Category: প্রযুক্তি

  • প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করেছেন: পলক

    প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করেছেন: পলক

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২১ অক্টোবর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জন্যে অপরিহার্য। কারণ তিনি উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করেছেন, বলে উল্লেখ করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক

    আজ শনিবার (২১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সিংড়া কোর্টমাঠের মুক্তমঞ্চে বিভিন্ন পর্যায়ে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের চার হাজার ৩০৩ জন সুবিধাভোগীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিকতার শ্বাশত উদাহরণ। মানুষের কল্যাণে তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রতিবন্ধীদের জন্যে সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ছাড়াও তাদের জন্যে ভাতার ব্যবস্থা করেছেন, পরিধি ও সংখ্যা বৃদ্ধি করেছেন। প্রধানমন্ত্রী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতার প্রচলন করেন। ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত এসব ভাতা লক্ষ মানুষের জীবনকে স্বাচ্ছন্দময় করেছে। ঐ সময়ে তিনি তৃণমূলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি হেলথ ক্লিনিক চালু করেন। আগামীতে বিএনপি ক্ষতমায় আসতে পারলে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ভাতা প্রদান কার্যক্রমও বন্ধ করে দেবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৮১ সালে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জননেত্রী শেক হাসিনা দেশে আসেন। ৮১ থেকে ৯৬ পর্যন্ত তিনি সারাদেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেছেণ। ১৯৯৬ সালে অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ শুরু করেন। এ ধারা এখনো অব্যাহত। দেশের মানুষের কল্যাণের জন্যে শেখ হাসিনা’র কোন বিকল্প নেই। তাই উন্নয়ন ও সুশাসনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আবারো নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করতে হবে।

    প্রতিমন্ত্রী পরে সমজান আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শেরকোল ইউনিয়ন এবং লালোর ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে লালোর ইউনিয়নের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাপ্রাপ্তদের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন সরদার সভায় সভাপতিত্ব করেন।

  • আজ বিশ্বে বায়ুদূষণের প্রথম স্থানে ঢাকা

    আজ বিশ্বে বায়ুদূষণের প্রথম স্থানে ঢাকা

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৬ অক্টোবর, ২০২৩: বর্ষা মৌসুম শেষ হতে না হতেই বায়ু দূষণের শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকা শহরের নাম। এই বায়ুদূষণের কারণে বিভিন্ন ধরণের ফুসফুস জনিত বিভিন্ন রোগের দেখা দেয়। বিশেষভাবে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। শিশুদের চোখে জ্বালাপোড়া, খুদামন্দাসহ সর্দি কাশি প্রায় লেগে থাকে। বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগের কারণ। কেননা এখন স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষার সময় চলে এসেছে। তাই স্কুলে খুব জোর দিয়ে চলছে পড়ালেখা।  একে ঢাকা শহর ঘনবসতিপূর্ণ তার উপর বায়ুদূষণের খারাপ প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে কতৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে হবে।

    আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) ১৮৩ স্কোর নিয়ে ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

    একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ হলে তা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

    ২০১ থেকে ৩০০ একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয় এবং ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই স্কোরকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।

    ভারতের দিল্লি, চীনের সাংহাই যথাক্রমে একিউআই ১৭৭ ও ১৭১ স্কোর নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে।

    দূষণের ৫ বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

    দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠে এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।

    ২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ু দূষণের ৩ প্রধান উৎস ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণস্থানের ধুলা।

    প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে তথ্য দেয়। পাশাপাশি, সেই শহরের বাসিন্দাদের জন্য কোন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।

    এদিকে বায়ু দূষণের পাশাপাশি ঢাকা শহরে শব্দ দূষণের মাত্রা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। কেননা রাস্তায় যানজট এড়াতে যানবাহন গুলি থেকে অনবরত হর্ণ বাজিয়ে শব্দদূষন আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই এখন কর্তৃপক্ষকে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে। সঙ্গে চাই নাগরিক সচেতনতা। তানাহলে দেশের মানুষ দারুণ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে।

  • রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

    রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইউরেনিয়াম প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ০৫ অক্টোবর, ২০২৩: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের (আরএনপিপি) জ্বালানি (নিউক্লিয়ার ফ্রেশ ফুয়েল) ইউরেনিয়াম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য হলো। সেই সঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের কাতারে উঠে এলো।

    এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে উত্তরণ উপলক্ষ্যে আমি সবাইকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। এ প্রকল্পে আমাদের দুই দেশের স্বার্থ জড়িত এবং এটি পরস্পরের সহযোগিতার ক্ষেত্রকে আরও গভীর করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এবং রাশিয়ান ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মস্কো থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে এ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশনের (রোসাটম) মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ।

    এ সময় আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার(আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত ছিলেন অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা থেকে।

    এ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের প্রথম ব্যাচের জ্বালানি গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাশিয়া থেকে বিমানে দেশে আনা হয়। গেল ২৯ সেপ্টেম্বর এ জ্বালানি রূপপুর প্রকল্প এলাকায় পৌঁছায়। জ্বালানি হস্তান্তরে প্রকল্প সাইটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    প্রথম ব্যাচের এ ইউরেনিয়াম সাত ধাপে দেশে আনা হচ্ছে। বাকি ছয় ধাপেও জ্বালানি রাশিয়া থেকে দ্রুত এসে পৌঁছাবে। বৃহস্পতিবার আরও এক ধাপে আসার কথা রয়েছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই ধাপে ধাপে ইউরেনিয়াম আনা হবে।

    বর্তমানে পৃথিবীর ৩২টি দেশে ৪৪৯টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। সেগুলো থেকে উৎপন্ন বিদ্যুতের পরিমাণ মোট উৎপন্ন বিদ্যুতের প্রায় ১২ শতাংশ। ১৪টি দেশে আরও ৬৫টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন। ২০২৫ সাল নাগাদ ২৭টি দেশে ১৭৩টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রকল্পের পরিচিতি তুলে ধরেন পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রকল্প পরিচালক ড. মো. শৌকত আকবর।

    এরপর পারমাণবিক জ্বালানি উৎপাদন ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম ব্যাচের হস্তান্তর সম্পর্কিত ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।

     

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আলী হোসেন। এরপর ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি এজেন্সির মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি।

    এদিকে গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান উপলক্ষে পুরো বিদ্যুৎকেন্দ্র এলাকা নানা রঙের ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ছবি রয়েছে।

  • বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাংলাদেশে বেশ বড় ধরণের ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাংলাদেশে বেশ বড় ধরণের ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে

    www.HelloBangla.News –  প্রযুক্তি –  ৩ অক্টোবর, ২০২৩ : গতকাল সোমবার (২ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, রিখটার স্কেলে এর ছিল মাত্রা ৫.২। তবে গুগলের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.৩ বলে জানানো হয়। তবে ভূমিকম্পের মাত্রা যাই হোকনা কেন এতে ক্ষয়ক্ষতির কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের মেঘালয়ের রেসুবেলপাড়া নামক স্থান থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ছয়টা ৪৫ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাংলাদেশ বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়ে যা বড়ো ভূমিকম্পের আভাস দিচ্ছে। বিজ্ঞানিরা বলছেন মাটির নিচে যে অনেক শক্তিশালী উত্তাপ লুকিয়ে আছে একদিন না একদিন তা বেরিয়ে আসবে। তখনি দেখো দিবে বড়ো কম্পনের। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হবে রাজধানী ঢাকার।

     

    গত পাঁচ মাসে যত ভূমিকম্প:

    এরআগে গত সেপ্টেম্বরে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। গত ০৯ই সেপ্টেম্বর সিলেট ও এর আশপাশের এলাকায় ৪.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের আসামে।

    গত ১৭ই সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে ৪ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিলো ঢাকা থেকে ৬০ কিলোমিটার দুরে টাঙ্গাইলের একটি এলাকায়।

    এর আগে চলতি বছরের মে মাস থেকে শুরু করে আগস্ট পর্যন্ত চার মাসে মোট তিন বার ছোট থেকে মাঝারি আকারের ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যার মধ্যে প্রায় প্রতিটির উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের সীমানার ভেতর বা আশেপাশে।

    ১৪ই আগস্ট রাত ৮টা ৪৯ মিনিটের দিকে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় রাজধানীসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায়।

    মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৫, যা মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প। আর এর উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের সিলেটের কানাইঘাট এলাকায়। গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

    এর আগে, গত ১৬ই জুন রাজধানীসহ সারা দেশে ৪.৫ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জ।

    আর চলতি বছরের মে মাসের পাঁচ তারিখে আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছে ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায়।

    যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এর হিসেব অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৩। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার কাছে বিক্রমপুরের দোহার থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। এটিরও গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

    ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা তখন বলেছিলেন, বার্মিজ প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেটের পরস্পরমুখী গতির কারণেই এ ধরণের ভূমিকম্প হচ্ছে।

    তারা জানান, এই দুটি প্লেটের সংযোগস্থলে প্রচুর পরিমাণে শক্তি জমে রয়েছে যেগুলো বের হয়ে আসার পথ খুঁজছে। আর সে কারণেই ঘন ঘন এমন ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে।

     

    কত বছর পর পর হয় ভূমিকম্প:

    বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণায় দেখেছেন সাবডাকশন জোনে বড় আকারের দুটো ভূমিকম্পের মাঝখানে সময়ের ব্যবধান হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ বছর।

    ময়নামতি পাহাড়ে বৌদ্ধ বিহারের যে স্থাপনা আছে, ওই এলাকা থেকে লোকজন অভিবাসন করে চলে গিয়েছিল ৮০০ থেকে ১,০০০ বছর আগে। তাদের ওই অভিবাসনের সঙ্গে ভূমিকম্পের সম্পর্ক ছিল।

    “তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি এখানে যে শক্তি সঞ্চিত ছিল সেটা ৮০০ বা ১০০০ বছর আগে ছেড়ে দিয়েছে এবং নতুন করে শক্তি সঞ্চিত হচ্ছে,” বলছিলেন ঢাকায় ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ হুমায়ুন আখতার।

    তাই আরেকটা বড় মাপের ভূমিকম্পের আশংকা আছেও বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

     

    বাংলাদেশে বড় ভূমিকম্পের ইতিহাস:

    বাংলাদেশের সিলেট, চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় ১৫৪৮, ১৬৪২, ১৬৬৩, ১৭৬২, ১৭৬৫, ১৮১২, ১৮৬৫, ১৮৬৯ সালে ভূমিকম্প হওয়ার ঐতিহাসিক উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে এসবের মাত্রা কত ছিল তা জানা যায় না।

    এছাড়া ১৮২২ ও ১৮১৮ সালে সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ৭.৫ ও ৭.৬ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। অবশ্য এর ক্ষয়ক্ষতির তেমন বর্ণনা পাওয়া যায় না।

    গবেষকদের মতে বাংলাদেশে গত ১২০-২৫ বছরে মাঝারি ও বড় মাত্রার প্রায় শতাধিক ভূকম্প অনুভূত হয়েছে।

    তবে এসবের মধ্যে রিখটার স্কেলে সাত বা তার চেয়ে বড় মাত্রার ভূমিকম্পের সংখ্যা খুব বেশি নয়।

    যদিও বাংলাদেশ ভূমিকম্প-প্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং এর নিচে যে পরিমাণ শক্তি জমা হয়ে আছে তা বের হলে বাংলাদেশে বেশ বড় ধরণের ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করেন।

    তাই আমাদের বিল্ডিং কোডের নিয়ম মেনে বাড়ি তৈরি করতে হবে। তাকতে হবে অন্যান্য ব্যবস্থা। যাতে বড় ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি সহজে পুষিয়ে নেওয়া যায়।

    সূত্র: বিবিসি

  • ওজোন স্তর রক্ষায় কাজ করছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী

    ওজোন স্তর রক্ষায় কাজ করছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: ওজোন স্তর রক্ষায় ২০২৫ সালের মধ্যে ৬৭ দশমিক ৫ শতাংশ এইচসিএফসি এর ব্যবহার কমাতে কাজ করছে সরকার বলে জানিয়ে্যেছন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দিন ।

    আজ সেমাবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের পরিবেশ অধিদফতর অডিটোরিয়াম ভবনে বিশ্ব ওজোন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ওজোন স্তর রক্ষায় গৃহীত মন্ট্রিল প্রটোকলের আওতায় এইচসিএফসি এর ব্যবহার কমিয়ে আনা হবে। এইচএফসি এর ফেজ আউটের জন্য এমন সব বিকল্প প্রযুক্তি উৎসাহিত করা হয়েছে যা একইসঙ্গে ওজোন স্তরের রক্ষা ও জলবায়ুবান্ধব হবে।

    সরকার রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং পণ্য উৎপাদকের জন্য ট্যাক্স ও ভ্যাট প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ প্রদান করছে এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রূপান্তরিত এসিগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হলে দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানির সুযোগ বাড়বে।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, মন্ট্রিল প্রটোকল অত্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়নের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১২  ও ২০১৭ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ সংস্থা কর্তৃক বাংলাদেশ প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে। এছাড়া ওজোন স্তর ক্ষয়কারী দ্রব্যের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও আমদানি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশন এবং জাতিসংঘ পরিবেশ এবং ওজোন সেক্রেটারিয়েট কর্তৃক ২০১৯ সালে পরিবেশ অধিদফতরকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা জানিয়েছেন, মানুষের দৈনন্দিন বিভিন্ন কর্মকান্ডের কারণে ওজোনস্তর ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে বলে মানবস্বাস্থ্যসহ প্রকৃতি নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা স্ব স্ব ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষা করার আহবান জানান। নতুন প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে না পারলে তাদের জীবন হুমকির মুখে পড়বে। ওজোন স্তর সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সঞ্জয় কুমার ভৌমিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, একই মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার ও অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আবদুল্লাহ হারুন। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ইউএনডিপির কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ স্টিফেন লিইলার।

    পরে, বিশ্ব ওজোন দিবস উপলক্ষে ক, খ ও গ বিভাগে এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সনদ ও পুরষ্কার বিতরণ করেন মন্ত্রী। এছাড়া মন্ট্রিল প্রটোকল বাস্তবায়নে নারীদের উৎসাহিত করতে একজন সুবিধাবঞ্চিত নারী টেকনিশিয়ানকে রেফ্রিজারেটর ও এয়ারকন্ডিশনার রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য বিশেষ যন্ত্রপাতি প্রদান করেন।

    সূত্র: বাসস

  • বাংলাদেশে সীসা দূষণের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে গবেষণায়

    বাংলাদেশে সীসা দূষণের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে গবেষণায়

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩: বায়ু দূষণের পাশাপাশি সীসা দূষণ বাংলাদেশে ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছে পরিবেশ বিজ্ঞানিরা।বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগের। কেননা সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর হৃদরোগে আক্রান্ত ১ লাখ ৩৮ হাজারেরও বেশি মানুষ অকালে মারা যাচ্ছে। একই কারণে দেশটির শিশুদের আইকিউ কমে যাচ্ছে, যার ফলে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হবার ঝুঁকি বাড়ছে। আর আমাদের চোখের সামনে ঘটছে প্রতিনিয়ত সীসা দূষণের ঘটনা। ব্যাটারি ভাঙ্গা শিল্প, সীসাযুক্ত পেইন্ট, অ্যালুমিনিয়ামের হাড়ি-পাতিল, খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত সিরামিকের পাত্র, ই-বর্জ্য, খেলানা, সার, রান্নায় ব্যবহৃত বিভিন্ন মশলা, প্রসাধনী, খাবার-দাবার এবং চাষ করা মাছের জন্য তৈরি খাবার হচ্চে সীসা দুষণের মূল উৎস। ইদানিংকালে দেখো যাচ্ছে বায়ু দূষণে ঢাকা শহরের নাম শীর্ষে থাকছে।

    চিকিৎসা সাময়িকী ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নালে’ প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

    বিশ্বব্যাংকের একদল গবেষক‘গ্লোবাল হেলথ বার্ডেন অ্যান্ড কস্ট অব লেড এক্সপোজার ইন চিলড্রেন অ্যান্ড অ্যাডাল্টস: অ্যা হেলথ ইমপ্যাক্ট অ্যান্ড ইকোনমিক মডেলিং অ্যানালাইসিস’ নামের এই গবেষণাটি চালায়।

    গবেষণার পর প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে যে, সীসা দূষণের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন চতুর্থ। এর ফলে একদিকে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে অস্বাভাবিক হারে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তেমনি শিশুদেরও আইকিউ কমে যাচ্ছে। আর্থিক ক্ষতির হিসেবে এর পরিমাণ প্রায় ২৮ হাজার ৬৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা দেশটির ২০১৯ সালের মোটি জিডিপি’র প্রায় ৬ থেকে ৯ শতাংশের সমান। সীসা সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে শিশুদের। মাত্রার চেয়ে বেশি সীসা শিশুদের শরীরের বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে।

    বাংলাদেশের ২০১৯ সালের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখেছেন যে, সীসা দূষণের ফলে দেশটিতে শূন্য থেকে চার বছর বয়সী বাচ্চারা প্রায় দুই কোটি আইকিউ পয়েন্টস হারাচ্ছে। এতে শিশুদের বুদ্ধির যথাযথ বিকাশ হচ্ছেনা। ফলে নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে তাদের যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি আচার-ব্যবহারেও নানা অসংগতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া, খাবারে অরুচি, ওজন কমে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ – এরকম নানা সমস্যাও তৈরি করছে।

    ইউনিসেফ বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. প্রিসিলা ওবিল এ প্রসঙ্গে বলেন, “বাংলাদেশে শিশুদের রক্তে উচ্চমাত্রায় সীসার উপস্থিতি তাদের মেধার পূর্ণ বিকাশের ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা।

    এছাড়া সীসা দূষণের ফলে তাদের আইকিউ কমে যাচ্ছে, যা দেশটির সার্বিক উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সীসা দূষণ বন্ধে জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ জরুরী।”

    ২০২২ সালের মে মাসে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজে’র তথ্যে দেখা গিয়েছিলো যে, সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার মানুষ অকালে মারা যাচ্ছে।

     

    কিন্তু নতুন এই গবেষণা প্রতিবেদনে আরও ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে এসেছে। এখানে দেখা যাচ্ছে যে, সীসা দূষণের ফলে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর,বি) সংক্রামক রোগ বিভাগের প্রকল্প সমন্বয়ক ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, “সীসা দূষণ রোধে এখনই উপযুক্ত সময়। এই সমস্যাকে সমূলে উৎপাটনের জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।”

    বাংলাদেশে সীসা দূষণ ছাড়াচ্ছে অনেক ধারণের উৎস থেকে। যেমন, ব্যাটারি ভাঙ্গা শিল্প, সীসাযুক্ত পেইন্ট, অ্যালুমিনিয়ামের হাড়ি-পাতিল, খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত সিরামিকের পাত্র, ই-বর্জ্য, খেলানা, সার, রান্নায় ব্যবহৃত বিভিন্ন মশলা, প্রসাধনী, খাবার-দাবার এবং চাষ করা মাছের জন্য তৈরি খাবার থেকেই মূলত: বাংলাদেশে সীসার দূষণ ঘটে।

    প্রকাশিত গবেষণাটির অংশ হিসেবে খুলনা, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ২০০টি নমুনা সংগ্রহ করে সীসার উপস্থিতি পরিমাপ করে দেখেছে নিউ-ইয়র্ক ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘পিওর আর্থ’।

    এসব নমুনার মধ্যে খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত ধাতব ও প্লাস্টিকের পাত্র, সিরামিক পাত্র, রঙ, শুকনা খাবার, খেলনা, রান্নায় ব্যবহৃত মশলা এবং প্রসাধনী পণ্য রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২৪% নমুনাতেই মাত্রাতিরিক্ত সীসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। খাবার রাখার জন্য ব্যবহৃত ৫৯% ধাতব পাত্রে, ৪৪% সিরামিক পাত্রে, ৯% প্লাস্টিকের পাত্রে, ৫৪% পেইন্টে, ১৭% চাল/স্টার্চে, ১৩% খেলনায়, ৭% মশলায় এবং ৬% প্রসাধনীতে অতিমাত্রায় ক্ষতিকর সীসার উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

    বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে প্রতি ডেসিলিটার রক্তে গড়ে প্রায় ৬.৮ মাইক্রোগ্রাম সীসা পাওয়া গেছে বলে গবেষণা প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।

    তবে একজন মানুষের শরীরে কতটুকু সীসা থাকা নিরাপদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তার সঠিক কোনো পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়নি। তবে সীসা দূষণে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এর ভয়াবহ প্রভাব আমাদের নতুন প্রজন্ম বিশেষ ভাবে শিশু-কিশোর ও তরুণরা মেধাশূন্য হয়ে পড়বে।তাই এই বিষয়ে দ্রুত সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের।

    সূত্র: বিবিসি বাংলা

  • দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পলকের সাক্ষাৎ

    দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পলকের সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৯ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশে নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের যমুনা হলে সাক্ষাত করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সাথে। এসময় তারা দু’দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষকরে আইসিটি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশ, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে পারস্পারিক সহযোগিতার বিষয়ে বিন্তারিত আলোচনা করেন।
    এসময় প্রতিমন্ত্রী জিটুজি এবং বিটুবি ম্যাচ মেকিংয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের আইটি খাতে বিনিয়োগের আহবান জানান। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্যোগে স্মার্ট সিটি বাস্তবায়ন, বাংলাদেশ-কোরিয়া আইসিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, স্টার্ট-আপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির উদ্দেশে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রকল্প গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতায় দেশের আইসিটি খাতকে সমৃদ্ধ করতে ইতোমধ্যে ইআরডিতে পাঠানো ৭টি প্রকল্প প্রস্তাব বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়।
    পলক বলেন আমরা ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪১ সাল নাগাদ ‘স্মার্ট সিটিজেন’, ‘স্মার্ট ইকোনমি’, ‘স্মার্ট গভর্নমেন্ট’ এবং ‘স্মার্ট সোসাইটি’ এ চারটি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে কাজ শুরু করেছি।
    রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক প্রস্তাবিত প্রকল্পসমূহের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিএসএম জাফরউল্লাহ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রনজিৎ কুমার, আইসিটি বিভাগের উপসচিব মো. মনির হোসেন, ইডিজিই প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার আব্দুল বারি তুষারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ ।
    সূত্র : বাসস

  • ভারতের ‘ প্রজ্ঞান’ প্রথম চাঁদের বুকে পা রাখল

    ভারতের ‘ প্রজ্ঞান’ প্রথম চাঁদের বুকে পা রাখল

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৬ আগস্ট, ২০২৩ : নিইল আর্মস্ট্রং প্রথম মহাকাশচারী হিসেবে ১৯৬৯ সালের ২০শে জুলাই চাঁদের বুকে সেখানে পা রেখেছিরেন। সেই ঘটনার অর্ধশতাব্দীরও বেশি পরে ভারতের চন্দ্রযান-থ্রি বুধবার সন্ধ্যায় চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নেমেছে – আর ‘বিক্রম’ ল্যান্ডারের ঢাল বেয়ে নেমে এসে মুন রোভার ‘প্রজ্ঞানপ’ ও অতি ধীরে ধীরে চাঁদের বুকে তার পদচারণা শুরু করেন।
    প্রজ্ঞান হয়তো সেকেন্ডে বড়জোর এক সেন্টিমিটারই এগোতে পারছে, কিন্তু চাঁদের বুকে এই ছোট্ট পদক্ষেপ যে ভারতের জন্য ভূরাজনীতি ও চান্দ্র অর্থনীতিতে একটা ‘বিরাট লাফ’ – তা নিয়ে পর্যবেক্ষকদের বিন্দুমাত্র সংশয় নেই। এ এক অসাধারণ অর্জন। এতে গর্বিত সারা ভারতবাসী। এবং চাঁদের বুকে সেখানে পা রাখার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানিরা।
    আন্তর্জাতিক সাময়িকী ফরেন পলিসি লিখেছে, ‘ভারতের মুন ল্যান্ডিং আসলেই একটি বিরাট জিওপলিটিক্যাল স্টেপ!”
    বিশ্বের বহু দেশ এখন মহাকাশচর্চার বিভিন্ন মাইলফলক স্পর্শ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করছে। বিশেষ করে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অভিযান চালানোর জন্য ভারত ছাড়াও রাশিয়া, চীন বা আমেরিকা – প্রত্যেকেই চেষ্টা চালাচ্ছে। সেই পটভূমিতে ভারতের এই নজিরবিহীন সাফল্য তাদের জন্য বিভিন্ন নতুন নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত খুলে দেবে ।
    তক্ষশীলা ইনস্টিটিউটে মহাকাশ ও ভূরাজনীতির গবেষক আদিত্য রামানাথন টাইমস অব ইন্ডিয়া পত্রিকায় এক নিবন্ধে লিখেছেন “চন্দ্রযানের এই অর্জনের ভিত্তিতে ভারতকে এখন ‘লুনার জিওপলিটিক্স’ বা ‘চান্দ্রেয় ভূরাজনীতি’র জন্যও নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে”,
    চাঁদের বুকে বিপুল পরিমাণে মূল্যবান খনিজ বা প্রচুর পরিমাণ জ্বালানির উৎসের সন্ধান মিলতে পারে – এই সম্ভাবনাও সাম্প্রতিককালে বহু দেশকে চন্দ্র অভিযানে আকৃষ্ট করেছে।
    রামানাথন যেমন মনে করছেন, এই সাফল্য ভারতের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে মহাকাশচর্চায় উৎসাহিত করবে এবং তারা এটাকে পেশা হিসেবেও নিতে চাইবেন।
    ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং তো ইতিমধ্যেই পূর্বাভাস করে রেখেছেন, আর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই ভারতের স্পেস সেক্টর বা মহাকাশ খাত এক ট্রিলিয়ন (এক লক্ষ কোটি) ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হবে। এই খাতের বিশেষজ্ঞরা অনেকেই মনে করছেন, চন্দ্রযান-থ্রির অভূতপূর্ব সাফল্যের পর ভারতের পক্ষে সেটা মোটেই অসম্ভব নয়।
    এই পটভূমিতে ভারতীয় মহাকাশযান চন্দ্রযান-থ্রির সাফল্য ভারতকে ‘পোল পোজিশনে’ নিয়ে আসবে, অর্থাৎ আন্তর্জাতিক দৌড়ে এগিয়ে রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    মজার বিষয় হচ্ছে চাঁদকে ঘিরে দেখা দিয়েছৈ আন্তর্জাতিক রাজনীতি:
    সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন আর আমেরিকার মধ্যে চাঁদে আগে কে পৌঁছতে পারে, সেই বিখ্যাত দৌড়ের প্রায় ছয় দশক পরে চাঁদকে কেন্দ্র করে আবার নতুন করে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। এবারে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হল চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চল – যেখানে বিজ্ঞানীরা জল বা বরফের অস্তিত্ত্ব আছে বলে প্রমাণ পেয়েছেন।
    রাশিয়া যেমন প্রায় ৪৭ বছর পর চলতি মাসেই তাদের প্রথম লুনার মিশন লঞ্চ করেছিল, যদিও গত রবিবার (২০ আগস্ট) সেই লুনা-২৫ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণে ব্যর্থ হয়। এর তিনদিন পরেই সেখানে নামে ভারতের চন্দ্রযান-থ্রি।
    আমেরিকা আবার ২০২৫ সালে মধ্যেই ওই এলাকাতে প্রথমবারের মতো মহাকাশচারীদের নামানোর পরিকল্পনা করছে – আর তার প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গেছে পুরো দমে। এই দশক শেষ হওয়ার আগেই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নভোচারী-সমেত ও নভোচারী-ছাড়া মহাকাশযান নামানোর পরিকল্পনা আছে চীনেরও। এছাড়া ইসরায়েল, জাপান বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো আরও নানা দেশই সম্প্রতি চাঁদে অভিযান চালানোর উদ্যোগ নিয়েছে, যদিও তার সবগুলোই প্রথম পর্যায়েই ব্যর্থতার মুখ দেখেছে।
    দক্ষিণ মেরুকে ঘিরে এই আগ্রহের বড় কারণ হল ওখানে সত্যিই জল পাওয়া গেলে তা রকেটের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এমন কী, পর্যাপ্ত জলের জোগান নিশ্চিত হলে চাঁদের বুকে একটি স্থায়ী স্টেশন (পার্মানেন্ট বেস) – কিংবা মঙ্গলগ্রহ বা আরও দূরে অভিযান চালানোর জন্য লঞ্চপ্যাডও স্থাপন করা যেতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন।
    নাসা-র শীর্ষ কর্মকর্তা বিল নেলসনও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সত্যিই জল পাওয়া গেলে তা ভবিষ্যতের মহাকাশচারী ও স্পেসক্র্যাফটগুলোর খুবই কাজে আসবে।
    কিন্তু ওই এলাকায় যদি চীন প্রথম তাদের কোনও মহাকাশচারীকে নামাতে পারে, তারা চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলের ওপর নিজেদের দাবি প্রতিষ্ঠা করতে চাইবে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এই ধরনের প্রতিযোগিতা অচিরেই শুরু হতে পারে, এটা আশঙ্কা করেই যুক্তরাষ্ট্র ২০২০ সালে ‘আর্মেটিস অ্যাকর্ডসে’র অবতারণা করেছিল, যে চুক্তিতে শরিক দেশগুলো মহাকাশচর্চার ক্ষেত্রে অভিন্ন নীতি ও সম্পদ ভাগ করে নেওয়ার অঙ্গীকার করে থাকে।
    পৃথিবীর বহু দেশই এই সমঝোতায় সামিল হয়েছে। গত জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী মোদীর যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ভারতও এই অ্যাকর্ডে সই করেছে।
    কিন্তু চীন ও রাশিয়ার মতো দুটি বড় ‘স্পেস পাওয়ার’ এখনও এই সমঝোতার শরিক হয়নি।
    অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের ক্ষেত্রে চন্দ্রযান-থ্রির সাফল্য চাঁদকে ঘিরে এই নতুন ‘স্পেস রেস’কেই আরও ত্বরাণ্বিত করবে – এবং ‘ফার্স্ট অ্যাচিভার’ (প্রথম অর্জনকারী) হিসেবে ভারত সেখানে অবশ্যই কিছু অ্যাডভান্টেজ পাবে।

    ভারতেরিএই চন্দ্রযানের সাফল্য লুনার ইকোনমিতে লাভক্ষতি:
    উইলসন সেন্টারে সাউথ এশিয়া সেন্টারের অধিকর্তা মাইকেল কুগেলম্যান মনে করেন ভারতের এই সফল চন্দ্র অভিযান ভারতকে তো বটেই, তার সঙ্গে বৃহত্তর বিশ্বকেও নানা ধরনের সুবিধা এনে দেবে ।
    ‘ফরেন পলিসি’তে তিনি লিখেছেন, “যে চলমান মহাকাশ গবেষণা কমিউনিকেশন ডেভেলপমেন্ট ও রিমোট সেন্সিং টেকনোলজির প্রসারে প্রভূত সাহায্য করেছে, তা এখন আরও বিস্তৃত হবে।”
    নির্দিষ্ট উদাহরণ দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন, ভারতের মহাকাশ গবেষণা অতীতে ভূগর্ভস্থ জলের স্তর মনিটর করতে এবং পৃথিবীতে আবহাওয়ার ধাঁচ (ওয়েদার প্যাটার্ন) পূর্বাভাস করতে খুবই কাজে এসেছে।
    বিশেষ করে যে সব দেশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিপদের আশঙ্কায়, তাদের জন্য এই সব তথ্য-উপাত্ত খুবই কার্যকরী হবে বলেও তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন।
    ভারতের স্ট্র্যাটেজিক থিঙ্কট্যাঙ্ক অবজার্ভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের গবেষক রাজি রাজাগোপালনও বলেছেন, ভারতের এই সাফল্য নানা দিক থেকেই বিশ্বের মহাকাশচর্চায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
    খুবই কম খরচে (আনুমানিক ৭৫ মিলিয়ন ডলার) যেভাবে ভারত একটি সফল মহাকাশ অভিযান লঞ্চ করেছে, তা তাদেরকে ‘ব্যয়সাশ্রয়ী অথচ নির্ভরযোগ্য মহাকাশ-শক্তি’ হিসেবেও প্রতিষ্ঠা দেবে বলে মনে করছেন রাজি রাজাগোপালন।
    আন্তর্জাতিক কনসালটেন্সি ফার্ম প্রাইসওয়াটারহাউস কুপার্সের একটি রিপোর্টে ‘লুনার ইকোনমি’ বলতে ঠিক কী বোঝানো হয় তা বিশদে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
    তারা বলছে, চাঁদের বুকে যত ধরনের সম্পদ আছে – চাঁদের বুকে, পৃথিবীতে ও চাঁদের কক্ষপথে তার সফল ব্যবহারই এই অর্থনীতির সূচক।
    যেমন চাঁদে হিলিয়ামের একটি আইসোটোপ হিলিয়াম-থ্রির বিরাট ভান্ডার আছে, যা পুনর্নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিপুল উৎস হয়ে উঠতে পারে।
    কিন্তু সেই হিলিয়াম-থ্রিকে কীভাবে পৃথিবীর উপকারে কাজে লাগানো যায়, সেটাই লুনার ইকোনমির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
    এমন কী, চাঁদের বুকে ‘রিয়েল এস্টেট’ বা জমিজমা নিয়েও একদিন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হতে পারে বলে তারা পূর্বাভাস করে রেখেছে।
    যদি কোনও দিন সত্যিই তা হয়, তাহলে দক্ষিণ মেরুতে ‘ফার্স্ট মুভার’ হিসেবে ভারতের যে একটা শক্ত দাবি থাকবে – অনেক বিশেষজ্ঞই সে কথা মেনে নিচ্ছেন।
    চাঁদের মাটি পাথুরে। এবড়ো-খেবড়ো। তাতে হোঁচট খেয়ে প্রজ্ঞান যাতে পড়ে না যায়, সে কারণে বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে ছয় চাকা বিশিষ্ট এই রোভার। পাথরের উপর দিয়ে চলার সময় বাকি অংশকে স্থির রেখেই এক একটি চাকা উপরে ওঠে বা নীচে নামে।
    চাঁদের মাটিতে ১৪ দিন ধরে নিজের কাজ চালাবে চন্দ্রযান-৩। এই ১৪ দিনের কাজ শেষ হলে কী হবে? জিনিসপত্র গুছিয়ে কি আবার ঘরে ফিরবে চন্দ্রযান-৩? ইসরো জানিয়েছে, তেমনটি হবে না। কাজ শেষেও ‘বাড়ি’ ফেরা হবে না ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ বা অভিযাত্রী যান ‘প্রজ্ঞান’-এর। চিরতরে চাঁদের মাটিতেই থেকে যাবে তারা। এমনকি, ১৪ দিনের কাজ শেষ হলে ‘কর্মক্ষেত্রে’ মৃত্যুও হতে পারে তাদের।
    নিইল আর্মস্ট্রং বলেছিলেন, “এটা একজন মানুষের ছোট একটা পদক্ষেপ হতে পারে, কিন্তু সমগ্র মানবজাতির জন্য বিরাট একটা লাফ!” বিশ্বের মহাকাশচর্চার ইতিহাসে ওই বাক্যটি প্রায় প্রবাদে পরিণত হয়েছে। ভারত তার অংশ হয়ে উঠেছে। একদিন কী বাংলাদেশের লাল সবুজ পতাক উড়তে দেখা যাবে চাঁদে।
    সূত্র : বিবিসি বাংলা ও আন্দবাজার পত্রিকা

  • বিজ্ঞানীরা বলছেন ভূতের কোন অস্তিত্ব নেই

    বিজ্ঞানীরা বলছেন ভূতের কোন অস্তিত্ব নেই

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২২ আগস্ট, ২০২৩ : এক সময় ছিল যখন শিশুদের ঘুম পাড়ানো হতো ভূতের ভয় দেখিয়ে। আবার এটাও হয়েছে যে কেউ যদি এমন আচরণ করে যার কারণে মনে করা হয় যে সেই ব্যক্তির উপর অশরীরি আত্বা ভর করেছে। আবার কোন গভীর জঙ্গল থেকে রাতে অদ্ভুত কোন কথা শোনা যায় এবং যার কোন অর্থ নেই তখন বলা হয় এখানে ভূত আছে। আসলে ভূত বলে কি কিছু নেই। এক গবেষণার পর জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। তবে তারা ভূত সম্পর্কে তারা কিছু চমকপ্রদ কিছু বিষয় ব্যাখ্যা দিযেছে যার মাধ্যমে বুঝা যায়, মানুষ কেন মনে করে যে সে ভূত দেখেছেন।
    রাতে অশরীরি কোনো কন্ঠস্বর, অদ্ভুত দর্শন কিছু, মেরুদন্ড বেয়ে শীতল স্রোত বয়ে যাওয়া। অনেক মানুষই হয়তো তাদের জীবনে এমন ভুতুড়ে কিছু অনুভব করেছেন যার কোনো ব্যাখ্যা হয়না।
    যেমন ধরুন, পেনিফোর্ড ফার্মের খামারবাড়ির বাসিন্দাদের অভিজ্ঞতা। উত্তর ওয়েলসের ফ্লিন্টশায়ারে বাড়ির প্রাক্তন মালিকরা দাবি করেছিলেন, ১৯৯০ এর দশকে তারা যখন এখানে থাকতেন, তখন সেখানে ভূতের উপদ্রব ছিল।
    গণমাধ্যমে দেয়া বেশ কিছু সাক্ষাৎকারে তারা বলেন, ওয়েলসের দেয়ালজুড়ে অদ্ভূত ভাষার কথা শুনতে পান তারা, যে ভাষায় তারা কেউ কথা বলেন না, এরপর বাড়ির জিনিসপত্র একা একা বিভিন্ন দিকে নড়তে শুরু করে এবং তারা আসলে একজন গর্ভবতী তরুণীর দ্বারা ভুতুড়ে কর্মকান্ডের শিকার হয়েছেন যাকে বাগানে সমাহিত করা হয়েছিল।
    বিবিসি প্যারানরমাল অনুষ্ঠানের জন্য এসবের সত্যতা জানতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং সেখানকার সেইসময়ের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে। বিবিসি থ্রি এবং বিবিসি ওয়েলস এই খামারবাড়িতে গিয়ে ভেতরের কিছু জিনিস দেখিয়েছে যা এতদিন পর্যন্ত তালাবদ্ধ ছিল। সিরিজটিতে বিবিসি রেডিও ওয়ানের ডিজে সিয়ান এলেরি এই বাড়িতে কী ঘটেছে তার একটা যৌক্তিক ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করেন।
    তবে এ কাজে তিনিই প্রথম নন, অনেকদিন ধরে বহু মানুষ ভূত দেখার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করে চলেছেন। বিবিসি থ্রি এমন দুজন বিজ্ঞানীর সাথে কথা বলেছে যারা এরইমধ্যে সেটি করতে সমর্থ হয়েছেন। প্যারানরমাল ঘটনার প্রমাণ বিজ্ঞানে না থাকলেও মানুষ বিশ্বাস করে যে সে ভূত দেখেছে, আর এর পেছনে মানসিক ও পরিবেশগত কিছু দিক তুলে এনেছেন এই দুই বিজ্ঞানী।

    বোবায় ধরা একজন ব্যক্তির কাছে একটি বর্ণনা থেকে জানা যায়“একটা কালো বিড়াল তার মুখ থেকে ভয়ংকর কালো পদার্থ বের করছে আর হিসহিস করছে” :
    ড. ক্রিস ফ্রেঞ্চ লন্ডনের গোল্ডস্মিথস বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানোম্যালিস্টিক সাইকোলজি রিসার্চ ইউনিটের প্রধান। এই ইউনিটের কাজ হল মানুষের যেসব প্যারানরমাল বিশ্বাস ও ব্যাখ্যাতীত অভিজ্ঞতা হয়, সেগুলোর পেছনের মনস্তত্ত্ব নিয়ে গবেষণা করা। তিনি অনেক ভূত দেখার গল্পের পেছনের কারণ হিসেবে স্লিপ প্যারালাইসিসকে তুলে এনেছেন, যেটাকে বাংলায় কেউ কেউ ‘বোবায় ধরা’ বলে থাকেন।
    মানুষ যখন তার ঘুমের একটা বিশেষ পর্যায় র্যাপিড আই মুভমেন্ট (আরইএম) – এ পৌঁছায়, তখন আর মস্তিষ্ক শরীরকে নড়াচড়ার সংকেত পাঠায় না। আর ঠিক এই সময়টায় মানুষ কখনো জেগে উঠলেও নড়াচড়া করতে পারে না।
    যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বা এনএইচএস ওয়েবসাইট বলছে, স্লিপ প্যারালাইসিসের অন্যান্য কিছু স্বাভাবিক লক্ষণ হল, মনে হবে কেউ আপনার ঘরে আছে অথবা আপনাকে চেপে ধরে আছে। আর যেহেতু র্যাপিড আই মুভমেন্টের সময়টায় মানুষ সবচেয়ে বেশি স্বপ্ন দেখে তাই এসময় হ্যালুসিনেশন বা দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।“স্লিপ প্যারালাইসিস হল স্বাভাবিক ঘুমের প্রক্রিয়ায় এক ধরনের ত্রুটি,” ড. ক্রিস ব্যাখ্যা করেন। “এটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। আমার একজন ছাত্র আমাকে ঘুম থেকে উঠার বিষয়ে বলেছিল যে তার বিছানার পাশে একটি কালো বিড়াল তার দিকে তাকিয়ে হিস হিস করছে। কিন্তু এটা একটা উল্টানো বিড়ালের মাথার খুলি ছিল যার মুখ থেকে কালো পদার্থ ঝরছিল,” বলেন ড. ক্রিস।
    স্লিপ প্যারালাইসিসের ক্ষেত্রে হ্যালুসিনেশনের বিষয়টি ‘শতকরা খুব সামান্য’ পরিমাণে উঠে আসে। কিন্তু যেহেতু স্লিপ প্যারালাইসিস অনেকের মাঝেই দেখা যায় তাই সেই ‘শতকরা খুব সামান্য’ হ্যালুসিনেশন অনেক মানুষকে ভূত দেখায়, মি. ক্রিস ব্যাখ্যা করেন।

    ফাঙ্গাস এবং ভূতের উপদ্রবের খবরের মধ্যে একটা শক্ত সংযোগ আছে:
    ডা. শেন রজার্স নিউইয়র্কের ক্লার্কসন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ও এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একজন অধ্যাপক। তিনি ভুতুড়ে বাড়ি এবং ফাঙ্গাসের মধ্যে সংযোগের বিষয়টি নিয়ে বিশদ কাজ করেছেন।
    শেন লক্ষ্য করেন, তার বাচ্চাদের বেজমেন্টে নিয়ে দেয়ালে ফাঙ্গাস দেখানোর পর তারা ‘অদ্ভুত আচরণ’ করে। তিনি ভুতুড়ে বাড়ি নিয়ে একটা টিভি সিরিজেও লক্ষ্য করেন যে সেখানে প্রচুর ফাঙ্গাসের চিহ্ন আছে। এরকম ফাঙ্গাস দেখার পর মানুষের যে অভিজ্ঞতা হয় সেটা তারা যে ভূত দেখার কথা বলে, তার সাথে মিলে যায়।
    এনএইচএস বলছে, সাধারণত স্যাঁতসেঁতে বিল্ডিংয়ে যে ফাঙ্গাস দেখা যায় সেগুলো শ্বাসকষ্ট এবং চোখের জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে, যা থেকে মানুষ কখনো কখনো কালো অবয়ব দেখতে পায়।
    ল্যাব টেস্টেও একটা ইঁদুরকে কালো ফাঙ্গাস দিয়ে দেখা হয়েছে যে সেটা তার ভেতর কোনো ভয়ের অনুভূতি তৈরী করে কিনা।
    শেন এবং তার দল ২৭টি জায়গা থেকে বিভিন্ন সব ফাঙ্গাস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে সমর্থ হয়, যার মধ্যে ১৩টিই ভুতুড়ে জায়গা হিসেবে পরিচিত।
    এই দলটা ফাঙ্গাস এবং ভূতের উপদ্রবের খবরের মধ্যে একটা শক্ত সংযোগ খুঁজে পান।
    ডা. শেন বলেন, “আমরা আমাদের নমুনা থেকে নিশ্চিত হয়ে বলতে পারি যে, পরিসংখ্যানগতভাবে ভুতুড়ে জায়গাগুলিতে ফাঙ্গাসের অস্তিত্ব একটা বড় পার্থক্য গড়ে দেয়।”
    “অবশ্য একই সাথে এটাও ঠিক যে আমরা অনেক জায়গায় ফাঙ্গাসের অস্তিত্ব পেয়েছি যেগুলোর সাথে ভূতের উপদ্রবের কোনো সংযোগ নেই। এমনকি আমার বাড়ির বেজমেন্টেও সমস্যা আছে। কিন্তু এই ফাঙ্গাসের ব্যাপারটা ভুতুড়ে আর স্বাভাবিক বাড়ির মধ্যে একটা বড় পার্থক্য সৃষ্টি করে।”
    “আপনাকে কেউ যদি বলে এই ঘরে ভূত আছে, তাহলে সেখানে প্রতিটা শব্দ আপনার নজর কাড়বে”
    ড. ক্রিস, যিনি বিবিসি রেডিও ফোরের ‘আনক্যানি’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন, তিনি বলেন, যেসব মানুষ মনে করে তারা ভূত দেখেছে তাদের এই চিন্তার পেছনে তিনটি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা থাকে: পূর্ব বিশ্বাস (আপনি যদি আগে ভূতে বিশ্বাস করেন তাহলে আপনি কোনো অদ্ভুত অভিজ্ঞতাকে প্যারানরমাল বলে মনে করবেন), পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং হ্যালুসিনেশন।
    ক্রিস ব্যাখ্যা করেন, “যখন মানুষ ভূত শব্দটা শোনে, তখন কল্পনা করে যে দেয়ালে শেকলবাঁধা ভূত হাঁটছে। মানুষ এরকম বলে, কিন্তু এটা খুবই বিরল। এটা অনেক বেশি অস্পষ্ট একটা অনুভূতি। কারো অস্তিত্ব টের পাওয়া, মাথা ঘোরা, ঝাপসা দেখা, শরীরে তাপমাত্রার পরিবর্তন হওয়া বা মেরদন্ডে কাঁপুনি।“
    “হ্যালুসিনেশন তো খুবই স্বাভাবিক। যে কারো দীর্ঘসময় ঠিকমতো ঘুম না হলে, অত্যাধিক মানসিক চাপ বা উচ্চ তাপমাত্রায় এটা হতে পারে।”
    পারিপার্শ্বিক অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। “যদি আপনাকে কেউ খুব পুরনো একটি ভবন দেখিয়ে বলে এখানে ভূতের অস্তিত্ব আছে, তাহলে আপনি এখানকার প্রতিটি শব্দ লক্ষ্য করবেন এবং তাপমাত্রার পরিবর্তন খেয়াল করবেন, যেটা হয়ত ভূতের কথা না বললে করতেন না,” বলেন ক্রিস।

    একটি কৃত্রিম ভুতুড়ে কক্ষের বর্ণনা:
    ভূতের অস্তিত্ব নিয়ে আরো দু’টি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। একটা হল, ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ফিল্ড মানুষের মস্তিষ্কে সংকেত পাঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ফলে হ্যালুসিনেশন হয়।
    আরেকটা হল শব্দ, যা এতটাই আস্তে যে একজন মানুষের শোনার জন্য যথেষ্ট নয়। এক্ষেত্রে মতবাদটি হল, কিছু নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি (১৯ হার্টজের কাছাকাছি) মানুষের চোখের মণিতে একটা কম্পন সৃষ্টি করে, যা থেকে দৃষ্টিবিভ্রম ঘটে।
    এই দুটো মতবাদ যাচাই করতে ক্রিস ও তার দল একটা কৃত্রিম ভৌতিক কক্ষ বানিয়েছেন। সেখানে অংশগ্রহণকারীদের ইনফ্রাসাউন্ড ও ইলেকট্রোম্যাগনেটিক কার্যক্রম দিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
    ক্রিস জানান, “মানুষ এই কক্ষে অস্বাভাবিক অনুভূতির কথা বলছে। ৮ শতাংশ মানুষ তো ভয় পাওয়ার কথাও জানিয়েছে।”
    কিন্তু সমস্যা হল আমরা যখন ফলাফল বিশ্লেষণ করছি, তখন আসলে ইনফ্রাসাউন্ড বা ইলেকট্রোম্যাগনেটিকের ব্যাপারটা আর গুরুত্বপূর্ণ থাকছে না। আপনি যদি কয়েকজনকে বলেন যে এই কক্ষে আপনার কিছু অস্বাভাবিক অভিজ্ঞতা হতে পারে, সেটাই আসলে একধরণের পরামর্শের মতো কাজ করছে। অর্থাৎ এটা এই পরামর্শের ক্ষমতা ছাড়া আর কিছু নয়।”
    পূর্ব বিশ্বাস, পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং হ্যালুসিনেশন তিনটি মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা মানুষ ভূতের অস্তিত্ব অনুভব করে।
    সূত্র : বাসস

  • ভারতের আইআইটি’র রিসার্চ পার্ক পরিদর্শনে প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী

    ভারতের আইআইটি’র রিসার্চ পার্ক পরিদর্শনে প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২১ আগস্ট, ২০২৩ : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এক সফরে ভারতে অবস্থান করছেন। গতকাল রবিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে তিনি ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) মাদ্রাজ এর রিসার্চ পার্ক পরিদর্শন করেন।

    এই সময় তিনি আইআইটিএম এর সিইও ডা. এম জে শঙ্কর ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রবর্তক ডা. গৌরব রায়না, এবং প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

    এ সময় তারা ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ভিত্তিক শেখার পদ্ধতি সম্পর্কে তাদের মতামত তুলে ধরেন। এ পদ্ধতি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য শিক্ষাক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে তারা মনে করেন।
    আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক আধুনিক প্রযুক্তি সবসময় আমাদের সামাজিক ও জাতীয় জীবনে একটি নতুন মাত্রা নিয়ে এসেছে। প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের জীবনকে সহজ, দ্রুত এবং নিরাপদ করে তুলছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

    এছাড়াও প্রতিমন্ত্রী চেন্নাইয়ের রেলা ইনস্টিটিউট অব হেলথ সেন্টার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী রেলা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। তিনি চিকিৎসায় প্রযুক্তির বিপ্লব এবং কীভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ওষুধের প্রক্রিয়া পরিবর্তন করে তা প্রত্যক্ষ করেন।

    চেন্নাই রেলা ইনস্টিটিউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. ফারুক নতুন উদ্ভাবনী স্বাস্থ্যসেবা প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন । প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপস্থিত কর্মকর্তারা রোগী ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবন, অত্যাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে রোবোটিক্সের ব্যবহার, চিকিৎসা বিজ্ঞানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) এবং বাংলাদেশী হাসপাতাল সমূহের সাথে এ সকল বিষয়ে জ্ঞান আদান-প্রদানের সম্ভাবনা বিষয়ে মতামত বিনিময় করেন।

    প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক রেলা ইনস্টিটিউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কর্মকর্তাদের কথা মনযোগ দিয়ে শোনেন এবং ধন্যাবদ প্রদান করেন।

    সূত্র : বাসস