Author: Hello Bangla News

  • ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্রসেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

    ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্রসেতু যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪: ভারতের দীর্ঘতম সমুদ্রসেতু গতকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি উদ্বোধন করেন। সেতুটি আরব সাগরের জলভাগের ওপর নির্মিত। ভারতের দীর্ঘতম এই সমুদ্রসেতুটি ‘মুম্বাই ট্রান্স হারবার লিঙ্ক’ (এমটিএইচএল) প্রকল্পের আওতাধীন।

    এই জলভাগ ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে মুম্বাই শহরকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিলো। নির্মিত এ সেতুর কল্যাণে ২১.৮ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে লাগবে মাত্র ২০ মিনিট।

    প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর নামানুসারে এই সেতুটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সেওয়ারি-নবসেবা অটল সেতু’। সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে-সহ রাজ্য সরকারের মন্ত্রীরা।

    ২১.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটি তৈরিতে খরচ পড়েছে ১৭ হাজার ৮৪০ কোটি রুপি। পুরো প্রকল্পের খরচ ২১ হাজার কোটি রুপিরও বেশি। এর মধ্যে ১৬.৫ কিলোমিটার পথ রয়েছে সমুদ্রের ওপর দিয়ে। এই সেতু নবি মুম্বাই এবং মুম্বাইয়ের দুই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে যুক্ত করায় সুবিধা হবে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের।

    পাশাপাশি নবি মুম্বাইয়ে জওহরলাল নেহরু বন্দরে পণ্য পরিবহনে সুবিধা মিলবে। মুম্বাই থেকে পুণে, গোয়া এবং কর্নাটক যাত্রারও সময় কমবে।

  • বলিউড তারকাদের মানসিক অবসাদ এবং আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ে মতামত

    বলিউড তারকাদের মানসিক অবসাদ এবং আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ে মতামত

    www.HelloBangla.News – মতামত – ১৩ জানুয়ারি, ২০২৪: বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন কয়েক বছর আগে বলেছিলেন, “মা সবার আগে বুঝতে পারেন এই কান্নাটা অন্যরকম।”

    কেননা তিনি চরম একটা মানসিক অবসাদে ছিলেন। সবকিছুই অর্থহীন মনে হচ্ছিল। শারীরিক বা মানসিকভাবে কিছুই যেন অনুভব করতে পারছিলাম না। ভেতরটা ফাঁকা ফাঁকা লাগছিল। তিনি কেঁদে ফেলেছিলেন। আর এই কান্নাটার অর্থ উলব্দি করতে পারেন মা। তারপর সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।

    শুধু দীপিকা নয় বলিউডের অনেক তারাকা আছেন যারা মানসিক অবসাদে ভুগে থাকেন এবং এক পর্যায়ে আত্মহত্যার পথ খুজে নেন। এদের মধ্যে অন্যতম সুশান্ত সিংহ রাজপুত,  জিয়া খান, শ্রীদেবী, দিব্যা ভারতী, পারভিন ববি, সিল্ক স্মিতা, গুরু দত্ত, নাসিফা জোসেফ, অর্চনা পাণ্ডে, কুলজিৎ রণধাওয়া, বিবেকা বাবাজি, কুনাল সিংহ, মনমোহন দেশাই সহ আরও অনেকে। অনেক তারকা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ছিড়ে ধর্মিয় উপাসনার পথ বেছে নিয়েছেন।

    এদের মধ্যে সুশান্ত সিংহ রাজপুত,  জিয়া খান ছিলেন সম্ভাবনাময়। শ্রীদেবী অভিনয় জগতের সোনালী অধ্যায় পেরিয়ে এসে অনেক বয়সে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। বিষয়গুলো কেন হচ্ছে। এটা নিয়ে মতামত দিয়েছেন অনেকে।

     

    সম্প্রতি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে আলোচনার বিষয় ছিল, ‘আধ্যাত্মিকতা আর জীবন’। বিশেষ অতিথি ছিলেন অস্কার জয়ী সঙ্গীতকার এআর রহমান। ছেলেবেলায় সম্মুখীন হওয়া লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে জানিয়েছেন এক সময় তিনি নিজেকে শেষ করে দিতে ছেয়েছিলেন।

    অক্সফোর্ড ইউনিয়ন ডিবেটিং সোসাইটির ওই অনুষ্ঠানে পডুয়াদের সঙ্গে ‘আধ্যাত্মিকতা এবং জীবন’ নিয়ে কথোপকথনের সময় তিনি জানিয়েছেন, মায়ের বলা কয়েকটা কথা নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চিন্তার হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে তাকে শক্তি জুগিয়েছিল। রসদ দিয়েছিল বেঁচে থাকার।

    এআর রহমান একা নন, মানসিক অবসাদ এবং আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ে নিজেদের লড়াইয়ের কথা বলতে শোনা গিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের তারকারাদের।

    এই তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা ডোয়েন জনসন এবং লেডি গাগা, বিয়ান্সে, অ্যাডেল-এর মতো গায়িকারা, হ্যানামন্টানা খ্যাত মাইলি সাইরাস-সহ অনেক হলিউড তারকারাই। রয়েছেন, বলিউডের একাধিক সেলেব্রেটিও।

     

    যে সময়টাতে আত্মহত্যার চিন্তা আসত

    চরাই উতরাইয়ের কথা বলতে গিয়ে খ্যাতির শীর্ষে দাঁড়িয়ে থাকা এআর রহমান যে হতাশা, অবসাদ বা আত্মহত্যার চিন্তা কথা অকপটে বলবেন তা হয়তো আশা করেননি অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেউই।

    বাবাকে অল্প বয়সে হারানোর পর তাকে আর তার পরিবারকে আর্থিক সমস্যা-সহ একাধিক বাধা বিপত্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

    ছোটবেলা থেকে চলে আসা নিজের লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়ে এআর রহমান বলেন, “যে সময়ে আমার আত্মহত্যার কথা মনে হতো… যে সময়ে আমার বয়স কম। তখন মা বলতেন-যদি তুমি অন্যের জন্য বাঁচো, তাহলে এই সব চিন্তা আর মাথায় আসবে না। এটা মায়ের কাছ থেকে পাওয়া আমার জীবনের অন্যতম সবচেয়ে সেরা উপদেশ।”

    অক্সফোর্ড শিক্ষার্থীদের মধ্যে কেউ কেউ এআর রহমানকে প্রশ্ন করেছিল আধ্যাত্মিক বিষয়ে। সে প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জীবনযুদ্ধের আরও একটা পাতা উল্টে দেখেন তিনি।

    মি. রহমান বলেন, “আমরা সবাই অন্ধকার সময়ের মধ্যে দিয়ে যাই। আমরা এই পৃথিবীতে ছোট সফরে এসেছি এবং এটাই একটা ধ্রুব সত্য। আমরা জন্মেছি, আমরা চলেও যাব। এটা আমাদের স্থায়ী জায়গা নয়।”

     

     

    মানসিক অবসাদ নিয়ে কথা বলেছেন যারা:

    বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন বছর খানেক আগে মানসিক অবসাদ নিয়ে প্রথমবার কথা বলেছিলেন।

    একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এটা শুরু হয়েছিল। একদিন সকালে উঠে পেটে অদ্ভুৎ অনুভূতি হচ্ছিল। এমন একটা অনুভূতি যা আগে কখনও হয়নি। এরপর বেশ কয়েকদিন ভেতরটা শূন্য মনে হচ্ছিল, দিশাহীন, কোনও লক্ষ্য নেই।”

    “সবকিছুই অর্থহীন যেন। শারীরিক বা মানসিকভাবে কিছুই যেন অনুভব করতে পারছিলাম না। ভেতরটা ফাঁকা ফাঁকা লাগছিল। যার এই অনুভূতি হয়নি তাকে বুঝিয়ে বলাটা কঠিন পুরো বিষয়টা,” বলেছিলেন মিজ পাডুকোনে। অভিনেত্রীর মা প্রথমে লক্ষ্য করেন বিষয়টা।

    “মা সবার আগে বুঝতে পারেন এই কান্নাটা অন্যরকম। এটা কিন্তু কাজ বা প্রেমিক সংক্রান্ত বিষয় নয়। মা ক্রমাগত জিজ্ঞাসা করতে থাকেন আমায়। আমি কোনও নির্দিষ্ট কারণ বলতে পারিনি। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়ার কথা বলেন তিনি,” মিজ পাডুকোনে বলেছিলেন।

    তার মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতাও ছিল। তিনি বলেন, “এক এক সময় আত্মহত্যার কথাও মাথায় আসতো।”

    এছাড়াও ম্রুণাল ঠাকুর, আমিত সাধের মতো একাধিক তারকারাও আত্মহত্যার প্রবণতার কথা জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে, অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ খানের মতো একাধিক বিখ্যাত বলিউড তারকারা তাদের জীবনযুদ্ধের কথা বলতে গিয়ে হতাশা, অবসাদের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

    তার সংস্থা এবিসিএল-এর ভরাডুবির পর আর্থিকভাবে অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সে সময়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তবে হাল ছেড়ে দেননি। আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন।

    বলিউডের বাদশাহ হিসেবে পরিচিত শাহরুখ খানও হতাশার সম্মুখীন হন। কাঁধে চোট লাগার পর আগের মত পারফর্মেন্স করতে পারবেন কি না এই আশঙ্কা তাকে গ্রাস করেছিল।

    অবসাদের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছিল শাহরুখ খানকেও। তিনিও কিন্তু শারীরিক ও মানসিক বল জুটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়ান।

    তবে সবার ক্ষেত্রে তা হয়নি। আত্মহত্যার কারণে একাধিক প্রতিভাময় তারকাকে হারিয়েছে বলিউড।

    অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর বলিউডের অনেকেই মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।

    কিন্তু কেন এই অবসাদ, আর কেনই বা তারকাদের মধ্যে দেখা যায় আত্মহত্যার প্রবণতা?

     

    কেন মানসিক অবসাদ:

    বলিউড বা বিনোদন জগতের তারকাদের অবসাদের বা অন্যান্য মানসিক রোগের সঙ্গে লড়াই নতুন নয়। পারভীন বাবির মতো অনেকেই এর সঙ্গে লড়াই করেছেন।

    সাইকিয়াট্রিস্ট এবং কলকাতা ন্যাশানাল মেডিক্যাল কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. শর্মিলা সরকার বলেন, “প্রত্যেকটা জীবিকাতেই একটা লড়াই থাকে। তারকাদের ক্ষেত্রে এটা হয়তো একটু বেশি।”

    “অভিনেতা-অভিনেত্রী, গায়ক বা বিনোদন দুনিয়ায় যারা আছেন, তাদের প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়। চরাই উতরাই অনেকটা বেশি থাকায় বিনোদন জগতে অ্যাংজাইটি, ডিপ্রেশনের সমস্যাও বেশি দেখা যায়,” বলেন মিস্ সরকার।

    তার কথায়, “অনেকেই অনেক স্বপ্ন দেখেন কিন্তু হাতে গোনা কয়েকজনই খ্যাতি পান। বাকিরা সাফল্য পান না বা লাইম লাইটে পৌঁছানোর আগেই ফিরে আসতে হয়। অথবা নতুন মুখ এলে পুরানোদের জায়গা ছেড়ে দিতে হচ্ছে- এমন উদাহরণও বিস্তর রয়েছে। এটা অনেকেই মেনে নিতে পারেন না।”

     

    ‘তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নেই ’

    আরজি কর হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. রাজর্ষি নিয়োগী বলেন, “যদি ধরে নিই জনসংখ্যার পাঁচ শতাংশের মানসিক অবসাদ রয়েছে, তাহলে ১০০ জন তারকার মধ্যে পাঁচ জনের ডিপ্রেশন থাকবে। কিন্তু তাদের বিষয়টা আরও কঠিন।”

    বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ডিপ্রেশনের ডিটারমিনেন্টের মধ্যে (যে যে কারণে অবসাদ হতে পারে), সোশ্যাল ডিটারমিনেন্ট (সামাজিক মাপকাঠি), তাদের জীবন শৈলী, তাদের লড়াই, তাদের প্রতিযোগী সুলভ মনোভাব ইত্যাদি রয়েছে।

    “প্রতিনিয়ত তাদের প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়। ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকে না। তারা চায়ের দোকানে গিয়ে চা খেতে পারেন না বা মন খুলে আড্ডা দিতে পারেন না, এই ভয়ে যে সাধারণ মানুষ কী বলবে, যদি গণমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত জীবন ফাঁস হয়ে যায়। তারা মন খুলে বাঁচতেও পারেন না।”

    এছাড়াও মাদক সেবন বা অন্য নেশার কথাও উল্লেখ করেন ড. নিয়োগী।

    তার কথায়, “তারকাদের অর্থ আছে একই সঙ্গে মাদকও তারা সহজেই পেতে পারেন। এটা কিন্তু একটা বড় সমস্যা। দু’একজন উঠতি গায়ক গায়িকাদের মুখে শুনেছি মাদক সেবন না করলে নাকি গানই করা যায়না! মাদক সেবন কিন্তু মানসিক সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে। হয়তো ভাবে মাদক সেবন করলে ভাল লাগবে, তারপর সেটা আর মজার বিষয় থাকে না। নেশার পর্যায় চলে যায়।”

     

    টিকে থাকার লড়াই সহজ নয়:

    বিনোদন জগতে বিশেষত বলিউডে টিকে থাকার লড়াইটা সহজ নয়। বিশেষজ্ঞরাও জানিয়েছেন একই কথা।

    ড. শর্মিলা সরকার বলেন, কর্মজীবনে শুরুর দিকে লড়াইটা হয়তো বেশি থাকে। কিন্তু কষ্ট করে শক্ত মাটি তৈরি করার পর যদি তাকে ফিরে আসতে হয় তাহলে সেটা মেনে নেওয়া বেশ কঠিন। তখন মনের মধ্যে ঝড় চলতে থাকে। পরিবার এবং বন্ধুবান্ধবদের তার প্রতি উচ্চাশা থাকে।

    “এই অবস্থায় ফিরে আসাটা খুব মুশকিল। অনেক ক্ষেত্রে আমরা দেখেছি তারা মনে করেছে, -‘এত কষ্ট করে এসেছি, কী মুখে ফিরব। এর থেকে নিজেকে শেষ করে দেওয়া বোধ হয় সহজ।’ শুধু মানসিক অবসাদ নয়, ইম্পালসিভ হয়েও অনেকে এই চরমতম পদক্ষেপ নিয়েছেন এমনটাও আমরা দেখেছি। এই জগতে থাকতে গেলে ধৈর্য ধরাটা খুব দরকার।”

     

    সমস্যার কথা বলাটা কঠিন:

    বিশেষজ্ঞদের মতে তারকাদের অনেকেই সাহায্য চাইতে দ্বিধা বোধ করেন।

    “আমি দেখেছি, মুম্বাইয়ের তারকারা তাদের বাড়িতে বসে মনোবিদদের সঙ্গে কথা বলতে বেশি আগ্রহী। কিন্তু সাইকিয়াট্রিস্টের বা সাইকোলজিস্টের অফিসে কাউন্সিলিং সবচাইতে ভাল হয়। কিন্তু তারকারা চাইছেন তার বাড়িতে বসে কথা বলতে যাতে পাঁচকান না হয়। এবং সাইকোলোজিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্ট চুপিচুপি তার বাড়িতে যাচ্ছেন কাউন্সেলিং করতে,” বলেছেন ড. নিয়োগী।

    গোপনীয়তার কথা ভেবে কেউ কেউ অবশ্য টেলিফোন মারফত বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী।

    তবে মাধ্যম যাই হোক, অবসাদের ক্ষেত্রে কথা বলাটা, বিশেশজ্ঞের সাহায্য চাওয়াটা প্রয়োজন সে বিষয়ে জোর দিয়েছেন তিনি। একই কথা বলেছেন, ড সরকার।

    প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর সৌভিক মণ্ডল এ বিষয়ে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরেছেন।

    তিনি বলেন, অনেক সেলেব্রিটিরাই সমাজ মাধ্যমে বা সংবাদমাধ্যমের কাছে এই বিষয়ে কথা বলছেন, এটা প্রমাণ করে তাদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলার বিষয়ে ট্যাবুটা একটু হলেও কমেছে। যেমন দীপিকা পাডুকোন খুব সাবলীল ভাবেই তার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিলেন।

    মানসিক অবসাদ বা আত্মহত্যার প্রবণতার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সামাজিক অবস্থানের কথাও বলেছেন অধ্যাপক মণ্ডল।

    উদাহরণ স্বরূপ তিনি বলেন, “হয়তো এটার মধ্যে একটা ক্লাস ডায়নামিক্স আছে।”একই সঙ্গে তিনি লিঙ্গ-ভিত্তিক দিকের কথারও উল্লেখ করেন তিনি।

    “একজন নারীর পক্ষে তার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা একজন পুরুষের চাইতে কথা বলাটা কতটা সহজ বা কঠিন এটা কিন্তু দেখার বিষয়। সমাজে অন্য যে ধরনের স্টিরিওটাইপ বা ট্যাবু আছে, এক্ষেত্রেও কিন্তু সেটা প্রযোজ্য।”

     

    সাহায্যের হাত:

    মনোবিদদের পাশাপাশি বাবা-মা, পরিবার এবং পরিচিতদের সান্নিধ্য এবং সাহায্যের হাত যে মানসিক অবসাদের সঙ্গে লড়াইকে কিছুটা হলেও সহজ করে দেয় সে বিষয়ে জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    এআর রহমান বা দীপিকা পাডুকোন নিজেদের লড়াইয়ের কথা বলতে গিয়েও একই কথা বলেছেন।

    সে বিষয়ে ড সরকার বলেছেন, বাবা-মায়ের ভুমিকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। লেখাপড়ার ছাড়াও যদি জীবনে কেউ যদি অন্য পথ বেছে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান, তাহলেও বাবা-মায়ের উচিৎ পাশে থাকা। তারা যদি সন্তানকে এটুকু বুঝিয়ে বলতে পারেন, যাই হোক আমরা পাশে আছি, তা হলেই সমস্যা অনেকটা কমে যায়।

     

    তবে মানসিক অবসাদে ভুগলে প্রথমে বিষয়টি নিয়ে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সঙ্গে আলোচান করা উচিত তা না হলে সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। তাছাড়া গানশোনা, পড়া, সিনেমা দেখা ও ভ্রমণ করলেও মানসিক অবসাদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

     

    সূত্র : বিবিসি বাংলা

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যরা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ জানুয়ারি, ২০২৪: সরকার গঠনের শপথ নেওয়ার একদিন পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। রেকর্ড পঞ্চম এবং টানা চতুর্থবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা প্রথমে সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পরে, মন্ত্রিসভার নতুন সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে আরেকবার পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    পুষ্পস্তবক অর্পণের পর তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

    তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।

    পরে জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে এর আগে সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

    গত ৭ জানুয়ারি, ২০২৪-এ অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৯৮টির মধ্যে ২২২টি সংসদীয় আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের চার দিন পর শেখ হাসিনা পঞ্চম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে শেখ হাসিনা ও তাঁর নতুন মন্ত্রীদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো.সাহাবুদ্দিন।

    সূত্র: বাসস

  • এই বিজয় জনগণের বিজয় এবং গণতন্ত্রেরও বিজয়: প্রধানমন্ত্রী

    এই বিজয় জনগণের বিজয় এবং গণতন্ত্রেরও বিজয়: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ জানুয়ারি, ২০২৪: এই বিজয় জনগণের বিজয় এবং গণতন্ত্রেরও বিজয়, বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এ সময় তিনি আরও অঙ্গীকার করেছেন, ‘আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির পথে বাংলাদেশের যাত্রা অব্যাহত থাকবে।’

    আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী তার নতুন মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর জাতীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইতে স্বাক্ষর করার সময় এ কথা লিখেছেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘সোনার বাংলা’ গড়ার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি আরও লিখেছেন, ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়েছে।

    রেকর্ড পঞ্চম মেয়াদে এবং পরপর চতুর্থবারের মতো সরকার গঠনের শপথ নেওয়ার একদিন পর আজ বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সহকর্মীদের নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী তার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা ও প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা।

    ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২২২টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের চার দিন পর শেখ হাসিনা পঞ্চম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

    গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৬ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে শেখ হাসিনা ও তার নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ১১ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

  • পশ্চিমা বিশ্বসহ সব রাষ্ট্রদূত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    পশ্চিমা বিশ্বসহ সব রাষ্ট্রদূত সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ জানুয়ারি, ২০২৪: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা চতুর্থবারের মতো গঠিত নবনির্বাচিত সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা সব রাষ্ট্রদূত অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

    আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    হাছান মাহমুদ বলেন, “গতকাল (বৃহস্পতিবার) বঙ্গভবনে নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্রগুলোসহ প্রায় সব দেশের রাষ্ট্রদূতরা ছিল। অর্থাৎ বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানাতে তারা সবাই গিয়েছিল।”

    নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, “চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার মধ্যে যে পরিতৃপ্তি আছে, সেটি অন্য কিছুতে নেই। তথ্য মন্ত্রণালয় একটি চ্যালেঞ্জ ছিলো। আমি আপনাদের সহযোগিতায় সে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। এখন বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এবং পৃথিবীতে এখন বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধ চলছে, সে প্রেক্ষাপটে এটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জ।”

    তিনি বলেন, “জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সমস্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে আস্থায় রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবো, পূর্ব-পশ্চিম সবার সঙ্গে সম্পর্কের আরও উন্নয়ন ঘটাবো। আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়, সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং সেই নীতি নিয়েই আমরা সবার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলবো।”

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আজকে কাগজে দেখলাম, বিএনপি তালা ভেঙে তাদের অফিসে ঢুকেছে। অথচ তালাটা কিন্তু তারাই লাগিয়েছিল। তারাই লাগিয়ে তারাই ভাঙছে, অর্থাৎ একটা নাটক দেখাচ্ছে। বিএনপি নিজেরাই এ তালা লাগিয়েছিল। ৭৫ দিন ধরে কেউ যায়নি। চাবি ইচ্ছে করে হারিয়ে ফেলেছে বা চাবি আছে, এরপরও এভাবে তালা ভাঙার একটা নাটক করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার একটা অপচেষ্টা করছে।”

  • আমাদের চলার পথে কখনোই পুষ্প বিছানো ছিল না: সেতুমন্ত্রী

    আমাদের চলার পথে কখনোই পুষ্প বিছানো ছিল না: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১২ জানুয়ারি, ২০২৪: আমাদের চলার পথে কখনোই পুষ্প বিছানো ছিল না, বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিববহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “নতুন সরকারের সামনে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক তিনটি চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। এই তিনটি খাতে বিশ্ব সংকটের যে বাস্তবতা তার প্রতিক্রিয়া থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করা অত সহজ কাজ নয়। তবে আমাদের বিশ্বাস আছে আজকে যে সংকট তা অতিক্রম করে শান্তিপূর্ণ সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পেরেছি। এটা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার ম্যাজিক লিডারশিপের জন্য সম্ভব হয়েছে। আমাদের চলার পথে কখনোই পুষ্প বিছানো ছিল না। জন্ম থেকেই কণ্টকাকীর্ণ পথ অতিক্রম করতে হয়েছে।”

    শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে নতুন মন্ত্রিপরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদনের আগে গণমাধ্যমকে ওবায়দুল কাদের এসব কথা জানান৷

    নতুন সরকারের প্রধান কাজ কি জানতে চাইলে ওয়াবয়দুল কাদের বলেন, “আমরা মন্ত্রিপরিষদ বৈঠক করবো, যার যার দপ্তরে কাজ করবো। বিশেষ করে আমাদের ইশতেহার, সেই ইশতেহার বাস্তবায়নই আমাদের মূল টার্গেট।”

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা পেয়েছি আর বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তির কঠিন লড়াই অতিক্রম করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ করব।নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নই সরকারের মূল টার্গেট।”

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) টানা চতুর্থবারে মত সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সরকারের মন্ত্রিসভায় সদস্যরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

  • বরফে জমাট বাঁধা তরুণীর চুলের ভিডিও যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল

    বরফে জমাট বাঁধা তরুণীর চুলের ভিডিও যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১২ জানুয়ারি, ২০২৪: সুইডেনে এখন প্রচন্ড ঠান্ডা। সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৩০ ডিগ্রিরও নিচে তাই চারদিকে বরফের পুরু স্তূপ। এমন আবহাওয়ার মধ্যেই খোলা চুলে বাইরে বের হয়েছিলেন এক তরুণী। কিছুক্ষণ বাইরে থাকার পর বরফ পড়ে জমাট বেঁধে যায় তার মাথার চুল। ওই চুলের একটি ভিডিও করেন তরুণী, পোস্ট করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেটি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে নেট দুনিয়ায়।

    আজ শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওই তরুণী নাম এলভিরা লুন্ডগ্রেন। তিনি ইউরোপের দেশ সুইডেনের বাসিন্দা এবং বেশ জনপ্রিয় একজন ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার।

    এলভিরা জানিয়েছেন, তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ৩০ ডিগ্রি নিচে নেমে গেছে শুনেই বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিলেন। এত কম তাপমাত্রায় বাইরে বের হলে কী হয়, তা দেখতে চেয়েছিলেন।

    ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যায়, জমে যাওয়া চুল মাথার ওপরে মুকুটের মতো তুলে ধরছেন এলভিরা। জমাট বেঁধে যাওয়া চুল উপরে উঠিয়ে ও নিচে নামিয়ে দেখাচ্ছিলেন তিনি।

    সামাজিকমাধ্যমে এই ভিডিও নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মজা পেয়েছেন তরুণীর চুলের দশা দেখে। অনেকে আবার এই হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় যথেষ্ট প্রস্তুতি ও সুরক্ষা ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হওয়ার বিরোধিতা করেছেন। এই ঘটনাকে কেউ কেউ ওই তরুণীর ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা বলে মনে করছেন।

    জানা গেছে, এবার একটু বেশিই শীত পড়ছে সুইডেনে। গত ৩ জানুয়ারি দেশটির উত্তরাঞ্চলের তাপমাত্রা মাইনাস ৪৩ দশমিক ৬ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছিল, যা সুইডেনের গত ২৫ বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ২৫ বছর আগে দেশটির তাপমাত্রা মাইনাস ৪৯ ডিগ্রিতে নেমেছিল। ১৯৫২ সালেও এই একই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল।

    সুইডেনের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা এসএমএইচআইয়ের প্রধান ম্যাথিয়াস লিন্ড বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ১৯৯৯ সালের পর সুইডেনে জানুয়ারিতে মাইনাস ৪৩ দশমিক ৫ তাপমাত্রাই সর্বনিম্ন।

    ম্যাথিয়াস লিন্ড আরও জানিয়েছেন, উত্তরাঞ্চলের কেভিকজোক-আরেনজানকা কেন্দ্রে মাইনাস ৪৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ১৮৮৮ সাল থেকে তাপমাত্রার রেকর্ড রাখা শুরুর পর এই কেন্দ্রে এটিই সবচেয়ে কম তাপমাত্রার রেকর্ড।

    সুইডেনের সাধারণ মানুষ এ ধরনের আবহাওয়ার সঙ্গে পরিচিত। তবে গত কয়েকদিনে তাপমাত্রা এতই কমেছে যে, সেখানে অনেক জায়গায় বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, উমিয়া শহরের উত্তর অংশে বেশ কয়েক দিনের জন্য ট্রেনের সব শিডিউল বাতিল করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীনের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ জানুয়ারি, ২০২৪: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা পুনঃনির্বাচিত হওয়ায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    চীনের প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লেখা এক চিঠিতে বলেছেন, “তার দেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং নিজের পক্ষ থেকে ‘আমি আপনাকে আমার উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানাচ্ছি।”

    তিনি বলেন, “চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘ দিনের প্রতিষ্টিত বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী। তিনি আরো বলেন, ‘কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিগত ৪৯ বছরে আমাদের উভয় দেশই সবসময় একে অপরকে সম্মান করে, একে অপরের সাথে সমান আচরণ করে এবং পারস্পরিক সুবিধা অর্জন এবং উভয়পক্ষ সমানভাবে লাভবান হয়েছে।”

    শি জিনপিং বলেন, “আমরা একে অপরের মূল স্বার্থের সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে একে অপরকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি এবং যৌথভাবে প্রতিটি দেশের উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা করি, যা আমাদের দুই দেশের জনগণের জন্য স্পষ্ঠ সুবিধা নিয়ে আসে।”

    এ প্রসঙ্গে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে তাদের গত আগস্টের বৈঠকের কথা উল্লেখ করেন। যেখানে তারা উভয়েই চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেন।

    তিনি বলেন, “এটা প্রত্যাশিত যে, আমরা উভয় দেশ যে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছেছি তা বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা বাড়াতে, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরো উন্নীত করতে, উন্নয়ন কৌশলগুলোকে আরও সমন্বিত করতে, উচ্চ মানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতার উন্নীত করার জন্য আমরা যৌথ প্রচেষ্টা চালাবো। তাহলে চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্ব একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।”

    চীনা প্রেসিডেন্ট শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য, ফলপ্রসূ কর্মজীবন এবং জীবনের প্রতিটি  ক্ষেত্রে সাফল্য কামনা করেন।

    তিনি এই বলে শেষ করেন, “বাংলাদেশের সমৃদ্ধি এবং এর জনগণ সুখী হোক।”

    সূত্র: বাসস

  • নতুন মন্ত্রিসভার ৩৬ সদস্য আজ শপথ নিচ্ছেন

    নতুন মন্ত্রিসভার ৩৬ সদস্য আজ শপথ নিচ্ছেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১১ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গত ৭ জানুয়ারি (রবিবার) সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বুধবার নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পর সন্ধ্যায় নতুন মন্ত্রি ও প্রতিমন্ত্রীদের নাম জানা যায়।

    আজ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবে। নতুনরা শপথ নেওয়ার পর আগের মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

    এবার মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাচ্ছেন ৩৬ জন। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ১১ জন প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন। বুধবার রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন নতুন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা সাংবাদিকদের জানান।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, “আজ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়োগ করেন এবং তাকে নতুন সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন।”

    পূর্ণ মন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন, আ. ক. ম মোজাম্মেল হক, ওবায়দুল কাদের, নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, আসাদুজ্জামান খান, ডা. দীপু মনি, মো. তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফারুখ খান, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আনিসুল হক, হাছান মাহমুদ, আবদুস শহীদ, সাধন চন্দ্র মজুমদার, র আ ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, আব্দুর রহমান, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, আবদুস সালাম, মহিবুল হাসান চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন, ফরিদুল হক খান, জিল্লুল হাকিম, সাবের হোসেন চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, নাজমুল হাসান পাপন, ইয়াফেস ওসমান, ড. সামন্ত লাল সেন।

    প্রতিমন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন, বেগম সিমিন হোসেন রিমি, নসরুল হামিদ, জুনাইদ আহমেদ পলক, মো. আলী আরাফাত, মহিবুর রহমান, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাহিদ ফারুক, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, রুমানা আলী, শফিকুর রহমান চৌধুরী ও আহসানুল ইসলাম।

    উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২২২টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। একাদশ সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে পেছনে ফেলে স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ৬২ জন; যাদের মধ্যে ৫৯ জন আওয়ামী লীগেরই নেতা। জাতীয় পার্টির জয় পেয়েছে ১১টিতে। দুটিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের শরিক দল জাসদ ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং একটিতে জয় পেয়েছে কল্যাণ পার্টি। একটি আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

  • রমজানে ৮ টি পণ্য বাকিতে আমদানির সুযোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

    রমজানে ৮ টি পণ্য বাকিতে আমদানির সুযোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ১১ জানুয়ারি, ২০২৪: রমজান এলেই দেখা যায় বাজারে কিছু পণ্যের ঘাটতি পড়ে। আবার এই সব পণ্য রমজানে অপরিহার্য।  তাই পবিত্র রমজান উপলক্ষে খেজুর, চিনি, তেল, ছোলাসহ আটটি পণ্য বাকিতে আমদানির সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী রমজান মাসে পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে বৈদেশিক মুদ্রা অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোর কাছে পাঠিয়েছে।

    যে আট ধরনের পণ্যের ওপর এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে—ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, চিনি এবং খেজুর।

    নির্দেশনায় বলা হয়, এসব পণ্য ৯০ দিনের সাপ্লায়ার্স বা বায়ার্স ক্রেডিটের আওতায় আমদানি করা যাবে। এই সুবিধার সুযোগ থাকবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ।

    ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, সময়মতো আমদানির অভাবে যাতে এসব পণ্যের সংকট তৈরি না হয় এবং দাম না বাড়ে সেজন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সুযোগের ফলে বাকিতে পণ্য আমদানি করা যাবে। এখন ব্যাংকগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খুললে পণ্য সময়মতো চলে আসবে। এতে পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পণ্যের জোগান নিশ্চিত হবে।