Author: Hello Bangla News

  • বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক-২০২৩ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক-২০২৩ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ আগস্ট, ২০২৩ : আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বাংলাদেশের নারীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক’ প্রদান করেন প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    অনুষ্ঠানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ চার বিশিষ্ট নারী ও জাতীয় নারী ফুটবল দলের মধ্যে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক-২০২৩’ প্রদান করেন। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজনে করে উক্ত অনুষ্ঠানটি।
    এই সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গমাতা শুধু নিজের সংসারই চালাতেন না, হাতে যা টাকা-পয়সা আসতো তাও বাবার রাজনীতির জন্য তাঁকে দিয়ে দিতেন।”
    জাতির পিতার ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ থেকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী কথা জানান, ‘আব্বা-আম্মা ছাড়াও সবসময় রেণু (বঙ্গমাতা) আমাকে কিছু টাকা পয়সা দিয়েছে। রেণু যা কিছু জোগাড় করতো বাড়ি গেলে এবং দরকার হলেই আমাকে দিত, কোনদিন আপত্তি করেনি। নিজে মোটেই খরচ করতো না, গ্রামের বাড়িতে থাকতো। আমার জন্য সব রাখতো।’
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার বাবা যখন বি এ পরীক্ষা দেন কলকাতায় তখন দাঙ্গা হচ্ছিল। তাঁর বাবা দাঙ্গা দমনে ঝাঁপিয়ে পড়েন, কিন্তু সে সময় তাঁর ‘মা’ চলে আসেন তাঁর বাবার লেখাপড়ার সহযোগিতা করার জন্য।
    সরকার প্রধান বলেন, আমার বাবার সাফল্য যদি আপনারা দেখেন সেই ছাত্র জীবন থেকে ‘মা’ পাশে থাকাতে তাঁর জীবন কিন্তু সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ওঠে। শুধু ছাত্র জীবন থেকে নয় রাজনৈতিক জীবনে তিনি সবসময় আমার বাবার পাশে ছিলেন।
    বঙ্গমাতা জাতির পিতাকে বলতেন, ‘রাজনীতি করো আমার আপত্তি নেই, কিন্তু পড়াশোনা করতে হবে,’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর দাদাও বলেছিলেন ‘যে কাজই করো তোমাকে পড়াশোনা করতে হবে।’
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা টানা দুই বছর কখনো জেলের বাইরে না থাকলেও তাঁর মা সব সময় ঘর-সংসার সামাল দিতেন এবং কখনো হতাশ হননি।
    প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক ৬ দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা এবং জাতির পিতার ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদানসহ জাতির বিভিন্ন সন্ধিক্ষণে বঙ্গমাতার ঐতিহাসিক সময়োচিত পদক্ষেপের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা লাভের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট তাঁর ভাষণে তুলে ধরেন।
    অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক’ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    খেলাধুলার ক্ষেত্রে সাফ ফুটবল ২০২২ এ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন জাতীয় নারী ফুটবল দল ছাড়াও আরও চার নারী এই পদক লাভ করেন। তাঁরা হচ্ছেন- রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (মরণোত্তর), শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় নাসিমা জামান ববি ও অনিমা মুক্তি গোমেজ এবং গবেষণায় ডা. সেঁজুতি সাহা (মলিকুলার বায়োলজিস্ট)।
    অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরার সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তানিয়া হক বঙ্গমাতার জীবন ও কর্মকাণ্ডের ওপর ভিত্তি করে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান বেগম চেমন আরা তৈয়ব।
    পুরস্কার প্রাপ্তদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।
    শুরুতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রামাণ্য প্রদর্শিত হয়।
    একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আর্থিক অনুদান ও সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করেন। সারাদেশের ৪ হাজার ৫শ’ দুস্থ মহিলার মধ্যে সেলাই মেশিন এবং ৩ হাজার দুঃস্থ মহিলার প্রত্যেককে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে দুই হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়।
    সূত্র: বাসস

  • দেশের ৪ সমুদ্র বন্দরগুলোকে আজও ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

    দেশের ৪ সমুদ্র বন্দরগুলোকে আজও ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ আগস্ট, ২০২৩ : দেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার,মোংলা ও পায়রা এই ৪ সমুদ্র বন্দরগুলোকে আজও ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস এই নির্দেশ দিয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
    সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
    সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে আজও সারাদেশের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
    অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ী এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমি ধ্বসের সম্ভাবনা রয়েছে।
    পরবর্তী তিন দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়েছে, এ সময় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে।
    আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় সর্বোচ্চ বান্দরবানে ২৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
    এছাড়া নিকলিতে ২৩৫, বগুড়া ২১৩, ভোলা ২১০, মংলায় ১৯২, কক্সবাজারে ১৬৭, বরিশালে ১৬৪, খেপুপাড়ায় ১৫৫ টেকনাফে ১৪৮, বদলগাছীতে ১৪১, টাঙ্গাইলে ১৪০, তাড়াশে ১২৭, পটুয়াখালীতে ১০০, কুতুবদিয়া ৯৮, কুমিল্লা ৮৩, রংপুরে ৭৮, রাঙ্গামটিতে ৬৮, চট্টগ্রাম ৫৫, ঢাকা ও মাদারীপুরে ৫৪, সীতাকুন্ডে ৫৩, ইশ্বরদীতে ৫১ এবং সিলেটে ৪৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
    আজ সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারাদেশের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বসজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
    এছাড়া সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ৩২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা টাঙ্গাইল ও কুতুবদিয়ায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মৌসুমী বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার,পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বাঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
    ঢাকায় আজ দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘন্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে।
    সকালে ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
    সূত্র: বাসস

  • আজ আরও ১২টি জেলাকে গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    আজ আরও ১২টি জেলাকে গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৮ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে ২২ হাজার ১০১টি বাড়ি হস্তান্তরের মধ্যদিয়ে আরও ১২টি জেলাকে গৃহহীন ও ভূমিহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৪১টি জেলার আরও ১২৩টি উপজেলাকে গৃহহীন ও ভূমিহীন ঘোষণা করা হবে, যার ফলে মোট উপজেলার সংখ্যা হবে ৩৩৪টি এবং এই ১২টি জেলাসহ সম্পূর্ণ গৃহহীন ও ভূমিহীনমুক্ত জেলার মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ২১টিতে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারগুলোর মধ্যে বাড়ি বিতরণের ঘোষণা দেবেন।
    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ “আশ্রয়ণ প্রকল্প”একটি সরকারি প্রকল্প যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন এবং যার জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করা হয়। ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেন এবং একই বছর তিনি সারা দেশের গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শুরু করেন “আশ্রয়ণ প্রকল্প”।
    গতকাল সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প বিশ্বে একটি অনন্য প্রকল্প, কারণ পৃথিবীর আর কোনো দেশে এতো বিপুল সংখ্যক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বাড়ি বিতরণ করা হয়নি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান উপস্থিত ছিলেন।

    আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের চতুর্থ ধাপের আওতায় এটি দ্বিতীয় পর্যায় এবং ২২ মার্চ, ২০২৩-এ দ্বিতীয় ধাপের অধীনে প্রথম দফায় ৩৯ হাজার ৩৬৫টি বাড়ি বিতরণ করা হয়।

    ২৩ জানুয়ারি, ২০২১-এ প্রথম পর্যায়ে ৬৩ হাজার ৯৯৯টি, ২০ জুন, ২০২১-এ দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৩০টি এবং মুজিববর্ষ-এর সময় তৃতীয় পর্যায়ে দুই ধাপে মোট ৫৯ হাজার ১৩৩টি বাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। আরও ২২ হাজার ১০১টি ঘর বিতরণের মাধ্যমে, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের অধীনে মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ২,৩৮,৮৫১টি।
    মুখ্য সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে তিন উপজেলায় ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সুবিধাগ্রহীতাদের মাঝে বাড়িসহ জমি হস্তান্তর করবেন। প্রধানমন্ত্রী খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার বারাসত সোনার বাংলা পল্লী আশ্রয়ণ প্রকল্প, পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলা আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প এবং নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আমানউল্লাহপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাগ্রহীতাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করবেন। প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনরা দুই দশমিক দুই শতাংশ জমিতে ভালো মানের টিনশেড আধা-পাকা বাড়ি পাবেন।

    তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া বলেন, প্রধানমন্ত্রী মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ময়মনসিংহ, শেরপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, কুষ্টিয়া, পিরোজপুর ও ঝালকাঠিকে গৃহহীন-ভূমিহীন মুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা করবেন এবং এর আগে তিনি পঞ্চগড় ও মাগুরাসহ আরও নয়টি জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত জেলা ঘোষণা করবেন।

    মুখ্য সচিব বলেন, নদীভাঙন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো কারণে এসব এলাকায় কেউ গৃহহীন ও ভূমিহীন হলে তাদের জমিসহ বাড়ি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, জমির মালিকানা স্বামী-স্ত্রী উভয়কে দেওয়া হয় এবং জমির রেজিস্ট্রেশন ও মিউটেশনও স্বামী-স্ত্রীর নামে দেওয়া হয়।

    তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া বলেন, সরকার শুধু খাস জমিতে প্রকল্পের জন্য বাড়ি নির্মাণ করছে না, বাড়ি নির্মাণের জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কাছ থেকে জমি কেনা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকেও অনুদান পাওয়া যায় বলে তিনি উল্লেখ করেন। যাদের বাড়ি নেই, জমি আছে, তাদের জন্য সরকার কবে থেকে বাড়ি নির্মাণ শুরু করবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন সরকার এই প্রকল্পের আওতায় শুধু ভূমিহীন ও গৃহহীনদের বাড়ি দিচ্ছে এবং এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর যাদের বাড়ি নেই বা যাদের বাড়ি জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে তাদের জন্য বাড়ি নির্মাণ শুরু করবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে গৃহহীনদের পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু করেন।
    বঙ্গবন্ধুর পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের বাড়ি ও জমির মালিকানা দেওয়ার উদ্যোগ নেন। আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ৮ লাখ ২৯ হাজার ৬০৭টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। পুনর্বাসিত মানুষের সংখ্যা ৪১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৫ জন (আনুমানিক একটি পরিবারে পাঁচজন ব্যক্তি হিসাবে)। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প ইতোমধ্যে ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ পরিবারকে সরাসরি পুনর্বাসন করেছে এবং ভূমি মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন কর্মসূচির অধীনে ২ লাখ ৭৩ হাজার ৯৯০ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

    এথাসে উল্লেখ থাকে যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী বর্তমান লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরপোড়াগাছা গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীন, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশী ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে স্বাধীনতাবিরোধী চক্র বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর দেশের গৃহহীন-ভূমিহীন পরিবার পুনর্বাসনের মতো জনবান্ধব ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমগুলো স্থবির হয়ে পড়ে। বঙ্গবন্ধু হত্যার দীর্ঘ ২১ বছর পর তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধুর জনবান্ধব ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমগুলো পুনরায় শুরু করেন। তাই তিনি ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের মডেল’ সামনে এনে পিছিয়ে পড়া ছিন্নমূল মানুষকে মূলধারায় আনার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৭ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিনে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেন । একই বছর তিনি সারা দেশের গৃহহীন-ভূমিহীন মানুষকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে শুরু করেন “আশ্রয়ণ প্রকল্প”।

    তার পর থেকে এই প্রকল্প এগিয়ে যাচ্ছে যা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি মহৎ প্রকল্প হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

    সূত্র: বাসস

  • শিল্পকলায় ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত

    শিল্পকলায় ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে শোকের মাস আগস্ট উপলক্ষে মাসব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে একাডেমি। ‘শোক থেকে শক্তির অভ্যুদয়, স্বপ্নপূরণের দৃঢ় প্রত্যয়’ শিরোনামে মাসব্যাপী কার্যক্রম পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গতকাল ২২ শে শ্রাবণ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ৮২ তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ শিরোনামে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিান।

    বিবিসির জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি প্রথম দুই ব্যক্তি হচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিশ্ববরেণ্য এই দুই ব্যক্তির স্মরণে গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

    আলোচনা করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক ড. কাজল রশীদ। আলোচনায় তিনি বলেন, “রবীন্দ্রনাথ তার সমস্ত লেখালেখির মধ্যে বাঙালি সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করেছেন, রবীন্দ্রনাথের সমস্ত গল্প, কবিতায় বাঙালি সংস্কৃতির একটা শক্তিশালী উপস্থাপন দেখি”। আলোচক ড. কাজল রশীদ বলেন – “বঙ্গীয় রেঁনেসা বা বঙ্গীয় নবজাগরণের পূর্ণতা, পরিপূর্ণ হয় রবীন্দ্রনাথের মাধ্যমে। একইভাবে বাংলাদেশের সকল মানুষকে একত্রে করতে পেরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। বাঙালি সংস্কৃতির মৌলিকত্ব তিনি বুঝতে পেরেছিলেন বলেই বাঙালিকে মুক্তিযুদ্ধের একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে নিতে পেরেছিলেন”।

    সভাপতির বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন – “কবিগুরুকে বঙ্গবন্ধু গুরুর মতো মানতেন। ‘সাত কোটি বাঙালিরে হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে মানুষ কর নি–কবিগুরুর সেই বাণীকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমাণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। কিন্তু ১৯৭৫ এ ১৫ আগস্ট আবারো যেন সেই বাণীই সত্য হয়ে ওঠলো”।

    ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত - বিনোদন - ৭ আগস্ট ২০২৩ (খ)
    ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ অনুষ্ঠিত – বিনোদন – ৭ আগস্ট ২০২৩ (খ)

    আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান কবিতা নিয়ে সাজানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিলো দলীয় রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশনা ‘আলো আমার আলো/আনন্দলোকে মঙ্গলালোক/আমরা নতুন যৌবনের দূত’ পরিবেশন করেন একাডেমির শিশু-কিশোর দল।

    এরপর শিল্পীরা পরিবেশন করের একজ সংগিত। আশরাফুল আলম পরিবেশন করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ‘বাসা বাড়ী’। সবশেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত দল পরিবেশন করে রবীন্দ্র সংগীত ‘কান্না হাসির দোল দোলানো’ ও ‘সমুখে শান্তি পারাবার’।

    বিপুল সংখ্যক দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

  • ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক’ প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা

    ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক’ প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশের নারীদের নারীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক’। এবার এই সন্মাননা পাচ্ছেন দেশের চার বিশিষ্ট নারী ও বাংলাদেশের জাতীয় নারী ফুটবল দল। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য তাদের এ পদক দেয়া হচ্ছে।

    বাংলাদেশ সচিবালয়ের তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে একথা জানিয়েছে। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব -এর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল ৮ আগস্ট ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পদক দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক-২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পদক বিতরণ এবং আর্থিক অনুদান ও সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সংগ্রাম-স্বাধীনতা, প্রেরণায় বঙ্গমাতা’। অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতার জীবন ভিত্তিক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. তানিয়া হক।

    সংবাদ সম্মেলনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা বলেন, দেশপ্রেম, রাজনৈতিক দুরদর্শিতা, সাহসিকতা, ত্যাগ ও অনুপ্রেরণার উৎস বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর জন্মবার্ষিকী ৮ আগস্টকে সরকার ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। বঙ্গমাতার অবদানকে চিরস্মরণীয় করার লক্ষ্যে প্রতি বছর আটটি ক্ষেত্রে নারীদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সর্বোচ্চ ৫ জনকে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব’ জাতীয় পদক প্রদান করা হয়।

    তিনি জানান, এবছর রাজনীতিতে অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (মরনোত্তর), গবেষণায় অনুজীব বিজ্ঞানী ড. সেঁজুতি সাহা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে অণিমা মুক্তি গোমেজ ও মোছা. নাছিমা জামান ববি এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক ২০২৩’ প্রদান করা হবে।

    ২০২০ সালে বঙ্গমাতা’র জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের অবদানের জন্য ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব’ পদক প্রবর্তনের আহ্বান জানানো হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ সরকার এই পদককে নারীদের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান বলে ঘোষণা দেয়। ২০২১ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার সমাজের আটটি ক্ষেত্রে নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫ জনকে এই পদক প্রদান করে আসছে।

    সংবাদ সম্মেলনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক, অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিবুজ্জামান এবং প্রধান তথ্য কর্মকর্তা শাহীনুর মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্র : বাসস

  • কবি মোহাম্মদ রফিকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    কবি মোহাম্মদ রফিকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্যাতনামা কবি, লেখক এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    আজ এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, বাংলা একাডেমি পুরস্কার ও একুশে পদক প্রাপ্ত এই মননশীল আধুনিক কবি বাংলা সাহিত্যে তার অবদানের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

    প্রধানমন্ত্রী তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    বরেণ্য কবি মোহাম্মদ রফিক ১৯৪৩ সালে বাগেরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর বিভিন্ন কলেজে শিক্ষকতা করার পর তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি দীর্ঘ সময় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের প্রধান ছিলেন। ২০০৯ সালের ২৯ জুন তিনি অবসরেন যানস। অবসরের পর কবি মোহাম্মদ রফিক রাজধানীর মোহাম্মাদপুরে বসবাস করতেন।

    ১৯৬০ এর দশকে পাকিস্তান আমলে ছাত্র আন্দোলন ও কবিতায় এবং স্বাধীন বাংলাদেশে আশির দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে কবিতা লিখে বিখ্যাত হয়েছিলেন মোহাম্মদ রফিক। ১৯৭০ সালে তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বৈশাখী পূর্ণিমা’ প্রকাশিত হয়। এরপর ১৯৭৬ সালে প্রকাশ পায় তার দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘ধুলার সংসারে এই মাটি’।

    বরেণ্য এই কবির উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো- কীর্তিনাশা (১৯৭৯), খোলা কবিতা ও কপিলা (১৯৮৩), গাওদিয়ায় (১৯৮৬), স্বদেশী নিশ্বাস তুমিময় (১৯৮৮), মেঘে এবং কাদায় (১৯৯১), রূপকথা কিংবদন্তি (১৯৯৮), মৎস্য গন্ধ্যা (১৯৯৯), মাতি কিসকু (২০০০), বিষখালি সন্ধ্যা (২০০৩), নির্বাচিত কবিতা (২০০৩), কালাপানি (২০০৬), নির্বাচিত কবিতা (২০০৭), নোনাঝাউ (২০০৮), দোমাটির মুখ (২০০৯), ত্রয়ী (২০০৯), মোহাম্মদ রফিক রচনাবলী-১ (২০০৯), মোহাম্মদ রফিক রচনাবলী-২ (২০১০)।

    মোহাম্মদ রফিক একুশে পদক ছাড়াও বাংলা একাডেমি পুরস্কার, জেমকন সাহিত্য পুরস্কারসহ বিভিন্ন স্বীকৃতি ও পুরস্কার অর্জন করেছেন। এরমধ্যে বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন।

    সূত্র : বাসস

  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-টোয়েন্টিতে  পর পর দুই ম্যাচে হারিয়েছে ভারতকে

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-টোয়েন্টিতে পর পর দুই ম্যাচে হারিয়েছে ভারতকে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে রীতিমত গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। ওয়ানডেতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিলো । সেই দলটিই কিনা টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পর পর দুই ম্যাচে হারিয়ে দিয়েছে ভারতকে।

    গতকাল রবিবার রাতে গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে দেখা গেক অন্য এক ভারতকে। আইপিএল খেলে আসা একঝাঁক পরীক্ষিত তরুণরা আরও ব্যর্থ হলো। ভারতকে হারলো ২ উইকেটের ব্যবধানে।

    নিকোলাস পুরানের ব্যাটিং ঝড়ে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে টানা দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে হেরে গেছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। গতরাতে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২ উইকেটে হারিয়েছে ভারতকে। প্রথম ম্যাচে ৪ রানে জয় পেয়েছিলো ক্যারিবীয়রা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৪০ বলে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন পুরান।

    গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারত। চতুর্থ ওভারে দলীয় ১৮ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে ভারত। ওপেনার শুভমান গিল ৭ ও সূর্যকুমার যাদব ১ রান করে ফিরেন।

    দ্বিতীয় উইকেটে ৩৬ বলে ৪২ রান যোগ করে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন আরেক ওপেনার ইশান কিশান ও তিলক ভার্মা। দারুন এক ডেলিভারিতে ২টি করে চার-ছক্কায় ২৩ বলে ২৭ রান কিশানকে বোল্ড করে জুটি ভাঙ্গেন পেসার রোমারিও শেফার্ড।

    কিশানের বিদায়ে পাঁচ নম্বরে নেমে ৭ রানে বেশি করতে পারেননি সঞ্জু স্যামসন। ৭৬ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টা করেন তিলক ও অধিনায়ক হার্ডিক পান্ডিয়া। তাদের ২৭ বলে ৩৮ রানের জুটিতে ভারতের রান ১শ পার হয়। এই জুটিতেই ৩৯ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিলক।

    হাফ-সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি তিলক। স্পিনার আকিল হোসেনের শিকার হয়ে ৪১ বলে ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫১ রান করে আউট হন তিলক। এরপর পান্ডিয়া ১৮ বলে ২টি চারে ২৪ ও অক্ষর প্যাটেল ১২ বলে ১৪ রান করেন। শেষ দিকে রবি বিষ্ণোই ৪ বলে অপরাজিত ৮ ও আর্শদীপ ৩ বলে অপরাজিত ৬ রান করলে ভারতের রান দেড়শ পার হয়। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫২ রান করে ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের আকিল-জোসেফ ও শেফার্ড ২টি করে উইকেট নেন।

    ১৫৩ রানের টার্গেটে প্রথম ওভারেই দুই উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম বলে ওপেনার ব্রান্ডন কিংকে শূন্যতে এবং তিন নম্বরে নামা জনসন চার্লসকে ২ রানে বিদায় করেন পেসার পান্ডিয়া। শুরুর ধাক্কাকে পাত্তা না দিয়ে কাউন্টার অ্যাটাক করেন আরেক ওপেনার কাইল মায়ার্স ও পুরান। ১৮ বল খেলে ৩০ রান যোগ করেন তারা। ৭ বলে ১৫ রান করা মায়ার্সকে লেগ বিফোর আউট করেন পেসার অর্শদীপ।

    ৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এ অবস্থায় ভারতীয় বোলারদের ওপর চড়াও হন পুরান। ষষ্ঠ ওভারে স্পিনার বিষ্ণোইর বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৮ রান তুলেন পুরান। ২৯ বলে পেয়ে যান টি-টোয়েন্টিতে দশম হাফ-সেঞ্চুরি । চতুর্থ উইকেটে পুরানের সাথে ৩৭ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল। জুটিতে ১৯ বলে ২১ রান অবদান রাখেন পাওয়েল।

    দলীয় ৮৯ রানে অধিনায়ককে হারালেও শিমরোন হেটমায়ারকে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের পথ তৈরি করেন পুরান। ৬ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ৩৭ বলে ২৭ রান দরকার পড়ে ক্যারিবীয়দের।

    ১৪তম ওভারে দলীয় ১২৬ রানে পুরানকে শিকার করে ভারতকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন পেসার মুকেশ কুমার। ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪০ বলে ৬৭ রান করেন পুরান।

    পুরানের আউটের ব্যাটিং ধ্বস নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ৩ রানের ব্যবধানে ৪ উইকেট হারিয়ে লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে ক্যারিবীয়রা। এরমধ্যে চাহালের করা ১৬তম ওভারে ১টি রান আউটসহ ২ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।

    ২ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ৪ ওভারে ২৪ রান প্রয়োজন পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। এর পর জয়ের জন্য স্বাগতিকদের শেষ ১২ বলে দরকার ১২ রান। ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন জোসেফ। আর চতুর্থ বলে চার মেরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জিতিয়ে দিলেন আকিল হোসাইন। ম্যাচ সেরা হন পুরান।
    আগামীকাল একই ভেন্যুতে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে লড়বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারত।

    সূত্র : বাসস

  • আগামীকাল বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩ তম জন্ম বার্ষিকী

    আগামীকাল বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩ তম জন্ম বার্ষিকী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : আগামীকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩ তম জন্মবার্ষিকী । তিনি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাতা। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগ, এর অঙ্গ সংগঠন সহ আন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠান।

    বঙ্গমাতা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহাকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক ও মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। এক ভাই-দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাৎ বরণ করেন।

    বঙ্গমাতাশেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবউদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

    দিবসটিকে সরকারি কর্মসূচি ছাড়াও আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেছে। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়া বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

    বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। এ লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যে প্রেরণাদাত্রী ছিলেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর গোটা রাজনৈতিক জীবন ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি কাজে প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারবার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবন-যাপন করছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফজিলাতুননেছা মুজিবের কাছে ছুটে যেতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা পৌঁছে দিতেন ও লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা যোগাতেন।

    আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে কিছু কুচক্রী স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিল, তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছায়ার মত অনুসরণ করা বেগম মুজিবকে জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন, এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাঁকে।

    এদেশের মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে বেগম মুজিব যে কর্তব্যনিষ্ঠা, দেশপ্রেম, দূরদর্শী চিন্তা, বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তার ফলে জাতির পিতার পাশাপাশি তিনি আজ বঙ্গমাতার আসনে অধিষ্ঠিত। এ দেশের রাজনীতিতে তাঁর অনন্য সাধারণ ভূমিকার জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। এই মহীয়সী নারী ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সপরিবারে খুনিচক্রের বুলেটের আঘাতে নির্মমভাবে শহীদ হন।

    বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন, কোরান খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করবে আওয়ামী লীগ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনসমূহ।

    এছাড়া বঙ্গমাতার জন্মদিন উপলক্ষ্যে ‘প্রেরণা দিয়েছে, শক্তি দিয়াছে বিজয়-লক্ষ্মী নারী’ শীর্ষক আলোচনা সভা করবে আওয়ামী যুবলীগ। দুপুর ২টা বাদ যোহর স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানায় এতিমদের মাঝে খাদ্য বিতরণ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ। বিকাল ৩টায় আলোচনা সভা করবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শ্রমিক লীগ।

    এছাড়া গোপালগঞ্জ টুঙ্গিপাড়ায় দিনব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প আয়োজন করবে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। বঙ্গমাতা শহীদ শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী উদযাপন ও ‘বাংলাদেশের মাতা, বাংলাদেশের নেতা’ শীর্ষক ছাত্রী সমাবেশ করবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    সূত্র : বাসস

  • ইসরাইলি বিমান হামলায় সিরিয়ার ৪ সেনা নিহত

    ইসরাইলি বিমান হামলায় সিরিয়ার ৪ সেনা নিহত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের কাছে ইসরাইলি বিমান হামলায় দেশটির চার সৈন্য নিহত ও চারজন আহত হয়েছে। আজ সোমবার প্রথম প্রহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে ।

    সামরিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ কথা জানিয়েছে।

    দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘সানা’ পরিবেশিত খবরে বলা হয়, সোমবার প্রথম প্রহর রাত ২টা ২০ মিনিটে ইসরাইলি বাহিনী অধিকৃত সিরিয়ার গোলান মালভূমি অভিমুখ থেকে দামেস্কের আশপাশের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়।

    সংস্থাটি জানায়, হামলায় চার সৈন্য নিহত এবং চারজন আহত হয়েছে। এতে কিছু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সিরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছু ক্ষেপণাস্ত্রকে ঠেকিয়ে দিয়েছে।

    এএফপি’র একজন সংবাদদাতা রাজধানীতে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

    সিরিয়ায় এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা গৃহযুদ্ধে ইসরাইল দেশটির বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে কয়েকশ’ বার হামলা চালিয়েছে। তাদের এসব হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল ইরান সমর্থিত বাহিনী এবং হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের পাশাপাশি সিরিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন স্থাপনা।
    দীর্ঘদিন ধরে চলা এই গৃহযুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে দেশটির অনেক নাগরিক। বিষয়টি বিশ্বশান্তির জন্য বিরাট উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সূত্র : বাসস

  • জুলাইতে দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

    জুলাইতে দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৭ আগস্ট, ২০২৩ : গত মাসের তুলনায় দেশে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। অর্থাৎ টাকার মান কিছুটা বেড়েছে। এই তথ্য দিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস)।
    প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এর আগের মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

    গতকাল রবিবার বিবিএস মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ০২ শতাংশ।

    বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, গত জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ। আগের মাস, অর্থাৎ জুনে এ হার ছিল ৯ দশমিক ৭৩। জুলাই মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে।

    অন্যদিকে এ মাসে খাদ্য বহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ। জুন মাসে ছিল ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। এ ছাড়া গ্রামে এখন সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ, শহরে এই হার ৯ দশমিক ৪৩। বিষয়টি কিছুটা কিছুটা হলে সস্তিদায়ক।

    আবহাওয়ার বিপর্যয় যদি না হয় বা দেশে রাজনৈতিক কোন অস্তিরতার সৃষ্টি না হয় তাহলে চলতি মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি আরও কমবে বলে জানিয়েছে অর্থনীতিবিদরা।

    অর্থনীতিবিদরা আরও জানিয়েছেন, মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির একটি স্বাভাবিক চিত্র হলেও বড় ধরণের মুদ্রাস্ফীতিকে অর্থনীতির জন্য অভিঘাত হিসেবে দেখা হয়। মুদ্রাস্ফীতি বলতে বোঝায় পণ্য ও সেবার দাম বেড়ে যাওয়াকে। যা সাধারণত ঘটে অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহের কারণে।

    সহজ ভাষায় বললে, একটি দেশের বাজারে পণ্যের মজুদ এবং মুদ্রার পরিমাণের মধ্যে ভারসাম্য থাকতে হয়। যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।

    এর ফলে একই পরিমাণ পণ্য কিনতে আপনাকে আগের চাইতে বেশি মুদ্রা খরচ করতে হবে। এর মানে জিনিষপত্রের দাম বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে ওই মুদ্রার মান বা ক্রয়ক্ষমতা কমে যাবে।

    সূত্র : বাসস