Author: Hello Bangla News

  • খাজা ইস্যুতে আইসিসিকে ভণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন হোল্ডিং

    খাজা ইস্যুতে আইসিসিকে ভণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন হোল্ডিং

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: উসমান খাজা অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম একজন ক্রিকেট খেলোয়াড়। বিশ্বকাপ জয়ী দলটির একমাত্র মুসলিম খেলোড়ায় তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে পার্থ টেস্ট যখন শুরু হয় তখন উসমান খাজা ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানাতে কালো আর্ম ব্যান্ড পরেন। আইসিসির অনুমতি না নিয়ে কালো আর্ম ব্যান্ড পড়েন তিনি। যার ফলে তাকে তিরস্কার করে আইসিসি। এবার মেলবোর্নে জুতায় শান্তির প্রতীক পায়রার স্টিকার নিয়ে নামতে চেয়েছিলেন খাজা। কিন্তু এর অনুমতি পাননি।

    এক্ষেত্রে আইসিসিকে ভণ্ড হিসেবে উল্লেখ করেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার মাইকেল হোল্ডিং। তাহলে ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার ও এলজিবিটিকিউ আন্দোলনের পক্ষে সংহতি জানানোর অনুমতি কেন দেওয়া হলো, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

    দ্য অস্ট্রেলিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হোল্ডিং বলেন, ‘আমি খাজাকে নিয়ে সৃষ্টি হওয়া গোলমালের ব্যাপারটি অনুসরণ করছি। আইসিসির অবস্থানে বিস্মিত হয়েছি, তা ঠিক বলতে পারছি না। অন্য বেশির ভাগ সংস্থা, যারা নিজেদের মনোভাব নিয়ে একটু ধারাবাহিকতার আভাস দেখিয়েছে, তারা এমন করলেও আমি বিস্মিত হতাম। তবে তাদের (আইসিসি) ক্ষেত্রে নয়। তারা আরেকবার তাদের ভণ্ডামি এবং সংস্থা হিসেবে নৈতিক কোনো অবস্থানের ঘাটতির ব্যাপারটি দেখাল। ’

    “আইসিসির নিয়ম বলে, ‘রাজনৈতিক, ধর্মীয়, বর্ণের কোনো আন্দোলনের কোনো বার্তা দেওয়া যাবে না। তাহলে বিএলএমের (ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার) সময় কীভাবে মানুষকে হাঁটু গেড়ে সংহতি জানানোর অনুমতি দেওয়া হলো? কীভাবে স্টাম্প এলজিবিটিকিউয়ের রঙে ঢেকে দেওয়া হলো?’ ”

    এদিকে খাজার পাশে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তিনি বলেন, ‘আমরা সত্যিই উজির (খাজা) পাশে আছি। নিজের বিশ্বাসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে সে এবং সেটা বেশ সম্মানজনকভাবেই তুলে ধরেছে। অবশ্যই প্রতিটি জীবনই সমান মূল্যবান এবং এখানে আক্রমণাত্মক কিছু আছে বলে আমার মনে হয় না। এই পায়রা নিয়েও একই কথা বলব আমি। ’

    ‘উজি, এমনই… যেভাবে সে সবকিছু তুলে ধরেছে, অবশ্যই মাথা উঁচু রাখতে পারে সে। তবে আইন তো আইনই এবং আইসিসি বলেছে যে, তারা অনুমতি দিচ্ছে না। তারাই আইন তৈরি করে এবং তা মেনে নিতেই হবে আমাদের। ’

    যখন সারা বিশ্ব গজায় গণহত্যার প্রতিবাদ জানাচ্ছে তখন উসমান খাজাকে তার মত করে প্রতিবাদ করতে দেওয়া উচিৎ বলে মনে করেন অনেক ক্রিড়ামোদি। শুধু তাই নয় খাজার পাশে আছে তার দল অস্ট্রেলিয়া।

  • যন্ত্র সঙ্গীতের মূর্ছনায় মুগ্ধ শ্রোতারা

    যন্ত্র সঙ্গীতের মূর্ছনায় মুগ্ধ শ্রোতারা

    www.HelloBangla.News – বিনোদন – ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে গণজাগরণের সাংস্কৃতিক উৎসবে ৮ম দিন পরিবেশিত হলো যন্ত্রসঙ্গীতের মূর্ছনা। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় শুরুতেই যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যন্ত্রশিল্পীবৃন্দ। এরপর সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল আরাধনা। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন প্রিয়াংকা সাহা । পরিবেশিত হয় ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ নৃত্য। এরপর পরিবেশিত হয় আবৃত্তি, পাঠ করেন জনপ্রিয় আবৃত্তিকার মীর বরকত। এরপর মরমী সাধক লালন সাঁইয়ের গান পরিবেশন করেন রিতা মন্ডল “আমার এই ঘরখানায় কে বিরাজ করে”। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যাঙ্গন নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনা করেন আতিকুর রহমান উজ্বল, পরিবেশিত হয় ‘জয় বাংলা জয় বাংলা’ । এরপর রবীন্দ্র সঙ্গীত ‘বরিষ ধরা মাঝে’ পরিবেশন করেন শাহনাজ নাসরীন ইলা এবং একক সংগীত পরিবেশন করেন আবু বকর সিদ্দিক। আবার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যদল কাঁদামাটি। নৃত্য পরিচালনায় করেন আমিনুল আশরাফ ‘আত্মত্যাগের পরিচয়’ । একক সংগীত পরিবেশন করেন সুমাইয়া জাহান শিমু।

    নৃত্যে মুগ্ধ দর্শকরা - বিনোদন - ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)
    নৃত্যে মুগ্ধ দর্শকরা – বিনোদন – ২৫ ডিসেম্বর ২০২৩ (২)

    ধারাবাহিক এ আয়োজনে পরবর্তী পরিবেশনা সমবেত নৃত্য, পরিবেশন করে অ্যালিফিয়া ডান্স এ্যাটেলিয়ার। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন নৃত্য পরিচালক মোফাফসল আলিক ‘তুমি বাংলার ধ্রুবতারা । এরপর আবৃত্তি পাঠ করেন বেলায়েত হোসেন। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে আরাধনা নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন প্রিয়াংকা সাহা পরিবেশিত হয় ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে’। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন হৈমন্তি রক্ষিত। আবারো সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যাঙ্গন নৃত্যদল। নৃত্য পরিচালনা করে আতিকুর রহামন উজ্বল ‘নোঙ্গর ছাড়িয়া দে’। এরপর একক সংগীত পরিবেশন করেন কাজল দেওয়ান। আবার সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে অ্যালিফিয়া ডান্স এ্যাটেলিয়ার, নজরুল সঙ্গীত ‘মোরা ঝঞ্জার মতো।

    জমজমাট এ উৎসবে পরবর্তী পরিবেশনা ‘গণজাগরণের সংগীত’ পরিবেশন করে ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী। সবশেষে সমবেত নৃত্য পরিবেশনা করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিশু নৃত্য দল ‘চলো বাংলাদেশ’।

    অনুষ্ঠানে উপস্থাপনায় ছিলেন-নৃরুল হাসনাত জিলানী।

  • মরিয়ম পুত্রকে ইসলামে নবী ও খ্রিস্টান ধর্মে ঈশ্বর বলা হয়েছে

    মরিয়ম পুত্রকে ইসলামে নবী ও খ্রিস্টান ধর্মে ঈশ্বর বলা হয়েছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৩: কুমারী মরিয়ম পুত্রকে ইসলামে ঈসানবী ও খ্রিস্টান ধর্মে যিশুকে ঈশ্বর বলা হয়েছে। ঈসলামে নবী ঈসার মা মরিয়মকে এতটাই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং পবিত্র কোরানে একটি সূরা নাম ‘মরিয়ম’ রাখা হয়েছে। তিনিই একমাত্র নারী, যাকে মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থে নাম ধরে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে মুসলমানরা নবী ঈসার জন্মদিন বা বড়দিন উদযাপন করে না। ক্যাথলিক ধর্মের নেতারা শুরু থেকেই মেরি এবং জেসাস/যিশুর প্রতি ইসলামের গভীর শ্রদ্ধাকে স্বীকৃতি দিয়ে এসেছে।

    “মরিয়মের নাম ক্যানোনিকাল গসপেলগুলোয় যতবার বলা হয়েছে তার চাইতে বেশি বলা হয়েছে কোরানে। কোরানের কমপক্ষে ৭০টি আয়াতে মরিয়মের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।”

    জন ইউনিভার্সিটির থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজের অধ্যাপক জেকি সারিটোপ্রাক যুক্তরাষ্ট্রের, অক্সফোর্ড বিবলিওগ্রাফিজ ওয়েবসাইটে “মেরি ইন ইসলাম” লেখায় এই তথ্য জানান৷

    তিনি বলেন, “আমার মনে আছে, ২০০৮ সালে যখন লন্ডনের মুসলিম ওয়েলফেয়ার হাউসের মুখপাত্র, আহমেদ মাহির সাবিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম, তিনি যেভাবে মরিয়মের কথা বলেছিলেন তাতে আমি মুগ্ধ হয়েছি।”

    আহমেদ মাহির সাবিক বলেছিলেন, “যখন আমরা মরিয়মের নাম উল্লেখ করি তখন আমরা ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’এই বাক্যাংশটি যোগ করি, যার অর্থ ‘তার উপর শান্তি বর্ষিত হোক।’ ”

    তিনি আরও বলেন, “মরিয়ম মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত একজন নারী ”

    বিশ্বব্যাপী যিশুর অনুসারীর সংখ্যা সর্বাধিক। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানেই রয়েছে মুসলমানরা।

     

     

    নামের চাইতেও বেশি কিছু:

    মুসলমানদের মতে, নবী ঈসার জন্মের ছয় শতাব্দী পরে কোরান নাজিল হয়। ঈশ্বর (ইসলাম ধর্মানুযায়ী আল্লাহ) সে সময় ফেরেশতা জিবরাইলের (খ্রিস্টান ধর্মমতে দেবদূত গ্যাব্রিয়েল) মাধ্যমে, ইসলামের নবী মুহাম্মদের কাছে কোরান নাজিল করেন।

    খ্রিস্টান এবং ইসলাম ধর্ম অনুসারে, গ্যাব্রিয়েল বা জিবরাইল প্রথমবারের মতো মেরি বা মরিয়মকে জানান যে তিনি গর্ভবতী।

    ইসলামের সাহিত্য অনুসারে কোরানে, নবী মুহাম্মদের পরিবারের যেকোনো সদস্যের চেয়ে মরিয়মের নাম বেশি বার উল্লেখ করা হয়েছে।

    মাহির সাবিকের মতে, ইসলামে মরিয়মের মূল তাৎপর্য হল তিনি নবী ঈসার মা ছিলেন।

    মুসলমানদের জন্য, নবী ঈসা ছিলেন-ইব্রাহীম, মুসা, মুহাম্মদের মতো – ঈশ্বরের নবী।

    খ্রিস্টধর্মের মতো ইসলামও বিশ্বাস করে যে, যিশুকে গর্ভে ধারণ করা ছিল একটি অলৌকিক ঘটনা।

    সূরা আল ইমরানে এই ঘটনার বর্ণনা দেয়া হয়েছে যেখানে মরিয়মকে “সুসংবাদ” জানানো হয়, এই বলে যে তিনি এমন একজনের মা হবেন যিনি মেসাইয়াহ বা আল্লাহর রসূল হবেন।

    কোরানের ১১৪টি সূরার মধ্যে ১৯ নম্বর সূরাটি ওই নারীর নামে নামকরণ করা হয়। এ নিয়ে মরিয়মের প্রতিক্রিয়া কোরানের ৪৭ নম্বর আয়াতে উঠে এসেছে।

    “হে ঈশ্বর! আমাকে কোন পুরুষ স্পর্শ না করা সত্ত্বেও আমার সন্তান হবে কিভাবে?”

    পরবর্তীতে, নবীদের সূরায়, মরিয়মের সতীত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছে:

    “এবং মরিয়ম এমন একজন যিনি তার কুমারীত্ব রক্ষা করেছিলেন, তারপর আমি তার ভেতর আমার রূহ ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং তাকে ও তার পুত্রকে সমগ্র জগতবাসীর জন্য এক নিদর্শন বানিয়েছিলাম।”

     

    দুই ধর্মে মরিয়মকে নিয়ে গল্পগুলোতে কিছু:

    যদিও উভয় ধর্মই মরিয়মের প্রশংসা করেছে, তবে যিশুর মা-কে নিয়ে গল্পগুলোয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভিন্নতা রয়েছে।

    ইসলাম ধর্মে নবী ইউসুফের (খ্রিস্টান ধর্মমতে জোসেফ) কথা কোথাও উল্লেখ করা হয়নি, যেখানে কিনা খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ বাইবেল অনুসারে মেরি ছিলেন জোসেফের বাগদত্তা।

    অন্যদিকে ইসলাম ধর্মমতে, নবী ঈসার মা যখন গর্ভবতী হয়েছিলেন তখন তিনি বিবাহিত ছিলেন না অর্থাৎ কুমারী ছিলেন।

    মাহির সাবিক ব্যাখ্যা করেছেন, মরিয়ম তার পরিবার এবং তার সম্প্রদায় থেকে দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন যেন তিনি একটি খেজুর গাছের ছায়ায় একা একা বাচ্চা প্রসব করতে পারেন। কোরানে সূরা মরিয়মের ২২ থেকে ২৫ আয়াতে নবী ঈসার জন্মের কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

    “অতঃপর তিনি গর্ভে সন্তান ধারণ করলেন এবং একটি নির্জন স্থানে চলে গেলেন। প্রসব বেদনায় তিনি এক খেজুর গাছের নীচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। সন্তান প্রসবের বেদনায় তিনি বলেছিলেন: ‘এর আগেই যদি আমি মরে যেতাম আর মানুষের স্মৃতি থেকে পুরোপুরি মুছে যেতাম!’”

    “অতঃপর ফেরেশতা তাকে নীচ থেকে আওয়াজ দিলেন যে, তুমি দুঃখ করো না। তোমার পালনকর্তা তোমার পায়ের তলায় এক নহর বইয়ে দিয়েছেন।”

    “তুমি তোমার দিকে খেজুর গাছের কাণ্ড নাড়া দাও, সেটি তোমার সামনে তাজা, পাকা খেজুর ফেলতে থাকবে।”

     

    এক নারীর সাহসিকতা:

    সারিটোপ্রাকের মতে, ইসলামে মরিয়মের গুরুত্বের আরেকটি দিক হল যে কোরানের কিছু আয়াতে নবী ঈসাকে “মরিয়মের পুত্র” হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও ইসলামের ইতিহাসে এমন অনেক নারী আছেন যাদেরকে মুসলিমরা প্রশংসা করেন। যেমন নবী মুহাম্মদের স্ত্রী এবং কন্যা।

    মরিয়ম তাদের অনেকের জন্য একটি আদর্শ ছিলেন। আসমা রেজকি নামে এক মুসলিম তরুণী সারিটোপ্রাককে ২০০৮ সালে এ কথা বলেছিলেন।

    রেজকি তাকে বলেছিলেন, “বিশ্বের সব নারীদের মধ্যে মরিয়মকে, ঈশ্বর তাঁর নবীর মা হওয়ার জন্য মনোনীত করেছিলেন। ”

    “তিনি পবিত্রতার প্রতীক এবং ঈশ্বরের কাছে আত্মসমর্পণের উদাহরণ,” বলেন রেজকি।

    নবী ঈসার মা মুসলমানদের জন্য ধৈর্য ও সাহসের উদাহরণও বটে। কারণ তিনি যখন তার সম্প্রদায়ে ফিরে আসেন, তখন মরিয়মকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যেমনটি সূরা মরিয়মের আয়াতগুলোয় বর্ণনা করা হয়েছে।

    “অতঃপর তিনি তার সন্তানকে কোলে নিয়ে তার সম্প্রদায়ের সামনে হাজির হলেন। তারা বলল: হে মরিয়ম, তুমি তো এক অঘটন ঘটিয়ে বসেছ।”

    “হে হারুনের বোন! তোমার পিতা কোন অসৎ ব্যক্তি ছিলেন না এবং তোমার মা ব্যভিচারিণী ছিলেন না।”

    কোরান অনুসারে, নবী ঈসা নবজাতক হওয়া সত্ত্বেও কথা বলে ওঠেন: “আমি আল্লাহর বান্দা। তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন এবং আমাকে একজন নবী করেছেন।”

    অক্সফোর্ড বিবলিওগ্রাফি ওয়েবসাইটে যিশুর উপর যুক্তরাষ্ট্রের লুথার কলেজের অধ্যাপক রবার্ট শেডিংগারের লেখায় উল্লেখ করা হয়েছে, “নবী ঈসা ইসলামিক ঐতিহ্যে এক বিশেষ ভূমিকা পালন করেন এবং প্রায়শই মুহাম্মদের পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নবী হিসাবে তাকে বিবেচনা করা হয়।”

    শেডিংগার বলেন, মূলত মুসলমানদের সাথে কথা বলার সময় আমি লক্ষ্য করেছি যে তারা যখন নবী মুহাম্মাদের নাম উল্লেখ করে, তখন তারা তার নাম উচ্চারণ করার পরে সাল্লাল্লাহু ওলায়হি ওয়াসসাল্লাম বা “তাঁর উপর শান্তি বর্ষিত হোক।”- এই বাক্যাংশটি যুক্ত করেন: তারা যখন নবী ঈসা সম্পর্কে কথা বলে তখনও একই কাজ করেন।

    দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোয় যিশু এবং মেরি দুটি খুব জনপ্রিয় নাম, তেমনি মুসলিম বিশ্বে ছেলেদের ঈসা এবং মেয়েদের মরিয়ম নামটিও খুব প্রচলিত।

     

    উপাসনা:

    ইসলাম এবং ক্যাথলিক ধর্মে মরিয়ম এবং তার পুত্রকে ঘিরে যেসব ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। সেখানে অন্যতম প্রধান অসঙ্গতির বিষয়টি পরিষ্কার হয়েছে।

    ক্যাথলিকদের জন্য, ভার্জিন মেরি হলেন ঈশ্বরের মা এবং ঈশ্বর জেসাস বা যিশুর মধ্যে মানুষ রূপে আবির্ভূত হয়েছেন।

    অন্যদিকে মুসলমানদের জন্য, নবী ঈসা ঈশ্বর নন। তাই, মরিয়ম ঈশ্বরের মা নন।

    ইসলামে, মরিয়ম বা নবী ঈসা কাউকে ঈশ্বরের সামনে সুপারিশকারী হিসাবে দেখা হয়নি।

    তারা মানুষ ছিলেন যাদের কাছে – ইসলাম ধর্ম অনুসারে – কিছুই প্রার্থনা করা বা চাওয়া যায় না বা চাওয়া হয় না।

    “আমরা বিশ্বাস করি যে একমাত্র যিনি আমাদের ইহকাল ও পরকালে সাহায্য করতে পারেন, তিনি আল্লাহ (ঈশ্বর)। তাহলে আমরা কেন অন্য কারো উপাসনা করব যদি আল্লাহই সবকিছু করতে পারেন? …মরিয়ম আমাদের সাহায্য করতে পারবে না,” বলেন মাহির সাবিক।

    “নবী ঈসার নাম কোরানে ২৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে, তাকে ঈশ্বর প্রদত্ত এক অলৌকিক বিষয় হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। … শান্তির নবী হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।”

    “নবী ঈসা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে মুহাম্মদ আসবেন এবং তাই তাকে ইসলামের আগাম ঘোষণাদাতা বলা যেতে পারে,” ফিলিস্তিনি ইতিহাসবিদ তারিফ খালিদি “মুসলিমদের চোখে যিশু” নিবন্ধে এ কথা উল্লেখ করেন।

    কোরানেও নবী ঈসার অলৌকিক কাজ করার ক্ষমতাকেও স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।

     

    প্রতিকৃতি:

    ক্যাথলিক গির্জা এবং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বাড়ি, যানবাহন এবং পোশাকে মেরির বিভিন্ন প্রতিকৃতি দেখা যায়।

    ক্যাথলিক গির্জা একটি বিষয় খেয়াল রাখে তা হল, তারা যখন মেরির প্রতি বিশ্বাস রেখে প্রার্থনা করে তখন সেটা যিশুর মায়ের প্রতিকৃতিকে উপাসনা করা হয় না।

    তারা জোর দিয়ে আরো বলে যে, মেরির কাছে তারা যে মিনতি করে এর মধ্যমে তারা মূলত ঈশ্বরের কাছে সেই প্রার্থনা পৌঁছে দিতে তার মধ্যস্থতা কামনা করে। মিস্ট্রি অব হলি ট্রিনিটিতে এই ব্যাখ্যা দেয়া হয়। ইসলামে, আল্লাহর কোন নবীকে কোন ছবি বা প্রতিকৃতির মাধ্যমে তুলে ধরা নিষেধ।

    এ কারণে মসজিদে মানুষের কোন ছবি থাকে না। মসজিদের দেয়ালে আরবি ক্যালিগ্রাফিতে কোরানের আয়াত লেখা থাকে।

    ইসলামের সুন্নি ধারাও মরিয়মকে প্রতিকৃতি রূপে প্রকাশ করাকে আপত্তিকর বলে মনে করে। যদিও অনেক শিয়া (ইসলাম ধর্মের আরেকটি শাখা) ইসলামি ব্যক্তিত্বের ছবি প্রকাশের ব্যাপারে বেশ নমনীয়।

    মরিয়ম আল-মুকাদ্দাশ (দ্য অনারেবল সেন্ট মেরি) নামক এক ইরানি চলচ্চিত্রে কোরানের আয়াতগুলোকে পুনরায় গতিচিত্রে তুলে ধরা হয়।

    যেখানে মরিয়মের গল্প বলা হয়েছে এবং সেখানে এক তরুণী অভিনেত্রী মরিয়মের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

     

    আরেকটি অসঙ্গতি:

    ক্যাথলিক ধর্ম এবং ইসলামের মধ্যে জেসাস/যিশু বা নবী ঈসাকে নিয়ে মূল পার্থক্য হল ইসলামে তাকে একজন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করার হয় এবং তাকে ঈশ্বর বা ঈশ্বরের পুত্র বলা হয় না।

    সেইসাথে তিনি যেভাবে মারা গেছেন সেটা নিয়েও দুটি ধর্মে ভিন্ন ব্যাখ্যা আছে।

    ইসলামী ঐতিহ্য অনুসারে, যিশু বা নবী ঈসাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়নি।

    “কোরান নবী ঈসাকে ক্রুশবিদ্ধ করা এবং পুনরুত্থান সম্পর্কে খ্রিস্টান বিশ্বাসকে অস্বীকার করে। বরং ইসলামে বলা হয়েছে, যদিও তাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়েছে বলে মনে হয়, কিন্তু আসলে ঈশ্বর তাকে আগেই তুলে নিয়েছেন,” অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ইসলামিক স্টাডিজে এই তথ্য দেয়া হয়।

    কোরানের ১৫৭ ও ১৫৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে:

    ”যদিও তারা বলেছে: আমরা মরিয়মের পুত্র আরেকজন আল্লাহর নবী ইসাকে হত্যা করেছি, তারা সেটা বিশ্বাস করলেও আসলে তারা হত্যা করতে পারেনি বা ক্রুশবিদ্ধ করতে পারেনি। এবং যারা তার সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করেছে, বস্তুত: তারা এ সম্বন্ধে সন্দিহান ছিল, আসলে কী ঘটেছে, সেই সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞানই ছিল না। আর এটা নিশ্চিত যে, তারা তাকে হত্যা করেনি”

    “কিন্তু আল্লাহ তাকে নিজের কাছে তুলে নিয়েছেন। আল্লাহ পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়।”

    এ ধরনের মতভেদ থাকা সত্ত্বেও নবী ঈসা ইসলামের প্রিয় একজন নবী। কেননা তিনি একজন শিক্ষক এবং আধ্যাত্মিক নেতা।

    তবে মুসলমানরা তার জন্মদিন বা বড়দিন উদযাপন করে না।

    ক্যাথলিক ধর্মের নেতারা শুরু থেকেই মেরি এবং জেসাস/যিশুর প্রতি ইসলামের গভীর শ্রদ্ধাকে স্বীকৃতি দিয়ে এসেছে।

    অনেকের মতে, এটি উভয় বিশ্বের মধ্যে সংলাপ স্থাপনের সেরা সেতুবন্ধনগুলোর একটি।

     

    সূত্র: মার্গারিটা রদ্রিগেজ, (বিবিসি নিউজ ওয়ার্ল্ড-বিবিসি বাংলা)

  • বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইন্দোনেশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ তারিকুল ইসলাম।

    আজ রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) বঙ্গভবনে এই সাক্ষাৎ পর্বটি অনুষ্ঠিত হয়ে। এ সময় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাহউদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

    রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন বাসসকে জানান, সাক্ষাৎকালে নতুন রাষ্ট্রদূত দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির  দিক নির্দেশনা কামনা করেন।

    রাষ্ট্রপতি বলেন, ইন্দোনেশিয়ার সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির  যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

    বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, ঔষধ, সিরামিকসহ বিভিন্ন পণ্যের ইন্দোনেশিয়ায় রপ্তানি বৃদ্ধিসহ দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য বিনিয়োগ সম্ভাবনাগুলোকে  কাজে লাগাতে নতুন রাষ্ট্রদূতকে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।

    রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সফর বিনিময়ের উপর জোর দেন ।

    সূত্র: বাসস

  • ধর্মীয় সংঘাত আমরা চাই না: প্রধানমন্ত্রী

    ধর্মীয় সংঘাত আমরা চাই না: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: ধর্মীয় সংঘাত আমরা চাই না, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভপাতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় রীতি পালনে কেউ বাধা দিক সেটাও আমরা চাই না। আমরা প্রত্যেকে আনন্দ ভাগাভাগি করছি। এটাই সব থেকে আনন্দের। আনন্দ, সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নেই।’

    আজ রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গণভবনে বড়দিন উপলক্ষ্যে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে ধর্মনিরপেক্ষতার বার্তা দিতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‌‘এ দেশে স্বাধীনভাবে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে। ধর্মকে ব্যবহার করে কোনো রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সবার সমান অধিকার নিশ্চিত হয়- এমন একটা সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সার্বিক উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। সারাদেশে ভূমিহীন-গৃহহীনদের ঘর করে দিচ্ছি। বাংলাদেশে একটি মানুষও ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না। ধর্ম-বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য এটা প্রযোজ্য।’

    বিশ্বের সব খৃস্টান ধর্মের মানুষকে বড় দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মাটি সবার জন্য। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এক হয়ে যুদ্ধ করেছে। সবার রক্ত মিশে গেছে এই মাটিতে।’

    বিরোধী দল প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ পুড়িয়ে কী অর্জন করছে তারা, এটাই আমার প্রশ্ন। আমরা চাই সংঘাত বন্ধ হোক। মানুষ পুড়িয়ে নির্বাচন বন্ধ করে নির্বাচনী ফায়দা করবে, এটা এদেশে চলবে না। এই অন্যায় কখনও মেনে নেওয়া যাবে না। আপনাদের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই। মানবতার কল্যাণ করাই ধর্মের শিক্ষা।’

    এ সময় প্যালেস্টাইনে ইসরাইলের চালানো হামলার সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    গণভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে কেক কেটে বড়দিন উদযাপনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্যরা।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান: সেতুমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে ঘিরে সর্বত্রই এখন মানুষের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। এখন অন্য কোনো আলোচনা নেই। আমরা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ চাই। নির্বাচনকে নিয়ে কোনো সহিংসতা চাই না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভায়োলেন্স ফ্রি, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান।’

    আজ রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রার্থী বা কোনো প্রার্থী যদি সহিংসতায় জড়ায় তাহলে নির্বাচন কমিশন যে আইনগত ব্যবস্থা নেবে, আমরা সেটিকেই সমর্থন করব। নির্বাচনকালীন কোনো সহিংস কর্মকাণ্ড সমর্থন দেব না, প্রশ্রয়ও দেব না।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা আমাদের দলের প্রার্থী আছেন এবং যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, তারাও কিন্তু আমাদের দলেরই নেতাকর্মী। সুতরাং এর মধ্যে কোনপ্রকার পক্ষপাত বা কোনো বৈরি পরিবেশ তৈরি করা যাবে না। নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতমূলক প্রতিক্রিয়া আমরা চাই না, যা সমর্থনযোগ্য নয়।’

    বিএনপির অসহযোগ আন্দোলনের বিষয়ে কাদের বলেন, ‘ট্যাক্স না দিলে জেলে যেতে হবে। বিদ্যুৎ পানিসহ অন্যান্য ইউটিলিটি বিল না দিলে লাইন কাটা হবে। খাজনা না দিলে শাস্তি পেতে হবে। বিদেশে বসে এসব উদ্ভট আন্দোলনে ডাক না দিয়ে রাস্তায় আসুন, মোকাবিলা হবে। বাংলাদেশে খোমেনি স্টাইলে আন্দোলন হবে না, হয় রাজপথে নয় জেলে। আর তারেকের ডাকে সাড়া দিলে ব্যবসায়ীদের আমও যাবে, ছালাও যাবে। সাহস থাকলে রাজপথে আসুন তারেক রহমান।’

    সংবাদ সম্মেলনে দলের অন্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা শুরু আগামী বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি

    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা শুরু আগামী বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের (২০২৩-২৪) শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএসে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি। এ জন্য এক মাস আগে থেকেই বন্ধ থাকবে সব কোচিং সেন্টার।

    আজ রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

    মন্ত্রী বলেন, এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার বিষয়ে আমরা একটি শিডিউল ঠিক করেছি, সে অনুসারে পরীক্ষা হবে। ভর্তি পরীক্ষার শিডিউলের পাশাপাশি কীভাবে মান উন্নয়ন করা যায়, কীভাবে আরও যুক্তিসঙ্গত পরীক্ষা নেওয়া যায়, যাতে ভালো শিক্ষার্থী ভর্তি হতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    ভর্তির যোগ্যতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে ন্যূনতম ৪৯ নম্বর পেতে হবে। যেটা আগেও ছিল। মাইগ্রেশনের সুযোগ তিনবার রাখা হয়েছে। সব কলেজে একবারে চয়েস দিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে একই নিয়ম অনুসরণ করা হবে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশি শিক্ষার্থীরা ১ জানুয়ারি থেকে আবেদন করতে পারবেন। আর ৪ জানুয়ারি থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আবেদন নেওয়া যাবে।

    সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগ ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক পদার্থবহী জাহাজে ড্রোন হামলা

    যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক পদার্থবহী জাহাজে ড্রোন হামলা

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: রাসায়নিক পদার্থবাহী একটি কার্গো জাহাজে ইরান থেকে ড্রোন হামলা করা হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে। গতকাল শনিবার ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাতের উপকূলে এই জাহাজটি আঘাত করা হয়।

    চেম প্লুটো নামে ওই জাহাজটি ভারতের গুজরাত উপকূল থেকে প্রায় ২০০ নটিক্যাল মাইল ( ৩৭০ কিলোমিটার) দূরে ছিল।

    ড্রোন হামলার পরে জাহাজটিতে আগুন ধরে গেলেও তা দ্রুত নিভিয়ে ফেলা হয়। তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এই অভিযোগের বিষয়ে কোন মন্তব্য করেনি ইরান।

    তবে এই হামলার দায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী বা সংগঠন স্বীকার করেনি।

    রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শনিবার ভারতের উপকূলে জাপানি মালিকানাধীন রাসায়নিক ট্যাংকারে আঘাত হানা ড্রোনটি ইরান থেকে ছোঁড়া হয়েছিল বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে।

    পেন্টাগনের এ দাবি নাকচ করে দিয়ে ইরানের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলী বাকেরি বলেছেন, হুথি যোদ্ধাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা রয়েছে। তারা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ও সামর্থ্য দিয়ে হামলা চালাচ্ছে।

    পেন্টাগনের হিসাব অনুযায়ী, লোহিত সাগরে এ পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্তত ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ১০০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেন। এমন পরিস্থিতিতে জাহাজ চালকেরা পথ পরিবর্তন করে আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্তের চারপাশ দিয়ে ঘুরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

  • বাতাসের আর্দ্রতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব

    বাতাসের আর্দ্রতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব

    www.HelloBangla.News – প্রযুক্তি – ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: ভেজা বাতাসে বিদ্যুৎ থাকে প্রথম এই বিষয়টি মানুষের নজরে আসে ১৮৪০ সালে। ব্রিটেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর নিউক্যাসলের কয়লাখনির ট্রেনের চালক তার হাতে একটা অদ্ভুত শিরশিরে অনূভূতি টের পেলেন। এর পর তিনি খেয়াল করলেন, তার হাতের আঙুল আর ইঞ্জিনের লিভারের মধ্যে ক্ষুদ্র একটা বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ লাফিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। বিজ্ঞানীরা পরে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করে দেখেন এবং  শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে আসেন যে স্টিম ইঞ্জিনের বাষ্প যখন বয়লারের ধাতুর সংস্পর্শে আসছে তখন তাতে একটা বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হচ্ছে।

    বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী নিকোলা টেসলা প্রথম চেয়েছিলেন বাতাসের আর্দ্রতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবেন। তার জীবদ্দশায় তা হয়নি ঠিকই – কিন্তু টেসলার মৃত্যুর কয়েক দশক পর হয়তো এখন তার চিন্তা বাস্তবে রূপ পেতে যাচ্ছে।

    ল্যাবরেটরিতে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেন যে, একটি পরীক্ষামূলক যন্ত্র, যা বাতাসের আর্দ্রতা অনুভব করতে পারে – তা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ উৎপাদন করছে। ঠিক তাই। কিন্তু আপনার হয়তো ধারণা ছিল যে, না, এটা কখনো সম্ভব নয়।

    “যে কোন কারণেই হোক যে ছাত্রটি এ যন্ত্র নিয়ে কাজ করছিল – সে ওটাকে বিদ্যুতের প্লাগে লাগাতে ভুলে গিয়েছিল,” – বলছিলেন ম্যাসাচুসেটস অ্যামহার্স্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের জুন ইয়াও, “সেখান থেকেই এ গল্পের শুরু।“

    পাঁচ বছর আগের ওই দিন থেকে ইয়াও এবং তার সহকর্মীরা এমন একটা প্রযুক্তি তৈরির জন্য কাজ করছেন যা আর্দ্র বাতাসে ভাসমান জলের কণা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। একে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় হাইগ্রোইলেকট্রিসিটি।

    এটা এমন এক ধারণা যা নিয়ে বহু বছর ধরেই বিজ্ঞানীদের মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে। নিকোলা টেসলা এবং আরো কয়েকজন অতীতে এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করেছেন কিন্তু খুব আশাপ্রদ কোন ফল পাননি। কিন্তু এখন সে ক্ষেত্রে মনে হচ্ছে যে বিষয়টি সফল করা সম্ভব।

    পৃথিবীতে অনেকগুলো গবেষণা দল এখন বাতাসে ভাসমান পানির অণু থেকে বৈদ্যুতিক চার্জ বের করে নেবার নতুন নতুন পন্থা আবিষ্কার করছে। এটা করা সম্ভব, কারণ পানির অণুগুলো নিজেদের মধ্যে অতি ক্ষুদ্র পরিমাণে চার্জ বিনিময় করে, এবং বিজ্ঞানীরা ঠিক সেটাকেই নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন।

    এ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জটা হলো যথেষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ এক জায়গায় জড়ো করতে পারা – যাতে তা নানা কাজে ব্যবহার করা যায়। তবে এখন বিজ্ঞানীরা মনে করছেন যে তারা হয়তো একটা ছোট কম্পিউটার বা সেন্সরকে শক্তি যোগানোর মত যথেষ্ট বিদ্যুৎ এভাবে তৈরি করতে পারবেন।

    এর ফলে যে সম্ভাবনাটা তৈরি হচ্ছে তা রীতিমত চাঞ্চল্যকর। কারণ ভেবে দেখুন – এর অর্থ হলো আমাদের চারপাশেই নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস ভেসে বেড়াচ্ছে, দিন-রাত ২৪ ঘন্টা।

    ইয়াও এবং তার সহযোগীরা ২০২০ সালে একটা গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছিলেন। তাতে বলা হয়েছিল এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে সৃষ্টি হওয়া অতিক্ষুদ্র প্রোটিনের তার – বাতাস থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে জমিয়ে রাখতে পারে।

    ঠিক কীভাবে তা হয় সেটা নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে, তবে সম্ভবত এই বস্তুটির মধ্যে অতিসূক্ষ্ম গর্ত আছে যা ভাসমান পানির অণু আটকে রাখতে পারে। এই প্রোটিন-কণার ঘষা লাগলে পানির অণু থেকে চার্জ নির্গত হয়।

    “মেঘের মধ্যে ঠিক এই ব্যাপারটাই ঘটে থাকে” – বলছেন ইয়াও – যদিও তা অনেক বড় আকারে এবং নাটকীয় মাত্রায়। ঝোড়ো আকাশে জমা মেঘে বিপরীতধর্মী বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হয় – যা এক পর্যায়ে বজ্রপাতের আকারে নির্গত হয়ে থাকে। এর মানে হলো – পানির অণুর চলাচলকে প্রভাবিত করতে পারলে এবং চার্জের পার্থক্য সৃষ্টির পরিবেশ তৈরি করতে পারলে – আপনার পক্ষে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব, বলছেন ইয়াও। “এই ডিভাইসটি পৃথিবীর যে কোন জায়গাতেই কাজ করতে পারবে।“

    ইয়াও এবং তার সহকর্মীরা ২০২৩ সালের মে মাসে একটি ফলো-আপ জরিপ প্রকাশ করলেন।

    এর জন্য তারা এমন একটা কাঠামো তৈরি করলেন যা অতি ক্ষুদ্র গর্তে ভরা – কিন্তু কয়েক রকমের পদার্থ দিয়ে তৈরি। তারা ব্যবহার করেন গ্রাফিন অক্সাইডের কণা, পলিমার, এবং কাঠ থেকে পাওয়া আঁশজাতীয় সেলুলোজ ‘ন্যানোফাইবার’।

    এর প্রতিটিতেই কাজ হলো – যদিও ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায়। এতে তারা ধারণা করলেন যে কাঠামোটাই আসল ব্যাপার, কী উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে তা নয়।

    এসব পরীক্ষার জন্য ডিভাইসটি ছিল মানুষের এক গাছা চুলের চাইতেও সরু। আর তাতে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তার পরিমাণও অত্যন্ত কম – এক ভোল্টের একটা ছোট ভগ্নাংশ মাত্র।

    ইয়াও আভাস দিচ্ছেন, এ জিনিসটাই আরো বড় আকারে করলে হয়তো বেশ কয়েক ভোল্ট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যেতে পারে। হয়তো এমন কোন তরল পদার্থও এতে ব্যবহার করা যেতে পারে যা শুধু একটা সারফেসে ছিটিয়ে দিলেই তা তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুতের একটা উৎসে পরিণত হতে পারে।

    লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের একজন প্রকৌশলী রেশমা রাও – যিনি এ জরিপে জড়িত ছিলেন না – বলছেন, “আমার মনে হচ্ছে এটা খুবই উত্তেজনাকর। কারণ উপাদানের ক্ষেত্রে এখানে বিরাট নমনীয়তা রয়েছে।“

    তবে এটা ভাবা বাস্তবানুগ হবে না যে এই প্রযুক্তি দিয়ে পুরো একটা বাড়ি বা বা গাড়ির মতো জিনিসের জন্য বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

    রেশমা রাও বলছেন, বাতাসের আর্দ্রতা থেকে যেটুকু বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে তা দিয়ে হয়তো সেন্সর বা ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইসই চালানো সম্ভব হতে পারে। অবশ্য ইয়াও-এর দলটিই যে শুধু এ নিয়ে কাজ করছে তা নয়। ইসরায়েলের একটি গ্রুপ ২০২০ সালে এমন একটি উপায় উদ্ভাবন করে যাতে দুটি ধাতব টুকরোর ভেতর দিয়ে আর্দ্র বায়ু প্রবাহিত করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

    ভেজা বাতাস যখন ধাতব টুকরোটির ওপর দিয়ে বয়ে যায় তখন টুকরোটিতে বৈদ্যুতিক চার্জ উৎপন্ন হয়।

     

    আগেই বলা হয়েছে প্রথম এই ব্যাপারটা নজরে আসে ১৮৪০ সালে – ব্রিটেনের উত্তরাঞ্চলীয় শহর নিউক্যাসলে এক বাষ্পীয় ইঞ্জিন চালিত ট্রেনের চাকের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে।  যে বিজ্ঞানীরা ঘটনাটার অনুসন্ধান করেছিলেন তারা শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তে আসেন যে স্টিম ইঞ্জিনের বাষ্প যখন বয়লারের ধাতুর সংস্পর্শে আসছে তখন তাতে একটা বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হয়।

    ইসরায়েলে ২০২০ সালের রিপোর্টটির সহ-লেখক একজন গবেষক হচ্ছেন কলিন প্রাইস। তিনি বলছেন, তাদের ল্যাবরেটরি পরীক্ষাতে যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তা খুবই কম। তবে তারা এখন পদ্ধতিটি আরো উন্নত করার জন্য কাজ করছেন। একটা সীমাবদ্ধতা হচ্ছে – তাদের দরকার ৬০% আপেক্ষিক আর্দ্রতার বাতাস। অন্যদিকে, ইয়াও এবং তার সহকর্মীরা মাত্র ২০% আর্দ্রতার বাতাসেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পেরেছিলেন। আর্দ্র বাতাসকে জ্বালানির উৎস হিসেবে ব্যবহারের লক্ষ্যে আরো একটি গবেষণা চালাচ্ছে পর্তুগালের একটি দল – যার অর্থায়ন করছে ক্যাচার নামে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের এক প্রকল্প।

    কোম্পানিটির প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন লিসবন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী সভিৎলানা ল্যুবচিক এবং তার ছেলে আন্দ্রিই।

    তারা একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করছেন যা এ বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন হবে। তারা কাজে লাগাচ্ছেন জিরকোনিয়াম অক্সাইডের তৈরি ১.৬ ইঞ্চি ব্যাসের একটি চাকতি – যা আর্দ্র বাতাস থেকে পানির অণু আটকে ফেলতে পারে এবং তাকে ক্ষুদ্র একটি চ্যানেলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত করতে পারে।

    এর ফলে যে চার্জ তৈরি হয় তা দেড় ভোল্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। এরকম দুটি চাকতি দিয়ে একটি এলইডি বাতি জ্বালানো সম্ভব।

    ল্যুবচিক বলছেন, আরো বেশি এই জিরকোনিয়াম অক্সাইডের চাকতি জোড়া দিলে আরো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।প্রক্রিয়াটির বিস্তারিত তথ্য এ বিজ্ঞানীরা এখনো প্রকাশ করেননি, বা অন্য বিজ্ঞানদের দিয়ে যাচাই করানো হয়নি। এই হাইগ্রো-ইলেকট্রিক্যাল পদ্ধতিগুলো নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে, বলছেন রাও। “এটা কীভাবে কাজ করে তার মূল নীতিগুলো নিয়ে আরো অনুসন্ধান দরকার।“

    তার পরে আছে এসব প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহারের প্রশ্ন। ক্যানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সারাহ জর্ডনের মতে , এসব প্রযুক্তিকে একদিকে যেমন যথেষ্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে হবে – আবার খরচের দিক থেকেও অন্য নবায়নযোগ্য প্রযুক্তিগুলোর সাথে পাল্লা দিতে হবে। সৌর বিদ্যুৎ ও বায়ুচালিত বিদ্যুৎ এর মধ্যেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আগামী দশকগুলোতে এগুলোর গুরুত্ব হয়তো আরো বেড়ে যাবে।

    কিন্তু তার পরও হাইগ্রো-ইলেকট্রিসিটি থেকে যে বিদ্যুতের নতুন উৎস বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে – তা আশার কথা, বলছেন রেশমা রাও।

    বিজ্ঞানীরা যখন বাতাসের আর্দতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে শতভাগ সক্ষম হবে তখন তা অবশ্যই সারা বিশ্বে একটি শুভ বার্তা নিয়ে আসবে। বাংলাদেশ এই দিক দিয়ে সফল হতে পারে। কেননা বাংলাদেশের বাতাসে প্রচুর আদ্রতা থাকে। সেই আদ্রতা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে দেশের ঘাটতি সহজেই বন্ধ করা সম্ভব বলে মনে করেছেন বিজ্ঞানিরা।

    সূত্র: বিবিসি বংলা

  • প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল ও লিভারপুলের খেলা ড্র

    প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল ও লিভারপুলের খেলা ড্র

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩: ঘরের মাটিতে প্রিমিয়ার লিগের খেলায় লিভারপুল হারাতে পারেনি আর্সেনালকে। র্শীষে ওঠার জন্য এই জয়টি প্রয়োজন ছিলো লিভারপুলের। ১৮ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষেই থাকল আর্সেনাল। সমান ম্যাচে এক পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে লিভারপুল।

    ঘরের মাঠ তাই সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল লিভারপুল। কিন্তু ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট ভাগাভাগির মাধ্যমে শীর্ষস্থানটা ধরেই রাখে আর্সেনাল। যদিও এগিয়ে গিয়ে না জিততে পারার আক্ষেপ থেকেই যাবে তাদের।

    অ্যানফিল্ডে রোমাঞ্চকর ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিক দল। মার্টিন ওডেগারের ফ্রি-কিক থেকে দারুণ হেডে আর্সেনালের খাতা খুলেন গ্যাব্রিয়েল। এরপর ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ওঠে লিভারপুল। আর্সেনালও ব্যবধান বাড়ানোর লক্ষ্যে খেলতে থাকে। কেউ কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলেনি। ২৯ মিনিটে অলরেডদের সমতায় ফেরান মোহামেদ সালাহ। ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের দূরপাল্লার পাস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর দুর্দান্ত শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন এই ফরোয়ার্ড।

    মৌসুমের শুরু থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর একের পর এক গল্প লিখে আসছে লিভারপুল। এই ম্যাচেও ভালো সুযোগ ছিল তাদের। সমান সুযোগ ছিল আর্সেনালেরও। তবে লিভারপুলকে অবশ্য দুর্ভাগাই বলতে হবে। দ্বিতীয়ার্ধে পাল্টা আক্রমণে গিয়ে মোহামেদ সালাহর পাসে ফাকায় বল পান আর্নল্ড। কিন্তু জাল খুঁজে না পেয়ে তার শট আঘাত হানে বারে।

    শেষদিকে এডি এনকেটিয়া নামলে আক্রমণের ধার অনেকটাই বেড়ে যায় আর্সেনালের। যদিও সেখান থেকে গোল আর পাওয়া হয়নি। লিভারপুলও বারবার ফিরে এসেছে ব্যর্থ হয়ে। ম্যাচ শেষ হয় সেই ১-১ গোলেই।