www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ আগস্ট, ২০২৪: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার ও সুপ্রদীপ চাকমা।
আজ রবিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে পৌনে একটায় বঙ্গভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন।
তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আরেক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে। তিনি কবে দেশে ফিরবেন জানা যায়নি।
গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন। এরপরই বিলুপ্ত হয় মন্ত্রিসভা।
এরপর বৃহস্পতিবার শপথ নেয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়া রয়েছেন ১৬ জন উপদেষ্টা। ঢাকা ও দেশের বাইরে থাকায় তিনজন উপদেষ্টা সেদিন শপথ নেননি।
শুক্রবার শপথ নেওয়া প্রধান উপদেষ্টা এবং অন্যান্য উপদেষ্টাদের দফতর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর আগে গত ০৮ আগস্ট শপথ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জন উপদেষ্টা।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে ১৬ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তারা হলেন—
১. অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
২. সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন
৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল
৪. মানবাধিকারকর্মী আদিলুর রহমান খান
৫. সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হাসান আরিফ
৬. সাবেক পররাষ্ট্রসচিব তৌহিদ হোসেন
৭. পরিবেশ আইনবিদ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
৮. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম
৯. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
১০. সাবেক রাষ্ট্রদূত ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা
১১. উন্নয়নকর্মী (উবিনীগ) ফরিদা আখতার
১২. জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক বিধান রঞ্জন রায়
১৩. চিন্তাবিদ, লেখক ও গবেষক আ ফ ম খালিদ হোসেন
১৪. গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরজাহান বেগম
১৫. ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ
১৬. ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক।
এই ১৬ জনের মধ্যে বিধান রঞ্জন রায়, সুপ্রদীপ চাকমা ও ফারুক-ই-আজম ঢাকার বাইরে অবস্থান করায় সেদিন শপথ নিতে পারেননি।
আজ রবিবার (১১ আগস্ট) শপথ নিলেন রঞ্জন রায় পোদ্দার ও সুপ্রদীপ চাকমা।
Author: Hello Bangla News
-

শপথ নিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আরও দুই উপদেষ্টা
-

খালেদা জিয়া সুস্থ থাকলে নির্বাচনে অংশ নিবেন: বিএনপি মহাসচিব
www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১১ আগস্ট, ২০২৪: খালেদা জিয়া সুস্থ থাকলে নির্বাচনে অংশ নিবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে শনিবার দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু বিচ্ছিন্ন হামলা হয়েছে। সেগুলো সুসংগঠিত (সিস্টেমেটিক) হামলা নয়। এসব হামলা চালিয়ে কিছু মানুষ চলমান পরিস্থিতির সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে শনিবার দেওয়া সাক্ষাৎকারে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বা অন্য কোনো দেশে, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোয় যখন কোনো পরিবর্তন আসে, কিছু মানুষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে। দুর্ভাগ্যবশত, বাংলাদেশের প্রতিটি বিপ্লবে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা—তারা হিন্দু বা মুসলমান যে ধর্মের হন না কেন, শিকারে পরিণত হন।’
দীর্ঘ এই সাক্ষাৎকারে খালেদা জিয়ার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে ফখরুল বলেন, ‘তিনি খুবই অসুস্থ। হাসপাতালে আছেন। তিনি মাল্টিডিসিপ্লিনারি রোগে ভুগছেন। দেশে তার ভালো চিকিৎসা হচ্ছিল না।
আমরা আদালত এবং সরকারকে বারবার অনুরোধ করেছিলাম উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যেন বিদেশে পাঠানো হয়। কিন্তু সেটি হয়নি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এখন বিদেশ যাওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা তার নেই। তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। তিনি যদি শারীরিককভাবে ফিট থাকেন তাহলে অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নেবেন।’
বিএনপি মহাসচিব জানিয়েছেন, ‘বিএনপি এখন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। তবে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করতে সময় লাগবে। কারণ শেখ হাসিনার সরকারের সময় নির্বাচনী কাঠামো কার্যত ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থা দূষিত হয়ে গেছে এবং এখন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের অবস্থানে নেই। এ কারণে তাদের নির্বাচনী ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনতে হবে। ’
তাকে আরো প্রশ্ন করা হয় সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেননি। এটির সত্যতা কী? জবাবে ফখরুল বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি নিজে বলেছেন তিনি (শেখ হাসিনা) পদত্যাগ করেছেন। এটি কোনো জবরদস্তি ছিল না… বিপ্লব ছিল। যখন লাখ লাখ মানুষ শেখ হাসিনার বাড়ির দিকে আসছিল; তার নিরাপত্তা বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনী বলেছে তার সামনে দুটি অপশন রয়েছে: এখানে থাকুন মানুষের রোষে পড়ুন। আর নয় দেশ ছাড়ুন। তিনি দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।’
সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার অভিযোগের ব্যাপারে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক পরিবেশ অসাধারণ। এসব অভিযোগ পুরোপুরি সত্য নয়। যখন আমাদের দেশে বা অন্য দেশে পরিবর্তন হয়… বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশে… কিছু মানুষ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করে। বাংলাদেশে, দুর্ভাগ্যবশত দায়িত্বে থাকা দলের নেতারা ভিকটিমের শিকার হন। তারা মুসলিম হোক আর হিন্দু হোক।’ -

ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ
www.HelloBangla.News – অর্থনীত – ১১ আগস্ট, ২০২৪: রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পর গুলির ঘটনা ঘটেছে।
আজ রবিবার (১১ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টায় কয়েকশ বহিরাগত জোর করে ইসলামী ব্যাংকে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। তারপর এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ২০১৭ সালের পর নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা–কর্মচারীদের ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে সকালে পুরোনো কর্মীরা ঘোষণা দেন। ওই বছরের পরে নিয়োগ পাওয়া বেশির ভাগ কর্মীই চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার, সে কারণে তারা পটিয়ার কর্মকর্তা–কর্মচারী হিসেবে পরিচিত। পুরোনো কর্মীদের ঘোষণার পর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পটিয়ার কর্মীরা আশপাশে জড়ো হয়ে ব্যাংকের দিকে রওনা দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, এরপর পুরোনো কর্মীরা পটিয়ার কর্মকর্তা–কর্মচারীদের বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলি ছোড়া হলে কয়েকজন আহত হন। এদের মধ্যে একজন গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ইসলামী ব্যাংকের পুরোনো কর্মীরা গুলি ছোড়ার জন্য পটিয়ার কর্মকর্তা–কর্মচারীদের দায়ী করেন।
ইসলামী ব্যাংকের গোডাউন গার্ড (ডিজি) শফিউল্লাহ সরদার, অফিসার মামুন, আব্দুর রহমান ও বাকী বিল্লাহসহ পাঁচ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হন। -

শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ আগস্ট, ২০২৪: শপথ নিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। আজ রবিবার (১১ আগস্ট) বেলা ১২টা ৪৭ মিনিটে বঙ্গভবনে প্রধান বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যান্য উপদেষ্টা, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতি, তিন বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থা প্রধান, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সিনিয়র আইনজীবী, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শনিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে পদত্যাগ করেন। পদত্যাগ করেন আপিল বিভাগের আরও পাঁচ বিচারপতি।
রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টের বিচারক বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের প্রয়াত জ্যেষ্ঠ বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ছেলে।
সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে বিএ ও এম এ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্ম সৈয়দ রেফাত আহমেদের। তিনি ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন। -

একটা দেশ ডুবে কখন, যখন মিডিয়া সত্য কথা বলে না: সাখাওয়াত হোসেন
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ আগস্ট, ২০২৪: একটা দেশ ডুবে কখন, যখন মিডিয়া সত্য কথা বলে না, বলে জানিয়েছেন অন্তবর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি সতর্ক করে দেন, ‘চাটুকারিতা’ করলে মিডিয়া (গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান) বন্ধ করে দেওয়া হবে ।
আজ রবিবার (১১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, চাটুকারিতা করলে মিডিয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমি আপনাদের প্রমিজ (প্রতিশ্রুতি) করছি, যদি মিডিয়া চাটুকারিতা করে তাহলে মিডিয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে। মিডিয়ায় চাটুকারদের ডাকবেন না। মিডিয়া চাটুকার হবেন না। একটা দেশ ডুবে কখন, যখন মিডিয়া সত্য কথা বলে না। -

ইউজিসির চেয়ারম্যান ড. কাজী শহীদুল্লাহর পদত্যাগ
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ আগস্ট, ২০২৪: বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করলেন ।
আজ রবিবার (১১ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। যদিও এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি দেশে নেই।
পদত্যাগপত্রে তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়েছেন। পত্রে তিনি লিখেছেন, আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ২০২৩ সালের ২৮ মে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান পদে যোগদান করি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অফিস আদেশ অনুযায়ী গত বছরের ২০ আগস্ট থেকে চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছি।
তিনি আরও বলেন, অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ এবং বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় কমিশনের চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পালনে অপারগতা প্রকাশ করছি।
প্রসঙ্গত, অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ ১৯৬৭ সালে সেইন্ট গ্রেগরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন প্রথম বিভাগে। তিনি ১৯৬৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন এবং বোর্ডের মেধা তালিকায় প্রথম হন। ১৯৭২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ ইতিহাস বিভাগ থেকে বি.এ (অনার্স) এবং ১৯৮৩ সালে এম.এ. ডিগ্রি লাভ করেন। উভয় পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেন। ১৯৮৪ সালে তিনি পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ ১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসের প্রভাষক হিসেবে তার শিক্ষক জীবন শুরু করেন। ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর হন। ২০০২ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইতিহাস বিভাগের প্রধান ছিলেন তিনি। ১৯৯৭ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত কলা অনুষদের নির্বাচিত ডিন হিসেবে টানা তিনবার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট এ নির্বাচিত হয়েছিলেন। টানা দশ বছর তিনি সিন্ডিকেট নির্বাচনে বিজয় লাভ করেন। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর পদে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ৪ অক্টোবর ইউজিসি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। -

তোমরা দেশকে রক্ষা করেছ এখন সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে হবে: ড. ইউনূস
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ আগস্ট, ২০২৪: তোমরা দেশকে রক্ষা করেছ এখন সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে হবে, বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “পত্রপত্রিকায় আসতেছে, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ হইতেছে। কী জন্য তাদের নিয়ে টানাটানি করতেছে, তারা কি দেশের মানুষ না? তোমরা (শিক্ষার্থী) দেশ রক্ষা করতে পেরেছ, কয়েকটা (সংখ্যালঘু) পরিবার রক্ষা করতে পারবা না!”
আজ শনিবার (১০ আগস্ট) রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেরন, “সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার মাধ্যমে কিছু লোক একটা গোলমাল লাগানোর জন্য ইন্ধন যোগাচ্ছে ।”
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, “হিন্দু পরিবার, খ্রিস্টান পরিবার, বৌদ্ধ পরিবার যত আছে বলবা, কেউ তাদের ক্ষতি করতে পারবা না। তারা আমার ভাই, আমরা একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি, একসঙ্গে থাকব। পুরো বাংলাদেশ একটা পরিবারের মতো। এর চেয়ে সুন্দর পরিবার আর নাই কিন্তু। পৃথিবীতে বহু দেশ আছে, এত সুন্দর পরিবার আর নাই।”
এর আগে বেলা ১১টার দিকে আবু সাঈদের বাড়িতে পৌঁছান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে তিনি আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। পরে আবু সাঈদের বাড়ির ভেতরে যান। আবু সাঈদের বাড়ির আঙিনায় দীর্ঘ সময় বসেন এবং তার বাবা-মা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের সান্ত্বনা দেন।
আবু সাঈদের বাড়ির আঙিনায় দাঁড়িয়ে তাদের হাতে জাতীয় পতাকা তুলে দেন প্রধান উপদেষ্টা। পরে তাদের সঙ্গে নিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন।
এ সময় ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা ও অন্তবর্তী সরকারের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা আখতার হোসেন, সারজিস আলমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। -

জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি
www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১০ আগস্ট, ২০২৪: জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
আজ শনিবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
এ তথ্য জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান ।
শায়রুল বলেন, আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। -

৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি সজীব ওয়াজেদ জয়ের
www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১০ আগস্ট, ২০২৪: নির্বাচন ঘোষণা হলে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। ৯০ দিনের মধ্যে তিনি নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে রয়টার্সকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ দাবি করেছেন, বাংলাদেশ ছাড়ার আগে শেখ হাসিনা কোন পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেননি।
রয়টার্সকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ বলেছেন, ” তিনি (শেখ হাসিনা) একটি বিবৃতি দেয়ার এবং পদত্যাগ করার পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু তারপরে বিক্ষোভকারীরা তার বাসভবনের উদ্দেশ্যে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করে। তখন আর কোন সময় ছিল না। আমার মা এমনকি ব্যাগ গোছানোর সময়ও পাননি। সংবিধান অনুযায়ী, তিনি এখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।”
তিনি দাবি করেছেন, ‘সেনাপ্রধান ও বিরোধী দলগুলোর সাথে আলোচনা করে সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট। প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করাকে ‘ভবিষ্যতে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যেকে পারে’ ।
আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ওই নির্বাচন তিনমাসের মধ্যে হওয়া উচিত বলে তিনি দাবি করেছেন।
তিনি বলেছেন, ”আমি নিশ্চিত, আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আসবে। সেটা না হলেও বিরোধী দল অবশ্যই হবে। যেটাই হোক, ভালো।”
প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসা মূলক হামলা না চালাতে তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যে আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
জয় বলেন, “আমি খুব খুশী হয়েছি যে, খালেদা জিয়া অতীত ভুলে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। অতীতে কী হয়েছে, চলুন তা ভুলে যাই। আমাদের প্রতিহিংসার রাজনীতি গ্রহণ করা উচিত হবে না। যৌথ সরকার হোক আর নাই হোক, আমরা একত্রে কাজ করবো।”
সজীব ওয়াজেদ জয় রয়টার্সকে আরও বলেছেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের আয়োজন ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে তিনি বিএনপির সাথে একত্রে কাজ করতে আগ্রহী, যাতে দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা শেখ হাসিনার বিচারের দাবি তুলেছেন। সেই প্রসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, তার মা বিচারের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত আছেন।
জয় বলেন, ”গ্রেফতারের ভয় কখনোই আমার মাকে নিবৃত করতে পারেনি। আমার মা ভুল কিছু করেননি। সরকারের ভেতরের কিছু লোক বেআইনি কাজ করেছেন, তার মানে এই নয় যে, তিনি সেগুলো করার নির্দেশ দিয়েছেন। তার মানে আমার মা সেগুলোর জন্য দায়ী বলা যাবে না।”
কিন্তু আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর জন্য কে দায়ী, তা তিনি পরিষ্কার করেনি।
শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ”সরকার বিশাল একটা যন্ত্রের মতো। যারা সেজন্য দায়ী, তাদের অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত। কিন্তু আমার মা কাউকে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতা করতে বলেননি। পুলিশ সহিংসতা থামাকে চেষ্টা করেছে, তবে কিছু অফিসার অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে ।”
আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হবেন কিনা, জানতে চাওয়া হলে সজীব ওয়াজেদ বলেছেন, ”এই মেয়াদের পরে এমনিতেও আমার মা অবসরে চলে যেতেন। আমার দল যদি চায়, আমি অবশ্যই সেটা বিবেচনা করবো।”
সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, ‘যখন ঠিক মনে করবেন, তখন তিনি বাংলাদেশ ফিরে যাবেন।’
সজীব ওয়াজেদ জয় আরও বলেন, ”রাজনৈতিক দলগুলো তাদের জায়গাতেই থাকবে। আমাদের সাহায্য ছাড়া, আমাদের সমর্থন ছাড়া, বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা আনা যাবে না।”
সূত্র: বিবিসি বাংলা -

রাজনৈতিক পরিচয়ধারী বিচারপতিদের পদত্যাগের আহ্বান জামায়াতে ইসলামীর
www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১০ আগস্ট, ২০২৪: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের রাজনৈতিক পরিচয়ধারী বিচারপতিদের পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ শনিবার (১০ আগস্ট) দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিচারপতিদের পদত্যাগের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে পরওয়ার বলেন, “আওয়ামী সরকার গত ১৬ বছর যাবৎ দেশের বিচার বিভাগে সুবিধাভোগী, অযোগ্য, অদক্ষ দলীয় লোক বসিয়ে বিচার বিভাগকে ধ্বংস করে দিয়েছে। ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বর্তমানে দেশের আদালতগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না।”
তিনি আরও বলেন, “দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা জরুরি হয়ে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের আত্মস্বীকৃত শপথবদ্ধ রাজনৈতিক পরিচয়ধারী বিচারপতিদের দ্বারা আইনের শাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকদের ন্যায়বিচার ও সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেই লক্ষ্যে অবিলম্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের দলীয় পরিচয়ধারী বিচারপতিদের পদত্যাগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।”