Category: অর্থনীতি

  • অডিট ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

    অডিট ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ মে, ২০২৪: অডিট ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করতে হবে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, “অডিট ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে এনে, সময়ের সাথে এর উৎকর্ষতা নিশ্চিত করে যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর জোর দিতে হবে। নীরিক্ষক ও নীরিক্ষা কৃত অফিসের মধ্যে যোগাযোগের পুরনো ব্যবস্থা বদলে দিয়ে নতুন অনলাইন সিস্টেম চালু করায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সামগ্রিকভাবে অডিট কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ করে সরকারের আর্থিক সম্পদের দক্ষ ও ফলপ্রসূ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।”

    আজ শনিবার (১১ মে) বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) কার্যালয়ের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং দেশব্যাপী তিন দিন (১২, ১৩ ও ১৪ মে) বিশেষ সেবা কার্যক্রম উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট গভর্নেন্স গঠনের জন্য বাংলাদেশ অডিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক বিষয় ও তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাথে সামঞ্জস্য রেখে আন্তর্জাতিক মানের প্রচলিত কমপ্লায়েন্স ও ফিন্যান্সিয়াল অডিটের পাশাপাশি পারফরমেন্স অডিট, আইটি অডিট এবং পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক অডিট পরিচালনা করছে।”

    বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাংসদ হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

    অর্থমন্ত্রী গণতান্ত্রিক সমাজে সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য শক্তিশালী ও সুসংহত কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল কার্যালয়-এর গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি অডিট অ্যান্ড একাউন্টস ডিপার্টমেন্টের সকল কর্মচারীকে অধিকতর নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। তবেই জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় অর্থপূর্ণ অবদান রাখা সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    বিশেষ অতিথি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ তার বক্তব্যে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকারি সম্পদ ব্যবহারে জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল কার্যালয় ও পাবলিক একাউন্টস কমিটির সমন্বিত কার্যক্রম প্রয়োজন বলে অভিমত প্রকাশ করেন।

    অর্থ সচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার বলেন, “সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উপযোগী ভৌত, সামাজিক ও প্রযুক্তি অবকাঠামো বিনির্মাণের মাধ্যমে স্মার্ট সমাজ, স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সরকার এবং সর্বোপরি স্মার্ট অর্থনীতি গঠন। অর্থনৈতিক উন্নয়নের অভিযাত্রায় সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু, কার্যকর ও মিতব্যয়ী ব্যবহার হচ্ছে কিনা তার নিশ্চয়তা প্রদানে বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল কার্যালয় স্টেট অডিটর হিসাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    অনুষ্ঠানের সভাপতি নূরুল ইসলাম বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে সকল দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে বিনয়, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে জনগণকে সেবাদান করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। গুণগত মানসম্পন্ন হিসাব ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রণয়নের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা তথা সুশানের পথ সুগম করার জন্য বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের কার্যালয় সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও তা বাস্তবায়নে সদা সচেষ্ট।”

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ১২ থেকে ১৪ মে তিন দিনব্যাপী বিশেষ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

  • ‘ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন’ চালু হবে আগামী ১০ জুন থেকে

    ‘ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন’ চালু হবে আগামী ১০ জুন থেকে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ মে, ২০২৪: আগামী ১০ জুন থেকে পঞ্চমবারের মতো আবারও চালু হতে যাচ্ছে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। এবার এই ট্রেন চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে। ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর থেকে বিকেল ৪টায় ছেড়ে রাত সোয়া ২টায় ঢাকায় পৌছাবে।

    আজ শনিবার (১১ মে) রাজশাহী বিভাগ থেকে দেশের বিভিন্ন জেলা আম পরিবহনের এক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম। এসময় বিভাগীয় কমিশনার ড. দেওয়ান মো. মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, বিভিন্ন জেলার প্রশাসক, রেলের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    সেমিনারে জানানো হয়েছে, ছয়টি লাগেজ ভ্যানের মাধ্যমে আম পরিবহন করা যাবে ২৮ দশমিক ৮৩ টন। তবে এবার ট্রেন যাবে পদ্মা সেতু হয়ে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর স্টেশন থেকে প্রতিদিন বিকাল ৪টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এই ট্রেন। যাত্রা পথে রহনপুর স্টেশন থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, আব্দুলপুর, ঈশ্বরদী, পোড়াদহ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও ভাঙ্গা স্টেশনসহ মোট ১৫টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেন ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ২টা ১৫ মিনিটে।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি আম পরিবহনে ভাড়া লাগবে ১ টাকা ৪৭ পয়সা, রাজশাহী থেকে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, পোড়াদহ থেকে ১ টাকা ১৯ পয়সা, রাজবাড়ী থেকে ১ টাকা ৭ পয়সা, ফরিদপুর থেকে ১ টাকা ১ পয়সা এবং ভাঙ্গা থেকে ৯৮ পয়সা। ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে ৩৯ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৮ কেজি আম পরিবহন করা হয়েছে। ট্রেন ভাড়া পেয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা।

    পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চার বছরে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে তিন হাজার ৯৯৫ টন আম পরিবহন করা হয়েছে। এ থেকে রেলের আয় হয়েছে ৪৬ লাখ ২৯ হাজার ১৪০ টাকা।

    গত চার বছরে ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী হয়ে ঢাকায় যাওয়া-আসা করতে তেল খরচ হয়েছে ৯২ লাখ ৯১ হাজার টাকা। ফলে এ কয়েক বছরে ট্রেনের লোকসান হয়েছে ৪৬ লাখ ৬১ হাজার ৮৬০ টাকা।

    তবে আম ব্যবসায়ী ও খামারিরা বলেন, ট্রেনে প্রতি কেজি আম চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকায় পাঠাতে খরচ হয় এক টাকা ৩২ পয়সা। ট্রেনে খুব কম খরচে আম পরিবহন করা গেলেও বারবার ওঠানামা করার কারণে ঝামেলা বেশি হওয়ায় সড়কপথ ও কুরিয়ারকে বেছে নেন ব্যবসায়ীরা।

    ২০২০ সালের ৫ জুন থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত ৪৬ দিন চলেছে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন। ওই বছর ট্রেনে এক হাজার ২০০ মেট্রিক টন আম পরিবহন করা হলেও কোরবানির পশু পরিবহন হয়নি। ২০২১ সালের ২৭ মে থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ৫০ দিন চলেছিল ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেন। ওই বছর দুই হাজার ২৩৫ মেট্রিক টন আম পরিবহন করা হয়েছিল।

    ২০২২ সালের ১৩ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত সাত দিন চলে এ স্পেশাল ট্রেন। ওই বছর ১৭৯ মেট্রিক টন আম, ৩৬টি গরু ও ১৬০টি ছাগল পরিবহন করা হয়। ২০২৩ বছর ৮ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত ১৮ দিন স্পেশাল ট্রেন চলেছে। এ বছর ৩৮২ মেট্রিক টন আম পরিবহন করা হয়।

    পশ্চিমাঞ্চল রেলের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার বলেন, রেলওয়ের লোকসান হলেও আম চাষি, ব্যবসায়ী ও খামারিদের সুবিধার্থে এ ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

    রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ জানান, স্থানীয় আম চাষিদের উদ্বুদ্ধ করে ট্রেনে আম পরিবহনের মাত্রা বাড়ানো গেলে কমে আসবে লোকসানের পরিমাণ। ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনে সাধারণত ছয়টি ওয়াগন থাকে। আমরা এবারও আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের সাথে বসবো।

    এর আগে, ২০২৩ সালে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের সঙ্গে অতিরিক্ত দুটি ওয়াগন যুক্ত করে কোরবানির পশু পরিবহনের ব্যবস্থা করে রেলওয়ে। প্রতিটি ওয়াগনের জন্য ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ১১ হাজার ৮৩০ টাকা।

  • ১৮৪ জন পেলেন সিআইপি সম্মাননা

    ১৮৪ জন পেলেন সিআইপি সম্মাননা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৯ মে, ২০২৪: এবার সিআইপি সম্মাননা পেলেন ১৮৪ জন । রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সিআইপি (রপ্তানি ও ট্রেড) সম্মাননা দেওয়া হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) বিকেলে রাজধানীর রেডিসন ব্লু  ঢাকার ওয়াটার গার্ডেনে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সিআইপি কার্ড তুলে দেওয়া হয়।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে সিআইপি কার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান।

    অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতনামা রপ্তানিকারকদের সিআইপি (রপ্তানি ও টেড) কার্ড প্রদানের মাধ্যমে সম্মাননা জানান বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজকে বাংলাদেশের যে অর্জন, বিশেষ করে ২০০৯ থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের যে অর্জন তা সারা পৃথিবীতে স্বীকৃত। বাংলাদেশ এ জায়গায় পৌঁছাবে তা অনেকে বিশ্বাস করতো না। ২০০৯ সালে যেখানে রপ্তানি ছিল ১৫ বিলিয়ন ডলারের একটু বেশি, আজকে সেই রপ্তানি আয় প্রায় চার গুন বেড়ে ৬৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। বাংলাদেশ আজকে বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। যার জিডিপির আকার প্রায় ৪৬০ বিলিয়নের ওপরে। এসবগুলো অর্জনই সম্ভব হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে। উনি ব্যবসা-বাণিজ্যে লজিস্টিক যে সাপোর্ট দিয়েছেন এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন হয়েছে, সেটি অনস্বীকার্য। আজকে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় নিয়ামক শক্তি যোগাযোগ ব্যবস্থা।”

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা রপ্তানি বাণিজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও আমরা ১৪০ জনকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রপ্তানিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার জন্য সিআইপি প্রদান করেছি। সেই সঙ্গে এ দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই তাদের স্বীকৃত স্বরূপ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সুপারিশ মোতাবেক ৪৪ জনকে সিআইপি ট্রেড হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।”

    দেশের রপ্তানিকারক, শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও পারস্পরিক সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার আবহ সৃষ্টি করাই সিআইপি (রপ্তানি) কার্ড প্রদানের উদ্দেশ্য। নীতিমালা অনুযায়ী ২০২২ সালের জন্য ২২টি খাতের মধ্যে ১৮টি পণ্য ও সেবা খাত এবং ইপিজেডভুক্ত ‘সি’ ক্যাটাগরিতে মোট ১৪০ জনকে সিআইপি (রপ্তানি) এবং ৪৪ জন ব্যবসায়ী নেতাকে সিআইপি (ট্রেড) সম্মানে ভূষিত করা হয়।

    এ বছর পণ্য ও সেবা সংশ্লিষ্ট ২০টি খাতে মোট ৩২৮টি আবেদন পাওয়া যায়। মেলামাইন ও জাহাজ নির্মাণ শিল্প খাতে কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। ন্যূনতম আয়ের নিচে রপ্তানি আয় হওয়ায় চা খাতের একটি আবেদন অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

    রপ্তানি খাতে অবদানের জন্য এক বছর মেয়াদে সিআইপি (রপ্তানি) নির্বাচন করা হয়ে থাকে। তবে বর্তমানে নির্বাচিত সিআইপিরা পরবর্তী বছরের সিআইপি (রপ্তানি) ঘোষণার পূর্ব পর্যন্ত সিআইপি (রপ্তানি) মর্যাদায় ভূষিত থাকবেন।

    ২০২২ সালের পণ্য বা সেবার খাতওয়ারি মনোনীত সিআইপিদের (রপ্তানি ও ট্রেড) মধ্যে কাঁচাপাটে দুই জন, পাটজাত পণ্যে চারজন, চামড়াজাত দ্রব্যে ছয়জন, হিমায়িত খাদ্যে চারজন, তৈরি পোশাকে (ওভেন) ১৮ জন মনোনীত হয়েছেন। এছাড়া কৃষিজাত দ্রব্যে পাঁচজন, অ্যাগ্রোপ্রসেসিং এ পাঁচজন, হালকা প্রকৌশলী পণ্যে চারজন, ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্যে তিনজন, হস্তশিল্পজাত পণ্যে চারজন, স্পেশালাইজড বা হোমটেক্সটাইল পণ্যে চারজন, তৈরি পোশাকে (নিটওয়্যার) ৩৪ জন, সিরামিক পণ্যে একজন, প্লাস্টিকজাত পণ্যে চারজন, টেক্সটাইলে (ফেব্রিক্স) সাতজন, কম্পিউটার সফটওয়্যারে দুইজন, আসবাবে একজন, বিবিধ পণ্যে ২৭ জন ও ইপিজেডভুক্ত ‘সি’ ক্যাটাগরিতে পাঁচজন সিআইপি হয়েছেন। একইসঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে সিআইপি (ট্রেড ক্যাটাগরি) মনোনীত হয়েছেন ৪৪ জন।

    সিআইপি (রপ্তানি)-২০২২ নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিআইপি (রপ্তানি) নীতিমালা-২০১৩ অনুসরণ করা হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মহাপরিচালকের নেতৃত্বে প্রাথমিক বাছাই কমিটি এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের (রপ্তানি) নেতৃত্বে চূড়ান্ত বাছাই/নির্বাচন কমিটির মাধ্যমে প্রতিটি আবেদনপত্র মূল্যায়ন করা হয়। আবেদনপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি আয় এবং নতুন বাজারে প্রবেশ ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করা হয়। এছাড়া রপ্তানিকারকের বাণিজ্য বিরোধের সংশ্লিষ্টতা, আয়কর, ভ্যাট, শুল্ক এবং ঋণ গ্রহণ/পরিশোধ ইত্যাদি সম্পর্কিত বিষয়াদিও যাচাই করা হয়। খেলাপি ঘোষিত আবেদনকারীদের আবেদন চূড়ান্ত মূল্যায়নে বিবেচনা করা হয় না।

    সিআইপি (রপ্তানি)-২০২২ হিসেবে নির্বাচিত ব্যবসায়ীরা সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাস ও গাড়ির স্টিকার প্রাপ্তি, জাতীয় অনুষ্ঠান ও মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ প্রাপ্তি, ব্যবসা সংক্রান্ত ভ্রমণে বিমান, রেলপথ, সড়ক ও জলপথে সরকারি যানবাহনে আসন সংরক্ষণে অগ্রাধিকার, ব্যবসায়িক কাজে বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে Letter of Introduction প্রাপ্তি, নির্বাচিত সিআইপি তার স্ত্রী, পুত্র, কন্যা ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন প্রাপ্তির অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ-২ ব্যবহার সুবিধা পাবেন।

    সরকারিভাবে প্রদত্ত সিআইপি কার্ডধারী ব্যক্তি বিদেশি ক্রেতার কাছে আস্থা ও সুনামের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক গ্রহণযোগ্যতা তুলে ধরতে পারেন, যা তার ব্যবসায়িক সম্পর্ককে সুদৃঢ়করণের পাশাপাশি দেশের সার্বিক রপ্তানি প্রসারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

  • শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১০টি প্রকল্পে একনেকের অনুমোদন

    শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১০টি প্রকল্পে একনেকের অনুমোদন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৯ মে, ২০২৪: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ১০টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হয়। পরে একনেক কমিটি প্রায় ৫ হাজার ৫৬৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।

    এর মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ৫ হাজার ২০৩ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়নে ৩৬০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

    আজ বৃহস্পতিবার (০৯ মে) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক এর চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। শেরে বাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনা মন্ত্রী আব্দুস সালাম।

    নতুন যে ১০টি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষা রয়েছে সেগুলো হলো- ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব স্ট্যাটিস্টিকস সার্ভিস বেইসড অন প্ল্যাটফরম প্রকল্প, শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো নির্মাণ, চায়না এইড প্রজেক্ট অফ বার্ন ইউনিট অফ চিটাগাং মেডিকেল কলেজ হসপিটাল বাংলাদেশ, গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প; পিরোজপুর ও ঝালকাঠি জেলা, বরিশাল জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রোগ্রাম ফর সাসটেইনেবলিটি ইন দা টেক্সটাইল অ্যান্ড লেদার সেক্টর, ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এর উৎপাদন পদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেস এ রূপান্তরকরণ (প্রথম সংশোধিত), ঢাকা জেলায় বিদ্যমান সার্কিট হাউজ ভবনের স্থলে নতুন অত্যাধুনিক সার্কিট হাউজ ভবন নির্মাণ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর নবসৃজিত গাজীপুর (৬৩ বিজিবি) ব্যাটালিয়ানের অবকাঠামোগত বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ এবং আরবান রেজিলিয়েন্স প্রজেক্ট (ইউআরপি): ডিডিএম অংশ (তৃতীয় সংশোধিত) প্রকল্প।

  • পালিশ করার কারণে প্রতি বছর ১২ লাখ টন চাল অপচয় হচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী

    পালিশ করার কারণে প্রতি বছর ১২ লাখ টন চাল অপচয় হচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৯ মে, ২০২৪: পালিশ করার কারণে প্রতি বছর ১২ লাখ টন চাল অপচয় হচ্ছে, বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, “আমাদের শুধু পালিশ করে যে চাল নষ্ট হচ্ছে, সেটা অর্ধেক রপ্তানি করলেই হবে। কারণ বছরে উৎপাদিত প্রায় চার কোটি টনের মধ্যে তিন শতাংশ হারে প্রায় ১২ লাখ টন চাল পালিশ করার কারণে অপচয় হচ্ছে। আমাদের চাল পাঁচ দফা পালিশ করে চকচকে করা হচ্ছে। দুবার পালিশ করলেও ৫-৭ লাখ টন চাল বাড়বে।”

    আজ বৃহস্পতিবার (৯ মে) ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    খাদ্যমান্ত্রী বলেন, “দফায় দফায় পালিশ করার পর চালের মধ্যে শুধু কার্বোহাইড্রেট ছাড়া অন্য কোনো পুষ্টি থাকছে না। এতে খরচ হচ্ছে বিদ্যুৎ, শ্রমিক সবকিছু মিলে প্রতি কেজিতে প্রায় চার টাকা। যে ভার ভোক্তাকে বহন করতে হচ্ছে। চালের দামে এ খরচ যুক্ত হচ্ছে।”

    সাধান চন্দ্র মজুমদার বলেন, “আমরা নতুন আইন করে এ পালিশ বন্ধ করছি, মিনিকেট বা বিভিন্ন নামে চাল বাজারজাত করাও বন্ধ করেছি। ভোক্তাদের আমি বলবো, আপনারা চকচকে চাল খাওয়া বন্ধ করুন। তাহলে যেমন চালের দাম কমবে, আমরা চাল রপ্তানি করতেও সফল হবো। এ আইন কার্যকর হওয়ার পর আগামী আমন মৌসুম থেকে চাল পালিশ করলে মিলমালিকরা জরিমানার শিকার হবে। আসুন সবার প্রচেষ্টায় আমরা চাল রপ্তানির জন্য প্রস্তুত হই।”

    এদিকে দেশে এক অঙিনায় খাদ্য, কৃষি যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও স্বাস্থ্য পর্যটন নিয়ে একসঙ্গে আটটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ’র আয়োজনে তিনদিনের এ আয়োজন চলবে শনিবার পর্যন্ত। খাদ্যমন্ত্রী এসব প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন।

    একযোগে শুরু হওয়া এসব প্রদর্শনী হচ্ছে- ৭ম ফুড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো, ৪র্থ ফুড প্যাক এক্সপো, ৭ম এগ্রো বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো এবং ৭ম পোল্ট্রি অ্যান্ড লাইভস্টক বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো, ১৫তম মেডিটেক্স বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো, ১০তম ফার্মা বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো, ৮ম বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল ল্যাব এক্সপো এবং ৭ম ইন্টারন্যাশনাল হেলথ ট্যুরিজম অ্যান্ড সার্ভিসেস এক্সপো বাংলাদেশ।

    কৃষি ও প্লাস্টিক শিল্প জগতের অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, উন্নত প্রযুক্তি, পণ্য এবং পরিষেবা বিষয়ক এ প্রদর্শনীগুরোতে বাংলাদেশ, তুরস্ক, ভারত, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা ও চীনসহ ১৫টির বেশি দেশের প্রায় ১০০টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে।

    এছাড়া স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি ও সেবা নিয়ে স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান, দেশি-বিদেশি হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সহযোগিতা বিষয়ক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, সিঙ্গাপুর, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশের ১১২টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করবে।

    ৯ মে থেকে ১১ মে, প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা সংশ্লিষ্ট দর্শনার্থীদের জন্য প্রদর্শনীগুলো উন্মুক্ত থাকবে।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দাম ১১০ থেকে ১১৭ টাকা করেছে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের দাম ১১০ থেকে ১১৭ টাকা করেছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৮ মে, ২০২৪: কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলারের অফিসিয়াল দাম ১১০ থেকে ১১৭ টাকায় উন্নীত করেছে। এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ দাম ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে পণ্যের দাম বেড়ে যাবে, চাপে পড়বে সাধারণ মানুষ।

    আজ বুধবার (৮ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এখন থেকে ক্রলিং পেগ নামের নতুন পদ্ধতিতে ডলার কেনাবেচা হবে। এ পদ্ধতিতে ডলারের রেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৭ টাকা। কিন্তু গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা, যা ছিল অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাফেদা নির্ধারিত।

    বাজারে চা‌হিদার তুলনায় সরবরাহ কম এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্তের কারণে ডলারের দাম এক লাফে ৭ টাকা বা‌ড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

    দীর্ঘদিন ১১০ টাকায় থাকা ডলারের অফিসিয়াল রেট একদিনে ১১৭ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

    গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা। যা ছিল অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকারস বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাফেদা নির্ধারিত ডলার রেট।

  • সরকার টিসিবির জন্য মসুর ডাল, সয়াবিন ও রাইস ব্রান তেল কিনবে

    সরকার টিসিবির জন্য মসুর ডাল, সয়াবিন ও রাইস ব্রান তেল কিনবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৮ মে, ২০২৪: সরকার ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত ও সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ও রাইস ব্রান তেল কিনবে । এরমধ্যে ২২ হাজার টন মসুর ডাল, এক কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল এবং ৪০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল রয়েছে।

    এতে মোট ব্যয় হবে ৪৬৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

    আজ বুধবার (০৮ মে) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে পাঁচটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো নিয়ে সাংবাদিকদের জানান। তিনি বলেন, “ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে নাবিল নাবা ফুডস প্রোডাক্টস লিমিটেডের কাছ থেকে ছয় হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজির বস্তায়) কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ৬১ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা। প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০৩.২৪ টাকা। যা আগে ছিল ১০৩.৭৫ টাকা।”

    টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে শবনম ভেজিটেবল অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের কাছ থেকে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজির বস্তায়) কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ১০৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতি কেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০৩.৭৫ টাকা। যা আগে ছিল ১০৪.৭০ টাকা।

    অপর এক প্রস্তাবে টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে ছয় হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল (৫০ কেজির বস্তায়) কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। রাজশাহীর মেসার্স সালমান খুরশীদের কাছ থেকে তিন হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং খুলনার শেখ এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ এর কাছ থেকে তিন হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে  ৬০ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। প্রতি কেজি ডালের দাম পড়বে ১০১.৪০ টাকা। যা আগেছিল ১০২.৯০ টাকা।

    তিনি বলেন, “টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে, সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের কাছ থেকে এক কোটি ২০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮২ কোটি ৪০ লাখ টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ১৫২ টাকা। যা আগে ছিল ১৫২.৯৮ টাকা।”

    এছাড়া টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড এবং মজুমদার ব্রান অয়েল মিলস লিমিটেডের কাছ থেকে ৪০ লাখ লিটার রাইস ব্রান তেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ৫৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

  • বাজেটে নিত্যপণ্যের ডিউটি কমানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    বাজেটে নিত্যপণ্যের ডিউটি কমানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি  – ৭ মে, ২০২৪: বাজেটে নিত্যপণ্যের ডিউটি কমানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি, বেলে জানিয়েছেণ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন, “নিত্যপণ্যের ডিউটি কমানোর একটি প্রস্তাব দিয়েছি, যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ডিউটি একটি যৌক্তিক পর্যায়ে থাকে, সাধারণ মানুষের যেন কষ্ট না হয়। গত (রবিবার) আমরা এ বিষয়ে এনবিআরের সঙ্গে বসেছি, আগামীকালও (বুধবার) বসবো। প্রধানমন্ত্রীও বিষয়টি অবগত। অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক কিন্তু এখনো নেই। অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক যেন আমাদের ওপর বোঝা না হয়, সে চেষ্টা বাজেটের আগে আমাদের থাকবে।”

    আজ মঙ্গলবার (৭ মে) দেশব্যাপী এক কোটি ফ্যামিলি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে মে মাসের টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সকালে রাজধানীর বারিধারা পার্ক থেকে দেশব্যাপী পণ্য বিক্রয়ের এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এটি প্রমাণিত যে বাজারে পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সিন্ডিকেট করা সম্ভব হবে না। টিসিবির মাধ্যমে আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের একটি বাফার স্টক করার জন্য কাজ করছি, যেখানে এক-দেড় মাসের পণ্য স্টক রাখা সম্ভব হবে। আবার অনেক আগের মতো পণ্যগুলো রেশন সিস্টেমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে দেওয়ার চিন্তাভাবনাও আমরা করছি।”

    তিনি বলেন, “আগামীতে টিসিবির বিক্রি কার্যক্রমে আরও নতুন নতুন পণ্য যুক্ত করা হবে। ডিলারের সংখ্যা বাড়িয়ে পাড়া-মহল্লা পর্যন্ত টিসিবির দোকান প্রতিষ্ঠা করা হবে।”

    টিসিবি কার্ডধারীরা এই কার্যক্রমের আওতায় সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, পাঁচ কেজি চাল, দুই কেজি করে মসুর ডাল কিনতে পারছেন। এর মধ্যে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম রাখা হচ্ছে ১০০ টাকা। প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং মসুর ডাল ৬০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

    টিসিবি মাধ্যমে নিম্ন আয়ের এক কোটি উপকারভোগী পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে এ পণ্য বিক্রি করে। সিটি করপোরেশন ও জেলা-উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় নির্ধারিত তারিখ ও সময় অনুযায়ী পরিবেশকেরা টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এ সময়ে নিজ নিজ এলাকার পরিবেশকদের দোকান বা নির্ধারিত স্থান থেকে পণ্য কিনতে পারবেন পরিবার কার্ডধারীরা।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ওয়াকিল উদ্দীন আহমেদ, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হাসিবা বারী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, টিসিবি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, টিসিবির নবাগত চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা ইকবাল, ১৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

  • অর্থনীতিতে তিন সমস্যা যুক্ত হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    অর্থনীতিতে তিন সমস্যা যুক্ত হয়েছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৫ মে, ২০২৪: অর্থনীতিতে তিন সমস্যা যুক্ত হয়েছে, বলে জানিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “অর্থনীতিতে তিন সমস্যা যুক্ত হয়েছে। সেগুলো হলো প্রথমত, উচ্চ মূল্যস্ফীতি। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের জীবন যাত্রার ব্যয় বেড়েছে। সরকারের নানা চেষ্টার পরও কোনো ফল আসেনি, মূল্যস্ফীতি কমানো যায়নি।  দ্বিতীয়ত, দেশে অভ্যন্তরীণ ঋণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বৈদেশিক যে ঋণ রয়েছে, অভ্যন্তরীণ ঋণ তার দ্বিগুন। এটা আরও বড় সমস্যা ডেকে নিয়ে আসবে। এবং তৃতীয়ত, প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে, আগামীতে এ ধারা অব্যাহত থাকবে।”

    আজ রবিবার (৫মে) হোটেল লেকশরে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম সিটিজেন প্লাটফর্ম ফর এসডিজিএস আয়োজিত ‘নতুন সরকার, জাতীয় বাজেট ও জনমানুষের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে মূল প্রবন্ধে তিনি একথা বলেন।

    দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য  বলেন, “এই তিন সমস্যা আগামীত বাজেট বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের মধ্যে ফেলে  দেবে।”

    তিনি আরও বলেন, “মূল্যস্ফীতি পিছিয়ে পড়া মানুষের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে। ফলে বাল্য বিয়েও বাড়ছে। বিশ্বে মূল্যস্ফীতির পতন ঘটেছে, কিন্তু দেশে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।”

    জিডিপিতে ঋণের বোঝা আরও বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের যে সুনাম ছিল আমরা কখনো খেলাপি হই না, সে সুনাম আর থাকছে না। ইতোমধ্যে আমরা ৫ বিলিয়ন ডলারের দেনা এখনও আমরা দিতে পারছি না। আমাদের গর্বের জায়গায় চিড় ধরেছে। জিডিপিতে সরকারি ঋণ ৩৭ শতাংশ, ব্যক্তিখাতের ঋণ ৫ শতাংশ- সব মিলিয়ে ৪২ শতাংশ ঋণের বোঝা আছে সরকারের।”

    জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন হবে জানিয়ে দেবপ্রিয় বলেন, “সরকার ত্রৈমাসিক জিডিপির তথ্য দিচ্ছে। তাতে যা দেখা যাচ্ছে, গড় প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশ, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে বাকি সময়ে ১০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি করতে হবে- যা প্রায় অসম্ভব।”

    বিশেষ সম্মানিত অথিতির  বক্তব্যে একে আাজাদ বলেন, “সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সরকারের একটও যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কিন্তু জবাবদিহিতা ও সঠিক ব্যবস্থা না থাকলে ও দুর্নীতি রোধ না করা গেলে এই ভাল উদ্যোগ ব্যহত হবে।”

    কেভিড-১৯ এর আগে অর্থনীতি ইতিবাচক ধারাতে ছিল, অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি আট শতাংশে উঠেছিল। করোনা মহামারী, যুদ্ধ পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে অর্থনীতিতে দূর্বলতা সৃষ্টি হয়েছে। অর্থনীতির এ সব দুর্বলতা স্বীকার করে উত্তরণে উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সেন্টার ফট পলিসি ডায়ালগের (সিপিবি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন।

    অনুষ্ঠান বক্তব্য রাখেন সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান, সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, সিনিয়র রিসার্চ  ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ।

  • এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্সের মোট পরিমাণ ২০৪ কোটি ডলার

    এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্সের মোট পরিমাণ ২০৪ কোটি ডলার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৪ মে, ২০২৪: সাধারণত ঈদের আগে প্রবাসীরা স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠানোর কারণে রেমিট্যান্স আয় অনেক বেড়ে যায়। ঈদের পরে সেটা আবার অনেক কমে যায়। কিন্তু এবছর ঈদে তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। এবার ঈদের আগে নয় বরং ঈদের পর এপ্রিলের শেষ চারদিনে রেমিট্যান্স এসেছে গড়ে সাড়ে ৯ কোটি ডলার। শুধুমাত্র শেষ দিনেই এসেছে ১৩ কোটি ডলার। এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্সের মোট পরিমাণ ২০৪ কোটি ডলার

    এপ্রিল মাসের প্রথম ১২ দিন গড়ে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে ৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার। আর শেষ চারদিনে  এসেছে গড়ে সাড়ে ৯ কোটি ডলার। শুধুমাত্র শেষদিনে এসেছে ১৩ কোটি ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২০ কোটি ডলার। ফেব্রুয়ারি মাসে এসেছে ২১৬ কোটি ডলার আর মার্চ মাসে প্রায় ২০০ কোটি ডলার। আর গত বছরের শেষ মাস অর্থাৎ ডিসেম্বরে এসেছিলো ১১৯ কোটি ডলার।

    এর আগে ২০২৩ সালে হুণ্ডি বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং চ্যানেলে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিলো। ২০২২-২৩ অর্থ বছরে রেমিট্যান্সের অঙ্ক পৌঁছায় ২ হাজার ১৬১ কোটি ডলারে- যেটা এ যাবৎকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। আর করোনার ২০২০-২১ সালে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকার রেমিট্যান্স আসে। করোনা সংক্রমণের আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিলো ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।

    বিষয়টি অবশ্যই আমাদের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বিষয়।