Category: প্রযুক্তি

  • ভার্চুয়াল জগতের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন

    ভার্চুয়াল জগতের সর্বোচ্চ সুরক্ষায় টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (টুএফএ) একটি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যা পেতে হলে একটি নিয়মিত ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড ছাড়াও একটি অতিরিক্ত শনাক্তকারী ব্যবস্থা ব্যবহার করতে হয়। ব্যাংক, ইমেইল প্রদানকারী এবং প্রিয় গেমিং প্লাটফর্ম থেকেও এই টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সেটআপ করার অনুরোধ আসে। অনেকেই এই টু ফ্যাক্টর অথিনটিকেশনের বিষয়টি বুঝতে পারে না বা কেন এটি ব্যবহার করতে হয় সেটাও পরিস্কার নয় তাদের কাছে।

    টুএফএ বঝতে হলে ওয়ান ফ্যাক্টর অথিনটিকেশন আগে বোঝতে হবে। এরপর একে বাস্তব বিশ্ব এবং ভার্চুয়াল সিকিউরিটি মডেলের সাথে তুলনা করতে হবে। বিষয়টি এভাবে বোঝানো যায়। যখন আমরা কাজ থেকে ফিরে ঘরে প্রবেশ করতে চাই তখন চাবি দিয়ে দরজার তালা খুলি। এখানে সাধারন ওয়ান ফ্যাক্টর অথিনটিকেশন ব্যবহার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চাবিটি ঘরের মালিক নাকি তার প্রতিবেশি অথবা অপরাধীর হাতে রয়েছে সেটি কোন বিষয় নয়। এখানে শুধুমাত্র চাবিই মুখ্য বিষয়। একইভাবে শুধুমাত্র ইউজারনেম অথবা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েবসাইট বা কোন অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়।

    ঘরের চাবি অথবা অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড যদি চুরি না হয় তাহলে তো ভালই। তবে যদি চাবি চুরি হয় তাহলে ঘরের জিনিসপত্র হাওয়া হবে; ভার্চুয়াল জগতে এটি আরো জটিল আকার ধারণ করে। ফলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন প্রয়োজন।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কি?

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন হচ্ছে মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনের (এমএফএ) একটি অংশ। সব টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনই মাল্টি-ফ্যাক্টর। তবে সব মাল্টিফ্যাক্টরই টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন নয়। এমএফএ সিস্টেমের জন্য তিন ,চার অথবা এরও বেশি অতিরিক্ত প্রমানীকরনের প্রয়োজন হয়। টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনে দুই বা তিন প্রমানীকরনের ব্যবহার হয়। যেমন-

    -আপনি যা জানেন (ব্যাংক কার্ডের পনি অথবা ইমেইল পাসওয়ার্ড)
    -আপনার কাছে যা আছে (ব্যাংক কার্ড বা প্রমানীকরন টোকেন)
    -যা আপনি (ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো বায়োমেট্রিক্স অথবা আইরিস প্যাটার্ন)

    আপনি যদি ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনি টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনের সহজ রূপ ব্যবহার করেছেন। তবে এক্ষেত্রে পিন জানা অথবা হাতে কার্ড থাকাই যথেষ্ট নয়। এটিএমএ ব্যাংক অ্যাক্সেসস রাখতে উভয়ই প্রয়োজন হবে।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বিভিন্ন রূপ নিতে পারে এবং এখনো ২ থেকে ৩ প্রমানীকরনের শর্ত পূরণ করতে পারে। এটি আরএসএ সিকিউরআডির মতো ফিজিক্যল টোকেন হতে পারে যা ক্রমাগত সিকিউর কোড তৈরি করে।

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কেন ও কোথায় ব্যবহার করা হবে?

    টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহার করা যায় এমন সবক্ষেত্রেই এটি ব্যবহার করা উচিত। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং পরিচয় চুরি, আর্থিক লোকসান ও সর্বোপরি নানারকম ঝক্কি এড়াতে এটি খুবই ঝামেলাবিহীন সহজ উপায়। ২০১৯ সালে সম্পন্ন মাইক্রোসফটের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অ্যাকাউন্ট হ্যাকের যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেখানকার ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশেরই টু অথেনটিফিকেশন সক্রিয় ছিলো না।

    সবকিছুর ক্ষেত্রেই কি এই টুএফএ প্রয়োজন? তার প্রয়োজন নেই। ব্যক্তিগত তথ্য থাকে না এবং প্রকৃত ইমেইল অথবা অর্থ সংক্রান্ত তথ্য থাকে না এমন ক্ষেত্রগুলোয় এই টুফ্যাক্টর প্রয়োজন হয় না।

    ক্রেডিট কার্ড অথবা প্রাথমিক ইমেইল অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় স্তরের অথেনটিকেশন থাকলে তা খুবই চমৎকারভাবে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে। অ্যাকাউন্ট চুরি অথবা অন্য কোনভাবে অবৈধ প্রবেশের ফলে যে ব্যক্তিগত এবং আর্থিক ট্রমা সৃষ্টি হয় তা টু অথেনটিফিকেশন চালুর মাধ্যমে এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

    যদি ব্যাংক টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালুর অফার দেয় তাহলে এটি গ্রহন করাই উচিত। পেপলের মতো ফিন্যান্সিয়াল টুলের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভুলে যাওয়া চলবে না। এছাড়া যেসব পরিষেবা থেকে টাকা পাঠানো বা গ্রহন করা হয় সেক্ষেত্রে ২এফএ ব্যবহার করতে হবে। ফাইল ব্যাকআপ, ছবির ব্যাকআপের মতো ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহে রাখে এমন ক্ষেত্রেও ২এফএ ব্যবহার করতে হবে। ভিডিও গেম প্লাটফর্মের ক্ষেত্রেও এটি প্রয়োজনীয়।

    তথ্যসূত্রঃ আরএপি

  • ২০২৩-২০২৪ বাজেটে দাম কমছে ইন্টারনেটের

    ২০২৩-২০২৪ বাজেটে দাম কমছে ইন্টারনেটের

    অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশ অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে। এ প্রস্তাবের কারণে ইন্টারনেটের দাম কমবে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করার সময় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন কর অব্যাহতি প্রদানের মেয়াদ ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণের প্রস্তাব করছি। ব্যবসা বাণিজ্যের পরিবেশ অধিকতর সহজীকরণ, আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদন এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে করভার লাঘব করার লক্ষ্যে এ প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। এ প্রস্তাবের কারণে ইন্টারনেটের দাম কমবে।

    উল্লেখ্য, ‘উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অভিমুখে’ এই শিরোনামকে সামনে রেখে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১ লাখ ১ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা বেশি।

    তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ বাজেট ২০২৩-২৪

  • অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ক্যাশ ক্লীন রাখুন

    অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ক্যাশ ক্লীন রাখুন

    ক্যাশ বলতে বিভিন্ন অস্থায়ী ফাইলকে বোঝায় যা সময়ের সাথে সাথে অ্যাপস স্টোরে সঞ্চয় হয়ে থাকে। ক্যাশ ডাটা উপকারী এটি অ্যাপগুলোকে দ্রুত লোড হতে এবং মসৃনভাবে চলতে সহায়তা করে। তবে একটি ফোন দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে থাকলে ক্রমে এসব ক্যাশ জমে জমে অনেক বড় আকার ধারণ করে এবং ফোনের মূল্যবান জায়গা নষ্ট করে ফেলে। ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড হলে খুব সহজেই এসব ক্যাশ পরিস্কার করা যায়।

    অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে ক্যাশ পরিস্কারের জন্য ফোনের ‘সেটিং’ অ্যাপ চালু করতে হবে। এখান থেকে ‘অ্যাপস’ ক্যাটাগরিতে যেতে হবে। এরপর বর্ণের ক্রমঅনুসারে ফোনে ইনস্টল করা অ্যাপগুলোর তালিকা চলে আসবে। এরপর ‘স্টোরেজ’ লেখা সাবসেকশন থেকে ‘ক্লিয়ার ক্যাশ’ তে চাপ দিতে হবে।

    একই নিয়মে যে কোন অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে ক্যাশ ডিলিট করা যাবে। এ কাজ করার সময় কোন ডাটা হারিয়ে যাবে না অথবা কোন অ্যাকাউন্ট লগ আউট করার প্রয়োজন হবে না। তবে কোন অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করা হচ্ছে তার ভিন্নতার ওপর প্রক্রিয়াও নির্ভর করে। স্যামসাং এবং ওয়ানপ্লাসের ফোনে একধরনের পদ্ধতি থাকে।তবে আইফোনের ক্ষেত্রে এটি এতোটা সহজ নয়। আইফোনের কিছু অ্যাপ রয়েছে যেগুলো ক্যাশ ক্লিনিং সমর্থন করে তবে বেশিরভাগই করে না।

     তথ্যসূত্রঃ হাওটুগিক

  • হ্যাক হওয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করুন সহজে

    হ্যাক হওয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করুন সহজে

    বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম। সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সঙ্গে সাধারণ ব্যবহারকারীও রয়েছে ইনস্টাগ্রামে। যাদের মধ্যে আছে আট থেকে আশি সব বয়সী মানুষের। যেমনি ব্যবহারকারীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে সাইবার অপরাধীদের সংখ্যাও।

    প্রায়ই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে যাচ্ছে। তবে এখন অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলে আর চিন্তার কোনো কারণ নেই। সেই অ্যাকাউন্ট আবার ফিরে পাওয়ার একটি সহজ পন্থা নিয়ে হাজির হয়েছে ইনস্টাগ্রাম। সম্প্রতি একটি বৈশিষ্ট্য যোগ করেছে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট রিট্রিভ করার সুযোগ পাবেন।

    যেভাবে হ্যাক হওয়া ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করবেন-

    > আপনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুলতে যদি কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে মোবাইল ফোন বা ডেস্কটপ থেকে Instagram.com/hacked- যান।

    > এখানে আপনাকে একাধিক অপশন দেখানো হবে। যদি মনে হয় অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গিয়েছে, তাহলে সেই অপশন বেছে নিন।

    > এছাড়াও আপনি ফরগট ইওর পাসওয়ার্ড, লস্ট অ্যাক্সেস টু টু ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন বা ইওর অ্যাকাউন্ট হ্যাজ বিন ডিসেবলড এই সব অপশনগুলোর যে কোনো একটি বেছে নিতে পারেন।

    > আপনার অ্যাকাউন্টে কী সমস্যা হচ্ছে, সেই অপশনটা বেছে নিলে তারপর থেকে ধাপে ধাপে পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে নিলেই আপনার হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্ট আবারও ব্যবহারযোগ্য হয়ে উঠবে।

    সূত্র: ট্রিবিউন ইন্ডিয়া

  • মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ এর যুগ শেষ হতে যাচ্ছে

    মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ এর যুগ শেষ হতে যাচ্ছে

    বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি সংস্থা মাইক্রোসফট জানিয়েছে, শেষ হতে যাচ্ছে উইন্ডোজ ১০ এর যুগ। খুব দ্রুতই আয়ু শেষ হচ্ছে উইন্ডোজ ১০ এর। বর্তমানে উইন্ডোজ ১০ এর যে ভার্সানটি রয়েছে সেটিই থাকবে শেষ হিসাবে। ফলে আপনার কম্পিউটার যদি উইন্ডোজ ১০ এ চলে, তাহলে এই অপারেটিং সিস্টেমের মেয়াদ ২০২৫ সাল পর্যন্ত।

    বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি সংস্থা মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ১৪ অক্টোবর ২০২৫ সালই উইন্ডোজ ১০ এর মেয়াদ শেষ। বর্তমানে যে উইন্ডোজ ১০ এর ভার্সনটি (২২এইচ২) রয়েছে সেটিই থাকবে শেষ হিসেবে। বাকি সব এডিশন থাকবে সমর্থনের যোগ্য হিসেবে। বর্তমানে যে ‘লং টার্ম সার্ভিসিং চ্যানেল রিলিজ’ হয়, তা হতে থাকবে। ওই নির্দিষ্ট তারিখের পরও চলবে আপডেট গ্রহণ। যাতে সিস্টেম তার নিজস্ব জীবনচক্রকে চালিয়ে যেতে পারে।

    উইন্ডোজ ১০ যদি থেমে যায়, তাহলে পরবর্তী পর্যায়ে কী হতে পারে, তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। বলা হচ্ছে উইজাররা এই পরিস্থিতিতে উইন্ডোজ ১১ এ দিকে যেতে পারেন। এদিকে, উইন্ডোজ ১০ এর পর বাকি অনেক আপডেট হবে বলে জানানো হচ্ছে। তবে যারা উইন্ডোজ ১০ চালিয়ে যেতে চান, তারা তাদের অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করুন। 22H2 এই ভার্সানটি পর্যন্ত আপডেট করতে পারেন। এ ছাড়াও উইন্ডোজ ১০, ২০২৫ সালের ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন।

    উইন্ডোজ ১১ এর ভবিষ্যত

    বিশ্ব প্রযুক্তির কিংবদন্তী বিল গেটসের সংস্থা মাইক্রোসফটের বর্তমান উইন্ডোজটি ২০২১ সাল বাজারে এসেছিল। তার পরের বছরের মে মাসেই সমস্ত ডিভাইসের মধ্যে তা ঢুকে যায়। এদিকে, উইন্ডোজ ১১ এ নতুন নকশা তুলে ধরে মাইক্রোসফট। সেখানে নতুন নানান ফিচার দেখা যায়।

    তথ্যসূত্রঃ সিসিএম.নেট

  • অ্যাপ ব্যবহারে সতর্কতা

    অ্যাপ ব্যবহারে সতর্কতা

    জীবনযাত্রাকে সহজ করে দিতে কতোরকম অ্যাপ আমরা প্রতিনিয়ত ইন্সটল করে ব্যবহার করছি। এতে করে জীবনযাপন সহজ হবার পাশাপাশি আমরা নিজের অজান্তেই কিছু ঝুঁকিও গ্রহণ করছি। যেসব কারনে আমাদের নানারকম প্রাইভেসি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে এবং মোবাইলেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। কিছু কৌশল জানা থাকলে এসব বিপদ এড়াতে পারবেন খুব সহজে। চলুন দেখে নেওয়া যাক অ্যাপ ইনস্টলের সময় যে ভুলগুলো করবেন না-

    ১. অ্যাপ ইনস্টলের সময় কী কী ব্যাপারে পারমিশন দিচ্ছেন, তা নিয়ে সতর্ক থাকুন। ফোনে কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার সময় সেখানে অনেক ধরনের পারমিশন চাওয়া হয়। এর অর্থ হলো, আপনি সেই অ্যাপটিকে আপনার ফোনের সব কিছুর অ্যাক্সেস দিচ্ছেন। তাই কোনো কিছু সিলেক্ট করার আগে ভালো করে দেখে নিন।

    ২. অনেক সময় ফোনে একটি কাজের জন্য একাধিক অ্যাপ থাকে। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা, হোটেল বুকিং, সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাপগুলো বেছে নিন। একাধিক অ্যাপ ব্যবহার করলে ফোন ওভারলোড হয়ে যায়, যার ফলে ফোন একটা সময়ে অনেক স্লো হয়ে যায়।

    ৩. ফোনের অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাকিং বন্ধ রাখুন। এই বিষয়টি অনেক ব্যবহারকারী জানেন না। খেয়াল করলে দেখবেন আপনি হয়তো কোনো একটি অ্যাপে কিছু সার্চ করছেন। পরবর্তীতে দেখা যায় সেই বিষয়টি আপনার অন্যান্য অ্যাপেও বিজ্ঞাপন দেখাচ্ছে বা কনটেন্ট সাজেস্ট করছে। একে অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাকিং বলা হয়। এতে ফোনের ব্যাটারি খরচ বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, এসব বিজ্ঞাপন ফোনের পারফরম্যান্সকেও খারাপ করে দেয়। তাই অ্যাপের সেটিংসে গিয়ে অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাকিং বন্ধ করে রাখুন।

  • জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করতে করণীয়

    জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করতে করণীয়

    বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক কাজে বিবিধ সময় জাতীয় পরিচয় পত্র জমা নেয়ার প্রয়োজন থাকে। এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে ব্যক্তির পরিচয় পত্রের তথ্য ঠিক আছে কিনা তা মিলিয়ে নেয়া খুব জরুরী। সেজন্য আপনাকে জাতীয় পরিচয়পত্র চেকিং করার ক্ষেত্রে সহজ কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হবে। আসুন জেনে নেই সেই ধাপগুলো।

    প্রথমে ভিজিট করতে হবে ldtax.gov.bd ওয়েবসাইটে। এরপরে নাগরিক কর্নার অপশনটি বাছাই করতে হবে। পরবর্তী পেইজে মোবাইল নাম্বার এবং জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর ও জন্ম তারিখ দিলেই জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য পাওয়া যাবে।

    প্রথমে ভিজিট করুন ভূমি উন্নয়ন কর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। এর পরে নিচের পেইজের মতো অনেকগুলো অপশন দেখতে পাবেন সেখান থেকে নাগরিক কর্নার লেখাটিতে ক্লিক করতে হবে। এর পরে আপনাকে একটি রেজিস্ট্রেশন পেজে নিয়ে যাওয়া হবে ।

    উক্ত পেইজে আপনি একটি রেনডম মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করুন। এবং যার জাতীয় পরিচয় পত্র চেক করতে চান তার জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বার সেটা হোক ১০ ডিজিট কিংবা ১৩ কিংবা ১৭, উল্লেখ করে তার সঠিক জন্ম তারিখটি সিলেকশন করুন। জাতীয় পরিচয় পত্র তথ্য জানার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নামের একটি বাটন দেখতে পাবেন সেটিতে ক্লিক করুন

    উপরোক্ত পেইজে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত জাতীয় পরিচয় পত্র নাম্বারের ব্যক্তি এবং ব্যক্তির ছবিসহ ব্যক্তির ব্যক্তি ব্যক্তিগত তথ্য নাম ঠিকানা এবং ইত্যাদি তথ্য দেখতে পাবেন। জাতীয় পরিচয় পত্র সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা হলে কল করুন ১০৫ নম্বরে।

  • ‘দ্য গডফাদার অফ এআই’ গুগল ছেড়েছে এবং আগামির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছে

    ‘দ্য গডফাদার অফ এআই’ গুগল ছেড়েছে এবং আগামির বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করেছে

    গুগলের (Google) মোটা বেতনের চাকরি ছাড়লেন আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স (Artificial Intelligence) বা কৃত্রিম মেধার জনক জিওফ্রে হিন্টন (Geoffrey Hinton)। বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিবিদ জানালেন, এআই (AI) নিয়ে উৎকণ্ঠায় ভুগছেন তিনি।

    এআই-এর ‘গডফাদার’ বলা হয় ৭৫ বছরের জিওফ্রেকে। টুইট করে গুগলের চাকরি ছাড়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। এও বলেছেন যে সংস্থা থেকে অবসর নেওয়ায় এবার এআই-এর ঝুঁকি নিয়ে খোলা মনে কথা বলতে পারবেন। নিজের আবিষ্কার নিয়েই অনুশোচনায় ভুগছেন তিনি। চাকরি ছাড়ায় গুগলের সমালোচনা করতে পারবেন। যদিও এখনও পর্যন্ত গুগল যথেষ্ট দায়িত্ববোধ দেখিয়েছে বলেই বিশ্বাস তাঁর।

    সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক সাক্ষাৎকারে জিওফ্রে বলেছেন, “এখন আর কোনও বাধা রইল না। খোলাখুলি কৃত্রিম মেধার বিপজ্জনক দিক নিয়ে কথা বলতে পারি। বেশ কিছু বিষয়ে বিপদের দিক রয়েছে। এখন এটুকু বলা যেতে পারে যে এখনও পর্যন্ত বুদ্ধিবৃত্তিতে ওরা (এআই) আমাদের ছাপিয়ে যায়নি। আমার ধারনা, শীঘ্রই সেই ফারাক থাকবে না।” এআই-এর ব্যবহারে বহু মানুষ চাকরি হারাবেন ভবিষ্যতে, আগেই এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞেরা।

    সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে জিওফ্রে আরও জানিয়েছেন, কৃত্রিম মেধা কোটি কোটি মানুষের চাকরি ছিনিয়ে নেবে। ভবিষ্যতের পৃথিবী সত্যি-মিথ্যে, কল্পনা-বাস্তব গুলিয়ে ফেলবে। এই প্রযুক্তি দুষ্কৃতকারীদের হাতে পড়লে কী হতে পারে, ভেবে কুল পাচ্ছেন না। জিওফ্রে জানিয়েছেন, বিবেক দংশন থেকে বাঁচতে নিজেকে প্রবোধ দেন, আমি সৃষ্টি না করলে এই কাজ অন্য কেউ করতো।

    তথ্যসূত্রঃ এনডিটিভি এবং এনওয়াই টাইমস

  • ইনস্টাগ্রামঃ ভিডিও বা রিল ডাউনলোড টিপস

    ইনস্টাগ্রামঃ ভিডিও বা রিল ডাউনলোড টিপস

    ইনস্টাগ্রাম রিল, অডিও বা ভিডিও ডাউনলোড করতে পারেন সহজেই। অসংখ্য প্রয়োজনীয় ভিডিও ফাইল ইন্সটাগ্রামকে করেছে জনপ্রিয় এবং সমৃদ্ধশালী। সেসব নিজ সংগ্রহে রাখতে পারেন আপনিও। এতে করে ফাইলটি অফলাইনেও ব্যবহার করতে পারবেন। ডাউনলোড করার জন্য বাছাইকৃত ভিডিওটির লিংক আপনি কপি করে অডিও বা ভিডিও ফরম্যাটে ডাউনলোডের জন্য এই সাইটে ভিজিট করবেন https://instavideosave.net/ । এরপর পেস্ট দিয়ে আপনি ডাউনলোডের মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে পারবেন আপনার ডিভাইসে।

  • মনের কথাও জানিয়ে দিবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    মনের কথাও জানিয়ে দিবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

    মানুষের মনে কী চিন্তা চলছে তা ব্যক্তির মস্তিষ্কের তরঙ্গ থেকেই জানা যাবে। সেই তরঙ্গকে আবার শব্দে রূপান্তরিতও করতে পারবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এমনই এক মডেল আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা।

    বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার নিউরোসায়েন্সে প্রকাশিত এক নিবন্ধের বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্ট এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। এ গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের অস্টিনে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অ্যালেক্স হাথের নেতৃত্বে একদল গবেষক কাজ করেছেন। তারা বলছেন, মস্তিষ্ক বা ব্রেইন কম্পিউটার বানানোর ক্ষেত্রে এটি একটি বিরাট অগ্রগতি। নতুন এ মডেল অনুসারে, বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত সেমানটিক ডিকোডার (যা তরঙ্গকে শব্দে রূপান্তরিত করে) সরাসরি মানুষের মস্তিষ্কে সরাসরি রোপণ করা হয় না।

    তার পরিবর্তে একটি ফাংশনাল ম্যাগনেটিক রিসোন্যান্স ইমেজিং বা এফএমআরআই স্ক্যানারের সাহায্যে মানুষের মস্তিষ্কের তরঙ্গকে চিহ্নিত করা হয় এবং তার পর ডিকোডারের সাহায্যে তা শব্দে রূপান্তর করা  এ বিষয়ে অ্যালেক্স হাথ বলেন, ‘আমরা ধারাবাহিকভাবে দীর্ঘ সময় ধরে জটিল ধারণাসহ মানুষের মস্তিষ্ক থেকে শব্দ ডিকোড করার একটি মডেল আবিষ্কার করেছি।’ এ আবিষ্কার যারা বিভিন্ন ধরনের স্ট্রোকের কারণে কথা বলতে অক্ষম কিন্তু মস্তিষ্ক সচল তাদের যোগাযোগ করার একটি নতুন দ্বার খুলে দেবে। তবে গবেষকরা বলছেন, তাদের মডেলে আরও বেশ কিছু কাজ বাকি রয়েছে। কারণ, এখন তাদের মডেল কেবল নির্দিষ্ট কিছু চিন্তার ক্ষেত্রে তাকে শব্দে রূপান্তরিত করতে পারবে।

    তথ্যসূত্রঃ নেচার.কম