Author: Hello Bangla News

  • সাবিরা প্রথম কোন হিন্দু নারী যিনি পাকিস্তান জাতীয় নির্বাচনে লড়বেন

    সাবিরা প্রথম কোন হিন্দু নারী যিনি পাকিস্তান জাতীয় নির্বাচনে লড়বেন

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩: সাবিরা পারকাশ পেশায় একজন চিকিৎসক হলেও পাকিস্তানের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন দির্ঘদিন ধরে। বেনজিরের পিপিপির রাজনীতি করেন সাবিরা। তিনি জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদের জন্য লড়বেন। আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি (২০২৪) অনুষ্ঠিত হবে এই নির্বাচন।  প্রথম হিন্দু নারী হিসেবে সবিরা পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বুনের জেলা থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

    পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থী হিসেবে গত ২৩ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেন সাবিরা। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখাওয়া-২৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।

    সাবিরা পারকাশ পেশায় চিকিৎসক। বাবার নাম ওম প্রকাশ। তিনিও চিকিৎসক তবে এখন পেশা থেকে অবসর নিয়েছেন। চিকিৎসকের পাশাপাশি তিনি একজন রাজনীতিকও। গত ৩৫ বছর ধরে বেনজির-বিলাবল ভুট্টোর দল পিপিপি-র সক্রিয় কর্মী ওম প্রকাশ।

    সাবিরা ২০২২ সালে অ্যাবোটাবাদ ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। তিনি বুনের জেলার পিপিপির নারী শাখার সাধারণ সম্পাদক।

    সাবিরা পিপিপির হয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, তিনি তার এলাকায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সেবা করার লক্ষ্যে তার বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করতে চান।

    পাকিস্তানে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে তিন ধরনের আসন আছে। সাধারণ আসন, মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন ও সংখ্যালঘুদের (হিন্দু, খ্রিস্টান, পার্সি, শিখ) জন্য সংরক্ষিত আসন। যে দল যতগুলো সাধারণ আসন দখল করবে, তার ভিত্তিতে সংরক্ষিত আসন পায় তারা।

    সাবিরা যদিও বলেছেন তিনি সাধারণ আসন থেকে লড়েন; রক্ষণশীল এলাকার ওই আসনটিতে শেষ পর্যন্ত অন্য কোনও জোরদার প্রার্থীকে জিতিয়ে এনে সংরক্ষিত আসনে সাবিরাকে আইনসভায় পাঠাতে পারে পিপিপি।

  • আজকের বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর বাংলাদেশ নয়: প্রধানমন্ত্রী

    আজকের বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর বাংলাদেশ নয়: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: আজকের বাংলাদেশ দারিদ্র্যক্লিষ্ট, অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর বাংলাদেশ নয়, বলে জানিয়েছেন  আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা । তিনি বলেন, “গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের রূপান্তর ঘটেছে। আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি, আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ।”

    আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

    ইশতেহার ঘোষণার বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, “সন্ত্রাস করে নির্বাচন বানচাল করার স্বপ্ন-সাধ কোনদিনই তাদের (বিএনপি-জামায়াত) পূরণ হতে দেবে না এদেশের জনগণ। ২০১৩-২০১৬ সময়ে যেমন আপনারা তাদের প্রতিহত করেছিলেন; আসুন, এবারও সম্মিলিতভাবে তাদের প্রতিহত করি।”

    অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “মা ও শিশুর অগ্নিদগ্ধ লাশ সবার বিবেককে প্রচণ্ডভাবে নাড়া দিয়েছে। এই ধরনের হীন কাজ আর সহ্য করা যায় না। জনগণের সাড়া না পেয়ে ভাড়াটে বাহিনী দিয়ে তাড়া এসব নাশকতা চালিয়ে জান-মালের ক্ষতি করছে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যার সময় আমি এবং আমার ছোটবোন বিদেশে ছিলাম। সে কারণে আমরা প্রাণে বেঁচে যাই। দীর্ঘ ৬ বছর আমরা রিফিউজি হিসেবে প্রবাস জীবন কাটাতে বাধ্য হই। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও জনগণের সমর্থন নিয়ে আমি দেশে ফিরে আসি। অবৈধভাবে ক্ষমতাসীন সরকার, জাতির পিতার হত্যাকারী ও ষড়যন্ত্রকারী এবং যুদ্ধাপরাধীদের সব রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করেই আমি দেশে ফিরে আসি।”

    তিনি বলেন, “১৯৯৬ সালের ২৩ জুন থেকে ২০০১ সালের ১৫ জুলাই – এই ৫ বছর পূর্ণ করে ২৬ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আমরা ধান ও দানাদার শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করি। স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি গ্রহণ, বয়স্ক, বিধবা, স্বামী নিগৃহীতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রবর্তন এবং বর্গাচাষিদের বিনা জামানতে কৃষি ঋণ প্রদান করি।”

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, “২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক সম্পদ গ্যাস বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং নানা চক্রান্তের ফসল হিসেবে বিএনপি-জামায়াত-জোট ক্ষমতার মসনদে আরোহণ করে। এরপরেই দেশে বিপর্যয় নেমে আসে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে গ্রেনেড হামলা করে ২২ নেতা-কর্মীকে হত্যা এবং ৫০০’র বেশি মানুষকে আহত করে।”

     

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে ১১টি বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে-

    ১. দ্রব্যমূল্য সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

    ২. কর্মোপযোগী শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

    ৩. আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    ৪. লাভজনক কৃষির লক্ষ্যে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা, যান্ত্রিকীকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

    ৫. দৃশ্যমান অবকাঠামোর সুবিধা নিয়ে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে শিল্পের প্রসার ঘটানো।

    ৬. ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

    ৭. নিম্ন আয়ের মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ করা।

    ৮. সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় সবাইকে যুক্ত করা।

    ৯. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকারিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

    ১০. সাম্প্রদায়িকতা এবং সব ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধ করা।

    ১১. সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষা ও চর্চার প্রসার ঘটানো।

     

    সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতে ইশতেহার প্রণয়ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক স্বাগত বক্তব্য দেন। এরপর বক্তব্য দেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দলের শীর্ষ নেতারা ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তেল, ডাল ও গম কিনছে সরকার

    স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তেল, ডাল ও গম কিনছে সরকার

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: দেশের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য হিসেবে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৬৬১ কোটি ৭৩ লাখ ৫০ হাজার ৫০০ টাকার তেল, ডাল ও গম কিনছে সরকার।

    এর মধ্যে ৩৪৮ কোটি ৪৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকার গম কেনা হচ্ছে। এছাড়া ১৪০ কোটি ১৬ লাখ ৬ হাজার টাকার মসুর ডাল এবং ১৭৩ কোটি ১১ লাখ টাকার ভোজ্যতেল কেনা হচ্ছে।এই তেল, ডাল ও গম কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

    আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা হয়। ওই সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান।

    তিনি জানান, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ইউএইর প্রতিষ্ঠান কেয়ারেল ক্রপ ট্রেডিং এলএলসির কাছ থেকে এই গম কিনতে মোট ব্যয় হবে ১৭৫ কোটি ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৫০০ টাকা। এতে প্রতিকেজি গমের ক্রয়মূল্য পড়বে ৩৫ টাকা ১ পয়সা। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এই গম কিনবে খাদ্য অধিদপ্তর।

    খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রো ক্রপ ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন গম কেনার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। এই গম কিনতে মোট ব্যয় হবে ১৭৩ কোটি ৪০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। প্রতিকেজির দাম পড়বে ৩৪ টাকা ৬৮ পয়সা। এই গমও অধীন খাদ্য অধিদপ্তর আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কিনবে।

    এছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ- টিসিবির জন্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৬ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের ইসলাম ট্রেডিং থেকে এই মসুর ডাল কিনতে মোট খরচ হবে ৬২ কোটি ২৮ লাখ টাকা। প্রতিকেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০৩ টাকা ৮০ পয়সা।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের বেঙ্গালুরু থেকে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা কমিটি। গ্রিন নেশন বিল্ডার্সের কাছ থেকে এই মসুর ডাল কিনতে মোট ব্যয় হবে ৭৭ কোটি ৮৮ লাখ ৬ হাজার টাকা। প্রতিকেজি মসুর ডালের দাম পড়বে ১০২ টাকা ৩৬ পয়সা। এই ডালও টিসিবির জন্য কেনা হবে।

    মসুর ডালের পাশাপাশি তেল কেনার দুটি প্রস্তাব নিয়ে আসে বাণিজ্যমন্ত্রণালয়। এর মধ্যে স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে বসুন্ধরা মাল্টি ফুড প্রডাক্টস লিমিটেড থেকে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ৭৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ১৫৭ টাকা ২২ পয়সা। টিসিবির জন্য এই তেল কেনা হবে।

    এছাড়া টিসিবির জন্য স্থানীয়ভাবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৬০ লাখ লিটার রাইস ব্রান অয়েল কেনার অনুমোন দেওয়া হয়েছে। মজুমদার প্রোডাক্টস এবং এমআরটি অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড থেকে এই তেল কিনতে মোট ব্যয় হবে ৯৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের জন্য খরচ হবে ১৫৭ টাকা ৫০ পয়সা।

  • বলেছিলো পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে এখন কোটিপতির গল্প শোনাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

    বলেছিলো পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে এখন কোটিপতির গল্প শোনাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: বলেছিলো পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে এখন কোটিপতির গল্প শোনাচ্ছে, এভাবে দেশে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে, বলে জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    গতকাল মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের আঠারো জনের ১০০ কোটি টাকার বেশি আছে। এছাড়াও ৭৭ শতাংশ কোটিপতি রয়েছেন বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআইবি) এই পেক্ষিতে এইকথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

    আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়াদি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    টিআইবি প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী বলেন, “গবেষণা করে তারা পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে বলেছিল। তাদের অনেক বড়ো গলা ছিল। তারা প্রচুর সংবাদ সম্মেলন করেছে। পরে দেখা গেল, পদ্মা সেতুতে তো দুর্নীতি হয়নি, দুর্নীতির কোনো সুযোগও সৃষ্টি হয়নি। নানা সময়ের নানা গবেষণায় দেখা যায়, সেগুলো আসলে গবেষণা না, কতগুলো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সেই প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রকাশ করা হয়।”

    আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আর ৭৭ শতাংশ কোটিপতির কথা বলা হয়েছে, দেশে এক কাঠা জমির দাম গ্রামেও ২০ লাখ টাকা। পাঁচ কাঠা জমির দাম এক কোটি টাকা। ঢাকা শহরে এক কোটি টাকার নিচে কোথাও জমি নেই, চট্টগ্রামেও নেই। কারও তিন কাঠা জমি থাকলেই তো সে কোটিপতি। এখন সবাই কোটিপতি। কাজেই এই হিসাব দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই। কাজেই এই হিসাব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “গত ১৫ বছরে সরকার পরিচালনার সময় দ্রব্যমূল্য সব সময় মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ছিল। কোনো কোনো সময় কোনো কোনো পণ্যের মূল্য বেড়েছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বেড়েছে। আজ থেকে ১৫ বছর আগে একজন দিনমজুর সারা দিন পরিশ্রম করে যে টাকা পেতেন, সেই টাকা দিয়ে চার-পাঁচ কেজি চাল কিনতে পারতেন। এখন একজন দিনমজুর সারা দিন কাজ করে যে চাল কিনতে পারেন, সেটা ১২ থেকে ১৫ কেজি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সেটা আরও বেশি। চট্টগ্রামে এক হাজার টাকার নিচে দিনমুজর পাওয়া যায় না। পৃথিবীতে দ্রব্যমূল্য সব সময় বেড়েছে।”

    তবে মাঝে মাঝে ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কৃত্রিমভাবে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়ে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, এই কথা সত্য, “মাঝে মাঝে ব্যবসায়িক চক্র, মুনাফালোভী সিন্ডিকেট কোনো কোনো পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সেই পণ্যমূল্য বাড়িয়ে দেয়। এভাবে তারা ফায়দা লোটে। ভারতের একটি পত্রিকায় পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের খবর যখন ঢাকার অনলাইনেও প্রকাশিত হয়, তখন কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজের মূল্য বেড়ে যাওয়ার কোনো কারণ নেই।”

    মন্ত্রী বলেন, “এটা হলো মুনাফালোভীদের কারসাজি। আমরা সেটিকে নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছি। আবার সরকার গঠন করতে পারলে এই মুনাফালোভী চক্র, অসাধু চক্র, যারা দেশে মাঝেমধ্যে পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মুনাফালাভের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেটা আমরা করতে পারব বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করছি।”

    আওয়ামী লীগ ফের ক্ষমতায় এলে আমদানি নির্ভর পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে জোর দেওয়া হবে জানিয়েন তথ্যমন্ত্রী।

  • নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশের

    নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশের

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশের। ৫ উেইকেটে জিতেছে বাংলাদেশ। টস জিতে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে ব্যাটিং করতে পাঠায় । নির্ধারিত ২০ ওভারে নিউজিল্যান্ড করে ৯ উইকেটে ১৩৪ রান। বাংলাদেশ ১৮.৪ ওভার খেলে ৫ উকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয়।

    প্রথম আর্ধে দারুণ সূচনা করে বাংলাদেশের বোলাররা। নিউজিল্যান্ডের যখন ১ রান তখন ৩ উইকেট নেয় সরিফুল ও মাহেদী হাসান। অথচ বাংলাদেশের তৃতীয় উইকেট পড়ে ৬৭ রানে। প্রথম দুই ওভারেই বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ।

    এবারই প্রথম এই ফরম্যাটে কিউইদের মাটিতে হারালো তারা। ওয়ানডেতেও দলটির বিপক্ষে প্রথম জয় এসেছিল এই সফরেই।

    আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) নেপিয়ারে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। প্রথম ওভারে মাহেদী হাসানকে বোলিংয়ে নিয়ে আসেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। কাজেও আসে সেটি। টিম সেইফার্টের ডানহাতি বোলিংয়ে দুর্বলতা ছিল, এবারও তিনি আউট হয়ে যান মাহেদীর বলে। তিন বল খেলেও কোনো রান করতে পারেননি সেইফার্ট, হন বোল্ড।

    পরের ওভারে এসে ঝড়ই বইয়ে দেন শরিফুল। প্রথম বল ডট দেওয়ার পর দ্বিতীয়টিতেই উইকেট পেয়ে যান তিনি। ফিন অ্যালেন ৩ বলে ১ রান করে ক্যাচ দেন দ্বিতীয় স্লিপে। পরের বলে আরও এক উইকেট নিয়ে শরিফুল হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান। শরিফুল করা বল ব্যাট উঁচিয়ে ছেড়ে দেন গ্লেন ফিলিপস, বল লাগে তার প্যাডে। শুরুতে আম্পায়ার আউট দেননি, তবে রিভিউ নিয়ে সফল হয় বাংলাদেশ।

    ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারশেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ছিল ২ রানে ৩ উইকেট। এমন হতভম্ব হওয়া শুরুর পর প্রতিআক্রমণের চেষ্টা করেন ড্যারল মিচেল। তানজিম হাসান সাকিবের করা তৃতীয় ওভারে আসে সাত রান, শরিফুলের করা পরের ওভারে দুই বাউন্ডারিতে ৯ রান নেন মিচেল।

    তবে তার এই প্রতিরোধ থামিয়ে দেন মাহেদী হাসান। গতবছর সেপ্টেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছিলেন তিনি। ফিরে আসার ম্যাচটা মাহেদী স্মরণীয় করে রাখেন আরও এক উইকেটে। এবার তার হালকা ভেতরে ঢোকা বলে বোল্ড হন মিচেল। ১৫ বলে ১৪ রান করেন তিনি।

    উইকেট হারালেও দলকে চাপে পড়তে দেননি মার্ক চাপম্যান। তানজিম সাকিবের বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৪ রান নেন। পাওয়ার প্লে শেষ পর্যন্ত খুব একটা মন্দ হয়নি। ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৬ রান করে তারা।

    পাওয়ার প্লের পরের ওভারগুলোতে রান হয়নি খুব একটা। ওই চাপ থেকে চাপম্যানকে আউট করেন রিশাদ হোসেন। তার বলে ডিপ কাভারে দাঁড়িয়ে চাপম্যানের ক্যাচ নেন তানজিম হাসান সাকিব। ১৯ বলে ১৯ রান করে আউট হন চাপম্যান।

    এরপর জিমি নিশাম ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন। চার-ছক্কার ফুলঝুঁড়ি ছোটান তিনি। ১৭তম ওভারে অবশ্য নিশামকে আউট করেন মোস্তাফিজ। ইয়র্কার করতে গিয়ে দেওয়া তার ফুলটসে তুলে মারতে গিয়ে ডিপ কাভারে দাঁড়ানো আফিফকে ক্যাচ দেন তিনি। ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ২৯ বলে ৪৮ রান করেন নিশাম।

    দেড়শ ছাড়ানোর সম্ভাবনা থাকলেও পরে হয়নি সেটি। ২২ বলে ২৩ রান করে মিচেল স্যান্টনার দলের রান নিয়ে যান ১৩০ ছাড়িয়ে। বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। দুটি করে উইকেট নেন মাহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান। এক উইকেট করে পান তানজিম হাসান সাকিব ও রিশাদ হোসেন।

    রান তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারে ছক্কা হাঁকান রনি তালুকদার, সবমিলিয়ে আসে সাত রান। কিন্তু পরের ওভারেই সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। এডাম মিলনেকে তুলে মারতে গিয়ে টাইমিংটা ঠিকঠাক হয়নি, মিড অনে ক্যাচ নেন টিম সাউদি। ৭ বলে ১০ রান করে আউট হন তালুকদার।

    তিনে নেমে লিটন দাসের সঙ্গে বেশ ভালোভাবেই দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু তাদের ২০ বলে ২৫ রানের জুটি ভাঙে জিমি নিশামের বলে শান্ত স্যান্টনারের হাতে ক্যাচ তুলে দিলে।

    এরপর ক্রিজে এসে ছোটখাটো একটা ঝড়ই তোলেন সৌম্য সরকার। ওয়ানডেতে পাওয়া সেঞ্চুরির আত্মবিশ্বাসটা এখনও তার তরতাজা, শটগুলোতেও ছিল তার প্রতিচ্ছবি। কিন্তু সিয়ারসের বল মিড উইকেট দিয়ে চার মারেন। পরের বলেও একই রকম শট খেলতে যান, কিন্তু এবার বোলার একটু জোরে করেন; আউট হয় যান ২ চার ও ১ ছক্কায় ১৫ বলে ২২ রান করা সৌম্য।

    এরপর হৃদয়ের সঙ্গে জুটি বাধেন লিটন। তার সঙ্গীরা যখন আক্রমণাত্মক, তখন কিছুটা নিশ্চুপই ছিলেন লিটন। ১৮ বলে ১৯ রান করে হৃদয় আউট হন, ব্যর্থ হন আফিফও। ধীরে ধীরে কঠিন হতে থাকে সমীকরণ। ১৫তম ওভারের শেষ বলে লিটনকে এলবিডব্লিউ আউট দেন আম্পায়ার, রিভিউ নিয়ে বাঁচেন তিনি।

    এরপর থেকেই ধীরে ধীরে হাত খুলতে শুরু করেন তিনি। এর মধ্যে পায়ে চোটও পান রান নিতে গিয়ে। সেসব ছাপিয়ে এসে ১৮তম ওভারের প্রথম বলেই চার হাঁকান লিটন। পরের বলে স্কুপ করেন তিনি, ইশ সোধি বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচটি প্রায় ধরেই ফেলেছিলেন; কিন্তু বাউন্ডারি লাইনে শুরুতে পা ও পরে পেরিয়ে যান তিনি।

    সহজ হয়ে আসে বাংলাদেশের সমীকরণ। দুই ওভারে দরকার কেবল ১০ রান। ১৯তম ওভারের প্রথমটি ডট দিলেও পরেরটিতে ছক্কা হাঁকান মাহেদী হাসান, এরপর দুই রান নেন; চতুর্থ বলে চার মেরে নিশ্চিত করেন স্মরণীয় এক জয়ের। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দশম টি-টোয়েন্টিতে এসে জয় পেলো বাংলাদেশ।

    মাহেদী হাসান ১৪ রানে দুই উকেট ও ১৯ রানে অপরাজিত থাকায় ম্যাচ সেরার পুরস্কার পেয়েছেন।

     

    স্কোর কার্ড :

    নিউজিল্যান্ড ইনিংস :

    অ্যালেন ক সৌম্য ব শরিফুল ১

    সেইফার্ট ব মাহেদি ০

    মিচেল ব মাহেদি ১৪

    ফিলিপস এলবিডব্লু ব শরিফুল ০

    চাপম্যান ক তানজিম ব রিশাদ ১৯

    নিশাম ক আফিফ ব মুস্তাফিজ ৪৮

    স্যান্টনার ক সৌম্য ব শরিফুল ২৩

    মিলনে অপরাজিত ১৬

    সাউদি ক আফিফ ব মুস্তাফিজ ৮

    সোধি ক লিটন ্ তানজিম ২

    সিয়ার্স অপরাজিত ১

    অতিরিক্ত (লে বা-১, ও-১) ২

    মোট (৯ উইকেট, ২০ ওভার) ১৩৪

    উইকেট পতন : ১-১ (সেফার্ট), ২-১ (অ্যালেন), ৩-১ (ফিলিপস), ৪-২০ (মিচেল), ৫-৫০ (চ্যাপম্যান), ৬-৯১ (স্যান্টনার), ৭-১১০ (নিশাম), ৮-১২৪ (সাউদি), ৯-১২৭ (সোধি)।

    বাংলাদেশ বোলিং :

    মাহেদি : ৪-০-১৪-২,

    শরিফুল : ৪-০-২৬-৩,

    তানজিম : ৪-০-৪৫-১ (ও-১),

    মুস্তাফিজ : ৪-০-১৫-২,

    রিশাদ : ৩-০-২৪-১,

    আফিফ : ১-০-৯-০।

    বাংলাদেশ ইনিংস :

    লিটন অপরাজিত ৪২

    রনি ক সাউদি ব মিলনে ১০

    শান্ত ক স্যান্টনার ব নিশাম ১৯

    সৌম্য ব সিয়ার্স ২২

    হৃদয় ক সাউদি ব স্যান্টনার ১৯

    আফিফ ক নিশাম ব সাউদি ১

    মাহেদি অপরাজিত ১৯

    অতিরিক্ত (লে বা-৩, ও-২) ৫

    মোট (৫ উইকেট, ১৮.৪) ১৩৭

    উইকেট পতন : ১-১৩ (রনি), ২-৩৮ (শান্ত), ৩-৬৭ (সৌম্য), ৪-৯৬ (হৃদয়), ৫-৯৭ (আফিফ)।

    নিউজিল্যান্ড বোলিং :

    সাউদি : ৪-০-১৬-১,

    মিলনে : ৩.৪-০-৩৯-১ (ও-১),

    নিশাম : ১-০-৭-১,

    সিয়ার্স : ৪-০-৩৬-১,

    সোধি : ২-০-২০-০ (ও-১),

    স্যান্টনার : ৪-০-১৬-১।

    ফল : বাংলাদেশ ৫ উইকেটে জয়ী।

    সিরিজ : তিন ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

  • ২৪ ঘন্টায় ইসরায়েলি অভিযানে গাজায় ২৪১ জনের মৃত্যু

    ২৪ ঘন্টায় ইসরায়েলি অভিযানে গাজায় ২৪১ জনের মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: আড়াই মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজায় চলছে ইসরায়েলি হামলা। সেখানে ২৪ ঘন্টায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর অভিযানে ২৪১ জনের প্রাণ গেছে, আহত হয়েছেন ৯১৫ জন। এই তথ্য দিয়েছে গাজায় হামাস শাসিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যুদ্ধে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৯১৫ ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে। ১১ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে নিহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

    ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। হামলায় অন্তত এক হাজার ২০০ জনের প্রাণ গেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক। ইসরায়েল থেকে হামাস ২৪০ জনকে গাজায় নিয়ে জিম্মি করে, পরে তাদের অধিকাংশকেই মুক্ত করে দেয়।

    ইসরায়েল বলেছে, মধ্য গাজায় আসন্ন স্থল অভিযানের খবরের মধ্যে মঙ্গলবার তাদের বাহিনী শতাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছে।

    আজ বুধবার ভোররাতে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের সীমান্তজুড়ে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

    এদিকে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এ যুদ্ধকে জনগণের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর অপরাধ’ বলে অভিহিত করেছেন। আর অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান হেরজি হালেভি বলেছেন, হামাসের সঙ্গে যুদ্ধ আরও অনেক মাস ধরে চলতে থাকবে।

     

  • দেশের একটি পরিবারের মাসিক গড় আয় ৩২,৫০০ টাকা

    দেশের একটি পরিবারের মাসিক গড় আয় ৩২,৫০০ টাকা

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: দেশের একটি পরিবার মাসে গড় আয় করে সাড়ে ৩২ হাজার টাকা। আয়ের বিপরীতে একটি পরিবারের ব্যয় হয় সাড়ে ৩১ হাজার টাকা। অর্থাৎ একটি পরিবার মাসে এক হাজার টাকার মতো সঞ্চয় করেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের পারিবারিক এই অর্থনৈতিক এই চিত্র উঠে এসেছে।

    আজ বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনের অডিটোরিয়ামে ‘হাউজহোল্ড ইনকাম অ্যান্ড এক্সপেনডিচার সার্ভে’ (এইচআইইএস) ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। বিবিএস প্রতিবেদনে জানায়, দেশের প্রতিটি খানার গড় আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এইচআইইএস ২০২২ জরিপের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী খানার মাসিক গড় আয় ৩২ হাজার ৪২২ টাকা। যা ২০১০ ও ২০১৬ সালের জরিপে ছিল যথাক্রমে ১১ হাজার ৪৭৯ টাকা এবং ১৫ হাজার ৯৮৮ টাকা। এ ছাড়া, এইচআইইএস ২০২২ অনুযায়ী গতবারের তুলনায় এবার প্রতিটি খানার মাসিক আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে মাসিক ব্যয়ও বেড়েছে। এইচআইইএস ২০২২ অনুযায়ী, বর্তমানে একটি খানার মাসিক ব্যয় ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। যা ২০১০ ও ২০১৬ সালে ছিল যথাক্রমে ১১ হাজার ২০০ টাকা এবং ১৫ হাজার ৭১৫ টাকা।

    সংস্থাটি জানায়, এইচআইইএস ২০২২ এর তথ্য-উপাত্ত নিরীক্ষণে দেখা যায় খানায় খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত ব্যয়ের ধারায় পরিবর্তন হয়েছে। খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২২ সালে খাদ্য ব্যয়ের শতকরা হার ৪৫.৮ শতাংশ, এবং খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় ৫৪.২ শতাংশ। যেখানে ২০১৬ সালে খাদ্যের জন্য ব্যয় ছিল ৪৭.৭ শতাংশ এবং খাদ্য বহির্ভূত ব্যয় ৫২.৩ শতাংশ। ২০২২ সালে চালের দৈনিক মাথাপিছু গড় ভোগের পরিমাণ ছিল ৩২৮.৯ গ্রাম; যা ২০১৬ সালে ছিল ৩৬৭.২ গ্রাম এবং ২০১০ সালে ছিল ৪১৬.০ গ্রাম। ২০০৫ সালে ছিল ৪৩৯.৬ গ্রাম এবং ২০০০ সালে ৪৫৮.৫ গ্রাম। অন্যদিকে, সবজি ও মাংসের ব্যবহার ধীরে ধীরে বেড়েছে বলে জানায় বিবিএস।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রোটিন গ্রহণের গড় পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালের তথ্য-উপাত্ত অনুযায়ী দৈনিক মাথাপিছু প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ ৭২.৫ গ্রাম, যা ২০১৬ সালে ছিল ৬৩.৮ গ্রাম। এছাড়া  ২০১০ সালে ৬৬.২৬ গ্রাম, ২০০৫ সালে ৬২.৫২ গ্রাম ও ২০০০ সালে ছিল ৬২.৫০ গ্রাম ছিল।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন— ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন এনডিসি, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. মো. কাউছার আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিবিএস মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং মূল প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ এমপিএইচ।

  • রান্নার : হালিম

    রান্নার : হালিম

    www.HelloBangla.News – লাইফস্টাইল – ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩: হালিম একটি জনপ্রিয় খাবার। সারাবছর কম পাওয়া গেলেও রামাদানে এবং শীতকালে  হালিমের জনপ্রিয়তা অনেক। মধ্যপ্রাচ্যে  এর জন্ম হলেও ভারত পাকিস্তান বাংলাদেশেও এখন এটা চাহিদার শির্ষেই বলা যায়। চলুন দেখি এই মজাদার হালিম কিভাবে খুব সহজেই ঘরে বানিয়ে খাওয়া যায়।

    জিনিয়া ইসলাম- লাইফস্টাইল
    জিনিয়া ইসলাম- লাইফস্টাইল

    উপকরণ :

    পোলাও চাল-৪০ গ্রাম, মুগ ডাল (ভেজে নেয়া)-৪০ গ্রাম, মুসুর ডাল-৪০ গ্রাম, ছোলার ডাল-৪০ গ্রাম, মাষকালাই-৪০ গ্রাম, খেসারি ডাল-৪০ গ্রাম, ওটস-১/২ কাপ, পানি গরম-৩/৪ কাপ।

    উপরের উপাদান গুলির সবই ব্লেন্ডারে একটু গুড়ো করে নিতে হবে। ওটস ছাড়া। এখন একটা পাত্রে উপাদানের গুড়া  এবং ওটস  এর মধ্যে গরম পানি ঢেলে ভালো করে মিশিয়ে নিবো। ঢেকে রাখবো প্রায় ১৫/২০ মিনিট।

     

    হালিমের মসলা :

    গোটা ধনিয়া-১ টেবিল চামচ, গোটা জিড়া-১ টেবিল চামচ, মেথি-১/২ চা চামচ, সরিষা (দুই রকম)-১ চা চামচ করে, গোল মরিচ-১ চা চামচ, এলাচ-৪/৫ টা, দাড়চিনি-২/৩ টা, বড় এলাচ-১ টা, লং-৬/৭ টা, জায়ফল চার ভাগের এক ভাগ, জয়ত্রী একটির অর্ধেক অংশ, তেজপাতা-২/৪ টা (এই উপাদান গুলি টেলে গুড়া করে নিতে হবে।) লাল মরিচ গুড়া-১ টে চামচ, হলুদ গুড়া-১চা চামচ, বিট লবন-১ চা চামচ, গুড়া মসলায় মিশিয়ে নিবো।

     

    অন্যান্য উপকরণ:

    গরু বা খাসি মাংস-১, ১/২ কেজি, পিয়াজ-১ কাপ, আদা বাটা-২ টে  চামচ, রসূন বাটা-২ টে চামচ, তেল           -১ কাপ, লবন-স্বাদমতো, গরম মসলা গুড়া-১চা চামচ,  হলুদ গুড়া-২ টে চামচ, মরিচ গুড়া-১, ১/২ টে চামচ, ধনিয়া গুড়া-১ চা চামচ, জিড়া গুড়া-১চা চামচ।

     

    প্রস্তুত প্রণালি:

    মাংসের  সাথে সব মসলা মাখিয়ে চুলায় দিতে হবে। আচ মিডিয়াম থাকবে। মাংস সেদ্ধ হলে হালিমের যে গুড়া মসলা করে রেখেছিলাম সেটার অর্ধেক অংশ মাংসে  মিশিয়ে ঢিম আচে রেখে দিতে হবে। এখন মাংসতে চালডালের মিশ্রন দিবো । ভালো করে নাড়তে হবে যাতে পাতিলে লেগে না যায় বা পুড়ে না যায়। মাংস ও চাল ডাল সেদ্ধ হলে  ঘন হলে তেল উপরে আসলে বাকি যে হালিমের মসলা ছিলো ওটা ঢেলে ভালো করে নেরে নিবো। পাচ মিনিট দমে রাখলে তেল উপরে আসলে নামিয়ে নিবো।

    একটা প্যানে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে তাতে ১,১/২ চা চামচ জিড়া ও শুকনা মরিচ ভেজে নিবো।  বাটিতে ঢেলে তাতে  শুকনা মরিচের ফোড়ন ঢেলে বেরেস্তা কাচামরিচ কুচি ধনিয়া পাতা কুচি আদা কুচি লেবু স্লাইস করে সাজিয়ে গরম গরম  হালিম পরিবেশন করা হয়।

     

    রেসিপি দিয়েছেন: জিনিয়া ইসলাম

  • নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উত্তরবঙ্গ মঙ্গা থেকে মুক্তি পেয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উত্তরবঙ্গ মঙ্গা থেকে মুক্তি পেয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উত্তরবঙ্গ মঙ্গা থেকে মুক্তি পেয়েছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “১৫ আগস্টের পর বাংলার মানুষ ছিল অবহেলিত। তাদের মাথাপিছু আয় বাড়েনি। তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে আমি এগিয়ে এসেছি।”

    আজ মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে রংপুরের তারাগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আগামী ৭ জানুয়ারি (২০২৪) নির্বাচন। ওইদিন সকাল সকাল সবাইকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন। আর নৌকা নূহ নবীর নৌকা মার্কা। সেই মহাপ্লাবনের সময় মানুষকে বাঁচিয়েছিল। এই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আপনারা স্বাধীনতা পেয়েছেন। এই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে উত্তরবঙ্গ মঙ্গা থেকে মুক্তি পেয়েছে। এখন আর মঙ্গা পিরীত নেই। মঙ্গা থেকে মুক্তি পেয়ে এখন উন্নয়নের সুবাতাস বইছে। এই নৌকা মার্কায় আপনাদের জীবন-মান উন্নত করেছে। কাজেই আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আপনাদের সেবা করার আরও একবার সুযোগ দেবেন। যাতে আপনাদের জীবন সমৃদ্ধ করতে পারি। দেশকে আরও উন্নত করতে চাই জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এজন্য কেবল নৌকা মার্কা থাকলেই সেটা সম্ভব। আমার আর হারাবার-পাওয়ার কিছু নেই। কিন্তু আপনারা ভালো থাকবেন সেটাই আমার লক্ষ্য। এ জন্য ৭ জানুয়ারি সকালে ঘুম থেকে উঠেই আপনারা ভোট দিতে যাবেন।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রংপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডিউককে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম। আরও একবার তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।”

    এসময় প্রধানমন্ত্রী তার সময়কালে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বিবরণ তুলে ধরেন।

    এর আগে রংপুরের তারাগঞ্জ ও পীরগঞ্জে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে আকাশপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

    সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে প্রথমে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার ওয়াকফ এস্টেট কলেজ মাঠে রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের প্রার্থী আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী ডিউকের নির্বাচনী সভায় যোগ দেন।

    জনসভা শেষে সড়ক পথে স্বামীর বাড়ি পীরগঞ্জের লালদীঘি ফতেহপুর যাবেন শেখ হাসিনা। ফতেহপুরে স্বামী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কবর জিয়ারত করবেন এবং নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও খাবার শেষে বিকেলে পীরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেবেন। সেখানে রংপুর-৫ (পীরগঞ্জ) আসনে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর পক্ষে ভোট চাইবেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী পীরগঞ্জ যাওয়ার পথে মিঠাপুকুর উপজেলায় আরেকটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেন। তিনি সবার সঙ্গে রংপুর-৫ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী রাশেক রহমানের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাকে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

    ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’কে ‘স্মার্ট বাংলাদেশে’ পরিণত করতে আওয়ামী লীগের হাতকে শক্তিশালী করতে আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

    এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ছাত্র ও যুবকরা স্মার্ট ও দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে উঠবে।  আমরা ভবিষ্যতের জন্য তাদের গড়ে তুলব আর ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ ও ‘স্মার্ট সোনার বাংলা।’

    নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দলটি নির্বাচনী পথ উন্মুক্ত করায় যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে আওয়ামী লীগের প্রতিটি প্রার্থীকে সতর্ক করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

    তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করতে হবে, আবারও আপনাদের সেবা দিতে আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।’

  • শেখ হাসিনার সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৩: শেখ হাসিনার সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ, বলে জনিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, “এবারে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কোনো ধরনের কারচুপি হতে দেবে না। শেখ হাসিনার সরকারও অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ।”

    আজ মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এক সময় আজিজ মার্কা ইলেকশন কমিশন এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোট দিয়েছে। এখন যাতে ভুয়া ভোট না হয় সেজন্য আমরা বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করেছি।”

    পরররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “এবারের নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি দেখানো যাবে না। প্রতিটি বুথের নিরাপত্তায় প্রশাসন কাজ করবে।”

    তিনি আরও বলেন, “যারা ভোট বর্জন করে তারা গণতন্ত্রের লোক না। সরকার পরিবর্তন করতে হলে ভোট প্রয়োজন। অন্য কোনো উপায়ে সরকার পরিবর্তন করার নিয়ম দুনিয়ার কোথাও নেই।”

    ড. মোমেন বলেন, আফগানিস্তান, ইউক্রেন ও লিবিয়ার মতো বাংলাদেশে মারামারি কাটাকাটি হলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ প্রমুখ।