Author: Hello Bangla News

  • ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচন

    ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচন

    কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপে রেশ এখনও কাটেনি। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচন করা হয়েছে। আর এর মধ্যেই আসন্ন এই বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচনও করে ফেললো ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

    যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে লোগো উন্মোচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশন অব ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ফিফা) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এবং ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কিংবদন্তি রোনাল্ডো নাজারিও। এ সময় রোনালদোর হাতে বিশ্বকাপ ট্রফিও ছিল।

     

    ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের লোগো উন্মোচনলোগোটির ব্যাকগ্রাউন্ডে রয়েছে ‘২০২৬’ টাইফোগ্রাফির উপরে বিশ্বকাপের শিরোপা। এবারই প্রথম লোগোতে অফিসিয়াল ট্রফি ব্যবহার ঘটনা দেখা গেল। এছাড়া ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘উই আর টোয়েন্টি সিক্স (২৬)’

    বিষয়টি নিয়ে জিওন্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, “উই আর টোয়েন্টি সিক্স হলো একটি সম্মিলিত মিছিল। এটি এমন একটি মুহূর্ত যেখানে তিনটি দেশ এবং ওই মহাদেশ একসঙ্গে বলছে, ‘আমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড়, সেরা এবং অসাধারণ ফিফা বিশ্বকাপ উপহার দেওয়ার জন্য একত্রিত হয়েছি।”

    উন্মোচন অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি বলেন, ‘খেলা অনুযায়ী বিশ্বকাপে অংশ নেয়া দলগুলো তাদের সুবিধাজনক স্থানে রাখা হবে। যেন ম্যাচ খেলতে যাতায়াত, সময় ও পরিবেশগত অসুবিধা না হয়। কাতার বিশ্বকাপে এই সুযোগ-সুবিধা পেয়েছে দলগুলো।’

    আগামী ফিফা বিশ্বকাপের লোগো একেবারেই সাদামাঠা করা হয়েছে। বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে তার পিছনে সাদা রঙয়ে ২৬ সংখ্যা লিখেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, তিন দেশ নিয়ে আগামী বিশ্বকাপ হবে মোট ১৬টি স্টেডিয়ামে। এর মধ্যে ১১টি স্টেডিয়াম ১৯৯৪ সালের পর বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ত্ব পাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের। তিনটি স্টেডিয়াম মেক্সিকোর এবং কানাডার দুটি স্টেডিয়ামে খেলা হবে। এর মধ্যে ১৫টি স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা ৫০ হাজার থেকে ৮৭ হাজারের মধ্যে। কেবল কানাডার টরেন্টোর একটি স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণাক্ষমতা ৩০ হাজার।

  • বাড়ছে কার্ড, রেকর্ড পরিমান লেনদেনে যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ

    বাড়ছে কার্ড, রেকর্ড পরিমান লেনদেনে যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ

    ব্যাংকের কার্ডের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। গ্রাহকরা এটিএম থেকে টাকা তুলছেন বেশি। ক্রেডিট কার্ডেও ভালো খরচ করছেন। সঙ্গে করে নগদ বহনের ঝুঁকি বিবেচনায় গ্রাহকদের অনেকে কার্ডে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিনে (সিআরএম) রেকর্ড টাকা লেনদেন হচ্ছে। পয়েন্ট অব সেলসের (পিওএস) মাধ্যমে কেনা কাটায়ও হয়েছে রেকর্ড। ই-কমার্সে লেনদেন বাড়ছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের মার্চে ব্যাংকগুলোর কার্ডে ৪৫ হাজার ৪১২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এ লেনদেন যে কোনো সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, গত মার্চ শেষে দেশে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে তিন কোটি ৯ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫। ২০২২ সাল শেষে ব্যাংক খাতে ডেবিট কার্ডের সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৯৮ লাখ ৪৯ হাজার ১৩৬। সেই হিসাবে তিন মাসে ১১ লাখ ৪৮ হাজার ১৯৯টি কার্ড বেড়েছে। একইভাবে মার্চ শেষে ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২১ লাখ ৭৮ হাজার ৪৬। ২০২২ সালের ডিসেম্বর শেষে ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ১৫ হাজার ৮৬১। ফলে তিন মাসে ক্রেডিট কার্ড বেড়েছে ৬২ হাজার ১৮৫।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে ডেবিট কার্ডে লেনদেন হয়েছে ৪২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। এর আগে কখনো ডেবিট কার্ডে এক মাসে এত লেনদেন হয়নি। গত ফেব্রুয়ারিতে কার্ডে ৩৬ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। ডেবিট কার্ডের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডেও মার্চে রেকর্ড লেনদেন হয়। মার্চ মাসে লেনদেন হয় ২ হাজার ৬৫২ কোটি টাকা, যা এখন পর্যন্ত একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ। গত মার্চে কার্ডে যে পরিমাণ লেনদেন হয়েছে, তার মধ্যে দেশীয় মুদ্রায় ৪৪ হাজার ৮০১ কোটি ও বৈদেশিক মুদ্রায় ৬১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

    কার্ড দিয়ে এটিএম থেকে গত মার্চে ৩২ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়, যা নতুন রেকর্ড। একইভাবে পিওএসের মাধ্যমে মার্চে ২ হাজার ৭৯১ কোটি টাকার লেনদেন হয়। পিওএস সাধারণত কেনাকাটা, বিমানের টিকিট ক্রয়, হোটেলের ভাড়া দেওয়ার সময় ব্যবহার করা হয়।

    ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনো দেশের বেশিরভাগ মানুষ ব্যক্তিগত লেনদেন নগদ টাকায় করছেন। পাশাপাশি কার্ডের মাধ্যমেও প্রতি মাসে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়, যা আর্থিক খাতের মোট লেনদেনের তুলনায় হয়তো সামান্যই। তবে দিনকে দিন কার্ডে লেনদেন বাড়ছে। তাদের মতে, সঙ্গে করে নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি বিবেচনায় গ্রাহকদের অনেকে কার্ড ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। আবার শাখায় গিয়ে লাইন ধরে লেনদেন করতে বাড়তি সময় লাগে। এ ছাড়া ব্যাংকিং সময়ের বাইরে যে কোনো লেনদেনের সুবিধার কারণে এখন কার্ড লেনদেনে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

  • অর্ধেকের বেশি জলাশয় শুকিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর

    অর্ধেকের বেশি জলাশয় শুকিয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর

    শুকিয়ে যেতে বসেছে পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি হ্রদ ও জলাশয়। এতে ভয়াবহ হুমকিতে পড়েছে কৃষি, জলবিদ্যুৎ ও মানুষের পানযোগ্য পানির ভবিষ্যৎ।

    বৃহস্পতিবার (১৮ মে) এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। আন্তর্জাতিক এই গবেষকদের একটি দল তাদের সাম্প্রতিক গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেছেন। সায়েন্স জার্নালে তারা গবেষণার তথ্য তুলে ধরেছেন। সেখানেই তারা লিখেছেন, বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি জলাশয় শুকিয়ে গেছে বা শুকিয়ে যাওয়ার মুখে। এর একটি কারণ অবশ্যই উষ্ণায়ন। তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো মানুষের হঠকারিতা। একের পর এক জলাশয় বুজিয়ে ফেলা।

    বিশ্বের দুই হাজার জলাশয় ও হ্রদ পর্যবেক্ষণ করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। ১৯৯২ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত এসব হ্রদ ও জলাশয়ের স্যাটেলাইট ছবি পরীক্ষা করা হয়েছে এবং সেখান থেকেই এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।

    গবেষকরা বলেন, বিগত দশকে কাস্পিয়ান সাগর থেকে শুরু করে লেক টিটিকাকার মতো বিশ্বের অন্যতম প্রধান জলাশয়গুলো থেকে প্রতি বছর প্রায় ২২ গিগাটন করে পানি কমেছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে বহুগুণ বেশি।

    ভার্জিনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূবিজ্ঞানের গবেষক ফ্যাংফ্যাং ইয়াও এই গবেষণা দলের প্রধান। তিনি বলেছেন, প্রাকৃতিক হ্রদগুলো শুকিয়ে যাওয়ার পেছনে ৫৬ শতাংশ অবদান বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং মনুষ্য ব্যবহারের। এর মধ্যে বড় কারণ উষ্ণতা।

    গবেষকরা দেখেছেন, ১৯৯২ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে ৫৩ শতাংশ হ্রদের পানি কমেছে। মানুষের দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহার, বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন এবং ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা বিশ্বব্যাপী জলাশয়ের পানির স্তরকে নিচে নেমে যেতে বাধ্য করেছে।

    শুকিয়ে যাওয়া এসব হ্রদ এলাকায় বসবাস করে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ। পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় তারা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক অঞ্চলে পানির অভাব দেখা দিয়েছে।

    জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম মাপকাঠি গড় তাপমাত্রার বৃদ্ধি। এর ফলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বদলে গেছে। আগে যেখানে যেমন বৃষ্টি হতো, এখন তা হচ্ছে না। এর ফলে স্বাভাবিক হ্রদগুলোর পলি আগে যেভাবে জমতো, এখন তা বদলে গেছে। হ্রদ ও জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ার পেছনে এটিকে অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিজ্ঞানীরা।

    গবেষকরা বলেছেন, বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখতে না পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আরো হ্রদ এবং জলাশয় শুকিয়ে যাবে। আর তেমনটি ঘটলে তার প্রভাব হবে ভয়ংকর।

    সূত্র : ডয়চে ভেলে

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিশ্বনেতা : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, বিশ্বনেতায় রূপান্তরিত হয়েছেন।
    তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় বিএনপি’র মহাসচিবসহ অন্যান্য নেতারা বিশ্বময় বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে গ্রহণযোগ্যতা, তার প্রতি বিশ্বনেতৃবৃন্দের এবং বিশ্বঅঙ্গনের যে আস্থা, সেটি বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন।’
    আজ দুপুরে চট্টগ্রামে বেসরকারি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সেশন প্রারম্ভ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত সফল সফর করে এসেছেন। পদ্মা সেতু থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া বিশ্বব্যাংক নিজেরাই বাংলাদেশকে ২.২৫ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রস্তাব করেছে। জাপান বিভিন্ন প্রকল্পে ৩০ বিলিয়ন ইয়েন সাহায্য করবে। আর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করে বলেছেন যে, আপনি আমাদের আইডল, আমার মেয়েদেরও আইডল। আর বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক নিয়ে ১৬ মে জাতিসংঘ ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’  প্রস্তাব এনে আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে, সেই প্রস্তাব বাংলাদেশের সাথে ৭১টি দেশ কো-স্পন্সর করেছে যা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।’
    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘এরপর জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তাঁর সরকারের গ্রহণযোগ্যতা বিশ্বময় আছে কি না তা বলার কোনো প্রয়োজন নেই। যাদের বুদ্ধি, বোধশক্তি আছে, তারা এগুলো বুঝতে পারে, শুধু বিএনপি নেতারাই তা বোঝেন না। দৃষ্টিহীনতা ও শ্রবণহীনতার সাথে তারা বোধশক্তিহীনও হয়ে গেলেন কি না সেটি আমার বোধগম্য নয়।’
    বিএনপির আন্দোলন প্রশ্নে হাছান মাহমুদ বলেন, গাড়ি বসে গেলে সেটিকে মাঝে মধ্যে যেমন স্টার্ট দিতে হয়, বিএনপির আন্দোলনের কর্মসূচিও সেরকম। কারণ বিএনপি দলটাইতো বসে গেছে। যাতে জং ধরে না যায়, সেজন্য মাঝে মধ্যে স্টার্ট দেয়ার মতো তারা আন্দোলনের কর্মসূচি দেয়। এছাড়া অন্য কোন কিছু নয়।
    এর আগে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সেশন শুরু অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হাছান বলেন, ‘শুধু পাঠদান আর সার্টিফিকেট প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক মেধার বিকাশ ঘটানো, জীবন গড়া, জীবন সংগ্রামে উজান ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে জয়ী হওয়া শেখাতে হবে। আশা করি, এই বিশ্ববিদ্যালয় সেটি পারবে।’
    বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সাঈদ আল নোমান। রেজিস্ট্রার সজল কান্তি বড়ুয়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সূত্র : বাসস

  • জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়াতে ইসলামিক স্কলারদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে দাঁড়াতে ইসলামিক স্কলারদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ থেকে দূরে রেখে একটি আধুনিক ও জ্ঞানভিত্তিক উন্নত জাতি গঠনে অবদান রাখতে হজযাত্রী এবং আলেম-ওলামাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
    তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের (হজযাত্রীদের) এবং আলেম-ওলামাদের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি যাতে আমাদের শিশুরা এটি থেকে দূরে থাকতে পারে এবং উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রস্তুত হতে পারে।’
    রাজধানীর আশকোনা এলাকায় আজ হজ অফিসে হজ কর্মসূচি-২০২৩ (১৪৪৪ হিজরি) উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
    তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং এটি সর্বদা মানুষের কল্যাণের ধর্ম যা মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে।
    ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস করে এমন কিছু লোকের কারণে ইসলামকে নিন্দিত করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আসলে যারা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করে তাদের কোন ধর্ম নেই।
    শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, যারা জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ সৃষ্টি করছে তারা সব ধর্মেই আছে।
    তিনি বলেন, ‘যদি কেউ মনে করে যে তারা নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে বেহেশতে যাবে, তা কখনই হবে না। সর্বশক্তিমান আল্লাহ তা বলেননি এবং আমাদের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তা বলেননি।’
    শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের ইসলাম পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ধর্ম এবং এই অল্প কিছু মানুষই ইসলামের নিন্দার কারণ হয়ে উঠছে।’
    তিনি বলেন, এই জঘন্য কাজটি থেকে এই লোকদের থামাতে সবাইকে উদ্যোগ নিতে হবে।
    তিনি আরো বলেন,‘আমাদের সবাইকে আমাদের শিশুদের সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।’
    প্রধানমন্ত্রী তার ছোট বোন শেখ রেহানা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য হজযাত্রীদের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের (হজযাত্রীদের) কাছে আমার সবচেয়ে বড় দাবি হল, আপনারা আমার বাংলাদেশের জনগণের জন্য দোয়া করবেন, যাতে তাদের ভাগ্য নিয়ে কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে।’
    তিনি হজযাত্রীদের বাংলাদেশ ও এর জনগণকে মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষার জন্য প্রার্থনার আহ্বান জানান।
    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আপনাদেরকে কোনো দুর্যোগ বা সংকট -তা মানবসৃষ্ট বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ- বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের জনগণের যাতে ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য প্রার্থনা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের পাশাপাশি মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ঘটে কারণ এখানে অগ্নিসংযোগ, সহিংসতা এবং পরিবহনে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়।
    তিনি হজযাত্রীদের দোয়া করতে বলেন যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বর্তমান অগ্রগতি অব্যাহত থাকে।
    প্রথম হজ ফ্লাইটটি শনিবার বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
    এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ২২১ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালন করতে যাচ্ছেন। কভিড-১৯ বিধিনিষেধের কারণে গত বছর বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রীর সংখ্যা ছিল ৫৭,৫৮৫।
    কভিড-১৯ মহামারীর আগে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে ১২৭,১৯৮ জন হজ পালন করেছিলেন।
    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৭ জুন হজ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
    ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো.ফরিদুল হক খান এমপি’র সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসান।
    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী, হাবিব হাসান এমপি, বাংলাদেশে সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা ইউসেফ ইসা আল দুলাইহান এবং হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি শাহাদাত হোসেন তসলিম।
    অনুষ্ঠানের শুরুতে হজ ব্যবস্থাপনার ওপর একটি ভিডিও প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।

    সরকার প্রধান বলেন, তাঁর সরকার দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আজ বাংলাদেশকে এমন একটি অবস্থানে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে যেখানে দেশের মানুষ অন্তত খাবার খেতে পারছে।
    বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন বা ভূমিহীন থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করছি।’
    হজের সময় হাজীদের সুস্বাস্থ্য কামনা করে শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা আল্লাহর মেহমান হিসেবে আল্লাহর ঘরের পাশাপাশি মক্কা-মদিনা শরীফে যাচ্ছেন। ‘আমরা প্রার্থনা করি যেন আপনারা নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর এবং সুন্দরভাবে হজ পালন করতে পারেন এবং সেই সাথে আপনারা সুস্থভাবে দেশে ফিরে আসতে পারেন।’
    তিনি বলেন, হজযাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে তারা ‘ই-হজ ব্যবস্থাপনা’ চালু করা হয়েছে।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন হজের যাবতীয় কার্যক্রম যেমন প্রাক-নিবন্ধন, নিবন্ধন, ফেরত, মক্কা রোড সার্ভিস, ই-হেলথ, ই-ভিসা, ফ্লাইট, হেল্প ডেস্ক, কল সেন্টার, এজেন্সি প্রোফাইল ম্যানেজমেন্ট এসব ই-হজ ব্যবস্থাপনার অধীনে করা হচ্ছে।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসএমএসের মাধ্যমে এবং কল সেন্টার থেকে প্রতিটি হজযাত্রীকে হজ সংক্রান্ত সকল তথ্য জানিয়ে দেয়া হচ্ছে এবং হজযাত্রীরা ১৬১৩৬ নম্বরে ডায়াল করে সবকিছু জানতে পারবেন।
    তিনি আরও উল্লেখ করেন, তারা হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন-২০২১ প্রণয়ন করেছেন, যা হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও সহজ করেছে। সূত্র : বাসস

     

  • ঘরে বসেই সমাধান করুন গ্যাস্ট্রিক বা জ্বালাপোড়ার

    ঘরে বসেই সমাধান করুন গ্যাস্ট্রিক বা জ্বালাপোড়ার

    আমাদের অনেকেরই খাবার পরে বুকের মাঝখান থেকে জ্বালাপোড়া করে। এই রোগটা কি আমরা অনেক ধরনের নাম দেই- গ্যাস্ট্রিক, আলসার, অ্যাসিডিটি, হার্টবার্ণ, অ্যাসিড রিফ্লাক্স ইত্যাদি। তবে ডাক্তারি ভাষায় এই রোগের নাম- Gastroesophageal Reflux Disease (RFD)

    কিন্তু প্রতিদিনের কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে আমরা নিজেরাই ঘরে বসে এই সমস্যা কমিয়ে আনতে পারি। এরকম ৭ টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা-

    ১. একবারে পেট ভরে খেলে এই সমস্যা বেশি হয়। তাই অনেক খাবার একসাথে খাবেন না । সারাদিনে ভাগ ভাগ করে অল্প অল্প খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন।

    ২. খাবারের সময় অনিয়ম করবেন না। সময়মত খাবার না খেলে পাকস্থলীর আরেকটা রোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়, নাম – গ্যাস্ট্রাইটিস (Gastritis)। এই রোগে পাকস্থলীর গায়ে ক্ষত দেখা দেয়, ইনফেকশন হতে পারে । আর এই রোগ হলেও আপনার পেটে জ্বালাপোড়ার মতো ব্যথা হতে পারে । আপনার পক্ষেতো বোঝা সম্ভব না জ্বালাপোড়া কোন কারনে হচ্ছে। তাই পাকস্থলী সুস্থ রাখতে আপনাকে নিয়ম করে সময়মতো খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে ।

    ৩. অনেকের মাঝেই একটা ধারণা আছে, যাদের সমস্যা তাদের জন্য দুনিয়ার প্রায় সব খাবারই নিষেধ । শুধুমাত্র সিদ্ধ, মসলা ছাড়া খাবার খেতে হবে, এই ধারণাটা কিন্তু ঠিক না । তাহলে সঠিক টা কি?
    একজনের জন্য একেক ধরনের খাবারে সমস্যা সৃষ্টি করে। যেসব খাবারে আপনার বুকে জ্বালাপোড়া করে আপনি শুধু সেই সব খাবার এড়িয়ে চলবেন। সেটা হতে পারে এ মসলা দেয়া, অতিরিক্ত তেল দেয়া খাবার । আপনার প্রিয় চপ পুরি, মুড়ি চানাচুর, চটপটি, এমনকি ডালভাত । আপনার কোন খাবারে সমস্যা হয় সেটা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে । আর এড়িয়ে চলতে হবে।

    ৪. রাতের খাবারটা আগে আগেই সেরে ফেলবেন। ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন-চার ঘণ্টা আগে। আপনি যদি এগারোটার দিকে ঘুমাতে যান, তাহলে কমপক্ষে সাড়ে সাতটায় খেতে বসে যাবেন। আটটার মধ্যে খাওয়া শেষ। তারপর কিন্তু রাত ১১ টা পর্যন্ত জেগে থাকতে হবে। ভাত খাওয়ার পরে অনেকেরই ঘুম আসে সেটা ফাইট করতে হবে। এটা কেন করবেন? ভরপেটে চিৎ হয়ে শুলে, পাকস্থলী থেকে অ্যাসিড উপরের দিকে আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

    ৫. ঘুমানোর সময় বা বিছানায় শোয়ার সময় মাথা আর বুক ১০ থেকে ২০ সেন্টিমিটার উঁচুতে রাখবেন কোমরের চেয়ে। সেটা পাকস্থলীর এসিড উপরে ওঠা থামাবে। বালিশ দিয়ে উঁচু করবেন না। কারণ এতে শুধু আপনার মাথাটাই উঁচু হয়। বরং তোষকের নিচে বা খাটের নিচে কিছু দিয়ে খাটের একটা দিক উঁচু করে নিবেন এবং সেই দিকে মাথা দিবে । যাদের রাতের বেলা জ্বালাপোড়া সমস্যা বেশি হয়,
    তাদের জন্য এই ধাপটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আর খেয়াল রাখেন ঘুমের সময় দেহের ভঙ্গিটা যেন স্বাস্থ্যকর থাকে। আঁকাবাঁকা অস্বাস্থ্যকর হলে আবার শরীরে ব্যথার সৃষ্টি হতে পারে । বালিশ বা বালিশ এর উচ্চতা পরিবর্তন করলে অনেকেরই ঘাড় ব্যথা হয়।

    ৬. এবার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলবো। যেটা শুধু আপনার বুকে জ্বালাপোড়াই কমাবে না, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হবে। আপনার যদি ওজন বেশি হয়, তাহলে সেটা কমানোর চেষ্টা করুন ।
    অতিরিক্ত ওজন অনেক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ ইত্যাদি অনেক কিছুই এই অতিরিক্ত ওজনের সাথে সম্পর্কযুক্ত । তাই ওজন কমিয়ে ফেলা এবং কমানোর পর সেটা ধরে রাখাই শ্রেয়।
    আপনার বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা সমাধানেও এটা অনেক সাহায্য করবে।

    ৭. ধূমপান বন্ধ করতে হবে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা ধূমপান কমিয়ে ফেলে বা বন্ধ করে দেয়, তাদের এই সমস্যা অনেকাংশে কমে যায় । আর ধূমপানও নানা ধরনের রোগের কারণ, তাই এই অভ্যাসটা পরিত্যাগ করাই শ্রেয়।

    সুতরাং জীবনাচরণে কিছু পরিবর্তন আনার প্রয়োজন। তবে সবার রোগ এমন অবস্থায় থাকবে না যে শুধু জীবনাচরণের পরিবর্তনেই সেরে যাবে। ঔষধের সাহায্য দরকার হতে পারে, তবে ওষুধের পাশাপাশি এই ধাপ গুলোও মেনে চলতে হবে।

  • এবার একাদশের নাম দিবে সাংবাদিকরাঃ পাপন

    এবার একাদশের নাম দিবে সাংবাদিকরাঃ পাপন

    আগামী অক্টোবরে ভারতে মাঠে গড়াবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। চার মাস বাকি থাকলেও বাংলাদেশ দল নিয়ে এখনই চলছে জোর আলোচনা। কে দলে থাকবেন, কে থাকবেন না; এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রায়ই প্রশ্ন করেন সংবাদকর্মীরা।

    এই টুর্নামেন্টের স্কোয়াডে কারা থাকবেন, এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে ইতোমধ্যেই। বিশেষত কয়েকটি পজিশন নিয়ে বেশ জোর আলোচনা রয়েছে কয়েকজনের ব্যাপারে।

    বিশ্বকাপের দল নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রশ্ন করা হয়েছিল বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকে। জবাব দিতে গিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের সেরা একাদশ চাইবেন সাংবাদিকদের কাছেই।

    মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। কী মনে করে ঘুরে তাকালেন বিসিবি সভাপতি, একজন সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘আপনাদের সবার কাছে কিন্তু একটা করে দল চাইব বিশ্বকাপের, স্কোয়াড না একদম একাদশ দিতে হবে কিন্তু।’

    তিনি বলেন, ‘এখন ক্রিকেট নিয়ে সবচেয়ে বেশি সরব হচ্ছে মিডিয়া। এটাতে আমরা খুশি। আপনারা এত বেশি সম্পৃক্ত এটা আমাদেরও সাহায্য করে। সোশ্যাল মিডিয়া নিয়েও আমরা খুশি, কিন্তু ওখানে অনেকে মনে হয়েছে ক্রিকেট নিয়ে কোন ধারণাই নেই, কিন্তু মন্তব্য করেই যাচ্ছে।’

    এরপরই বিশ্বকাপের একাদশ নিয়ে সাংবাদিকদের কোর্টে বল ঠেলে দিয়ে পাপন বলেন, ‘আপনারা এখানে যারা আছেন তারা ক্রিকেট সম্পর্কে প্রত্যেকেই, আমার চেয়ে বেশি জানেন এমন বহু লোক আছে। আমি চিন্তা করছি আপনাদের সবার কাছে কিন্তু একটা করে দল চাইব বিশ্বকাপের, স্কোয়াড না একদম একাদশ দিতে হবে কিন্তু। এটা হলে ভালো হয় না? জানতে তো পারলাম। আপনারা কি মনে করেন কাকে খেলানো উচিত।’

    এরপরই বিশ্বকাপের সম্ভাব্য স্কোয়াডের একটি তালিকাও দেন পাপন। বোর্ড প্রধান জানিয়ে দেন, প্রথম ছয়জনকে কোনওভাবেই বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই, ‘তামিম, লিটন, শান্ত, হৃদয়, মুশফিক, সাকিব- এই ছয়জনের মধ্যে কাউকে তো আপনারা বাদ দিবেন বলে মনে হয় না। ওপেনিংয়ে নাঈম শেখ ও বিজয় ভালো পারফর্ম করছে, তারাও আসতে পারে। কে আসবে আমি জানি না। আমার পর্যবেক্ষণ বললাম। আমার ধারণা ওপেনিংয়ে (বাড়তি) একজনকে তারা নেবে। ইনজুরির জন্য ব্যাকআপ লাগবে।’

    পেসারদের নিয়ে পাপনের ব্যাখ্যা, ‘আমার ধারণা তিনটা পেসার খেলবে নিশ্চিত। সাকিব যদি খেলে একটা স্পিনার খেলবে। পাঁচটা বোলার ছাড়া তো বিশ্বকাপ খেলবেন না। হাসান আছে, তাসকিন, শরীফুল, এবাদত, মোস্তাফিজ আছে, যে কেউ খেলতে পারে। চারজন পেসারও খেলতে পারে। যদি তিনজন স্পিনার নিয়ে খেলে তাহলে ছয়টা বোলার নিয়ে খেলতে গেলে বাড়তি স্পিনার লাগবে। বাড়তি থাকে একটা জায়গা সেখানে আছে মেহেদী হাসান মিরাজ। আমার মনে হয় না কেউ বলবে মিরাজকে বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ দেওয়া উচিত।’

  • ৭ বাংলাদেশি ফোর্বসের সফল তরুণ উদ্যোক্তার তালিকায়

    ৭ বাংলাদেশি ফোর্বসের সফল তরুণ উদ্যোক্তার তালিকায়

    প্রতিবছরই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ সংগঠক, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবকের তালিকা প্রকাশ করে থাকে বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস। আজ বৃহস্পতিবার ফোর্বসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে এবারের সফল এশীয় তরুণ উদ্যোক্তার তালিকা, যেখানে স্থান করে নিয়েছেন ৭ বাংলাদেশি।

    ‘থার্টি আন্ডার থার্টি’ নামের এই তালিকায় স্থান পান ৩০ বছরের কম বয়সীরা।  যেখানে বাংলাদেশি তরুণরাও থাকেন। এবারও ২০২৩ সালে এশিয়ার মধ্যে এই তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন সাত বাংলাদেশি।

    বৃহস্পতিবার (১৮ মে) ফোর্বসের ওয়েবসাইটে এটি প্রকাশ করা হয়। ১০টি ক্যাটাগরিতে ৩০ জন করে মোট ৩০০ জনের ‘৩০ অনূর্ধ্ব ৩০’ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে । এই তালিকায় মিডিয়া, মার্কেটিং ও বিজ্ঞাপন, সামাজিক প্রভাব ও কনজ্যুমার টেকনোলজি ক্যাটাগরিতে রয়েছেন সাত বাংলাদেশি।

    তালিকার মিডিয়া, মার্কেটিং ও বিজ্ঞাপন ক্যাটাগরিতে রয়েছেন মার্কোপলো ডটএআই’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা রুবাইয়াত ফারহান ও তাসফিয়া তাসবিন। ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সেবা দিচ্ছে মার্কোপলো ডটএআই।  ২০২২ সালে কোম্পানিটি ভেনচার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান ‘সিঙ্গাপুর ভিসি’ থেকে সাত লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে।

    সোশ্যাল ইম্প্যাক্ট বা সামাজিক প্রভাব ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বাংলাদেশের রিল্যাক্সি’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা জাহ্নবী রহমান। মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বাংলাদেশি তরুণদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সহায়তা দিয়ে থাকে রিল্যাক্সি। প্রতিষ্ঠানটির অ্যাপ ১৫ হাজারের বেশি মানুষ ডাউনলোড দিয়েছে। একই ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের আরও দুই তরুণ রয়েছেন, তারা হলেন টার্টল ভেনচারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা আনোয়ার সায়েফ ও সারাবান তাহুরা। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মূলধন সহায়তা করে থাকে টার্টল ভেনচার। ২০১৮ সাল থেকে কাজ শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে ৯০টি উদ্যোগের সঙ্গে কাজ করেছে এবং এদেরকে দেড় কোটি মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে।

    কনজ্যুমার টেকনোলজি ক্যাটাগরিতে যানবাহনের প্রযুক্তিসেবা প্রতিষ্ঠান যাত্রী’র সহ-প্রতিষ্ঠাতা আজিজ আরমান এবারের ‘৩০ অনূর্ধ্ব ৩০’ তালিকায় রয়েছেন। গত বছর ঢাকা বাস মালিক সমিতি ই-টিকিট ব্যবস্থা চালু করতে সম্মত হয় এবং যাত্রী’র মাধ্যমে পাঁচ হাজার ৬৫০টি বাসে ই-টিকিট ব্যবস্থা চালু হয়। ২০২১ সালে কোম্পানিটি ১২ লাখ ডলার বিনিয়োগ পায়। রিফ্লেক্ট ভেঞ্চারস, ব্রেইন-টু-ফ্রি ভেঞ্চারস ও এসবিকে টেক ভেঞ্চারের মতো প্রতিষ্ঠান এতে বিনিয়োগ করে। এদের কাছ থেকে মোট সাড়ে ৫২ লাখ ডলার বিনিয়োগ পাওয়ার কথা রয়েছে।

    অ্যাগ্রোশিফট টেকনোলজিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা দীপ্ত সাহাও কনজ্যুমার টেকনলোজি ক্যাটাগরিতে ফোর্বসের এবারের ‘৩০ অনূর্ধ্ব ৩০’ তালিকায় রয়েছেন। সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ফসল এনে ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করে গত বছর চালু হওয়া প্রতিষ্ঠানটি। গত বছর তারা এইচঅ্যান্ডএম-এর ‘এসটিআইটিসিএই ফর আরএমজি গ্লোবাল ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’ জিতে নেয়। ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান শুরুক পার্টনার্স ও অ্যাঙ্করলেস বাংলাদেশের কাছ থেকে গত অক্টোবরে ১৮ লাখ ডলার বিনিয়োগ পায় অ্যাগ্রোশিফট।

  • বাংলাদেশের সাথে উজবেকিস্তানকে ব্যবসা করার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

    বাংলাদেশের সাথে উজবেকিস্তানকে ব্যবসা করার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগের জন্য উজবেকিস্তানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

    বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাত সম্প্রসারণে পুনরায় সরাসরি ফ্লাইট পরিষেবা চালু করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

    বৃহস্পতিবার (১৮ মে) বিকেলে মন্ত্রণালয়ে উজবেকিস্তানের উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী বাখরম এ্যালোয়েভের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে আসলে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও উজবেকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    তাই এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে উজবেক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

    বাণিজ্যমন্ত্রী উজবেকিস্তানের উপপররাষ্ট্র মন্ত্রীকে বলেন, বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান সরাসরি ফ্লাইট চালু এবং ভিসা সহজীকরণ হলে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা সফর করে বিনিয়োগের ক্ষেত্র বের করতে পারবেন। সরকার টু সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ী টু ব্যবসায়ী যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামগ্রিক সুবিধার জন্য সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো খুঁজে বের করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় উপপররাষ্ট্র মন্ত্রী বাখরম এ্যালোয়েভ সরাসরি ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে তার সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে জানান।

    এছাড়া তিনি দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সামগ্রিক সুবিধার জন্য সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোকে খুঁজে বের করে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, আগামী আগস্ট মাসে বাংলাদেশ উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্টার গভার্নমেন্টাল কমিশন’ যোগদান করবে। দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে এই সফরে বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল থাকবেন বলেও জানানো হয়।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন উল্লেখ করে টিপু মুনশি বলেন, আগামী আগস্ট মাসে উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্টার গভার্নমেন্টাল কমিশন’ এ বাংলাদেশ যোগদান করবে।

    দুই দেশের মধ্যে পণ্য ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারিখাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে এ সফরে বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদল থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    ২০১৯ ও ২০২২ সালে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে তার তাসখান্দ সফরে আতিথেয়তার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, উজবেকিস্তান বিশ্বের মাত্র দুটি দ্বি-ভূমিবেষ্টিত দেশের মধ্যে একটি। এটি প্রাচীন সিল্ক রুটের ওপর অবস্থিত। দেশটি বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং শিল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া এবং প্রধান উন্নত দেশসহ ১৫২টিরও বেশি দেশে ‍ওষুধ রপ্তানি করছে। ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য এবং জেনেরিক ওষুধ আমদানি ছাড়াও তৈরি পোশাক, পাট, পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ, সিরামিক পণ্য, আইসিটি পণ্য, হস্তশিল্প, চামড়া কৃষি, টাটকা ফল, শাকসবজি এবং কৃষি-যন্ত্র দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার বিশাল সুযোগ রয়েছে।

    টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে উজবেকিস্তান সফরের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি রচনা করেন। তারপর থেকেই বাংলাদেশ-উজবেকিস্তান অত্যন্ত দৃঢ় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে। যা কালের পরিক্রমায় নতুন মাত্রা পেয়েছে।

    ২০১৯ ও ২০২২ সালে বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে তার তাসখান্দ সফরে আতিথেয়তার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, বিশ্বের মাত্র দুটি দ্বি-ভূমিবেষ্টিত দেশের মধ্যে উজবেকিস্তান একটি। দেশটি প্রাচীন সিল্ক রুটের ওপর অবস্থিত। ফলে এটি বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং শিল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া এবং প্রধান উন্নত দেশসহ ১৫২টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশ ‍ওষুধ রফতানি করছে উল্লেখ করে টিপু মুনশি বলেন, ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য এবং জেনেরিক ওষুধ আমদানি ছাড়াও তৈরি পোশাক, পাট, পাটজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, সিরামিক পণ্য, আইসিটি পণ্য, হস্তশিল্প, চামড়া কৃষি, টাটকা ফল, শাকসবজি ও কৃষি-যন্ত্র দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার বিশাল সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    সাক্ষতকালে উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী তাদের দেশে বাংলাদেশি পণ্য প্রদর্শন করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব সূচকে সাফল্য অর্জন করেছে। বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য বিশ্বে সুনাম ধরে রেখেছে।

    কাজেই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের উজবেকিস্তানে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও বন্ধুত্বপূর্ণ এবং দৃঢ় অবস্থানে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২৬ দশমিক ৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানির বিপরীতে উজবেকিস্তান থেকে ৮ দশমিক ৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।

  • শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার স্বীকৃতি জাতিসংঘেও : তথ্যমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার স্বীকৃতি জাতিসংঘেও : তথ্যমন্ত্রী

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জাতিসংঘ শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছে এবং তাঁর সরকার পরিচালনার ধরণ এবং জনগণের জন্য তাঁর যে কাজ এটিকে জাতিসংঘও স্বীকৃতি দিয়েছে।
    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চিন্তাপ্রসূত কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থা জাতিসংঘে ‘দি শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ শিরোনামে প্রস্তাব হিসেবে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় আজকে জাতিসংঘ  শেখ হাসিনার প্রশংসা করে এবং তাঁর সরকার পরিচালনার ধরণ এবং জনগণের জন্য তাঁর যে কাজ এটিকে জাতিসংঘও স্বীকৃতি দেয়।’
    মন্ত্রী আজ দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তারা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে এ কথা বলেন।
    তিনি বলেন, জাতিসংঘে ১৬ তারিখে যখন ‘শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ প্রস্তাবটি পাস হয়েছে, তখন আমাদের এখানে ১৭ তারিখ অর্থাৎ কাকতালীয়ভাবে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন। বিশ্বের ৭১টি দেশ বাংলাদেশের সাথে এই প্রস্তাব কো-স্পন্সর করেছে যা জাতিসংঘে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।
    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য ‘মোখা’র মতো রাজনৈতিক অঙ্গণে একটা ঝড় আসছে -এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আশ্চর্যের  বিষয়, একটি প্রাকৃতিক ঘূর্ণিঝড় আমাদের দেশের উপকূলে আঘাত হানার পূর্বক্ষণে মানুষ যখন আতংকিত-শংকিত, মানুষ যখন জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত, সে সময় কোথায় ‘মোখা’ যাতে আমাদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে সে জন্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কথা, সেটি না করে বরং সেটিকে নিয়ে রাজনীতির সাথে মেলানো এবং উপহাস করা একজন রাজনীতিবিদের সাজে না।’
    ‘আর এখন তো ‘মোখা’ পাশ কাটিয়ে চলে গেছে, ‘মোখা’র মতোই বিএনপির আন্দোলনও পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি হাঁটা শুরু করছে, হাঁটুক। উনারা কিছুদিন আগে হেঁটেছেন এখন আবার সমাবেশ করবেন বলছেন, আবার পদযাত্রা কর্মসূচিও না কি দেবেন। উনারা হাঁটাহাঁটি করলে ভালো।’
    বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান বলেন, ‘সকল কূটনীতিককে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। কিন্তু দেশে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার পর কয়েকজন কূটনীতিককে বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিলো। আমাদের সরকার অত্যন্ত সফলভাবে জঙ্গিদের দমন করতে সক্ষম হয়েছে। জঙ্গি দমনে সক্ষমতায় আমরা অনেক উন্নত বড় দেশের চেয়েও বেশি সক্ষমতা দেখাতে পেরেছি। বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকে এ রকম বাড়তি নিরাপত্তা কূটনীতিকদের দেওয়া হতো না। কয়েকজন কূটনীতিককে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার পর বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিলো। সেটি এখন যেহেতু প্রয়োজন নাই সে জন্য প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু তাদের নিরাপত্তা অব্যাহত আছে।’
    হাছান মাহমুদ  বলেন, ‘তদুপরি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটাও সুস্পষ্ট করেছেন, কেউ যদি বাড়তি নিরাপত্তা সরকারের কাছে চায় এবং সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করে, তাদের সেটি দেওয়া যেতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে কোনো দেশের সাথে সম্পর্কের কোনো বিষয় নাই, এটি রুটিন ওয়ার্ক।’ সূত্র : বাসস