Category: অর্থনীতি

  • বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বাজার তদারকির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বাজার তদারকির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ মে, ২০২৪: ইদানিং বাজারে কৃত্রিমভাবে পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বাজার মনিটরিংয়ের (তদারকি) নির্দেশ দিয়েছেন ।

    আজ সোমবার (২০ মে) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    সভা শেষে বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আজকে (মন্ত্রিসভা বৈঠকে) নির্ধারিত ইস্যুর বাইরে দুটি বিষয় ছিল। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে কঠোরভাবে বলেছেন, বাজার মনিটরিং যেন জোরালোভাবে হয় এবং ভালোভাবে নজর দিতে বলেছেন। বাজারে পণ্যের সরবরাহ বা সাপ্লাই যেন ঠিক থাকে, সে নির্দেশনাও দিয়েছেন।

    তিনি বলেন, কিছু কিছু পণ্যের সরবরাহ ঠিক আছে। আবার ক্রাইসিস না থাকা সত্ত্বেও বাজারে কৃত্রিমভাবে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রবণতার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কঠোরভাবে যেন বাজার মনিটরিং শুরু করা হয়, সেজন্য প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্টভাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

  • বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল: খুরশিদ আলম

    বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল: খুরশিদ আলম

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৮ মে, ২০২৪: বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল, বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম। তিনি বলেন, “ এ বছর ৮ লাখ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করা হবে। যারা অপ্রচার চালাচ্ছে তাদের দ্বারা বিভ্রান্ত হবেন না। বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পেছনে তাকানোর সময় নেই। মানুষের আয় বেড়েছে। অনেকে না জেনে বিভ্রান্তকর তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে। “

    আজ শনিবার (১৮ মে) দুপুরে পঞ্চগড়ের চেম্বার ভবন মিলনায়তনে এক কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    গ্রাহকদের ব্যাংকিং বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রংপুর বিভাগে ‘গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।  বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

    খুরশিদ আলম আরও বলেন, “সাংবাদিকদের শুধু তথ্য দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে তিনজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারপরও যদি না হয় আমরা তিনজন ডেপুটি গভর্নর আছি। আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুণ।”

    এসময় তিনি আরও বলেন, “ব্যাংকিং সেক্টরে যারা কাজ করছি তারা সবাই দেশের জন্য কাজ করছি। খেলাপিঋণ আদায়ে আপনারা সচেতন হোন। গ্রাহকদের সঙ্গে ভালো আচরণ করুন।”

    ‘গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪’ কর্মসূচিতে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে বলে জানান ডেপুটি গভর্নর।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নূরুল আমিন ও রুহুল আমিন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক লিজা ফাহমিদা ও শায়েমা ইসলাম, ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফিউজ্জামান।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এফআইসিএসডি স্ট্রাটেজিক কম্যুনিকেশন টিমের প্রধান অতিরিক্ত পরিচালক মাহেনুর আলম। দিন ব্যাপী এই আয়োজনে অতিথিদের বক্তব্যের পাশাপাশি ব্যাংকিং সেবারে বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন দেখানো হয়। এতে রংপুর বিভাগের প্রায় শতাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

  • জুনের ৬ তারিখে দেওয়া বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী

    জুনের ৬ তারিখে দেওয়া বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৭ মে, ২০২৪: জুনের ৬ তারিখে দেওয়া বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করব, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “আমরা ৬ তারিখে বাজেট দেব। বাজেট আমরা ঠিক মতো দিতে পারব, বাস্তবায়নও করব। দেশি-বিদেশি নানা কারণে জিডিপি কিছুটা হয়তো কমবে, সেটা পরবর্তীতে উত্তরণ করতে পারব সে আত্মবিশ্বাস আছে।”

    আজ শুক্রবার (১৭ মে) রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, মিলনায়তনে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির ২২তম দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গ্রামের অর্থনীতি পাল্টে গেছে। যারা একবেলা ভাত খেতে পারতেন না, তারা এখন চারবেলা খান। হাট-বারের বাইরে কিছু পাওয়া যেতো না, এখন সুপার মার্কেট হয়েছে।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “২০০৮-এর নির্বাচনি ইশতেহার ‘দিন বদলের সনদ’-এ আমরা ‘রূপকল্প ২০২১’ এর ঘোষণা দিই। জনগণ আওয়ামী লীগকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে। ২০০৯ সালে সরকার গঠন করে আমরা ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করি। সবসময়ই বিশ্বাস করি, অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে প্রয়োজন সবার অংশগ্রহণ। ১৯৭৫ সালের ১৫ জুন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রথম সভায় বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘আমার মাটির সঙ্গে, আমার মানুষের সঙ্গে, আমার কালচারের সঙ্গে, আমার ব্যাকগ্রাউন্ডের সঙ্গে, আমার ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত করেই আমার ইকোনমিক সিস্টেম গড়তে হবে’। তাই আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা এমনভাবে বাস্তবায়ন শুরু করি যাতে সমাজের কেউ বাদ না পড়ে। এসব বিষয় মাথায় রেখে সেসময় আমি ‘জনগণের ক্ষমতায়ন, উন্নয়ন ও শান্তির মডেল’ নামে একটি মডেল তৈরি করি। ২০১১ সালে এই মডেলটি জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করে।”

    তিনি বলেন, “২০১৪ সালের নির্বাচনি ইশতেহার ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহার ‘সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ’ এর প্রতিও জনগণ বিপুল রায় দেয়। ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনার ফলে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক চিত্র বদলে যায়। বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে পরিচিতি পায় ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে। ২০২৪ সালের নির্বাচনি ইশতেহারের শিরোনাম দিয়েছি, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ। উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’। এই স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিগত এবং উদ্ভাবনশীল। যাতে রয়েছে চারটি স্তম্ভ- স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সরকার ও স্মার্ট সমাজ।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের গ্রামের বাজার পাটগাতি থেকে ঈদের আগে ২০০ ফ্রিজ বিক্রি হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতি যত বেশি মজবুত হচ্ছে, শিল্প কলকারখানা বাড়ছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আজ অর্থনীতি সমিতির প্রোগ্রামে আসছি। এখানে অনেকের অনেক বড় বড় ডিগ্রি আছে। আমার কিন্তু তা নেই। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেছি। অর্থনীতির সুক্ষ ও জটিল বিষয়াদি আপনাদের মতো আমি বুঝি না। এতটুকু বুঝি কীভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হয়। কীভাবে মানুষের উপকার হবে। আমার বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান থেকেই আমি এটা শেখেছি। তিনি তো বেশিরভাগ সময়ই জেলে থাকতেন। যতক্ষণ বাইরে থাকতেন। আমাদের সঙ্গে গল্প করতেন- কীভাবে তিনি দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চান, কীভাবে গ্রামগুলোকে সাজাবেন।”

  • ৫ টি দেশে বাংলাদেশের আম নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন: কৃষিমন্ত্রী

    ৫ টি দেশে বাংলাদেশের আম নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন: কৃষিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৭ মে, ২০২৪: ৫ টি দেশে বাংলাদেশের আম নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, বলে জানিযেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুস শহীদ। তিনি বলেন, “আমরা রাশিয়া, বেলারুশ, চীন, জাপান ও ভারতের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বাংলাদেশের আম নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাই আমরা চেষ্টা করছি বেশি পরিমাণ আম রপ্তানি করার। এজন্য চীনের একটি প্রতিনিধিদল শিগগিরই রাজশাহীর আম দেখতে আসবে। আর এ দলটির সঙ্গে ঠিকমতো কথা বলে আমের সঠিক মূল্য নির্ধারণের জন্য কিছু কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

    আজ শুক্রবার (১৭ মে) দুপুরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কুমরপুর গ্রামে আমের বাগান পরিদর্শন ও আমচাষিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ পরামর্শ দেন।

    কৃষিমন্ত্রী বলেন, “রাজশাহীতে আমের ফলন এবার কম হয়েছে, সে কারণে দাম বাড়বে। তাই সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।আমরা কোনোভাবেই সিন্ডিকেট করতে দেব না।”

    তিনি বলেন, “আমের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে যেন খুব বেশি পার্থক্য না হয় সেই ব্যাপারেও খেয়াল রাখতে হবে।”

    কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আম রপ্তানির জন্য ২৫০ থেকে ৩০০ কৃষককে এরই মধ্যে সহায়তা করা হয়েছে। আর আম রপ্তানির জন্য রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম গ্রেডিং শেড ও ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট করা হচ্ছে।”

    আম সংরক্ষণ বিষয়ে তিনি বলেন, “আম পচনশীল পণ্য। তাই মৌসুমে একটা পার্সেন্টেজ আম নষ্ট হবেই। আমরা আম কিছু সময়ের জন্য সংরক্ষণ করতে চাই, অন্যান্য কৃষিজাত পণ্যও সংরক্ষণ করতে চাই। সেজন্য দেশের আটটি বিভাগে আটটি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করবো। তবে এর জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে। কারণ এ প্রজেক্টের জন্য অনেক টাকার দরকার। আমরা দেশি-বিদেশি সহযোগিতায় এটা করতে চাই।”

    এর আগে মন্ত্রী সোনাদীঘি গ্রামের কৃষক রাতুলের ফার্মে মাটিবিহীন চারা উৎপাদন, ই-ফারমিং, ভার্মি কম্পোস্ট, বসতবাড়ি বাগান ও কৃষিক্ষেত পরিদর্শন করেন।

    কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- বিশ্ব ব্যাংকের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মাইকেল জন ওয়েবস্টের, কোকাকোলা বাংলাদেশ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জু-উন নাহার চৌধুরী ও রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল। এছাড়া কৃষিমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রী সমভাবে জেলা ভিত্তিক উন্নয়ন বন্টনের নির্দেশ দিয়েছেন

    প্রধানমন্ত্রী সমভাবে জেলা ভিত্তিক উন্নয়ন বন্টনের নির্দেশ দিয়েছেন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৬ মে, ২০২৪: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষেদের (এনইসি) নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা বিভাগের এনইসি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৬ মে) নগরীর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এ উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “দেখা যায় অনেক উপজেলায় একাধিক প্রকল্প, আবার অনেক উপজেলা অবহেলিত থাকে। এটা বন্ধ করতেই জেলা ভিত্তিক প্রকল্প হাতে নেবো যাতে উন্নয়ন সমভাবে বণ্টন হয় “

    তিনি আরও বলেন, “যেসব সরকারি কর্মকর্তা নানান সময়ে বিদেশে প্রশিক্ষণে যান, সেখান থেকে ফেরার পর তাদের প্রশিক্ষণের ধরন অনুযায়ী প্রকল্পে নিয়োগের অনুশাসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।”

    পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব সত্যজিত কর্মকার বলেন, “চলতি অর্থবছরে ৩০ জুনের মধ্যে ৩৫৬টি প্রকল্প শেষ হবে যা এযাবৎকালে সর্বোচ্চ। কোনো চিকিৎসক প্রকল্প পরিচালক হলে তাকে আলাদা প্রশিক্ষণ দিতে এনইসি সভায় প্রধানমন্ত্রী অনুশাসন দিয়েছেন।”

  • আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

    আগামী অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট অনুমোদন

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৬ মে, ২০২৪: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) আগামী অর্থবছরের (২০২৪-২৫) জন্য দুই লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করেছে ।

    আজ বৃহস্পতিবার (১৬ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনইসি চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভা পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সত্যজিৎ কর্মকার। এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী আব্দুস সালাম ও প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামান তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।

    সত্যজিৎ কর্মকার জানান, সভায় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্পোরেশনের প্রায় ১৩ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার টাকা এডিপিও অনুমোদিত হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থায়ন ১১ হাজার ৬৯৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে অর্থায়ন ১ হাজার ৫৮৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। সুতরাং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বা কর্পোরেশনের প্রকল্পের বরাদ্দসহ এডিপির সর্বমোট আকার দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭৮ হাজার ২৮৮ কোটি ৯১ লাখ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপির আওতায় প্রকল্পের সংখ্যা ১৩২১টি।

    বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখে খাদ্য নিরাপত্তার লক্ষ্যে কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প, বিদ্যুৎ খাত, শ্রম-শক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাসকরণ সংক্রান্ত প্রকল্পে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

    অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের গতিশীলতা বজায় রাখা, কর্মসৃজনের আওতা সম্প্রসারণ এবং দারিদ্র্য বিমোচনে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণের যে নীতি-কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে, তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের এডিপি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

    এডিপিতে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত ১০টি খাত:

    ১. পরিবহন ও যোগাযোগ: ৭০ হাজার ৬৮৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা (২৬.৬৭%)।

    ২. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি: ৪০ হাজার ৭৫১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা (১৫.৩৮%)।

    ৩. শিক্ষা: ৩১ হাজার ৫২৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা (১১.৩৬%)।

    ৪. গৃহায়ণ ও কমিউনিটি সুবিধাবলি: ২৪ হাজার ৮৬৮ কোটি ৩ লাখ টাকা (৯.৩৮%)।

    ৫. স্বাস্থ্য: ২০ হাজার ৬৮২ কোটি ৮৮ লাখ টাকা (৭.৮০%)।

    ৬. স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন: ১৭ হাজার ৯৮৬ কোটি ২১ লাখ টাকা (৬.৭৯%)।

    ৭. কৃষি: ১৩ হাজার ২১৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা (৪,৯৯%)।

    ৮. পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ: ১১ হাজার ৮৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা (৪.১৮%)।

    ৯. শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা: ৬ হাজার ৪৯২ কোটি ১৮ লাখ টাকা (২.৪৫%)।

    ১০. বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি: ৪ হাজার ৭৮৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা (১.২৫%)।

    সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত ১০টি মন্ত্রণালয়:

    ১. স্থানীয় সরকার বিভাগ: ৩৮ হাজার ৮০৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা (১৫.০০%)।

    ২. সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ: ৩২ হাজার ৪২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা (১২.৩৯%)।

    ৩. বিদ্যুৎ বিভাগ: ২৯ হাজার ১৭৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা (১১.২৮%)।

    ৪. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়: ১৬ হাজার ১৩৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা (৬.২৪%)।

    ৫. স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ: ১৩ হাজার ৭৪১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা (৫.৩১%)।

    ৬. রেলপথ মন্ত্রণালয়: ১৩ হাজার ৭২৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা (৫.৩১%)।

    ৭. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: ১২ হাজার ৮৮৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা (৪.৯৮%)।

    ৮. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ: ১১ হাজার ৩৮৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা (৪.৪০%)।

    ৯. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়: ১০ হাজার ৩৭৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা (৪.০১%)।

    ১০. পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়: ৮ হাজার ৬৮৭ কোটি ৯ লাখ টাকা (৩.৩৬%)।

  • সরকার ৬৩২ কোটি ৭২ লাখ ২২ হাজার টাকার সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে

    সরকার ৬৩২ কোটি ৭২ লাখ ২২ হাজার টাকার সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৫ মে, ২০২৪: রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের জন্য সরকার ৬৩২ কোটি ৭২ লাখ ২২ হাজার টাকার সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে। এক লাখ ৭০ হাজার টন সার কেনা হবে কানাডা, কাতার, সৌদি আরব এবং দেশীয় প্রতিষ্ঠান কাফকো থেকে ।

    এর মধ্যে ৯০ হাজার টন ইউরিয়া, ৪০ হাজার টন মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) এবং ৪০ হাজার টন ডাই–অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার।

    আজ বুধবার (১৫ মে) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ভার্চ্যুয়ালি অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার সচিব মো. মাহমুদুল হোসাইন খান সাংবাদিকদের জানান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে সই হওয়া চুক্তির আওতায় প্রথম লটের ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১২৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। প্রতি টন সারের দাম পড়বে ২৮৫ ডলার, যা আগে ছিল ৩২৭ দশমিক ৭৫ ডলার।

    আরেক প্রস্তাবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সৌদি আরবের মা আদেন এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) মধ্যে সই হওয়া চুক্তির আওতায় পঞ্চম লটের ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ২২৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, প্রতি টন সারের দাম পড়বে ৫১৯ মার্কিন ডলার, যা আগে ছিল ৫৫৪ ডলার।

    সচিব বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে কাতারের কাতার কেমিক্যাল অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যাল মার্কেটিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (মুনতাজাত) থেকে ১৩তম লটে ৩০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯২ কোটি ২৯ লাখ ১১ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের দাম পড়বে ২৭৯ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার, যা আগে ছিল ২৮২ দশমিক ৫০ ডলার।

    ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ১৪তম লটে ৩০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯১ কোটি ১৩ লাখ ৬১ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের দাম পড়বে ২৭৬ দশমিক ১৭ ডলার, যা আগে ছিল ২৮৮ দশমিক ৩৩ ডলার।

    এ ছাড়া ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো), বাংলাদেশের কাছ থেকে ১৬তম লটে ৩০ হাজার টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯৫ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি টন সারের দাম পড়বে ২৮৯ দশমিক ৫০ ডলার, যা আগে ছিল ৩৬৬ দশমিক ৩৭৫ ডলার।

  • জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ফান্ড বরাদ্দের নীতিমালা মানা হচ্ছে না: টিআইবি

    জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ফান্ড বরাদ্দের নীতিমালা মানা হচ্ছে না: টিআইবি

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৪ মে, ২০২৪: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) অভিযোগ করেছ বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় গঠিত গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) বরাদ্দের ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে না।

    সংস্থাটি বলছে, জিসিএফ স্বীকৃত তহবিল পাওয়ার যোগ্য ১৫৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি (১৬.২%) দেশ প্রকল্প পায়নি।

    এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি দেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের। যারমধ্যে বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ৯৬টি দেশের মধ্যে ৮টি দেশ প্রকল্প পায়নি।

    আজ মঙ্গলবার (১৪ মে) ধানমন্ডিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপন শেষে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “জিএসএফে জবাবদিহিতা করার মতো কোনো অবকাঠামো নেই। প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব নীতিমালা লঙ্ঘন করছে ও বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। জিসিএফের ত্রুটি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের দেন দরবারের সুযোগ রয়েছে।”

    তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের যে অর্থ প্রয়োজন জিসিএফের মাধ্যমে সিংহভাগ আসার কথা। কিন্তু জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো সুফল পাচ্ছে না। তারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে বেশি অর্থায়ন করছে। এটা গ্রহণযোগ্য না।”

    গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্নীতি প্রতিরোধে জিসিএফের জিরো টলারেন্স নীতি থাকলেও ইউএনডিপির মতো বড় প্রতিষ্ঠানের জলবায়ু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ অমীমাংসিত রেখে তাদের পুন:স্বীকৃতি দিয়েছে। জিসিএফ ইউএনডিপিকে সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির গবেষক নেওয়াজুল মাওলা ও সহিদুল ইসলাম গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন।

    গবেষণায় জানানো হয়, জিসিএফের ঋণের অর্থ বিদেশি মুদ্রায় সুদের সঙ্গে ফেরত দিতে হয়। যা ঋণগ্রহিতা দেশগুলোর বহিঃ ঋণের বোঝা বাড়ায়। এর ফলে স্থানীয় মুদ্রার ওপরসহ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

    এতে আরও জানানো হয়, তহবিল নিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অসম প্রতিযোগিতা বিরাজ করছে। দুর্নীতি প্রতিরোধসহ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতার ঘাটতির অজুহাতে জিসিএফ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

    এসময় সংস্থাটির কান্ট্রি ওনারশিপ নীতিমালা স্পষ্ট করা, তহবিল বাড়ানো, জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়াসহ একাধিক সুপারিশ করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষক নেওয়াজুল মাওলা ও সহিদুল ইসলাম।

  • সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে তাই সমাধান হতে বাধ্য: বস্ত্রমন্ত্রী

    সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে তাই সমাধান হতে বাধ্য: বস্ত্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৩ মে, ২০২৪: সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে তাই সমাধান হতে বাধ্য, বলে জানিয়েছেন পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। তিনি বলেন, “আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা চিহ্নিত করেছি। সমস্যা যখন চিহ্নিত সমাধান হতে বাধ্য। সুতরাং আমরা সমাধানের সূত্রগুলো বের করব এবং সমাধানগুলো খুব তাড়াতাড়ি করতে হবে।

    আজ সোমবার (১৩ মে) সচিবালয়ে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এনবিআর ও কাস্টমসের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগের পেক্ষিতে এ কথা বলেন।

    বস্ত্রমন্ত্রী বলেন, “গতকাল কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত এসেছিলেন। তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্পর্কে এবং কাস্টমসের হয়রানি নিয়ে কথা বলেছেন। এছাড়া সাংবাদিকরা রয়েছেন অনেক কথা আছে যেগুলো আমি বলতে পারব না। সমস্ত জায়গা থেকে একটি অভিযোগ আসছে। আমি সম্প্রতি ওমরা হজ করে এসেছি। সৌদি আরবে ব্যবসায়ীরা জোর করেই আমার সঙ্গে বসে ছিলেন। বাঙালি ব্যবসায়ীরা সেখানে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। সেখান থেকেও একই ধরনের অভিযোগ এসেছে।”

    তিনি আরও বলেন, “দুটি বিষয়, একটি হলো রেমিটেন্স পাঠানো আরেকটি তারা যে ব্যবসা করে, তারা যে সমস্ত মালামাল পাঠায় তা নিয়ে চট্টগ্রাম কাস্টমসের, এনবিআর সমস্যা। সর্বসাকুল্যে আমি বলব এনবিআর এবং কাস্টমসের যে সমস্যা গুলো রয়েছে এটা বড় সমস্যা। আমি সামনের মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবো।

    পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী বলেন, “পোশাক শিল্পকে আমরা শুধু বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সবথেকে বড় ক্ষেত্র হিসেবে দেখছি না, সমাজ পরিবর্তনেও আপনারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দারিদ্র্য বিমোচনেও আপনারা মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন। প্রায় ৪২ লাখ শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত অধিকাংশ শ্রমিক নারী। এই শিল্পের কল্যাণে নারীর ক্ষমতায়ন ফিরে এসেছে। নারীরা স্বপ্ন দেখতে শিখেছে। কাজেই সেই শিল্পকে আমাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে।”

    বিজিএমইএ’র দাবির প্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, “অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করে পূর্ণভাবে প্রস্তুত না করে বাইরে কোথাও শিল্প করতে দেওয়া যাবে না, এটা শিল্পনীতি হতে পারে না। আপনারা নগদ সহায়তা প্রদান ২০২৬ সাল পর্যন্ত বলবৎ রাখার দাবি জানিয়েছেন। আমাদের টার্গেটে পৌঁছাতে হলে বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে হলে এই নগদ সহায়তার বিষয়টি থাকতে হবে।

    বিজিএমইএ সভাপতি এস এম মান্নান (কচি) বলেন, “আমাদের আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে সব থেকে হয়রানির জায়গা এনবিআর। এনবিআরের চেয়ারম্যান অত্যন্ত সৎ একজন। উনি একজন সৎ কিন্তু উনার নিচে যারা আছে… আলোর নিচে যেমন অন্ধকার সেই অন্ধকার। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করলে অডিট হয় না। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করলে আমদানি- রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। এতে করে নির্দিষ্ট সময়ে আমরা আমাদের মাল আমদানি করতে পারছি না, রপ্তানিও করতে পারছি না।”

    তিনি বলেন, “তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে আইনি কোন বাধা থাকে না। কিন্তু যোগাযোগ না করলেই হয়রানির শিকার হতে হয়। আমরা যাতে আইন মেনেই সুন্দর সুষ্ঠুভাবে ব্যবসা করতে পারি তার দাবি জানাচ্ছি। আমরা হয়রানি মুক্ত ব্যবসা করতে চাই। ”

    তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করেছে অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাহিরে শিল্প করা যাবে না। ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে মাত্র তিনটি চালু হয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু না করেই বাহিরে শিল্প করা যাবে না, এমন নির্দেশনা দিলে বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই এই সার্কুলার তুলে নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

    এ সময় ২০২৬ সাল পর্যন্ত পোশাক রপ্তানিতে নগদ সহায়তা বহাল রাখার দাবি জানান বিজিএমইএ সভাপতি। পাশাপাশি সোর্স ট্যাক্স ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ৫০ শতাংশ করার দাবি জানান।

  • চামড়া ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ পেতে সুপারিশ করা হবে: শিল্পমন্ত্রী

    চামড়া ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ পেতে সুপারিশ করা হবে: শিল্পমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১২ মে, ২০২৪: চামড়া ব্যবসায়ীদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ পেতে সুপারিশ করা হবে, বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ন। তিনি বলেন, “যেহেতু কোরবানি সামনে, ব্যবসায়ীরদের আর্থিক অবস্থাও খুব ভালো না। এক্ষেত্রে ক্যাপিটাল শর্টফল যাতে না হয় সে বিষয়ে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক বরাবর চিঠি ইস্যু করবো যাতে আগামী ৭ থেকে ৮ মাসের জন্য অর্থ সহায়তা তারা পান। আর ব্যাংকের চলমান ঋণ থাকবে ব্যাংকের পলিসি অনুযায়ী।”

    আজ রবিবার (১২ মে) রাজধানীর শিল্প মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    শিল্পমন্ত্রী বলেন, “বিগত বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আসন্ন ঈদুল আজহার সময় চামড়ার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে খোলা মন নিয়ে কাজ করতে হবে।”

    তিনি বলেন, “আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে ট্যানারি শিল্প নগরী। এবার ঈদেও আমরা পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছি। আশা করি ঈদে বাড়তি চাপ হবে না।”

    আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।