Author: Hello Bangla News

  • দেশে-বিদেশে বিএনপি এখন তামাশার পাত্র: সেতুমন্ত্রী

    দেশে-বিদেশে বিএনপি এখন তামাশার পাত্র: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – রাজনীতি – ২১ জানুয়ারি, ২০২৪: দেশে-বিদেশে বিএনপি এখন তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, “বিএনপির আন্দোলন এখন দেশে-বিদেশে হাসি-তামাশার পাত্রে পরিণত হয়েছে। দলটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে।”

    আজ রবিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি দেওয়ার অধিকার বিএনপির রয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে ২৮ অক্টোবরের মতো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়, রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করে, মানুষ পুড়িয়ে মারে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করে, সেই অবস্থায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। বিএনপির আন্দোলনের স্পষ্ট নন, একবার তারা আন্দোলন অংশ হিসেবে নির্বাচন অংশগ্রহণ করে, আবার নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করে। আসলে বিএনপি তথাকথিত আন্দোলনের বারবার ডাক দিয়ে ব্যর্থ হয়ে রাজনৈতিক আন্দোলনকে হাসি তামাশার পরিণত করেছে।”

    বিএনপির কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করলে আমরা বাধা দেব না। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের অধিকার সবার রয়েছে। এটা গণতান্ত্রিক রীতি-নীতির বাইরে নয়।  কিন্তু আন্দোলন নামে সংঘাত, কর্মসূচির নামে তারা যদি সহিংসার আশ্রয় নেয়, সেই অবস্থা তাদের বিরুদ্ধে আইনপ্রযোগকারী সংস্থা তাদের দায়িত্ব পালন করবে।  রাজনৈতিকভাবে আমরাও মোকাবিলা করব।”

    এসময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

    শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ জানুয়ারি, ২০২৪: আজ ২০ জানুয়ারি। শহীদ আসাদ দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে তৎকালীন স্বৈরাশাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় প্রাণ হারিয়েছিলেন আসাদ। সেই থেকে দিনটিকে শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালনক করা হয়। এই উপলক্ষে আজ শনিবার ( ২০ জানুয়ারি) রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এক বাণীতে বলেন, “শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

    রাষ্ট্রপতি বলেন, “শহীদ আসাদ দিবস, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে অবিস্মরণীয় একটি দিন। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্রসমাজের ১১ দফা দাবি আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ।”

    রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদের আত্মত্যাগ আন্দোলনকে বেগবান করে। জেল-জুলুম উপেক্ষা করে স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হয় এবং গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। স্বৈরশাসক আইয়ুব ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন, পতন হয় স্বৈরশাসনের।”

    তিনি আরও বলেন, “এ গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ও নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে এবং দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কমনওয়েলথ মহাসচিবের অভিনন্দন

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কমনওয়েলথ মহাসচিবের অভিনন্দন

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২০ জানুয়ারি, ২০২৪: টানা চতুর্থ মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড।

    প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো একটি অভিনন্দন বার্তায় তিনি লিখেছেন, “কমনওয়েলথ সচিবালয় আপনার গুরুত্বপূর্ণ কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনাকে সমর্থন দিতে প্রস্তুত রয়েছে।”

    “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার পুনঃনির্বাচিত হওয়ার পর আপনাকে লিখতে পেরে আমি আনন্দিত।’ এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আপনি আপনার নতুন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করার সাথে সাথে অনুগ্রহ করে আমার উষ্ণ অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন।”

    বাংলাদেশ কমনওয়েলথ পরিবারের একটি মূল্যবান সদস্য উল্লেখ করে প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বলেন, “আমাদের বৈচিত্র্যময় দেশগুলো শান্তি, গণতন্ত্র এবং টেকসই উন্নয়নসহ আমাদের সনদে প্রতিফলিত অভিন্ন মূল্যবোধের দ্বারা আবদ্ধ।”

    তিনি উল্লেখ করেন, কমনওয়েলথে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং নেতৃত্ব তার সদস্যদের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়। এর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রের স্টুয়ার্ডশিপ এবং জলবায়ু পরিবর্তন, ডিজিটাল উদ্ভাবন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যুব, লিঙ্গ সমতা এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়গুলো।

    ‘আমরা আপনার পঞ্চম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী পদে দায়িত্বে থাকাকালীন অগ্রাধিকারের সম্পূর্ণ পরিসীমা অর্জনে বাংলাদেশকে সমর্থন দেয়ার জন্য এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার এবং গড়ে তোলার অপেক্ষায় আছি।’

    কমনওয়েলথ মহাসচিব বলেন, “স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশের ঐতিহাসিক যাত্রা সম্পর্কে তিনি সচেতন।”

    তিনি বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর আপনি যে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন তাতে আমি উৎসাহিত হয়েছি, যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নীতির ওপর জোর দিয়েছে।”

    এ প্রসঙ্গে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ উপদেশের কথাও স্মরণ করেন।

    তিনি বলেন, “এই মূল্যবোধগুলো আমাদের কমনওয়েলথ সনদে প্রতিফলিত হয়েছে, যা সহনশীলতা, শ্রদ্ধা বোঝার এবং টেকসই উন্নয়নের অনেকগুলো দিক অর্জনের আহ্বান জানায়। ”

    মহাসচিব বলেছেন, “তিনি জ্যামাইকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ব্রুস গোল্ডিংয়ের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য কমনওয়েলথ একটি স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের বিশেষজ্ঞ দল পাঠাতে পেরে আনন্দিত।”

    তিনি বলেন, “আমি টিমের প্রতিবেদনটি তার ফলাফল ও সুপারিশগুলো পাওয়ার জন্য এবং আপনার সাথে এগুলো নিয়ে আলোচনা করার সুযোগের অপেক্ষায় আছি।”

    প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড বলেছেন, “আমি আপনাকে লন্ডনের মার্লবোরো হাউসে স্বাগত জানাতে এবং সামোয়াতে ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য সপ্তাহব্যাপী পরবর্তী কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকে (সিএইচওজিএম) আপনার সাথে দেখা করার অপেক্ষায় রয়েছি।”

    শেষে তিনি উল্লেখ করেন, “আমি আপনার সার্বিক সাফল্য কামনা করি।”

    সূত্র: বাসস

  • ন্যাম সম্মেলনে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ন্যাম সম্মেলনে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ জানুয়ারি, ২০২৪: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ রোহিঙ্গা সমস্যার টেকসই সমাধান নিশ্চিতে  সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন । আজ শনিবার (২০ জানুয়ারি) উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় ১৯তম জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন-ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই আহ্বান জানান।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ১৯তম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

    তিনি একইসঙ্গে যেকোনো বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং শান্তির সংস্কৃতির প্রচারের আহ্বান জানান।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে ১৯৭৩ সালে আলজিয়ার্সে ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্যের উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর শান্তি, উন্নয়ন ও মানবাধিকারের উত্তরাধিকার সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

    ড. হাছান মাহমুদ ফিলিস্তিনের নির্যাতিত জনগণের প্রতি বাংলাদেশের অটুট সমর্থন পুনর্ব্যক্ত এবং তাদের জন্য ন্যায়বিচার দাবি করেন।

  • বাণিজ্যমেলায় ভোক্তারা প্রতারিত হবে না: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    বাণিজ্যমেলায় ভোক্তারা প্রতারিত হবে না: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – অর্থনীতি – ২০ জানুয়ারি, ২০২৪: বাণিজ্যমেলায় ভোক্তরার ভোক্তারা প্রতারিত হবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আহসানুল ইসলাম (টিটু)৷ তিনি বলেন, ভোক্তা অধিকারের সবাইকে কড়া নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, “এবারের মেলাতে যাতে কোনোভাবে মেলার দর্শনার্থী বা ভোক্তারা প্রতারিত না হয়৷ এজন্য অভিযোগ বক্স ও হেল্পডেক্স রাখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে এবারের মেলার মূল লক্ষ্য রপ্তানিকে বহুমুখী করে রপ্তানি বাণিজ্য বাড়ানো হবে।”

    আজ শনিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ- চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে  ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৪ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন৷

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ,  রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান।

    বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এ ভ্যানুতে তৃতীয়বারের মতো এ মেলার আয়োজন করতে যাচ্ছি। এ বছর মেলা প্রাঙ্গন দৃষ্টিনন্দন ও উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে সামনে আনার জন্য মেলার প্রবেশদ্বার করা হয়েছে কর্ণফুলি টার্নেলের আদলে। আর এক পাশে রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অপর পাশে বিমান বন্দরের থার্ড টার্মিনাল রয়েছে। এহুলো দৃশ্যমান করা হয়েছে উন্নয়নের যাত্রাকে অব্যাহত রাখতে। প্রবেশের পরেই রয়েছে বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন, যেখানে বঙ্গবন্ধু ওপর লেখা বিভিন্ন বইসহ অনেক ছবি রয়েছে।”

    তিনি বলেন, “উন্নয়ন একটি দর্শনের ওপর নির্ভর করে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে এখন স্মার্ট বাংলাদেশে করছি৷ আমরাও এবারের মেলাটাকে স্মার্টভাবে করার চেষ্টা করেছি। এ বছর অনেক ডিজিটাল প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। আগামীতে আমরা আরও বেশি উদ্যোগ নিয়ে করতে পারবো।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মেলার মূল উদ্দেশ্য গার্মেন্টেস খাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি বহুমুখী করতে পারি। এখানে আন্তর্জাতিক স্টলের থেকে দেশীয় স্টলগুলো যাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাণিজ্য করতে পারবে, রপ্তানি করতে পারবে এটাই আমাদের প্রধান ফোকাস।”

    তিনি বলেন, “আমাদের প্রচুর ইলেকট্রনিকস পণ্য মেলাতে অংশ নিয়েছে। এখাত অনেক এগিয়ে গেছে। আগামীতে আমরা চেষ্টা করবো আমাদের লোকাল যে শিল্পগুলো আছে হস্তশিল্প, ফার্নিচার, হিমায়িত খাদ্য পণ্য ফোকাস করা হবে। এছাড়াও চামড়া, পাট শিল্পকে গার্মেন্টসের মতো বেশি সুযোগ সুবিধা দিতে বলে প্রধানমন্ত্রী সেটা একটা প্রতিফলন আপনারা মেলাতে দেখতে পারবেন “

    আহসানুল ইসলাম বলেন, এবার মেলায় যাতায়তের সুবিধার জন্য মেট্রোরেল ও এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করতে ফার্মগেট থেকে বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে উত্তরা থেকে যারা মেলায় আসবে তারা মেট্রোরেল এসে ফার্মগেট থেকে বাসে এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে সোজা মেলায় চলে আসতে পারেন সেই সুবিধা রাখা হয়েছে। গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যত বেশি দর্শনার্থী আসবে তত বেশি লোকাল শিল্প উৎসাহিত হবে। মিডিয়ার জন্য আলাদা মিডিয়া সেন্টার করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য রপ্তানিকে বহুমুখী করার মাধ্যমে রপ্তানি বাণিজ্য বাড়ানো। গত ১৫ বছরে ৬ গুণ রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে পেরেছি। আমরা সেখানে বসে থাকতে চাই না। আমরা যদি পণ্যে বহুমুখীকরণ করতে পারি তাহলে আমাদের রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছি।”

    প্রতিমন্ত্রী টিটু বলেন, “আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য বাড়াতে চাই। রপ্তানি বাড়াতে না পারলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বাড়াতে পারবো না। আমাদের দুইটা মূল লক্ষ্য লোকাল কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়ানো। প্রধানমন্ত্রী যে পণ্যকে বর্ষপণ্য ঘোষণা করুক না কেন। আমরা সারা বছর সেটা নিয়ে কাজ করবো। আপনারা জানেন এবার প্রথম মেলায় ই-কর্মাস সেবা শুরু হয়েছে। সেটাকে আরও বেগবান করবো। যাতে সারা দেশের মানুষ এ সুবিধা পেতে পারেন।”

    এ মেলাকে কতটা আন্তর্জাতিক মেলা বলতে পারি সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা বলার চেষ্টা করছি এজন্য যে আমাদের লোকাল শিল্পগুলো যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে যাওয়ার একটা সুযোগ পায়। এখানে শুধু প্রদর্শনী হয় যে আমাদের কি কি আন্তর্জাতিক মানের পণ্য রয়েছে। আমরা বেশি উৎসাহিত করে আনছি না এ কারণে যে বিদেশিরা একমাসের মেলাতে আসতে চায় না। আমাদের লক্ষ্য রপ্তানি বহুমুখীকরণ। আর পণ্যেগুলো বিদেশিদের দেখানোই উদ্দেশ্য।”

    মন্ত্রী আরও বলেন, “আমি  আজকে ইপিবি, ভোক্তা অধিকারের সবাইকে কড়া নির্দেশ দেবো, যাতে কোনোভাবে মেলার দর্শনার্থী বা ভোক্তারা যাতে প্রতারিত না হয়৷ এখানে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার কোনো সুযোগ রাখবো না। এটা আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি। যদি মেলাতে কোনো মানহীন পণ্য থাকে সেটা মেলা প্রদর্শন বন্ধের ব্যবস্থা ভোক্তা অধিকার নেবে। আমি দুইটা বিষয় নিশ্চিত করতে চাই, আমাদের ভোক্তার কর্মকর্তারা প্রতিটা স্টলে যাবে, যাতে ভোক্তারা প্রতারিত না হয় সেক্ষেত্রে শতভাগ চেষ্টা করবো। অভিযোগ থাকলে যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    তিনি বলেন, “আমাদের দেশে বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটা দেশের ট্রেড মিশনের কর্মকর্তারা রয়েছে। তারা কিন্তু মেলাতে আসেন। তবে এবার আমি ইপিবিকে অনুরোধ করবো তারা যখন আসবে তাদের এক সঙ্গে নিয়ে আসতে বলবো। এছাড়া আমরা নারায়ণগঞ্জ পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বসবো নিরাপত্তার জন্য। আমরা ধাপে ধাপে সব করবো।”

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, “এবার মেলায়, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, হংকং, ইরান, ভারত, পাকিস্তানসহ ১৬ থেকে ১৮টি বিদেশি প্যাভিলিয়ন থাকবে। এছাড়া একটি হেল্পডেক্স, অভিযোগ বুথ করে দেওয়া হবে। আর একটা বিষয় আগামীতে মেলায় কোনো ম্যানুফেকচারার বঞ্চিত হবে না। তাদের দেওয়ার পরও আমরা কমার্সিয়াল স্টল বরাদ্দ দেবো৷ মেলা আয়োজন করতে হলে সব কিছুর একটা সমন্বয়ের প্রয়োজন হয়।”

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, “গত দুই বছর রাস্তার কিছুটা সমস্যা ছিল। এবার রাস্তা অনেক ভালো, ফলে অনেক দর্শনার্থী আসবে বলে আশা করছি। আমরা চেষ্টা করছি একটি ভালো মেলা অনুষ্ঠানের জন্য।”

    রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান এ.এইচ.এম আহসান বলেন, “মেলাকে কেন্দ্র করে সিকিউরিটির ইস্যু থাকে। সেজন্য আমরা ৫০ জনের আউটসোর্সিং করে নিরাপত্তার জন্য লোকবল নিয়োগ দিয়েছি। এছাড়াও পুলিশ-আনসার থাকবে। প্রয়োজনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে র‌্যাব কাজ করবে। পরিষ্কার-অপরিচ্ছন্নতার জন্য ১০০ জন ক্লিনার নিয়োগ করা হয়েছে। যাতায়াতের জন্য বিআরটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের বাস থাকবে। এবার ফার্মগেট থেকেও বাসে উঠা যাবে। ফলে খুব অল্প সময় মেলা কেন্দ্রে আসা যাবে।”

  • সানিয়ার বিচ্ছেদের জল্পনা সত্যি হয়েছে শোয়েবের বিয়েতে

    সানিয়ার বিচ্ছেদের জল্পনা সত্যি হয়েছে শোয়েবের বিয়েতে

    www.HelloBangla.News – খেলাধুলা – ২০ জানুয়ারি, ২০২৪: ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জা ও পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক শোয়েব মালিকের বিয়ে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছিলো। দুই দেশের বিবাদমান পরিস্থিতির মধ্যে একটা শান্তির আবহ তৈরি হয়েছিলো এই বিয়ের মাধ্যমে। ২০১০ সালে এই দুই তারকা খেলোয়াড়ের বিয়ে হয় এবং ২০১৮ সালে তারা জীবনে আসে নতুন অতিথি। শোয়েব মালিক তার টুইটারে জানিয়েছিলেন মা ও শিশু দুজনেই ভালো আছেন। নতুন বাবা মা হওয়া এই তারকা দম্পতিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানায় অনেকে। তখনি একটি বিষয় প্রতীয়মান হয় যে এই তারকা দম্পতির কয়েক কোটি ভক্ত আছে দুই দেশে। সন্তান জম্মের কয়ে বছরের মধ্যে তাদের দাম্পত্য জীবনের অস্তিরতার নানা ‍গুজঞ্জন শোনা যায়। অবশেষে তাই বাস্তবতার রূপ নিল শোয়েব মালিকের বিয়ের মাধ্যমে।

    ভারতীয় টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার সঙ্গে বিচ্ছেদের জল্পনার মাঝেই বিয়ে করলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেটার। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে নিজেই জানালেন বিয়ের কথা। সানিয়া এখন ব্যস্ত অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ধারাভাষ্য দিতে। তার মাঝেই পাকিস্তানে বিয়ে সেরে ফেললেন শোয়েব। পাক অভিনেত্রী সানা জাভেদকে বিয়ে করেছেন তিনি। তার সঙ্গে ছবিও পোস্ট করেছেন শোয়েব।

    গত বুধবার  সোশ্যাল মিডিয়ায় সানিয়ার একটি পোস্টে বিচ্ছেদের ইঙ্গিত ছিল। সানিয়ার যে পোস্ট করেছিলেন তার অর্থ, ‘‘বিয়ে কঠিন। বিচ্ছেদও কঠিন। নিজের কঠিনটাকে বেছে নিন। মুটিয়ে যাওয়াটা ভাল নয়। ফিট থাকাও কঠিন। নিজের কঠিনটা বেছে নিন। ঋণের মধ্যে থাকা কঠিন। অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন। নিজের কঠিনটা বেছে নিন। যোগাযোগ রাখা কঠিন। যোগাযোগ না রাখাও কঠিন। নিজের কঠিনটাকে বেছে নিন। জীবন কখনও সহজ নয়। এটা সব সময় কঠিন। কিন্তু আপনি আপনার কঠিনটা বেছে নিতে পারেন। বেছে নিন।’’

    তার দু’দিন আগে সমাজমাধ্যম থেকে শোয়েবের সব ছবি মুছে দিয়েছিলেন ভারতের টেনিস তারকা। একটিমাত্রই ছবি রয়েছে। সেখানে সানিয়া এবং শোয়েবের সঙ্গে তাঁদের ছেলে ইজ়হান রয়েছেন। সেই ছবির ক্যাপশনে শোয়েবের বিশেষ নামোল্লেখ নেই। ইজ়হানের জন্মদিন উপলক্ষে সেই ছবিটি পোস্ট করেছিলেন সানিয়া। সেই ছবি বাদে শোয়েবের সব ছবি মুছে দিয়েছিলেন সানিয়া।

    কিছু দিন আগে পর্যন্তও শোয়েবের ইনস্টাগ্রাম বায়োতে লেখা থাকত সানিয়ার স্বামী হিসাবে। এর পর নিজেকে একজন ‘সুপারউওম্যান’-এর স্বামী হিসেবেও উল্লেখ করেছিলেন শোয়েব। সেই বাক্য সরিয়ে নিয়েছেন। এমনকি তাঁর ইনস্টাগ্রামেও সানিয়ার ছবি খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে ছেলে ই‌জ়হানের সঙ্গে অনেক ছবি দেখতে পাওয়া গিয়েছে।

    গত বছর থেকেই সানিয়া এবং শোয়েবের সম্পর্কে চিড় ধরার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। সানিয়ার বাড়িতে ইফতার পার্টিতে ছিলেন না শোয়েব। ইফতার পার্টির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে দিয়েছিলেন সানিয়া। সেখানে ছেলে ইজ়হান-সহ পরিবারের বাকিরা ছিলেন। কিন্তু পাকিস্তানের ক্রিকেটারকে দেখা যায়নি। ভিডিয়োর ক্যাপশনে সানিয়া লিখেছিলেন, ‘‘প্রিয়জনদের সঙ্গে ইফতার।’’ তার পরেই অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তা হলে কি সানিয়ার প্রিয়জনদের তালিকায় আর শোয়েব নেই। নইলে তিনি কেন বাদ পড়লেন? উত্তর হয়তো পাওয়া গেল আজ শনিবার (২০ জানুয়ারি)। সানিয়া এবং শোয়েবের বিচ্ছেদের জল্পনার মাঝেই বিয়ে সেরে ফেললেন পাক ক্রিকেটার।

    ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল এক হয়েছিল চার হাত। ক্রিকেট ব্যাট বা টেনিসের র‌্যাকেটের ঢোকাঢুকি ছিল না। বরং দুই দেশের কাঁটাতারের বিভেদ, সমালোচনা ঢাকা পড়েছিল দুই ক্রীড়াবিদের ভালবাসায়। হায়দরাবাদ হোক বা দুবাই অথবা করাচি, হাতে হাত রেখে হাসিমুখে দেখা গিয়েছে দু’জনকে। পাকিস্তানের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ককে বিয়ে করলেও সানিয়া ভারতের হয়েই টেনিস খেলে গিয়েছেন। শোয়েবও ঘরজামাই হয়ে সচিন তেন্ডুলকরদের সতীর্থ হওয়ার চেষ্টা করেননি।

    সমাজমাধ্যমে মাঝেমধ্যেই ভেসে উঠত সানিয়া-শোয়েবের ছবি। একসঙ্গে। পাশাপাশি। চোখে চোখ। হাতে হাত। সেই সমাজমাধ্যমও এ বার চুপ। সানিয়াকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানাননি শোয়েব। টেনিস তারকাও বিশেষ দিনের কথা ভাগ করে নেননি অনুরাগীদের সঙ্গে। কিছু আগেও সানিয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন শোয়েব। গত কয়েক মাসে তাদের পারিবারিক পোস্ট বলতে ছেলে ইজ়হানের সঙ্গে। কোথাও শোয়েবের সঙ্গে সানিয়া নেই। সানিয়ার পাশেও শোয়েব নেই। কোথাও নেই বিয়ের জন্মদিনের কথা।

    বিচ্ছেদ নিয়ে কেউ মুখ খোলেননি। পরস্পরকে কখনও দোষারোপ করেননি। এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গিয়েছেন দু’জনেই। সানিয়া টেনিসকে বিদায় জানিয়েছেন। শোয়েব এখনও টেনে নিয়ে চলেছেন ক্রিকেটজীবন। পাক অভিনেত্রী আয়েষা ওমরের সঙ্গে শোয়েবের ঘনিষ্ঠতাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল সম্পর্কের টানাপড়েন। সেই ফাটল ক্রমশ বেড়েছে। অবশেষে শোয়েব বিয়ে করলেন সানা জাভেদকে।

    বিয়ের পর অবশ্য সানিয়ার চলা ফেরা ও স্বল্প ড্রেসে টেনিস খেলাটা নিয়ে অনেকে বিরুপ মন্তব্য করেছিলোন। কিন্তু শোয়েব তাতে খুব একটা প্রতিক্রিয়া দেখাননি। প্রায় ১৩ বছরের দাম্পত্য জীবনে কোন চন্দ পতন ঘটেনি। কিন্তু ২০২৪ সালে এসে হঠাৎ শোয়েবের বিয়ে তাদের ভক্তদের হৃদয়ে ক্ষরণ হচ্ছে। হওয়াটা স্বাভাবিক, কেননা সানিয়া ও শোয়েবের বিয়ে দুই দেশের কাঁটাতারের বিভেদে গোলাপের মুগ্ধতা ছড়িয়ে দিয়েছিলো।

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী সানা জাবেদ অভিনয় জগতে বিচরণ করেন ২০১২ সালে। শোয়েবের মতো সানা জাভেদও বিয়ে করেছিলেন। সানা জাভেদের আগে শোয়েব মালিক বিয়ে করেছেন আরো ২টি।

     

    প্রথম বিয়ে করেছিলেন আয়েশা সিদ্দিকীর সঙ্গে। ২০১২ সালে তিনি ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জাকে বিয়ে করেন।

    সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

  • শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রেরণা যোগাবে: প্রধানমন্ত্রী

    শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রেরণা যোগাবে: প্রধানমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ জানুয়ারি, ২০২৪: শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের প্রেরণা যোগাবে, কলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, “১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ সবসময় আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে প্রেরণা যোগাবে।”

    আজ শনিবার (জানুয়ারি ২০) শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এই দিনটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৬৯ সালের এই দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় চলমান মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এভাবে আরও অনেক প্রাণ ঝরে যায় এবং অনেকে আহত হন। পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক আচরণ, নির্যাতন এবং দমন-পীড়নে বাংলার মানুষ যখন দিশেহারা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ছয়-দফা তখন বাঙালির মুক্তির দিশারী হিসেবে আবির্ভূত হয়। ছয়-দফা হয়ে ওঠে বাঙালির প্রাণের দাবি।”

    শেখ হাসিনা বলেন, “ছয়-দফার পক্ষে প্রবল জনমতের জোয়ার দেখে আতঙ্কিত সামরিক জান্তা আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে, যা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে সমধিক পরিচিত। বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঘোষিত ছয়-দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পরিণত হন নিপীড়িত ও নির্যাতিত বাঙালির মুক্তির মূর্ত প্রতীকে।”

    তিনি আরও বলেন, “কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মুক্তির দাবিতে গর্জে উঠে সারা বাংলার মানুষ। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় ছাত্র-জনতার চলমান মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে আসাদুজ্জামান শহীদ হন এবং অনেকে আহত হন। শহীদ আসাদের এই আত্মত্যাগ চলমান আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণিপেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে। সেদিনের সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। জনতার কঠিন রুদ্ররোষ ও গণ-আন্দোলনের চাপের মুখে পাকিস্তানি স্বৈরসরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের করা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের।”

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যাঁরা আত্মাহুতি দিয়েছেন তাঁদের অবদান আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আমি মনে করি, শহীদদের আত্মত্যাগ কখনও বৃথা যাবে না।”

    পরে শহীদ আসাদসহ বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সব শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • চীনের একটি স্কুলে আগুন লেগে ১৩ জনের মৃত্যু

    চীনের একটি স্কুলে আগুন লেগে ১৩ জনের মৃত্যু

    www.HelloBangla.News – আন্তর্জাতিক – ২০ জানুয়ারি, ২০২৪: চীনের মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ হেনানের ইয়ানশানপু গ্রামের একটি স্কুলের ডরমেটরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৩ জন নিহতের সংবাদ পাওয়া গেছে। একটি স্কুলে এই ধরণের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রদেশটির মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    অগ্নিনির্বাপক দল প্রায় ৪০ মিনিট তৎপরতায় স্থানীয় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আগুনে ১৩ জন নিহত এবং একজন আহতও হয়েছে। তবে নিহতের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা কত জন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    অগ্নিকাণ্ডের কারণ নির্ণয়ে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ডরমেটরির এক কর্মাচারী আটক করা হয়েছে।

    চীনে ভবনে আগুনের ঘটনা এবং এর জেরে প্রাণহানি প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    গত বছরের শেষের দিকে দেশটির শ্যাংজি প্রদেশের একটি  কয়লা কোম্পানির হেড অফিসে আগুন লেগে ২৬ নিহত হয় এর আগে একটি হাসপাতালে আগুন লেগে ২৯ জন নিহত হয়। উত্তরপূর্বাঞ্চলে একটি ব্যায়ামাগারের ছাদ ধসে নিহত হয়েছিলেন অন্তত ১১ জন।

    দেশটিতে ভবনগুলোর নিরাপত্তা ঘাটতি প্রায় সময় আলোচিত হয়ে আসছে কিন্তু তার পরেও আগুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে।

  • উত্তরা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণের সমীক্ষা চলছে: সেতুমন্ত্রী

    উত্তরা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণের সমীক্ষা চলছে: সেতুমন্ত্রী

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ২০ জানুয়ারি, ২০২৪: উত্তরা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত মেট্রোরেল সম্প্রসারণের সমীক্ষা চলছে, বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    আজ শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে এমআরটি লাইন-৬ এর প্রশাসনিক ভবনে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন করে এ তথ্য জানান তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, “মেট্রোরেল মতিঝিল থেকে কমলাপুর অংশের নির্মাণ কাজ আগামী বছরের জুনে শেষ হবে।

    শনিবার থেকে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল সকাল-সন্ধ্যা চালু হয়েছে। ফলে রাজধানীবাসীর দীর্ঘদিনের যানজটের ভোগান্তির অবসান হলো।

  • জাতিসংঘের মহাসচিব অভিনন্দন জানিয়েছেন শেখ হাসিনাকে

    জাতিসংঘের মহাসচিব অভিনন্দন জানিয়েছেন শেখ হাসিনাকে

    www.HelloBangla.News – জাতীয় – ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪: টানা ৪র্থ মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

    বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ অভিনন্দন জানান।

    অভিনন্দন বার্তায় জাতিসংঘের মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হওয়ার জন্য আমি আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই।

    তিনি বলেন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে প্রধান অবদান, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রতি উদারতা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রচেষ্টাসহ বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্বকে জাতিসংঘ  গভীরভাবে মূল্যায়ন করে। আমি গ্লোবাল ক্রাইসিস রেসপন্স গ্রুপে আপনার অংশগ্রহণের জন্যও কৃতজ্ঞ। আমি বিশ্বাস করি যে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কারসহ ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমি আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষায় আপনার সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে পারি।

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থে জাতিসংঘ কান্ট্রি টিমের মাধ্যমে আপনার সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।