www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৬ অক্টোবর, ২০২৩: বর্ষা মৌসুম শেষ হতে না হতেই বায়ু দূষণের শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকা শহরের নাম। এই বায়ুদূষণের কারণে বিভিন্ন ধরণের ফুসফুস জনিত বিভিন্ন রোগের দেখা দেয়। বিশেষভাবে শিশু ও বয়স্করা বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকেন। শিশুদের চোখে জ্বালাপোড়া, খুদামন্দাসহ সর্দি কাশি প্রায় লেগে থাকে। বিষয়টি অবশ্যই উদ্বেগের কারণ। কেননা এখন স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষার সময় চলে এসেছে। তাই স্কুলে খুব জোর দিয়ে চলছে পড়ালেখা। একে ঢাকা শহর ঘনবসতিপূর্ণ তার উপর বায়ুদূষণের খারাপ প্রভাব থেকে মুক্ত রাখতে কতৃপক্ষকে পদক্ষেপ নিতে হবে।
আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) ১৮৩ স্কোর নিয়ে ঢাকার বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ হলে তা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।
২০১ থেকে ৩০০ একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয় এবং ৩০১ থেকে ৪০০ একিউআই স্কোরকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে।
ভারতের দিল্লি, চীনের সাংহাই যথাক্রমে একিউআই ১৭৭ ও ১৭১ স্কোর নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে।
দূষণের ৫ বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয়। সেগুলো হলো—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
দীর্ঘদিন ধরে বায়ু দূষণে ভুগছে ঢাকা। এর বাতাসের গুণমান সাধারণত শীতকালে অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠে এবং বর্ষাকালে কিছুটা উন্নত হয়।
২০১৯ সালের মার্চে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ু দূষণের ৩ প্রধান উৎস ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণস্থানের ধুলা।
প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে তথ্য দেয়। পাশাপাশি, সেই শহরের বাসিন্দাদের জন্য কোন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।
এদিকে বায়ু দূষণের পাশাপাশি ঢাকা শহরে শব্দ দূষণের মাত্রা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। কেননা রাস্তায় যানজট এড়াতে যানবাহন গুলি থেকে অনবরত হর্ণ বাজিয়ে শব্দদূষন আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই এখন কর্তৃপক্ষকে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে হবে। সঙ্গে চাই নাগরিক সচেতনতা। তানাহলে দেশের মানুষ দারুণ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়বে।










