাজমা বিন্তে আলমগীর, বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ এনামুল হক, অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মোঃ ফজলুল হক মজুমদার চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সূত্র : বাসস

  • থাইল্যান্ডের নির্বাচনে গণতন্ত্রপন্থিদের জয়জয়কার

    থাইল্যান্ডের নির্বাচনে গণতন্ত্রপন্থিদের জয়জয়কার

    থাইল্যান্ডে রবিবারের জাতীয় নির্বাচনের ফলাফলে সেনা সমর্থিত দলগুলোকে পেছনে ফেলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিরোধীদল প্রগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি (এমএফপি) এবং ফেউ থাই পার্টি। থাইল্যান্ডের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো সয়লাব হয়ে গেছে মুভ ফরোয়ার্ড পার্টির সমর্থকদের বিজয়বার্তায়। তারা দলের বিজয়কে ‘পরিবর্তনের বাতাস’ ও ‘নতুন যুগের ঊষালগ্ন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

    ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা গেছে, সামরিক সমর্থিত দলগুলোর চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে তারা। এমন ফলাফলকে বড় জয় বলে বর্ণনা করছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

    বিবিসির সোমবারের প্রতিবেদনে জানানো হয়, রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রাথমিক ফলে সব পূর্বাভাসকে ভুল প্রমাণ করে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ৫০০ আসনের মধ্যে ১৫১টিতে জিতেছে সংস্কারপন্থি মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি।

    এই ফলাফলের মধ্য দিয়ে দেশটির সেনা সমর্থিত সরকারের অধ্যায়ের অবসান ঘটতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গেছে, প্রগ্রেসিভ মুভ ফরোয়ার্ড পার্টি পেয়েছে ১৫১টি আসন। অন্যদিকে ১৪১ আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ফেউ থাই। এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, ৫০০ আসনের মধ্যে ২৮৬টিতেই জয় পেতে পারে এই দুই দল।

    ফেউ থাইয়ের নেতা পায়েতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা মুভ ফরোয়ার্ডকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আমরা মুভ ফরোয়ার্ডের সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত। তবে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করছি। আমরা বিশ্বাস করি থাইল্যান্ডে ভালো কিছু সম্ভব। আজ থেকেই পরিবর্তন হতে পারে, যদি আমরা শুরু করি। যদি আপনাদের দ্বিমত না থাকে।

    মুভ ফরোয়ার্ড ও ফেউ থাই জোট গঠনের জন্য শিগগিরই আলোচনা শুরু করতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। এবারে থাইল্যান্ডের নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আবারও ক্ষমতায় আসার জোর চেষ্টায় আছেন সেনা সমর্থিত প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চান ওচাও। ৬৯ বছরের এই সাবেক সেনাপ্রধান ২০১৪ সালে দেশটিতে সর্বশেষ অভ্যুত্থান ঘটান। সে সময় থাকসিন সিনাওয়াত্রার বোন ইংলাক সিনাওয়াত্রার কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। তবে এবার সুবিধাজনক অবস্থানে নেই তার দল।

    সূত্র: সিএনএন

  • রিজার্ভ সংকট নেই, আমরা সবসময় রিজার্ভ ধরে রাখারই চেষ্টা করি: প্রধানমন্ত্রী

    রিজার্ভ সংকট নেই, আমরা সবসময় রিজার্ভ ধরে রাখারই চেষ্টা করি: প্রধানমন্ত্রী

    আমাদের রিজার্ভ এখনও যা আছে তাতে অন্তত এটুকু বলতে পারি, আমাদের এমন কোনো সংকট নেই। আমরা সবসময় রিজার্ভ ধরে রাখারই চেষ্টা করি।’ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ মজুত আছে।

    সোমবার (১৫ মে) জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য সফর নিয়ে গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
    রিজার্ভ সংকট সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডলার সংকট তো সারা বিশ্বেই রয়েছে। করোনার সময় আমাদের জাতীয় কেনাকাটাসহ সবকিছু বন্ধ ছিল, তাই ডলার কম খরচ হয়েছে। সে জন্য তখন ডলারের মজুত বেশি ছিল। করোনার পর বৈশ্বিক অর্থনীতি খুলে গেছে। আমাদের ক্রয় বেড়েছে, ডলার খরচ হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা রিজার্ভ নিয়ে বলতে বলতে সবার মাথায় এটা ঢুকে গেছে। আমাদের রিজার্ভ এখনও যা আছে তাতে অন্তত এটুকু বলতে পারি, আমাদের এমন কোনো সংকট নেই। আমরা সবসময় রিজার্ভ ধরে রাখারই চেষ্টা করি।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘তিন মাসের খাদ্য কেনার মতো ডলার যেন আমাদের হাতে থাকে, সেটা নিয়েই আমাদের চিন্তা। রিজার্ভ নিয়ে কোনো চিন্তা নেই। আমাদের তিন মাসের খাদ্য ক্রয়ের টাকা থাকলেই হয়।’

    ‘২০০৬ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল তখন রিজার্ভ ছিল শূন্য দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার, এখন ৩১ বিলিয়ন ডলার আছে। দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমাদের সব জমি আবাদ করব, আমরা অন্যের ওপর নির্ভর করব না। আমরা নিজেদেরটা দিয়েই নিজেরা চলব,’ যোগ করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতার সময়ে এক মাসের রিজার্ভও ছিল না, তখন কি দেশ চলেনি? এখন আমাদের ৩১ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ মজুত আছে। আমাদের রিজার্ভ এখনও পর্যাপ্ত রয়েছে।’

  • বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় জলবায়ু ঝুঁকি রোধে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ : তথ্যমন্ত্রী

    বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় জলবায়ু ঝুঁকি রোধে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় উদ্ভাবনী সবুজ প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্েযর ক্ষতি, সামুদ্রিক দূষণসহ পরিবেশগত নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করে যাবে বাংলাদেশ। সুইডেনের স্টকহোমে ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মিনিস্টেরিয়াল ফোরামে স্থানীয় সময় শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ‘সবুজ উদ্যোগ ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ’ গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে মন্ত্রী এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এস্তোনিয়া, মালদ্বীপ, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় কমিশনসহ ইইউ ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের কয়েকটি দেশ এতে অংশ নেয়।
    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন টেকসই উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে আবির্ভূত। অতিরিক্ত তাপমাত্রা, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, বন্যা ও খরা, তীব্র গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, মহাসাগরের অম্লায়ন ইত্যাদি, বিশেষত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উন্নয়নশীল দেশগুলোর কোটি কোটি  মানুষের জীবন ও জীবিকার উপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বাংলাদেশের কার্বন নি:সরণ বৈশ্বিক অনুপাতে ০.৪৭ শতাংশের কম হলেও, আমরা পরিবেশ পরিবর্তনের অসহায় শিকার। বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় একটি দেশ হিসেবে জলবায়ু ও দুর্যোগজনিত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে ৭ম স্থানে রয়েছি আমরা। ’
    পরিবেশবিদ তথ্যমন্ত্রী এ অবস্থা উত্তরণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা গোলটেবিলে তুলে ধরে বলেন, ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ নিজস্ব জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড থেকে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নে ৮০০টি প্রকল্প বাস্তবায়ন  করেছে। সরকার ২০২২-২০৪১ সালব্যাপী মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনার মাধ্যমে  নবায়নযোগ্য শক্তির সর্বাধিক ব্যবহারে কাজ করছে। মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কপ ২৬-এ আমাদের শক্তির ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। আমরা ৬ মিলিয়নেরও বেশি সোলার-হোম সিস্টেম স্থাপনের মাধ্যমে ২০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় এনেছি, যা বিশ্বে এ ধরণের কাজের  বৃহত্তম নজীর। নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্ভাবন ও স্থাপনায় বিশ্বব্যাপী অগ্রগামী ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর সবুজ অংশীদারিত্বে যোগদানের আমন্ত্রণে বাংলাদেশ অনুকূল সাড়া দিয়েছে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন,  বাংলাদেশসহ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো উন্নত দেশগুলোর কারিগরি, আর্থিক সহায়তা ও বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে। একইসাথে তিনি  বলেন, পরিবেশ পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন এবং ঝুঁকি প্রশমনের মধ্যে ভারসাম্য ও লাভ-ক্ষতি তহবিলের প্রাথমিক কার্যক্রম চালু করার জন্য উন্নত দেশগুলো প্রতিশ্রুত ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড় করার ক্ষেত্রে ইইউ ও অন্যান্য ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশ একত্রে কাজ করতে আগ্রহী।
    সুইডিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে তথ্যমন্ত্রীর বৈঠক : এদিকে ইইউ ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ফোরামে যোগদান শেষে সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টাবিয়াস বিলস্ট্রমের সাথে বৈঠক করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান। রোববার দুপুরে সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠকে তারা দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় যেমন বর্জ্য থেকে শক্তি উৎপাদন, অন্যান্য উৎস থেকে সবুজ শক্তি উৎপাদন, উচ্চ প্রযুক্তি শিল্প, জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকিহ্রাস এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।সুইডেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেহেদী হাসান গোলটেবিল ও দ্বি-পক্ষীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • শরীর গঠনে সকালের খাবার

    শরীর গঠনে সকালের খাবার

    শরীর চর্চার খাবার: অনেকেই আছেন যারা যা খুশি খান কিন্তু ওজন বাড়ে না। যার কারণে, পেশী অর্জনের জন্য, তারা বাজারে পাওয়া বিভিন্ন ধরণের সাপ্লিমেন্ট এবং প্রোটিন পাউডার খাওয়া শুরু করে। যার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরচর্চার পরামর্শ দেওয়া হয়। শুধুমাত্র এমন জিনিস খাওয়া উচিত যা প্রাকৃতিক, ওজন বাড়ায় এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না। আপনি যদি নিজের শরীর নিজেই তৈরি করতে চান, তাহলে প্রতিদিন সকালে এই তিনটি জিনিস খেলে কিছু দিনের মধ্যেই আশ্চর্যজনক প্রভাব দেখা দিতে শুরু করবে।

    কলা এবং দুধ

    আপনি যদি আপনার শরীরকে সুন্দর করতে চান এবং আপনার ব্যক্তিত্বের উন্নতি করতে চান তবে প্রতিদিন সকালে দুধ এবং কলা খাওয়া উচিত। কলা এমন একটি সুপারফুড, যা অনেক ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের ভাণ্ডার। পটাশিয়াম, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের মতো পুষ্টিও এতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। ওজন বাড়াতে চাইলে কলা ও দুধ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করতে পারেন। আপনি চাইলে এতে আখরোট এবং শণের বীজও মেশাতে পারেন। এটি আশ্চর্যজনক সুবিধা দেয়।

    ওটস এবং দুধ

    শরীর গঠনের জন্য ওটস এবং দুধের সাথে ওটস এবং দুধ মিশিয়ে সকালে খেলে আশ্চর্যজনক উপকার পাওয়া যায়। দুধে ওটস মিশিয়ে ভালো করে রান্না করুন। এর পরে, আপনি চাইলে এতে কিশমিশ, বাদাম এবং কাজু বাদামও যোগ করতে পারেন। এটি প্রাকৃতিক উপায়ে শরীর গঠনে সাহায্য করে।

    শক্ত সেদ্ধ ডিম

    আপনি যদি চান আপনার পেশী ভালো থাকুক এবং আপনার শরীর তৈরি হোক, তাহলে ভোরবেলা সেদ্ধ ডিম খাওয়া খুবই উপকারী। সেদ্ধ ডিম আপনাকে ওজন বাড়াতে এবং পেশী বাড়াতে সাহায্য করে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ৩টি সেদ্ধ ডিম খান আপনার শরীর তৈরি করতে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়, যার কারণে মাংসপেশির বিকাশ ঘটে। ডিমের অমলেটও খেতে পারেন। ওয়ার্কআউট করার পরই ডিম খাওয়ার চেষ্টা করুন।

    তথ্যসূত্রঃ প্রেসওয়ার১৮