Author: Hello Bangla News

  • পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা নিশ্চিত করতে হবে: মিখাইল গালুজিন

    পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা নিশ্চিত করতে হবে: মিখাইল গালুজিন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১১ আগস্ট, ২০২৩ : পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা নিশ্চিত করতে হবে, বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিখাইল গালুজিন ।

    এসময় তিনি আরও বলেন, কিয়েভ শত্রুতা এবং সন্ত্রাসী হামলা বন্ধ করলে ইউক্রেন সংঘাতের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব। গতকাল বৃহস্পতিবার এক বার্তা সংস্থাকে তিনি এই কথা বলেন।

    রাশিয়ার সেই বার্তা সংস্থাকে তিনি বলেন, ‘কে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে গালুজিন বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে আমরা আমাদের নীতিগত অবস্থান রেখেছি যে একটি ব্যাপক, টেকসই এবং ন্যায্য নিষ্পত্তি তখনই সম্ভব যখন কিয়েভ সরকার শত্রুতা এবং সন্ত্রাসী হামলা বন্ধ করবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এ যুদ্ধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোকেও কিয়েভের বাহিনীকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।’

    রাশিয়ার এই কূটনীতিক বলেন, ‘এ সংঘাতের সমাধানে পৌঁছাতে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের মূল ভিত্তি নিরপেক্ষতা, কোন জোটে যোগ না দেওয়া এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করা নিশ্চিত করতে হবে।’

    সূত্র : বাসস

  • রান্না – আচারি বিফ

    রান্না – আচারি বিফ

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : এখন চলছে বর্ষা। এই বর্ষায় আচারি বিফের কোন তুলনা নাই। বিশেষ ভাবে খিচুড়ির সাথে এই আচারি বিফের তুলনা হয় না। এখানে আচারি বিফ তৈরির প্রণালি দেওয়া হলো।

    উপকরণ :
    গরুর মাংস – ১কেজি, পেয়াজ কুচি – ১/২ কাপ, আদা বাটা – ১ টেবিল চামচ, রসুন বাটা – ১/২ টেবিল চামচ, পেয়াজ বাটা – ১/২ কাপ, টকদই – ১/২ কাপ, টমোটো পেস্ট – ১/৪ কাপ, পাঁচ পোড়ন গুড়া – ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া – ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া – ১/২ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া – ১ টেবিল চামচ, রসুন কোয়া – ৫/৬ টা, আস্ত শুকনা মরিচ – ৫/৬ টা, আস্ত পাঁচ পোড়ন – ১/২ টেবিল চামচ, সরিষার তেল – ১/২ কাপ।

    রান্না - আচারি বিফ - লাইফস্টাইল - ১০ আগস্ট ২০২৩ (খ)
    রান্না – আচারি বিফ – লাইফস্টাইল – ১০ আগস্ট ২০২৩ (খ)

    প্রনালী:
    প্যানে তেল গরম করে শুকনা মরিচ আর আস্ত পাঁচ পোড়ন দিয়ে পোড়ন দিতে হবে। তারপর পেয়াজ কুচি দিয়ে হালকা বাদামি কালার করে মাংস দিয়ে দিতে হবে। ভাল করে ভেজে নিতে হবে ভাল করে। ভাজা হয়ে গেলে সব মসল্লা আর টমোটো পেস্ট দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হয়ে গেলে পরিমান মত গরম পানি দিয়ে মাংস সিদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করতে হবে । সিদ্ধ হয়ে এলে মাংস উপরে তেল উঠে আসলে চুলার আচ মিডিয়াম রেখে আস্ত রসুন, কাঁচামরিচ, কিছুটা যেকোন আচার এর মসল্লা দিয়ে দমে রেখে দিতে হবে ২০ মিনিট। নামানোর আগে পাঁচপোড়ন গুড়া দিয়ে নেড়ে দিয়ে চুলার আচ বন্ধ করে দিতে হবে। এবার পরিবেশন করুন খিচুড়ি দিয়ে মজাদার আচারি বিফ।

    রেসিপি দিয়েছেন : সানজিদা আযহার জিনাত

  • বিশ্বকাপে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচের সময় ও তারিখ পরিবর্তন

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচের সময় ও তারিখ পরিবর্তন

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপের পূর্বে ঘোষিত সূচি থেকে ৯টি ম্যাচের সময় ও তারিখে পরিবর্তন এনেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচের সময় ও সূচিতে পরিবর্তন হয়েছে। যে দেশগুলোর বিপক্ষে পরিবর্তিত সূচিতে খেলবে সেই দেশগুলো হচ্ছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।

    পূর্বে ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ১০ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ধর্মশালায় অনুষ্ঠিত হবার কথা ছিলো বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচটি। নতুন সূচি অনুযায়ী, ধর্মশালাতেই বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচের তারিখ-সময়, দু’টোই পরিবর্তন হয়েছে। ১৪ অক্টোবর চেন্নাইয়ে বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় শুরুর কথা ছিলো। এটি এবার ১৩ অক্টোবর দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে।

    অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচে শুধুমাত্র তারিখ পরিবর্তন হয়েছে। ১২ অক্টোবরের পরিবর্তে এটি এবার অনুষ্ঠিত হবে ১১ নভেম্বর। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় শুরু হবে।

    গত ২৭ জুন আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপের সূচি ঘোষনা করে আইসিসি। অক্টোবর ও নভেম্বরে হিন্দু ধর্মালাম্বীদের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব থাকার কারনে বিশ্বকাপের সূচিতে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গিয়েছিলো।

    সূচিতে ১৫ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ছিলো। কিন্তু ১৫ অক্টোবর থেকে ধর্মীয় উৎসব ‘নবরাত্রি’ শুরু হবে। এজন্য একদিন এগিয়ে ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচটি।

    ঘোষিত সূচি অনুযায়ী ১২ নভেম্বর কোলকাতা ইডেন গার্ডেন্সে ম্যাচ ছিলো ইংল্যান্ড-পাকিস্তানের। ১২ নভেম্বর কলকাতার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব কালী পূজা রয়েছে। এজন্য নতুন সূচিতে ১১ নভেম্বর লড়বে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান।
    এছাড়াও, ১২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১০ অক্টোবর পাকিস্তান-শ্রীলংকা ম্যাচ, ১৩ অক্টোবরের পরিবর্তে ১২ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ, ১৪ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৫ অক্টোবর ইংল্যান্ড-আফগানিস্তান ম্যাচ এবং ১১ নভেম্বরের পরিবর্তে ১২ নভেম্বর ভারত-নেদারল্যান্ডস ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

    ৫ অক্টোবর আহমেদাবাদে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড ও রানার্স-আপ নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বিশ্বকাপ। ৭ অক্টোবর আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ।
    আসন্ন বিশ্বকাপে মোট ১০টি দল অংশ নিবে। স্বাগতিক ভারতসহ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, আফগানিস্তান, শ্রীলংকা ও নেদারল্যান্ডস।

    বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সূচি(বাংলাদেশ সময়) :
    ৫ অক্টোবর : ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড, আহমেদাবাদ (দুপুর- ২.৩০)
    ৬ অক্টেবার : পাকিস্তান-নেদারল্যান্ডস, হায়দারাবাদ (দুপুর- ২.৩০)
    ৭ অক্টোবর : বাংলাদেশ-আফগানিস্তান, ধর্মশালা (সকাল-১১.০০)
    ৭ অক্টেবার : দক্ষিণ আফ্রিকা-শ্রীলংকা, দিল্লি (দুপুর- ২.৩০)
    ৮ অক্টোবর : ভারত-অস্ট্রেলিয়া, চেন্নাই (দুপুর- ২.৩০)
    ৯ অক্টোবর : নিউজিল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস, হায়দারাবাদ (দুপুর- ২.৩০)
    ১০ অক্টোবর : বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড, ধর্মশালা (সকাল- ১১টা)
    ১০ অক্টোবর : পাকিস্তান-শ্রীলংকা, হায়দারাবাদ (দুপুর- ২.৩০)
    ১১ অক্টোবর : ভারত-আফগানিস্তান, দিল্লি (দুপুর- ২.৩০)
    ১২ অক্টোবর : অস্ট্রেলিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকা, লখনৌ (দুপুর- ২.৩০)
    ১৩ অক্টোবর : বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড, চেন্নাই (দুপুর- ২.৩০)
    ১৪ অক্টোবর : ভারত-পাকিস্তান, আহমেদাবাদ (দুপুর- ২.৩০)
    ১৫ অক্টোবর : ইংল্যান্ড-আফগানিস্তান, দিল্লি (দুপুর- ২.৩০)
    ১৬ অক্টোবর : অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলংকা, লখনৌ (দুপুর- ২.৩০)
    ১৭ অক্টোবর : দক্ষিণ আফ্রিকা-নেদারল্যান্ডস, ধর্মশালা (দুপুর- ২.৩০)
    ১৮ অক্টোবর : নিউজিল্যান্ড-আফগানিস্তান, চেন্নাই (দুপুর- ২.৩০)
    ১৯ অক্টোবর : বাংলাদেশ- ভারত, পুনে (দুপুর- ২.৩০)
    ২০ অক্টোবর : অস্ট্রেলিয়া-পাকিস্তান, ব্যাঙ্গালুরু (দুপুর- ২.৩০)
    ২১ অক্টোবর : ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা, মুম্বাই (দুপুর- ২.৩০)
    ২১ অক্টোবর : নেদারল্যান্ডস-শ্রীলংকা, লখনৌ (সকাল- ১১.০০)
    ২২ অক্টোবর : ভারত-নিউজিল্যান্ড, ধর্মশালা (দুপুর- ২.৩০)
    ২৩ অক্টোবর : পাকিস্তান-আফগানিস্তান, চেন্নাই (দুপুর- ২.৩০)
    ২৪ অক্টোবর : বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা, মুম্বাই (দুপুর- ২.৩০)
    ২৫ অক্টোবর : অস্ট্রেলিয়া-নেদারল্যান্ডস, দিল্লি (দুপুর- ২.৩০)
    ২৬ অক্টোবর : ইংল্যান্ড-শ্রীলংকা, ব্যাঙ্গালুরু (দুপুর- ২.৩০)
    ২৭ অক্টোবর : পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা, চেন্নাই (দুপুর- ২.৩০)
    ২৮ অক্টোবর : বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস, কোলকাতা (দুপুর- ২.৩০)
    ২৮ অক্টোবর : অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড, ধর্মশালা (সকাল- ১১.০০)
    ২৯ অক্টোবর : ভারত-ইংল্যান্ড, লখনৌ (দুপুর- ২.৩০)
    ৩০ অক্টোবর : আফগানিস্তান-শ্রীলংকা, পুনে (দুপুর- ২.৩০)
    ৩১ অক্টোবর : বাংলাদেশ-পাকিস্তান, কোলকাতা (দুপুর- ২.৩০)
    ১ নভেম্বর : নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা, পুনে (দুপুর- ২.৩০)
    ২ নভেম্বর : ভারত-শ্রীলংকা, মুম্বাই (দুপুর- ২.৩০)
    ৩ নভেম্বর : আফগানিস্তান-নেদারল্যান্ডস, লখনৌ (দুপুর- ২.৩০)
    ৪ নভেম্বর : নিউজিল্যান্ড-পাকিস্তান, ব্যাঙ্গালুরু (সকাল- ১১.০০)
    ৪ নভেম্বর : ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া, আহমেদাবাদ (দুপুর- ২.৩০)
    ৫ নভেম্বর : ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা, কোলকাতা (দুপুর- ২.৩০)
    ৬ নভেম্বর : বাংলাদেশ-শ্রীলংকা, দিল্লি (দুপুর- ২.৩০)
    ৭ নভেম্বর : অস্ট্রেলিয়া-আফগানিস্তান, মুম্বাই (দুপুর- ২.৩০)
    ৮ নভেম্বর : ইল্যান্ড-নেদারল্যান্ডস, পুনে (দুপুর- ২.৩০)
    ৯ নভেম্বর : নিউজিল্যান্ড-শ্রীলংকা, ব্যাঙ্গালুরু (দুপুর- ২.৩০)
    ১০ নভেম্বর : দক্ষিণ আফ্রিকা-আফগানিস্তান, আহমেদাবাদ (দুপুর- ২.৩০)
    ১১ নভেম্বর : ইংল্যান্ড-পাকিস্তান, কোলকাতা (দুপুর- ২.৩০)
    ১১ নভেম্বর : বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া, পুনে (সকাল- ১১.০০)
    ১২ নভেম্বর : ভারত-নেদারল্যান্ডস, ব্যাঙ্গালুরু (দুপুর- ২.৩০)
    ১৫ নভেম্বর : প্রথম সেমিফাইনাল, মুম্বাই (দুপুর- ২.৩০)
    ১৬ নভেম্বর : দ্বিতীয় সেমিফাইনাল, কোলকাতা (দুপুর- ২.৩০)
    ১৯ নভেম্বর : ফাইনাল, আহমেদাবাদ (দুপুর- ২.৩০)

    সূত্র : বাসস

  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : উন্নয়নশীল দেশগুলো বাংলাদেশের উন্নয়ন মডেল অনুসরণ করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পরমেশ্বরন আইয়ার ।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আজ এ কথা বলেন বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক।

    বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে আইয়ারকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে বাংলাদেশ উন্নয়নে অভূতপূর্ব পরিবর্তন এনেছে। অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোও বাংলাদেশের এই উন্নয়ন মডেল অনুসরণ করতে পারে।’

    ইহসানুল করিম আরো জানান, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তাঁর সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কর্মসূচি সম্পর্কে বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ব্যাপক উন্নয়ন প্রত্যক্ষ করেছে কারণ, তাঁর সরকার ও দল (আওয়ামী লীগ) সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রণয়নের পর তা বাস্তবায়ন করে।

    তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য দারিদ্র্য বিমোচন। আমরা প্রতিটি মানুষের জন্য উন্নত জীবন নিশ্চিত করতে চাই।’

    এ সময় বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক অগ্রগতির পরবর্তী পর্যায়ে বাংলাদেশকে অবকাঠামোগত উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    তিনি বলেন, তার সংস্থা রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের জন্য ইতোমধ্যে ৭০ কোটি মার্কিন ডলার প্রদান করেছে।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে হবে।

    জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমরা কার্বন নিঃসরণকারী নই’ তা সত্ত্বেও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশ যথেষ্ট খারাপ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে।

    আইয়ার অবশ্য প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলেন, বিশ্বব্যাংক তার ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাংক একটি বহুমাত্রিক বিনিয়োগ কর্মসূচির আওতায় শহরটিকে আরো বাসযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে পরিবেশগত পুনরুদ্ধার ও ঢাকা শহরের চারপাশের নদীগুলোর নাব্যতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে।

    বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তা এ দেশের স্যানিটেশন ব্যবস্থারও প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের স্যানিটেশন ব্যবস্থা অসাধারণ।’

    তিনি উন্নয়নে বেসরকারী খাতের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এটিকে সমৃদ্ধশালী বলে বর্ণনা করেন।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার বেসরকারি খাতের বিকাশে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিয়েছে।
    তিনি বলেন, আমরা বেসরকারি খাতের জন্য সবকিছু উন্মুক্ত করে দিয়েছি।

    উক্ত বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান উপস্থিত ছিলেন ।

    সূত্র : বাসস

  • আশ্রয়ণ প্রকল্প বিশ্বে অনন্য কাজ: নরওয়েজিয়ান শিক্ষাবিদ পিয়ারসন

    আশ্রয়ণ প্রকল্প বিশ্বে অনন্য কাজ: নরওয়েজিয়ান শিক্ষাবিদ পিয়ারসন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ “আশ্রয়ণ প্রকল্প” একটি সরকারি প্রকল্প যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন এবং যার জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করা হয়। ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেন এবং একই বছর তিনি সারা দেশের গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শুরু করেন “আশ্রয়ণ প্রকল্প”। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও ১২টি জেলা ও ১২৩টি উপজেলাকে গৃহহীন ও ভূমিহীন মুক্ত ঘোষণা করেছেন।

    এই প্রকল্প সম্পর্কে নরওয়েজিয়ান শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. অ্যাটলি পিয়ারসন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প বিশ্বে অনন্য কাজ।

    ড. অ্যাটলি এক নিবন্ধে লিখেছেন, “আজকে, আশ্রয়ণ শুধু বাংলাদেশেই নয় সারা বিশ্বে একটি অনন্য প্রকল্প। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পিছিয়ে পড়া মানুষের সাহায্যার্থে নানা উদ্যোগ থাকলেও সরকারি জমিতে স্থায়ী বাড়ি নির্মাণ করে ঠিকানাহীন মানুষকে মালিকানা এবং সরকারি খরচে বিদ্যুৎ ও স্যানিটেশন সুবিধাসহ বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার আর কোন নজির নেই।”

    নেপালের অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘রাতোপতি’তে গতকাল ৮ আগস্ট ‘উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের দৃষ্টান্ত হিসাবে বাংলাদেশের আশ্রয়ণ প্রকল্প” শিরোনামে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষণা, কূটনীতি এবং ভূ-রাজনীতিতে অভিজ্ঞ অ্যাটলি পিয়ারসনের নিবন্ধটি প্রকাশিত হয়।

    নিবন্ধ অনুসারে, শেখ হাসিনা মডেল ফর ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট, যা দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অগ্রগতির এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, বর্তমানে আশ্রয়ণ প্রকল্প হিসাবে যথাযথভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ‘কেউ পিছিয়ে থাকবে না’ এই নীতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উদ্যোগের মাধ্যমে গৃহহীন জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এক নতুন স্তর উদ্বোধন করেন।

    তবে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে আরও ২২ হাজার ১০১টি পরিবার নতুন ঘর পাবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে এসব বাড়ি দেওয়া হচ্ছে।

    বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এসব আংশিক সুসজ্জিত বাড়ি ও ২০০ একর বিনামূল্যে জমি দেওয়া হবে। একই সঙ্গে দেশের ১২৩টি উপজেলাকে সম্পূর্ণ ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন নাগরিকও গৃহহীন বা ভূমিহীন থাকবে না’ এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ২০২০ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পরিচালিত আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পটি শুরু হয়। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে এই প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৬৩ হাজার ৯টি একক পরিবারের বাড়ি হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। এটি চলার সময়, ৭৪৩ ব্যারাকে ৩ হাজার ৭১৫ পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য রাখা হয়েছিল। একই বছরের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় পর্যায়ের ৫৩ হাজার ৩৩০টি বাড়ি হস্তান্তর করেন। তৃতীয় পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৬৭৪টি বাড়ি নির্মাণ করা হয়। চলতি বছরের মার্চ মাসে চতুর্থ ধাপের ৩৯ হাজার ৩৬৫টি বাড়ি হস্তান্তর করা হয়।

    এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে চারটি ধাপে ২৩৮৮৫১ পরিবার বাড়ি ও জমি পেয়েছে। ১১৯৪০৩৫ পুনর্বাসন হয়েছে, প্রতিটি পরিবারে গড়ে পাঁচজন সদস্য রযেছে। প্রাপকের সংখ্যা এবং পুনর্বাসনের ধরণ অনুসারে, এটি বিশ্বের বৃহত্তম সরকারি পুনর্বাসন কর্মসূচি।

    আজ সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও আশ্রায়ন একটি একক প্রচেষ্টা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সুবিধাবঞ্চিতদের সহায়তার জন্য অসংখ্য উদ্যোগ নেয়া হলেও ঠিকানাবিহীনদের নামে সরকারি জমিতে মালিকানা হস্তন্তর করে বিদ্যুৎ ও স্যানিটারি সুবিধাসম্বলিত বাড়ি নির্মাণের জন্য অর্থ প্রদান করে স্থায়ীভাবে এ ধরনের বাড়ি নির্মাণের নজির নেই। এই উদ্যোগে গৃহহীন বা ভূমিহীন পরিবারগুলোকে ২ শতাংশ খাস (সরকারি মালিকানাধীন জমি) জমি বন্দোবস্তোসহ যৌথ নামে বিদ্যুৎসহ দুই কক্ষবিশিষ্ট আধা-পাকা একক পরিবারের একটি বাড়ি গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।

    উদ্যোগটি স্বামী এবং স্ত্রী উভয়কেই জমির মালিকানার গ্যারান্টি দেয়, যা কেবল একজন পুরুষ এবং তার পরিবারকে মর্যাদার সাথে বেঁচে থাকার সুযোগই দেয় না বরং নারীর ক্ষমতায়নের একটি বিরল উদাহরণও সৃষ্টি করে। গবেষকরা এমন একটি একক কেস নিয়ে আসতে পারেন যা অতুলনীয়।
    এই প্রচারাভিযানের আকার এবং পরিধি নির্দিষ্ট ডেটা দেখে বোঝা যেতে পারে। ১৯৯৭ সালে শুরু হওয়া আশ্রয়ে উদ্যোগএবং যেখানে ২৭,৭৮,০৮৫ জনকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে, গবেষণায় দেখা গেছে যে ৫,৫৫,৬১৭ টি পরিবারকে আশ্রয়ণ দেওয়া হয়েছে। আশ্রয়ণ ছাড়াও বীর নিবাস, সংখ্যালঘু পুনর্বাসন, ক্লাস্টার ভিলেজ, দুর্যোগ সহনশীল বাড়ি এবং হাউজিং ফান্ড হোমের মতো কর্মসূচিগুলো কার্যত অভিন্ন। জমির মালিকানা অর্জনের পাশাপাশি, এই কর্মসূচির ফলে ৪,১৪,৮০০ ব্যক্তি বাড়ির মালিকও হয়েছেন। ২৮,০০০ একরের বেশি জমিতে শুধুমাত্র বসতবাড়ি রাখার অনুমতি রয়েছে। ফলে, সারাদেশের ২১ টি জেলার সকল উপজেলাসহ ৩৩৪ টি উপজেলা বর্তমানে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৭ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গৃহহীন প্রান্তিক ও অতিদরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আশ্রয়ণ প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে “শেখ হাসিনা মডেল” হিসাবে বিবেচিত হয়। এ পর্যন্ত ৩৫ লাখেরও বেশি মানুষ এ ধরনের বাড়ি পেয়েছন। দেশের কয়েক লাখ গৃহহীন মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষে ১৯৯৬ সালে আশ্রয়ণ পরিকল্পনার শুরু।

    আমরা যদি তুলনামূলক প্রকল্পগুলোর দিকে তাকাই তবে লাল-সবুজ রঙের ঘরগুলো আমাদের একটি নতুন বাড়ির দিকে নিয়ে যাবে। আমরা যদি পরিসংখ্যান না বাড়াই, তাহলে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য দেশের ৩৩৪টি বিনামূল্যে উপজেলা আশ্রয়কেন্দ্র।

    হোম ডিজাইনের এই পরিসীমাটি দেখায় যে কর্মসূচিটি কেবল সস্তা নয়; বরং, উপকারভোগী জনগোষ্ঠী যাতে তাদের বিভিন্ন স্থানে প্রকৃতপক্ষে সর্বাধিক ব্যবহারিক সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করার জন্য এটি অত্যন্ত যত্নসহকারে পরিচালনা করা হয়েছে।

    আশ্রয়ণ জাতির আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সূচনা করেছে। একটি প্লটের উপর একটি বাড়ি বা একটি পরিবার কেবল একটি আবাসিক সুবিধা নয়। সুবিধাবঞ্চিত মহিলাদের সম্পত্তি, আশ্রয় এবং অনুরূপ কর্মসূচির মালিক হওয়ার সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া গ্রামগুলো শক্তিশালী হতে এবং নতুন সামাজিক মর্যাদা অর্জনে সহায়তা করেছে, যাতে তারা সমাজে পুনরায় একীভূত হতে পারে। এই প্রচেষ্টা ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ, স্থায়ী আবাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং স্যানিটেশন প্রদান, সামাজিক ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু শরণার্থীদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে এবং দৃশ্যমানভাবে পরিবর্তন করেছে।
    জাতিকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বতন্ত্র ও অনন্য ধারণা তত্ত্ব ও ভাষার ঊর্ধ্বে। এই দর্শনের ব্যবহারিক দিকটিও বেশ স্পষ্ট। ‘শেখ হাসিনা মডেল অব ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট’ আশ্রয়কেন্দ্র এবং এ ধরনের অন্যান্য উদ্যোগের আকারে প্রকাশ পায়।

    এই মডেলের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে দরিদ্রতম মানুষের উপার্জন সম্ভাবনা বৃদ্ধি, তাদের সম্মানজনক জীবনযাত্রা এবং সামাজিক অবস্থান প্রতিষ্ঠা করা, জমি এবং বাড়ির মালিকানার জন্য মহিলাদের ক্ষমতায়ন, তাদের দক্ষতা এবং দক্ষতা বিকাশ, পরিবেশ রক্ষা এবং গ্রামে থেকে শহর সুবিধা নিশ্চিত করা।
    আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের নিরাপত্তা বোধ ৯৮ দশমিক ৮৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, তাদের সামাজিক মর্যাদা বেড়েছে ৯৮ দশমিক ৫ শতাংশ, তাদের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে ৯৫ দশমিক ২ শতাংশ, নতুন আসবাবপত্র কেনার সক্ষমতা বেড়েছে ৭০ দশমিক ২২ শতাংশ, তাদের ইতিবাচক আচরণ বেড়েছে ৬০ দশমিক ৭৮ শতাংশ, সামাজিক সম্প্রীতি বেড়েছে ৬০ দশমিক ২১ শতাংশ এবং তাদের ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেনার সক্ষমতা বেড়েছে ৫৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

    শেখ হাসিনার অন্যান্য প্রচেষ্টার পাশাপাশি আশ্রয়ণ প্রকল্পটি সর্বকালের সর্ববৃহৎ পুনর্বাসন প্রকল্প হিসেবে আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। মানব বসতি স্থাপনের জন্য জাতিসংঘের হ্যাবিট্যাট প্রোগ্রামের অধীনে এই ধারণাটি অনুসন্ধান করা হচ্ছে। ২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭৭তম অধিবেশনে ‘শরণার্থী: অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনা মডেল’ শীর্ষক বিতর্কে অংশ নেন জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারকরা।

    তবে, আজ সারা বিশ্ব দেখতে পাচ্ছেন কিভাবে বাংলাদেশের দরিদ্র, অসম্মানজনক ও অবহেলিত নারীরা জমির অধিকার অর্জন করেছে এবং তাদের স্বামী ও সন্তানদের পাশাপাশি তাদের নিজস্ব ‘বাড়ি’ হচ্ছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে, তারা সম্মান, মর্যাদা, সাহস এবং জীবনের যুদ্ধে জয়ী হওয়ার আত্মবিশ্বাস অর্জন করছে।

    এখানে উল্লেখ যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী বর্তমান লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীন, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশী ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর দেশের গৃহহীন-ভূমিহীন পরিবার পুনর্বাসনের মতো জনবান্ধব ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমগুলো স্থবির হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু হত্যার দীর্ঘ ২১ বছর পর তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধুর জনবান্ধব ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমগুলো পুনরায় শুরু করেন।

    সূত্র : বাসস

  • ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে গুলি করে হত্যা

    ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে গুলি করে হত্যা

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : ইকুয়েডরে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিওকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। দেশটির কুইটো শহরে আজ বুধবার নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেয়ার পর আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

    ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসো ফার্নান্দোর এই মৃত্যুকে সংঘবদ্ধ অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনারও অঙ্গীকার করেন।

    হত্যাকান্ডের পর তিনি জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। এ সময় তিনি বলেন, সংঘবদ্ধ অপরাধ অনেক দূর ছড়িয়ে গেছে। এটি পুরো দেশকে স্তব্ধ করেছে। যেই জড়িত থাকুক, অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না। বিচার করা হবে।

    এছাড়া প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিও’র পরিবারের সদস্যদের কাছে শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন।

    এদিকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে ইকুয়েডরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুয়ান জাপাতা বলেন, কুইটো শহরে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন ফার্নান্দো। মিছিল শেষ হওয়ার পরপরই তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয়।

    দেশটিতে ২০ আগস্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম দফার এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া আটজন প্রার্থীর একজন ছিলেন ফার্নান্দো। লাতিন আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে ৫৯ বছর বয়সী ফার্নান্দো একজন মধ্যপন্থী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত।

    সূত্র : বাসস

  • ফেসবুকের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় না

    ফেসবুকের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয় না

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : বিশ্বের ৭২টি দেশের প্রায় ১০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর ওপর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইন্সটিটিউট এক গবেষণা চালায়। এই গবেষণার সময় ছিলো ২০০৮ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত। গবেষণার পর বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ জানিয়েছে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ফেসবুকের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে এই ধারণার পক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    এই গবেষণা দলের অধ্যাপক এন্ড্রু সাবিলস্কি বলছেন সাধারণভাবে একটা বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে ফেসবুক ক্ষতিকর, কিন্তু তাদের গবেষণার ফলাফল এই ধারণাকে ভেঙে দিয়েছে।

    তিনি বলছেন বরং তারা দেখেছেন যে কোথাও কোথাও ফেসবুক হয়তো মানুষের মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ঠিক কী কারণে ফেসবুক থেকে উপকার পাওয়া যাচ্ছে গবেষণায় সেবিষয়ে কিছু ব্যাখ্যা করা হয়নি। তবে দেখা গেছে এই সামাজিক মাধ্যমটির কারণে পুরুষ ও অল্পবয়সী ছেলেমেয়েরা একটু বেশিই আনন্দ পেয়ে থাকে।

    রয়্যাল সোসাইটি ওপেন সায়েন্স সাময়িকীতে এই গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণাটি এমন এক সময়ে প্রকাশিত হলো যখন যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ সোশাল মিডিয়ার ক্ষতিকর দিক থেকে তাদের ব্যবহারকারীদের রক্ষা করার জন্য আইন প্রণয়নের কথা বিবেচনা করছে।

    অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাটি হয়েছে শুধু ফেসবুকের ওপর। এই গবেষণায় মেটার অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম যেমন ইনস্টাগ্রামের দিকে নজর দেওয়া হয়নি।

    অধ্যাপক এন্ড্রু সাবিলস্কি বলেছেন, তাদের গবেষণায় যে প্রশ্নটির উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছে তা হচ্ছে: “যেহেতু দেশে দেশে ফেসবুক ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, তার ফলে সেসব দেশের জনগণের ভালো থাকার ওপর এর কেমন প্রভাব পড়ছে।”

    তিনি বলেন: “সাধারণত মনে করা হয় যে মানসিকভাবে ভালো থাকার জন্য এটি খারাপ। কিন্তু আমরা যখন সব তথ্য একসাথে করলাম, সেসব তথ্য বিশ্লেষণ করা হলো, দেখা গেল বিষয়টা আসলে ঠিক এরকম নয়।”

    এর আগেও তিনি কিশোর কিশোরীদের প্রযুক্তি ব্যবহার ও তাদের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ওপর গবেষণা চালিয়ে এই দুটোর মধ্যে খুব সামান্যই সংযোগ খুঁজে পেয়েছিলেন।

    গবেষকরা এই বলে অভিমত দিয়েছে যে, এবার ফেসবুকের ওপর যে গবেষণাটি চালানো হলো তাতে জাতীয় পর্যায়ে এই মাধ্যমটি ব্যবহারের কী প্রভাব পড়ছে সেটা দেখা হয়েছে, তবে বিশেষ কোনো একটি গ্রুপের ওপর কী প্রভাব পড়ছে সেটা খতিয়ে দেখা হয়নি।

    উদাহরণ হিসেবে অধ্যাপক এন্ড্রু সাবিলস্কি বলছেন কারো কারো ওপর ইতিবাচক প্রভাব রাখলেও, ফেসবুক হয়তো ছোট্ট কোনো গ্রুপের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে যার ওপর এই গবেষণায় আলোকপাত করা হয়নি।

    ফেসবুকের বিভিন্ন কনটেন্ট এর ব্যবহারকারীদের জন্য কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে সেটাও এই গবেষণায় পরীক্ষা করে দেখা হয়নি।

    অধ্যাপক এন্ড্রু সাবিলস্কি বলেন, এসব দেখার জন্য আরো অনেক তথ্যের প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, “কখনও কখনও অল্প কিছু লোক হয়তো সোশাল মিডিয়ার ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করছে, কিন্তু এবিষয়ে আমাদের কাছে আসলেই কোনো তথ্য নেই।”

    এই গবেষণাটি করতে গিয়ে গবেষকরা ফেসবুক থেকে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করেছেন। তবে তারা স্বাধীনভাবেই এই কাজটি পরিচালনা করেছেন এবং এজন্য ফেসবুকের মালিক মেটা থেকে তাদেরকে কোনো অর্থ দেওয়া হয়নি। গবেষকদের ফেসবুক যেসব তথ্য দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে প্রতিটি দেশে ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কিভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ব্যবহারকারীদের ১৩-৩৪ এবং ৩৫ বছরের বেশি বয়সী এই দুটো গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।
    এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা দেখেছেন সোশাল মিডিয়ার ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের কারণে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কোনো প্রমাণ তারা পাননি। বাথ স্পা ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞান, বিজ্ঞান ও যোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক পিটার এচেলস এই গবেষণাকে আকর্ষণীয় বলে উল্লেখ করেছেন।
    তবে তিনি বলেছেন, গবেষকরাও যেমন পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে এখানে কারণ ও ফলাফল সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। তবে এটা থেকে বোঝা যায় যে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এখন গবেষকদের জন্য তাদের দরজা উন্মুক্ত করে দিচ্ছে।

    ফেসবুকের উপর অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণা ইতিবাচক হলেও ফেসবুক আসক্তির বিষটি অবশ্যই একজন ব্যক্তির উপর ইতিবাচক নয়। তাই ফেসবুকের আসক্তির উপর এমন একটি গবেষণা চালানো জরুরী হয়ে পড়ছে।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • শিল্পকলার আয়োজনে নাড়াইলে শিল্পী এস এম সুলতানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন শুরু

    শিল্পকলার আয়োজনে নাড়াইলে শিল্পী এস এম সুলতানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন শুরু

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : আজ ১০ আগস্ট ২০২৩, বিশ্ব বরেণ্য শিল্পী এসএম সুলতান এর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে তাঁর জন্মস্থান নড়াইলে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় ছিলো- সকাল ১১টায়- বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি (বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ চেতনা চত্বর, নড়াইল) এরপর সকাল ১১.৩০ মি. থাকবে শিল্পী এস এম সুলতানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি।
    সকাল ১১.৪৫ মি. শিল্পী এস এম সুলতানের জীবন ও কর্মের উপর শিশুদের অংকিত চিত্রকর্ম প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয় শিশু স্বর্গ মিলনায়তনে।
    দুপুর ১২.০০ টায় সারাদেশের ২০ জন বরেণ্য শিল্পীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় আর্টক্যাম্প ও তাদের তত্ত্বাবধানে শিশু চিত্রকর্মশালা। অংশগ্রহণকারী শিল্পীরা হলেন – শিল্পী হাশেম খান, শিল্পী হামিদুজ্জামান খান, শিল্পী আব্দুল মান্নান, শিল্পী রোকেয়া সুলতানা, শিল্পী নাইমা হক, শিল্পী আইভি জামান, শিল্পী নাসিম আহমেদ নাদভী, শিল্পী সৈয়দা মাহবুবা করিম, শিল্পী নাজমা আক্তার, শিল্পী সমীরণ চৌধুরী, শিল্পী বিমানেশ বিশ্বাস, শিল্পী নিখিল চন্দ্র দাস, শিল্পী বলদেব অধিকারী, শিল্পী সুশান্ত অধিকারী, শিল্পী সমীর মজুমদার, শিল্পী সমীর বৈরাগী, শিল্পী অনাদি বৈরাগী, শিল্পী মাহবুব জামাল শামীম, শিল্পী নজরুল ইসলাম অগ্রানী, শিল্পী সুফিয়া বেগম।
    বিকাল ৩.০০ মি. শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় শিশু স্বর্গ, নড়াইলে। বিকাল ৪.৩০ মি. শিশুদের নিয়ে থাকবে চিত্রা নদীতে নৌকা ভ্রমণ।
    সন্ধ্যা ৬.০০টার আয়োজনে থাকছে শিল্পী এসএম সুলতানের চিত্রকর্মের পর্যালোচনা (জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, নড়াইল)।
    সন্ধ্যা ৬.২০মি. আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, নড়াইলে। আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন জনাব খলিল আহমদ, সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। উদ্বোধন করবেন জনাব হাসনাত আবদুল হাই, বিশিষ্ট লেখক ও শিল্প সমালোচক। সম্মানিত অতিথি হিসেবে থাকবেন জনাব ইমেরিটাস অধ্যাপক শিল্পী হাশেম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক, নড়াইল। এবং সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।
    সন্ধ্যা ৭.০০ টায় প্রামাণ্যচিত্র ‘আদমসুরত’ প্রদর্শিত হবে। ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত সাত বছর ধরে এস এম সুলতানের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয় আদম সুরত। চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদের প্রযোজনা এবং পরিচালনায় এই প্রামাণ্যচিত্রে সুলতানের দৈনন্দিন কর্মজীবন তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি এবং কৃষিচিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। স্থান: জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তন, নড়াইল।

  • বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের স্বরূপ উন্মোচনে আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের

    বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের স্বরূপ উন্মোচনে আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি বঙ্গবন্ধু পরিষদের

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ আগস্ট, ২০২৩ : গত মঙ্গলবার ৮ আগস্ট কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে এক সভায় বঙ্গবন্ধু পরিষদ বক্তারা, ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কারিগরদের স্বরূপ উন্মোচনে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন গঠন করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
    আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে এ ঘটনায় যুক্ত দেশি-বিদেশি চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র এবং এর পেছনের কারিগরদের ব্যাপারে নতুন প্রজন্ম সবকিছু জানতে পারবে।

    মঙ্গলবার রাতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক ওয়েবিনার আলোচনায় বক্তারা এ দাবি জানান।

    বক্তারা বলেন, আমেরিকার প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জন এফ কেনেডি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মার্কিন সরকারের গঠিত ‘ওয়ারেন কমিশন’ ১৯৬৪ সালে কমিশন রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে মহাত্মা গান্ধী, ইন্দিরা গান্ধী ও রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল।

    তেমনিভাবে, আগামীর বাংলাদেশে, ২০৫০ সালের প্রজন্ম যদি প্রশ্ন করে, আমাদের জাতির পিতাকে কি কারণে এত নৃশংসভাবে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিলো? তখন তাদের সামনে অন্তত একটি প্রমাণ হাজির করা যাবে, এই হলো সেই ঘটনার আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন রিপোর্ট। সেই রিপোর্ট পাঠ করলে পুরো ঘটনায় যুক্ত দেশি-বিদেশি চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র নতুন প্রজন্মের সামনে পরিস্কার হয়ে যাবে।

    ওয়েবিনারে যুক্ত বঙ্গবন্ধু পরিষদের দেশি-বিদেশি আলোচক ও বুদ্ধিজীবী সবাই এ বিষয়ে একমত হয়ে জোড়ালো বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তারা আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি আন্তর্জাতিক কমিশন গঠন এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

    আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দেশে-বিদেশে অবস্থানরত বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।

    সূত্র : বাসস

  • অন্ধ লিলি বেগমের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

    অন্ধ লিলি বেগমের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগী লিলি বেগম নামের এক অন্ধ নারীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন। ভূমিহীন হিসেবে বাড়ি পাওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী নেওয়ায় উক্ত অন্ধ নারী অত্যন্ত খুশি ।

    আজ বুধবার সকালে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় চাকলা আশ্রয়ণ প্রকল্পে সুবিধাভোগীদের বাড়ি হস্তান্তর করার সময়ে ওই অন্ধ মহিলা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার করুণ কাহিনী বলেন। যিনি সাত বছর আগে হঠাৎ অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বেড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত হন।
    আধা পাকা বাড়িসহ দুই ডিসিমাল জমির মালিকানার দলিল পাওয়ার পর এক আলাপচারিতায় লিলি জানান, সাত বছর আগে তিনি হঠাৎ অন্ধ হয়ে যান এবং তার স্বামী সাত মাস বয়সী ছেলেসহ তাকে ছেড়ে চলে যান।
    প্রধানমন্ত্রীকে লিলি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘আমি এখন আমার ছেলের সাথে বসবাস করছি। আমার চিকিৎসার জন্য আমার বাবা সব বিক্রি করে দিয়েছেন।’

    লিলি জানান, তিনি ও তার পরিবার অন্যের বাড়িতে থাকতেন।

    দেশের প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের জন্য জমি ও বাড়ি দেওয়ার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন,‘ আমি কখনই ভাবিনি যে আমাদের নিজস্ব বাড়ি হবে। আপনি (শেখ হাসিনা) আমাকে বিদ্যুৎ, পানি এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থাসহ আমার স্বপ্নের পাকা বাড়ি দিয়েছেন। আপনি ছাড়া কেউ এটি আমাদের দেবে না।’

    লিলি বলেন, ‘আমি আমার সন্তান এবং পিতামাতার সাথে এখন আপনার দেওয়া ঘরে বাস করছি এবং আমরা খুব খুশি, আমাদের এখন কোন অসুবিধা নেই।’

    তিনি বলেন, ‘তার ছেলে এই বাড়িটিকে তার মায়ের বাড়ি বলে ডাকে’।

    তিনি আরো বলেন, ‘আপনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ করেছেন, আপনি আমাদের গর্ব। আপনি শত বছর বেঁচে থাকুন এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী হয়ে বারবার আমাদের কাছে ফিরে আসুন।’
    তিনি স্মরণ করে বলেন, তার ছেলের বয়স যখন সাত মাস তখন তিনি দৃষ্টি হারান। তার ছেলের বয়স এখন আট বছর এবং সে স্কুলে যাচ্ছে।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন করেন, আপনার চোখের চিকিৎসা কোথায় নিয়েছেন?

    উত্তরে লিলি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে চোখের শেষ চিকিৎসা নেয়ার কথা বলেন।

    লিলি বলেন, ‘কিন্তু করোনভাইরাস মহামারী, আর্থিক সংকট এবং আমার হাঁটুর জয়েন্টে অর্থোপেডিক সমস্যার কারণে আমি আর চিকিৎ্সা নিতে পারিনি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় চক্ষুবিদ্যা ইনস্টিটিউটের চিকিৎসককে দেখালে ভালো হতো।’

    এ সময় পাবনার জেলা প্রশাসক এম আসাদুজ্জামান প্রধানমন্ত্রীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

    বিস্মিত লিলি বেগম তার বাবা-মায়ের মতো তার চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

    প্রধানমন্ত্রী লিলি বেগমকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আমরা আপনার চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। আমরা চেষ্টা করব।’

    সূত্র : বাসস