Author: Hello Bangla News

  • উষ্ণতার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ২০২৩ সাল

    উষ্ণতার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ২০২৩ সাল

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ১০ জানুয়ারি, ২০২৪: উষ্ণতম বা সবচেয়ে গরব ছর হিসেবে বিগত ২০২৩ সাল একটি ব্যতিক্রমি দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে। কেননা এই বছরটি এক লাখ বছরের মধ্যে এমন উষ্ণতম বছর দেখেনি পৃথিবী। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র কোপারনিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের (সিথ্রিএস) পরিচালক কার্লো বুয়নটেম্পো মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    বুয়নটেম্পোর মতে, ২০২৩ সালের প্রতিটি মাসই উষ্ণ ছিল তবে জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে উষ্ণতার হার ছিল সবচেয়ে বেশি।

    রয়টার্সকে এ প্রসঙ্গে কার্লো বুয়নটেম্পো বলেন, “বৈশ্বিক জলবায়ুর নিরিখে ২০২৩ সাল ছিল ব্যাতিক্রমী বছর। এমনকি আমাদের জানা মতে বিগত সময়ে আমরা যেসব উষ্ণ বছর পার করেছি— সেদিক থেকেও ২০২৩ সাল ছিল আলাদা ক্যাটাগরির। কারণ আমাদের গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ বলছে, গত ১ লাখ বছরের মধ্যে এই প্রথম এত উষ্ণ একটি বছর দেখেছে পৃথিবী।”

    বিশ্বে অফিসিয়ালি আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যের রেকর্ড রাখার সংস্কৃতি শুরু হয় ১৮৫০ সাল থেকে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই শীর্ষ জলবায়ু বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, ১৮৫০ সালের তুলনায় বর্তমানে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১ দশমিক ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    ২০১৫ প্যারিসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল জাতিসংঘের বিভিন্ন সদস্যরাষ্ট্র। বৈশ্বিক তাপমাত্রা কোনোভাবেই ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি যেন না বাড়ে, সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ঐকমত্যে পৌঁছেছিল ‘প্যারিস চুক্তি’ নামে পরিচিত সেই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো।

    সেই লক্ষ্য থেকে বিশ্ব এখনও বিচ্যুত হয়নি। কিন্তু সিথ্রিএসের মতে, ২০২৩ সাল যে পরিমাণ উষ্ণ ছিল, তাতে সামনের বছরগুলোতে এই লক্ষ্য ধরে লাখা খুবই চ্যালেঞ্জিং হবে।

    ইংল্যান্ডের নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের অধ্যাপক বৈশ্বিক উষ্ণতার লাগামহীন বৃদ্ধি বন্ধ করতে কার্বন নিঃসরণ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দিয়েছেন।

    বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই অক্সাইড, মিথেনসহ বিভিন্ন গ্রীনহাউস গ্যাসের উপস্থিতি বেড়ে যাওয়া। এসব গ্যাস মূলত সূর্য থেকে আসা তাপ পৃথিবীর পরিবেশ ও বায়ুমন্ডলে আটকে রাখে।

    সিথ্রিএস জানিয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বজুড়ে রেকর্ড পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে। ইউরোপের প্রধান এই জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, শিল্পযুগ বা যন্ত্রসভ্যতার আগের বছরগুলোতে প্রতিদিন গড়ে যে তাপমাত্রা ছিল, তার তুলনায় ২০২৩ সালের প্রতিদিনের তাপমাত্রা ছিল ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি।

    এবং এ বছরের নভেম্বর মাসে প্রথমবারের মতো সেই তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। এছাড়া ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরের পর ২০২৩ সালেই প্রথমবারের মতো গড় তাপমাত্রা বেড়েছে দশমিক ১৭ সেলসিয়াস।

    তবে ২০২৩ সালের তাপমাত্রা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির লক্ষণ কি না— সে সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আরও বিস্তৃত গবেষণা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে সিথ্রিএস।

    ‘২০২৩ সালের উষ্ণতা বছর হতে পারে, কোনো বড় বিপর্যয়ের আগমনী বার্তা। তাই এই বিষয়ে এখন দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, বলে জানিয়েছেন সিথ্রিএসের উপ পরিচালক সামান্থা বার্গেস।

  • আবার সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা

    আবার সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন শেখ হাসিনা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১০ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদরা সপথ নিয়েছেন। এর পর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদ নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। সংসদীয় দলের সভায় সংসদ নেতা নির্বাচিত করা হয়।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শেখ হাসিনার নাম প্রস্তাব করেন এবং নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন ওই প্রস্তাবের পক্ষে সমর্থন জানান। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তা গ্রহণ করা হয়।

    সংসদ নেতা নির্বাচনের পাশাপাশি বৈঠকে সংসদ উপনেতাও নির্বাচিত করা হয়। একাদশ জাতীয় সংসদের উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরীকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে উপনেতা নির্বাচিত করা হয়।

    এদিকে, বর্তমান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে আবারও স্পিকার ও শামসুল হক টুকুকে আবারও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত হয়।

    বর্তমান হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী লিটনকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ হিসেবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। লিটন চৌধুরী আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

  • অস্ট্রেলিয়া দলের নেতৃত্বে ফিরলেন স্টিভ স্মিথ

    অস্ট্রেলিয়া দলের নেতৃত্বে ফিরলেন স্টিভ স্মিথ

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ১০ জানুয়ারি, ২০২৪: আগামী মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়া দলকে নেতৃত্ব দেবেন স্টিভ স্মিথ। দলের নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বিশ্রামে থাকায় স্মিথকে অধিনায়ক নির্বাচিত করেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। স্মিথের সহ-অধিনায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ট্রাভিস হেড।

    ২০১৮ সালে বল টেম্পারিং কাণ্ডে ক্রিকেট থেকেই নির্বাসিত হয়ে পড়েছিলেন স্মিথ। এর আগে দলের নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি। এরপর নিজের জায়গা ফিরে পেলেও, অধিনায়ক হিসেবে খুব একটা দেখা যায়নি তাকে। নিয়মিত অধিনায়কদের অনুপস্থিতিতেই কেবল দায়িত্বটা পেয়েছেন স্টিভেন স্মিথ।

    আরও একবার তেমন ঘটনাই ঘটতে যাচ্ছে স্মিথের জন্য। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সদরে ওয়ানডে দলের নেতৃত্বের ভার আবার নিচ্ছেন তিনি। ২০১৮ সালে বল টেম্পারিং-কাণ্ডে অধিনায়কত্ব হারানোর পর গত বছর ভারত সফরেও ওয়ানডে সিরিজে অধিনায়ক ছিলেন স্মিথ। মায়ের মৃত্যুতে কামিন্স দেশে ফিরে যাওয়ার পর দায়িত্বটা পেয়েছিলেন স্মিথ।

    এবারও প্যাট কামিন্স না থাকাতেই মূলত অধিনায়ক হচ্ছেন স্মিথ। মিচেল মার্শ, মিচেল স্টার্ক ও জশ হ্যাজলউডের সঙ্গে উইন্ডিজ সিরিজে ছুটি পাচ্ছেন নিয়মিত অধিনায়ক কামিন্স। দায়িত্বটা তাই নিতেই হচ্ছে স্মিথকে। এই সিরিজেই ওয়ানডে দলে একেবারে নতুন মুখ হিসেবে ফাস্ট বোলার ল্যান্স মরিসকে ডেকেছে অস্ট্রেলিয়া। বাদ পড়েছেন অলরাউন্ডার মার্কাস স্টয়নিস। আবার ২০২২ সালের পর প্রথমবার ওয়ানডে দলে ঢুকেছেন ঝাই রিচার্ডসন।

    একইদিনে আরেকটি দায়িত্ব পেয়েছেন স্মিথ। গত কয়েকদিনের গুঞ্জন সত্য করে স্টিভেন স্মিথকেই দেয়া হচ্ছে ইনিংস ওপেন করার দায়িত্ব। অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক জর্জ বেইলি নিজেই জানিয়েছেন এই তথ্য। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ওপেনার হিসেবে দেখা যাবে স্টিভেন স্মিথকে।

    মূলত ক্যামেরন গ্রিনের জন্য জায়গা করে দিতেই অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকদের এমন সিদ্ধান্ত। চার নাম্বার পজিশনে তার উপরেই লম্বা সময়ের জন্য ভরসা রাখতে চায় দেশটি। স্টিভেন স্মিথ নিজেও চার নাম্বার পজিশন থেকে নিজেকে ওপেনার হিসেবে দেখতে আগ্রহী।

     

    ওয়ানডে স্কোয়াড:

    স্টিভ স্মিথ (অধিনায়ক), ট্র্যাভিস হেড (সহ-অধিনায়ক), শন অ্যাবট, নাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যারন হার্ডি, জস ইঙ্গলিস, মার্নাস লাবুশেন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ল্যান্স মরিস, জায়ে রিচার্ডসন, ম্যাট শর্ট ও অ্যাডাম জাম্পা।

     

    প্রথম টেস্টের জন্য স্কোয়াড:

    প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স ক্যারে, ক্যামেরন গ্রিন, জস হ্যাজলউড, ট্র্যাভিস হেড, উসমান খাজা, মার্নাস লাবুশেন, নাথান লায়ন, মিচেল মার্শ, ম্যাথু রেনশো, স্টিভ স্মিথ ও মিচেল স্টার্ক।

  • ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ও বনানীতে বঙ্গমাতার প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা

    ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু ও বনানীতে বঙ্গমাতার প্রতি শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: গত ৭ জানুয়ারি (রবিবার) দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি এবং বনানীতে বঙ্গমাতাসহ ১৫ আগস্ট নিহত স্বজনদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের ভেতরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

    শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ফাতেহা পাঠ এবং ১৫ আগস্টের শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ ও শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকও এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন শেখ রেহানা, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, শেখ রেহানার পরে সেখানে আলাদাভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন শেখ রেহানা।

    এর আগে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বনানী কবরস্থানে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্ট নিহত স্বজনদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

  • নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ বুধবার

    নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ বুধবার

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটে নির্বাচিত নতুন সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ আগামীকাল বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ শপথবাক্য পাঠ করাবেন।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) সকালে গণভবনে এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

    এর আগে সংসদ সচিবালয় সূত্র বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার তথ্য জানিয়েছিল।

    এদিকে আজই মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করবে। সংবিধানের বিধান অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তিনদিনের মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে হবে।

    শপথ গ্রহণের পরই তিনি কার্যভার গ্রহণ করেছেন বলে গণ্য হবেন। ইতোমধ্যে শপথ গ্রহণের সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে ।

    গত ৭ জানুয়ারি সারা দেশে একযোগে ২৯৯ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে ২৯৮ আসনের ফল বেসরকারিভাবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

    কমিশনের তালিকা অনুয়ায়ী, নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে ২৯৮ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২২২ আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠা লাভ করেছে। নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ১১ এবং ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ ও কল্যাণ পার্টি একটি করে আসনে জয়ী হয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে জয়লাভ করেছে।

    নিয়ম অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর শপথের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্পিকারের কাছে তা পাঠাবে ইসি সচিবালয়। সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন ডাকতে হবে। তবে ভোটের কত দিনের মধ্যে গেজেট হবে, সেই বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

  • বিরোধী দল কারা হবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে: আইনমন্ত্রী

    বিরোধী দল কারা হবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে: আইনমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: বিরোধী দল কারা হবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে, বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় আপনাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার হওয়ার জন্য। বুধবার শপথ নেওয়ার পর স্বতন্ত্রদের অবস্থান কী হবে, তারা নিশ্চয়ই জানাবেন। তাদের অবস্থান ঘোষণা হওয়ার পরই বিরোধী দল কারা হবে, তা বুঝতে পারবেন।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

    আইনমন্ত্রী বলেন, “সংসদ সদস্যরা বুধবার শপথ নেবেন। আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংসদ নেতা ও পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার পর রাষ্ট্রপতি তাকে নতুন সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। তারপর নতুন সরকার গঠন হয়ে যাবে। নতুন সরকার যতক্ষণ পর্যন্ত গঠিত না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত বর্তমান সরকার দায়িত্ব পালন করবে।”

    আনিসুল হক বলেন, “সরকার গঠনের জন্য কোনো সময়সীমা নেই। কিন্তু রীতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পাঁচ-সাতদিনের মধ্যে নতুন সরকার ঘোষিত হয় ও শপথ নেয়। আমার মনে হয় এবারো তাই হবে।”

    তিনি বলেন, “কেন হতে পারবে না। স্বতন্ত্ররা যদি মনে করেন, তারা সরকারের সঙ্গে না থেকে নিজেরা একটা মোর্চা করবেন, অবশ্যই তারা সেটা করতে পারবেন। তখন বিরোধী দল হিসেবে কাকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, তা জানা যাবে। কিন্তু, আমার মনে হয় বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক আসন প্রয়োজন। স্বতন্ত্রদের যথেষ্ট আসন আছে। ৬২টি আসনে তারা জয়ী হয়েছেন।”

    আনিসুল হক আরও বলেন, “যারা স্বতন্ত্র নির্বাচিত হয়েছেন, তারা আওয়ামী লীগ হিসেবে নির্বাচিত হননি, তাদের প্রতীক ছিল ভিন্ন। নৌকা মার্কায় কেবল আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। কাজেই স্বতন্ত্ররা আওয়ামী লীগার, এটি মুখের কথা হতে পারে, কিন্তু আইনের কথা বা বাস্তবতার কথা তা নয়। তারা যদি মনে করেন একটি মোর্চা করেন, তখন বিরোধী দল কারা হবে, তখন নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

  • আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে: অর্থমন্ত্রী

    আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে: অর্থমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে, বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, “আমাদের অর্থনীতির প্রাণবিন্দু, মূল এলাকা যা আছে, তা হলো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। অন্য দেশের তুলনায় আমাদের রিজার্ভ ভালো অবস্থায় আছে। আমি দাবি করব ভালো।”

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “আইএমএফ যে টার্গেট (লক্ষ্যমাত্রা) দিয়েছে, তা কখনো পূরণ করা যাবে না। আইএমএফ কী টার্গেট দিয়েছে? বলুন। ১২ দিনের ইনকাম হলো আমাদের লায়াবিলিটি।”

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের যে রেমিট্যান্স আসে, সে পরিমাণে তো আমরা লোন নিচ্ছি না।  বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আমাদের কতো আছে, রেমিট্যান্স যা আসে, আরও ডাবল করা যায়।”

    ব্যাংকিং খাত নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “ব্যাংকিং খাতে আমরা রিফর্ম এনেছি। এ রিফর্মের কারণে আমরা এখনো জীবিত আছি। যদি আমাদের ৬-৯ সুদের হার না থাকতো….আমরা যদি আগের মতো সুদের হার ২২-২৪ শতাংশ রাখতাম, তাহলে এতদিন আমরা কোথায় চলে যেতাম, হারিয়ে যেতাম। দেশের অর্থনীতি হারিয়ে যেত, দেশের মানুষ হারিয়ে যেত। কিন্তু আজ আমরা সে কাজটি করতে দিইনি। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন, এটি সম্ভব।”

    সুদের হার বাড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “সুদের হার বাড়ে যদি, এটি অ্যাকুমুলেট করতে পারে, হোয়াই নট। আমরা অ্যাকুমুলেট করতে পারতাম না। আমরা সেগুলোকে রক্ষা করেছি। পরে আমাদের খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছিল। খেলাপি ঋণ যাতে না বাড়ে, সে জন্য আমরা এটিকে বাস্তব অবস্থায় নিয়ে এলাম। আমরা সময় বাড়িয়ে খেলাপি হতে দিইনি। দু-একটি ক্ষেত্রে আমরা অস্বাভাবিক লেনদেন লক্ষ্য করেছি। সেগুলো এবার থাকবে না।”

  • আধুনিক ফুটবলের কর্ণধার জার্মানির বেকেনবাওয়ার আর নেই

    আধুনিক ফুটবলের কর্ণধার জার্মানির বেকেনবাওয়ার আর নেই

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: জার্মান কিংবদন্তি বেকেনবাওয়ারকে বলা হয় আধুনিক ফুটবলের জনক। বেকেনবাওয়ার মাঠে খেলেছেন মাঠের বাইরে থেকেও মেধা আর প্রজ্ঞা নিয়ে দলকে লড়াই করার উৎসাহ দিয়েছেন। বলা যায় ফুটবলকে রীতিমত বদলে দিয়েছেন তিনি।

    এই জার্মানির হাতেই খুন হয়েছিল ইয়োহান ক্রুইফের ৭৪ সালের অনিন্দ্যসুন্দর টোটাল ফুটবল। আবার ১৯৯০ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার লাগাম টেনে ধরেছিল এই জার্মানিই। দুবারেই মাঠের ফুটবলের বাইরে মেধা ছিল একজনের। নাম তার ফ্রাঞ্চ বেকেনবাওয়ার। ৭৪ সালে ছিলেন খেলোয়াড় আর ৯০ এ কোচ। খেলোয়াড় আর কোচ দুই ভূমিকায় বিশ্বকাপ জিতেছেন কেবল তিনজন। এরমাঝে একজন জার্মানির বেকেনবাওয়ার। ফুটবল যিনি শুধু খেলেননি, রীতিমত বদলে দিয়েছেন।

    সেই অনন্য ফুটবলার বেকেনবাওয়ার পৃথিবীকে বিদায় জানিয়েছেন গতকাল। পরিবারের পক্ষ থেকে গতকাল (স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১২ মিনিট) বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

    জার্মানির সম্রাট দ্বিতীয় লুডভিগের মতোদেখতে হওয়ায় এক সাময়িকী বেকেনবাওয়ারের নাম দিয়েছিল ‘কাইজার।’ বাংলায় যা হয় সম্রাট। ষাটের দশকের মাঝামাঝি থেকে আক্ষরিক অর্থেই জার্মানির ফুটবলে আর ফুটবল ভক্তদের মাঝে সম্রাট হয়ে ছিলেন এই ক্ষুরধার ব্যক্তিত্ব।

    ব্রাজিলের ছিল পেলে। আর্জেন্টিনার ছিল ম্যারাডোনা। নেদারল্যান্ডসের ছিল ক্রুইফ। আর জার্মানির ছিল বেকেনবাওয়ার। জার্মানির এই ফুটবলারকে তর্কাতীত ভাবে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তবে তার নিজ দেশের মানুষ মনে করেন, তিনিই সবার চেয়ে সেরা। বেকেনবাওয়ার ছাড়া আর কোনও বড় ফুটবলার নেই।

    বেকেনবাওয়ার জার্মান ফুটবলের কতখানি জুড়ে আছেন, সেটা উয়েফার ‘এক্স’ পোস্ট থেকে বুঝে নেওয়া যায়, ‘…আর কেউ জার্মান ফুটবলকে তাঁর মতো এতটা পূর্ণতা দেননি।’

    বলা হচ্ছিল, বেকেনবাওয়ার ফুটবলকে বদলে দিয়েছেন আজীবনের জন্য। ফুটবল মাঠে লিওনেল মেসির ফ্রি রোলের ফুটবলের কথা কে না জানে। সেই ফ্রি রোলের ফুটবল পৃথিবীকে প্রথম দেখিয়েছিলেন এই জার্মান মায়েস্ত্রা। সুইপার, লিবেরো… আরও কত কত শব্দের জন্মটা হয়েছে এই বেকেনবাওয়ারের কল্যাণে! ফরোয়ার্ডে গার্ড মুলার, গোলবারে সেপ মায়ার, মাঝমাঠে উলি হোয়েনেস আর রক্ষণে ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। সত্তরের দশকে জার্মানি এবং বায়ার্ন মিউনিখে রাজত্বের কারিগর ছিলেন তারা। আর এই অদম্য দলের অধিনায়ক ছিল সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি।

    মিউনিখের গিসলিংয়ের ১৯৪৫ সালে জন্ম নেন বেকেনবাওয়ার। বয়সভিত্তিক ফুটবলের জন্য বেছে নেন মিউনিখের আরেক ক্লাব বায়ার্নকেই। শুরুতে তিনি ছিলেন একজন সেন্টার ফরোয়ার্ড। বায়ার্নের হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় ১৯৬৪ সালে। সে সময় বায়ার্ন আজকের মত নামী ক্লাব না। ক্লাবটি খেলত জার্মানির দ্বিতীয় সারির ক্লাবে। সেই বায়ার্নকে বুন্দেসলিগায় উঠে আসতে দারুণভাবে সহায়তাও করেন বেকেনবাওয়ার।

    এরপর বাভারিয়ানদের হয়ে যা করেছেন, তা ইতিহাসের পাতায় অনায়াসে ঠাঁই দেওয়া যায়। ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে তিনি দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হন এবং দলটিকে প্রথমবারের মতো বুন্দেসলিগার শিরোপাও এনে দেন। ১৯৭২-৭৪ সালের মধ্যে দলকে ঘরোয়া লিগের হ্যাটট্রিক শিরোপাও এনে দেন। এ সময় ইউরোপিয়ান ফুটবলেও বায়ার্ন হয়ে ওঠে অপ্রতিরোধ্য এক দল। ১৯৭৪-৭৬–এর মধ্যে হ্যাটট্রিক ইউরোপিয়ান শিরোপা জেতা দল হয়ে যায় তারা। যার পেছনে বড় অবদান অধিনায়ক বেকেনবাওয়ারের।

    ফুটবলের ব্যক্তিগত সম্মাননার সর্বোচ্চ স্বীকৃতি বলা চলে ব্যালন ডি’ অরকে। শেষ কবে একজন ডিফেন্ডার এই খেতাব জিতেছেন, সেটা দেখতে হলে ফিরে যেতে হবে ২০০৬ সালে। ডিফেন্ডারদের জন্য এই পুরস্কার পাওয়াই যেখানে কঠিন, সেখানে জার্মানির ফ্রাঞ্চ বেকেনবাওয়ার এই সম্মান জিতেছেন দুইবার।  ১৯৭২ ও ১৯৭৬ সালে ব্যালন ডি’অর জিতে নেন এই ডিফেন্ডার। ১৯৮৩ সালে যখন বুটজোড়া তুলে রাখছেন, ততদিনে তিনি সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার। পেলের পাশে ম্যারাডোনা নয়, তখন তর্ক চলতো বেকেনবাওয়ারের নামে।

    ফুটবলের জন্য তার মেধার কদর করতে ভোলেনি জার্মানি। ১৯৮৪ সালেই তার হাতে তুলে দেওয়া হয় জার্মানির দায়িত্ব। প্রথমবারেই দলকে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে নিয়ে যান বেকেনবাওয়ার। সেবার ডিয়েগো ম্যারাডোনার অতিমানবীয় ফুটবলের সঙ্গে সেবার পেরে ওঠেনি পশ্চিম জার্মানি। কিন্তু বেকেনবাওয়ার যেন হাল ছাড়ার পাত্র নন। চার বছর পর সেই আর্জেন্টিনাকে হারিয়েই কোচ হিসেবে বিশ্বকাপ জেতেন দ্য কাইজার।

    বেকেনবাওয়ারের প্রস্থানে শোকাহত ফুটবল দুনিয়া। সেই শোক স্পর্শ করেছে লিওনেল মেসিকেও। জার্মান কিংবদন্তি এই ফুটবলারের প্রস্থানের পর নিজের ইন্সটাগ্রামে তার ছবি পোস্ট করেছেন মেসি। শোকের বার্তা হিসেবে লিখেছেন ‘শান্তিতে ঘুমাও।’

    জার্মান কিংবদন্তির মৃত্যু স্পর্শ করেছে মেসির সতীর্থ এবং বিশ্বকাপজয়ী লেফট ব্যাক নিকোলাস টালিয়াফিকোকেও। জার্মানির জার্সি পরিহিত বেকেনবাওয়ারের ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম সেরা ডিফেন্ডার। শান্তিতে ঘুমাও কাইজার।

    তাকে হারানোর ধাক্কাটা যে কত বিশাল তা বোঝা যায় শিষ্য লোথার ম্যাথাউসের কথাতেই, ‘যদিও আমি জানতাম ফ্রাঞ্জ খুব একটা সুস্থ ছিলেন না, কিন্তু তাকে হারানোর ধাক্কাটা বেশ গভীর। খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে তিনি অন্যতম সেরা, মাঠের বাইরেও…। শুধু ফুটবল নয়, ফুটবলের বাইরেও ফ্রাঞ্জ অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। সম্মান কুড়িয়েছেন বিশ্বব্যাপী। যারা তাকে চেনে তারা সবাই জানে ফ্রাঞ্জ মানুষ হিসেবে কতটা মহান ও উদার  ছিলেন। একজন ভালো বন্ধু আমাদের ছেড়ে চলে গেল। আমি তাকে মিস করব, আমরা সবাই তাকে মিস করব। ‘

  • ফিলিপাইনে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকস্প আঘাত হেনেছে

    ফিলিপাইনে ৬.৭ মাত্রার ভূমিকস্প আঘাত হেনেছে

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইন। অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) রাতের আঁধারে দেশটিতে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৭। এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)। রিখটার স্কেলে ৬.৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সারঙ্গানি প্রদেশ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার (৬২.১ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে আঘাত হানে।

    ভূপৃষ্ঠের ৭০.৩ কিলোমিটার (৪৩.৬ মাইল) গভীরতায় এই ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে আঘাত হানে। অবশ্য কম্পনের জেরে আহত বা অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির কোনও তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া যায়নি।

    এর আগে গত ডিসেম্বরের শুরুতে টানা তিনদিন শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ফিলিপাইন। ওই তিনটি কম্পনের মাত্রা ছিল যথাক্রমে রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৮, ৬ দশমিক ৪ এবং ৭ দশমিক ৬।

    প্রথম দফার ভূমিকম্পের পর দেশটির উপকূলীয় এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। দেশটির সুরিগাও দেল সুর, দাভাও ওরিয়েন্টালের উপকূলীয় এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সুনামি সতর্কতা বাতিল করে বাসিন্দাদের বাড়িঘরে ফেরার অনুমতি দেয় দেশটির ভূকম্পবিদ্যা সংস্থা ফিভোলকস।

    এর আগে গত নভেম্বর মাসে ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ১৭ নভেম্বরের সেই ভূমিকম্পে দেশটির সারাঙ্গানি, কোটাবাটো এবং দাভাও প্রদেশে অন্তত আটজনের প্রাণহানি হয়। এছাড়া ভূকম্পনে আহত হন আরও ১৩ জন। ভূমিকম্পে দেশটিতে অর্ধ-শতাধিক বাড়িঘর এবং অন্যান্য ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    উল্লেখ্য, ফিলিপাইনে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। দেশটি ভূতাত্ত্বিকভাবে ভূমিকম্প সক্রিয় অঞ্চল ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ারে’ রয়েছে যা জাপান থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরজুড়ে বিস্তৃত।

  • বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানালেন

    বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানালেন

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ৯ জানুয়ারি, ২০২৪: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ৭ জানুয়ারি (রবিবার)। উক্ত নির্বাচনে টানা চতুর্থবার নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের ২০ জন রাষ্ট্রদূত।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়,  গণভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, আর্জেন্টিনা,  ইন্দোনেশিয়া, রিপাবলিক অব কোরিয়া, ব্রুনেই দারুসসালাম, মালয়েশিয়া, মিশর, আলজেরিয়া, কুয়েত, লিবিয়া, ইরান, ইরাক, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতরা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে স্ব স্ব দেশের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভিনন্দন জানান তারা।

    এ সময় রাষ্ট্রদূতরা তাদের দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের অভিনন্দন বার্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পৌঁছে দেন।

    তারা পারস্পরিক স্বার্থ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূতরা। বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ নিজ দেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।

    গণভবনে আগত রাষ্ট্রদূতদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে অব্যাহতভাবে সহযোগিতা করার জন্য এসব বন্ধু দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি।