www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ আগস্ট, ২০২৩ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি, আইসিটি এবং অবকাঠামো খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর বৃহত্তর বিনিয়োগের আহ্বান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।
তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস মার্কিন কোম্পানিগুলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আইসিটি, অবকাঠামো, হালকা প্রকৌশল এবং ইলেকট্রনিক্স, অটোমোবাইল শিল্প, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং সিরামিকের মতো সম্ভাব্য এবং উৎপাদনশীল খাতে আরও বেশি সুবিধা নেবে এবং বিনিয়োগ করবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে ‘ইউএস- বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল’ এর উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে দেয়া প্রারম্ভিক ভাষণে একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে উন্মুক্ত বিদেশী বিনিয়োগের পরিবেশ রয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্ব পারস্পরিকভাবে উভয় দেশের জন্য সহায়ক এবং দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাস অত্যন্ত গভীর।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদারদের একজন এবং আমাদের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলছে। আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের জন্য এফডিআই এবং রপ্তানি বাজারের একক বৃহত্তম উৎস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর প্রবৃদ্ধির গতিপথকে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার নাগরিকদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী টেকসই প্রবৃদ্ধির কৌশল অনুসরণ করছে। এ্ই টেকসই কৌশল বিশ্ব অর্থনীতিবিদ ও সংস্থাগুলো স্বীকার করেছে।
তিনি আরও বলেন, তাঁরা এখন আগের যেকোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে অনেক বেশি সম্ভাবনা থাকায় আমাদের ব্যবসা এবং বিনিয়োগ নীতিকে সহজ করতে এবং এটিকে আপনাদেও জন্য সহায়ক করতে আমি সর্বোত্তম সম্ভাব্য নীতি কাঠামোর বিষয়ে আশ্বস্ত করতে চাই।’
তিনি বলেন, ইউএস-বাংলাদেশ এনার্জি টাস্কফোর্স এবং ইউএস-বাংলাদেশ ডিজিটাল ইকোনমি টাস্কফোর্স তাদের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে উভয় দেশের কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা আরও গভীর করতে অবদান রাখবে।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় পরিবেশ নিশ্চিত করেছে যার মধ্যে রয়েছে একটি উদারীকৃত শিল্পনীতি, ওয়ান-স্টপ সার্ভিস, ১০০% বিদেশী মালিকানার জন্য ভাতা, সহজ প্রস্থান নীতি, ১৫ বছরের কর অব্যাহতি, আমদানি করা যন্ত্রপাতির জন্য ভ্যাট অব্যাহতি, সুগমিত পরিষেবা এবং আরও অনেক কিছু।
তিনি বলেন, শিল্পায়নের সুবিধার্থে তাঁরা সারাদেশে ১শ’টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, ১০৯টি হাই-টেক ও সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এবং আইটি প্রশিক্ষণ ও ইনকিউবেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করছে।
তিনি বলেন, গত বছর চালু হওয়া পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে সরাসরি সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁরা শিগগিরই মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, ঢাকায় মেট্রো রেলের অংশ বিশেষ এবং চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু টানেলের মতো আরও কিছু মেগা প্রজেক্ট চালু করতে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ‘এই অবকাঠামোগুলো সংযোগ এবং অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য উভয়কেই আরও প্রসারিত করবে, একইভাবে প্রবৃদ্ধির জন্য অনুঘটক হিসাবেও কাজ করবে।’
১৭০ মিলিয়ন মানুষের বাজার উল্লেখ করে তাঁর সরকার প্রতিবেশীদের সাথে কানেকটিভিটির ধারণাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে এবং, যা বর্তমানে বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।
এই সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ।
ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, দক্ষিণ এশিয়া ইউ.এস. চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ, এক্সেলারেট এনার্জি (বোর্ড চেয়ার এবং মিশন প্রধান) সভাপতি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিভেন কোবোস অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
সূত্র: বাসস
Author: Hello Bangla News
-

মার্কিন কোম্পানিগুলোর বৃহৎ বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
-

দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে বাংলাদেশের পরবর্তী ৫০ বছরের সহযোগিতা বাড়বে
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩০ আগস্ট, ২০২৩ : দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে আগামী ৫০ বছরের সফল সহযোগিতার সম্পর্ক আশা করছে বাংলাদেশ। ‘কোরিয়া-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা: উন্নয়নের অভিজ্ঞতা শেয়ারিং এবং সুযোগ অন্বেষণ’ শীর্ষক সেমিনারে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘আমি কামনা করি, বাংলাদেশ ও কোরিয়া উভয়ই সম্মিলিতভাবে ব্যাপক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিশেষ করে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সর্বোত্তম কিছু নিয়ে আসবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু আমরা এ বছর বন্ধুত্বের পঞ্চাশ বছরের মাইলফলক অতিক্রম করছি, আমরা আমাদের দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার জন্য আমাদের দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে পরবর্তী ৫০ বছরের সফল সহযোগিতার অপেক্ষায় রয়েছি।’আলম কোরিয়ান সরকারের এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যা কোরিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এই বছরের জন্য বাংলাদেশের জন্য ইপিএস কোটার সর্বোচ্চ সীমা ১০,০০০ এ উন্নীত করার জন্য এবং জাহাজ নির্মাণ খাতে বাংলাদেশী শ্রমিকদের নিয়োগের জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোরিয়া বাংলাদেশী কর্মীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতার উন্নতির পাশাপাশি বাংলাদেশী ইপিএস কর্মীদের জন্য কোরিয়া যাওয়ার আগে স্থানীয় কোরিয়ান ভাষার প্রশিক্ষকের মাধ্যমে মধ্যবর্তী স্তর পর্যন্ত কোরিয়ান ভাষা প্রশিক্ষণের বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে। বড় আকারের অবকাঠামো প্রকল্পে অর্থায়নে বাংলাদেশের জন্য রেয়াতযোগ্য ঋণ-অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্প্রসারণ সুবিধা (ইডিপিএফ)-এর জন্য নতুন উইন্ডো বিবেচনা করার জন্য আমি কোরিয়ান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
কোরিয়া বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য বাণিজ্য অংশীদার হয়ে উঠেছে, তিনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধির বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন, যা ২০২২ সালে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নিবন্ধন করেছে।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক, দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাইওক জিয়ং, ডংসু কিম এবং ডাঃ জায়েহান চো পৃথক সেশনে বক্তব্য রাখেন।
কোরিয়ান রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি আত্মবিশ্বাসী যে বাংলাদেশ তার এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ হিসেবে স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জনের সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে গত এক দশকে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয়ের তিনগুণ বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করেছি।’ তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া ও বাংলাদেশ বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) নিয়ে আলোচনা করছে। ‘ইপিএ পৌঁছে গেলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।’
সূত্র: বাসস -

এশিয়া কাপে লিটনের বদলি হিসেবে দলে বিজয়
www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩০ আগস্ট, ২০২৩ : বেশ কয়েক দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন বাংলাদেশ দলের নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস। ভাবা হয়ছিল এশিয়া কাপের আগে সুস্থ হয়ে উঠবেন।কিন্তু লিটন সেরে উঠেনি। তাই তার বদলি হসেবে দলে নেওয়া হয়েছে এনামুল হক বিজয়।
বুধবার (৩০ আগস্ট) সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
জ্বরের কারণে রবিবার দলের সঙ্গে যেতে পারেননি লিটন দাস। শেষ পর্যন্ত আর শ্রীলঙ্কা যাওয়া হলো না তার। জ্বরের কারণে প্রথম দফায় দলের সঙ্গে লঙ্কার ফ্লাইট মিস করেন তিনি। পরের দুইদিনেও শারীরিক অবস্থায় ছিল না উন্নতির খবর। বাধ্য হয়েই তাই বিকল্প ওপেনার বেছে নিতে হয়েছে নির্বাচকদের।
লিটনের জন্য অবশ্য শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করছিল টাইগার টিম মানেজমেন্ট। কিন্তু ভাইরাস জ্বর থেকে এখনো সেরে উঠতে পারছেন না তিনি। যে কারণে লিটন পুরো এশিয়া কাপ থেকেই ছিটকে গেছেন। তার বদলে দলে ফেরানো হয়েছে আরেক ডানহাতি ব্যাটার এনামুল হক বিজয়কে।
এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিজয়কে অন্তর্ভুক্ত করার প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন, ‘বিজয় আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত রান করেছে, বিসিবির পর্যবেক্ষণেও ছিল। লিটন এশিয়া কাপে খেলতে পারছে না, তাই বিজয়কে আমরা স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করেছি।’
অবশ্য এর আগে লিটনের বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছিল সাইফ হাসানের নাম। তবে তার ডেঙ্গু ধরা পড়ায় আর বিবেচনা করা যায়নি। এরপর জাকির হোসেনের নামটাও এসেছে জোরেশোরে। সেই পথেও হাঁটেনি বিসিবি।
শেষ পর্যন্ত অবশ্য বিজয়ের দ্বারস্থ হয়েছে ক্রিকেট বোর্ড। ৩০ বছর বয়েসী বিজয় এর আগে বাংলাদেশের হয়ে ৪৪ টি ওয়ানডে খেলেছেন। সবশেষ তাকে দেখা গিয়েছিল ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডেতে। জাতীয় দলে নিয়মিত না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে ব্যাট হাতে রীতিমত রানের ফোয়ারা ছুটিয়েছেন তিনি।
এশিয়া কাপে অবশ্য বিজয়ের পরিসংখ্যান বেশ ভাল। মাত্র এক আসর খেলেই জায়গা করে নিয়েছেন উইজডেনের বাংলাদেশ একাদশে। খেলেছিলেন কেবল ২০১৪ সালে। সেবার বাংলাদেশ দল ভাল কিছু করতে ব্যর্থ হলেও বিজয় ছিলেন দারুণ ছন্দে। ৪ ম্যাচে ৫৬ দশমিক ৭৫ গড়ে করেছিলেন ২২৭ রান। পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০০ আর ভারতের বিপক্ষে ছিল ৭৭ রানের দারুণ দুই ইনিংস। এই সব্ মাথায় রেখে বিজয়কে দলে নেওয়া হয়েছে।
সূত্র: বাসস -

আগামী বছর ক্রিসমাসে ফিরছেন আমির খান
www.HelloBangla.News – বিনোদন – ৩০ আগস্ট, ২০২৩ : আমির খান মানেই দারুন সফল ছবি। বিশেষ ভাবে তারে জমিন পার (২০০৭), থ্রি ইডিয়টস (২০০৯), পিকে (২০১৪),দঙ্গল (২০১৬) সাফলের পর গত কয়েক বছর বিশেষ ভাল কাটেনি বলিউড অভিনেতা আমির খানের। বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল ‘ঠগ্স অফ হিন্দোস্তান’। তার পরে একই রকমের ভরাডুবির সম্মুখীন হয় ‘লাল সিংহ চড্ডা’-ও। ‘লাল সিংহ চড্ডা’র ব্যর্থতার পরে প্রায় এক বছর প্রচারের আলো থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন আমির। অভিনয় থেকেও বিরতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। তবে আমির ভক্তদের জন্য আনন্দের খবর এ বার সেই বিরতিতে ইতি টানতে চলেছেন আমির। ২০২৪ সালের শেষের দিকেই পর্দায় ফিরছেন ‘দঙ্গল’ খ্যাত তারকা।
মাসখানেক আগে শোনা গিয়েছিল, প্রত্যাবর্তনের জন্য ‘থ্রি ইডিয়টস’ ও ‘পিকে’-র জুটির উপরেই নাকি ভরসা রাখতে চলেছেন আমির। পরিচালক রাজকুমার হিরানির সঙ্গেই ফের হাত মিলিয়ে পর্দায় ফেরার কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল বলিপাড়ার অন্দরে। তবে এখন খবর, রাজকুমার হিরানি নন, রাজকুমার সন্তোষীর সঙ্গে নাকি জুটি বাঁধতে চলেছেন আমির।
১৯৯৪ সালে ‘অন্দাজ় অপনা অপনা’ ছবিতে শেষ বার রাজকুমার সন্তোষীর সঙ্গে কাজ করেছিলেন আমির।হাসির ছবি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ছিলো ছবিটি। তার পর কেটে গিয়েছে তিন দশক। খবর, তিরিশ বছর পরে ফের রাজকুমার সন্তোষীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে দু’টি ছবির চুক্তি সই করেছেন আমির। তার মধ্যে একটি ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন আমির। ছবির প্রযোজনায় থাকছে তাঁরই সংস্থা ‘আমির খান প্রোডাকশন্স’। যে ছবিতে আমির অভিনয় করছেন, তা মুক্তি পাওয়ার কথা আগামী বছর ক্রিসমাসে। দ্বিতীয় ছবির কাজ শুরু হওয়ার কথা ২০২৫ সালে।
দেখার বিষয় আমির খান তার সেই ‘থ্রি ইডিয়টস’ ইমেজে ফিরতে পারেন কি না।তবে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের ক্রিসমাস পর্যন্ত।অনেকের ধারণা আমির খান আবার ফিরে আসবেন আগের ইমেজে।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা -

ব্রিকস সম্মেলন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ আগস্ট, ২০২৩ : ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে গত ২২ আগস্ট রাতে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে যান প্রধানমন্ত্রী। দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসার আমন্ত্রণে তিনি ২২-২৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলন শেষে ২৭ আগস্ট (রবিবার) সকাল ৮টা ৩১ মিনিটে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
আজ মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) সাম্প্রতিক দক্ষিণ আফ্রিকা সফর সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে সংবাদ সম্মেলন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিকেল ৪টার পর গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে। সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।
পাঁচ দেশের জোট ব্রিকসের সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেন শেখ হাসিনা। জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে যোগ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভা
সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ চাইলে পাবে না, তা নয়। ব্রিকসের সদস্য হলে বাংলাদেশ খুশি হতো। তবে সদস্য হওয়ার জন্য বাংলাদেশ কাউকে বলেনি। সেভাবে চায়নি, চেষ্টাও করেনি।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিল। বিশেষ করে, নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার সময়ে আমাদের বাণিজ্যিক নানা পথ প্রশস্ত হয়েছে। -

ইতালির বিনিয়োগকারীদের হাইটেক পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ আগস্ট, ২০২৩ : ইতালীয় বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অনুকূলে রয়েছে ।
আজ মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্টোনিও আলেসান্দ্রো তাঁর পরিচয়পত্র পেশ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, রাষ্ট্রপতি ইতালির ‘লিগাল মাইগ্রেশন স্কিমে’র আওতায় বাংলাদেশ থেকে আরও জনশক্তি নিতে ইতালি সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, ইতালি বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য এবং গতবছর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ইতালির সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট প্রধান রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে ইতালি সরকারের চাপ অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান।
প্রেস সচিব জানান, নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ইতালির সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। গতবছর দু’দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক।
২০২৩ সালে ইতালিতে অনুষ্ঠিত ফুড সিস্টেম সামিটে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ও ২০২০ সালে ইতালিতে রাষ্ট্রীয় সফর দু’দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে বলে রাষ্ট্রপতি বলেন।
রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, সম্প্রতি জ্বালানি ও সংস্কৃতি বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে দু’দেশের সম্পর্কে আরো গতিশীলতা এসেছে। এছাড়া প্রতিরক্ষা, অভিবাসন,নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এসব ক্ষেত্রেও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।
ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, তার সরকার বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নকে খুবই গুরুত্ব দেয় এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে নতুন নতুন ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনশক্তি ইতালির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ইতালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ইতালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিরা খুবই সুশৃঙ্খল এবং তাদের মাঝে অপরাধ প্রবণতা খুবই কম।
তিনি বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের ভূমিকারও প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রদূত এ সময় নতুন দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ ।
সূত্র : বাসস -

দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পলকের সাক্ষাৎ
www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৯ আগস্ট, ২০২৩ : বাংলাদেশে নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক আজ রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের যমুনা হলে সাক্ষাত করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সাথে। এসময় তারা দু’দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় বিশেষকরে আইসিটি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশ, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে পারস্পারিক সহযোগিতার বিষয়ে বিন্তারিত আলোচনা করেন।
এসময় প্রতিমন্ত্রী জিটুজি এবং বিটুবি ম্যাচ মেকিংয়ের মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের আইটি খাতে বিনিয়োগের আহবান জানান। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্যোগে স্মার্ট সিটি বাস্তবায়ন, বাংলাদেশ-কোরিয়া আইসিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, স্টার্ট-আপ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, প্রযুক্তি নির্ভর দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির উদ্দেশে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠার লক্ষে প্রকল্প গ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতায় দেশের আইসিটি খাতকে সমৃদ্ধ করতে ইতোমধ্যে ইআরডিতে পাঠানো ৭টি প্রকল্প প্রস্তাব বিষয়ে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়।
পলক বলেন আমরা ইতোমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪১ সাল নাগাদ ‘স্মার্ট সিটিজেন’, ‘স্মার্ট ইকোনমি’, ‘স্মার্ট গভর্নমেন্ট’ এবং ‘স্মার্ট সোসাইটি’ এ চারটি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে কাজ শুরু করেছি।
রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক প্রস্তাবিত প্রকল্পসমূহের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিএসএম জাফরউল্লাহ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রনজিৎ কুমার, আইসিটি বিভাগের উপসচিব মো. মনির হোসেন, ইডিজিই প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার আব্দুল বারি তুষারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ ।
সূত্র : বাসস -

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে
www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৯ আগস্ট, ২০২৩ : ইন্দোনেশিয়ায় ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার সকালে প্রথম দফার ভূমিকম্পে দেশটির বালি ও অন্যান্য দ্বীপপুঞ্জ কয়েকবার কেঁপে উঠে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে আসে। তবে এ ভূমিকম্পের ঘটনায় তেমন কোন ক্ষতি হয়নি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় রাত ৩টা ৫৫ মিনিটের দিকে বালির উত্তর-পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ৫১৫ কিলোমিটার দূরে সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।
এতে বালি দ্বীপজুড়ে এবং লম্বক ও সুম্বাওয়া দ্বীপেও ভূকম্পন অনুভূত হয়। বালির বাসিন্দারা জানান, দ্বিতীয় আফটারশক প্রথমটির চেয়ে ‘দীর্ঘ এবং শক্তিশালী’ ছিল। , ‘প্রথম দফার ভূমিকম্পের সময় আমি আমার স্বামীকে ঘুম থেকে ডেকে তুলি। এর কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় দফার ভূমিকম্প আঘাত হানলে আমরা আর দেরি না করে আমাদের বাচ্চাদের বাইরে নিয়ে যাই।’
এক ব্যক্তি বলেন, ‘প্রথম দফার ভূমিকম্পে আমি নৌকার মতো দুলতে থাকি এবং দ্বিতীয় দফার ভূমিকম্পে আমার ঘর কাঁপতে থাকে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, প্রথম দফার ভূমিকম্পের কয়েক মিনিটের মধ্যেই রিখটার স্কেলে ৫.৪ মাত্রার একটি এবং ৫.৬ মাত্রার আরেকটি আফটারশক হয়। এদিকে সম্ভাব্য সুনামির আশংকায় বিভিন্ন হোটেল তাদের অতিথিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়।
ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষ সুনামির সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে। এ ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির কোন খবর পাওয়া যায়নি।
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ উপকূলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে সৃষ্টি হয় সুনামির আঘাতে। ফলে ২৩০,০০০ মানুষ প্রাণ হারায়।
সূত্র: বাসস -

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের বিষয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন আজ
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৯ আগস্ট, ২০২৩ : দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক সফরের ফলাফল নিয়ে গণমাধ্যমকে অবহিত করতে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ‘আজ বিকেল ৪টায় গণভবনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।’
গত রবিবার প্রধানমন্ত্রী ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের পর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ থেকে দেশে ফিরেছেন।
তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসার আমন্ত্রণে ২২-২৪ আগস্ট জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন।
সূত্র: বাসস -

ডাব কেনাবেচায় রাখতে হবে পাকা রসিদ
www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৯ আগস্ট, ২০২৩ : ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে বাজারে ডাবের চাহিদা বেড়েছে। কেননা ডাবের পানি ডেঙ্গু রোগীদের জন্য সবচেয়ে উপাদেয় পানীয়। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ডাবের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই ডাবের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বাজার তদারকি করবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ডাব কেনাবেচায় রাখতে হবে পাকা রসিদ। কোনভাবে নায্যমূল্যের বেশি দাম নিলে ব্যবসায়ীদের জরিমানাসহ কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
গতকাল সোমবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার ভোক্তা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে যৌক্তিকমূল্যে ডাব কেনাবেচা সংক্রান্ত সচেতনতামূলক সভায় ডাবের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, ডেঙ্গু সংক্রমণের সুযোগ নিয়ে হঠাৎ করেই ডাবের দাম দ্বিগুণ বেড়েছে। অসহায় রোগীদের জিম্মি করে ডাব ব্যবসায়ীদের অনৈতিক এ অতিমুনাফা কোনো যুক্তিতেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মহাপরিচালক বলেন, গত ২৪ আগস্ট গভীর রাতে কারওয়ান বাজার আড়তে অভিযান চালিয়ে পাইকারি পর্যায়ে ডাবের সর্বোচ্চ মূল্য প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া গেছে। অর্থাৎ সবচেয়ে ভালো মানের ডাব খুচরায় সর্বোচ্চ ১০০ টাকার বেশি হতে পারে না যা বাজারে দ্বিগুণ পর্যন্ত দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
তিনি আরও বলেন, ডাব কেনাবেচায় কোনো রকম পাকা ভাউচার কিংবা ক্রয়-বিক্রয় রসিদ রাখা হয় না। এ সুযোগে ডাবের আড়ত, পাইকারি ও খুচরা প্রতিটি স্তরে মূল্যবৃদ্ধির এক মহোৎসব চলছে। আমরা এরই মধ্যে সারাদেশে ডাব নিয়ে কাজ শুরু করেছি। এর প্রভাব বাজারে পড়েছে। ডাবের মূল্য কমতে শুরু করেছে। শফিকুজ্জামান বলেন,‘আমি সবাইকে বলছি যতক্ষণে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১০০ টাকার মধ্যে না আসবে আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত মনিটরিং জোরদার রাখবো।’
তিনি বলেন, আজ মঙ্গলবার ( ২৯ আগস্ট ) থেকে ডাব ব্যবসায়ীদের অবশ্যই পাকা রসিদ সংগ্রহে রাখতে হবে। তা না হলে অভিযানের মাধ্যমে জরিমানাসহ কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
বৈঠকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা পরস্পরকে দোষারোপ করে বক্তব্য দেন। তবে ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে খুচরা কিংবা পাইকারি উভয় পর্যায়ে কোথাও অতিরিক্ত লাভে ডাব বিক্রির অভিযোগ পেলে, তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
সূত্র: বাসস