Author: Hello Bangla News

  • ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি প্রথমবার ইফতারের আয়োজন করলেন

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি প্রথমবার ইফতারের আয়োজন করলেন

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় সংখ্যালঘু মুসলিম তাতার সম্প্রদায়ের প্রতি রাশিয়ার আচরণের নিন্দা জানিয়েছেন। রাজধানী কিয়েভে গতকাল শুক্রবার প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক ইফতারের আয়োজন করেন তিনি। সেখানে তিনি রাশিয়ার কাছ থেকে ক্রিমিয়া পুনর্দখলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    রাজধানী কিয়েভে ক্রিমিয়ার তাতার কালচারাল সেন্টারের এ ইফতারের আয়োজন করেছেন জেলেনস্কি। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৭ এপ্রিল) এই ইফতারের আয়োজন করা হয়। এ সময় ক্রেমলিন-নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় সংখ্যালঘু মুসলিম তাতার সম্প্রদায়ের প্রতি রাশিয়ার আচরণের নিন্দা জানান জেলেনস্কি। রাশিয়া থেকে ক্রিমিয়া পুনর্দখলের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    ইফতারের আগে ফ্রন্টলাইনে লড়াই করা মুসলিম সেনাদের হাতে মেডেল তুলে দেন জেলেনস্কি। এসময় সমগ্র বিশ্বের মুসলিমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। জেলেনস্কি ঘোষণা দেন, এখন থেকে প্রতিবছর রমজানের একটি দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সম্মানজনক বিশেষ ইভেন্ট’ হিসেবে পালন করা হবে। যে ইফতার আয়োজনে যোগ দেবেন ইউক্রেনের রাষ্ট্রপ্রধান।

    ২০১৪ সালে কৃষ্ণসাগরের ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেয় রাশিয়া। ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালে দেশটি গণভোটের আয়োজন করে। ওই গণভোটে রুশ বাহিনীর দখলে থাকা ইউক্রেনের চার অঞ্চলের অধিকাংশ বাসিন্দা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দেন।

    জেলেনস্কি বলেন, সব কমিউনিটির মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ইউক্রেন। বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায় রমজানের এই কঠিন এক সংযমকে সম্মানের চোখে দেখে ইউক্রেন। ইউক্রেনীয় মুসলিম সেনাদের পুরস্কৃত করতে পেরে ও তাদের সঙ্গে ইফতার করার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত।

    মুসলিম সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে জেলেনস্কি বলেন, ক্রিমিয়া দখলের সঙ্গে সঙ্গে রাশিয়া ইউক্রেনকে দাস বানানোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে। রাশিয়া ক্রিমিয়ার বাসিন্দা, ইউক্রেনীয় ও ক্রিমিয়ার তাতার জনগোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছে। ক্রিমিয়া দখলমুক্ত করা ছাড়া ইউক্রেন বা বিশ্বের কাছে আর কোনো বিকল্প নেই। আমরা ক্রিমিয়ায় ফিরে যাব। ক্রিমিয়ার ২০ লাখ জনগোষ্ঠীর ১২ থেকে ১৫ শতাংশ তাতার সম্প্রদায়।

  • পরমাণু হামলায় সক্ষম আরেকটি ডুবো ‘ড্রোনের’ পরীক্ষা চালিয়েছে উ.কোরিয়া

    পরমাণু হামলায় সক্ষম আরেকটি ডুবো ‘ড্রোনের’ পরীক্ষা চালিয়েছে উ.কোরিয়া

    দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের চালানো সামরিক মহড়ার সর্বশেষ প্রতিক্রিয়া হিসেবে উত্তর কোরিয়া পরমাণু হামলায় সক্ষম আরেকটি ডুবো ‘ড্রোনের’ পরীক্ষা চালিয়েছে। খবর এএফপি’র।

    সরকারি কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ‘উত্তর কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান গবেষণা ইনস্টিটিউট ৪ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত পানির নিচ দিয়ে পরমাণু হামলা চালাতে সক্ষম এমন কৌশলগত অস্ত্র ব্যবস্থার পরীক্ষা চালিয়েছে।’

    তারা আরো জানায়, ‘ডুবো পরমাণু হামলা ড্রোন ‘হাইল-২’ পানির নিচে এক হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমে হামলা চালাতে পারে।

  • বঙ্গবন্ধুর হাতেই আমার রাজনীতির হাতেখড়ি, দ্বিতীয় উত্থান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগেই: সংসদে রাষ্ট্রপতি

    বঙ্গবন্ধুর হাতেই আমার রাজনীতির হাতেখড়ি, দ্বিতীয় উত্থান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগেই: সংসদে রাষ্ট্রপতি

    রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতেই আমার রাজনীতির হাতে খড়ি ও প্রথম উত্থান এবং দ্বিতীয় উত্থান ঘটে শেখ হাসিনার উদ্যোগেই।

    তিনি আজ জাতীয় সংসদের পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘বিশেষ অধিবেশনে’ ভাষণ দানকালে একথা বলেন। এটাই রাষ্ট্রপতির হিসেবে সংসদে দেয়া আবদুল হামিদের শেষ ভাষণ। রাষ্ট্রপতি সংসদকে জানান, ‘বঙ্গবন্ধুর হাতে হয়েছিল আমার রাজনীতির হাতেখড়ি ও প্রথম উত্থান আর ১৯৯৬তে দ্বিতীয় উত্থান ঘটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেই এবং তার উদ্যোগেই।’

    তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর অপার স্নেহ আর তার দূরদর্শিতার কারণেই আমি আজকে এই অবস্থানে পৌঁছেছি। রাষ্ট্রপতি হিসেবে নয় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিতে আমি বেশি গর্ববোধ করি।’

    সংসদে দেয়া তাঁর বিদায়ী ভাষণে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সেদিন আমাকে ডেপুটি স্পীকারের পদমর্যাদা না দিলে হয়তো বা কিশোরগঞ্জ ঘিরে আমার রাজনীতি আবর্তিত হতো।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে আমার পরিচয়। আমি তখন কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল কলেজের ছাত্র। পরিচয় থেকেই  বঙ্গবন্ধুর নীতি ও আদর্শের অনুসারী হয়ে যাই।

    আবদুল হামিদ বলেন, মাঝে মাঝে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা হতো অনেক সময় তিনি নিজেও ডেকে পাঠাতেন। সে সময় বঙ্গবন্ধু ছিলেন আমার একমাত্র ধ্যান-ধারণা তাঁর নীতি, আদর্শ ও নির্দেশনাই আমার কাছে সবচেয়ে বেশি অনুসরণীয় ও অনুকরণীয় বিষয় ছিল।

    রাষ্ট্রপতি স্মৃতিচারণ করেন, ‘শুধু আমি কেন ওই সময় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অনেক যুবকের কাছে বঙ্গবন্ধু ছিলেন একমাত্র আদর্শ; যার পিঠে একবার বঙ্গবন্ধুর হাত পড়েছে বা স্নেহের ছোঁয়া লেগেছে তার পক্ষে বঙ্গবন্ধুকে ভুলে যাওয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়।’

    রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২৪ এপ্রিল। রাষ্ট্রপতি হামিদ আটবার  সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ডেপুটি স্পীকার এবং স্পীকারের দায়িত্ব ও পালন করেছেন।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমৃত্যু আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি গণতন্ত্রের উন্নয়নকেও সমান গুরুত্ব দিতেন। তাই ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলেছেন।
    মহান মুক্তিযুদ্ধের পর জাতীয় সংসদকে কার্যকর করার ক্ষেত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দুরদর্শী নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি ।

    আবদুল হামিদ বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরেই পুনর্গঠন কর্মকান্ডের সঙ্গে সঙ্গে সংসদকে কার্যকর করার উদ্যোগ নেন।

    তিনি বলেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকার তেজগাঁওস্থ সংসদ ভবনে শুরু হয়। গণপরিষদে ১৯৭২ সালের ০৪ নভেম্বর আমাদের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।

    আবদুল হামিদ বলেন, স্বাধীনতার এত অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধান প্রণয়ন নিঃসন্দেহে গণতন্ত্রকামী যেকোনো দেশের জন্য গর্বের। এই সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষরকারী আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

    তিনি বলেন, ‘আমি স্বাক্ষর করি ৭১ নম্বরে। এ সংবিধানের আওতায় প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এর ঠিক এক মাস পর একই বছরের ৭ এপ্রিল প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে। আজ মহান জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে।’

    তিনি ৫০ বছর আগে জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদ নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নবনির্বাচিত স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকারকে অভিনন্দন জানিয়ে দেয়া বক্তব্যের স্মৃতিচারণ করেন।

    রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, ‘সেদিন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন-আপনার কর্তব্যপালনে সংসদের সদস্যবৃন্দ সবসময় আপনার সঙ্গে সহযোগিতা করবেন।’

    ‘আমি আশা করব, যে ট্র্যাডিশন পার্লামেন্টারি সিস্টেমে আছে, আপনি সেটার প্রতি লক্ষ্য রেখে নিরপেক্ষভাবে আপনার কার্য পরিচালনা করবেন। আমাদের কাছ থেকে আপনি সাহায্য ও  সহযোগিতা পাবেন। এই সংসদের মর্যাদা যাতে রক্ষা পায়, সেদিকে আপনি খেয়াল রাখবেন, কারণ আমরা যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছি, সে ইতিহাসে যেন খুঁত না থাকে।’

    বঙ্গবন্ধু বললেন, ‘দুনিয়ার পার্লামেন্টারি কনভেনশনে যে সব নীতিমালা আছে, সেগুলো আমরা মেনে চলতে চাই। সঙ্গে সঙ্গে যেন এমন একটি সংসদীয় পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারি, যাতে দুনিয়া আমাদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। এখানে কোন দল বা মতের নয়- এখানে এই দেখব যে, প্রত্যেক সদস্য যেন যাঁর যে অধিকার আছে, সে অধিকার ব্যবহার করতে পারেন। সেদিকে আপনিও খেয়াল রাখবেন বলে আমি আশা পোষণ করি।’

    তিনি বলেন, ‘এ সম্পর্কে আপনি আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন। পার্লামেন্টারি ট্রেডিশন পুরোপুরি ফলো করতে আমরা চেষ্টা করব।’

    রাষ্ট্রপতি হামিদ বলেন, গণপরিষদে কোনো বিরোধী দল না থাকলেও সংসদ অধিবেশন হতো প্রাণবন্ত। যুক্তিতর্ক ও মতামত উপস্থাপন ছিল খুবই আকর্ষণীয়।

    তিনি বলেন, ন্যাপ থেকে নির্বাচিত একমাত্র গণপরিষদ সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত পার্লামেন্টে বক্তৃতা করার সুযোগ চাইলে সবসময়ই সুযোগ পেতেন। স্পিকার মাঝে মধ্যে তাঁকে মাইক দিতে না চাইলেও বঙ্গবন্ধু বলতেন ‘ওকে সুযোগ দেন, বিরোধী পক্ষের কথা আগে শুনতে হবে।’

    সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিটি গঠন প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘শুধু যে আমাদের দলীয় সদস্য থেকে কমিটি করব তা নয়, দল-মত নির্বিশেষে সকলের সঙ্গে আলোচনা করা হবে, জনগণকে যাতে তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী একটা সুষ্ঠু সংবিধান দেওয়া যায়, এই উদ্দেশ্যে সকলের মতামত চাইব, এই সংবিধানে মানবিক অধিকার থাকবে, যে অধিকার মানুষ চিরজীবন ভোগ করতে পারবে।’

    বঙ্গবন্ধু সংসদ কার্যক্রমের পাশাপাশি দলীয় শৃঙ্খলাকে অগ্রাধিকার দিতেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রথম অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসেই বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- ‘আমি মাননীয় সংসদ সদস্যদের আর একটা কথা মনে করিয়ে দিতে চাই যে, কোনো প্রস্তাব আনার আগে পার্টিতে তা আলোচনা করে তারপর উপস্থাপন করবেন। তা না হলে এর দ্বারা পার্টির শৃঙ্খলা নষ্ট হবে।’

    আবদুল হামিদ বলেন, সংসদ সদস্যদের অভাব-অভিযোগ, সুখ-দুঃখ সবকিছুর খবর রাখতেন বঙ্গবন্ধু এবং প্রয়োজনে তাদের জন্য সম্ভাব্য সবকিছুই করতেন।

    রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুর শিষ্টাচার ও পরমত সহিষ্ণুতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, পার্লামেন্টে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে স্পীকার অনেক সময় বিব্রত হতেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধু হতেন না।
    রাষ্ট্রপতি বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের যত অমিলই থাকুক না কেন বঙ্গবন্ধু বিরোধী দলের নেতাদের যথাযথ সম্মান দিয়ে কথা বলতেন।

    তিনি বলেন, আসলে রাজনীতিতে শিষ্টাচার ও পরমত সহিষ্ণুতার কোনো বিকল্প নেই।

    সূত্র : বাসস

  • ৫১তম বাংলাদেশ স্কাউটস দিবসে প্রধানমন্ত্রী

    ৫১তম বাংলাদেশ স্কাউটস দিবসে প্রধানমন্ত্রী

    ‘৫১তম বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস’ পালিত হচ্ছে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী স্কাউট আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

    নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি, এখন আওয়ামী লীগের লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শনিবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ ও উন্নত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার রূপকল্প বাস্তবায়নে সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতা অপরিহার্য। এই অভিলক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে তৈরি হবে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সরকার, স্মার্ট সোসাইটি ও স্মার্ট ইকোনমি।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের এই লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে সহযোদ্ধা হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে স্কাউট সদস্যরা।

    প্রধানমন্ত্রী সব শিক্ষার্থীকে স্কাউট সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করার জন্য সব-স্তরের স্কাউটস নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান।

    সরকারপ্রধান বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সার্বিক সহযোগিতায় ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে নব উদ্যমে কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ স্কাউটস। তিনি এ দিনটিকে ‘বাংলাদেশ স্কাউট দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।

    শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক সুখী, সমৃদ্ধ ও শোষণমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা। বঙ্গবন্ধুর সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্কাউটরা সর্বদাই সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশ স্কাউটিং কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ইতোমধ্যে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্তত দুটি করে স্কাউট দল বা রোভার স্কাউট দল গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক সুখী, সমৃদ্ধ ও শোষণমুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা। জাতির পিতার সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্কাউটরা সর্বদাই সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশ স্কাউটিং কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অন্তত দু’টি করে স্কাউট দল বা রোভার স্কাউট দল গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছেলেদের পাশাপাশি গার্ল ইন স্কাউট বা মাদ্রাসাগুলোতেও যেন স্কাউট দল গঠন করা হয় সে বিষয়ে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া সকল শিক্ষার্থীকে স্কাউট সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘আমি আশা করি, সকল পর্যাযের স্কাউট নেতৃবৃন্দ এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করবে’।

    শেখ হাসিনা বলেন, অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বে ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃত। ‘সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবং দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে সক্ষম হব, ইনশাল্লাহ।’তিনি বাংলাদেশ স্কাউটস দিবসের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ আজ বিশ্বে ‘উন্নয়নের রোল মডেল’ হিসেবে স্বীকৃত। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবং দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে সক্ষম হব, ইনশাল্লাহ। সূত্র : বাসস

  • মুশফিক ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েই ছুঁইয়ে ফেললেন সাকিবকে

    মুশফিক ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েই ছুঁইয়ে ফেললেন সাকিবকে

    অনেক নাটকীয়তার ঢাকা টেস্ট বড় ব্যবধানে জিতে নিল বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার ম্যাচের চতুর্থ দিনের মধ্যাহ্ন বিরতির একটু পরই ৭ উইকেটে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সাকিব আল হাসানের দল। খারাপ সময় কাটিয়ে ব্যাট হাতে আবারও দুর্দান্ত রূপে ফিরেছেন মুশফিকুর রহিম। সাদা বলে ফর্ম টেনে এনেছেন লাল বলেও। আজ শুক্রবার শেষ হওয়া ঢাকা টেস্টে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক মুশফিক। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে দারুণ সেঞ্চুরির পাশাপাশি দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেছেন ম্যাচ জেতানো ৪৮ বলে ৫১* রানের অপরাজিত ইনিংস। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তার হাতে। এর মাধ্যমেই তিনি বসলেন সাকিব আল হাসানের পাশে।

    এই নিয়ে টেস্টে ৬ বার ম্যান অব দা ম্যাচ হলেন মুশফিক। টেস্ট অধিনায়ক সাকিবও সমান ৬বার ম্যাচসেরা হয়েছেন। তবে সাকিব টেস্টে সর্বশেষ ম্যাচ সেরা হন ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে। তখন পর্যন্ত মুশফিক মাত্র ৩ বার ম্যাচসেরা হয়েছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৮ এবং ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি ডাবল সেঞ্চুরি করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নেন। আজ তিনি ৬ষ্ঠবারের মতো ম্যাচসেরা হলেন।

    তবে সাকিবের ৬বার ম্যাচসেরা হতে লেগেছে ৬৬ টেস্ট, আর মুশফিকের লাগল ৮৫ টেস্ট। এছাড়াও বাংলাদেশের হয়ে ৫৬ টেস্টে ৪ বার সেরা হয়েছেন মুমিনুল হক। ৭০ টেস্টে ৩ বার তামিম ইকবাল। আজ ম্যাচ শেষে মুশফিকের প্রশংসা করতে ভুলেননি সাকিব। বয়সে জুনিয়র কিন্তু বিকেএসপির একাডেমিক সিনিয়র মুশফিককে নিয়ে সাকিব বলেন, ‘মুশফিক ভাইয়ের সঙ্গে আমি খেলছি ২০০৩ সাল থেকে, অনূর্ধ্ব-১৫ থেকে একসঙ্গে খেলছি। তখনও যেমন দেখেছি, এখনও তেমনই।’

    ১৩৮ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম ইকবালের ওপেনিং সঙ্গী হন লিটন দাস। দলীয় ৩২ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয়। মার্ক অ্যাডায়ারের বলে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোল্ড হন ১৯ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ২৩ রান করা লিটন। বল তার ব্যাটের কানা ছুঁয়ে শরীরে লেগে স্টাম্পে আঘাত হানে। তিনে নামানো হয় শান্তকে। প্রথম ইনিংসে ‘গোল্ডেন ডাক’ মারা শান্ত ৪ রানের বেশি করতে পারেননি। ম্যাকব্রেইনের বলে স্লিপে খুব কঠিন ক্যাচ নেন বালবার্নি। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি শান্ত। ৪৩ রানে ২ উইকেট পতনের পর উইকেটে আসেন মুশফিক। বাউন্ডারি মেরে তিনি রানের খাতা খোলেন। ৫৫ বলে ৫০ রান আসে বাংলাদেশের। মধ্যাহ্নবিরতির আগে টাইগাররা তোলে ২ উইকেটে ৯২ রান।

    মধ্যাহ্ন বিরতির পর ১৮.৩ ওভারেই বাংলাদেশের স্কোর তিন অংক স্পর্শ করে। দলীয় ১০৫ রানে বেন হোয়াইটের বল তামিম ইকবালের ব্যাটের কানায় লেগে উঠে যায়। কমিন্সের তালুবন্দি হয়ে ৩১ রানে ফিরেন তামিম। ভাঙে ৬২ রানের জুটি। ৪৭ বলে ফিফটি তুলে নেন মুশফিক। ২৮তম ওভারেই ৭ উইকেটে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। মুশফিক ৪৮ বলে ৭ চারে ৫১* রানে অপরাজিত থাকেন। আর মুমিনুল অপরাজিত থাকেন ২২ বলে ২০* রানে।

    এর আগে আজ শুক্রবার ঢাকা টেস্টের চতুর্থ দিনে প্রথম ব্রেক থ্রু দেন ইবাদত হোসেন। তার চোখ ধাঁধানো একটা সুইং বল ডিফেন্ড করতে গিয়েছিলেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রেইন। কিন্তু তাকে বোকা বানিয়ে বল স্টাম্পে আঘাত হানে। ১৫৬ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলে ফিরেন ম্যাকব্রেইন। এরপর গ্রাহাম হিউমকে (২) লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করে আইরিশদের দ্বিতীয় ইনিংসের ইতি টেনে দেন ইবাদত। ২৯২ রানে অল-আউট হয় আয়ারল্যান্ড। ৩৭ রানে এই পেসারের শিকার ৩টি। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া তাইজুল এবার ৪২ ওভারে ১৬ মেডেনসহ ৯০ রানে নেন ৪ উইকেট। অধিনায়ক সাকিব নিয়েছেন ২টি।

    ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২১৪ রানে অল-আউট হয়েছিল আয়ারল্যান্ড। জবাবে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে করেছিল ৩৬৯ রান। সেঞ্চুরি হাঁকান মুশফিকুর রহিম। এছাড়া সাকিব-মিরাজের ব্যাট থেকেও আসে পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস। ১৫৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে আয়ারল্যান্ড। এই ইনিংসে তারা রীতিমতো চমকে দেয় টাইগারদের। অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ২৯২ রানে অল-আউট হয়ে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য ১৩৮ রানের টার্গেট দেয়। লরকান টাকার ১০৮ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন। ম্যাকব্রেইন করেন ৭২ রান।

     

  • প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেন এরদোগানের মিত্র এমএইচপি

    প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করলেন এরদোগানের মিত্র এমএইচপি

    আগামী ১৪ মে তুরস্কের পার্লামেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট পার্টি (এমএইচপি)। প্রার্থী তালিকা জমা দেওয়ার সময়সীমার দুদিন আগে শুক্রবার সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিলের (ওয়াইএসকে) কাছে এ তালিকা জমা দিয়েছে দলটি। খবর ডেইলি সাবাহর।

    তুরস্কের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। ঘোষণা অনুসারে আগামী ১৪ মে দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একে পার্টি) নেতৃত্বাধীন পিপলস অ্যালায়েন্সের অংশ এমএইচপি। এরদোগানের নেতৃত্বাধীন তুরস্কের ৬০০ আসনের পার্লামেন্টে, ৪৮টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে দলটি। এর আগেও নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছিল এই দল।

    দলটির প্রার্থী তালিকায় বর্তমান সংসদে দায়িত্বরত পাঁচ সাংসদের নাম রয়েছে। তারা হলেন- বুরসা প্রদেশের আইনপ্রণেতা মুস্তাফা হিদায়েত ভাহাপোলু, কোনিয়া প্রদেশের আইনপ্রণেতা এসিন কারা, মারসিনের পক্ষে বাকি সিমসেক। মেতিন নুরুল্লাহ সাজাক এবং সেফার আইকান যথাক্রমে এস্কিহির এবং কাহরামানমারাসের আইনপ্রণেতা।

    এরদোয়ান জানান, এই বিষয়ে আগামী ১০ মার্চ তিনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন। এরপর থেকেই দেশটির সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিল নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ শুরু করবে। দেশটির আইন অনুসারে, কোনো প্রার্থী যদি প্রথম ধাপের নির্বাচনে ৫০ শতাংশ ভোট পেতে ব্যর্থ হন তবে দ্বিতীয় দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে দুই সপ্তাহ পর ২৮ মে।

    এদিকে এরদোয়ান আগামী নির্বাচনের জন্য অনানুষ্ঠানিকভাবে তারিখ ঘোষণা করে দিলেও বিরোধীরা এখনো মনস্থির করতে পারেনি তারা এরদোয়ানের বিপরীতে কাকে প্রার্থী করবেন। ২০০৩ সালে তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী হন এরদোয়ান। এরপর টানা ক্ষমতায় থেকে ২০১৪ সালে শাসন ব্যবস্থা বদল করে দেশটির প্রেসিডেন্ট হন তিনি। এরপর থেকে টানা ক্ষমতায় তিনি।

    সংসদীয় আসনের জন্য মনোনীত নতুন নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন ওজলেম বালসি, যিনি পাবলিক ব্রডকাস্টার টিআরটিতে একটি জনপ্রিয় টিভি শো দিয়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তুর্কি ইতিহাসে বিশেষজ্ঞ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ইলিয়াস তোপসাকালকে উত্তর তুর্কিয়ার সামসুন শহর থেকে মনোনীত করা হয়েছে। এমএইচপির ডেপুটি চেয়ারম্যান ফিলিজ কিলি এবং পেলিন ইলিকও প্রথমবারের মতো মনোনীত হন। আমাসিয়া প্রদেশের মেয়র মেহমেত সারিও মনোনীত নতুন নামগুলোর মধ্যে রয়েছেন।

    ওয়াইএসকেতে পৌঁছানোর সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ফেটি ইলদিজ বলেন, আসন্ন নির্বাচনের জন্য তাদের তালিকায় ৬০০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯০ জন মহিলা প্রার্থী রয়েছেন এবং ১৯৫ জন প্রার্থীর বয়স ২৬ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। তিনি বলেন, তাদের তালিকায় ১৬ জন প্রতিবন্ধী প্রার্থীও রয়েছেন।

  • বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য দায়িত্বহীন, বিএনপিই আগুন নিয়ে খেলে : তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য দায়িত্বহীন, বিএনপিই আগুন নিয়ে খেলে : তথ্যমন্ত্রী

    বঙ্গবাজারের অগ্নিকান্ড নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফকিরাপুলের সন্দ্বীপ ভবনে চট্টগ্রাম জার্নালিস্ট ফোরাম, ঢাকা (সিজেএফডি) আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব সকালে বক্তৃতা করে বলেছেন, তদন্ত হলে না কি বঙ্গবাজারের অগ্নিকান্ডে সরকারের কারা কারা যুক্ত তা বেরিয়ে আসতে পারে। এ রকম একটি দায়িত্বহীন, কান্ডজ্ঞানহীন কথা বিএনপির মতো দলের মহাসচিবের কাছে আশা করা যায় না।’

    হাছান বলেন,’বঙ্গবাজারে যে ঘটনা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দু:খজনক। প্রধানমন্ত্রী এটি সার্বক্ষণিক মনিটর করেছেন এবং ইতিমধ্যেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনকে এ ঘটনার সরেজমিনে তদন্ত, ক্ষতিগ্রস্তদের পুণর্বাসন ও নিরাপদ স্থায়ী কাঠামোর বিষয়ে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। আমাদের দলের সদস্যরা বিপদাপন্নদের পাশে দাঁড়িয়েছে।’

    সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিই আগুন নিয়ে খেলা করে। ২০১৩-১৪ সালে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছেন মির্জা ফখরুল সাহেবরাই, দেশ ও মানুষের সম্পত্তিও তারাই পুড়িয়েছেন।’

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণ এবং আগুন লাগার পেছনে নাশকতা আছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেব যেহেতু এ কথা বলেছেন, সেহেতু উনাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাহলে তথ্য বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে সহায়তা হবে। তবে আমি অনুরোধ জানাবো, একজন সিনিয়র রাজনীতিবিদ হয়ে এ ধরনের কথা না বলার জন্য।’

    সমাজ ও রাষ্ট্রের বিকাশে সাংবাদিকতার ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করে তথ্যমন্ত্রী চট্টগ্রামসহ সারাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়ন তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, ভালো কাজকে উৎসাহ দিতে সরকারের সাফল্য তুলে ধরা প্রয়োজন। পাশাপাশি ভুলকে আড়াল করে নয়, গঠনমূলক সমালোচনা করলেই সংশোধনের সুযোগ থাকে।

    সিজেএফডির সভাপতি মামুন আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমানের সঞ্চালনায় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমীন, মাহফুজুর রহমান মিতা এমপি এবং সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন।

    সিজেএফডির সাবেক সভাপতি শাহীন উল ইসলাম চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক সাইফ ইসলাম দিলাল, মেজবাহ উদ্দিন  জংগি চৌধুরী, মোস্তফা কামাল, যমুনা টেলিভিশনের সিইও ফাহিম আহমেদসহ সংগঠনের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা সভায় সাংবাদিকতা, সমসাময়িক বিষয় ও চট্টগ্রাম নিয়ে বক্তব্য দেন।

  • জাতীয় সংসদের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

    জাতীয় সংসদের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ধারাবাহিকভাবে ২০০৮ সাল থেকে এই দেশে গণতন্ত্র অব্যাহত আছে। যার ফলে একটা স্থিতিশীলতা আছে। মাঝে মাঝে আমাদের প্রতিবন্ধকতা, অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়। তারপরও বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দেশের ৫০ বছরের পথ চলায় জাতীয় সংসদ অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে।

    প্রধানমন্ত্রী ও সংসদনেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা জাতির পিতার আদর্শ নিয়ে পথ চলি। তাই ধারবাহিকভাবে ২০০৮ সালের পরে এই দেশে গণতন্ত্র অব্যাহত আছে। যার ফলে একটা স্থিতিশীলতা আছে। মাঝে মাঝে আমাদের প্রতিবন্ধকতা, অনেক চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়। তারপরও বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। আশা করি, ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ এবং জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

    শুক্রবার (৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ১৪৭ বিধিতে দেওয়া প্রস্তাব উত্থাপন-কালে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাব তোলার পর এর ওপর সংসদে আলোচনা শুরু হয়। সরকারি দলের সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম আলোচনায় অংশ নেন। সংসদ সদস্যদের আলোচনা শেষে আগামী রবিবার এই প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।

    সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিল—বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তির এই মাহেন্দ্রক্ষণে সংসদের অভিমত এই যে, ‘বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সংসদীয় গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দুরূপে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং আশা আকাঙ্ক্ষা সফলভাবে বাস্তবায়নে অব্যাহতভাবে কার্যকর ও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে এবং এর মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র হবে সুসংহত, শোষণমুক্ত সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, সবার জন্য সাম্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, সংবিধানের এ অঙ্গীকারসমূহ পূরণে আমরা সকলে একযোগে কাজ করব, গড়ে তুলব আগামীর সুখী, সমৃদ্ধ, উন্নত, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত স্মার্ট বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা- এই হোক আমাদের প্রত্যয়।’

    এ দিন সরকার প্রধান বলেন, পঞ্চাশ বছরের পথ চলায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে। সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মহান জাতীয় সংসদ অনন্য ভূমিকা পালন করছে। প্রস্তাব উত্থাপনকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে, আশাকরি ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ এবং জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, ৫০ বছরের পথ চলায় জাতীয় সংসদ অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে। ৫০ বছরের পথপরিক্রমা অনেক ক্ষেত্রেই মসৃণ ছিল না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালো রাতে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর বারবার সামরিক ফরমান জারি করে সংবিধানকে ক্ষতবিক্ষত করা হয়েছে। গণতন্ত্র ও জাতীয় সংসদের ওপর আঘাত হেনেছ। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল সামরিক ও স্বৈরশাসনের পালাবদলের মধ্যদিয়ে সংবিধানের চার মূলনীতিতে আঘাত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধে ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে কালো আইনে পরিণত করা ছিল সংসদীয় ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। পরে ৭ম সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিলের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের নিকৃষ্টতম ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ সুগম করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে মন্ত্রীর পরিবর্তে সদস্যদের নির্বাচিত করা হচ্ছে। বিরোধী দলের সদস্যদের থেকে স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করা হচ্ছে।’

    সিপিএ ও আইপিউতে সভাপতিত্ব ছিল বাংলাদেশের সংসদের প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আস্থার প্রতীক। নারীর ক্ষমতায় বাংলাদেশের সংসদ একটি অনন্য দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেন সংসদ নেতা।

    তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের স্পিকার, সংসদ নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধী দলের নেতা, একজন  হুইপ, চারজন নারী স্থায়ী কমিটির সভাপতির ভূমিকা পালন করছেন। জাতীয় রাজনীতিকে নারীদের উৎসাহিত করতে সংসদে নারী আসন ৫০ এ উন্নীত করা হয়েছে।

    সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মহান জাতীয় সংসদ অনন্য ভূমিকা পালন করছে জানিয়ে তিনি বলেন, সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মন্ত্রণালয়ের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে মন্ত্রীর পরিবর্তে সদস্যদের নির্বাচিত করা হচ্ছে। বিরোধী দলের সদস্যদের থেকে স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করা হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সিপিএ ও আইপিউতে সভাপতিত্ব ছিল বাংলাদেশের সংসদের প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের আস্থার প্রতীক। নারীর ক্ষমতায় বাংলাদেশের সংসদ একটি অনন্য দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করেন সংসদ নেতা। বর্তমান সংসদের স্পিকার, সংসদ নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধী দলের নেতা, একজন হুইপ, চারজন নারী স্থায়ী কমিটির সভাপতির ভূমিকা পালন করছেন। জাতীয় রাজনীতিকে নারীদের উৎসাহিত করতে সংসদে নারী আসন ৫০ এ উন্নীত করা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, গত তিন মেয়াদে জাতীয় সংসদের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা, সংসদীয় গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়নের ক্ষেত্র রচনা করেছে। জনগণের জীবনমানের উন্নয়নে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়। দারিদ্র বিমোচন, দুর্যোগ মোকাবিলা, নারী ক্ষমতায়ন, শিশু মৃত্যুহার হ্রাস ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশ আজ রোল মডেল।

    শেখ হাসিনা বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রের মঞ্চ, মহান জাতীয় সংসদ সরকারের সামগ্রিক উন্নয়নে অংশীদার এবং সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অর্জনসমুহ সংসদে আলোচনার মাধ্যমে জাতির সামনে উপস্থাপিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সাড়ে তিন বছরের শাসনকালে দেশের জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি বিরল দৃষ্টান্ত জাতির সামনে রেখে গিয়েছিলেন জাতির পিতা। ইচ্ছা থাকলে যে কত দ্রুত একটা দেশকে পুনর্গঠন, পুনর্বাসন এবং উন্নয়ন করা যায়। আজকে তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ অনেক আগেই উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠত।

  • হোয়াটস অ্যাপের দারুন কল সেটিংস ট্রিক্স

    হোয়াটস অ্যাপের দারুন কল সেটিংস ট্রিক্স

    হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও কল বা ভয়েস কলে ডেটা ব্যবহার কমানো যায়। এক্ষেত্রে প্রথমেই আপনার হোয়াটস অ্যাপ এর নতুন সংস্করণে আপডেট থাকতে হবে। আমরা জানি অনেকেই মোবাইল ডেটা ব্যবহার করে কথা বলে। এবং এতে করে অনেক মেগাবাইট খরচ হয়। সেই ডেটা ব্যবহার যেভাবে কমিয়ে পরিষ্কারভাবে কথা বলতে ও শুনতে পারবেন তার একটি সহজ ট্রিকস আছে। নীচের সেটিংস অনুসরণ করে, আপনি নিজেও এই সুযোগটি তৈরি করে নিতে পারবেনঃ

    => অ্যাপটিতে যান এবং আপনি আপনার স্ক্রিনের উপরের ডানদিকে তিনটি বিন্দু দেখতে পাবেন। সেখানে চাপ দিন।
    => সেটিংস অপশনে যান
    => স্টোরেজ এবং ডাটাতে প্রবেশ করুন
    => ইউজ লেস ডাটা ফর কলস, অপশনটি চালু করে দিন।

    এখন লো সিগন্যাল এবং কম ডেটা খরচ করে আপনি পরিষ্কারভাবে যোগাযোগ করতে পারবেন।

    তথ্যসূত্রঃ হাও টু শাউট.কম

  • আইরিশদের স্বপ্নময় দিন বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবিয়ে

    আইরিশদের স্বপ্নময় দিন বাংলাদেশকে হতাশায় ডুবিয়ে

    দ্বিতীয় দিনের শেষে দ্রুতই ৪ উইকেট হারিয়ে ইনিংস পরাজয়ের শঙ্কায় পড়েছিল আয়ারল্যান্ড। সেখান থেকে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে স্বপ্নের এক দিন কাটালো আইরিশ দল। লরকান টাকারের সেঞ্চুরি আর অ্যান্ড্রু ম্যাকব্রেনি-হ্যারি টেক্টরের ফিফটিতে ১৩১ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে বালবির্নির দল। ৮ উইকেট হারিয়ে আইরিশদের সংগ্রহ ২৮৬ রান। অ্যান্ডি ম্যাকব্রেনি ১৪৪ বলে ৭১ ও গ্রাহাম হিউম ২৩ বলে ৯ রানে অপরাজিত আছেন।

    ৬ উইকেট হাতে রেখে ১২৮ রানে পিছিয়ে আজ দিনের শুরুটা দারুণ করেছিল আয়ারল্যান্ড। প্রায় ঘন্টাখানেক পর ১৬ রানে মুরকে থামান শরীফুল ইসলাম। এরপর টেক্টর আর টাকার মিলে দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলেন। ৬ষ্ঠ উইকেট জুটিতে দুজনে তোলেন ৭২ রান। টেক্টর ৫৬ রানে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। ৭ম উইকেট জুটিতে টাকার ও অ্যান্ডি ম্যাকব্রেনি গড়েন ১১১ রানের জুটি।

    এরমধ্যেই আয়ারল্যান্ডকে লিড এনে দিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন টাকার। ১৪৯ বলে ১৩ চার ও ১ ছয়ে তিন অঙ্কে পৌঁছান টাকার। দলীয় ২৩৪ রানে আউট হন এই সেঞ্চুরিয়ান। ১৬২ বলে ১০৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে এবাদতের বলে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

    এরপর ক্রিজে আসা মার্ক এডায়ারকে নিয়ে রানের খাতা সচল রাখেন ম্যাকব্রেনি। দলীয় ২৬৫ রানে এডায়ারকে (১৩) আউট করেন তাইজুল ইসলাম। এরপর ক্রিজে আসা গ্রাহাম হিউমকে সঙ্গে নিয়ে দিন শেষ করে আয়ারল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৬ রান সংগ্রহ করে তৃতীয় দিন শেষ করে আয়ারল্যান্ড।

    হতাশাময় দিন পার করা বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে এদিন সবচেয়ে সফল তাইজুল। এখন পর্যন্ত ৪ উইকেট নিয়েছেন। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার ছিল তার। সাকিব আল হাসান ২টি এবং এবাদত ও শরীফুল নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।