Category: লিড নিউজ

  • চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: আজকের দিনটি বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটা গর্বের দিন, বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আজকে রেলের সাথে কক্সবাজার সংযুক্ত হলো। দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০২ কিলোমিটার রেললাইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকতে পেরে সত্যি আমি খুব আনন্দিত। একটা কথা দিয়েছিলাম, কথাটা রাখলাম।

    আজ শনিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে দোহাজারী- কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার এমন একটি সমুদ্র সৈকত, যেটা বিশ্বে বিরল, বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত। ৮০ মাইল লম্বা, সম্পূর্ণটাই বালুকাময়।

    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী - জাতীয় - ১১ নভেম্বর ২০২৩ (খ)
    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী – জাতীয় – ১১ নভেম্বর ২০২৩ (খ)

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমরা যখন স্বাধীনতা অর্জন করি তখন ৮০ থেকে ৯০ ভাগ মানুষই দরিদ্র ছিল। পরনে ছিন্ন কাপড়, পেটে খাবার নেই, চিকিৎসা নেই, শিক্ষার ব্যবস্থা নেই, শোষণ, বঞ্চনা আর নির্যাতিত মানুষ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের উন্নয়ন যারা দেখে না, তাদের মনটাই অন্ধ। চোখের অন্ধত্বের চিকিৎসা করা যায়, কিন্তু মনের অন্ধত্ব তো দূর করা যায় না।

    তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করেছি। বড় বাজেট দিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছি এবং বাস্তবায়নও করেছি। করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে গেছে। আমদানি ব্যয় বেড়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আছে। এজন্য সবাইকে বলবো, যতটুকু জমি আছে সেখানে কিছু না কিছু চাষাবাদ করুন। নিজের খাদ্য সামগ্রী নিজে উৎপাদন করুন। তাহলে আমরা হতে পারবো স্বনির্ভর।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর এ দেশের অগ্রযাত্রা থেমে যায়। অস্ত্র হাতে নিয়ে বন্দুকে নলের সাহায্যে সেনা আইন লঙ্ঘন করে যারা ক্ষমতা দখল করেছিল, তারা মানুষের ভাগ্য গড়তে আসেনি বরং আমাদের বিজয়ী পতাকা নষ্ট করা, স্বাধীনতার চেতনাকে নষ্ট করা, আমাদের যে আদর্শ সে আদর্শকে ধ্বংস করার জন্যই তাদের যাত্রা ছিল। নিজেরা অর্থশালী হয়েছে, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছে, ঋণ খেলাপির কালচার শুরু করেছিল, তার ওপর সেনাবাহিনী-বিমানবাহিনীসহ আমাদের আওয়ামী লীগের অগণিত নেতাকর্মীকে হত্যা, গুম, খুন করেছিল। এখনও সেই পরিবারগুলো তাদের আপনজনকে খুঁজে বেড়ায়। ২১টা বছর লঙ্ঘন মানুষ এভাবে কষ্ট পেয়েছে।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন ও রেলসচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

    উদ্বোধনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, রেলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ অন্যান্যরা।

    বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে ঝিলংজায় ২৯ একর জমিতে ২১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে চোখধাঁধানো আইকনিক রেলওয়ে স্টেশন। পুরো স্টেশনের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে চারপাশে ব্যবহার করা হয়েছে কাচ। ছাদের ওপর ব্যবহার করা হয়েছে অত্যাধুনিক স্টিল ক্যানোফি। ফলে দিনের বেলা বাড়তি আলো ব্যবহার করতে হবে না স্টেশনে। আর অত্যাধুনিক নির্মাণশৈলীর কারণেই একে বলা হচ্ছে ‘গ্রিন স্টেশন’।

    ছয়তলার এই স্টেশনে রয়েছে চলন্ত সিঁড়ি, মালামাল রাখার লকার, হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিংমলসহ আধুনিক সব সুবিধা। ৪৬ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা সম্বলিত স্টেশনটি সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। যেখানে আছে কনভেনশন হল, ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন বুথ, এটিএম বুথ, প্রার্থনার স্থানও। স্টেশনে ফুড কোর্ট, হোটেল ও শপিং কমপ্লেক্সের বিষয়টি বাইরের এজেন্সি দ্বারা টেন্ডারিংয়ের মাধ্যমে পরিচালনা করা হবে।

    দোহাজারী-কক্সবাজার ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী ঘুমধুম রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১০ শুরু হয়ে ২০১৩ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে, ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পটি ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল একনেকে অনুমোদিত হয় এবং এ লাইনে ১২৮ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় এক হাজার ৮৫২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। কিন্তু জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ২০১৬ সালে সংশোধিত প্রকল্প ব্যয় বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকায়। এ বাজেটে এডিবি ঋণ দেয় ১৩ হাজার ১১৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা আর বাকি চার হাজার ৯১৯ কোটি সাত লাখ টাকা সরকারি তহবিল থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

    চট্টগ্রামের দোহাজারী-কক্সবাজার রুটে বহুল প্রতীক্ষিত রেল চলাচল উদ্বোধনের পর ট্রেনে কক্সবাজার স্টেশন থেকে রামু স্টেশনে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুপুর ১টা ২৩ মিনিটে কক্সবাজারের রেলওয়ে স্টেশনে নিজের হাতে ট্রেনের টিকিট কাটেন প্রধানমন্ত্রী।

    এরপর সবুজ পতাকা নেড়ে এবং হুইসেল বাজিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রুটে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন তিনি। দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে ওই ট্রেনে ওঠেন সরকারপ্রধান। ১টা ২৮ মিনিটে ট্রেনটি প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে কক্সবাজার রেল স্টেশন থেকে রামু রেল স্টেশনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী রামু স্টেশনে পৌঁছান।

  • ১৩০ টি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

    ১৩০ টি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে গত কয়েকদিন ধরেই সাভার, আশুলিয়া এলাকা বেশ উত্তপ্ত ছিলো। মজুরি বৃদ্ধির পরও শ্রমিকদের একটি অংশের আন্দোলন চালিয়ে যায়। এইর জেরে সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই মিলে প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

    আজ শনিবার (১১ নভেম্বর) কারখানার শ্রমিকরা সকালে এসে আবার যার যার বাসায় চলে গেছেন। আশুলিয়া শিল্পায়ন পুলিশ-১ এর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। তবে এসব অঞ্চলে শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে।

    পুলিশ জানয়েছে, যেসব কারখানা শ্রমিকরা কাজ করতে আগ্রহী সেগুলোতে কাজ চলছে৷ তাদের কাজ চলমান থাকবে। তবে বেশ কয়েকটি ফ্যাক্টরি বন্ধ। এসব কারখানার শ্রমিকরা চলে যায় এবং বিভিন্ন উচ্ছৃঙ্খলতা প্রকাশ করে। এমন ১০০ কারখানা তারা অনির্দিষ্ট কালের জন্য শ্রম আইনে ১৩ এর ১ ধারায় বন্ধ রয়েছে।

    সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই মিলে এখানে ১৭৯২ টি কারখানার ভেতর ১৩০ টি কারখানা বন্ধ রয়েছে। এরমধ্যে কিছু কিছু কারখানা সাধারণ ছুটি ছিলো এগুলো আগামীকাল খুলে দেবে।

  • বায়ুদূষণে বিশ্বের ১০৯টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়

    বায়ুদূষণে বিশ্বের ১০৯টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: আজও বাংলাদেশের বায়ুদূষণে আচ্ছন্ন হয়ে আছে। আজ শনিবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বায়ুদূষণে বিশ্বের ১০৯টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। এই তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা ও তৃতীয় স্থানে রয়েছ পাকিস্তানের লাহোর। শহর দুটির স্কোর যথাক্রমে ২৪২ ও ১৮৩।

    আইকিউএয়ারের বাতাসের মানসূচকে (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স-একিউআই) এ সময় ঢাকার স্কোর ছিল ১৯৬। বাতাসের এ মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গতকাল শুক্রবারও একই সময়ে বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়, স্কোর ছিল ২২৩। স্কোরের দিক থেকে আজ বাতাসে দূষণের পরিমান কিছুটা কম।

    আইকিউএয়ারের দেওয়া আজকের তালিকায় বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই (পিএম ২.৫) দূষণের প্রধান উৎস। আজ ঢাকার বাতাসে যতটা এই বস্তুকণা আছে, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ডের চেয়ে ২১ গুণের বেশি।

    আইকিউএয়ারের বায়ু নিয়ে তৈরি প্রতিবেদনে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দূষণ থেকে রক্ষা পেতে আজ ঢাকাবাসীর জন্য পরামর্শ, বাইরে বের হলে মাস্ক পরে বের হবেন, সেটি দূষণ থেকে আপনাকে সুরক্ষা দিতে পারে।

    একই সময়ে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নির্মল বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন। এরপর রয়েছে নরওয়ের অসলো ও কানাডার মন্ট্রিল। রুশ আক্রমণের মুখে থাকা ইউক্রেনের কিয়েভ রয়েছে নির্মল বাতাসের শহরের তালিকায় ১০ নম্বরে।

    বায়ুদূষণের এ পরিস্থিতি নিয়মিত তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এ লাইভ বা তাৎক্ষণিক একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং সতর্ক করে।

    আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ৫১ থেকে ১০০ হলে তাকে ‘মাঝারি’ বা ‘গ্রহণযোগ্য’ মানের বায়ু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

    বায়ুদূষণ বেশি হলে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকেন সংবেদনশীল গোষ্ঠীর ব্যক্তিরা। তাদের মধ্যে আছেন বয়স্ক, শিশু, অন্তঃসত্ত্বা, জটিল রোগে ভোগা ব্যক্তিরা। তাঁদের বিষয়ে বিশেষ যত্নবান হওয়া দরকার বলে পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

  • অস্ট্রেলিয়াকে ৩০৭ রানের বড় লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

    অস্ট্রেলিয়াকে ৩০৭ রানের বড় লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: অবশেষে বিশ্বকাপে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচে ছন্দে ফিরেছে বাংলাদেশ। টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৮ উইকেট হারিয়ে করেছে ৩০৬ রান। বাংলাদেশে প্রথম ৭ জন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের ঘরে রান করেছেন। রান আউট হেয়েছেন তিনজন।

    ভারতের পুনেতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু পায় বাংলাদেশ, যেটি নিয়ে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ভুগছিল দল। এই পুনেতেই ভারতের বিপক্ষে ৯৭ রানের উদ্বোধনী জুটি মিলেছিল, এরপর দ্বিতীয়বারের মতো এই জুটি পেরোয় পঞ্চাশ। দুই ওপেনারই অবশ্য সাজঘরে ফিরেছেন হতাশাকে সঙ্গী করে। শুরুটা হয় তানজিদ হাসান তামিমকে দিয়ে।  দারুণ কিছু শট খেলার পর ৩৪ বলে ৩৬ রান করে সাজঘরে ফেরত যান তিনি। শন অ্যাবটের বাউন্সার বুঝতে পারেননি তানজিদ, ক্যাচ দেন বোলার অ্যাবটের হাতেই। একই রান করে জাম্পার বলে আউট হন লিটন দাস। ৫ চারে ৪৫ বলে ৩৬ রান করে জাম্পার বলে জোর না দিয়ে লং অফে তুলে মারেন লিটন। ক্যাচ দেন লাবুশেনের হাতে।

    এরপর তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়েন নাজমুল হোসেন শান্ত। তাদের জুটিতে ভর করে বড় রানের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু তার শেষটাও হয় হতাশায়। ২৮তম ওভারের পঞ্চম বল স্কয়ার লেগ অঞ্চলে ঠেলে দিয়ে দৌড় শুরু করেন শান্ত ও হৃদয়। দুজন বেশ কিছুক্ষণ ধরেই রান নেওয়ার জন্য বেশ তাড়াহুড়ো করছিলেন।

    ওই বলটিতে দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে আউট হন শান্ত। স্কয়ার লেগ থেকে করা লাবুশেনের দারুণ থ্রোতে দ্রুত স্টাম্প ভাঙেন উইকেটরক্ষক জশ ইংলিশ। ৬ চারে ৫৭ বলে ৪৫ রান করে সাজঘরে ফিরতে হয় শান্তকে।

    এরপর হৃদয়ের জুটির সঙ্গী হন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাদের জুটিতে ৪৪ রান আসে। এবারও সেই রান আউটে শেষ হয় জুটি, লাবুশেন থাকেন এখানেও। হৃদয় বল কাভারে পাঠান, এরপর রানের জন্য দৌড় শুরু করেন দুজন। কিন্তু নন স্ট্রাইক থেকে দৌড়ে আসা রিয়াদ যতক্ষণে ঝাপিয়ে দাগ ছুন, ততক্ষণে আন্ডার আর্ম থ্রোতে স্টাম্প ভেঙে দেন লাবুশেন। ১ চার ও ৩ ছক্কায় ২৮ বলে ৩২ রান করেন রিয়াদ। বিশ্বকাপের শেষ ইনিংসে রান আউট হয়ে হতাশা নিয়ে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন তিনি।

    মুশফিকুর রহিমও ইনিংস টেনে নিতে পারেননি খুব বেশি দূর। ২৪ বলে ১ ছক্কায় ২১ রান করেন তিনি। অনেক্ষণ ক্রিজে থাকা হৃদয়ও ইনিংস শেষ করতে পারেননি। শুরুতে বলের চেয়ে বেশি রান করা এই ব্যাটার পরে স্ট্রাইক রেটও একশর নিচে নিয়ে আসেন। বিশ্বকাপে তার প্রথম হাফ সেঞ্চুরির ইনিংস থামে ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৭৯ বলে ৭৪ রান করে। স্টয়নিসের বলে লাবুশেনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এরপর ব্যক্তিগত ২৯ রানে থামেন সাতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ। শেষদিকে আরেক রানআউটের শিকার হন নাসুম আহমেদ (৭)।

    বল হাতে অস্ট্রেলিয়ার শন অ্যাবট ও অ্যাডাম জাম্পা পান ২টি করে উইকেট। বাকি উইকেট স্টয়নিসের।

    ৩০৭ রাসের হয়ের লত্শে এখন ব্যাট করছে অস্ট্রেলিয়া।

     

  • শিল্পকলায় আজ পরিবেশিত হবে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের  প্রযোজনা প্রদর্শনী

    শিল্পকলায় আজ পরিবেশিত হবে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের প্রযোজনা প্রদর্শনী

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ৪ দিন ব্যাপি নাট্য শিক্ষা বিষয়ক থিয়েটার পেডাগোজি কর্মশালা আজ শেষ হচ্ছে।  আজ শনিবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে এই কর্মশালায় অংশগ্রহনকারীদের  নিয়ে প্রযোজনা প্রর্শনীর আয়োজন করা হবে । অংশগ্রহনকারী ৩৬ জন প্রশিক্ষনার্থীদের ৩৫ মিনিটের পূর্ণাঙ্গ নাটকটি মঞ্চস্থ হবে একাডেমিতে, যা সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

     

    প্রযোজনার কাহিনী সংক্ষেপ :

    এটি একটি যুদ্ধক্ষেত্রের গল্প।  কিন্তু এখানে উপস্থাপন করা হবে পৃথিবী জুড়ে ঘটে চলা চলমান ধ্বংসযজ্ঞ, যুদ্ধের নামে নির্বিচারে নিরীহ মানুষ হত্যা, অযাচিতভাবে অন্যের স্বদেশভূমি দখলের পায়তারা ও শক্তিধর রাষ্ট্রের দমনমূলক চোখ রাঙানি। তখন, গোটা পৃথিবীটায় যেন নিরব যুদ্ধের ময়দানে পদাদিক আর স্নায়ুবিক লড়ায়ে সামিল হয়। তাই মাতৃভূমি রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পরে আপামর জন সাধারণ।

    এই প্রযোজনার শুরুতে দৃশ্যমান হয় এক যুদ্ধ ময়দান দূরবর্তী ক্যাম্প।  যেখানে অবস্থান করছে বেশ কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী। ক্যাম্প অদূর রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। যে রাস্তা দিয়ে স্বদেশী সেনা গাড়ি বহর যুদ্ধ সরঞ্জাম, গোলা বারুদ, যুদ্ধপীড়িত মানুষের জন্য জীবনদায়ি উপকরণ- খাদ্য,ঔষধ ইত্যাদি পরিবহন করে। তাই এ রাস্তা অক্ষুণ্ণ রাখা সকলের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। শত্রুপক্ষের  মুহুর্মুহু গোলা বর্ষণে রাস্তাটা বারবার যান চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। তথাপি, ক্যাম্পের স্বেচ্ছাসেবকগণ দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে, বেলচা কোদাল হাতে রাস্তা মেরামত করে চলে।

    তারা জানে কেবল এ রাস্তা সচল থাকলেই শত্রু বিপক্ষে লড়াই চালিয়ে যাওয়া সম্ভব । এ রাস্তা-ই  তাদের মুক্তির দোয়ারে পৌঁছে দিবে! যে কোন উপায়ে এ রাস্তা সচল রাখতে হবে! কিন্তু সে কাজ অত সহজ নয়। শত্রুপক্ষের ক্রমাগত গোলার আঘাতে মারা পড়ছে স্বদেশী সেনানীগণ। নষ্ট হয়ে যায় নিজের পোশাক-পরিচ্ছদ। ভঙ্গুর হতে থাকে মনোবল,  স্মৃতি কাতরতা ঘিরে ধরে— মনে পড়ে স্বজন-পরিজনের প্রিয়মুখ, নিজেরদের মধ্যে ক্ষণেক্ষণে দানা বাঁধে নানা অসন্তোষ ও মনস্তাত্ত্বিক বিভাজন। তারা আবার এক হয়। ভুলে যায় না তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। ক্ষেপণাস্ত্রকে তুচ্ছ করে নতুম উদ্যোমে, স্বদেশ মুক্তির স্বপ্নে  ঝাঁপিয়ে পড়ে ভাঙা রাস্তা নির্মাণে।

    অবশেষে, মাটি ও মাতৃভূমির লড়ায়ে লড়াকু এই মাতৃভূমির সেবকগণ শত্রুর বোমার আঘাতে  নিহত হয়। মারা যান, শহীদ হয় প্রত্যেকে। শুধুমাত্র একজন ছাড়া মেলে সকলের ছিন্নভিন্ন রক্তাক্ত লাশ। মনে গেথে রয় এই কিংবদন্তিদের তাগ্যের ‘কীর্তি জয়গাঁথা’ ও স্বাধীনতার চিরন্তন বার্তা।

    সমসাময়িক বিষয়ের উপর এই প্রযোজনা বিশেষ একটি বার্তা বহন করে যা শান্তিকামি মানুষের জন্য একান্ত কাম্য।

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে ইংল্যান্ড

    পাকিস্তানের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে ইংল্যান্ড

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: পাকিস্তানের সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য এই ম্যাচটিতে আগে ব্যাট করাটা ছিলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে ইংল্যান্ডকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে রান রেটের ভিত্তিতে সেমি নিশ্চিত করতে পারতো দলটি। আজ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে টস জিতে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং নেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই আশা শেষ হয়ে গেলো পাকিস্তানের। এখন ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সেমি ফাইনালে খেলবে।

    এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ৮ ম্যাচের চারটিতে জিতেছে পাকিস্তান। ৮ পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান পাঁচ নম্বরে। অন্যদিকে ৯ ম্যাচ খেলা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ১০। আজ ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলে পাকিস্তানের পয়েন্টও ১০ হবে। তবে রানরেটে পাকিস্তান পিছিয়ে আছে বিশাল ব্যবধানে।

    যে কারণে নিউজিল্যান্ডকে টপকে সেমিতে যেতে হলে পাকিস্তানকে জিততে হতো ২৮৭ রানে। কিন্তু শুরুতে ফিল্ডিংয়ে নামা পাকিস্তানকে এখন রান তাড়ায় অবাস্তব ব্যাটিং করতে হবে।

    শ্রীলঙ্কা-নিউজিল্যান্ডের সর্বশেষ ম্যাচের দিকে তাকিয়ে ছিলেন বাবররা। ম্যাচটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও কিছুটা সম্ভাবনা থাকত পাকিস্তানের। কিন্তু শ্রীলঙ্কাকে মাত্র ১৭১ রানে অলআউট করে ২৩.২ ওভারে লক্ষ্য টপকে যায় কিউইরা। লঙ্কানদের এমন ভরাডুবির পর পাকিস্তানের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালের আগেই বিদায় এখন প্রায় নিশ্চিত।

    গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে একাদশে এক পরিবর্তন রয়েছে পাকিস্তানের। হাসান আলির পরিবর্তে দলে ফিরেছেন শাদাব খান। অন্যদিকে, অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে নামছে ইংল্যান্ড। আজ খেলেই অবসর নেবেন ইংলিশ পেসার ডেভিড উইলি।

    পাকিস্তান একাদশ : আব্দুল্লাহ শফিক, ফখর জামান, বাবর আজম (অধিনায়ক), মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিল, ইফতিখার আহমেদ, আগা সালমান, শাদাব খান, শাহিন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, হারিস রউফ।

    ইংল্যান্ড একাদশ : জনি বেয়ারস্টো, ডেভিড মালান, জো রুট, বেন স্টোকস, হ্যারি ব্রুক, জস বাটলার (অধিনায়ক), মঈন আলি, ক্রিস ওকস, ডেভিড উইলি, গাস অ্যাটকিনসন ও আদিল রশিদ।

  • ইসরায়েলি হামলায় প্রতি ১০ মিনিটে গাজায় একজন শিশুর মৃত্যু হচ্ছে

    ইসরায়েলি হামলায় প্রতি ১০ মিনিটে গাজায় একজন শিশুর মৃত্যু হচ্ছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: ফিলিস্তিনে অবরুদ্ধ গাজায় গত ৩৫ দিন ধরে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিহতের সংখ্যা ১১ হাজার ছাড়িয়েছে। গাজায় প্রতি ১০ মিনিটে একজন শিশুর মৃত্যু হচ্ছে বলে জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস।

    গতকাল শুক্রবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা জানান, গাজায় টানা ৩৫ দিনের ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১১ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে ৪ হাজার ৫০৬ জন শিশু। নিহত নারীর সংখ্যা ৩ হাজার ২৭ জন। ৬৭৮ জন বৃদ্ধ নিহত হয়েছে। এছাড়া এ পর্যন্ত আহতের সংখ্যা ২৭ হাজার ৪৯০ জন।

    তিনি আরও বলেন, ইসরায়েলি হামলায়  ১ হাজার ৫০০ শিশুসহ ২৭০০ জন লোক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে।

    ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ১৯৮ জন চিকিৎসক মারা গেছেন এবং ৫৩টি অ্যাম্বুলেন্স ধ্বংস হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, ১৩৫টি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করেছে ইসরায়েল এবং ২১টি হাসপাতাল ও ৪৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে বন্ধ করে দিয়েছে তারা।

    কেবল গতকাল শুক্রবার ইসরায়েলের এক বিমান হামলায় গাজা সিটির আল-বুরাক স্কুলে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন।  নিহতদের গাজার বৃহৎ চিকিৎসাকেন্দ্র আল-শিফা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত টানা অভিযানে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক, স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও অ্যাম্বুলেন্সে ২৫০ বারেরও বেশি বোমা ফেলেছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। যে কারণে গাজা উপত্যকার ৩৬টি হাসপাতালের মধ্যে অন্তত অর্ধেকই এখন অকার্যকর এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর দুই তৃতীয়াংশই এখন বন্ধ।

    গাজার তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলের বিরামহীন হামলায় অর্ধেকের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়ে গেছে। প্রায় ৪০ হাজার বাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। গোটা গাজা এখন মৃত্যুপুরী, কবরে পরিণত।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তায় রাস্তায় পড়ে রয়েছে নারী ও শিশুর মরদেহ।

    গত ৭ অক্টোবর হামাসের অতর্কিত হামলায় ১৪০০ মতো ইসরায়েলি নিহতের পর গাজায় লাগাতার বোমা বর্ষণ করে যাচ্ছে ইসরায়েল। গাজায় স্থল অভিযানসহ হাসপাতাল, মসজিদ, গির্জা, স্কুল, শরণার্থী শিবিরে একের পর এক বোমা বর্ষণ করা হয়েছে।

  • আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা

    আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১১ নভেম্বর, ২০২৩: বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্রথম খেলায় বাংলাদেশের কাছে হেরে যায় আফগানিস্তান।  তারপরে চমক দেখিয়ে হারিয়েছে পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার মত দলকে । সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনাও ছিলো দলটির। কিন্তু শেষ দুই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ অফ্রিকার কাছে হেরে সেমিতে যাওয়া সম্ভব না হলেও আফগানিস্তান নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছে। গত আসরে একটি জয় পেয়েছিলো দলটি।

    গতকাল আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আফগানদের ৫ উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ২৪৪ রান করে আফগানিস্তান।  ধীরগতির শুরু করেন আফগান দুই ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। তাদের ৪৯ বলে ৪১ রানের জুটি ভেঙে যায় গুরবাজ বিদায় নিলে। ২২ বলে ২৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। পরের ওভারেই ১৫ রান করে উইকেট হারান আরেক ওপেনার ইব্রাহিম। চারে নেমে ২ রান করে বিদায় নেন অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহীদি। তিনে নামা রহমত শাহ করেন ২৬ রান।

    পাঁচে নেমে লড়াই চালাতে থাকেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। অপরপ্রান্তে একে একে বিদায় নেন ইকরাম (১২), মোহাম্মদ নবি (২) ও রশিদ খান (১২)। এরপর ওমরজাইকে কিছুক্ষণ সঙ্গ দেন নুর আহমাদ। গড়েন ৪৪ রানের জুটি। নুরকে ২৬ রানে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন জেরাল্ড কোজি। শেষদিকে মুজিব ও নাভিন বিদায় নিলেও টিকে থাকেন ওমরজাই। ৭১ বলে ফিফটি হাঁকানো এই ব্যাটার ১০৭ বলে ৯৭ রান করে অপরাজিত থাকেন।

    দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে ১০ ওভারে ৪৪ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন কোজি। দুইটি করে শিকার ধরেন লুঙ্গি এনগিদি ও কেশভ মহারাজ।  উইকেট কিপার ডিকক নিয়েছেন ৬টি ক্যাচ।

    জবাবে দিতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার শুরুটা হয় দারুণ। প্রথম পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি তারা। কিন্তু এরপরই ম্যাচে ফিরতে শুরু করে আফগানিস্তান। ২৩ রান করা টেম্বা বাভুমাকে ফিরিয়ে ৬৪ রানের জুটি ভাঙেন মুজিব উর রহমান। ফর্মে থাকা কুইন্টন ডি ককও এরপর বেশি দূর যেতে পারেননি। নবির এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ৪১ রানে বিদায় নেন তিনি।

    কিছুটা বিরতি দিয়ে এইডেন মারক্রাম, হাইনরিখ ক্লাসেন ও ডেভিড মিলারকে হারালে চাপে পড়ে যায় প্রোটিয়ারা। তবে ষষ্ঠ উইকেটে ৬৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন রাসি ফন ডার ডুসেন ও আন্দিলে ফেলুকায়ো। তাতে ১৫ বল হাতে থাকতেই জয় নিশ্চিত করেন তারা। ৩৭ বলে ১ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন ফেলুকায়ো। আরেক প্রান্তে ৯৫ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৭৬ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচসেরা হন ডুসেন। আফগানদের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নবি ও রশিদ।

    সংক্ষিপ্ত স্কোর :

    আফগানিস্তান : ২৪৪/১০, ৫০ ওভার (ওমারজাই ৯৭*, নূর ২৬*, কোয়েৎজি ৪/৪৪)।

    দক্ষিণ আফ্রিকা : ২৪৭/৫, ৪৭.৩ ওভার (ডুসেন ৭৬*, ডি কক ৪১, নবি ২/৩৫)।

  • জাতির পিতা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী

    জাতির পিতা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের মানুষের জন্য: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ নভেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনালিয়েছেন, জাতির পিতা নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন দেশের মানুষের জন্য।‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ উদ্বোধন কালে তিনি আরও বলেন, ‘এই বাঙালি জাতিকে আর্থ-সামাজিক মুক্তি দেওয়ার জন্যই ছিল জাতির পিতার সংগ্রাম। তিনি তার নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন এই দেশের মানুষের জন্য।

    আজ শুক্রবার (১০ নভেম্বর) সকালে এই বিজয় সরণিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ’ উদ্বোধন করেন তিনি।

    এই প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের একটি ভাস্কর্য রয়েছে। এছাড়া এখানই ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রাচীরের ম্যুরালে খোদাই করে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান এবং ভাষা আন্দোলন ও মুক্তি সংগ্রামের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

    উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরো মৃত্যুঞ্জয়ী প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন। পরে তিনি উপস্থিত স্কুল শিক্ষার্থী এবং সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।

    ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৪৮ সালে মায়ের ভাষা বাংলার ভাষার অধিকার যখন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল তখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র। তখন থেকে তিনি তার প্রতিবাদ করেন এবং আন্দোলন গড়ে তোলেন। সেখানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয় এবং মাতৃভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার সংগ্রাম শুরু হয়। সেই সংগ্রামের পথ বেয়েই কিন্তু আমাদের স্বাধীনতা অর্জন।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। এই স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং যুদ্ধের জাতির পিতা আহ্বান করেছিলেন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণে। যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে সংগ্রাম করতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ সেই আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। সেভাবে অস্ত্র তুলে নিয়ে যুদ্ধ করে এবং আমরা বিজয়ী হই।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রত্যয় নিতে হবে আজকের বাংলাদেশ যে উন্নত-সমৃদ্ধ হয়েছে যতদূর; আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এটা ধরে রেখে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের আজকের ছোট শিশুরা আগামী দিনের সৈনিক, যারা স্মার্ট বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিনে এবং বাংলাদেশ পরিচালনা করবে। সেভাবেই তোমরা নিজেদের তৈরি করবে।

    শিক্ষা অর্জনে শিক্ষার্থীদের মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা কথা মনে রাখতে হবে, শিক্ষাই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। টাকা-পয়সা, ধন-দৌলত, কোনো কিছুই সম্পদ না। (আসল) সম্পদ হচ্ছে একমাত্র শিক্ষা। শিক্ষা যে গ্রহণ করবে ভালো ভাবে, এটি কেড়েও নিতে পারবে না, ডাকাতিও করতে পারবে না। এটি নিজের কাছে থেকে যাবে। আর শিক্ষা থাকলে পরে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ করা যাবে।

    অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম. মোজাম্মেল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণির স্কুল শিক্ষার্থী।

  • সুশৃঙ্খল নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনে ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ করবেন: সিইসি

    সুশৃঙ্খল নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনে ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ করবেন: সিইসি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ নভেম্বর, ২০২৩: নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনে ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ করবেন, বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের উদ্দেশে তিনি একথা বলেন।

    আজ শুক্রবার (১০ নভেম্বর) নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) আয়োজিত মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এমন নির্দেশনা দেন।

    সিইসি বলেন, নির্বাচন নিয়ে পুরো দেশ মাতোয়ারা হয়ে আছে। প্রতিদিন পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য হচ্ছে। একটা ডাইমেনশনও পেয়ে গেছে। আমাদের কিন্তু আপনাদের সহায়তা নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রত্যাশিত সহযোগিতা আগের নির্বাচনে পুরোপুরি পেয়েছি। সেদিন থেকে আশ্বস্তবোধ করছি।

    তিনি বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা থেকে আমাদের নির্বাচন দেখতে আগ্রহী। ইসির দায়িত্বের একটি বিষয় হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়া দৃশ্যমান করে স্বচ্ছতা তৈরি করা। স্বচ্ছতা হলে অপপ্রচার ঢাকা পড়ে যায়।

    তিনি আরও বলেন, আমরা দেখতে চাই, আপনারা প্রজ্ঞা, শক্তি, অভিজ্ঞতা, জ্ঞান দিয়ে এমনভাবে দায়িত্ব পালন করবেন যাতে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়। আমাদের বার্তা হলো, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল হতে হবে। সুশৃঙ্খল আমি করাতে পারব না, আপনারা পারবেন।

    সিইসি বলেন, পুলিশ সুপার ও ডিসি, তারা কিন্তু ভোটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন। এতে সমন্বয় থাকতে হবে। দায়িত্ববোধ থেকে, ক্ষমতা ও শক্তি দিয়ে নয়, ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ করবেন যদি প্রয়োজন হয়। তবে প্রথমে দায়িত্বটা অনুধাবন করার চেষ্টা করবেন, যদি গণতন্ত্র, প্রজাতন্ত্র বুঝে থাকেন। সেটাকে বাঁচিকে রাখতে হলে আক্ষরিক অর্থে যদি বাস্তবায়ন করতে না পারি, তাহলে জাতি হিসেবে আমরা ব্যর্থ হব।

    সিইসি বলেন, গণতন্ত্রের চেয়ে নির্বাচনের গুরুত্ব বেশি। নির্বাচন হলো গণতন্ত্রের বাহন ও প্রাণ। সেজন্য গুরুত্ব অনুধাবন করে দায়িত্ব পালন করবেন। আমাদের মূল চাওয়াটা হলো ভোটাধিকার যেন ব্যাহত না হয়।

    অনুষ্ঠানে অন্য নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, ইটিআই মহাপরিচালক উপস্থিত ছিলেন। ৩২ জেলার ডিসি, এসপি, পুলিশ কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনারসহ মাঠ প্রশাসনের ১১৪ জন কর্মকর্তা দু’দিনের আবাসিক প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। প্রথম ধাপের কর্মসূচিতে গত ১৪ ও ১৫ অক্টোবর অন্যান্য জেলার ডিসি, এসপি এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের পুলিশ কমিশনার ও বিভাগীয় কমিশনারদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।