Author: Hello Bangla News

  • ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে ভারত-ইংল্যান্ড: ভিলিয়ার্স

    ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলবে ভারত-ইংল্যান্ড: ভিলিয়ার্স

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৯ আগস্ট, ২০২৩ : ভারতের মাটিতে শুরু হতে যাচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেট। তাই খেলায় ভারত ফেবারিট। কিন্তু ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। তাই যে কোন দেশ চাম্পিয়ন হতে পারে। এদেকে বিশ্বকাপ নিয়ে নান ধরণের মতামত দিচ্ছেন। যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ব্যাটার এবি ডি ভিলিয়ার্স জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপের চার সেমিফাইনালিস্ট বেছে নিয়েছেন । এরমধ্যে ভারত-ইংল্যান্ড ফাইনাল খেলবে বলে মনে করেন তিনি। ডি ভিলিয়ার্সের দৃষ্টিতে আবারও বিশ্বকাপ জিততে পারে ভারত। সেমির তালিকায় নিজ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকাকে ঠিকই রেখেছেন ডি ভিলিয়ার্স।
    আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ভারতের মাটিতে পর্দা উঠছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের ১৩তম আসরের। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত দলগুলো। বিশ্বকাপের আগে বেশ কিছু দ্বিপাক্ষীক সিরিজও আছে দলগুলোর। এরমধ্যে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা, বিশ^কাপের সেমিফাইনালিস্ট নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করছেন। এবার বিশ^কাপের সেমিফাইনালিস্টের নাম জানালেন ডি ভিলিয়ার্স।
    নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে জানিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স বলেন ভারত ও বিশ্বচাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের মধ্যে বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। যদিও আমি চাই, আমার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকার ছেলেরা ফাইনাল খেলুক।’
    বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের দৌড়ে ভারতকে এগিয়ে রাখছেন ডি ভিলিয়ার্স। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই ভারতকে এগিয়ে রাখবো। আমি তো মনে করি আবারও বিশ্বকাপ জিতবে ভারত। এটা রূপকথার বিশ্বকাপ হবে। সেমিফাইনালের ক্ষেত্রে আমি ব্রিগ থ্রি- ভারত, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকেই এগিয়ে রাখবো।’
    সেমিফাইনালে চতুর্থ দল হিসেবে নিজ দেশকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তালিকায় রেখেছেন ডি ভিলিয়ার্স। তিনি বলেন, ‘চতুর্থ দল হিসেবে আমি দক্ষিণ আফ্রিকাকে এগিয়ে রাখবো। পাকিস্তানেরও ভালো সম্ভাবনা আছে। তারপরও চতুর্থ দল হিসেবে আমি দক্ষিণ আফ্রিকাকেই এগিয়ে রাখবো।’
    এশিয়ার বাইরে তিনটি দেশকে সেমিফাইনালে রাখাটা ঝুঁকিপূর্ণ বলেও মনে করেন ডি ভিলিয়ার্স। তারপরও নিজের পছন্দের তালিকাকে সঠিক বলে জানিয়েছেন তিনি, ‘উপমহাদেশের বাইরের তিনটা দলকে সেমিফাইনালে রাখাটা ঝুঁকিপূর্ণ।’

    সূত্র : বাসস

  • সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি শেখ হাসিনার বিরাট উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী

    সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি শেখ হাসিনার বিরাট উদ্যোগ: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ আগস্ট, ২০২৩ : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালুর বিষয়টি শেখ হাসিনার বিরাট উদ্যোগ হলেও বিএনপিসহ নাগরিক সমাজের একাংশ এটিকে অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়েছে।

    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বিশ্ব সম্প্রদায় থেকেও প্রশংসিত হচ্ছে। শুধু প্রশংসা করতে পারে না আমাদের দেশের বিএনপিসহ কিছু দল আর কিছু ব্যক্তি বিশেষ। এটি জাতির জন্য দুর্ভাগ্য। যে যাই বলুক না কেন, যতই সমালোচনা করুক না কেন, কাজ করলে সমালোচনা হবে। আমরা সমালোচনাকে সমাদৃত করার মানসিকতা পোষণ করি। সেই কারণে আমরা মনে করি সমালোচনা করলে ক্ষতি নাই।

    আজ (১৮ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন-রেড ক্রিসেন্ট ফিজিও অর্থোপেডিক পুনর্বাসন সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের প্রান্তিক মানুষের কথা ভেবে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার মধ্যে চারটি প্রোগ্রাম আছে। তার মধ্যে একটি প্রোগ্রাম একেবারে নিম্ম আয়ের মানুষের জন্য। তিনি যত চাঁদা দিবেন সরকার সমপরিমাণ চাঁদা সেখানে দিয়ে দিবে। তিনি যদি মাসে এক হাজার টাকা দেন সরকার আরো এক হাজার টাকা দিয়ে দিবে। সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করার ক্ষেত্রে এবং রাষ্ট্রকে মানবিক করার ক্ষেত্রে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা একটি বিরাট উদ্যোগ।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালুকে নাগরিক সমাজের সদস্য, যারা কারণে-অকারণে জাতিকে জ্ঞান দেন, তারাও অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন। হয়তো ক’দিন পরে দেখা যাবে এখানের মধ্যে কি ভুল আছে সেটি বের করার চেষ্টা করবে। এরা কোন কাজ করে না, অন্যে কি কাজ করে সেটির ভুল ধরে। আমি এজন্য ওদের নাম দিয়েছি ভুল ধরা পার্টি। রাত বারোটার পরে এই ভুল ধরা পার্টি টেলিভিশনে সরব হয়।

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, মানবিক ও সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করার লক্ষ্যেই ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা চালু করেছেন। এখন সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ২২ প্রকার ভাতা দেয়া হয়। প্রতি ইউনিয়ন পরিষদে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার মানুষ নানা প্রকারের ভাতা পায়। আজকে মানুষের স্বপ্নকেও হার মানিয়ে শেখ হাসিনা ছিন্নমূল মানুষকে ঘর করে দিচ্ছেন।

    তিনি বলেন, যে কুষ্ট রোগীর পাশে আত্মীয়-স্বজনও যায় না, যে বেদে সম্প্রদায় নৌকায় বসবাস করে, যারা ঘর বাঁধে না, যে মানুষটি মানুষের ধারে ধারে ভিক্ষা করতো, রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজতো, সে কখনো পাকা দালানের স্বপ্ন দেখতো না। সে স্বপ্ন দেখতো আমার যদি একটি দোচালা ঘর হতো, তাদের স্বপ্নকেও হার মানিয়ে শেখ হাসিনা জমির মালিকানাসহ ইতোমধ্যে সাড়ে আট লাখ পাকা টিনশেড ঘর করে দিয়েছেন।
    রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বাংলাদেশের মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছে উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে নতুন নতুন বিশ্বমানের হাসপাতাল হচ্ছে। সেখানে সেবার মূল্য এত বেশি যে তা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। সেজন্য আমাদের সরকার স্বাস্থ্য সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য কমিউনিটি ক্লিনিক ও হাসপাতালগুলোর আধুনিকায়ন করেছে। হাসপাতালের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

    সিটি করপোরেশন ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত অর্থোপেডিক্স সেন্টার যাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তের একটি জনপ্রিয় আস্থার প্রতীক হয় সেই কামনা করে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সেবার মানসিকতা নিয়েই কাজ করে। শুধু প্রতিষ্ঠান দাঁড় করালেই হবে না, সেবার মানটি রক্ষা করে এবং একই সাথে স্বল্পমূল্যের সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

    হাছান মাহমুদ বলেন, আমি আশা করব, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রতি মানুষের আস্থা এবং ভালোবাসা আরো প্রসারিত হবে। আরো বিত্তবানরা এগিয়ে আসবে।

    বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আব্দুল ওয়াহ্হাবের সভাপতিত্বে এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জব্বারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ট্রেজারার এম এ ছালাম-এর ব্যক্তিগত অর্থায়নে প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ফিজিও অর্থোপেডিক পুনর্বাসন সেবা কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়।

    সূত্র : বাসস

  • বিএনপি চায় নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে: সেতুমন্ত্রী

    বিএনপি চায় নির্বাচন বাধাগ্রস্থ করতে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ১৮ আগস্ট, ২০২৩ : আওয়ামী লীগ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ।

    তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি চায় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ করতে। কাজেই নিষেধাজ্ঞা আর ভিসানীতি কার ওপর প্রয়োগ হয় তাই দেখা হবে।’

    আজ শুক্রবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, অর্থ পাচার করেছে, গণতন্ত্রকে হত্যা করে ভোট চুরির রাজনীতি শুরু করেছে। বিএনপি গণতন্ত্রের নামের লেবাসধারী ফ্যাসিস্ট। তারাই আন্তর্জাতিক মহলে সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত, তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের যুদ্ধ।’

    বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে বিদেশীদের মাথাব্যথা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা ধমক মারে, হুমকি দেয়, এখন আবার ভিসানীতি প্রয়োগ করেছে। অথচ এমন হুমকি বিএনপির বেলায় নেই। কিন্তু নির্বাচনে বাধা দিচ্ছে বিএনপি। ফলে ভিসানীতিতে তারা পড়ে, আমরা না।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, গরুর হাট গোলাপবাগে বিএনপির কর্মীরা হতাশায় ছিল। এখন সরকারের পদত্যাগ চাওয়ার আন্দোলনে কর্মীদের ২-৫ হাজার টাকা দিয়ে আন্দোলন করাতে ঢাকায় আনা হচ্ছে। তাই তত্ত্বাবধায়ক চাইলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তানে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অনেক জায়গায় ছাত্রলীগের কমিটি নেই। অবিলম্বে কমিটি দিতে হবে। ছাত্রলীগে কারা অনুপ্রবেশকারী তাদের চিহ্নিত করে সংগঠনকে সৃজনশীল সংগঠন হিসেবে বজায় রাখতে হবে।

    আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত প্রমুখ। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন।
    সূত্র : বাসস

  • বঙ্গবন্ধু আজীবন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন: স্পিকার

    বঙ্গবন্ধু আজীবন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন: স্পিকার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৮ আগস্ট, ২০২৩ : জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন জনগণের অধিকার আদায়ে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাকান্ডে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে ঘাতকরা বাংলাদেশের ইতিহাস মুছে ফেলতে চেয়েছিল।’

    স্পিকার আজ শুক্রবার ১৮ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাব আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২৩ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু, চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও পার্লামেন্ট মেম্বার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ বি এম তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    স্পিকার বলেন, ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ি স্বাধীনতার সূতিকাগার। বাড়িটি সবসময় জনগণের জন্য উন্মুক্ত ছিল। ৩২ নম্বরের বাড়ির অনেক ইট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব নিজের হাতে গেঁথেছেন। বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরও একই রকম ছিলেন।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে নিষ্ঠুর ঘাতকরা নিষ্পাপ শিশু শেখ রাসেলকেও নিস্তার দেয়নি। এমনকি বিদেশেও বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ভয়ানক বৈরী আচরণ সহ্য করেছেন। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার পাশে ছিলেন বলে তার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৃশংসতম হত্যাকান্ডের সাত বছর পর আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী ফিরে এসেছিলেন বলেই বাংলাদেশের ইতিহাস ঘুরে দাঁড়িয়েছে ।

    অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, শওকত হাসানুর রহমান (রিমন) এমপি, নাহিদ ইজাহার খান এমপি, সৈয়দা রুবিনা আক্তার এমপি, সংসদ সদস্যবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে, এম, আব্দুস সালাম, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ ভবনস্থ মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ ক্বারী মুফতি মোহাম্মদ আবু রায়হান।

    সূত্র : বাসস

  • প্রশান্ত মহাসাগরে রাশিয়া ও চীনের যৌথ মহড়া

    প্রশান্ত মহাসাগরে রাশিয়া ও চীনের যৌথ মহড়া

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৮ আগস্ট, ২০২৩ : রাশিয়া ও চীন প্রশান্ত মহাসাগরে যৌথ সামুদ্রিক টহল মহড়া পরিচালনা করছে। উক্ত মহড়া মূলতক উদ্ধার ও প্রশিক্ষণে জড়ি যুদ্ধজাহাজগুলো কিভাবে বিমান হামলা মোকাবেলা করা যায় এই বিষয়ে করা হয়।

    মস্কোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শুক্রবার (১৮ আগস্ট) এ কথা জানিয়েছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাস প্রকাশিত ভিডিওতে নয়টি বড় জাহাজ দেখানো হয়েছে।

    মহড়ার মধ্যে ‘জ্বালানি মজুদ, রিফুয়েলিং এবং পুনরায় মজুদ পূরণ’ অনুশীলনও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    ক্রু সদস্যরা ডেকের দিকে মনোযোগী হওয়ার সাথে সাথে জাহাজগুলো একটি ডায়মন্ড ফর্মেশনে (তিন অথবা চারকোণ আকারের সারি) যাত্রা শুরু করে।

    মহড়া শুরুর পর থেকে জাহাজগুলো সমুদ্রের ৬,৪০০ নটিক্যাল মাইলেরও বেশি এলাকা কভার করেছে।
    জানা গেছে, ‘রুশ নৌবাহিনী এবং পিএলএ নৌবাহিনীর জাহাজগুলোর একটি দল বর্তমানে পূর্ব চীন সাগরে রয়েছে।’

    সূত্র : বাসস

  • ২০ আগস্ট নারী বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল

    ২০ আগস্ট নারী বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১৮ আগস্ট, ২০২৩ : নারী বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনালে আগামী রবিবার ( ২০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনোলে অংশ নিবে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের ও ইউরোপের আরেক পাওয়ার হাউজ স্পেন। এই ফাইনালে অংশগ্রহনকারী দুটি দলই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে যাচ্ছে।

    অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অনুষ্টিতব্য ফাইনালে ৭৫ হাজার দর্শক ধারনক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামটি পরিপুর্ন থাকবে বলেই আশা করা হচ্ছে। চার বছর আগে অনুষ্ঠিত আসরে অংশ নিয়েছিল ২৪টি দল, এবার ৩২টি দল। আগের আসরের তুলনায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপুর্ন এবারের আসরে বেশ কয়েকটি ফেভারিট দলকেই বিদায় নিতে হয়েছে আগেভাগেই।

    গ্রুপ পর্ব থেকেই ব্রাজিলের সঙ্গে বিদায় নিয়েছে জার্মানি, ইতালী ও অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন কানাডা। এরপর শেষ ষোল থেকে বিদায় নেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন যুক্তরাষ্ট্র। এই প্রথম টুর্নামেন্ট থেকে এতো আগে বিদয়া নিয়েছে মার্কিন রমনীরা।

    অপরদিকে প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টের শেষ ষেলতে নাম লিখিয়েছে দক্ষিন আফ্রিকা, জ্যামাইকা ও মরক্কো। আর প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টে এসেই কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে কলম্বিয়া। ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে সেখান থেকে বিদায় নেয় দক্ষিন আমেরিকার ওই দলটি।

    বর্তমান চ্যাম্পিয়ন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শিরোপা ফেভারিট হিসেবেই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে এসেছে সারিনা উইগম্যানের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। যদিও স্পেনের মতো এর আগে কখনো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলতে পারেনি ইংল্যান্ড।

    সর্বশেষ ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ার্টার ফাইনালে পরস্পরের মোকাবেলা করেছে দল দুটি। অতিরিক্তি সময়ে গড়ানো ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জয় পায় ইংল্যান্ড । আর ফাইনালে জার্মানিকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বড় কোন শিরোপা ঘরে তোলে ইংল্যান্ড। ওই আসরে অবশ্য নিজ মাঠে সমর্থকদের জোড়ালো সমর্থন পেয়েছিল স্বাগতিক ইংল্যান্ড। যা এবার তারা পাচ্ছে না। বরং স্বাগতিক অস্ট্রেলিয় সমর্থকরা সমর্থন দিবে স্পেনকে।

    ইতোমধ্যে স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়ার টিকিট বিক্রির যে হার দেখা যাচ্ছে তাতে নারী ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দর্শক সমাগম ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    উইগম্যানের হাতে বিশ্বসেরা একটি স্কোয়াড থাকলেও তিনি নিজেই ইংল্যান্ডের জন্য বড় সম্পদ। মহিলা দলের কোচ হিসেবে ইতোমধ্যে সেরা পছন্দের আসনটি দখল করে নিয়েছেন উইগম্যান। নেদারল্যান্ডসে ইউরোপীয় শিরোপা এনে দেয়ার পর প্রতিবেশী ইংল্যান্ডের দায়িত্ব নিয়েও এর পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছেন এই কোচ। শুধু তাই নয় চার বছর আগে তিনি ডাচ দলকে বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছিলেন তিনি। ফাইনালে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২-০ গোলে হেরে যায় তার শিষ্যরা। বুধবার স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর ৫৩ বছর বয়সি কোচ উইগম্যান বলেন,‘ কোচ কিংবা খেলোয়াড় হিসেবে পরপর দুটি আসরের ফাইনালে খেলার সুযোগ পাওয়াটা অবশ্যই বিশেষ কিছু।

    ইতোমধ্যে ইংল্যান্ডে দারুন সম্মানের আসন তৈরী করে নিয়েছেন উইগম্যান। আর মাত্র একটি জয় তাকে পৌঁছে দিতে পারে আলফ রামসের সহাবস্থানে। যিনি ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডের পুরুষ ফুটবল দলকে পাইয়ে দিয়েছিলেন বিশ্বকাপের শিরোপা।

    এদিকে ইংলিশদের ফাইনাল প্রতিপক্ষ স্পেনের জন্য অবশ্য টুর্নামেন্টের শুরুটা খুব একটা স্বস্তির ছিল না। কারণ টুর্নামেন্টের জন্য তাদের প্রস্তুতি ছিল বিশৃংখলায় ভরা। তবে সেখান থেকেই নতুন এক ইতিহাস রচনার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে স্প্যানিশরা। এখন দলটির মধ্যে স্থিতিশীলতা চলে এসছে।

    সূত্র : বাসস

  • বঙ্গবন্ধু সপরিবারে বাংলার জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন : স্পিকার

    বঙ্গবন্ধু সপরিবারে বাংলার জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন : স্পিকার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু সপরিবারে বাংলার জন্য জীবন উৎসর্গ করে গেছেন।

    স্পিকার বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষের জন্য আজীবন কাজ করেছেন। ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া, ক্ষমতায় যাওয়ার আগ্রহ বঙ্গবন্ধুর ছিল না। তিনি পূর্ব বাংলার নির্যাতিত, অবহেলিত, শোষিত- বঞ্চিত জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে রাজনীতি করে গেছেন।’

    স্পিকার আজ বৃহস্পতিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে আলোচনা সভা ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন।
    সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে, এম, আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকু, সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী, চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি বক্তব্য রাখেন।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর পিতার আদর্শ ও দর্শন ধারণ করে বাংলার জনমানুষের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন।’

    তিনি বলেন, ‘১৫ আগস্টে সংগঠিত হত্যাকান্ডের খুনীদের কোন ক্ষমা নেই। দেশের প্রচলিত আইনে ১৫ আগস্টে সংগঠিত হত্যাকান্ডের খুনীদের বিচার করার সুযোগ তৈরি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।’

    স্পিকার বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের প্রতিটি ঘটনার সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছেন। নতুন প্রজন্ম জাতির পিতাকে নিয়ে রচিত গ্রন্থসমূহ পড়ে তাঁর আদর্শকে ধারন করে ও চর্চার মাধ্যমে স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারে।’

    সংসদ উপনেতা বলেন, ‘বাঙালির জন্য বঙ্গবন্ধুর অবদান অতুলনীয়। তাঁর জন্যই আমরা স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি।’

    ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিদের লক্ষ্য ছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে স্বাধীনতাকে বিলুপ্ত করা। তিনি বলেন, শোককে শক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদেরকে আত্মনিয়োগ করতে হবে।’

    চীফ হুইপ বলেন, ‘গবেষণার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের নৃশংসতম হত্যাকান্ডের পূর্ণ তদন্ত করতে হবে। তিনি এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত খুনী ও কুশীলবদের বিচারের দাবী জানান।’

    হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এদেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুখী-সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে চলেছেন।’

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় সংসদ ভবন মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ ক্বারী মুফতি মোহাম্মদ আবু রায়হান।

    সংসদ সচিবালয়ের আইপিএ অধিশাখার পরিচালক সামিয়া রুবাইয়াত হোসাইনের সঞ্চালনায় এ শোকসভায় সরকারী হিসাব কমিটির সভাপতি রুস্তম আলী ফরাজী এবং সরকারী প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি মোসলেম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

    সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি যুগ্মসচিব এ কে এম জি কিবরিয়া ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের উজ্জ্বল, জাতীয় শোক দিবস আয়োজক কমিটি ২০২৩ এর সদস্য সচিব আসিফ হাসান, আয়োজক কমিটির আহবায়ক বিএন্ডআইটির মহাপরিচালক এস. এম মঞ্জুর, জাতীয় শোক দিবস আয়োজক কমিটির সভাপতি সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব কে.এম. আব্দুস সালাম এ আয়োজনে বক্তব্য রাখেন।

    সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যম কর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
    সূত্র : বাসস

  • প্রধানমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার উদ্বোধন করেছেন

    প্রধানমন্ত্রী সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার উদ্বোধন করেছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বহুল আলোচিত সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার উদ্বোধন করেছেন ।

    দেশের ১৮ বছরের উর্ধ্বের সকলকে এই প্রকল্পের আওতায় আনার লক্ষ্যে তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।

    প্রধানমন্ত্রী প্রাথমিকভাবে পেনশন স্কিম-প্রগতি, সুরক্ষা, সমতা এবং প্রবাসী উদ্বোধন করেন। স্কিমটি চালু করার পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শোকের মাসে সর্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করলাম। প্রাথমিকভাবে ছয়টির মধ্যে চারটি স্কিম আজ উদ্বোধন করা হলো। অন্য দু’টি স্কিম পরে চালু করা হবে।’

    তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেহেশত থেকে দেখে খুশি হবেন যে সরকার তাঁর জনগণকে একটি সুন্দর ও উন্নত জীবন দেওয়ার চেষ্টা করছে, যার জন্য তিনি তা’র সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন।’

    প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন এবং তিনটি জেলা-গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট ও রংপুর এবং সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশের কনস্যুলেট জেনারেল একটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইভেন্টের সাথে যুক্ত হয়।

    প্রগতি স্কিমটি বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের জন্য, স্বকর্মে নিযুক্ত লোকদের জন্য সুরক্ষা, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য প্রবাসী এবং দেশের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য সমতা প্রযোজ্য হবে।

    সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মূল লক্ষ্য দেশের ১৮ বছরের বেশি বয়সী সকলকে এর আওতায় আনা এবং তারা তাদের ৬০ বছর বয়স হওয়ার পরে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন।

    পেনশন ব্যবস্থার বয়সসীমা প্রাথমিকভাবে ৫০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছিল যা পরে সংশোধন করা হয়। ৫০ বছরের বেশি বয়সীরাও টানা ১০ বছর ধরে কিস্তি পরিশোধের পর পেনশন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

    শেখ হাসিনা সর্বজনীন পেনশন প্রকল্প চালু করতে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে, বিশেষ করে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বর্তমান অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর আবদুর রউফ তালুকদার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ।

    প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন।

    অনুষ্ঠানে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার ওপর একটি ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র ও দেখানো হয়।

    সূত্র : বাসস

  • এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন শিক্ষামন্ত্রী

    এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করলেন শিক্ষামন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : আজ থেকে শুরু হয়েছে ২০২৩ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বিভিন্ন পরিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে অভিভাবকদের ভিড় না করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা খেয়াল করেছি প্রতি কেন্দ্রের বাইরে অনেক ভিড়। পরীক্ষার্থীদের বাবা-মা-অভিভাবক ভিড় করেন। আহ্বান করবো আপনার সন্তানের মতো অনেকের সন্তান পরীক্ষা দিচ্ছে। তাতে পরীক্ষার্থীদের সমস্যা হয়। তাই একটু দূরে থাকুন।

    শিক্ষামন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) ২০২৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর দিন সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে এলাকার তেজগাঁও কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগামী বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এপ্রিল মাসে নেওয়ার চেষ্টা থাকবে। এবারও আমরা চেষ্টা করেছিলাম। অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে।

    মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা পরীক্ষার ফল ৬০ দিনের মধ্যেই প্রকাশ করব, ইনশাআল্লাহ। যাদের আগে পরীক্ষা শুরু হয়েছে, তাদের তো ৬০ দিনের মধ্যেই ফল প্রকাশ হবে। আর যাদের দেরিতে শুরু হবে, তাদের ফলও ৬০ দিনের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করছি।’

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন দারিদ্র যেন কোনও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।’ অর্থাৎ রাষ্ট্র তার দায়িত্ব নেবে। সেই প্রতিজ্ঞা বঙ্গবন্ধু করে গেছেন। এখন বঙ্গবন্ধু কন্যা তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য কাজ করেন।’

    পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোলেমান খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

    সূত্র : বাসস

  • নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি : প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৭ আগস্ট, ২০২৩ : প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা গতকাল বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘স্মরণ সভা’য় সভাপতিত্ব করেন। সেই সময় তিনি বলেছেন, আগামীর নির্বাচন যেন সুষ্ঠুভাবে হতে না পারে সেজন্য ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার হত্যাকারি, সন্ত্রাসি, জঙ্গিবাদ সৃষ্টিকারি, বোমা হামলাকারি, গ্রেনেড হামলাকারি বিএনপি, তারা জানে যে তারা নির্বাচন করে কোনদিন ক্ষমতায় যেতে পারবে না, জনগণের ভোটও পাবে না। তাই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ভোট যেন না হয় সেজন্য যতরকমের চক্রান্ত করা যায় সেই চক্রান্তে তারা লিপ্ত।’

    জাতির পিতাকে হত্যার পর থেকে এই চক্রান্ত চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তারা (বিএনপি) চক্রান্ত করেছে আর দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলছে। এ দেশের মানুষ যখন নৌকায় ভোট দিয়েছে স্বাধীনতা পেয়েছে। আজকে তারা পেট ভরে খেতে পারছে, বিদ্যুৎ পাচ্ছে, রাস্তাঘাট পেয়েছে, কর্মসংস্থান পাচ্ছে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে- জাতির পিতা যা চেয়েছিলেন।’

    ৭৫-এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘বাবা-মা-ভাই সব হারিয়েছিলাম। কিন্তু একটাই প্রতিজ্ঞা নিয়ে এসেছিলোম লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতাকে ব্যর্থ হতে দেব না।’

    প্রধানমনন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমারও সময় সীমিত, কত ভয়ানক মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। আমার নেতা-কর্মীরা জীবন দিয়ে আমাকে ফিরিয়ে এনেছে। বারবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। আমার দলের নেতা-কর্মীরা জীবন দিয়ে আমাকে রক্ষা করেছে।’

    তিনি বলেন, আমার বাবা রক্ত দিয়ে গেছেন এদেশের মানুষের জন্য। রক্ত দিয়ে গেছেন আমার মা-আমার ভাইয়েরা। প্রতি নিয়ত হৃদয়ে রক্তক্ষরণ নিয়ে আমাদের দিনরাত প্রচেষ্টা এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা শুরু করেছিলেন ভূমিহীন মানুষের জন্য ঘর করে দেওয়া। তিনি সম্পূর্ণ করে যেতে পারেননি। তাই মুজিববর্ষে আমাদের একটাই লক্ষ্য ছিল দেশে একটি মানুষও আর ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না।

    সরকার বিনে পয়সায় ২ কাঠা জমিসহ ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজকে প্রায় ৮ লাখ ২৯ হাজার ৬৬০টি পরিবারকে বিনে পয়সায় জমিসহ ঘর দিয়ে তাদের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর মাত্র সাড়ে ১১ হাজার বাকী আছে তাদেরও ঘর তৈরী হবে। এটা হয়ে গেলে পরে দেশের আর একটি মানুষও ভুমিহীন-গৃহহীন থাকবে না। প্রত্যেকেরই একটা ঘর বা ঠিকানা হবে।’

    সরকার প্রধান বলেন, ‘আসল কথা ওরাতো নির্বাচন চায় না। কারণ, তারা কাকে নিয়ে নির্বাচন করবে তাদের দুইনেতার একজন এতিমের অর্থ আত্মস্বাতের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, আরেকজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক এবং আর কোনদিন রাজনীতি করবে না বলে মুচলেখা দিয়ে দেশ থেকে চলে গিয়েছে।’

    বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে তৎপর গুটিকতক দেশের কতিপয় রাজনীতিবিদ ও সংস্থার অতি উৎসাহের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এদের উদ্দেশ্য গণতন্ত্র নয়, এরা একটা জিনিসই করতে চায়, সেটা বাংলাদেশের উন্নয়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি।’

    তিনি বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভিত্তিটা আমরা মজবুত করেছি, জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করেছি বাংলাদেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ আজকে এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের পথে আজকে দারিদ্রের হার আমরা ৪১ থেকে ১৮ ভাগে আমরা নামিয়ে এনেছি। হতদরিদ্র যেটা ২৫ ভাগ ছিল সেটাকে আমরা ৫ দশমিক ৭ ভাগে নামিয়ে এনেছি।’

    দেশের ভৌগলিক অবস্থানের গুরুত্ব বিবেচনায় নানা চক্রান্তের বিষয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘এই বিষয়ে আমাদেরকে যেমন সজাগ থাকতে হবে, তাছাড়া অন্যান্য দেশ, আমি তো বলবো ভারত মহাসাগরের অন্যান্য দেশ, তারা এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন আছে, সেটা আমি বিশ্বাস করি।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভৌগলিক অবস্থানের দিক দিয়ে ভারত মহাসাগর, অপরদিকে প্রশান্ত মহাসাগর, এই ভারত মহাসাগরেই কিন্তু আমাদের বে অব বেঙ্গল, এর গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রাচীনকাল থেকে এই জায়গা দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে। ভারত মহাসাগরে যতগুলো দেশ আছে কারো সঙ্গে আমাদের কোন দ্বন্দ্ব নাই, সম্পূর্ণ নিষ্কণ্টক একটা যোগাযোগ পথ। এই জলপথে আন্তর্জাতিক ভাবে সবচেয়ে নির্বিঘ্নে পণ্য পরিবহন হয়।’

    তিনি বলেন, ‘দেশবাসীকে বলবো, যারা দেশপ্রেমিক তাদের সবাইকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। কেননা, বাংলাদেশের মানুষের এতটুকু ক্ষতি করে কোনদিন ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করি না।’

    পার্বত্য চট্টগ্রামে অশান্তির সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই এলাকাটা নিয়ে নানা ধরনের খেলার একটা চক্রান্ত। পার্বত্য চট্টগ্রামে ২০ বছর ধরে যেখানে সংঘাত ছিল আমি সরকারে আসার পর সেখানে আমি শান্তি ফিরিয়ে আনি। সেখানেও আবার নানা রকম অশান্তি সৃষ্টির প্রচেষ্টা হচ্ছে।’

    প্রধানমন্ত্রী এ সময় জিয়াউর রহমানকে জাতির পিতা হত্যায় জড়িত পুনরুল্লেখ করে ১৫ আগস্ট প্রতিহিংসামুলক ভূয়া জন্মদিন পালন করায় বেগম খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘খুনি মোশতাক নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করলো, প্রথমেই জিয়াকে সেনাপ্রাধন বানালো। জিয়াউর রহমান এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মীর জাফর যেমন তিন মাসের বেশি থাকতে পারেনি, তেমনি মোশতাকও থাকতে পারেনি। জিয়া ক্ষমতা দখল করে। উর্দি পরে ক্ষমতারোহণ এবং পরে নিজেকে রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করারও চেষ্টা করে। আর্মি রুলস ভঙ্গ করে একটা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও করে। ভোট কারচুপি ও ভোটচুরির কালচার তো সেখান থেকে শুরু।’

    স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসনে জিয়ার কর্মকান্ডের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জামাতের উত্থান জিয়াউর রহমানের হাতে। কারণ, এই জামায়াত ছিল যুদ্ধাপরাধী। তাদের কোন ভোটাধিকার ছিল না। তাদের দল করবার অধিকারও ছিল না।’

    তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মার্শাল-ল অর্ডিনেন্সের মাধ্যমে সংবিধানের ১২ ধারা বিলুপ্ত করে এবং এদের ভোটের যে অধিকার ছিল না সেই ৩৮ ধারা বাদ দিয়ে ভোট করার অধিকার ফিরিয়ে দেয়। ভোট কারচুপির মধ্য দিয়ে যে সংসদ গঠন করে সেই সংসদে এই আইন পাস করে। স্বাধীনতা বিরোধী শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী বানায়। দেড়শ মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকারী জয়পুরহাটের আব্দুল আলিমসহ আরো যারা রাজাকার ছিল তাদেরকে মন্ত্রী উপদেষ্টা বানিয়ে লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা তুলে দেয় যুদ্ধাপরাধীদের হাতে।’

    ‘জাতির পিতার খুনীদের বিভিন্ন দুতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা, ইনডেমনিটি অর্ডন্যান্স জারি করে খুনীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করার মত কলঙ্কজনক ঘটনার জন্মদাতা এই জিয়াউর রহমান। পরে এরশাদ এবং খালেদা জিয়া তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেছে,’ বলেন তিনি।

    সংবিধানের ৫ম সংশোধনী ও ৭ম সংশোধনী বাতিল করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পথকে রুদ্ধ করা এবং সামরিক সরকারগুলোকে অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া উচ্চ আদালতের রায়কে সাধুবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী ।

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ হবে জাতির পিতার স্বপ্নের আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন স্মার্ট বাংলাদেশ। যে পথে তাঁর সরকার অনেক দূর এগিয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলবোই। কোন খেলা খেলে বাংলাদেশের ভাগ্য কেউ যেন নষ্ট করতে না পারে সেজন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকতে হবে।’

    সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ‘স্মরণ সভা’র প্রারম্ভিক বক্তৃতা করেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বর্ষিয়ান নেতা আমির হোসেন আমু, সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও এডভোকেট কামরুল ইসলাম ।

    আরো বক্তৃতা করেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এডভোকেট তারানা হালিম, মহানগর উত্তর এবং দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি ও হুমায়ুন কবীর।

    দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম সভা সঞ্চালনা করেন ।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট শহীদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, জেল হত্যাকান্ডের শিকার জাতীয় চারনেতা, ভাষা আন্দোলন এবং ’৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার শহীদসহ সকল গণআন্দোলনের শহীদদের স্মরণে সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন।

    সূত্র : বাসস