www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে উত্তর কোরিয়া শনিবার তাদের পশ্চিম উপকূলে একাধিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। পিয়ংইয়ংয়ের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপের মধ্যে এটি বিরাট উদ্বেগ বলে জানিয়েছে সিউলের সামরিক বাহিনী।
বার্ষিক যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ান উলচি ফ্রিডম শিল্ড সামরিক মহড়ায় প্ররোচিত হয়ে উত্তর কোরিয়া ‘কৌশলগত পারমাণবিক স্ট্রাইক ড্রিল’ এর অংশ হিসেবে এক জোড়া স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণের তিন দিন পর উত্তর কোরিয়া পুনরায় এসব ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে।
দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র দু’টি মিত্র দেশ বলে যে, তারা প্রতিরক্ষামূলক মহড়া চালিয়েছে, কিন্তু পিয়ংইয়ং এই ধরনের মহড়াকে আক্রমণের মহড়া হিসেবে দেখছে।
জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফ আজ শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে বলেছেন, একটি অনির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভোর ৪টায় (১৯০০ গ্রীনিচ মান) পীত সাগরের দিকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। ক্ষেপণাস্ত্র গুলোর বৈশিষ্ট্য মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
জেসিএস বলেছে, ‘আমরা নজরদারি এবং পর্যবেক্ষণ বাড়িয়েছি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখছি।’
মঙ্গলবার, উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন একটি প্রশিক্ষণ কমান্ড পোস্ট পরিদর্শন করেন। যেখানে তিনি দক্ষিণে মূল সামরিক পোস্টে ‘একযোগে অতি-তীব্র হামলা’ সহ ভবিষ্যতের যুদ্ধ পরিকল্পনার বিস্তারিত বিবরণ দেন।
উত্তর কোরিয়া এই বছর রেকর্ড সংখ্যক অস্ত্র পরীক্ষা করেছে এবং গত সপ্তাহে একটি গুপ্তচর উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপনের দ্বিতীয়বার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
সিউল এবং ওয়াশিংটন প্রতিক্রিয়া হিসাবে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি করেছে। উন্নত স্টিলথ জেট এবং মার্কিন কৌশলগত সম্পদের সাথে যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে।
দুই কোরিয়ার মধ্যে সম্পর্ক বছরের পর বছর তাদের সয়ঢর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে এবং পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনার ব্যর্থ প্রচেষ্টার পরে কূটনৈতিক আলোচনাও স্থবির হয়ে পড়েছে।
কিম উত্তর কোরিয়াকে একটি ‘অপরিবর্তনীয়’ পারমাণবিক শক্তি ঘোষণা করেছেন এবং কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রসহ অস্ত্র উৎপাদন বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: বাসস
Author: Hello Bangla News
-

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়টিতে সিউলের উদ্বেগ
-

প্রথম খেলায় বাংলাদেশ হেরেছে শ্রীলংকার কাছে
www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ পরাজিত হয়েছে। ক্যান্ডির পাল্লেকেলেতে বৃহস্পতিবার এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলংকার কাছে ৫ উইকেটে হারেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান পরাজয়ের কারন হিসেবে ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন।
শ্রীলংকার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সাকিব বলেন, ২২০-২৩০ হলে আমাদের সুযোগ থাকতো। আমরা দল হিসেবে ভালো ব্যাটিং করিনি।’
টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪২ দশমিক ৪ ওভারে ১৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে একাই লড়ে সর্বোচ্চ ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
১৬৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে শ্রীলংকা। ১০ ওভারে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় তারা।কিন্তু এত অল্প পুজি নিয়ে লড়াই করাটা কঠিন। কেননা খেলা হচ্ছে শ্রীলংকার মাটিতে।
চতুর্থ উইকেটে ৭৮ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশকে লড়াই থেকে ছিটকে দেন শ্রীলংকার দুই মিডল অর্ডার ব্যাটার সাদিরা সামাবিক্রমা ও চারিথ আসালঙ্কা। সামারাবিক্রমা ৫৪ ও আসালঙ্কা অপরাজিত ৬২ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৬৬ বল বাকী রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলংকা।
সাকিব বলেন, ‘৪৩ রানে ৩ উইকেট পতনের পর আমাদের আরও দু’টি উইকেট দরকার ছিল। আমরা উইকেট পেরেছি। কিন্তু বোর্ডে আমাদের পর্যাপ্ত রান ছিলো না।’
তিনি আরও বলেন, ‘শরুতেই আমরা বেশ চাপে ছিলাম। অনেক ছেলেই প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ খেলছে। ভালো ক্রিকেট খেলছে বলেই তারা ড্রেসিংরুমে আছে।’
ম্যাচে চার নম্বরে ৫ রানে আউট হন সাকিব। তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে ব্যাটার হিসেবে নিজের আরও দায়িত্ব নেয়া উচিত ছিলো মনে করছেন সাকিব।
লাহোরে রবিবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে ঘুড়ে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সাকিব।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ৫ উইকেটের জয়ে রেকর্ড গড়েছে শ্রীলংকা। নিজেদের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি টানা ১১ ম্যাচ জয়ের নজির গড়েছে লংকানরা।
দলের পারফরমেন্সে খুশি শ্রীলংকার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। তিনি বলেন, ‘বোলারদের পারফরমেন্সের জন্য অবশ্যই তাদেরকে কৃতিত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে থিকশানা দারুন করেছে। ধনঞ্জয়া এবং পাথিরানাও ভালো বোলিং করেছেন। এটি কঠিন উইকেট ছিলো। সাদিরা যেভাবে ব্যাট করেছে, আজ তার দিন ছিল। গত দুই বছর ধরে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছে আসালঙ্কা। এটি শ্রীলংকার ক্রিকেটের জন্য ভালো লক্ষণ।’
সূত্র: বাসস -

শিগগিরই মেট্রোরেলের মতিঝিল পর্যন্ত অংশটি চালু হবে: সেতুমন্ত্রী
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : দেশব্যাপী নানা উন্নয়ন কর্মসূচির কারণে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন আগের চেয়ে বেড়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।তিনি বলেন, ‘শিগগিরই মেট্রোরেলের মতিঝিল পর্যন্ত অংশটি চালু হবে। এটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মেট্রোরেল-এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ উন্নয়নের সুবিধা পাবে ঢাকাবাসী।’
সেতুমন্ত্রী আজ শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট অংশের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ এখন কথা শুনতে অভ্যস্ত নয়, কাজ দেখতে অভ্যস্ত। আওয়ামী লীগ কথা দিয়ে কথা রাখে সেটা সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রমাণিত।’
বিএনপির কর্মসূচির ওপর নেতাকর্মী ও দেশের জনগণের কোন সমর্থন নেই মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, কালো পতাকা নিয়ে যে মিছিল হয় সেটা শোক মিছিল। এ মিছিল দিয়ে উত্তাল পরিস্থিতি সৃষ্টি সম্ভব নয়। সরকার পতন তো দূরে থাক, বিএনপি নিজেদের অস্তিত্ব সংকট নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট এখন ১০ মিনিটের ব্যাপার উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট-তেজগাঁও রেলস্টেশন পর্যন্ত ১০-১১ মিনিটে কভার করবে। এখানে অনেক যাত্রী আসা যাওয়া করবেন। এর সুফল অবশ্যই পাবে রাজধানীবাসি। এর সঙ্গে যখন মতিঝিল পর্যন্ত উদ্বোধন হয়ে যাবে, তখন সুফল অনেক বেড়ে যাবে এবং ঢাকা আরও আধুনিক শহরে রূপ নেবে। যান চলাচল আরো একটু সহজ হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের ৬৫ শতাংশ কাজ হয়ে গেছে। এখন যে অংশ উদ্বোধন হচ্ছে না, সেখানেও অনেক কাজ হয়ে গেছে। আমরা আশা করছি আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পুরোটা চালু করতে পারবো। ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এয়ারপোর্ট থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট থেকে মগবাজার, মগবাজার থেকে কুতুবখালি পর্যন্ত গন্তব্য। পুরো অংশের দূরত্ব ২০ কিলোমিটার। র্যাম্পসহ মোট ৪৬ কিলোমিটার।
তিনি বলেন, এখন দেশের মানুষ পদ্মাসেতুর সুফল যেমন পাচ্ছে, উত্তরা থেকে আগারগাও পর্যন্ত মেট্রোরেলেরও যথেষ্ট সুফল পেতে শুরু করেছে।
এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক ও মির্জা আজম, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান প্রমুখ ।
সূত্র: বাসস -

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করতে আরো কাজ করা প্রয়োজন: এলিসিয়া
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : মিয়ানমারের লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির প্রথম নারী সভাপতি এলিসিয়া কিয়ার্নস এমপি।তাছাড়াও তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
আজ শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, লন্ডনে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুরে সেন্ট্রাল হল ওয়েস্টমিনস্টারে বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সাথে বৈঠকে তিনি এ সব কথা বলেন। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এবং প্রেস মিনিস্টার আশেকুন নবী চৌধুরী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ লন্ডনে অনুষ্ঠানরত পার্লামেন্টারি সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স ফোরাম (পিএসআইএফ) সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
বৈঠকে এলিসিয়া কিয়ার্নস তথ্যমন্ত্রীকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে লাখা লাখ উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন, তা বিশ্ব অঙ্গনে অত্যন্ত প্রশংসিত এবং আমরা মনে করি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের চাপের মাধ্যমে মিয়ানমারকে তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করতে আরো কাজ করা প্রয়োজন।
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এ দিন পিএসআইএফ সম্মেলনের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান জেমস ফ্রেঞ্চ হিলের সাথে বৈঠক করেন।
এই সাইডলাইন বৈঠকে তিনি কংগ্রেসম্যানের কাছে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং মিয়ানমারে তাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধিতে সহায়তার আহবান জানান। পিএসআইএফ সম্মেলনে যোগদানরত যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসের কংগ্রেসম্যান জেমস হিল এ বিষয়ে ভূমিকা রাখবেন বলে জানান।
সন্ধ্যায় তথ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশ বিষয়ে যুক্তরাজ্য পার্লামেন্টের অল পার্টি গ্রুপের সভাপতি রুশনারা আলী এমপি’র সাথে বৈঠকে করেন।
সূত্র: বাসস -

বিএনপি ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চাইছে: প্রধানমন্ত্রী
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : বিএনপি দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে চাইছে, জিানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “নির্বাচন তাদের (বিএনপির) উদ্বেগের বিষয় নয়, কারণ তারা আবারও জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চাইছে।”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত ‘সর্ববৃহৎ ছাত্র সমাবেশে’ প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের এ কথাটা জনগণকে মনে করিয়ে দিতে হবে যে, ওরা ভোট করতে আসেনা এবং ভোটও পায় না। কারণ ওরা তো জঙ্গিবাদী, লুটেরা, সন্ত্রাসী। মানুষের শান্তি ও সম্পদ ওরা কেড়ে নেয়। মানুষের ঘরবাড়ি কেড়ে নেয়। ঘরবাড়ি কেড়ে নিয়ে সেখানে পুকুর কেটে কলাগাছ লাগিয়ে দিতেও আমরা তাদের দেখেছি। কাজেই লুটেরা, সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদে বিশ্বাসীরা মানুষের কোন কল্যাণ করতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতিমের অর্থ আত্মসাৎকারী, ১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাকারবারী ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আমাদের আইভি রহমান সহ ২২ জন নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে তারা হেয় প্রতিপন্ন করেছে।
সরকার প্রধান বলেন, সংবিধানে যেখানে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি করা নিষিদ্ধ ছিল, সেই সংবিধান মার্শাল ল’ অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে সংশোধন করে যুদ্ধাপরাধী এবং পাকিস্তানের পাসপোর্টধারীদের যারা রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে তারা এ দেশের কল্যাণ কোনদিন চাইতে পারে না, তারা চায়না। তারা দেশটাকে ধ্বংস করতে চায়। অন্যদিকে যখন আজকের এই বাংলাদেশ (উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে) এবং আওয়ামী লীগ যখন সরকারে এসেছে তখনই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে।
ফেস্টুন, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড এবং জাতীয় ও ছাত্রলীগের পতাকা নিয়ে ছাত্রলীগের লোগো সম্বলিত টি-শার্ট ও ক্যাপ পরে সারাদেশ থেকে ছাত্রলীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী আজ সকাল থেকে ‘আবারো শেখ হাসিনা’ স্লোগান দিয়ে আকাশ-বাতাস মুখরিত করে সমাবেশস্থলে সমবেত হতে থাকেন। দুপুরের পর পরই ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়, শাহবাগ, হাইকোর্ট এবং আশপাশের এলাকা মানব সমুদ্রে পরিণত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রকাশনা মাতৃভূমি’র বিশেষ সংখ্যার মোড়ক উন্মোচন করেন।
বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাঁকে স্বাগত জানান।
ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সমাবেশে বক্তৃতা করেন। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
বিশাল ছাত্র সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।
মহাসমাবেশে শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে জাতির পিতার আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেদের বর্তমানকে উৎসর্গ করার জন্য এবং আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার পক্ষে ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে বিজয়ী হওয়ার জন্য লাখো শিক্ষার্থীকে শপথ পাঠ করান ছাত্রলীগের সভাপতি।
সমাবেশের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত, ছাত্রলীগের থিম সং এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উৎসর্গ করা একটি গান গাওয়া হয় এবং এলইডি মনিটরে জাতির পিতাকে উৎসর্গ করা আরেকটি গানও প্রদর্শিত হয়।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ও মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
কবিগুরুর কবিতার পংক্তি “উদয়ের পথে শুনি কার বাণী/ ভয় নাই ওরে ভয় নাই? নি:শেষে প্রাণ যে করিবে দান/ ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই।” উদ্ধৃত করে জাতির পিতার কন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তাঁর সেই আদর্শ নিয়েই পথ চলা।
তিনি বলেন, আমার কোন ভয় নেই, দেশের মানুষকে ভালবাসি, স্বাধীনতার চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ে তুলবো।
প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে পাঠে মনোনিবেশ করে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাঁর সরকারের করে দেয়া সুযোগকে কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলারও পরামর্শ দেন।
বর্তমান সরকারের উন্নয়ন যারা চোখে দেখেন না তাদের তাঁর সরকারের করে দেয়া জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে চক্ষু পরীক্ষা করানোরও পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি বলেন, যারা চোখ থাকতেও সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখে না, তাদের উচিত দশ টাকার টিকিট কেটে চোখ পরীক্ষা করানো। আসলে তাদের মনের দরজায় অন্ধকার। তারা পরাজিত শক্তির পদলেহনকারী। সেজন্য তারা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন দেখে না। হাওয়া ভবন খুলে খেতে পারছে না বলে তাদের যতো দু:খ।
পেনশন নিয়ে অপপ্রচারের কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কিছু নেতা বলছে পেনশন নাকি নির্বাচনী অর্থ সংগ্রহ করার জন্য। এর থেকে লজ্জার আর কী হতে পারে। বিএনপি নিজেরা কিছু করতে পারে না, তাই অন্যের সাফল্য দেখতে পারে না। আমি ছাত্রলীগকে বলব তাদের দায়িত্ব নিতে হবে, মানুষকে বলতে হবে পেনশনের টাকা খোয়া যাবে না। মানুষের ভবিষ্যতের জন্য এই পেনশন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের ভালোর জন্য যখন আমরা কিছু করি তখন তারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এই বিভ্রান্তিতে কেউ যেন কান না দেন।”
বঙ্গবন্ধুকে উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্ব। সঠিক নেতৃত্ব ছাড়া রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। আমি আশা করি, ছাত্রলীগের নেতারা নিজেদের সেভাবে গড়ে তুলবে।
করোনা পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট মন্দার উল্লেখ করে তিনি দেশের সকল অনাবাদি জমিকে চাষের আওতায় আনার মাধ্যমে সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি তাঁর আহবান পুনর্ব্যক্ত করে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের জনসচেতনতা বাড়াতে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পর প্রতিবাদও করেছে ছাত্রলীগই। পঁচাত্তরের পর তিনি ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা ছিলেন দেশের বাইরে, নির্বাসনে। সেখান থেকে তাদের ফিরিয়ে আনার দাবিও ছাত্রলীগই প্রথম তুলেছিল। যখন ওবায়দুল কাদের ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন, তখনই এই দাবী তারা প্রথমে করে।
বিএনপির আমলের সন্ত্রাস-দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি এসে হাওয়া ভবন খুলে খাওয়া শুরু করেছিল। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য।
তিনি বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি, নিজের বা আমার ছেলে-মেয়েদের না। তাদের একটাই দিয়েছি, শিক্ষা। লোন নিয়ে তারা পড়েছে। ধন-সম্পদ টাকাকড়ি কোনো কিছু কাজে লাগে না। করোনায় সবাই বুঝতে পেরেছে। আমি চাই, আমাদের ছেলে-মেয়েরা উপযুক্ত ও যোগ্য হয়ে গড়ে উঠবে। তারা অত্যন্ত মেধাবী। তারা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা মানবাধিকারের কথা বলে। ’৮১ সালে যখন আমি ফিরে এসেছি, তখন তো আমি মা-বাবা-ভাইবোন হত্যার বিচার চাইতে পারিনি। জিয়াউর রহমান খুনিদের ক্ষমতায় বসায়। প্রতি পদে পদে বাধা সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু কোনো বাধাই আমাকে আটকাতে পারেনি।
এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’, ‘আমার দেখা নয়া চীন’ এবং ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টালিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দি নেশন: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ সিরিজের বইগুলো পড়ার মাধ্যমে জাতির পিতার চিন্তা-চেতনা, রাজনীতি, ব্যক্তিজীবন এবং দেশের ইতিহাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য আহরণের অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী।
সূত্র: বাসস -

ঝুঁকির আশঙ্কায় যুক্তরাজ্যে অনেক স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে
www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ : ধসে পড়ার সম্ভাবনার কারণে ইংল্যান্ডে কয়েকটি স্কুলের ভবন বন্ধ করে দিতে হবে। কেননা এই স্কুলগুলি এক ধরনের বায়ুযুক্ত কংক্রিট দিয়ে তৈরি। যুক্তরাজ্য সরকার বৃহস্পতিবার নতুন মেয়াদ শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ১৯৫০ এর দশক থেকে ১৯৯০ এর দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত, ব্যাপকভাবে স্কুল ও কলেজ নির্মাণের জন্য রিইনফোর্সড অটোক্লেভড এরেটেড কংক্রিট (আরএএসি) ব্যবহৃত হয়েছিল।
কর্মকর্তারা সময়ের সাথে সাথে উপাদানটির ঝুঁকির আশঙ্কা নির্ধারণ করার পর মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালে স্কুলগুলোকে এ ব্যপারে সতর্ক করা শুরু করে।
প্রায় ১০৪টি স্কুল ও কলেজ নির্মানে আর আরএএসি ব্যবহৃত হয়েছে। ইংল্যান্ডের লক্ষাধিক শিক্ষার্থী গ্রীষ্মের দীর্ঘ ছুটির পরে স্কুলে ফিরে আসার সময় এ নির্দেশ দেয়া হয়।
স্কুল ও কলেজে শিশু এবং কর্মীরা নিরাপদ কি-না তা নিশ্চিত করার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছুই নেই। বলে জানিয়েছেন, দেশটির শিক্ষা সচিব গিলিয়ান কিগান।
সূত্র: বাসস -

বিএনপির গুমের নাটক দেশবাসীর অজানা নয়: সেতুমন্ত্রী
www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ৩১ আগস্ট, ২০২৩ : বিএনপি মিথ্যা বয়ান তৈরির মধ্য দিয়ে সরকারের উপর দোষ চাপিয় বলে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘গুম নিয়ে বিএনপি মিথ্যা বয়ান তৈরির মধ্য দিয়ে সরকারের উপর দোষ চাপিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার অপতৎপরতা চালাচ্ছে। অথচ তাদের গুমের নাটকের নেপথ্যের আখ্যান আজ দেশবাসীর অজানা নয়।’
সেতুমন্ত্রী আজ বৃহষ্পতিবার (৩১) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। গুম ও অপহরণ নিয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দের অসত্য, মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতেই এই বিবৃতি প্রদান করা হয়।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপি নেতৃবৃন্দ গুম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে বানোয়াট বক্তব্য প্রদান করছে, তা বাস্তবতাবিবর্জিত ও ভিত্তিহীন। বিদেশি বন্ধু ও প্রতিনিধিদের করুণা লাভের আশায় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ধারাবাকিভাবে গুম-খুন নিয়ে মিথ্যাচার করে যাচ্ছে। বিএনপির অর্ন্তদ্বন্দ্ব ও কোন্দলের ফলে যেসব গুম ও খুনের ঘটনা ঘটেছে, সেটার দায় তারা সরকারের উপর চাপানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, চট্টগ্রামের বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন নিখোঁজ হওয়ার পর তার দায় সরকারের উপর চাপানো হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেছে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বেই জামাল উদ্দিন নিজ দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা গুমের শিকার হয়েছিল। যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘একইভাবে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ নিখোঁজ হওয়ার পর তার দায়ভারও সরকারের উপর চাপানোর অপচেষ্টা চালানো হয়। পরবর্তীতে দেখা যায় তিনি ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। এমনকী বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর গুমের ঘটনায় বিএনপির এক সিনিয়র নেতা তার বক্তব্যে বলেছেন, ইলিয়াস আলীকে বিএনপির লোকজনই গুম করেছে। যা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়েছে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দেশে হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান অসংবিধানিক ও অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। জিয়াউর রহমানই এ দেশে গুমের রাজনীতির সূচনা করে। স্বৈরাচার জিয়ার শাসনামলে ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ বাবুকে রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে গুম করে হত্যা করা হয়। তার লাশটাও পরিবারের সদস্যরা খুঁজে পায়নি।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামের যুবলীগ নেতা মৌলভী সৈয়দকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। জিয়াউর নিজের অবৈধ ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে তথাকথিত বিদ্রোহের অভিযোগে সেনা ও বিমান বাহিনীর শত শত মুক্তিযোদ্ধা অফিসার ও সহস্রাধিক সৈনিককে হত্যা করেছিল। এমনকী সেসব সেনা অফিসার ও জোয়ানদের অনেকেরই লাশ পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। তাদের পরিবারের সদস্যরা এখনও জানেন না তাদের কোথায় দাফন করা হয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নিষ্ঠুর হত্যাকান্ডের শিকার সেসব সেনা অফিসার ও জোয়ানদের পরিবারের সদস্যরা সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবী জানিয়ে আসছে। জিয়াউর রহমানের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর নামে আওয়ামী লীগের শত শত নেতাকর্মীকে হত্যা করেছিল এবং এই বেআইনি হত্যাকা-কে বৈধতা দিতে ইনডেমনিটি আইন করা হয়।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামাত জোট শাসনামলে আওয়ামী লীগের ২৪ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। এমনকী বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসারি তত্ত্বাবধানে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যার উদ্দেশে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হাওয়া ভবনের নির্দেশে নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালিয়ে গণহত্যা সংঘটিত করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী।
ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সফল রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখে পাহাড় সমান প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে উন্নয়ন-অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
তিনি বলেন, উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের মধ্য দিয়ে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুখি-সমৃদ্ধশালী নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় আমরা বদ্ধপরিকর। যেখানে সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী সকল নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠিত ও সুসংহত হবে।
সূত্র: বাসস -

বিশ্বের অনেক দেশ বাংলাদেশে তাঁদের তাবেদার সরকার চায়: প্রধানমন্ত্রী
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ আগস্ট, ২০২৩: বিশ্বের অনেক দেশ বাংলাদেশে তাঁদের তাবেদার সরকার চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ।
তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে কিছু (বড়) দেশ বাংলাদেশে এমন একটি সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেটি তাদের চাটুকার হবে।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল বুধবার (৩০ আগস্ট) আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, রক্তের বিনিময়ে আমরা দেশে গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছি।
তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট এর আগে বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স চালুর প্রস্তাব দিয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার আইন প্রণয়ন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছে এবং কমিশনকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করেছে।
তারা (কিছু বড় দেশ) গণতন্ত্র ও নির্বাচনের অতীত সম্পর্কে নাও জেনে থাকতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আজ, তারা আমাদের দেশে গণতন্ত্র এবং ভোট দেওয়ার অধিকার খুঁজছে।’
সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান, প্রথমে হ্যাঁ/না ভোট এবং রাষ্ট্রপতির ভোটের মাধ্যমে ভোট কারচুপির সংস্কৃতি চালু করে নির্বাচন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা শুরু করেন এবং এরশাদ ও খালেদা জিয়া (জিয়াউর রহমানের স্ত্রী) জিয়ার পথই অনুসরণ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, বড় দেশগুলো সব সময় বিশ্বের সর্বত্র মাতবরি করার চেষ্টা করে।
রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের অমানবিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাদের (বড় দেশ) তাদের মতো বন্ধু আছে তাদের শত্রুর কোন প্রয়োজন নেই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি রাশেদ ও নূরকে আশ্রয় দিয়েছে এবং বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তাদের ফিরিয়ে দিচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে খুনি রাশেদকে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ করেছি কারণ আমাদের বিচার বিভাগের বিচারে সে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। এতে হস্তক্ষেপ করার অধিকার তাদের নেই। তারা এখন খুনিদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।’
তিনি আরও বলেন, খুনি ডালিম ও রশিদ পাকিস্তান ও লিবিয়ার মধ্যে তাদের আস্তানা পরিবর্তন করে চলছে, অন্য একজন খুনির হদিস এখনও পাওয়া যায়নি এবং বাকি খুনিদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়েছে।
তিনি বলেন, খুনিদের বিচারের জন্য আমার পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমি দেশবাসী ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনি ছিলেন এবং তিনি খুনিদের বিচার বন্ধ করতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন এবং তাদের বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে পোস্টিং দিয়ে পুরস্কৃত করেছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলাম।
ঢাকা উত্তর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মোন্নাফী এবং পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।
ঢাকা উত্তর মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাদেক খান এমপি, আবদুল কাদের খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম মাজহার আনাম ও মো. আজিজুল হক রানা, পরিবার কল্যাণ সম্পাদক মেহেরুন্নেছা মেরি ও ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায়, মিজবাউর রহমান ভূঁইয়া রতন ও সাজেদা বেগম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মোরশেদ কামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন ও গোলাম সারোয়ার কবির প্রমুখ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ড এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তার পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মা ও ভাইদের হত্যার পর ৩৫ বছর ধরে তারা ন্যায়বিচার পাননি।
যেসব দেশ বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছে, তারা কেন বিষয়টি নিয়ে আওয়াজ তোলেনি এ প্রশ্ন রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কি মানবাধিকার নেই? ন্যায়বিচার দাবির অধিকার নেই?’
তিনি বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ও এইচএম এরশাদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের পথকে অবৈধ ঘোষণা করেছে এবং আদালতের আদেশ অনুযায়ী রাজনৈতিক দল–বিএনপি ও জাতীয় পার্টি অবৈধ।
তিনি বলেন, বিএনপি শুধু হত্যা, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, ষড়যন্ত্র, দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং ও চোরাচালান বা অস্ত্রের রাজনীতি জানে।
তিনি দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেন, বিএনপি দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে দেশে শান্তি বিনষ্ট করার চেষ্টা করছে।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, কিছু তথাকথিত বুদ্ধিজীবীও বিএনপিকে সমর্থন করে আসছে।
১৫ আগস্ট যখন পুরো জাতি জাতির পিতার পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যকে হত্যার জন্য জাতীয় শোক দিবস পালন করছে তখন ১৫ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের সংগঠন। আসুন আজ আমরা প্রতিজ্ঞা করি যে, জাতির পিতার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করবো।
সূত্র: বাসস -

এশিয়া কাপে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছে বাংলাদেশ
www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৩১ আগস্ট, ২০২৩ : এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। গতকাল ৩০ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে এশিয়া কাপ। গতকাল পাকিস্তান সহজে হারায় নেপালকে। নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ মিশন শুরু হয়েছে। দলের নিয়মিত অধিনায়ক ও নির্ভরযোগ্য ব্যাসটম্যান তামিম ইনজুরির কারণে দলে নেই। অপর দিকে আর অসুস্থ থাকার কারণে শেষ মুহূর্তে দল থেকে ছিটকে গেছে লিটন দাশ। তার পরেও বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক আশা বিক্রেক বোদ্ধাদের।
বাংলাদেশের পক্ষে এ ম্যাচে অভিষেক হচ্ছে উদ্বোধনী ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিমের।
গত কয়েক বছরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের লড়াই বেশ উত্তাপ ছড়িয়েছে। দুই দলের এই লড়াইকে অনেকে ‘দ্বৈরথ’ হিসেবেও দাঁড় করিয়েছেন। যদিও ম্যাচের আগের দিন দু দলের অধিনায়কই বলেছেন উল্টো কথা।
এখন পর্যন্ত এশিয়া কাপে ১৫ বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। জয়ের পাল্লাটা লঙ্কানদেরই ভারি, ১২ ম্যাচে জিতেছে তারা। যদিও বাংলাদেশের তিন জয় এসেছে শেষ ম্যাচে। ওয়ানডেতে এখন অবধি ৫১ বারের দেখায় ৪০টি জিতেছে শ্রীলঙ্কা, টাইগারদের জয় নয়টিতে।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেক হচ্ছে তানজিদ হাসান তামিমের। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ১৪৩তম ক্রিকেটার এই উদ্বোধনী ব্যাটার। শেষ মুহূর্তে এনামুল হক বিজয়কে উড়িয়ে নিলেও নাঈম শেখের ওপরই আস্থা রেখেছে বাংলাদেশ।
লঙ্কানদের বিপক্ষে তিন পেসারের সঙ্গে সমান সংখ্যক স্পিনার নিয়ে নামছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে রয়েছেন শেখ মেহেদী হাসান।
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, তাওহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, শেখ মেহেদি হাসান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।
বাংলাদেশের অপর ম্যাচটি আফগানিস্তানের বিপক্ষে। -

লন্ডনে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে রবার্ট পিটেনজারের বৈঠক
www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৩১ আগস্ট, ২০২৩ : দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ অংশীদার এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশটিতে শক্তিশালী অর্থনৈতিক অগ্রগতি বজায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র কংগ্রেসম্যান এবং পার্লামেন্টারি সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স ফোরামের (পিএসআইএফ) চেয়ারম্যান রবার্ট পিটেনজার ।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের নিয়ে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অঙ্গনের শীর্ষ ফোরাম পিএসআইএফ সম্মেলনে যোগ দিতে লন্ডন পৌঁছে গতকাল বুধবার সকালে ফোরামের চেয়ারম্যানের সাথে বৈঠক করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি। লন্ডনের ম্যারিয়ট হোটেলের দি লাইব্রেরি হলে এ বৈঠকে রবার্ট পিটেনজার এ কথা বলেন। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এসময় উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সিনিয়র কংগ্রেসম্যান বলেন, বাংলাদেশের সাথে তাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক অগ্রগতি আমরা লক্ষ্য করছি।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এ সময় দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি এবং জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং এ সহযোগিতা অব্যাহতভাবে আরো দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের সেন্ট্রাল হল ওয়েস্টমিনিস্টারে পিএসআইএফ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।
সূত্র: বাসস