সিলেটে গ্যাসক্ষেত্রে ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান: নসরুল হামিদ

সিলেটে গ্যাসের সন্ধান নসরুল হামিদ - জাতীয় - ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ (ফাইল ছবি)
সিলেটে গ্যাসের সন্ধান নসরুল হামিদ - জাতীয় - ১০ ডিসেম্বর ২০২৩ (ফাইল ছবি)

www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, সিলেট গ্যাসক্ষেত্রের ১০ নম্বর কূপে চারটি স্তরে ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে । এছাড়া, সেখানকার একটি কূপে জ্বালানি তেলের সন্ধান মিলেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আজ রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, সিলেট-১০নম্বর কূপে ২৫৭৬ মিটার গভীরতায় খনন সম্পন্ন করা হয়। এই কূপে চারটি স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়। নিচের স্তরটি ২৫৪০-২৫৫০ মিটার টেস্ট করে ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রবাহ পাওয়া যায় এবং ফ্লোয়িং প্রেসার ৩২৫০ পিএসআই। মজুদের পরিমাণ ৪৩-১০০ বিলিয়ন ঘনফুট। ২৪৬০-২৪৭৫ মিটারে আরো একটি ভালো গ্যাস স্তর পাওয়া যায়, এখানে টেস্ট করলে ২৫-৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আশা করা যায়। ২২৯০-২৩১০ মিটারে গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

তিনি আরও বলেন, ১৩৯৭-১৪৪৫ মিটার গভীরতায় আরো একটি জোন পাওয়া যায় যেখানে ৮ ডিসেম্বর টেস্ট করে তেলের উপস্থিতি জানা যায়, যার প্রাথমিকভাবে এপিআই গ্রাভিটি ২৯.৭ ডিগ্রি। সেলফ প্রেসারে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫ ব্যারেল তেলের প্রবাহ পাওয়া যায়।

নসরুল হামিদ বলেন, ২৫৪০ এবং ২৪৬০ মিটার গভীরতায় একযোগে উৎপাদন করা হলে প্রায় ৮-১০ বছর গ্যাস পাওয়া যাবে। গড় ভারিত মূল্য হিসেবে এর মূল্য প্রায় ৮৫০০ কোটি টাকা। যদি ২০ মিলিয়ন ঘনফুট হারে উৎপাদন করা হয় তাহলে ১৫ বছরের বেশি সময় এখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করা যাবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব নুরুল আমিন, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকার।

পূর্ববর্তী বিশ্বে বায়ুদূষণের তালিকায় আজ ঢাকার অবস্থান প্রথম
পরবর্তী যুদ্ধ নয়, আলোচনার মাধ্যমেই সকল সমস্যার সমাধান সম্ভব: রাষ্ট্রপতি