Author: Hello Bangla News

  • টিসিবি চলতি অর্থবছরে ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে

    টিসিবি চলতি অর্থবছরে ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৮০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। গতকাল বুধবার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটির সভায় এই অনুমোদন দেওয়া সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ।

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আমিন উল আহসান।

    আমিন উল আহসান বলেন, সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবির আওতায় ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮০ লাখ (+৫%) লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে। সুপার অয়েল রিফাইনারিজ লিমিটেডের কাছ থেকে তেল কেনা হবে। সয়াবিন তেল কিনতে ১২৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।

    এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় ৭৮৪ একর জমিতে চীন সরকারের অর্থায়নে জিটুজি ভিত্তিতে ‘চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন’ প্রতিষ্ঠায় বহিস্থ অবকাঠামো নির্মাণ এবং উপযোগ সেবার সংস্থান সম্পর্কিত কাজ চীন সরকার মনোনীত ডেভেলপার চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) কাছ থেকে সরকারি ক্রয় পদ্ধতিতে কেনার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    এর আগে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনষ্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন গত ১৩ আগস্ট রবিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

    সূত্র : বাসস

  • নারী ফুটবল বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

    নারী ফুটবল বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : এবার নারী ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে। এর মধ্যে প্রথম সেমিফানাল অনুষ্ঠিত হয় নিউজিল্যান্ডে। দেশটির ফুটবল পরিচালনা পরিষদ জানিয়েছে নারী বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড গড়েছে টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক নিউজিল্যান্ড।
    গতকাল বুধবার টুর্নামেন্টের রোমঞ্চকর প্রথম সেমিফাইনালে সুইডনেকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে স্পেন। অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি দেখতে ৪৩ হাজার ২১৭জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে পুরুষ বা নারী যে কোন ম্যাচেই এটি ছিল সর্বোচ্চ দর্শক সমাগম।
    বিশ্বকাপের বাকী ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়ায়। স্থানীয় ফুটবল কর্মকতারা জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের ২৯টি ম্যাচে সর্বমোট ৭ লাখ দর্শকের সমাগম ঘটেছে। নিউজিল্যান্ড ফুটবলের প্রধান নির্বাহী এন্ড্রু প্রাগনেল বলেন,‘ এই টুর্নামেন্টটির মাধ্যমে নিউজিল্যান্ড ফুটবলে, বিশেষ করে নারী ফুটবলে আমুল এক পরিবর্তন ঘটেছে।’
    দেশটিতে প্রথম দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড হয়েছিল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে। অকল্যান্ডে নরওয়ের বিপক্ষে স্বাগতিকদের বিজয় উপভোগ করেছে ৪২ হাজার ১৩৭ জন দর্শক। পরে ওই রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে স্পেনের জয় পাওয়া শেষ ষোলর ম্যাচে। ওই ম্যাচে ইডেন পার্কে সমবেত হয়েছিল ৪৩ হাজার ২১৭ দর্শক।
    সূত্র : বাসস

  • কেপ ভার্দিয়ানে নৌকা ডুবে ৬০ জনের মৃত্যু

    কেপ ভার্দিয়ানে নৌকা ডুবে ৬০ জনের মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : পশ্চিম আফ্রিকার কেপ ভার্দে দ্বীপপুঞ্জের কাছে নৌকা ডুবিতে ৬০ জনেরও বেশি মানুষ মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেনেগাল থেকে আস উক্ত নৌকাটিতে অভিবাসীদের বহন করা হচ্ছিল। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এ কথা জানিয়েছে।

    আইওএমের মুখপাত্র সাফা এমসেহলি বলেন, এ নৌকাডুবির ঘটনায় ৬৩ জন প্রাণ হারিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর প্রাণে বেঁচে যাওয়া ৩৮ জনের মধ্যে ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী চার শিশু রয়েছে।

    পুলিশ জানায়, পিরোগ নামে পরিচিত লম্বা কাঠের তৈরি এ নৌকা কেপ ভার্দিয়ান দ্বীপ স্যাল থেকে প্রায় ১৫০ নটিক্যাল মাইল (২৭৭ কিলোমিটার) দূরে আটলান্টিক মহাসাগরে সোমবার শনাক্ত করা হয়।

    মাছ শিকার করা স্পেনিশ জাহাজ নৌকাটি দেখতে পেয়ে কেপ ভার্দিয়ান কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করে।

    এমসেহলি এএফপি’কে বলেন, জরুরি সেবা সংস্থার সদস্যরা সাতজনের লাশ উদ্ধার করেছে। অন্য ৫৬ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নৌকা ডুবির ঘটনা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নৌপথে ঘটছে এবং এতে অনেক অভিবাসী প্রাণ হারাচ্ছে।

    সূত্র : বাসস

  • অভিনেত্রী উরফি জাভেদকে মৃত্যুর হুমকি

    অভিনেত্রী উরফি জাভেদকে মৃত্যুর হুমকি

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : “ভারতীয় সংস্কৃতিকে দূষিত করার জন্য আপনাকে মেরে ফেলা হবে।” এমন বার্তা পাঠিয়েছে মুম্বাইর মডেল ও অভিনেত্রী উরফি জাভেদকে। তার সাজপোশাকের জন্য আলোচনার শেষ নেই। তার আচার ব্যবহার, সাজপোশাক অনেকেরই পছন্দ নয়। তাই প্রতি দিন কোনও না কোনও কারণে শিরোনামে উঠে আসে উরফি জাভেদের নাম। তবে শুধু সমালোচনা নয়, অনেক বার মৃত্যুর হুমকিও পেয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবারই ঘটেছে সেই ঘটনা। টুইটে পোস্ট করলেন সেই হুমকি মেল। শুধু তাই নয় মেলটি করার সময় বিষয় হিসাবে লেখা হয়েছিল, “খুব শীঘ্রই তোকে গুলি মেরে দেওয়া হবে।” ওই ব্যক্তি আরও লেখেন, “দেশে তিনি যে পরিমাণ নোংরামি শুরু করেছেন, সেই কারণেই তাকে মেরে ফেলা উচিত।”
    অবশ্য উরফি ভয় পানিটি বরং টুইটে এই হুমকির মেল পোস্ট করে উরফি লেখেন, “আমার জীবনের প্রতি দিনের ঘটনা।”
    তবে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসা মাত্রই উরফির অনুরাগীরা অনেকে বিরক্ত হেয়েছেন। বেশির ভাগ দর্শকই তার পাশে দাঁড়িয়েছেন। মেরে ফেলার হুমকির একজন লিখেছেন, “তুমি চিন্তা কোরো না, অবিলম্বে আইনি সাহায্য নাও। যিনি মেল পাঠিয়েছেন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ লিখিয়ে এসো।”
    অন্য এক জন লিখেছেন, “এদের এত গুরুত্ব দিয়ো না, তুমি আমার জীবনে দেখা অন্যতম সাহসী মেয়ে। যারা কটূক্তি করছেন, তাদের করতে দাও।”
    তবে এই অভিনেত্রীর জন্যে এই প্রথম নয়, এর আগেও মৃত্যুর হুমকি পেয়েছেন তিনি। ২০২২ সালের শেষের দিকেও এমন ঘটনা ঘটেছিল। তবে কখনও চুপ করে থাকেননি। বরাবরই এ বিষয়ে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করেছেন তিনি।
    সমাজমাধ্যমে পরিচিত মুখ ‘হিন্দুস্তানি ভাউ’ ওরফে বিকাশ ফাটক প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেয় উরফিকে। হিন্দুস্তানি ভাউয়ের উদ্দেশে তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, ‘‘আপনি যে মানুষকে গালিগালাজ করেন, সেটা কি এ দেশের সংস্কৃতি! আপনি যে আমাকে হুমকি দিয়েছেন, তার জন্য পুলিশের কাছে যেতে পারি আমি। আপনাকে জেলে ভরতে পারি।’’
    বিগ বস ওটিটি’-র প্রথম সিজনের প্রতিযোগী উরফি জাভেদ। বিগ বসের মঞ্চ থেকেই দর্শকদের মাঝে পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। তবে সেইসময় বিগবসের মঞ্চ থেকে সেভাবে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি অভিনেত্রী। পরে নিজের অদ্ভুত সাজপোশাকের জন্য প্রায়ই উরফি কটাক্ষের শিকার হন নেটিজেনদের একাংশের মাঝে।
    উরফি জাভেদ লড়াইটা করেছিলেন নিজের মা ও বোনদের জন্য। উরফি জাভেদের বাবার নাম হল ইফরু জাভেদ। যখন উরফি স্কুলে ইলেভেনে পড়াশোনা করত তখন কেউ একজন তার ছবি এডাল্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করে দেন। যার কারণে দুই বছর ধরে তার বাবা তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। সেই সময় তার বাবার অত্যাচারের সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। উরফি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বাবা তাকে ততক্ষণ অবধি মারধোর করতেন, যতক্ষণ অবধি তিনি অজ্ঞান না হয়ে যেতেন। মাথা থেকে পা পর্যন্ত বোরখায় ঢেকে বাড়ি থেকে বেরোনোর অনুমতি ছিল। আর্থিক সমস্যা লেগেই থাকত পরিবারে। স্বনির্ভর হতেই বাড়ি থেকে পালিয়ে দিল্লি এসেছিলেন উরফি। চাকরির খোঁজ করলেও সীমিত পড়াশোনার কারণে তা পাওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে একরকম বাধ্য হয়েই মুম্বই আসেন উরফি। ধীরে ধীরে অডিশন দিতে শুরু করেন স্টুডিওয়। একসময় কাজ পান ধারাবাহিকে। কিন্তু তাকে বিখ্যাত করে তোলে ‘বিগ বস ওটিটি’। এরপর থেকেই খোলামেলা পোশাক পরতে শুরু করেন উরফি। রোজগার বাড়তেই মা ও বোনদের নিয়ে আসেন নিজের কাছে।
    তিনি কোনো না কোনো কারণে চর্চায় থাকেন মিডিয়াতে। মিডিয়াতে চর্চায় থাকার জন্য তিনি সবকিছু করতে পারেন, তা এতদিনে স্পষ্ট সকলের কাছেই।
    কিন্তু এবার মৃত্যুর হুমকির বিষটি নিয়ে অনেকেই ভাবছেন। এবার কি তাহলে উরফি জাভেদ নিজেকে সংশোধন করবেনা। না কি আগের মতো নিজের অবস্থান ধরে রেখে সব সময়ের জন্য মিডিয়ার চর্চায় থাকতে চান।
    সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

  • বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করবে না চীন

    বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করবে না চীন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ আগস্ট, ২০২৩ : চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সে কারণে বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে চীন কোন ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না ।

    এছাড়া তিনি পশ্চিমাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে চীনের আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন। পদ্মাসেতুর পর দেশের এই অঞ্চলটি গতি ফিরেছে বলে তিনি মনে করেন।

    আজ বুধবার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

    পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, পদ্মাসেতুর পর এবার পশ্চিমাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে চায় চীন। একইসঙ্গে বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদনে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ রয়েছে চীনা বিনিয়োগকারীদের। এসব বিষয়ে চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

    রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘ সময়ের পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতা করবে চীন। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে গেলে ২০২৬ সাল পরবর্তী বিশ্ব বাণিজ্যে যেসব প্রতিবন্ধকতায় পড়তে পারে বাংলাদেশ সেখানেও শুল্ক ও কোটামুক্ত বাণিজ্য সুবিধা দিয়ে পাশে থাকবে চীন। বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ পরিশোধের বিষয়টি নিয়ে চীন চিন্তিত নয় বলেও জানান তিনি।

  • জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পকে পরিবেশবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী

    জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পকে পরিবেশবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার: পরিবেশমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৬ আগস্ট, ২০২৩ : জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পকে নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব করতে নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার, বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

    তিনি আজ বুধবার রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তরে জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের পরিবেশসম্মত ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

    বাংলাদেশ সম্প্রতি হংকং কনভেনশন র্যাটিফিকেশন করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টেকসই জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প গড়ে তুলতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ আইন, ২০১৮, বাংলাদেশ জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ বিধি, ২০১১ প্রণয়ন করা হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ৪টি শিপইয়ার্ড গ্রিন শিপইয়ার্ডে পরিণত হয়েছে। আরো এক ডজনের বেশি শিপইয়ার্ড গ্রিন শিপইয়ার্ডে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াধীন আছে।

    পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জাহাজ ভাঙ্গা শিল্পের ব্যাপক অবদান থাকলেও পরিবেশগত সুরক্ষা নিশ্চিতে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে। এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত শ্রমিক ও তাদের স্বাস্থ্যগত দিকের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে।

    তিনি বলেন, পরিবেশগত ঝুঁকির দিকগুলো চিহ্নিত করে তা দূর করার মাধ্যমে জাহাজ ভাঙ্গা শিল্প যাতে বিকশিত হতে পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। টেকসই ও পরিবেশ বান্ধব অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    কর্মশালায় বাংলাদেশে জাহাজ ভাঙ্গার পরিবেশ ব্যবস্থাপনার বর্তমান অবস্থার ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (ইসিসি) মাসুদ ইকবাল মো. শামীম, জাহাজ ভাঙার কার্যক্রমের বর্তমান অনুশীলন ও ভবিষ্যত উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ক্যাপ্টেন মো. আনাম চৌধুরী।

    পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কাজী আবু তাহের।

    সূত্র : বাসস

  • যুক্তরাষ্ট্র রুয়ান্ডা ও কঙ্গোকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে

    যুক্তরাষ্ট্র রুয়ান্ডা ও কঙ্গোকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৬ আগস্ট, ২০২৩ : মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন রুয়ান্ডার নেতার প্রতি এই বলে আহ্বান জানিয়েছেন যে, কঙ্গোর সাথে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর তা দ্রুত কমানোর প্রয়োজন । গতকাল মঙ্গলবার তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন।

    কিনশাসার সামরিক বাহিনী কিগালির দাবি প্রত্যাখান করে তাদের অস্থিতিশীল সীমান্ত এলাকায় প্রবেশ করায় রুয়ান্ডার বাহিনীকে অভিযুক্ত করেছে। ঘটনাটি ঘটে গত মাসের শেষের দিকে । কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহীদের সমর্থন করার ক্ষেত্রেও কিগালির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

    মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ বলেছে, কথিত সীমান্ত অনুপ্রবেশ বিষয়ে কোন অবস্থান না নিয়ে ‘উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির’ ব্যাপারে ব্লিঙ্কেন রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল কাগমের সাথে টেলিফোনে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা করেন।

    ব্লিঙ্কেনের ডেপুটি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড কিনশাসা পরিদর্শনের পর তিনি এ ফোন করেন।

    ব্লিঙ্কেন দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার একটি কূটনৈতিক সমাধানের জন্য এক ধরনের মধ্যস্থতার দায়িত্ব পালন করছেন বলে, মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগের এক বিবৃতিতে জানানো হয় ।

    সূত্র : বাসস

  • ছোট বা মাঝারি ভূমিকম্প হলে ঝুঁকি কমে না

    ছোট বা মাঝারি ভূমিকম্প হলে ঝুঁকি কমে না

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ১৬ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশে গত মে মাস থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত প্রায় চার মাসে তিন বার ছোট থেকে মাঝারি আকারের যে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। অনেকে মনে করে থাকেন ছোট বা মাঝারি ভূমিকম্প হলে ঝুঁকি বড় ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভবনা কমে যায়। আসলে বিষয়টি ঠিক নয়। সাম্প্রতিক সময়ের ভূমিকম্প গুলোর প্রতিটির উৎপত্তিস্থল ছিল দেশের সীমানার ভিতরে বা আশেপাশে। বাংলাদেশে ১৪ আগস্ট সন্ধ্যায় একটি ছোট মানের ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

    বার্মিজ প্লেট ও ইন্ডিয়ান প্লেটের পরস্পরমুখী গতির কারণেই এ ধরণের ভূমিকম্প হচ্ছে । এই দুটি প্লেটের সংযোগস্থলে প্রচুর পরিমাণে শক্তি জমে রয়েছে যেগুলো বের হয়ে আসার পথ খুঁজছে। আর সে কারণেই ঘন ঘন এমন ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা ।
    এবিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, দু’দিন আগে বা পরে এই শক্তি বেরিয়ে আসবেই। আর সেটাই জানান দিচ্ছে এই ছোট ভূমিকম্পগুলো।
    বাংলাদেশে সবশেষ ১৪ই অগাস্ট রাত ৮টা ৪৯ মিনিটের দিকে একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় রাজধানীসহ দেশের বেশিরভাগ এলাকায়। মার্কিন ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পটির মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৫ যা মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প। আর এর উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের সিলেটের কানাইঘাট এলাকায়। গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

    এর আগে, গত ১৬ই জুন রাজধানীসহ সারা দেশে ৪.৫ মাত্রার মৃদু ভূমিকম্প হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জ। আর চলতি বছরের মে মাসের পাঁচ তারিখে আরেকটি ভূমিকম্প হয়েছে ঢাকা ও এর আশেপাশের এলাকায়। যুক্তরাষ্ট্রের ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এর হিসেব অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৩। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার কাছে বিক্রমপুরের দোহার থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে। এটিরও গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার।

    ভূতত্ত্ববিদদের মতে, বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় ইন্ডিয়ান প্লেট ও বার্মা প্লেট নামে দুটি টেকটনিক প্লেটের অবস্থান রয়েছে। এরমধ্যে ইন্ডিয়ান প্লেটটি উত্তর-পূর্ব দিকে এবং বার্মিজ প্লেটটি পশ্চিম দিকে যাচ্ছে।

    “ফলে পরষ্পরমুখী সংঘর্ষ হচ্ছে। এই দুটি প্লেটের যে সংযোগস্থল সেটা বেশ গভীরে। বাংলাদেশের যেসব অঞ্চলে বিশেষ করে সিলেট এলাকায় যেখানে ভূমিকম্প হচ্ছে সেটা স্যালো ডেপথ, অর্থাৎ কম গভীর। ”

    যে কারণে এমন ভূমিকম্প হয় :

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে শক্তিশালী ভূমিকম্প হওয়ার মতো উৎস হচ্ছে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত পার্বত্য এলাকা। এখান থেকে মনিপুর, মিজোরাম, মিয়ানমারে যে পার্বত্য এলাকা রয়েছে সেটিও ঝুঁকিপূর্ণ। কিশোরগঞ্জে যে হাওর রয়েছে সেটি দিয়ে মেঘনা নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে আন্দামানের পাশ দিয়ে দক্ষিণে যদি একটা রেখা কল্পনা করা যায়, এই এলাকাটা হচ্ছে দুটি টেকটনিক প্লেটের সংযোগস্থল। আর এই দুটি প্লেটের মধ্যে পূর্ব দিকেরটা হচ্ছে বার্মা প্লেট। আর পশ্চিমেরটা হচ্ছে ইন্ডিয়া প্লেট। এই সংযোগস্থলের উপরের ভাগটা অর্থাৎ সুনামগঞ্জ থেকে শুরু হয়ে পূর্বে মনিপুর, মিজোরাম পর্যন্ত- এই অঞ্চলটি ‘লকড’ হয়ে গেছে অর্থাৎ এখানে শক্তি জমা হয়ে আছে। দুইটা প্লেটের যে সংযোগস্থল, সেটা এখানে স্যালো বা কম গভীর। অর্থাৎ পশ্চিমে পাঁচ কিলোমিটার থেকে শুরু করে পূর্বে ধীরে ধীরে এটা ২৫ কিলোমিটার পর্যন্ত গভীর হয়েছে।

    ড. আখতার বলেন, “গত হাজার বছরের শক্তি এখানে জমা হয়ে আছে। এর আগে যেসব ঐতিহাসিক ভূমিকম্প এই অঞ্চলে সংগঠিত হয়েছে তার বিভিন্ন বই-পুস্তক এবং পৌরাণিক কাহিনী বিশ্লেষণ করে আমরা জানতে পেরেছি যে, এই এলাকায় বড় ধরণের ভূমিকম্প হয়েছে ৮০০ থেকে হাজার বছর আগে।”

    এরপর থেকে আবার শক্তি এই এলাকায় জমা হতে শুরু করেছে। ভূমিকম্পের এই গবেষকের মতে, ৮.২ থেকে শুরু করে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সংগঠনের মতো শক্তি এই এলাকায় জমা হয়ে আছে। এই শক্তি আজ হোক, কাল হোক, বা আগামী ২৫ বছরেই হোক, এটা বের হতেই হবে, এর কোন বিকল্প নাই।

    সেই বড় ভূমিকম্প যখন হবে তার আগের সময়টাতে এ ধরণের ছোট ভূমিকম্প দেখা যায় বলে মনে করেন তিনি। সেটা কয়েক বছর এমনকি ৫-১০ বছর ধরে হতে পারে। এটার মানে হচ্ছে, বড় শক্তি বের হওয়ার একটা প্রবণতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। তার মানে যেকোন সময় একটি বড় ভূমিকম্প সংগঠিত হতে পারে। তবে এই বড় ভূমিকম্প কবে হবে সেটা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না।

    হিডেন ফল্ট কোন বিষয়টিকে বলা হয় :
    দু’হাজার ষোল সালে প্রকাশিত কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়, গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় একটি গোপন ফল্ট রয়েছে যা বাংলাদেশে ৯ মাত্রার মতো ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে পারে। এই প্রতিবেদনে গোপন এই ফল্টকে মেগাথার্স্ট ফল্ট নামে উল্লেখ করে বলা হয়, মাইলের পর মাইল বিস্তৃত পললের নিচে এই মেগাথার্স্ট অবস্থিত। এটি দুই প্লেটের সাবডাকশন জোন বা দুই প্লেটের সংযোগ স্থলে অবস্থিত এই মেগাথার্স্ট।

    এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলে অসংখ্য ভূ-চ্যুতি আছে। সমতল এলাকাতেও অসংখ্য চ্যুতি রয়েছে। তবে এগুলো মারাত্মক নয়।”

    বাংলাদেশে সবচেয়ে মারাত্মক হচ্ছে সিলেট থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত দুই প্লেটের সংযোগস্থল। এই অঞ্চলে গত ৮০০ থেকে হাজার বছরের মধ্যে জমে থাকা শক্তিটা বের হয় নাই। এ কারণে এ অঞ্চল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তার মতে, সাবডাকশন জোন বা দুই প্লেটের সংযোগ স্থলে যে ভূমিকম্প হয় তা খুবই ভয়াবহ।

    ভূমিকম্পের জন্য পরিচিত রিং অব ফায়ার যেটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত সেটিও সাবডাকশন জোনের অন্তর্ভুক্ত। এই অঞ্চলে যে ভূমিকম্পগুলো হয় সেগুলোর বেশিরভাগই ৭.৫ এর উপরে হয়ে থাকে। এগুলো শক্তিমত্তার দিক থেকে সবসময়ই ধ্বংসাত্মক। এ কারণে এই অঞ্চল নিয়ে চিন্তার বিষয় রয়েছে। তবে কক্সবাজার থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত যে ফল্টলাইন রয়েছে সেখানকার শক্তি ১৭৬২ সালে বের হয়ে গেছে বলে জানা যায়। সেখানে নতুন করে শক্তি সঞ্চয় হচ্ছে।

    উনিশশো বাষট্টি সালে টেকনাফ থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত প্রায় ৪০০ কিলোমিটার জায়গায় যে ফল্ট লাইন রয়েছে সেখানে ৮.৫ মাত্রার বেশি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। এর ফলে সেন্টমার্টিন আইল্যান্ড তিন মিটার উপরে উঠে আসে। এর আগে সেন্টমার্টিন আইল্যান্ড ছিল ডুবন্ত দ্বীপ। একই ভূমিকম্পে সীতাকুণ্ড পাহাড়ে কঠিন শিলা ভেদ করে নিচ থেকে কাদা বালুর উদগীরণ হয়। এই ভূমিকম্পের কারণে বঙ্গোপসাগরে সুনামি হয়। এই সুনামির কারণে ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর ধারে বাড়িঘর ভেসে গিয়ে সে সময় ৫০০ মানুষের প্রাণহানি হয়।

    ছোট ভূমিকম্প কি ঝুঁকি কমিয়ে দেয়:
    অনেকে মনে করেন যে, ঘন ঘন ছোট ছোট ভূমিকম্প হলে, ভূ-অভ্যন্তরে জমে থাকা শক্তি ধীরে ধীরে বাইরে বেরিয়ে আসে এবং এর ফলে বড় ধরণের ভূমিকম্পের আশঙ্কা কমে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এই ধারণাটি আসলে সত্য নয়।

    যে পরিমাণ শক্তি সাবডাকশন জোন বা দুই প্লেটের সংযোগস্থলে জমে থাকে তার পরিমাণ এতোই বেশি যে, এটি বের হয়ে আসলে ৮.২ থেক ৯ মাত্রার মতো ভূমিকম্প হতে পারে। এতো পরিমাণ শক্তি ছোট ছোট ভূমিকম্পের মাধ্যমে বের হয়ে আসা সম্ভব নয় উল্লেখ করে ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, দৈনিক যদি ছোট থেকে মাঝারী আকারের ভূমিকম্প হয় তাহলেও এতো শক্তি বের হয়ে আসতে সময় লাগবে দুই থেকে তিনশ বছর। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প হয় রিং অব ফায়ারে অবস্থিত এলাকা বা দেশ যেমন জাপান, চিলি, সান ফ্রান্সিসকোতে দৈনিকই মৃদু ভূমিকম্প হয়। কিন্তু তারপরও হঠাৎ করেই একেকটা বড় ভূমিকম্পের খবর পাওয়া যায়।

    “বড় ভূমিকম্প তৈরি হওয়ার যে ভূ-কাঠামো ওই এলাকায় রয়েছে, সেই একই ভূ-কাঠামো আমাদের এখানেও রয়েছে,” বলেন তিনি।

    এক স্কেল থেকে যখন আরেক স্কেলে ওঠানো হয়, সেখানে শক্তির মাত্রা ৩২ গুণ বেশি বলে ধরা হয়। যদি ৩ মাত্রার ভূমিকম্পের তুলনায় যদি সেটি ৪ মাত্রায় হয় তাহলে সেখানে ৩২গুণ বেশি শক্তির ভূমিকম্প হবে।

    তবে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হলে সেখানে কি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন সেই সক্ষমতা আমাদের আছে কি না সেটা নিয়ে ভাবতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফারিণ বিয়ে করেছেন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফারিণ বিয়ে করেছেন

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ১৬ আগস্ট, ২০২৩ : ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ বিয়ে করেছেন। সোমবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিয়ের একটি ছবি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি। ফারিণের পরণে ছিল লাল শাড়ি । বরের পরণে ছিল কালো রঙ্গের স্যুট।

    জানা গেছে, তাসনিয়া ফারিণের স্বামীর নাম শেখ রেজওয়ান। তিনি মিডিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। বর্তমানে দেশের বাহিরেই কর্মরত রয়েছেন। ফারিণের কলেজ জীবন থেকে তাদের সম্পর্কের শুরু। দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্কের পর গত ১১ আগস্ট বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেন এই জুটি।

    সোমবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে স্বামীর উদ্দেশে ফারিণ লিখেছেন, ‘লম্বা সময়, কিন্তু তুমি এখনও আমার হৃদয়কে সেই প্রথমদিনের গতিতেই রেখেছো। আমি আমার শান্তি খুঁজে পেয়েছি তোমার মাঝে। আমরা বাইরের কোলাহলমুক্ত আমাদের নিজস্ব অভয়ারণ্য তৈরি করেছি। আমরা ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম যখন আমি কলেজে পড়ছি। তখনও আমি ক্যামেরার সামনেও দাঁড়াইনি। তুমি সবসময়ই আমার পাশে ছায়ার মতো ছিলে। আমার কর্ম পরিবেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত না হওয়া সত্ত্বেও তুমি সবসময় আমাকে অনুপ্রাণিত করেছ, সমর্থন জুগিয়েছ।’

    ফারিণ বলেন, ‘পরিবারের ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে একটি অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে আমাদের আকদ হয়েছে। আমার স্বামী বর্তমানে বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলে ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং সহকর্মীদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে উদ্যাপন করব।’

    তাসনিয়া ফারিণের জন্ম ৩০ জানুয়ারি ১৯৯৭-এ । ২০১৭ সালে আমরা আবার ফিরবো কবে নাটকে অভিনয় দিয়ে ছোট পর্দায় তার অভিষেক হয়। ২০১৮ সালে তিনি বিকাশের একটি বিজ্ঞাপনে মাশরাফি মর্তুজার সাথে কাজ করেন ।

    ২০২২ সালে তিনি লেডিজ অ্যান্ড জেন্টলমেনে অভিনয়ের জন্য ওয়েব সিরিজে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী ও শ্রেষ্ঠ উদিয়মান নারী অভিনয়শিল্পী বিভাগে চ্যানেল আই ডিজিটাল মিডিয়া পুরস্কার লাভ করেন। একই বছর তিথির অসুখ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সীমিত দৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্রে সেরা অভিনেত্রী বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার অর্জন করেন।

    উল্লেখ্য ওটিটি প্লাটফর্ম ‘বায়োস্কোপে’ প্রচারিত কোরিয়ান ড্রামা সিরিয়াল– ‘লিজেন্ড অফ দ্যা ব্লু সি’র বাংলা ডাবিং ‘জলপরী’তে ‘শিম ছং’ চরিত্রে কন্ঠাভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ। চরিত্রটি প্রাণবন্ত করে তুলেছিলেন এই অভিনেত্রী। সিরিয়ালটি বেশ জনপ্রিয় পায় । সিরিয়ালটির বালা ডাবিং প্রযোজনা করেছে ‘এসআরকে স্টুডিওস’।

  • প্রথমবারের মত নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

    প্রথমবারের মত নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৬ আগস্ট, ২০২৩ : নারী বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে সুইডেনকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে স্পেন। নাটকিয় জয়ের মাধ্যমে এবারই প্রথমবার নারী বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলো স্পেন।
    গতকাল অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে টুর্নামেন্টের প্রথম সেমি-ফাইনালে স্পেন ২-১ গোলে হারিয়েছে সুইডেনকে। ৯০ মিনিটের ম্যাচের শেষ ভাগে এসে ৮১ থেকে ৮৯ মিনিটের মধ্যে গোল তিনটি হয়।
    স্পেন এ নিয়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপে খেলছে। তবে এই প্রথম সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পেয়েছে এবং সুইডেনকে হারিয়ে ফাইনালে খেলবে। সেমিফাইনালের স্পেনের বিপক্ষে ফেভারিট ছিলো সুইডেন। কেননা এই নিয়ে পঞ্চমবারের মত সেমিফাইনালে তারা।
    আগামী ২০ আগস্ট টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার বিজয়ী দল।
    প্রথম সেমিফাইনালের ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে ছিলো স্পেন। মধ্যমাঠ দিয়ে সুইডেনের আক্রমনের পরিকল্পনায় কাজে দেয়। কিন্তু স্পেনের রক্ষণদূর্গ ভাঙ্গতে পারেনি সুইডেন। ম্যাচের অর্ধেক সময় পার হবার পর লড়াইয়ে ফিরে স্পেন। তবে প্রথমার্ধে গোল আদায় করার মত কোন আক্রমন করতে পারেনি কোন দলই। ফলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় ম্যাচের প্রথমভাগ।
    দ্বিতীয়ার্ধে সমানতালে লড়েছে সুইডেন ও স্পেন। ৮০ মিনিট পর্যন্ত স্কোর লাইনে পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি তারা। তখন নির্ধারিত ৯০ মিনিট সমতায় শেষ হবার ইঙ্গিত দিচ্ছিলো।
    কিন্তু ৮১ মিনিট থেকেই পাল্টে যায় ম্যচের চিত্রপট। ৮১ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে বল পেয়ে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন ১৯ বছর বয়সী লেফট উইঙ্গার সালমা পারাউয়েলো। ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে স্পেন। কিন্তু ৮৮ মিনিটে স্পেনের গোলবারের জাল কাঁপিয়ে দেন স্ট্রাইকার রেবেকা ব্লমকভিষ্ট। লিনা হার্টিগের পাস থেকে ডান পায়ের শটে গোল করেন রেবেকা। ম্যাচে ১-১ সমতা পায় সুইডেন। অবশ্য এই সমতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।
    ৮৯ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে আক্রমনের রচনা করে আবারও গোল আদায় করে স্পেন। তেরেসা আবেলেরার কর্ণার থেকে বাঁ-পায়ের শটে গোল করেন অধিনায়ক ওলগা কারমোনা। ২-১ গোলে লিড নেয় স্পেন।
    নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হবার পর ইনজুরি সময়ে সাত মিনিট যোগ হয়। এসময় আর কোন পক্ষই গোল করতে পারেনি। এতে অবিস্মনীয় জয়ে ইতিহাস গড়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।
    এর আগে ২০১৫ ও ২০১৯ বিশ্বকাপ খেলেছে স্পেন। প্রথমবার গ্রুপ পর্ব থেকে এবং পরেরবার শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় তারা।
    অন্য দিকে এবারও সেমিতে হেরে ফাইনালে উঠার স্বপ্ন ভঙ্গ হলো সুইডেনের। এই নিয়ে চতুর্থবার সেমি থেকে বিদায় নিলো তারা। এর আগে ১৯৯১, ২০১১ ও ২০১৯ সালে শেষ চার থেকে বিদায় নিয়েছিলো সুইডেন। ২০০৩ সালে ফাইনাল খেললেও, রানার্স আপ হয়েছিলো সুইডিশরা।

    সূত্র : বাসস